08/11/2025
আজকের কেসটি আমার গত কেসটির মতো সেইম প্রবলেম নিয়েই। এটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, হোমিওপ্যাথি ঠিকভাবে প্রয়োগ করলে শরীর নিজেই নিজের আরোগ্য ফিরে পেতে পারে।
রোগীর বয়স মাত্র ৩২ বছর। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি সারা শরীরে একজিমায় ভুগছিলেন। ত্বক ফেটে যেত, আঠালো পানি বের হতো, আর তীব্র চুলকানির কারণে রাতে ঘুম হতো না। বিভিন্ন চিকিৎসা, মলম, এমনকি ওষুধও খেয়েছেন, কিন্তু সাময়িক আরামের পর সমস্যা আবার ফিরে আসত।
যখন তিনি আমার চেম্বারে আসেন, তার চেহারায় একরাশ ক্লান্তি আর হতাশা। আমি ধৈর্য ধরে তার সম্পূর্ণ কথা শুনি। খাবার-দাবার, মানসিক অবস্থা, ঘুম, এমনকি কখন চুলকানি বেশি হয়, সব জানতে চাই। হোমিওপ্যাথিতে এই পর্যবেক্ষণটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রতিটি শরীরের প্রতিক্রিয়া আলাদা, তাই চিকিৎসাও একক হতে হয়। তার উপসর্গের ভিত্তিতে নির্ধারণ করি উপযুক্ত ওষুধ।
মাত্র এক দিনের মধ্যেই তিনি উপশম অনুভব করেন, চুলকানি অনেকটাই কমে যায়। আর এক মাসের চিকিৎসার পর আলহামদুলিল্লাহ, তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যান। ত্বকের ফাটাভাব, চুলকানি, এমনকি রাতের অস্থিরতাও মিলিয়ে গেছে। যেন তিনি আবার নতুন করে ত্বকে ফিরে পেয়েছেন।
একজিমা শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতার প্রতিফলন। তাই কেবল মলম নয়, প্রয়োজন ভেতর থেকে চিকিৎসা। হোমিওপ্যাথি সেই মূল জায়গায় কাজ করে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ শক্তি ফিরিয়ে আনে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।
দীর্ঘদিনের চুলকানি, ত্বক ফাটা বা একজিমার মতো সমস্যায় অবহেলা করবেন না। হোমিও চিকিৎসা হতে পারে আপনার জন্য স্থায়ী আরামের পথ।
ডাঃ রওশন জাহান
বি.এ, ডি.এইচ.এম.এস (ঢাকা)
সহকারী অধ্যাপক
জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সিলেট
চেম্বার: নাবা হোমিও ফার্মেসি, ১৭৭/২, এতিম স্কুল রোড, বাগবাড়ি, সিলেট।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: +8801316445687