08/12/2025
মজলুম জননেতা মনজুরুল হক রাহাত ( ভাই )
সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষটির নাম শেখ মনজুরুল হক রাহাত । বাগেরহাট এর মানুষ যে ব্যক্তিটিকে ভালোবাসে পরিবারের সদস্যদের মতো ।এই মানুষটি ও প্রততেকটি মানুষ কে তার পরিবারের সদস্যদের মতোই ভালোবাসেন বিপদে মানুষের পাশে থাকেন সবসময়। ।
আমি যতবার রাহাত ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেছি ফোনে কথা বলেছি প্রতিবার প্রথমবার সাক্ষাৎ করার মতো আন্তরিক পেয়েছি ।এবং রাহাত ভাইয়ের আচারনে হৃদয়ে শিতলতা অনুভব করেছি ।
সর্বশেষ ভাইয়ের সাথে ফ্রেব্রুয়ারি ১১ তারিখ থেকে মার্চের ১৩ তারিখ পর্যন্ত কারাগারে থেকেছি।প্রতিটি মূহুর্ত একি রকম আন্তরিক পেয়েছি।নেতাদের হৃদয় কত বড় হতে হয় তা আমি ভাইয়ের কাছ থেকে দেখেছি ।কারাগারে একটা ঘটনা উল্লেখ করলে সহজে বোঝা যাবে ।
একটা বিশেষ প্রয়োজনে আমার বাড়িতে কথা বলা দরকার তো কারাগারে যারা গেছেন। তারা জানেন যে পিসি বই থেকে সপ্তাহে একবার কথা বলা যায় ।তো এই সুযোগটা কেউ হাতছাড়া করতে চায় না ।পরিবারের সাথে কেউ কথা বলে অথবা আইনজীবীদের সাথে কেউ কথা বলে ।অথবা অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের সাথে কেউ কথা বলে। এবং অধিকাংশ কারাবন্দিরাই সপ্তাহের এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে যে কবে তার কথা বলার সিরিয়াল পড়ে।
তো আমার বাড়ি কথা বলা খুবই প্রয়োজন ছিল। তো যেহেতু আমার পিসি বই থেকে কিছুদিন আগে কথা বলেছি এখনো কথা বলার সিরিয়াল অনেক পরে। তো আমি রাহাত ভাইকে , বললাম যে ভাই আমার তো ফোনে কথা বলা দরকার তো ভাই অনায়াসেই বলল হ্যাঁ কথা বলা যাবে তুমি আমার পিসি নিয়ে কথা বলো ।
আমি অবাক হলাম যে রাহাত ভাইয়ের পরিবার আছে। মা আছে বাবা আছে তাদের সাথে কথা বলার সুযোগ টা মিস করে বাদ দিয়ে আমাকে কথা বলার সুযোগ করে দিলো । আমি সেদিন বুঝতে পারলাম যে নেতাদের মন কতটা উদার হতে হয় কতটা বট গাছের মতো হতে হয় ।যে বটগাছের নিচে হাজার মানুষ আশ্রয় নেবে এবং যাওয়ার সময় গাছের পাতা ছিড়েও নিয়ে যাবে। বাগেরহাটের সেরকম একটা বটগাছের নাম মনজুরুল হক রাহাত।
আরেকটা ব্যাপার হল নিজ থেকে দেখা রাহাত ভাই মানুষকে যেমন ভালোবাসে মানুষের পাশে যেমন দাঁড়ায়। আমরা দেখেছি করোনার সময় যখন কোন মানুষ ঘর থেকে বের হয়নি তখনও সেই মানুষটিকে দেখেছি প্রতিটা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেবা দিতে বাগেরহাটের মানুষকে রাহাত ভাই যেমন ভালোবাসেন কাছে থাকেন।
বাগেরহাটের মানুষও রাহাত ভাইকে তেমন ভালোবাসেন শুধু ভালবাসেন বললে ভুল হবে নিজ চোখে দেখা কারাগারে যে মানুষেরা যায়। তারা যে যার চিন্তা করে থাকে স্বাভাবিকভাবে ।কিন্তু আমি নিজ চোখে দেখেছি যে রাহাত ভাইকে মানুষ কতটা ভালোবাসে ।বিপদ আপদ পড়লে রাহাত ভাইয়ের কাছে যেমন আসে রাহাত ভাই যেমন ছুটে আসে তেমনি সাধারণ মানুষ ও রাহাত ভাইয়ের কাছে ছুটে আসে ।
আমি দেখেছি একজন সাধারণ মানুষের দুটো মাছ কেনার এবিলিটি নাই ।কারাগারে থেকে একটা মাছ কিনে একটা মাছ থেকে অর্ধেক মাছ রাহাত ভাইয়ের জন্য রেখে দেয় । শুধু মাছ না প্রতিটা ক্ষেত্রে রাহাত ভাইকে মানুষ হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে যে ভালোবাসায় নেই কোন খাত ।
একজন ষাটার্ধ মুরব্বি রাহাত ভাইকে ছেলের মতো ভালবাসেন একজন ৩০ বছরের যুবক ভাইয়ের মতো ভালোবাসেন। একজন মা তার সন্তানের মতো ভালোবাসেন।
রাহাত ভাইয়ের প্রতি কারাবন্দিদের ভালোবাসা দেখে ওআমি মুগ্ধ হয়েছি বার বার ।সেই প্রিয় মানুষ টি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ বাগেরহাট ২ আসন থেকে নির্বাচন করবেন ইনশাআল্লাহ --
যদি মনে করেন এমন একজন এমপি আমাদের প্রয়োজন যিনি বিপদ আপদে আমাদের কাছাকাছি থাকবে ( করোনা মহামারীতে রাহাত ভাই পুরো বাগেরহাটের জনতার পাশে ছিলো কোন করোনা আক্রান্ত মায়ের শাসকষ্ট হচ্ছে সিলিন্ডার দরকার - করোনা রুগি মারা গিয়েছেন গোসলের লোক পাচ্ছে না - এ সকল কাজে শতরিক্স থাকা সত্তেও ছুটি গিয়েছিলেন মন্জুরুল হক রাহাত)
আশা করি জনগনের দুর্দিনে জীবন ঝুকিতে ফেলে সেবা দেওয়া মনজুরুল হক রাহাদ ভাই কে সমর্থন দিলে বাগেরহাট বাসী এমন একজন এমপি পেতে পারেন যে এমপি ক্ষুধার্তর দরজায় মাথায় আটার বস্তা নিয়া ছুটবেন, - শিতের সময় শীতবস্ত্র কাধে নিয়ে ঘুরবেন শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য ----,
শেখ তাওহীদুল ইসলাম তালহা
সাবেক জেলা সেক্রেটারি
ইসলামী ছাত্রশিবির বাগেরহাট জেলা