Dr. A R M Saifuddin Ekram

Dr. A R M Saifuddin Ekram Medicine Specialist

20/05/2026

বদলে যাচ্ছে পেরি-অপারেটিভ মেডিসিনের দিগন্ত। লিঙ্ক কমেন্টে।

বদলে যাচ্ছে পেরি-অপারেটিভ মেডিসিনের দিগন্ত।
20/05/2026

বদলে যাচ্ছে পেরি-অপারেটিভ মেডিসিনের দিগন্ত।

, , , ...

19/05/2026

“অবলা” পুরুষ! নিজের হাড্ডি ক্ষয়ে গেলেও তার খবর থাকে না।
লিঙ্ক কমেন্টে।

17/05/2026

১৭ই মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “একসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি।” ২০২৫ সালের AHA-ACC হাইপারটেনশন গাইডলাইনের আপডেটের জন্য দেখুন। লিঙ্ক কমেন্টে।

১৭ই মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “একসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি।” ২০২৫ সালের AHA-ACC হাইপার...
17/05/2026

১৭ই মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “একসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি।” ২০২৫ সালের AHA-ACC হাইপারটেনশন গাইডলাইনের আপডেটের জন্য দেখুন।

, , , , , , , , , ...

॥পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন॥ডিসিপ্লিন হিসেবে মেডিসিনের অনেক শাখা-প্রশাখা রয়েছে। তেমন একটি নতুন শাখার নাম পেরি-অপারেটিভ মেডিস...
16/05/2026

॥পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন॥

ডিসিপ্লিন হিসেবে মেডিসিনের অনেক শাখা-প্রশাখা রয়েছে। তেমন একটি নতুন শাখার নাম পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন (Perioperative medicine)। বর্তমানে এই শাখাটির গুরুত্ব বাড়ছে এর দ্রুত গতিতে প্রসারিত হচ্ছে। যেকোনো অস্ত্রোপচারের আগে, চলাকালীন, এবং পরে রোগীর সার্বিক চিকিৎসা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার নাম পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন। এটি শুধু অপারেশন থিয়েটারের কাজ নয়, বরং রোগীকে অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা, অপারেশনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং পরে দ্রুত ও নিরাপদ সুস্থতায় ফিরিয়ে আনার পুরো প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সহজভাবে বললে, পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন তিনটি ধাপ নিয়ে কাজ করে:

১) অপারেশনের আগে (Pre-operative care) ব‍্যবস্থাপনাঃ অপারেশনের আগে রোগীর হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা, ফুসফুসের অবস্থা, ফ্রেইলটি, পুষ্টি ইত্যাদি মূল্যায়ন ও অপ্টিমাইজ করা।
২) অপারেশনের সময় (Intra-operative care) ব্যবস্থাপনাঃ অপারেশনের সময় অ্যানেস্থেসিয়া, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, ফ্লুইড ব‍্যালান্স, ব্লাড গ‍্যাস ইত‍্যাদি মনিটরিং এবং জটিলতা প্রতিরোধ করা।
৩) অপারেশনের পরে (Post-operative care) ব্যবস্থাপনাঃ অপারেশনের পরে ব্যথা, সংক্রমণ, ডিলিরিয়াম, রক্ত জমা বা ক্লট, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন, প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।

কেন দরকার?

কারণ আধুনিক চিকিৎসায় রোগীরা আগের তুলনায় বেশি বয়স্ক, ফ্রেইল, এবং একাধিক ক্রনিক ব‍্যাধি (chronic disease) নিয়ে অপারেশনে আসেন। অধিকাংশ শল‍্য চিকিৎসক এসকল বিষয়ে পুরো মনোনিবেশ করার ফুরসৎ পান না। কিন্তু শুধু সফল অপারেশন করলেই তো হয় না, রোগী যেন নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন এবং কর্মক্ষম অবস্থায় সুস্থ হয়, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন সেই জায়গাতেই পার্থক্য গড়ে দেয়।

এর প্রধান উপকারসমূহ হলোঃ

- অপারেশনের ঝুঁকি কমায়
- আইসিইউ-এ যাওয়া কম লাগে এবং হাসপাতালে অবস্থানের সময় কমাতে সাহায্য করে
- অপারেশনের পরে জটিলতা বা Post-operative complication কম হয়
- প্রবীণ এবং ফ্রেইল (frail) রোগীদের ফলাফল উন্নত করে
- ব‍্যথানাশক ওষুধের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়
- মাল্টি ডিসিপ্লিনারি সেবা (Multidisciplinary care) নিশ্চিত করে, যেখানে শল‍্য চিকিৎসক, অ‍্যানেস্থথেটিস্ট, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, নার্স, ফিজিও থেরাপিস্ট ইত্যাদি সকলে একসঙ্গে কাজ করেন।

বর্তমানে পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন দ্রুত বিকাশমান একটি ক্ষেত্র। অনেকেই মজা করে বলেন, “সফল সার্জারি এখন শুধু সার্জনের-এর হাতে নয়, পুরো পেরি-অপারেটিভ মেডিসিন টিমের হাতে।”

16/05/2026

GOLD ২০২৬-এর রিপোর্ট COPD রোগ নির্ণয়, ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিরোধের বৈশ্বিক কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। বাংলা ভার্সনের লিঙ্ক কমেন্টে।

15/05/2026

GOLD ২০২৬-এর COPD আপডেটে নতুন কি যোগ করা হলো? লিঙ্ক কমেন্টে।

13/05/2026

GINA ২০২৬ আপডেটঃ অ্যাজমা চিকিৎসায় আধুনিক ও সহজতর সমাধান

বিশ্বজুড়ে অ্যাজমা বা হাঁপানি ব্যবস্থাপনায় ‘গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ফর অ্যাজমা’ (GINA) গাইডলাইন একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে। ২০২৬ সালের এই আপডেটটি কেবল একটি ক্লিনিকাল পরিবর্তন নয়, বরং এটি অ্যাজমা চিকিৎসার একটি কৌশলগত বিবর্তন। এই আপডেটের মূল লক্ষ্য হলো অ্যাজমা ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ (Simplified), নিরাপদ (Safe) এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক (Personalized) করে তোলা।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অ্যাজমাজনিত মৃত্যু এবং এই রোগের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বোঝা কমানোই এই নতুন নির্দেশনার মূল দর্শন। চিকিৎসার এই আধুনিক রূপান্তরটি সরাসরি ইনহেলার ব্যবহারের কৌশল থেকে শুরু করে বায়োলজিক থেরাপি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে একটি সুশৃঙ্খল গাইডলাইন অনুসরণের প্রয়োজনীয়তাকে আরও দৃঢ় করেছে।

১) ইনহেলার ব্যবহারের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ডিভাইসের সঠিক প্রয়োগ
অ্যাজমা চিকিৎসায় ওষুধের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো তা প্রয়োগের সঠিক মাধ্যম বা ইনহেলার টেকনিক। ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ওষুধ নির্বাচনের চেয়েও রোগীকে সঠিক টেকনিক শেখানো চিকিৎসার সফলতার জন্য বেশি কার্যকর। GINA ২০২৬ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, প্রতিটি ডিভাইসের (যেমনঃ pMDI বা DPI) জন্য আলাদা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। শুধু ওষুধ প্রেসক্রাইব করলেই হবে না, বরং রোগীর জন্য কোনটি উপযুক্ত তা ‘শেয়ারড ডিসিশন মেকিং’-এর মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। সঠিক টেকনিকের অভাব ওষুধের সুফল ফুসফুস পর্যন্ত পৌঁছাতে বাধা দেয়, যা চিকিৎসার ব্যর্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই বুনিয়াদি কৌশলের পরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক ‘ট্রিটমেন্ট ট্র্যাক’ নির্বাচন করা।

২) প্রেফার্ড চিকিৎসা Track 1 বা কৌশল ১ঃ কিশোর ও বড়দের জন্য বৈপ্লবিক সমাধান
২০২৬ আপডেটে প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোরদের জন্য Track 1 বা ICS–formoterol ভিত্তিক চিকিৎসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে একটি ইনহেলারই মেইনটেইন্যান্স (নিয়মিত) এবং রিলিভার (প্রয়োজনে) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যাকে আমরা MART (Maintenance and Reliever Therapy) বলি।

বিশেষ করে ৫-১৫ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে CARE Study-র ফলাফল এক নতুন আশার আলো দেখিয়েছে। এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রয়োজন অনুযায়ী ICS–formoterol ব্যবহার করলে গুরুতর অ্যাটাক বা এক্সেসারবেশনের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক (৫০%) কমে যায়, যা প্রচলিত SABA-ভিত্তিক চিকিৎসার তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।

প্রথাগত SABA-ভিত্তিক চিকিৎসা বনাম Track 1 (ICS-formoterol) এর তুলনামূলক মূল্যায়নঃ SABA-ভিত্তিক চিকিৎসায় (প্রথাগত) শুধুমাত্র উপসর্গ কমায়, প্রদাহ নয়। পাশাপাশি গুরুতর অ্যাটাক (Exacerbations)-এর ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। এ ছাড়াও আলাদা দুটি ইনহেলার (মেইনটেইন্যান্স ও রিলিভার) ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু Track 1 (ICS-formoterol / AIR-MART) প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ (Inflammation Control) এবং একই সাথে বায়ুপথের প্রদাহ ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করে, আবার এক্সেসারবেশনের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়; আর একটি মাত্র ইনহেলার (Single Inhaler Solution) ব্যবহার করলেই চলে।
SABA-ভিত্তিক চিকিৎসায় জরুরি বিভাগ (ED) ভিজিট ঘনঘন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে; কিন্তু Track 1 (ICS-formoterol / AIR-MART) ব্যবহার করলে জরুরি হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন অনেক কমে যায়। এই "এক ইনহেলার" কৌশলটি বিশেষ করে কিশোর ও বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর, কারণ এটি চিকিৎসা পদ্ধতিকে সহজ করে এবং রোগীর অনিয়মিত ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

৩) রিলিভার (Reliever) ব্যবহারে নিরাপত্তা অ্যালার্ট এবং আধুনিক নির্দেশনা
GINA এখন রিলিভারের কঠোর "সর্বোচ্চ ডোজ" নির্ধারণের চেয়ে "সেফটি অ্যালার্ট" বা নিরাপত্তা সংকেত ব্যবস্থার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এটিকে এখন AIR (Anti-inflammatory Reliever) থেরাপি হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যদি কোনো রোগীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যকবারের বেশি রিলিভার (ICS–formoterol, ICS–SABA বা SABA) ব্যবহার করতে হয়, তবে বুঝতে হবে রোগীর রোগ নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় আছে। এটি মূলত একটি সংকেত যে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। অতিরিক্ত রিলিভার ব্যবহার ফুসফুসের প্রদাহ বৃদ্ধির লক্ষণ এবং এটি ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। যখন এই সেফটি-বেসড রিলিভার কৌশলেও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে আসে না, তখনই কেবল পরবর্তী ধাপ হিসেবে LAMAs-এর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

৪) ধাপ ৫ (Step 5) ও অ্যাড-অন থেরাপিঃ LAMAs এবং ট্রিপল থেরাপি
যখন সাধারণ মেইনটেইন্যান্স থেরাপি ব্যর্থ হয়, তখন Step 5-এ LAMAs (Long-acting muscarinic antagonists) ব্যবহারের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়ে যায়। GINA ২০২৬-এ ট্রিপল থেরাপির (ICS–LABA–LAMA) সমন্বয় হিসেবে Budesonide–formoterol–Glycopyrronium-এর অন্তর্ভুক্তি একটি বড় সংযোজন।

সুবিধা হলো, এটি বিশেষ করে সেইসব রোগীদের ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায় যাদের মাঝারি ডোজেও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

কিন্তু সীমাবদ্ধতা মনে রাখতে হবে যে, ট্রিপল থেরাপি বায়োলজিক থেরাপির বিকল্প নয়। এটি বায়োলজিক ব্যবহারের আগের একটি ধাপ বা বায়োলজিক অপ্রতুল হলে একটি কার্যকর সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

৫) গুরুতর অ্যাজমা এবং বায়োলজিক থেরাপির আধুনিকায়ন (Severe Asthma)
সিভিয়ার বা জটিল অ্যাজমা রোগীদের জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা (Personalized Medicine) এখন আরও উন্নত। ২০২৬-এর নির্দেশনায় নতুন বায়োলজিক ওষুধের সংযোজন চিকিৎসকদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

নতুন কি কি ওষুধ সংযোজন করা হয়েছে?

- Depemokimab একটি বায়োলজিক ওষুধ যা anti-IL-5 বা অ‍্যান্টি-ইন্টারলিউকিন-৫ হিসেবে কাজ করে। এটি একটি অত্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী বায়োলজিক যা প্রতি ২৬ সপ্তাহে (ছয় মাসে) মাত্র একবার ইনজেকশন নিতে হয়। এটি গুরুতর ইওসিনোফিলিক অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।

- Omalizumab-igec: এটিই প্রথম ওমালজুমাব-এর বায়োসিমিলার (Biosimilar), যা চিকিৎসার খরচ কমাতে সাহায্য করবে।

- সুইচিং গাইডলাইন অনুযায়ী Mepolizumab থেকে Depemokimab-এ সুইচ করাঃ ইওসিনোফিলিক অ্যাজমার ক্ষেত্রে মেপোলিজুমাব-এ ভালো ফল পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ডিপেমোকিমাব-এ সুইচ করা যেতে পারে। তবে বেনরালিজুমাব থেকে সুইচের ক্ষেত্রে বর্তমানে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে।
বায়োলজিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন খরচ, রোগীর ইচ্ছা, ওষুধের প্রয়োগকাল এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য রোগ (Comorbidities) বিবেচনা করা জরুরি।

৬) ইনহেলার টেকনিক আপডেটঃ pMDI ব্যবহারের মারাত্মক ভুল ও সতর্কতা
ভুল টেকনিকের কারণে ইনহেলার ব্যবহারের ফলে ওষুধের ডোজের তারতম্য ঘটে, যা চিকিৎসার ব্যর্থতার অন্যতম কারণ। ২০২৬-এর আপডেটে pMDI (pressurized Metered-Dose Inhaler) এবং স্পেসারের সঠিক ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

- শেক করার বা ঝাঁকানোর গুরুত্বঃ সালবিউটামল বা অন্যান্য সাসপেনশন ইনহেলার ব্যবহারের ঠিক আগে অবশ্যই ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ঝাঁকানোর পর মাত্র ৩০ সেকেন্ডের বিলম্বও মারাত্মক হতে পারে। এই সামান্য সময়ের ব্যবধানের ফলে পরের পাফ-এ ‘আল্ট্রা-হাই ডোজ’ বা অত্যন্ত বেশি মাত্রার ওষুধ বের হয়ে আসতে পারে, যা রোগীর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

- শ্বাস নেওয়ার পদ্ধতিঃ নিয়মিত ব্যবহারের জন্য ‘Single-breath’ (একক দীর্ঘ শ্বাস) পদ্ধতি কার্যকর হলেও, ছোট শিশু বা তীব্র অ্যাটাকের সময় ‘Tidal breathing’ (স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস) পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৭) অ্যাজমা মূল্যায়নের নতুন টুলস (Assessment Tools)
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বলা উচিত নয়। এর জন্য GINA ২০২৬ আধুনিক টুলসের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দিয়েছেঃ
- CAAT (Chronic Airways Assessment Test): এটি বড়দের জন্য একটি ৮টি প্রশ্নের সেট, যা সামগ্রিক শ্বাসকষ্ট ও স্বাস্থ্যের অবস্থা মূল্যায়ন করে।
- Peds-AIRQ: ৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ঝুঁকি শনাক্ত করা যায়, এমনকি যারা বাহ্যিকভাবে ‘সুস্থ’ মনে হয় তাদের ক্ষেত্রেও।
- PRAM (Pediatric Respiratory Assessment Measure): ১৮ বছরের নিচে রোগীদের জরুরি বিভাগে তীব্রতা (Severity) পরিমাপের জন্য এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড স্কোরিং সিস্টেম।

৮) ভ্যাকসিনেশন, অক্সিজেন থ্রেশহোল্ড এবং ভবিষ্যৎ চিকিৎসা
GINA ২০২৬ চিকিৎসকদের জন্য অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে অক্সিজেন স্যাচুরেশন (SpO2) ৯২% এর নিচে না নামলে অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অক্সিজেনের লক্ষ্যমাত্রা হওয়া উচিত ৯২% থেকে ৯৫%।

৯) অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আপডেটঃ
- ভ্যাকসিনঃ ইনফ্লুয়েঞ্জা, RSV এবং কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রে RSV প্রতিরোধ করতে পারলে ভবিষ্যতে অ্যাজমার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।
- ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাঃ স্থূলতা-সম্পর্কিত অ্যাজমার ক্ষেত্রে GLP-1 agonists ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া গেছে।
- ডোজের নামকরণঃ আন্তর্জাতিক মানের সাথে সমন্বয় করতে এখন 'Metered dose' এর পরিবর্তে 'Delivered dose' (যা প্রকৃতপক্ষে ফুসফুসে পৌঁছায়) এর ওপর ভিত্তি করে ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সবশেষে GINA ২০২৬-এর মূল বার্তাঃ
GINA ২০২৬-এর মূল দর্শন হলো অ্যাজমা চিকিৎসাকে আরও বেশি রোগীবান্ধব এবং তথ্য-ভিত্তিক করা। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো রোগীর কাছে এই আধুনিক সমাধানগুলো পৌঁছে দেওয়া। অ্যাজমা চিকিৎসা এখন কেবল উপসর্গ উপশম নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি কমানো এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসার সমন্বয়। সঠিক গাইডলাইন এবং রোগী শিক্ষার মাধ্যমেই আমরা অ্যাজমা রোগীদের একটি ভয়হীন ও স্বাভাবিক জীবন উপহার দিতে পারি।

লিঙ্ক কমেন্টে।

13/05/2026

॥ PCOS-এর নতুন নাম PMOS॥

নামে কি যায় আসে? PCOS-এর নতুন নাম দেওয়া হয়েছে PMOS। অবশ্য এরফলে মূল রোগের কোনও পরিবর্তন হবে না। মাঝখান দিয়ে মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের জন্য আরেকটি নতুন প্রশ্ন যুক্ত হলো। তবে “PCOS মানেই ওভারিতে অসংখ্য সিস্ট” - এই ধারণা থেকে অবশেষে বের হয়ে আসছে চিকিৎসাবিজ্ঞান।

বহু বছর ধরে আল্ট্রাসনোগ্রামে “Polycystic Ovary” লেখা দেখেই অসংখ্য মহিলা ভয় পেতেন। মনে করতেন ওভারিতে বিপজ্জনক সিস্ট হয়েছে। অথচ বাস্তবতা হলো, PCOS-এর “cyst” আসলে প্রকৃত সিস্ট নয়। এগুলো মূলত অপরিপক্ব ফলিকল, যেগুলো বড় হতে না পেরে ছোট ছোট পানিপূর্ন গোলক হিসেবে দেখা যায়।

আসল সমস্যা কোথায়? সমস্যা হচ্ছে হরমোন ও মেটাবলিজমে।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উচ্চ মাত্রার ইনসুলিন, অ‍্যান্ড্রোজেন হরমোনের আধিক্য, অনিয়মিত ওভুলেশন, ওজন বৃদ্ধি, ব্রন, ইনফার্টিলিটি, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি, মানসিক চাপ - সব মিলিয়ে এটি একটি জটিল এন্ডোক্রিন মেটাবলিক সমস্যা। এই কারণেই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা PCOS-এর নতুন নাম দিয়েছেনঃ PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome)। নতুন নামটি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে, এটি শুধু “ovary” বা “cyst” এর রোগ নয়। এটি পুরো শরীরের হরমোন ও মেটাবলিজম-এর একটি দীর্ঘমেয়াদী অবস্থা। সবচেয়ে বড় কথা, “ওভারিতে সিস্ট” শুনে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার দিন হয়তো এবার শেষ হতে চলেছে।

এই নাম বদলের ঘটনা ২০২৬ সালে একটি আন্তর্জাতিক কনসেনসাস ও নাম পরিবর্তন উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নেতৃত্ব দিয়েছেন হেলেনা টিড (Helena Teede) এবং আন্তর্জাতিক পিসিওএস নেটওয়ার্ক (International PCOS Network)। হেলেনা টিড অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটিতে ক্লিনিক্যাল সায়েন্টিস্ট এবং এন্ডোক্রিনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করেন। তিনি মূলতঃ মহিলাদের স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করছেন।

রোগটির নতুন নাম “PMOS” বা Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে The Lancet-এ এবং European Congress of Endocrinology-তে উপস্থাপিত হয়েছে।

Address

Geelong, VIC

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. A R M Saifuddin Ekram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share