Nisan Dental

Nisan Dental Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nisan Dental, Doctor, বুধহাটা, আশাশুনি, সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ।.

07/08/2015

মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ছে!

মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার কারণ
সুস্থ জীবন বলতে রোগমুক্ত জীবনকে বুঝে থাকি। অর্থাৎ, শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক কার্যকলাপ যখন চলতে থাকে, তখনই আমরা দেহের সুস্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত হই। শরীরের প্রয়োজনীয় অঙ্গের মধ্যে মুখ অন্যতম। মুখেও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো নানাবিধ রোগ হতে পারে। তার মধ্যে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া একটি সাধারণ মুখের অসুখ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষই এ রোগে ভুগে থাকে। মুখের এই অসুস্থতার সঙ্গে অপরিচ্ছন্নতার বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত পরিষ্কার না করাই এ রোগের প্রধান কারণ। কেননা, অপরিচ্ছন্নতার কারণে দাঁতের গায়ে জীবাণুর প্রলেপ পড়ে ও আস্তে আস্তে এই জীবাণুর প্রলেপ খাদ্যকণা ও লালার সঙ্গে মিশে দন্ত পাথরিতে পরিণত হয়। আঁকাবাঁকা ও উঁচু-নিচু দাঁতের জন্যও অতি সহজে ময়লা জমে এ ধরনের অসুবিধা হতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় এই জীবাণুর প্রলেপ দূর না করলে আস্তে আস্তে মাড়ির প্রদাহ শুরু হতে থাকে। মাড়ি ফুলে লাল হয়ে যায়, সামান্য আঘাতেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির এই অবস্থায় তেমন ব্যথা না হলেও দৈনন্দিন জীবনে খাওয়াদাওয়া, কথা বলা বা দাঁত ব্রাশ করা, এমনকি কলাজাতীয় নরম খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়।
মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়াই এ রোগের প্রধান লক্ষণ। অবশ্য কোনো কোনো সময় মাড়ি বিশেষ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে রোগী তীব্র ব্যথা অনুভব করে। এ সময় চিকিৎসার অভাবে ব্যথা ক্রমেই বাড়তে থাকে। স্থানীয় কারণ ছাড়াও দেহগত কারণেও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ—রক্তশূন্যতা, হেমোফেলিয়া পারফিউরা, এমনকি কিছু কিছু রক্ত ক্যানসারেও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। তা ছাড়া অপুষ্টিজনিত কারণে যেমন, ভিটামিন ‘সি’র অভাবে এবং গ্রন্থিরসের (হরমোন) বিশৃঙ্খলার কারণেও গর্ভাবস্থার সময় মাড়ি দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্য তেমন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই এরূপ লক্ষণ দূর হয়ে যায়।
উপরিউক্ত কারণ ছাড়াও কোনো কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও রক্ত পড়তে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে মৃগী রোগীর চিকিৎসায় ইপানিউটিন নামের ওষুধ উল্লেখ্য। তবে ইপানিউটিন ব্যবহারে রক্ত পড়ার চেয়ে মাড়ি ফুলে বড় হয়ে লাল রং ধারণ করে এবং প্রায় পুরু দাঁতটাই মাড়ি দিয়ে ঢেকে যায়।
মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রতিকার
যেকোনো রোগেরই চিকিৎসা করার আগে সেই রোগের সত্যিকার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। অপরিচ্ছন্নতার জন্য মাড়ি ও দাঁতে জমে থাকা নরম ও কঠিন বস্তু, যথা জীবাণুর প্রলেপ ও খাদ্যকণা রোগী নিজেই পরিষ্কার করতে পারে। তবে জীবাণুর প্রলেপ একবার শক্ত হয়ে পাথরে পরিণত হলে তা ডেন্টাল সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ কোনো দন্ত সহকারী দ্বারা পরিষ্কার করিয়ে নিতে হয়। ট্যারা, বাঁকা কিংবা উঁচু-নিচু দাঁতের কারণে রক্ত পড়লে সে ক্ষেত্রে স্কেলিং করানোর সঙ্গে সঙ্গে আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা ও অর্থোডনটিস্টের (দাঁত সামঞ্জস্যকরণ) সাহায্য নিতে হবে।
বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে দন্তচিকিৎসকদের পাথর তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘স্কেলিং’ বলা হয়। এটা অতি সূক্ষ্ম ও সময়সাপেক্ষ কাজ এবং এ কাজে যথেষ্ট ধৈর্য ও দক্ষতার প্রয়োজন।
স্কেলিং বা দন্ত পাথরি পরিষ্কার শুরু হওয়ার পরপরই রক্ত পড়া ও প্রদাহ কমে যায়। কিন্তু দেহগত কোনো রোগের কারণে রক্ত পড়লে সে ক্ষেত্রে ওই রোগের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও একই সঙ্গে করাতে হয়। মাড়ি জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে ‘স্কেলিং’ করার আগেই জীবাণু প্রতিরোধক ব্যবহার করতে হয় এবং রোগীকে প্রচুর পানি খেতে বলা হয়। ভিটামিন ‘সি’র অভাবে রক্ত পড়লে সে ক্ষেত্রে ‘স্কেলিং’ করার পর ভিটামিন ‘সি’যুক্ত খাবার খেতে হবে।
তবে সাধারণত মাড়ি রোগের নিরাময় কিংবা রক্ত পড়া বন্ধ করার জন্য কেবল ভিটামিন ‘সি’ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এ প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার, রোগী নিজে সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত নিয়মিত পরিষ্কার না করলে কোনো ডাক্তারের পক্ষেই এ রোগের সাফল্যজনক চিকিৎসা করা সম্ভব নয়।
ডাঃ শেখ বাদশা মিয়া।
01717333029

07/08/2015

কমবেশি অনেকের মধ্যেই দাঁত শিরশির নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে। এতে খাবার গ্রহণ বা তরলজাতীয় কোনো কিছু খাওয়া, ব্রাশ করা, এমনকি শ্বাস নেওয়ার সময় অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ঠান্ডা কোনো খাবার খেলে দাঁত শিরশির করে, যদি দাঁতে সমস্যা থাকে। তবে টক বা মিষ্টিজাতীয় খাবার গ্রহণের সময়ও একই ধরনের অনুভূতি হতে পারে। কারও দাঁতের সাদা অংশ এনামেল ক্ষয় হয়ে ডেন্টিন নামের অংশটি যখন বের হয়ে যায়, তখনই দাঁতে ঠান্ডা কিছু লাগলে শিরশির করে।
কারণ
দাঁতের এনামেল ক্ষয়
দাঁতে গর্তের সৃষ্টি
অনেক দিনের পুরোনো ফিলিং

মাড়ি ক্ষয় হয়ে দাঁতের রুট বা গোড়া বের হয়ে গেলে, দাঁত আঘাতপ্রাপ্ত হলে প্রাথমিক অবস্থায় বা সঠিক সময়ে সঠিক কারণ নির্ধারণ করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা গ্রহণ করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়।
দাঁতের শিরশির বন্ধে সঠিক যত্ন
নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের ফাঁকে কোনো জীবাণু তৈরি হতে পারবে না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে নাশতা করার পরে দাঁত ব্রাশ করুন নিয়মিত।
দাঁত ব্রাশ করার জন্য সেনসিটিভিটি রোধ করে—এমন টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। এমনটাই মত প্রায় ৯ শতাংশ ডেন্টিস্টের। তাঁরা মনে করেন, এমন টুথপেস্ট আপনার দাঁত শিরশিরের যন্ত্রণা থেকে রেহাই দেবে অনেকটা।
ব্রাশ করুন আস্তে আস্তে। দাঁতের ওপর চাপ দেবেন না। জোরে ব্রাশ করাটা দাঁতের শিরশির ভাব আরও বাড়িয়ে দেবে। হালকা কোমল ব্রাশ ব্যবহার করুন। এতে সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে অনেকটা।
যেকোনো অ্যাসিটিক খাবার খাওয়ার সময়ও একটু সচেতন হোন। যেমন: ফলের জুস, কোমল পানীয়—এসব দাঁতের এনামেল নষ্ট করে ফেলে। তাই এসব পান করার পরই দাঁত পরিষ্কার করে ফেলুন।
আপনার যদি নিয়মিত দাঁতে দাঁত ঘষা বা দাঁত চেপে রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলে সেটা ত্যাগ করাই ভালো।
অনেকেই দাঁতের শিরশির করা অংশটি ব্রাশ করে না। কিন্তু এতে সমস্যা বেড়ে প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।

07/08/2015

মুখের দুর্গন্ধ হলে করণীয় :

একটি পরিষ্কার ভালো দাঁতের ব্রাশ ও পেস্ট দিয়ে দাঁতের সবগুলো অংশ ভেতর-বাহির পরিষ্কার করুন (তিন বেলা খাবারের পর)। জিহ্বা পরিষ্কারের জন্য জিবছুলা ব্যবহার করতে পারেন। যে কোনো ধরনের মাউথওয়াস (ক্লোর হেক্সিডিন জাতীয়) ২ চামচ মুখে ৩০ সেকেন্ড রেখে ফেলে দিয়ে আবার অল্প গরম লবণ পানিতে কুলকুচা করুন। প্র্রতিদিন অন্তত দু’বার সকালে ও রাতে (আহারের পর) এটা করবেন। মুখের ভেতরে একটি লং/এলাচির দানা রাখুন। প্রতিবার আহারের পর সম্ভব হলে দাঁত ব্রাশ অথবা ভালোভাবে কুলকুচা করে ফেলুন।

বিশেষভাবে যা করবেন : দাঁত ব্রাশ করলেই শুধু ময়লা বা খাদ্যকণা পরিষ্কার হয় না। কারণ দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে বা মাড়ির ভেতরে অনেক সময় খাদ্যকণা জমা থেকে পচন শুরু হয়। তাই যাদের দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাদ্য জমা হয় বুঝতে হবে ডেন্টাল ফ্লস (এক ধরনের পিচ্ছিল সুতা) বা ডেন্টাল টুথ পিকসের (এক ধরনের জীবণুমুক্ত শলাকা) সাহায্যে খাদ্য কণাগুলো বের করা প্রয়োজন। এই ডেন্টাল ফ্লস বা সুতো এবং জীবাণুমুক্ত শলাকা ব্যবহার বিধি একজন ডেন্টাল সার্জনের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো। অনেক সময় এই ফাঁকগুলো ডেন্টাল ক্যারিজ বা মাড়ির রোগের কারণেও হতে পারে, তাই দাঁতের ডেন্টাল এক্স-রে করিয়ে নেওয়ার পর চিকিৎসা দরকার হয়।

চিকিৎসা কি : মাড়ির প্রদাহ, ডেন্টাল ক্যারিজ, মুখের ক্ষত, কৃত্রিম দাঁতের ও ক্রাউনের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা ইত্যাদির চিকিৎসা একজন ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শে সারিয়ে তুলতে হবে। মুখের স্থানীয় কারণের সঙ্গে অথবা কারণ দূর হওয়ার পরও দুর্গন্ধ থেকে থাকলে দেহের অন্যান্য রোগের উপস্থিতি আছে কিনা দেখতে হবে তারপর যা যা পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন সেগুলো করিয়ে রোগ নির্ণয় হওয়ার পর পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো চিকিৎসা নিতে হবে। বাজারে অনেক ধরনের মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ওষুধ পাওয়া যায়, যাদের গুণগতমানের চাইতে বিজ্ঞাপনের বাহার বেশি। সুতরাং প্রতিষ্ঠিত কোনো ওষুধ কোম্পানির ওষুধ এবং তার গায়ে লেখা লেবেলে সময়সীমা ও ব্যবহারবিধি দেখে ব্যবহার করা প্রয়োজন। তবে সবচেয়ে ভালো হবে একজন মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা।

জরুরি বিষয় : আরও একটি জরুরি বিষয় হচ্ছে, অনেকেরই কতগুলো বদ অভ্যাস থাকে, যেগুলো বাদ দিতে হবে, যেমন :

ধূমপান করা, পান, সুপারি, জর্দা, গুল, তামাকপাতা ইত্যাদি চিবানো। মিদ বা অ্যালকোহল পান মাদকদ্রব্য সেবন ইত্যাদি। এসব বদ অভ্যাসের কারণে শুধু মুখের রোগ এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় শুধু তাই নয়, দেহের মারাত্মক মরণঘাতী রোগ যেমন ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। সুতরাং দুর্গন্ধ দূর করতে শুধু নয়, জীবন বাঁচাতে এসব বদ অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যকেও জীবনের ঝুঁকি থেকে রেহাই দেওয়া সম্ভব হবে।

দাঁত পরিষ্কার রাখার উপায় : দাঁত পরিষ্কার রাখার অন্যতম প্রধান উপায় হলো, দু’বেলা অর্থাৎ সকাল ও রাতের খাবারের পর দাঁত ব্রাশ করা ও ভালোভাবে প্রতিবার খাবারের পর কুলকুচা করা।

ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম : উপরের পাটির দাঁতের ওপর টুথব্রাশ চালিয়ে নিচের পাটির দাঁতের দিকে নামাতে হবে। আবার নিচের পাটি থেকে উপরের পাটির দিকে উঠাতে হবে। এভাবে উপর-নিচ উঠানামা করিয়ে ব্রাশটিকে সবদিকেই নিতে হবে। তারপর হা করে আবার ভেতরের দাঁতের অংশে ব্রাশ করতে হবে। ভেতর-বাইরের অংশ ব্রাশ করা হয়ে গেলে দাঁতের উপরের অংশ (খাদ্য চিবানোর অংশগুলোকে) ব্রাশ করতে হবে। এরপর জিহ্বার ওপর খানিকক্ষণ ব্রাশটিকে সামনে পেছনে ঘষতে হবে। ব্রাশ করা শেষ হয়ে গেলে ভালোভাবে কুলকুচা করতে হবে। নিয়মিত কিছু শক্ত ফলমূল খাওয়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য ভালো। যেমন আমলকী, পেয়ারা, জাম্বুরা, আপেল, কামরাঙ্গা ও আহারের সঙ্গে সালাদ ইত্যাদি।

07/08/2015

দাঁত ব্যথায় করণীয়
দাঁতে ব্যথা যে কত বেশী অসহনীয় হতে পারে তা কেবল ভূক্তভুগীরাই জানেন। আর দাঁতে ব্যথা কখন হবে এটারও কোন সুনির্দিষ্ট সময় নেই। এমনকি মধ্যরাতেও শুরু হতে পারে তীব্র দাঁতের ব্যথা। এসময় হয়ত কোন দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নেয়ার সুযোগ থাকেনা। তবে যদি কোন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া যায় তাহলে ভালো। আর যদি চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত অপেক্ষা না করার সময় থাকে তবে তীব্র দাঁতে ব্যথার উপশমে আপনি নিজেই কিছু মামুলি ব্যবস্থা নিতে পারেন। প্রথমত: যে কোন ধরণের ব্যথা নাশক যেমন প্যারাসিটামাল, ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম বা আইব্রুফেন জাতীয় ওষুধ সেবন করতে পারেন। এতে তাত্ক্ষনিক খানিকটা ব্যথা কমতে পারে। সামান্য গরম পানি দিয়ে কুলি করতে পারেন, তবে গরম পানি ব্যবহার করা যাবেনা। 'ওরাজেল' নামের ব্যথানাশক জেল দাঁতের মাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন। এতেও ব্যথা কমে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে মাড়ি ফুলে গেলে কোল্ড কম্প্রেসর ভালো কাজ করে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত এটা করতে পারেন। কাপড়ের মধ্যে একটুকরো বরফ নিয়েও এটা করা যায়। দাঁতের ফাকে কোন খাদ্য কনা আটকে আছে কিনা তা বের করার জন্য ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন। তবে কোন শার্প বস্তু ব্যবহার করবেন না। এছাড়া যে কোন মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। দাঁতের ব্যথা উপশমে এসব নিতান্তই প্রাথমিক ব্যবস্থা। দাঁতের ব্যথার কারণ জেনে চিকিৎসা নিতে অবশ্যই কোন ডেন্টাল ডাক্তারে কাছে যেতে হবে। সাধারণত: ডেন্টাল ক্যারিজ, মাড়ির প্রদাহ বা ইনফেকশন হলে দাঁতে তীব্র ব্যথা হয়। তাই কোন অবস্থাতেই দাঁতের ব্যথা অবহেলা করবেন না।

07/08/2015

দাঁতের রোগ
দন্তক্ষয় বা Dental
Caries! এর সমস্যা ও
সমাধান!
babu April 23, 2014 দাঁতের সাধারন
সমস্যা No Comments
আজ সাধারণ ভাবে পরিচিত
দাঁতের
পোকা নিয়ে আলোচনা করব।
তবে আলোচনার শুরুতেই
বলে দিতে চাই দাঁতে পোকা হয়
না; হয় দন্তক্ষয়।
দাঁতের
যে রোগটি নিয়ে জনমনে সবচেয়ে
ভুল ধারণা আসন
গেড়ে বসেছে তার নাম
হলো দাঁতের ক্ষয় রোগ।
চিকিৎসকরা একে ডেন্টাল
ক্যারিজ বলে থাকেন কিন্তু
অনেকেই একে দাঁতের
পোকা হিসেবে অভিহিত করেন।
অথচ দাঁতে কোনো পোকা হয়
না বরং এসিডের কারণে ডেন্টাল
ক্যারিজ মানে দাঁতের ক্ষয়রোগ
ঘটে থাকে।
দন্তক্ষয়ের ফলে দাঁতে যে ধরনের
ক্ষুদ্র গর্তের সৃষ্টি হয় সেখান
থেকে পোকা বের
করে দেখানো হয় অথচ কথিত এই
পোকার দাতের ওই ক্ষুদ্র
গর্তে মোটেও জায়গা হওয়ার
কথা নয়। অথচ অনেকেই এই অতি ক্ষুদ্র
গর্ত থেকেই এক বা একাধিক
পোকা বের করে দেখান।
আমাদের গা গরম থাকে। গরম
থাকে আমাদের মুখগহববরও। কাজেই
আমাদের মুখের
মধ্যে যে স্বাভাবিক তাপ
থাকে অথবা আমরা যখন গরম
কোনো খাবার দাবার বা চা, দুধ
ইত্যাদি পান করি সে অবস্হায় ওই
ধরনের
পোকা বেঁচে থাকতে পারবে না।
আলোচনার শুরুতেই তাই স্পষ্ট
ভাষায় আমরা বলে দিতে চাই,
জীবিত মানুষের
দাঁতে কখনো কোনো অবস্থায়ই
পোকা হয় না। দাঁতে যা হয় তার
নাম দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ।
অতি ধীরে ধীরে অব্যাহত
গতিতে এই রোগের বিকাশ হয়।
কেনো এই রোগ দেখা দেয়?
মুখে জমে থাকা খাদ্যদ্রব্য বিশেষ
করে কার্বোহাইড্রেট
বা শর্করা জাতীয় খাবার
মুখগহ্বরের বিভিন্ন রোগজীবাণু
ভেংগে ফেলে যাকে বিপাক
ক্রিয়া বলা হয়। আর এই ক্রিয়ার
উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড,
এসিটিক এসিড, পাইরোভিক এসিড
সহ নানা ধরনের এসিড তৈরি হয়। এ
সব ফলে আমাদের মুখের
ভেতরে এসিডের আক্রমণ ঘটে।
এসিডের এই আক্রমণের ফলে দাঁত
থেকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাসের
মত গুরুত্বপুর্ণ খনিজসমুহ দাঁতের
উপরিভাগের অংশ এনামেল
থেকে বের হয়ে যায়। আর এভাবেই
দাঁতের ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।
দন্তক্ষয় দাঁতের বিভিন্ন জটিলতার
প্রারম্ভিক অবস্থা।
নিচের চার্ট থেকে দন্তক্ষয়ের
ধারাবাহিক পরিনাম
বোঝা যেতে পারেঃ
প্রাথমিক অবস্থা →
মাধ্যমিক অবস্থা →
চূড়ান্ত অবস্থা
দন্তক্ষয়(Caries)
দন্তমজ্জা প্রদাহ(Pulpitis)
পরিদন্ত প্রদাহ(Periodontitis)

জটিলতা সমুহ
(Periapical Cyst,
Osteomyeliti,
Cellulitis)
প্রাথমিক অবস্থাঃ জীবানু
আক্রমনের ফলে দাঁতের
গায়ে সৃষ্টি হয় অতি ক্ষুদ্র গর্ত
যা শুরুতে দাঁতের উপর
একটি কালো দাগ বা ফোটার মত
দেখা যায়; যা ক্রমান্বয়ে বড়
হতে থাকে। এবং এই গর্ত দাঁতের
গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং
বিভিন্ন উপসর্গ তৈরী করে।
প্রাথমিক অবস্থায় Thermal sensitivity
বা ঠান্ডা বা গরম
পানিতে “শিরশির করা” উপসর্গ
তৈরী হয়।
মাধ্যমিক অবস্থাঃ প্রাথমিক
অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ
না করলে Caries
ধীরে ধীরে আরো গভীর
হয়ে দাঁতের মজ্জায়(Pulp)
পৌঁছে যেতে পারে। জীবানুর
আক্রমন দাঁতের মজ্জার নরম
টিস্যুতে প্রদাহ (Inflamation)
তৈরী করে এবং এর ফলে সৃষ্টি হয়
অসহনীয় তীব্র ব্যাথা। দাঁতের এই
অবস্থাকে বলা হয় Pulpitis
বা দন্তমজ্জার প্রদাহ। দাঁত
থেকে সৃষ্ট এই ব্যাথা চোয়াল,
কান, চোখ বা মাথায়
ছড়িয়ে পড়তে বা অনুভূত
হতে পারে। এই অবস্থায় শুধু Antibiotic
বা ব্যাথার ঔষধে তেমন কোন
উপকার হয় না। এই প্রদাহ (Pulpitis) এর
ফলে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক
দিনের ভেতরই দাঁতের মজ্জার
রক্তনালী নষ্ট হয়ে যায়
এবং মজ্জার স্নায়ুতন্তু (Nerve fiber) ও
আন্যান্ন কোষ-কলাও নষ্ট হয়ে যায়
বা পঁচে যায়। স্নায়ু-তন্তু নষ্ট
হয়ে যাওয়ায় হঠাৎ দাঁতের
ব্যাথা চলে যায়। এ অবস্থায় রোগ
ভালো হয়ে গেছে বলে রোগী
মনে করে থাকে।
প্রকৃতপক্ষে দাঁতটি মরে (Non vital)
যায়।
চূড়ান্ত অবস্থাঃ সময়মতো উপযুক্ত
চিকিৎসা করা না হলে মরে
যাওয়া (Non vital) দাঁতের
পঁচা মজ্জা (Necrosed Pulp)
থেকে নির্গত রস ও জীবানু
ক্রমে দাঁতের শিকড়ের অগ্রভাগের
সুস্থ্য টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে।
শিকড়ের অগ্রভাগের
টিস্যুতে জীবানুর আক্রমনে প্রদাহ
সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় দাঁত খুবই
স্পর্শকাতর থাকে। ফলে কামড়
দিলেই ব্যাথা হতে পারে।
ব্যাথার
তীব্রতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পায়।
তীব্র প্রদাহের ফলে সেখানে পূঁজ
(Peri Apical Abscess) তৈরী হয়। এই পুঁজ
দাঁতের ক্ষয়প্রাপ্ত
পথে বেড়িয়ে আসতে পারে।
তবে এই পথ কোন ভাবে বন্ধ
হয়ে গেলে এবং পুঁজ
বেড়িয়ে আসতে না পারলে
বিভিন্ন জটিলতার
সৃষ্টি হতে পারে।
আমরা জানি, রোগ প্রতিকারের
চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। কাজেই
যে কারণে দাঁতের ক্যারিজ
বা দন্তক্ষয় রোগ হয়,
সে কারণগুলো দূর করতে পারলে এ
রোগের হাত
থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়।
প্রতিরোধের উপায়ঃ
১/ প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত
ভালোভাবে পরিষ্কার
করতে হবে, বিশেষ করে,
রাতে ঘুমানোর আগে টুথ ব্রাশ,
পেস্ট ও নাইলনের সুতা দিয়ে দাঁত
এবং দাঁতে লেগে থাকা খাদ্য
কণা পরিষ্কার করতে হবে, বিশেষ করে,
রাতে ঘুমানোর আগে টুথ ব্রাশ,
পেস্ট ও নাইলনের সুতা দিয়ে দাঁত
এবং দাঁতে লেগে থাকা খাদ্য
কণা পরিষ্কার করতে হবে।
২/ দাঁত পরিষ্কারের অর্থ শুধু দাঁত
পরিষ্কারই বোঝায় না, দাঁত,
মাড়ি ও জিহ্বা, দুই দাঁতের
ফাঁকে লেগে থাকা খাবারসহ
মুখের সর্বত্র
লেগে থাকা আঠালো জীবাণুর
প্রলেপ দূর করা বোঝায়।
৩/ খাওয়ার পর কেবল
কুলকুচি করলে জীবাণু দূর হয় না।
যেভাবে যা দিয়ে দাঁত পরিষ্কার
করুন না কেন, দাঁত এবং দাঁতের
ফাঁকে লেগে থাকা খাবার
যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়,
সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪/ ঘন ঘন চিনি-জাতীয় খাদ্য
যেমনঃ- চকলেট, বিস্কুট, আইসক্রিম
ইত্যাদি মিষ্টি-জাতীয় খাবার
কম খাওয়া কিংবা খাওয়ার পর
সঙ্গে সঙ্গে মুখ পরিষ্কার
করা জরুরি।
৫/ রাতে ঘুমের মধ্যে শিশুদের
বোতলের দুধ কোনোভাবেই
খাওয়ানো উচিত নয়।
কোনো বিশেষ
কারণে যদি খওয়াতেই হয়,
তবে সে ক্ষেত্রে শিশুর দাঁত
সঙ্গে সঙ্গে ভেজা পাতলা কাপড়
দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
৬/ ছয় মাস পর পর অভিজ্ঞ দন্ত
চিকিৎসকের উপদেশ ও পরামর্শ
নেওয়া উচিত।
৭/ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় দাঁতের
ক্যারিজের প্রতিরোধ
ক্ষমতা বাড়ানো যায়। যেমন—
খাবার
পানিতে পরিমাণমতো ফ্লুরাইডযুক্ত
করা, দাঁতের গায়ে ফ্লুরাইডের
দ্রবণ বা জেল লাগিয়ে দেওয়া,
ফ্লুরাইডের দ্রবণ দিয়ে কুলি করা,
ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা,
দাঁতের নাজুক স্থানে আগাম
ফ্লুরাইডযুক্ত
ফিলিং করিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।
৮/ ব্যথার কারণে দাঁত
ফিলিং করা সম্ভব
না হলে কিংবা ফিলিং করার পর
ব্যথা শুরু হলে অথবা দাঁতের শাঁস নষ্ট
হয়ে মাড়ি ও চোয়াল
ফুলে গেলেও
বর্তমানে দাঁতটিকে না তুলে
বিশেষ এক আধুনিক চিকিৎসা রুট
ক্যানেলের
মাধ্যমে দাঁতটি অপারেশন
করে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।
আশার কথা হচ্ছে, অন্যান্য রোগ
প্রতিরোধের মতো দাঁতের
ক্যারিজ প্রতিরোধের
টিকা পরীক্ষাধীন আছে,
যা ব্যবহারে রোগীরা অতি
সহজেই দন্তক্ষয় বা ক্যারিজের হাত
থেকে রক্ষা পাবেন।

02/07/2015
04/05/2015
দাঁতের মজ্জায় যখন ক্ষত তৈরি হয়, তখন আর ফিলিং করা যায় না। তখন মজ্জায় ব্লাড ফ্লো বেড়ে যায়। এর ফলে দাঁতের ভেতর চাপ বে...
03/05/2015

দাঁতের মজ্জায় যখন ক্ষত তৈরি হয়, তখন আর ফিলিং করা যায় না। তখন মজ্জায় ব্লাড ফ্লো বেড়ে যায়। এর ফলে দাঁতের ভেতর চাপ বেড়ে যায়। তখন প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়। আর তখনই দাঁতে রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করতে হয়। আজ ২ মে এনটিভির স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২০২৩তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন মার্কস ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি অ্যান্ড এন্ডোডন্টিকস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী মইন জান।

প্রশ্ন : আমাদের দাঁতে রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট আরসিটি কখন করার প্রয়োজন হয়?

উত্তর : আমাদের দেশে রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্টের প্রচলন শুরু হয় আশির দশক থেকে। তার আগে দাঁতে কোনো সমস্যা হলে আমরা দাঁত ফেলে দিতাম। এরপর নকল দাঁত লাগিয়ে দিতাম। কিন্তু দাঁত ফেলে দিলে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। দাঁত ফেলে দেওয়ার কারণে অন্য দুটি দাঁতের মাঝে ফাঁকা হয়ে যায়। একটা খালি জায়গা তৈরি হয়। এর ফলে খাওয়ার পর ওই জায়গাটিতে খাবার জমে থাকবে। নিচের দাঁত ফেলে দিলে ওপরের দাঁতের চাপে মাড়ির জায়গাতে আরো ফাঁকা হয়ে যায়। যার ফলে ওই জায়গায় খাবারের কণা জমে অন্য দাঁতের ক্ষতি হয়।

একটি দাঁত তুলে ফেলার কারণে অন্য দাঁতেরও ক্ষতি হয়। কিন্তু আপনি যদি ওই দাঁতকে রুট ক্যানেল করতেন, তাহলে দাঁতটিকে রক্ষা করা যেত এবং ফাংশনও করা যেত। দাঁতের উপরিভাগের শক্ত আবরণকে এনামেল ডেন্টেন সিমেন্টাম বলে। আর নিচের অংশকে বলে সফট লিভিং টিস্যু। যাকে মজ্জাও বলা হয়। যদি কারো এনামেলে সমস্যা হয়, তখন আমরা ওই অংশটুকু ফেলে দিয়ে ফিলিং করে দিই। আবার ডেন্টেনেও সমস্যা হলে ফিলিং করা সম্ভব। কিন্তু যদি মজ্জায় সমস্যা হয়, তখন আর ফিলিং করা যায় না। তখন মজ্জায় ব্লাড ফ্লো বেড়ে যাবে। এর ফলে দাঁতের ভেতর চাপ বেড়ে যাবে। তখন প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হবে। এই ব্যথাটা শুধু দাঁতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পুরো মুখ, মাথা সব জায়গায় ব্যথাটি ছড়িয়ে পড়বে। এমনকি গরম বা ঠান্ডা খাওয়ার পর ব্যথা হবে। শোয়ার পর ব্যথা বেশি হবে। তখন রুট ক্যানেল করতে হয়।urgentPhoto

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট বিষয়টি কী এবং এই চিকিৎসা কীভাবে করা হয়?

উত্তর : দাঁতের যে ইনফেক্টেট পাল্প নষ্ট হয়ে যায়, তা ঠিক করাই হলো রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট। আমরা সাধারণত এ ক্ষেত্রে একধরনের বার ব্যবহার করি। বার ব্যবহার করে আমরা ওই জায়গায় গর্ত করে ওখানে বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে ক্লিনিং করি, শেইপিং করি। এরপর ইনফেক্টেট পাল্প তুলে ফেলি। ওইখানে আর্টিফিসিয়াল গাটা পার্চা ঢুকিয়ে দিয়ে ওই জায়গাটি বন্ধ করে দেই। এ ক্ষেত্রে যাঁরা এন্ডোডন্টিকস, তাঁদের কাছে যাওয়াই ভালো। কারণ দাঁতের মধ্যেও বিভিন্ন ভাগ থাকে। একেকজন একেক বিষয়ে স্পেশালিস্ট থাকে। এসব ক্ষেত্রে কোন দাঁতে সমস্যা হচ্ছে তা চিহ্নিত করে এন্ডো ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়াই ভালো।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্টের পর যে রাবারি জিনিস বা গাটা পার্চা ব্যবহার করা হয়, সেটা কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত?

উত্তর : আজ থেকে ৪০ বা ৫০ বছর আগে কাঠের টুকরা ব্যবহার করা হতো রুট ক্যানেলের জন্য। এখন এই নিয়মে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে শরীরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই গাটা পার্চা তৈরি করা হয়, যা ক্ষয় হয় না এবং দাঁতের জন্য ক্ষতিকরও না। মূলত এর উদ্দেশ্য হলো দাঁতের গর্তটি ভরাট করা, যাতে দাঁতে কোনো ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে না পারে।

প্রশ্ন : রুট ক্যানেল করার পর দাঁত ভেঙে যায়, এর কারণ কী?

উত্তর : রুট ক্যানেল করা দাঁতে নিউট্রিশন থাকে না। অনেক পাতলা হয়ে যায়। তখন শক্ত খাবার খেলে দাঁত ভেঙে যেতে পারে। তাই রুট ক্যানেলের পর দাঁতে ক্যাপ ব্যবহার করা ভালো। তাহলে দাঁতটি আগের মতো ফাংশন করতে পারেন। এটি সুরক্ষিত হবে এবং ব্যথার সমস্যাও থাকবে না।

ডাঃ শেখ বাদশা মিয়া

01/05/2015

দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি ?
আমরা দন্ত চিকিৎসকরা প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই যে, দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি হবে কিনা। এটি একেবারেই অমূলক এবং ভ্রান্ত একটি ধারণা। দাঁত প্রদাহ হলে ব্যথাটি অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চোখে। পালপাইটিস (Pulpitis) নামক দাঁতের এই রোগটিই মূলত ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় রোগীদের নিকট। কেননা ব্যথাটি তখন অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পাশের দাঁতে ব্যথা সে পাশে চোখের দিকে। আর এতেই অধিকাংশ ভুক্তভোগী রোগীগণ মনে করেন দাঁতের সাথে চোখের সম্পর্ক আছে। এছাড়াও উপরের দাঁতের শিকড়গুলো (Roots) চোখের কাছাকাছি অবস্থান-তাই এটিও রোগীদের দুর্ভাবনার অন্যতম একটি কারণ। কিন্তু এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল। কেননা দাঁত এবং চোখ দুটি আলাদা আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সাথে জড়িত। এদের স্নায়ুপ্রবাহ এবং রক্তপ্রবাহ দুটিই স্বতন্ত্র। চোখের স্নায়ুপ্রবাহ হচ্ছে অপথালমিক ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ এবং নিচের দিকে হচ্ছে ম্যাক্সিলারি ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। রক্ত প্রবাহিত হয় অপথালমিক এবং ল্যাক্রিমাল আর্টারি দ্বারা। অন্যদিকে উপরের পাটির দাঁতে স্নায়ুপ্রবাহ দেয় অ্যান্টিরিয়র, পোস্টিরিয়র এবং মিডল সুপিরিয়র অ্যালভিওলার নার্ভ। নিচের পাটিতে দেয় ইনফিরিয়র অ্যালভিওলার নার্ভ যাহা ম্যান্ডিবুলার নার্ভের একটি শাখা।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, দাঁত এবং চোখ দুটি ভিন্ন ভিন্ন গঠনে সজ্জিত-যার একটির সাথে অপরটির কোন সম্পর্ক নেই।

"আক্কেল দাঁত (3rd Molar) -এর সমস্যা ও প্রতিকার"2/5/2015 আক্কেল দাতঁ হচ্ছে উপরের ও নিচের মাড়ির সবচেয়ে পেছনের পেষণ দাঁত ...
01/05/2015

"আক্কেল দাঁত (3rd Molar) -এর সমস্যা ও প্রতিকার"
2/5/2015

আক্কেল দাতঁ হচ্ছে উপরের ও নিচের মাড়ির সবচেয়ে পেছনের পেষণ দাঁত (3rd Molar)। এটি সাধারনত ১৭ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে উঠে থাকে। কারো কারো এটি নাও উঠতে পারে; কারো সবগুলোই (৪টি) উঠতে পারে।

সুস্থ্য ও স্বাভাবিক আবস্থানের আক্কেল দাঁত কোন সমস্যা তৈরী করে না। কিন্তু যদি দাঁতটি ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকে বা দাঁতটির আকৃতি বা অবস্থানের জন্য অবরুদ্ধ (Impacted) হয়ে থাকে; তবে বিভিন্ন উপসর্গ ও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

- আংশিক উদগত আক্কেল দাঁতের উপরের মাড়ির ত্বকে খাবার সময় কামড় লাগতে পারে, ফলে ব্যাথা হতে পারে।

- তাছাড়া আক্কেল দাঁতের মাড়ির ত্বকের ভেতর খাদ্যকণা আটকে থাকতে পারে এবং তা থেকে জীবানু সংক্রমণ (Infection) হতে পারে। এমন অবস্থা কে বলা হয় Pericoronitis; যা থেকে তীব্র ব্যাথা, মুখ হা করতে সমস্যা, জ্বর ইত্যাদি অসুবিধা হতে পারে।

- Pericoronitis -এ দীর্ঘদিন ভুগলে ধীরে ধীরে মাড়ি ফুলে যেতে পারে এবং পুঁজ সৃষ্টি হবে যা থেকে মুখে দুর্গন্ধ হবে।


চিকিৎসাঃ
আক্কেল দাঁতের যে কোন সমস্যার ক্ষেত্রে শুরুতেই একটি এক্স-রে করানো প্রয়োজন। এক্স-রে তে দাঁতটির আকৃতি ও অবস্থান ভালোভাবে দেখে চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করা হয়।

- যদি দাঁতটির অবস্থান ও উঠার পথ ঠিক থাকে এবং উঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে তবে দাঁতটি তোলার দরকার হয় না। এক্ষেত্রে হালকা গরম লবণ-পানি দিয়ে কুলকুচি ও সাধারন ব্যাথার ঔষধই যথেষ্ট।

- তবুও দাঁতটি উঠতে সমস্যা হলে বা মাড়িতে ইনফেকশন (Pericoronitis) হলে, আক্কেল দাঁতের উপরের মাড়ির ত্বক একটি ছোট অপারেশন (Operculectomy) -এর মাধ্যমে কেটে দেয়া হয়। সেই সাথে ইনফেকশন রোধের জন্য এন্টিবায়োটিক ও ব্যাথানাশক ঔষধ গ্রহন করতে হয়।

- তবে অবরুদ্ধ (Impacted) আংশিক উদগত আক্কেল দাঁতের ক্ষেত্রে দাঁতটি তুলে (Extraction) ফেলাই উত্তম। এটিই আক্কেল দাঁতের যে কোন সমস্যার সবচেয়ে সাধারন চিকিৎসা।

আক্কেল দাঁত তুলে ফেললে ভবিষ্যতে খেতে বা কথা বলতে কোন সমস্যা হয়না। তবে মনে রাখা উচিত যে, “আক্কেল দাঁত তোলা” একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ন অপারেশন।

দাঁত তোলার পর জটিলতা হলে অবহেলা বা অযথা ভয় করে অনেকেই দাঁতের রোগ পুষে রাখেন। পরে দাঁতের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে ডেন্টাল...
01/05/2015

দাঁত তোলার পর জটিলতা হলে অবহেলা বা অযথা ভয় করে অনেকেই দাঁতের রোগ পুষে রাখেন। পরে দাঁতের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে ডেন্টাল চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। দাঁতের অবস্থা তখন এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, দাঁত তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আক্কেল দাঁত সঠিকভাবে না উঠে ব্যথার স্থানে প্রদাহের সৃষ্টি করলেও ওই দাঁতকে সার্জারির মাধ্যমে তুলে ফেলতে হয়।
দাঁত তোলার পর ব্যথা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করে। কখনও এ ঘটনার ব্যতিক্রম ঘটে। দাঁত তোলার দুই থেকে তিন দিন পর ব্যথার তীব্রতা বাড়তে পারে। ৩ থেকে ৪ শতাংশ রোগীর এ ধরনের সমস্যা হতে পারে, তখন ধরে নেয়া যায় রোগীর ‘ড্রাই সকেট’ হয়েছে। এ সমস্যায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
কেন হয় : দাঁত তোলার পর গর্তস্থানে রক্ত জমাট বেঁধে উন্মুক্ত হাড় ও স্নায়ুকে ঢেকে দেয়। ফলে ক্ষতস্থান স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কোনো কারণে ওই স্থানের জমাট বাঁধা রক্ত সরে গেলে বা গলে গেলে মাঢ়ি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। তখন বাতাস, খাদ্যকণা ও জীবাণু সহজেই ওই স্থানকে আক্রান্ত করে ‘ড্রাই সকেট’ তৈরি করে।
কখনহয়
* যারা ধূমপান করেন- ধূমপান ক্ষত সারাতে ও রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। সিগারেট টানার কারণেও ক্ষতস্থান থেকে জমাট বাঁধা রক্ত সরে যেতে পারে।
* ডাক্তারের পরামর্শ মেনে না চললে- দাঁত তোলার ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত জোরে জোরে কুলি করা যাবে না, গরম তরল খাবার খাওয়া যাবে না, মুখের মধ্যে লেগে থাকা খাবার যেমন বাদাম, বিস্কুট, পাস্তা প্রভৃতি খাওয়া যাবে না, ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে, ঘন ঘন থুথু ফেলা যাবে না ইত্যাদি।
* দীর্ঘদিনের অসুখ যেমন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তস্বল্পতা, অপুষ্টি।
* মহিলারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সেবনে করলে।
* মুখ পরিষ্কারে উদাসীনতা।
* দাঁতের অবস্থান অস্বাভাবিক হওয়ায় জটিল পদ্ধতিতে দাঁত তোলা।
* প্রথম ৪৫ ঘণ্টায় সতর্কতার অভাবে খাদ্যকণা ক্ষতস্থানে ঢুকিয়ে ফেলা।
* ডাক্তারের পরামর্শের বাইরে তুলো বা গজ বেশিক্ষণ মুখে রাখা।
চিকিৎসা : ‘ড্রাই সকেট’ চিকিৎসায় রোগী সাধারণত ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসক বিশেষ পদ্ধতিতে উন্মুক্ত ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে বিশেষ ওষুধ মেশানো প্রলেপ দিয়ে দিলে ব্যথা কমতে ও ক্ষতস্থান শুকাতে শুরু করে। চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট সময় পরপর ক্ষতস্থান পর্যবেক্ষণ করাতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধসহ জীবাণু ধ্বংসকারী মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

01/05/2015

রুট ক্যানেল চিকিৎসা কখন প্রয়োজন??

যখন আমাদের দন্ত মজ্জায় ইনফেকশন হয় তখন দাঁতে ব্যথা অনুভব, দাঁতের রঙ পরিবর্তন, দাঁতে বড় গর্ত, এমনকি দাঁত ভেঙ্গে যাবার সম্ভাবনা থাকে। যদি অল্প অবস্থায় চিকিৎসা না করানো হয় তাহলে দাঁতের গোঁড়ায় ও মাড়িতে পুঁজ জমে যা পরবর্তীতে দাঁতটিকে স্থায়ী ভাবে নষ্ট করে ভেঙ্গে ফেলতে পারে এমনকি ওখান থেকে আপনার মুখে ক্যান্সার হয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যুও হতে পারে।

Address

বুধহাটা, আশাশুনি, সাতক্ষীরা
বাংলাদেশ।

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nisan Dental posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category