Dr.Nuruzzaman ahmed

Dr.Nuruzzaman ahmed I am an honest and innocent men.Now i am a doctor at intimate health care ltd.Now i want to be a wise

My school name is chaperhat high school.my college name is S.K degree college.i have only one sister.my father is a govt.emploe.my mother is an ideal housewife.i am a medical professional .I Completeed MPH in food and nutrition from asust.I also completed Diploma in medical ultrasound. I am honest,pure,innocent and trouthfully.please pray for me.I am Naturopathic Physician. My consultion fee 500.taka.But helpless, landless,1st roll of the class, will be free.

🔹 হাম কি?হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার কারণ Measles virus।এটি কাশি, হাঁচি ও শ্বাসের মাধ্যমে একজন থেকে আর...
30/03/2026

🔹 হাম কি?
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার কারণ Measles virus।
এটি কাশি, হাঁচি ও শ্বাসের মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনে দ্রুত ছড়ায়।
🔹 কেন হয়?
ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সংক্রমণ হয়
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সহজে ছড়ায়
টিকা না নিলে ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে
🔹 কাদের হয়?
টিকা না নেওয়া শিশু
যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু
টিকা না নেওয়া প্রাপ্তবয়স্ক
গর্ভবতী নারী
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষ
🔹 লক্ষণসমূহ
প্রথমে:
জ্বর
কাশি
নাক দিয়ে পানি পড়া
চোখ লাল হওয়া
বিশেষ লক্ষণ:
মুখের ভিতরে সাদা দাগ (Koplik spots)
পরে:
মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি
দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা

🔴 খারাপ (জটিল) লক্ষণ
নিচের লক্ষণগুলো বিপজ্জনক—দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে:
শ্বাস নিতে কষ্ট
খুব বেশি জ্বর (১০৩°F+)
খিঁচুনি
শিশু খেতে বা পানি পান করতে না পারা
অচেতন বা অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে যাওয়া
✅ প্রতিরোধের উপায়
১. টিকা (সবচেয়ে কার্যকর)
৯ মাসে ১ম ডোজ
১৫ মাসে ২য় ডোজ
২. আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা
আলাদা রাখা (আইসোলেশন)
৩. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
নিয়মিত হাত ধোয়া
কাশি/হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা
৪. পুষ্টিকর খাবার
ভিটামিন A সমৃদ্ধ খাবার
পর্যাপ্ত ঘুম

21/03/2026

ঈদ মোবারক

বাংলাদেশে অন্যান্য বুদ্ধিজীবির মতো  দুজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বুদ্ধিজীবি ১৯৭১ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর  নিহত হন,তারা হলেন১।অধ্য...
14/12/2025

বাংলাদেশে অন্যান্য বুদ্ধিজীবির মতো দুজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বুদ্ধিজীবি ১৯৭১ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর নিহত হন,তারা হলেন
১।অধ্যক্ষ যোগেষ চন্দ্র ঘোষ
২। অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহ
আজ শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, এই বাংলাদেশ নির্মানে অন্যন্য পেশাজীবির মতো দুজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিহত হন।

কিছু সংখ্যক মানুষ কামরাঙা খাওয়া বন্ধ করে দিলেও অধিকাংশ মানুষ তা দেদারসে খেয়ে যাচ্ছেন।আমি একজন চিকিৎসক ও লেখক এবং সাংবাদি...
02/11/2025

কিছু সংখ্যক মানুষ কামরাঙা খাওয়া বন্ধ করে দিলেও অধিকাংশ মানুষ তা দেদারসে খেয়ে যাচ্ছেন।
আমি একজন চিকিৎসক ও লেখক এবং সাংবাদিক ।গতকাল রংপুর থেকে একজন ভদ্রমহিলা আমাকে ফোন করেন, ফোন রিসিভ করতেই ভদ্রমহিলা বলেন-আসসালামু আলাইকুম স্যার, শুনেছি কামরাঙা খেলে নাকি কিডনি নষ্ট হয়ে যায়;আমি এ ফলটি খেতে খুব পছন্দ করি,এসম্পর্কে আমাকে একটু ডিটেইলস জানালে খুশি হব স্যার।
এরকম অসংখ্য প্রশ্ন প্রতিনিয়ত অনেকে করে থাকেন।
আসুন আমরা জেনে নিই কামরাঙ্গা কিভাবে আমাদের কিডনী বিকল (kidney Failure)করে দেয় এবং মৃত্যুর দিকে দাবিত করে!
কামরাঙ্গায় বিশেষ কী রয়েছে?চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি,
কামরাঙায় আছে এমন দুটি উপাদান যা কিডনি বিকল করে দেয়,যথাঃ-
১. অক্সালিক অ্যাসিড।
২. ক্যারাম্বক্সিন।
🛢অক্সালিক অ্যাসিড, টক অবস্থায় মিষ্টি অবস্থার চেয়ে বেশি থাকে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ১০০ মিলিলিটার কামরাঙার জুসে ০.৫০ গ্রাম অক্সিলিক এসিড রয়েছে।
সাধারণত অত্যধিক কামরাঙ্গা বা রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে অনেক দিন গ্রহণ করে তাহলে শরীরে অতিমাত্রায় অক্সালিক অ্যাসিড জমে গিয়ে অক্সালেট নেফ্রোপ্যাথি হয়ে কিডনি বিকল হতে পারে।
এক সূত্রে জানা যায় বাংলাদেশের একজন ৫০ বছর বয়ষ্ক রোগী হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে চিকিৎসকরা এর কারণ পরীক্ষা করতে কিডনি বায়োপসি করে দেখা যায় তার কিডনিতে ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অক্সোলেট স্ফটিক কণিকা রয়েছে।
🛢কামরাঙ্গায় রয়েছো আরও একটি ভয়াবহ ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান নিউরোটক্সিন। মার্কিন বিজ্ঞানীরা কামরাঙ্গার এই ক্ষতিকর উপাদানটির নাম দিয়েছেন ক্যারামবক্সিন (Caramboxin)। কামরাঙ্গার বৈজ্ঞানিক নাম ক্যারাম্বোলা (Carambola) থেকেই এই ক্ষতিকর উপাদানটির নামকরণ করা হয়েছে।
ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়েছেন, কিডনির সমস্যা থাকলে কামরাঙ্গার মধ্যে থাকা ক্ষতিকর ক্যারামবক্সিন-এর প্রভাবে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
ক্যারামবক্সিন-এর প্রভাবে শরীরে যে সমস্যাগুলি দেখা দিতে পারে সেগুলি হল,—
১ মাথা ঘোরানো।
২) বমি বমি ভাব।
৩) ক্রমাগত হেঁচকি ওঠা।
৪) শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া।
৫) শরীরে মৃগী রোগীর মতো কাঁপুনি বা খিঁচুনি শুরু হওয়া
৬) মেন্টাল কনফিউশন
৭) কোমায় চলে যাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু।
আসুন জেনেনিই ক্যারামবক্সিন নামক নিউরোটক্সিন কি ভাবে ক্ষতি করেঃ-
কামরাঙ্গায় থাকা ক্যারামবক্সিন নামক নিউরো টক্সিন আমাদের ব্রেনে নিউরনের কার্যক্ষমতাকে আটকে দেয়।
আমাদের ব্রেনে ৫০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে এবং নার্ভাস সিস্টেম, আমাদের শরীরের সমস্ত কর্মকা-, অনুভূতি, সংবাদ প্রেরণ, সাড়া দেওয়া, সংবাদ পৌঁছানো সবই নিউরনের কাজ। কিন্তু ক্যারামবক্সিন এই গুরুত্বপূর্ণ নিউরনের ওপর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে ড্যামেজ করে, ফলে নিউরন তার কাজ সঠিকভাবে করতে পারে না। সুতরাং দুর্বল কিডনি, নষ্ট হতে থাকা কিডনি, ক্রনিক কিডনি ডিসিস অথবা একেবারেই নষ্ট হয়ে যাওয়া কিডনি রোগী (ডায়ালাইসিস করছেন) যদি কামরাঙ্গা ভুল করে গ্রহণ করেন এটি তাদের দ্রুত মৃত্যুর কারণ ঘটাতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে একেবারেই অল্প অর্থাৎ অর্ধেক কামরাঙ্গা অথবা আট আউন্স কামরাঙ্গার সরবত বা জুস মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং মৃত্যুও হতে পারে। সুতরাং কিডনি দুর্বল বা ঠিকমত কাজ করছে না এমন রোগী কামরাঙ্গা থেকে সাবধান। গর্ভবতী মায়েরা যদি কামরাঙ্গা খান তবে তা নিজের জন্য এবং গর্ভজাত শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালে শিশুদের কিডনি রোগের জন্য যে সকল শিশুরা চিকিৎসা নিতে আসে তাদের কিডনি সমস্যার কারণ হিসেবে গর্ভবস্থায় মায়েদের কামরাঙ্গা গ্রহণ করাকে অনেক কারণের মধ্যে একটি কারণ বলে অনেক চিকিৎকরা মনে করেন। তবে আমি মনে করি ' Prevention is better than cure'। যা খেলে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে সেটা খাওয়ার দরকার কি? ফলের কি অভাব রয়েছে! এমনিতেই বাংলাদেশে কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন এমন রোগীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি বলে বাংলাদেশের কিডনি বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন এবং ভয়ঙ্কর সংবাদ হচ্ছে শতকরা ৯০% কিডনি রোগী জানেই না যে তার কিডনি রোগ রয়েছে। সুতরাং কামরাঙ্গা না খাওয়াই ভালো। ফলজ গাছ হিসেবে কামরাঙ্গা না লাগানোই ভালো। সচেতনতাই সুস্থ থাকার উপায়।
#লেখক-
📝 ডা: নুরুজ্জামান আহমেদ
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক,জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক,
সভাপতি ক্যাব,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

কেন আমরা অতিরিক্ত ঘামি?তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে...
22/10/2025

কেন আমরা অতিরিক্ত ঘামি?

তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়।
শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়।
এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার
ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে।অতিরিক্ত ঘাম ছাড়া এই ভিটামনের অভাবে আর কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়?

হাড়ের ক্ষয়
হাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে।

অত্যধিক ক্লান্তি
শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাবে ঘটলে সব সময়ে একটা ক্লান্তি ঘিরে থাকে। অতি অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

ওজন বৃদ্ধি
হু হু করে ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ কিন্তু হতে পারে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। শরীরে পরিমাণ মতো ভিটামিন ডি-র অভাব ঘটলে বাড়তে পারে ওজন।

চুল পড়া
মূলত পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবেই চুল পড়ে। কিন্তু চুল পড়ার আরও একটি কারণ হলো ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। ভিটামিন ডি চুল ভালো রাখতে ব্যাপক সাহায্য করে। ফলে শরীরে ভিটামিন ডি যদি কোনো কারণে কমে যায়, তার একটি লক্ষণ হতে পারে চুল ঝরা।

ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া
ভিটামিন ডি শরীরের যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন ধরে যদি কোনো ক্ষতস্থান না শুকোয়, তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

তবে ভিটামিনের ঘাটতি ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে নানা কারণে—যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, ইনফেকশন, মানসিক চাপ বা হাইপারহাইড্রোসিস।

21/10/2025
 #মানুষের চামড়ার নিচে ডিম পাড়ে স্ক্যাবিসলক্ষণ, কারণ, চিকিৎসাস্ক্যাবিস হল একটি চুলকানিযুক্ত ত্বকের অবস্থা যা সারকোপ্টেস স...
08/09/2025

#মানুষের চামড়ার নিচে ডিম পাড়ে স্ক্যাবিস

লক্ষণ, কারণ, চিকিৎসা

স্ক্যাবিস হল একটি চুলকানিযুক্ত ত্বকের অবস্থা যা সারকোপ্টেস স্ক্যাবিই, একটি ক্ষুদ্র বরোজিং মাইট দ্বারা সৃষ্ট হয়। স্ক্যাবিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা মাইটের গর্তের জায়গায় তীব্র চুলকানি অনুভব করেন।

স্ক্যাবিস বলতে কি বুঝ?

স্ক্যাবিস হল সারকোপ্টেস স্ক্যাবি নামক ক্ষুদ্র মাইট দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রমণ। স্ক্যাবিস শরীরের সেই অংশে চুলকানি এবং ফুসকুড়ি সৃষ্টি করতে পারে যেখানে এই মাইটগুলি জমে থাকে। সংক্রমণটি ক্রমাগত চুলকানি এবং তীব্র ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে কারণ মাইটগুলি ত্বকের ভিতরে ডিম পাড়ে। রাতে, চুলকানির ইচ্ছা তীব্র হতে পারে। স্ক্যাবিস খুব তাড়াতাড়ি শনাক্ত হলে সহজেই চিকিত্সাযোগ্য। স্ক্যাবিস একটি অত্যন্ত সংক্রামক সংক্রমণ এবং এর মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে:

শারীরিক স্পর্শ
সংক্রামিত পোশাক এবং বিছানাপত্র
যদিও স্ক্যাবিস সহজে ওষুধের মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য, তবে চিকিত্সার পরে বেশ কয়েক দিন পর্যন্ত চুলকানি চলতে পারে।

যেহেতু স্ক্যাবিস খুব সংক্রামক, তাই ডাক্তাররা পরামর্শ দেন যে যে কেউ স্ক্যাবিস-সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে তার চিকিত্সা করা উচিত। আপনি যদি ত্বকে অস্বাভাবিক চুলকানি বা ফুসকুড়ি অনুভব করেন তবে আজই আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

স্ক্যাবিসের লক্ষণগুলি কী কী?

স্ক্যাবিসের প্রাথমিক সংস্পর্শে আসার চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত স্ক্যাবিসের লক্ষণগুলি স্বীকৃত নাও হতে পারে। অনিয়মিত, পাতলা গর্তের ট্র্যাকগুলি আপনার ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা ফোসকা দিয়ে তৈরি স্ক্যাবিসের বৈশিষ্ট্য এবং এই ট্র্যাকগুলি বা বরোজগুলি সাধারণত ত্বকের ভাঁজে দেখা যায়। যদিও শরীরের প্রায় সমস্ত অংশ জড়িত থাকতে পারে, সাধারণ এলাকাগুলি হল:

আঙ্গুলের মাঝে
বগলে
কোমরের চারপাশে
কব্জির ভিতর বরাবর
ভিতরের কনুই উপর
পায়ের তলায়
স্তনের চারপাশে
পুরুষের যৌনাঙ্গের চারপাশে
পাছার উপর
হাঁটুতে
স্ক্যাবিসের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল:

চুলকানি, বিশেষ করে রাতে
ঘামাচির কারণে ফোসকা এবং ঘা
শিশু এবং বয়স্কদের চুলকানির প্রবণতা বেশি। স্ক্যাবিসকে অন্য চর্মরোগের মতো ভুল করা যেতে পারে ব্রণ বা প্রাথমিক পর্যায়ে মশার কামড় কারণ ফুসকুড়ি একই রকম দেখা যায়। ক্রমাগত চুলকানি স্ক্যাবিসের লক্ষণ।

স্ক্যাবিসের কারণ কী?

মাইক্রোস্কোপিক আট-পায়ের মাইটের সংক্রমণ স্ক্যাবিস সৃষ্টি করে।

প্রতিরোধ : পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে,শরীর যেন অতিরিক্ত না ঘামে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,এলার্জি জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে।

চিকিৎসা : গ্রাজুয়েট চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে অথবা নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হবে।

02/09/2025

মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি।
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি।।
এই মানুষে মানুষ গাথা
গাছে যেমন আলকলতা।
জেনে শুনে মুড়াও মাথা
জাতে ত্বরবি।।

দ্বিদলে মৃণালে
সোনার মানুষ উজলে।
মানুষ গুরুর কৃপা হলে
জানতে পাবি।।

এই মানুষ ছাড়া মন আমার
পড়বি রে তুই শূন্যকার।
লালন বলে মানুষ আকার
ভজলে তারে পাবি।।

আসুন সবাই সচেতন হই।
06/08/2025

আসুন সবাই সচেতন হই।

25/07/2025

ভালোবাসার গান

19/06/2025

ইহুদিরা রাস্তায় নেমে এসেছে, পাকিস্তানের কাছে অনুরোধ করতেছে প্লিজ ইরানকে থামাও আমরা হেরে গেছি আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও...!

Address

বাংলাদেশ
বাংলাদেশ
5520

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Nuruzzaman ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Nuruzzaman ahmed:

Share

Category