Arnob Sarker

Arnob Sarker মানুষের মস্তিস্কই যখন তার শ্রেষ্ঠতা ?

24/10/2021

সাইকোলজি টেস্ট -
আপনার রাগের মাত্রা কতটুকু ?😡😤

আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি একটি নতুন সাইকোলজি টেস্ট। এই টেস্ট টি থেকে বের হয়ে আসবে আপনার রাগের মাত্রা কতটা। এবং এই রাগ আপনার জীবনে কতটুকু প্রভাব বিস্তার করে।
এখানে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করা হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নে কিছু অপশন দেয়া থাকবে। অপশন গুলোর মধ্যে থেকে যে কোন একটি উত্তর সিলেক্ট করবেন এবং তার জন্য দেয়া নাম্বার গুলো একটি একটি করে যোগ করতে থাকবেন । সবশেষে আপনার পয়েন্ট কত হবে সেটার উপর ভিত্তি করে জেনে নিতে পারবেন আপনার রাগের মাত্রা কতটা।

চলুন টেস্ট টি শুরু করা যাক

১,ধরুন আপনি আপনার বাগানে একটি ফুল গাছ লাগিয়েছেন এবং আপনি গাছটির বেশ যত্ন করেন। হঠাৎ একদিন দেখলেন আপনার প্রতিবেশীর একটি কুকুর আপনার গাছটি নষ্ট করে ফেলেছে, এবং কুকুরটা আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে, এখন আপনি কি করবেন ?
ক, কুকুরটাকে বাড়ি দিয়ে মেরে ফেলবেন
খ, কুকুরটাকে ধরে আটকে রাখবেন এবং ইচ্ছে মত পিটিয়ে ছেড়ে দেবেন
গ, কিছুই করবেন না
ঘ, কুকুরের মালিককে বিষয়টি সম্পর্কে জানাবেন
১০,৭,০, ৪

২,আপনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন , হটাৎ কেউ একজন আপনার পিঠে থাপ্পড় মারল, আপনি তাকে চেনেন না । তৎক্ষণাৎ সে আপনার কাছে দূঃখ প্রকাশ করল এবং বলল পেছন থেকে আপনাকে তার বন্ধুর মত লাগছিল বলে সে ভুলে কাজটি করে ফেলেছে । এবার আপনি কি করবেন ?
ক, কিছু বলার আগেই বকা দিয়ে উঠবেন
খ, কিছু কড়া কথা শুনিয়ে দেবেন
গ, এটা স্বাভাবিক তাই কিছু বলবেন না
ঘ, আশ্চর্য জনক একটা ভাব করে তাকে লজ্জা দিবেন
১০, ৬,০,৭

৩,আপনি সুন্দর করে আপনার জামা কাপড় হ্যঙ্গোরে ঝুলিয়ে রেখেছেন ৷বাইরে থেকে এসে দেখলেন, কেও একজন তা এলােমেলো করে রেখেছে এবং তা আগের মত গোছানো নেই। কেমন রাগ হবে আপনার?
ক, একদমই না
খ, কিছুটা
গ, মোটামুটি
ঘ, অনেক
ঙ, খুব বেশি

০,২,৪,৬,৯

৪,কেও কোন ভুল করে তার দোষ আপনার উপর চাপিয়ে দিলে আপনার কেমন রাগ হবে?
ক, একদমই না
খ, কিছুটা
গ, মােটামুটি
ঘ, অনেক
ঙ, খুব বেশি

০,২,৪,৭,৯

৫, আপনি ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। এই সময় একটি ছোট বাচ্চা হাতে আইসক্রিম নিয়ে আপনার কাপড়ের হাত দিয়ে কাপড় টা নোংরা করে দিল। এঅবস্থায় আপনি কেমন বোধ করবেন
ক, একেবারেই রাগ করবেন না
খ, কিছুটা রাগান্বিত হবেন
গ, প্রচন্ড রেগে যাবেন
ঘ, বাচ্চাটাকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেবেন

০,৪,১০,৮

৬, মনে করুন আপনার বন্ধুরা আপনার পার্টনারকে নিয়ে মজা নিচ্ছে এবং আপনার কাছে তা অতিরিক্ত বলে মনে হচ্ছে এই সময় আপনি কি করবেন?
ক, সেখান থেকে রাগ করে চলে যাবেন
খ, কথা ঘুরানোর চেষ্টা করবেন
গ, তাদের সাথে ঝগড়া করবেন
ঘ, বন্ধুদের বলবেন আপনার পার্টনার এরকমই কিন্তু এতে আপনার কোন সমস্যা নেই।
ঙ, কিছুই করবেন না

১০,৫,৮,৪,০

৭, আপনি আপনার বন্ধুকে নিয়ে মুভি দেখতে গেছেন , আপনি মুভিটা বেশ উপভোগ করছেন কিন্তু আপনার পাশের সিটে বসা লোকটা বারবার নারাচরা করছে ও ফোনে কথা বলছে, এঅবস্থায় আপনি কেমন বোধ করবেন
ক, একেবারেই রাগান্বিত হবেন না
খ, কিছুটা রাগান্বিত হবেন।
গ, প্রচন্ড রেগে যাবেন

০,৫,৮

৮, আপনি রেস্টুরেন্টে চার কাপ কফি একসাথে একটি ট্রে তে করে নেয়ার চেষ্টা করছেন I এমন সময় কেউ একজন হঠাৎ করে আপনার অতিক্রম করার সময় আপনার সাথে ধাক্কা খেল এবং কফি সব পড়ে গেল কেমন রাগ লাগবে আপনার?

ক, একদমই না
খ, কিছুটা
গ, মোটামুটি
ঘ, অনেক
ঙ, খুব বেশি

০,২,৪,৭,১০

৯, আপনি একটি যন্ত্র কিনে আনলেন এবং তা প্লাগ করলেন কিন্তু দেখলেন যন্ত্রটি কাজ করছে না এখন আপনার রাগ কেমন হবে ?
ক, একদমই না
খ, কিছুটা
গ, মোটামুটি
ঘ, অনেক
ঙ, খুব বেশি

০,২,৫,৭,১০

১০, রাস্তায় আপনার গাড়ি ট্রাফিক লাইটের সিগন্যাল এর কারণে থেমে আছে। তারপরেও পেছনের গাড়ী হর্ণ বাজাতেই আছে কেমন রাগ লাগবে সেই মুহূর্তে?
ক, এ কদমই না
খ, কিছুটা
গ, মোটামুটি
ঘ, অনেক
ঙ, খুব বেশি

০,২,৪,৬,৮

১১, আপনার সামনে কেউ না জেনে কোন বিষয় নিয়ে তর্ক করলে কেমন রাগ হবে ?
ক, প্রচন্ড রাগ হবে
খ, একেবারেই রাগ করবেন না
গ, কিছুটা রাগ লাগবে
ঘ, অনেক রাগ হবে

৮,০,৪,৬

১২, আপনি ও আরেক জন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোন বিষয়ে কথা বলছেন এই সময়ে কেউ নাক গলাতে আসলে কি করবেন ?
ক, তাকে পাত্তা দেবেন না
খ, কথা বন্ধ করে তাকে লজ্জা দিবেন
গ, টিটকারি করে তাকে অপমান করবেন

৩,৬,৯

১৩, আপনি আপনার মোবাইলের শেষ ব্যালেন্স দিয়ে কাউকে কল করেছেন । কিন্তু কথা শেষ হবার আগেই কলটি নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে কেটে গেল কেমন রাগ হবে আপনার?
ক, প্রচন্ড রেগে যাবেন
খ, খুব রাগ লাগবে
গ, কিছুটা রাগান্বিত হবেন
ঘ, একেবারেই রাগ করবেন না

১০,৭,৪,০

১৪, আপনি তারাহুরো করে কোথাও যাচ্ছেন এমন সময় আপনার সার্টের বোতাম ছিঁড়ে গেল , কেমন রাগ হবে আপনার?
ক, প্রচন্ড রেগে যাবেন
খ, খুব রাগ লাগবে
গ, কিছুটা রাগান্বিত হবেন
ঘ, একেবারেই রাগ করবেন না

৯,৬,৪,০

১৫, কেউ আপনাকে নিয়ে মজা করলে আপনি কি করেন ?
ক, তার দূর্বলপয়েন্টে আঘাত করেন
খ, সরাসরি রিয়াক্ট করে প্রতিবাদ করেন
গ, কথা ঘুরানোর চেষ্টা করেন
ঘ, উল্টো নিজেকে নিয়ে নিজেই মজা করেন

৬,৮,৪,০

১৬, কেউ আপনার থেকে একটি বই পড়ার জন্য নিল পরে আর ফেরত দিলো না , পরবর্তীতে সে আবার বই চাইলে কি করবেন?
ক, বইটি দিয়ে দেবেন
খ, ১ম বইটি না দেবার জন্য লজ্জা দিবেন
গ, সরাসরি অপমান করবেন।

০,৫,১০,

১৭, আপনি কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করলেন কিন্তু সে কোন উত্তর দিল না , কেমন রাগ হবে আপনার
ক, প্রচন্ড রাগ হবে
খ, একেবারেই রাগ করবেন না
গ, কিছুটা রাগ লাগবে
ঘ, অনেক রাগ হবে

১০,০,৩,৬

১৮, দোকানে শপিং করতে গেলেন এবং একজন সেলস ম্যন আপনাকে তার প্রডাক্টের ব্যপারে একটি রিভিউ বললো আপনি তাড়ার মধ্যে আছেন, এখন কেমন রিভিউ দেবেন।
ক, সময় নেই বলে চলে আসবেন
খ, বাজে রিভিউ দেবেন
গ, ভালো রিভিউ দেবেন

৪,৮, ০

১৯, আপনার গাড়ি বালি বা কাঁদায় আটকে গেলে কেমন রাগ হবে আপনার?

ক, প্রচন্ড রাগ হবে
খ, একেবারেই রাগ করবেন না
গ, কিছুটা রাগ লাগবে
ঘ, অনেক রাগ হবে

১০,০,৩,৬

২০, আপনার কোন বন্ধুর সাথে ঘুরতে যাবার প্ল্যান করছেন , ঠিক যাবার আগ মুহূর্তে সে প্ল‍্যানটি বাতিল করল , কেমন রাগ হবে আপনার
ক, প্রচন্ড রাগ হবে
খ, একেবারেই রাগ করবেন না
গ, কিছুটা রাগ লাগবে
ঘ, অনেক রাগ হবে

১০,০,৩,৬

——————————

০ থেকে ৭০

আপনি সহজে রেগে যান না এটা আপনার অনেক বড় গুণ। এই কারণে লোকজন আপনার কাছ থেকে ফায়দা নিতে চেষ্টা করে। অনেকে আবার আপনার উপর চাপ প্রয়োগ করে থাকে। আপনার রাগের মাত্রা কম হবার কারণে অনেকেই আপনার কাছে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য আসে। এটা আপনি বেশির ভাগ সময়ই উপভোগ করেন। আবার কখনো কখনো এটা আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে আপনি যদি রেগে যান তবে সেটা মারাত্বক পর্যায়ে চলে যায়। তবে যাই হোক না কেন সবচেয়ে বড় কথা হল আপনার রাগের উপর আপনার নিজের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আপনি সহজেই আপনার এই ক্ষমতাকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার আচরণ আসলে দুইটি বিপরীত ধর্মী পারসোনালিটির সাথে মেলে, হয় আপনি কেউ অপরাধ করলেও তার সাথে রাগ করার সাহস রাখেন না অথবা আপনার কাছে সম্পূর্ণ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা ছোট খাট বিষয়ে ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে চান না। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি একজন ঠান্ডা মাথার লোক । অস্বাভাবিককে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষমতা আপনার মধ্যে আছে।

৭১ থেকে ১৪০

আপনি যদি এই ক্যাটাগরিতে পরে থাকেন তবে আপনার রাগের মাত্রা এভারেজ সাধারণ মানুষের মতোই । আপনার জন্য সত্য এটাই যে যার উপর আপনি রাগ করতে সক্ষম শুধু মাত্র তার উপরই আপনি রাগ দেখিয়ে থাকেন। আর যার উপর রাগান্বিত হলে আপনার ক্ষতি তার উপর ভুলেও রাগ করেন না। নিজের রাগকে কন্ট্রোল করার ক্ষমতা আপনার মধ্যে আছে। আবার কারো উপরে উপর রাগ করে আপনি সেটা খুব বেশি সময় মনেও রাখেন না। এটা আপনার একটি ভালো গুণ। কাছের মানুষ গুলোর জন্য আপনার মানসিকতা অনেকটা এরকম যে, আজ কেউ ভালো কিছু করলে আপনি তাকে বাহবা দেন ঠিকই। কিন্তু সেই লোকটিই কাল যদি খারাপ কিছু করে তবে তাকে গালমন্দ করতেও আপনি দ্বিধা বোধ করেন না।

১৪১থেকে ২০০

আপনি যদি এই ক্যাটাগরিতে পরে থাকেন তবে আপনার রাগের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি । আপনি অল্পতেই রেগে যান। লোকজন আপনার কাছ থেকে একটু দূরে থাকতেই পছন্দ করে। কখনো কখনো আপনি নিজেই সেটা চান। তবে আপনার কাছের কিছু মানুষ আপনাকে খুব ভালোবাসে। আপনি রাগান্বিত হয়ে গেলে আপনি কাকে কি বলছেন তার উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। এই সব আচরণ অনেক সময় আপনার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আপনি রাগের মাথায় কখনো কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন।

সবশেষে বাস্তবতা হলো এটাই যে মানুষের রাগ অন্য আর সব আবেগের মতোই একটি আবেগের বহিঃপ্রকাশ । যেটা সম্পুর্ণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া এটা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলে এটা শুধু ক্ষতিই বয়ে আনবে।

01/08/2021

আমাদের চুল সাধারণত ১ হাজার ১শত ১০ দিন বাঁচে। তারপর মারা যায়। আমাদের মাথায় গড়ে ১ লক্ষ চুল আছে। প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ চুল গজায় এবং ১০০ থেকে ১৫০ চুল পড়ে যায়।

* চুল পড়ার কারন ?

1. চুল পড়াটা অ্যান্ড্রোজেনেটিক বা বংশগত। অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে হেয়ার স্টাইল করা। চুলে জেল দেয়া, আয়রণ করা কারলিং, পারলিং। এসব করলে ছেলেদের চুল পড়ে যায়।

2. অত্যধিক চিন্তা কিংবা হঠাৎ কোন মানসিক আঘাত পেলে কিংবা ওজন বৃদ্ধির মত সমস্যাগুলি দেখা দিলে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়।

3. মাথায় যদি কারো স্ক্রিন ডিজিজ হয়। যেমন : স্যভোরিক অ্যাক্সিমা, সুরায়াসিস এসব ডিজিজ হলে চুল পড়ে যায়।

4. চুলের গোড়ায় অতি সূক্ষ সূক্ষ রক্তনালী রয়েছে। ধুমপান করলে এই সূক্ষ রক্তনালীগুলো বন্ধ হয়ে যায়। চুলের পুষ্টি আসে রক্তের মাধ্যমে তাই রক্তনালী বন্ধ হয়ে গেলে চুল পড়ে যাবে।

5. চুল প্রোটিন দিয়ে তৈরি। আর শ্যাম্পু অ্যালকালিক বা বেস দিয়ে তৈরি। বেস এবং প্রটিন একত্রিত হলে প্রোটিন ভেঙে যায়। এতে চুল গোড়া থেকে ঠিক থাকে। কিন্তু প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে সামনের অংশ ভেঙে ভেঙে যায়।

6. খুশকি চুল পড়ার আরেকটি বড় কারণ । ধুলাবালি জমতে জমতে খুশকি পুরো মাথায় ছড়িয়ে পরে ফলে চুলের গোড়া নষ্ট করে ফেলে। তাই সপ্তাহে ২ দিন শ্যাম্পু করা উচিত।

* চুল পড়া রোধে কি করণীয় ?

1. তেল চুলকে মজবুত রাখে। তাই নিয়মিত তেল ব্যাবহার করা জরুরী। তেলের সাথে কেস্টর অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি নতুন তুল গজাতে সাহায্য করে।

2. অ্যালোভেরা চুলকে আর্দ্র রাখে। প্রতিদিন রাতে আধা কাপ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ম্যাসাজ করলে চুল পড়া কমে যায়।

3. মেথি চুলকে দ্রুত বৃদ্ধি করে। আধা কাপ নারকেল তেলে ১ চা চামচ মেথি দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে ঠাণ্ডা হলে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করার পর ১ ঘণ্টা রাখতে হবে এরপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

4. যষ্টিমধুর মধ্যে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড এবং অন্যান্য উপাদান চুলকে শক্তিশালী করে ও চুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বজায় রাখে। মাথার ত্বকে ব্রন বা খুশকির সমস্যা দূর করে।
১ টুকরো যষ্টিমধুর সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে চুলে দিতে হবে। এটি সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি সপ্তাহে 2 বার ব্যাবহার করলে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যাবে।

( বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নিয়েছি)

12/07/2021

ভূত কেনো শুধু অশিক্ষিতদেরই আছর করে?
গ্রামে থাকেন কিন্তু ভূতে আছড় করেছে এমন কথা শুনেনি এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।শহরের মানুষদের আবার এই কথাটা কম শোনা যায়।কিন্তু যারা আগে গ্রামে ছিলেন কিন্তু পরে শহরে চলে আসছে তাদের মুখেও এ কথা শোনা যায়, ভুত নাকি আছড় করেছে।তবে কি ভূত শুধু বেছে বেছে গ্রামের মানুষদেরকেই পছন্দ করে? কি এতো শত্রুতা গ্রামের মানুষের সাথে?এই ঘটনার ই উদঘাটন করব আজ।
বিশ্বাস আর নিশ্চয়তা দু'টা আলাদা জিনিস।আজ যে পূর্ব থেকে সূর্য উঠে পশ্চিমে নিমজ্জিত হবে এটা যেমন একেবারে নিশ্চিত ঠিক তেমনি ভাবেই আপনি যদি খোলা চুলে একটা তেঁতুল গাছের নিচে যান তবে আপনাকে ভুতে ধরবে এটাও নিশ্চিত।
হ্যা একটা বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পর থেকেই গ্রামে শুরু হয় নানা কুসংস্কার। শরীর বন্ধ করা, বান দেওয়া আরোও কত কি।ছোট থেকেই একটা বাচ্চা এই নিশ্চয়তা নিয়েই বড় হওয়া শুরু করে যে, এই নির্দিষ্ট জায়গায় গেলে জ্বিন ভুতে আছড় করবে।এই জিনিসটাই প্রভাব ফেলে মানুষটার।
এই ধরুন মিনা ছোট থেকেই শুনে আসছে খোলা চুলে অমুক গাছের নিচে গেলে ভূতে ধরবে।তো মিনা ও একেবারে নিশ্চিত যে আসলেই তাকে ভূতে ধরবে।তো ভুলে একদিন গাছটার পাশ দিয়ে ফিরে আসলো।এইতো সাড়ে সর্বনাশ। শুরু হবে মিনার দাদি,মা,বাবার বকাবকি। কেন সে গাছের নিচ দিয়ে ঘুরে আসলো।এখন তাকে ভূরে ধরবে।আসলেই রাতে মিনার উপর ভূত হাজির হয়ে গেলো। উল্টাপাল্টা কথা শুরু করে দিলো। মীনা তো একেবারে চিকন চাকন মানুষ তারপর ও ৩-৪ জন মিলে তাকে ধরে রাখতে পারে না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আসলে মিনার কি হয়েছে?
মিনা আসলে স্কিজোফ্রেনিয়া (schizopherenia) নামক একটি রোগে আক্রান্ত। আর এই রোগটার জন্য দায়ী হলো তাদের অশিক্ষিত বাবা,মা এবং আশেপাশের মানুষজন।

স্কিজোফ্রেনিয়া (schizopherenia) আসলে কি?
Schizophrenia is a serious mental disorder in which people interpret reality abnormally. Schizophrenia may result in some combination of hallucinations, delusions, and extremely disordered thinking and behavior that impairs daily functioning, and can be disabling.
এইটি আসলে এমন একটি মানসিক সমস্যা যেটি কিনা একদিনে সৃষ্টি হয় না।একজনের আশেপাশের পরিবেশের উপর দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রভাব থাকলে সেটি সেই মানুষটির উপর প্রভাব বিস্তার করে।অর্থাৎ দীর্ঘদিন থেকে কোনো অলৌকিক অথবা মিথ্যা কথা শুনতে শুনতে একসময় মনে হয়ে যায় এটিই সঠিক।ব্যাপরটা এমন যে, যেটাই সে শোনে সেটাই সে বিশ্বাস করে ফেলে।শুধু তাই না আস্তে আস্তে অলৌকিক জিনিস ও দেখতে শুরু করে।আর এর মুল কারণ ই হচ্ছে যা শোনে তাই বিশ্বাস করে।এইটি যে শুধুমাত্র ভুত বিষয়ক হবে এমন কিছু না।অন্য কোনো বিষয়েও হতে পারে।একটি ঘটনা বলি!
"২-৩ মাস আগে আমাদের জামালপুরে ৪০-৪৫ বয়সের একজন মানুষ বাস স্ট্যান্ডে বসে একটি সেভেন আপ খাচ্ছিলো।তো খাওয়ার পর সে সেভেন আপ বোতলের গায়ে দেখলো যে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।এইবার তো সে মহা টেনশনে পরলো।কারন তার ছেলের কাছে শুনেছিলো যে এমন জিনিস খাওয়া উচিত না।খেলে মৃত্যু হবে।সে এতোটাই বিশ্বস্ত ছিলো যে আসলেই হার্ট অ্যাটাক করে সে মারা যায়।এই মারা যাওয়ার করনটিই ছিলো এই স্কিজোফ্রেনিয়া নামক রোগটি।"

মীনা কেন এই রোগে আক্রান্ত হলো হঠাৎ করে?
মিনা মোটেও এই রোগে হঠাৎ করে আক্রান্ত হয় নি।দীর্ঘ দিন ধরে তার আশেপাশের অশিক্ষিত মানুষের কাছ থেকে শুনে আসতেছিলো যে এমন এমন হবে এই জায়গায় গেলে।তো মিনা ভূতের প্রতি এতোটাই নিশ্চিত ছিলো যে আসলেই ভূত তার উপর আছর করে ফেললো।সে আগে যেমন যেমটা শুনেছিলো ঠিক তেমন আচরণ ই করা শুরু করলো। আর এই কারনেই মুসলিমদের উপর কোনো কালী ভর করে না আবার হিন্দুদের কোনো জ্বীন ভর করে না।

চিকন মিনা এতো শক্তি কোথায় পেলো?
এবার অনেকে বলবে যে যদি ভূতই আছর না করে তবে মিনার এতো শক্তি কোথায় থেকে আসলো।
আসলে আমাদের সবার শরীরেই যথেষ্ট পরিমান শক্তি সঞ্চিত থাকে।কিন্তু আমরা চালাক। আমরা এই শক্তি ব্যাবহার করি না, যদি আমাদের মাথা ঠিক থাকে।
একটা পাগল ৩-৪ দিন ধরে কিছু খেয়েও তার কি পরিমান শক্তি থাকে সেটি সবাই আমরা দেখেছি।অর্থাৎ মীনার সাব-কনশাস মাইন্ড নিজের কাছেই ছিলো না।তো কিভাবে নিজের শক্তি ক্ষয় হওয়া আটকাবে?

এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর করনীয় কি?
সবচেয়ে উত্তম কাজ হচ্ছে কোনো হুজুর বা কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়া।তারাই পারে একমাত্র এই রোগটিকে সারাতে।কারন ডাক্তাররা তো কোনো রোগ ই ধরতে পারে না।হ্যা আপনি যদি রোগীকে একেবারে উপরে পাঠিয়ে দিতে চান তাহলে এই কাজটি করতে পারেন। আর যদি চান স্বুস্থ ভাবে আর ৫ জনের মতো বেচে থাকবে তাহলে একজন ভালো সাইক্রিয়াটিস্টকে দেখান।

এখন আশা করি বুঝতেই পারছেন ভূতের কেনো অশিক্ষিত মানুষ পছন্দ।

08/05/2021

সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট -

১. মানুষ যখন বেশি আনন্দিত থাকে, তখন ঘুম কম হয়।

২. বেশী ঘুমালে মানুষ দুঃখী এবং একা ফিল করে।

৩. মানুষ সত্য কথার তুলনায় গুজবে বেশী বিশ্বাস করে।

৪. আপনার প্রিয় গানটিকে যদি অ্যালার্ম হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে খুব দ্রুত আপনি এটাকে অপছন্দ করা শুরু করবেন।

৫. এক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে আপনি যে ধরনের মিউজিক শোনেন, আশেপাশের দুনিয়াকেও আপনি যে নজরেই দেখতে শুরু করেন। তাই সব সময় পজিটিভ মিউজিক শোনা উচিত। তাহলে মেন্টাল হেল্থ ভালো থাকে।

৬. লাউড টিউন আর ফাস্ট মিউজিক ওয়ালা গান শুনলে মানুষ শান্তু, সুখী আর রিল্যাক্সড ফিল করে।

৭. যাদের IQ লেভেল বেশি উচ্চপর্যায়ের তারা সহজে প্রেমে পড়তে পারে না।

৮. একটা শিশু জন্মের পর প্রথম তিনমাস কোন রঙ দেখতে পায় না।সবকিছু কালো,ধূসর আর সাদা দেখে।

৯. " Erotomania " একটি অদ্ভুত সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার। এ রোগে আক্রান্ত রোগী মনে করে যে কোন বিখ্যাত ব্যক্তি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।

১০. যারা বেশি হাসে, তাদের পেইন সহ্য করার ক্ষমতা বেশি।

একদিন এক ভদ্রলোক একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করল । পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে স...
29/04/2021

একদিন এক ভদ্রলোক একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করল । পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত কিন্তু সে লাফ না দিয়ে সহ্য করতে থাকে ।

আস্তে আস্তে পাত্রের তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয় তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার কিন্তু ততক্ষনে তার আর লাফ দেওয়ার মত শক্তি নেই । পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে অতিরিক্ত গরম পানিতে থাকতে থাকতে একটা সময় মারা যায় ।

এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি মারা যাওয়ার কারন কি ??

তাহলে আমরা অধিকাংশরাই বলব যে গরম পানির কারনে মারা গেছে ।

কিন্তু না সে আসলেই গরম পানির কারনে মারা যায়নি, সে মারা গেছে সঠিক সময়ে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারনে ।

ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে । আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা অবস্থা সঠিক সিদ্ধান্তটি সঠিক সময়ে নিতে হবে । আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ।

Extrovert,Introvert এবং Ambivert সমন্ধে কিছু কথাঃ-Extrovert বা বহির্মুখী কারা-১/যারা আশপাশের মানুষদের থেকে উৎসাহিত হতে প...
18/04/2021

Extrovert,Introvert এবং Ambivert সমন্ধে কিছু কথাঃ-

Extrovert বা বহির্মুখী কারা-
১/যারা আশপাশের মানুষদের থেকে উৎসাহিত হতে পছন্দ করে
২/যারা একা থাকলে বেশি উদাস হয়ে যায়
৩/যারা সামাজিক কার্যকলাপ ভালোবাসে
৪/তারা কথা বলার সময় শোনে কম,বলে বেশি
এছাড়াও কিছু বৈশিষ্ট অনেক বহির্মুখী মানুষের মাঝে দেখা যায়।

Introvert বা অন্তর্মুখী কারা-
১/যারা নিজের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পায়।
২/অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসার চেয়ে একা থাকা বেশি উপভোগ করে
৩/সামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে
৪/কথা বলার থেকে শোনে বেশি।
এছাড়াও কিছু বৈশিষ্ট অনেক অন্তর্মুখী মানুষের মাঝে দেখা যায়।

Ambivert কারা-
১/যাদের আচরণ অবস্থার সাথে পরিবর্তিত হয়
২/অন্তর্মুখীতা ও বহির্মুখীতার মাঝামাঝি অবস্থান করে।
৩/সামাজিক মিথস্ক্রিয়ায় মাঝারি সাচ্ছন্দ্যময়।

★বহির্মুখীরা অন্তর্মুখীদের তুলনায় বেশি সুখী এবং ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করে।
( Wikipedia থেকে পরিমার্জিত)
★অন্তর্মুখীরা বহির্মুখীদের তুলনায় সৃষ্টিশীল হয়।
★বহির্মুখীদের বন্ধুর সংখ্যা বেশি হয় এবং তারা খুব সহজেই বন্ধু বানাতে পারে।
★অন্তর্মুখীদের বন্ধুদের সংখ্যা কম হলেও অল্পসংখ্যক বন্ধুদের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা বিদ্যমান
★অন্তর্মুখীদের অসুস্থতার কারণে 'Hospitalized' হওয়ার সম্ভাবনা কম।
★অসামাজিক হওয়ায় অন্তর্মুখীদের মধ্যে অপরাধ করারা প্রবণতা কম থাকে।
★Ambivert রা ভ্রমণ করতে বেশি ভালোবাসে।
★Ambivert রা বিভিন্ন ব্যক্তি ও রং পছন্দ করেন।

সফলতা কি Extrovert,Introvert হওয়ার উপর নির্ভর করে???
উত্তর হলোঃনা।
কয়েক জন সফল Introvert ব্যক্তিরা হলেন-
Michel Jordan, Bill Gates,J.K.Rowling. Christina Aguilera. Barack Obama,Emma Watson,etc
কয়েক জন সফল Extrovert রা হলেন-
Tom Hanks, Robin Williams, Bill Clinton,Steve Jobs,Muhammad Ali,etc.

(বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত)

21/03/2021

🌿🌿🌿

১.কাউকে কোনো কাজের জন্য জিজ্ঞেস না করে অনুরোধ করুন।

যেমন ধরুন আপনি কাউকে প্রশ্ন করলেন,আপনি কি আমার এই কাজটি করে দিতে পারবেন?

না এভাবে কখনো প্রশ্ন করবেন না।সরাসরি অনুরোধ করবেন যে,দয়া করে আপনি আমার এই কাজটি করে দেন।দেখবেন তখন আর সে আপনাকে না করতে পারবে না।তাই কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে নেয়ার এই সাইকোলজি টা একবার ট্রাই করে দেখবেন অনেক কার্যকারী।

২. ইগনোর কারীর সাথে আই কন্টাক্ট করুন।

যখন আপনি কারো সাথে একটানা কথা বলেন এবং সে আপনার কথায় মনোযোগী না হয় অথাৎ আপনাকে ইগনোর করার চেষ্টা করে।তখন কিছুক্ষণের জন্য কথা থামান।কিন্তু চোখ তার চোখেই রাখবেন।চোখ নামাবেন না।এতে দেখবেন সে ইতস্তত বোধ করবে এবং আবার আপনার কথায় মনোযোগ দিবে।

৩.বক্তৃতা দেয়ার সময় সাথে পানির বোতল রাখুন।

অনেকে আছেন অনেক মানুষ এর সামনে কথা বলতে বা বক্তৃতা দিতে পারেন না।গলা শুকিয়ে যায়,কথা ভুলে যান।তারা সাথে করে একটি পানির বোতল রাখতে পারেন।এতে গলা শুকিয়ে গেলে যেমন পানি পান করতে পারবেন,তেমন পানি খাওয়ার এই বিরতিতে আপনার বক্তৃতা ও মনে করতে পারবেন।তাছারা পানি খাওয়ার ফলে,মুড রিফ্রেশ হবে,নার্ভ শিথিল হবে,আর আপনার বক্তৃতাও ভাল হবে।তাই অবশ্যই যারা স্পিচ দেওয়ার সময় নার্ভাস ফিল করেন তারা এই সাইকোলজি টা ফলো করতে পারেন।

৪.ডি মোটিভেশন কে মোটিভেশন হিসেবে ব্যবহার করুন।

ধরুন আপনি কাউকে দিয়ে আপনার কোনো কাজ করাবেন বা অন্য কেউ তাকে দিয়ে কোনো কাজ করাবে তখন তাকে এভাবে বলবেন "যে তুমি তো এই কাজ পারবেই না"।"তোমার দ্বারা হবে না,ছেড়ে দাও"।তখন দেখবেন তার মনে কাজ টা ভাল এবং সুন্দর ভাবে করে দেয়ার আগ্রহ জাগবে,সেটা জেদ করেই হোক,সে চাইবে কাজ টা করে আপনাকে দেখিয়ে দিতে।আর বুঝিয়ে দিতে চাইবে না সে পেরেছে,আপনি ভুল ছিলেন।

৫.দেহভঙ্গি দিয়ে সামনের জনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করুন।

যখন আপনি কারো সাথে কথা বলবেন তখন হালকা করে মাথা, এবং হাত নাড়িয়ে কথা বলবেন।এতে সামনের জন মনে করবে আপনি তার সাথে কথা বলতে আগ্রহ পাচ্ছেন বা আপনার তার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে।এতে দেখবেন যার সাথে কথা বলবেন সে অনেক ফ্রেন্ডলী হয়ে যাবে এবং আপনার সাথে সব কিছু শেয়ার করবে।এই সাইকোলজি টা ভাল সম্পর্ক স্থাপনে সাহায্য করে।আপনার প্রিয় মানুষ এর সাথে ভাল সম্পর্ক রাখতে এই টিপসটা ফলো করুন।

৬.সকালে চোখের ঘুম ভাঙ্গানোর ট্রিকস।

সকালে যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন চোখের ঘুম ভাব দূর করতে উঠে বসে পড়ুন।তারপর দুই হাত উপরে তুলে জোরে বলুন "ইয়ে"।খেলা দেখার সময় অনেকে তাদের এক্সসাইটমেন্ট যেভাবে প্রকাশ করে সেভাবে আরকি।শুনতে অদ্ভুত লাগলেও,এটা আপনাকে সকালে রিফ্রেশ করতে অনেক কাজে দিবে।দেখবেন তৎক্ষণাৎ ঘুম ভাব চলে যাবে।একদিন চেষ্টা করে দেখবেন।

৭.অন্য কাজে মনোযোগী থাকা লোক দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিন।

ধরুন কেউ অনেক মনোযোগ দিয়ে কোন কাজ করছে,যেমন ফোনে অনেক মনোযোগ দিয়ে কারো সাথে কথা বলছে।তখন আপনি আপনার যেকোনো জিনিস তার হাতে ধরিয়ে দিতে পারবেন।যা সে মনে রাখতে পারবেন না আপনি কখন দিয়েছেন।এমন করে নিজের কাজ আপনি তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন।আবার উল্টাটাও হয় তার হাতে থাকা যে কোন জিনিস আপনি নিয়ে নিতে পারবেন।এটাও সে মনে রাখতে পারবে না সে কখন দিয়েছে।

৮.যখন কেউ আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে আপনি তখন তার জুতোর দিকে তাকাবেন।

রাস্তায় বা বাস গাড়িতে যখন কেউ এক দৃষ্টিতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে,তখন আপনিও এক দৃষ্টিতে তার জুতোর দিকে তাকিয়ে থাকবেন।চোখ সরাবেন না।দেখবেন তার মধ্যে ইতস্তত ভাব কাজ করবে,লজ্জা কাজ করবে।আর সে তখন আপনার থেকে চোখ সরিয়ে নিবে।রাস্তাঘাটে বিশেষ করে মেয়েরা এই ট্রিকস টা ফলো করতে পারেন।তাকিয়ে থাকা ব্যক্তির দিকে না তাকিয়ে তার জুতোর দিকে তাকিয়ে থাকবেন।

৯.চিন্তা শক্তির মাধ্যমে ক্লান্তি দূর করুন।

যদি আপনার আগের দিন রাতে ভাল ঘুম না হয় আর আপনি অনেক ক্লান্ত থাকেন,তা হলে মনে মনে ভাববেন আপনার ভাল ঘুম হয়েছে আপনি মোটেও ক্লান্ত না।শুনতে আজব লাগলেও,এটা কিন্তু ১০০% কার্যকারী।কলোরাডো কলেজ একটি পরীক্ষা করে "জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল সাইকোলজি" বই এ প্রকাশ করেছেন যে,আপনি যদি মনে করেন আপনি খুব ভালো ভাবে রেস্ট নিয়েছেন এবং আপনার মধ্যে কোনো ক্লান্তি নেই,তাহলে আপনার ব্রেন খুব ভাল ভাবে কাজ করে।যা ১০০% প্রমানিত।

১০.প্রিয় জনের সাথে দেখা করার সঠিক সময় কোনটা?

মানুষ সব সময় দিনের শুরুর ঘটনা এবং শেষের ঘটনা মনে রাখে।মাঝ খানে সারাদিন যা হয় তা কিন্তু এত একটা মনে রাখে না।তাই সব সময় চেষ্টা করবেন কারো সাথে দেখা কিংবা জরুরি কোন মিটিং,চাকরির ইন্টারভিউ সকালে বা বিকালে করতে।এতে করে আপনার সাথে থাকা মানুষ আপনাকে মনে রাখবে সব সময়।

23/12/2020

১০টি মজাদার মনস্তত্ত্বিক বিষয়ক তথ্য!

১।কোনও ব্যক্তি যদি খুব বেশি হাসেন, এমনকি তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয়গুলিতেও, তবে সে মনে প্রাণে বেশ নিঃসঙ্গ একজন মানুষ!

২।অস্বস্তি বোধ করলে পুরুষরা সাধারণত তাদের মুখ স্পর্শ করতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে মহিলারা তাদের ঘাড়, পোশাক, গহনা এবং চুল স্পর্শ করতে পছন্দ করেন।

৩। কঠিন কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে মুদ্রা ফ্লিপ করুন হাওয়ায়, আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নয়, মুদ্রাটি যখন হাওয়ায় ফ্লিপ খেতে থাকবে তখনি আপনি সিদ্ধান্ত নিতে চান তা বুঝতে পারবেন।

৪। একটি ব্যক্তির উপর ক্রাশ খাওয়াকে পারিভাষিক শব্দে বলা হয় লাইমেরেন্স!

৫।কেউ আপনাকে পরামর্শ দিলে, "আমি জানি" না বরং "আপনি ঠিক" বলে উত্তর দিবেন।তাইলে আপনাকে আরও ভাল এবং আরও কূটনীতিক শোনাবে!

৬। কেউ আপনাকে লক্ষ্য করলে আপনার মন তা বুঝতে পারে আপনি ঘুমন্ত অবস্থাতেও থাকলে!

৭।স্বপ্নের মধ্যে হোঁচট খাওয়া বা চটফটিয়ে ঘুম ভেঙ্গে যায় যখন আপনার মস্তিষ্ক ভাবে যে আপনি মারা যাচ্ছেন!

৮।আমরা যে সব বিষয়ে দুশ্চিন্তা করি তার ৮৫% বাস্তব জীবনে আসলে কখনই ঘটে উঠে না!

৯।ভুলোমন উচ্চ বুদ্ধিমাত্রার একটি লক্ষণ!

১০।কাউকে পছন্দ বা অপছন্দ করতে, এবং কারো প্রেমে পরতে আমাদের মাত্র ৪ মিনিট সময় লাগে!

এই ছবিটি এমন একটি অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম সৃষ্টিকারি ছবি, যা থেকে জেনে নেওয়া সম্ভব আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে।...
12/10/2020

এই ছবিটি এমন একটি অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম সৃষ্টিকারি ছবি, যা থেকে জেনে নেওয়া সম্ভব আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে।

১) এই ছবিটি দেখে আপনার ঠিক কী মনে হচ্ছে? একটি বিড়াল সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে আসছে, তাই তো! আপনি যদি এই ছবিতে বিড়ালের সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে আসা দেখেন তাহলে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আপনি একজন আশাবাদী মানুষ। জীবনের কোনও কাজেই সহজে আপনি হাল ছেড়ে দিতে নারাজ। আপনি নির্ভীক, আবেগপ্রবণ প্রকৃতির মানুষ। আপনি সব সময় ঝুঁকি নিতে ভালবাসেন। আপনি জীবনের কোনও সমস্যাকেই তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। কোনও কাজই আপনি অসম্পূর্ণ রাখতে চান না। পরিচিত বা অপরিচিত, সকলের ক্ষেত্রেই আপনি অত্যন্ত আন্তরিক।

২) এই ছবিটি দেখে আপনার যদি মনে হয়ে থাকে যে, একটি বিড়াল সিড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসছে সে ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা খুবই প্রখর। আপনি সব কিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চান। আপনি আবেগপ্রবন হলেও আপনার আবেগ যুক্তি আর নিখুঁত বিবেচনা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যে কোনও কাজ শুরুর আগেই আপনি সে বিষয়ে যথেষ্ট বিবেচনা আর বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেন। আপনি কখনওই তেমন কোনও ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নন। আপনার নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। জীবনের ব্যর্থতার অধ্যায়গুলিকে আপনি কখনওই ভুলে যান না

আগে_পিকচার_দেখুন_তারপর_লেখাগুলো_পড়ুন। আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে বলে দিতে পারে এই ছবিটি?এই ছবিটি এমনই একটি অপটিক্যাল ই...
10/10/2020

আগে_পিকচার_দেখুন_তারপর_লেখাগুলো_পড়ুন।

আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে বলে দিতে পারে এই ছবিটি?
এই ছবিটি এমনই একটি অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম সৃষ্টিকারি ছবি, যা থেকে জেনে নেওয়া সম্ভব আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে।

অনেক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এক ব্যক্তির চারিত্রিক প্রকৃতি তাঁর অবচেতন মনের প্রকৃতির উপর অনেকটাই নির্ভর করে।
আমরা যে বিষয়গুলি নিয়ে সচেতন অবস্থায় ভাবি না বা আলোচনা করি না, সেই বিষয়গুলিও এই অবচেতন মনে অত্যন্ত যত্নে সংরক্ষিত থাকে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন শধুমাত্র আমাদের সজাগ, সচেতন মন, উপস্থিত বুদ্ধি, বুদ্ধিমত্তা বা সহজাত প্রবৃত্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তা নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের সাবকনসাস মাইন্ড বা অবচেতন মন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই অবচেতন মনের গতিবিধি বোঝা বেশ শক্ত। আর অবচেতন মনের চরিত্র বুঝতে তাকে সজাগ করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আর এই কাজে অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম সৃষ্টিকারি বস্তু বা ছবি অত্যন্ত কার্যকরী। এই ছবিটি এমনই একটি অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম সৃষ্টিকারি ছবি, যা থেকে জেনে নেওয়া সম্ভব আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে।

বাঘ:- যাঁরা ছবিতে প্রথমে বাঘ দেখেছেন মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা বদমেজাজী ও উচ্চাভিলাষী প্রকৃতির মানুষ। এরা জীবনে বড় সাফল্য পেয়ে থাকেন। এদের বেপরোয়া স্বভাব মাঝে মধ্যেই বিপদ ডেকে আনতে পারে। এদের ইচ্ছাশক্তি প্রবল হয়।

ঈগল:- যাঁরা ছবিতে প্রথমে ঈগল দেখেছেন মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা উচ্চাভিলাষী, উদার, পরপোকারী এবং আত্মবিশ্বাসী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। সমাজে এরা খুবই সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এদের আন্তরিকতায় অচেনা মানুষও প্রথম সাক্ষাতে তৃপ্তিলাভ করেন।

কুকুর:- যাঁরা ছবিতে প্রথমে কুকুর দেখেছেন মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা বুদ্ধিমান, অনুগত, আন্তরিক, বিশ্বস্ত, বিচক্ষণ প্রকৃতির মানুষ। এদের বিচার করার ক্ষমতা অসাধারণ যা তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনেও প্রভাব ফেলে।

হাতি:- যাঁরা এই ছবিটিতে প্রথমে হাতি দেখেছেন মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা খুবই জ্ঞানী, ধৈর্য্যবান, উদার, পরপোকারী, বিচক্ষণ প্রকৃতির মানুষ। এদের কাছে পরিবার খুবই গুরুত্বপুর্ণ। এরা উচ্চাভিলাষী প্রকৃতির নন, অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকেন। এদের বিচক্ষণতা, বিবেচনাবোধ এদের সাফল্যের চাবিকাঠি। সমাজে এরা খুবই সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

কাঠ বেড়ালি:- যাঁরা ছবিতে প্রথমে কাঠ বেড়ালি দেখেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা খুবই বুদ্ধিমান, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, সচেতন, নিষ্ঠাবান, সদা সক্রিয়, আত্মবিশ্বাসী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। সমাজে এরা খুবই জনপ্রিয়। এদের অদম্য উৎসাহ আর শক্তিই এদের সাফল্যের চাবিকাঠি।

ব্যাঙ:- যাঁরা এই ছবিটিতে প্রথমে ব্যাঙ দেখেছেন মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা শান্ত, ধৈর্য্যবান, বুদ্ধিমান, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, মনোযোগী এবং বিচক্ষণ প্রকৃতির মানুষ। এরা খুব দ্রুত বিপদ আঁচ করতে পারেন এবং যথা সময়ে বিপদের মৌকাবিলায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। এদের বিচক্ষণ বিচার-বিশ্লেষণ আর ধৈর্য্য সাফল্য নিয়ে আসে।

মাছ:- যাঁরা ছবিতে প্রথমে মাছ দেখেছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তাঁরা অত্যন্ত সুচতুর, বিচক্ষণ, সচেতন, সদা সক্রিয়, অস্থিরচিত্ত এবং খুব রহস্যময় প্রকৃতির মানুষ। এদের মনে কী চলছে, তা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। গোপনীয়তা রক্ষায় এরা অত্যন্ত বিশ্বস্ত। সমাজে এরা খুবই জনপ্রিয়।

[Collected]

Address

Azimpur
Azimpur
1205

Telephone

+8801636589402

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arnob Sarker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Arnob Sarker:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category