Dr. S M Ahamed Abed

Dr. S M Ahamed Abed Dr. S. M. He is known for accurate diagnosis, modern therapeutic approaches, and compassionate patient care.

ডা. এস. এম. আহমাদ (আবেদ)
এমডি (রিউমাটোলজি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমবিবিএস (এসএসএমসি)
বাতব্যথা, বাতজ্বর ও বাতরোগ বিশেষজ্ঞ (রিউমাটোলজিস্ট)
রিউমাটোলজি বিভাগ
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল

চেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, বরিশাল Ahmad (Abed) is a Rheumatology Specialist based in Barishal, providing advanced, evidence-based treatment for arthritis, joint pain, autoimmune diseases, and chronic inflammatory conditions.

03/05/2026

স্টেরয়েড ইনজেকশন সব হাটু ব্যথার সমাধান নয়—

ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যারের এই ভিডিওতে দেখুন, কীভাবে অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড ইনজেকশনের কারণে রোগীর হাঁটুতে ইনফেকশন হয়েছে এবং কেন সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া এ ধরনের চিকিৎসা বিপজ্জনক।
সতর্ক থাকুন, সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

27/04/2026

Rheumatoid Arthritis অবহেলায় হাত বেঁকে যেতে পারে। সময়মতো চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিচ্ছেন ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যার।
সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

22/04/2026

Carpal Tunnel Syndrome—হাতের অসাড়তা, ঝিনঝিন বা ব্যথা কি অবহেলা করছেন?
ডা. এস. এম. আহমেদ আবেদের সাথে রোগীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সঠিক চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

Admin post

২০২২ সালের ১৭ আগস্ট বরিশালে আমার প্রথম চেম্বার শুরু করি। নতুন এই পথচলার কিছুদিন পরই আমার মা চেম্বারে আসেন। সেই সময়ের স্ম...
20/04/2026

২০২২ সালের ১৭ আগস্ট বরিশালে আমার প্রথম চেম্বার শুরু করি। নতুন এই পথচলার কিছুদিন পরই আমার মা চেম্বারে আসেন। সেই সময়ের স্মরণীয় একটি মুহূর্ত আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। 💙
মায়ের দোয়া, ভালোবাসা ও আশীর্বাদই সন্তানের সবচেয়ে বড় শক্তি। 🌸

16/04/2026

বাত রোগ শুধু জয়েন্টেই সীমাবদ্ধ নয়—কখনও কখনও এটি ফুসফুসেও জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাচ্ছেন ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যার। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। ভিডিওটি দেখুন ও শেয়ার করুন।

-এডমিন পোস্ট

09/04/2026

Raynaud’s Phenomenon — অবহেলা নয়
ঠান্ডা বা মানসিক চাপের কারণে আঙুল সাদা বা নীল হয়ে যায়? এটি হতে পারে Raynaud’s phenomenon—রক্তনালীর সাময়িক সমস্যার একটি লক্ষণ।
🔎 এটি অনেক সময় বাত রোগের কারণেও হতে পারে, তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা জরুরি।
এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও করণীয় জানাচ্ছেন 👨‍⚕️ ডা. এস এম আহমাদ আবেদ স্যার।
👉 সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখে সচেতন থাকুন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন 💙
Admin post

06/04/2026

ছোট বাচ্চার হাঁটু ব্যথা কেন হয়?
এটা কি স্বাভাবিক, নাকি কোনো রোগের লক্ষণ?
ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যারের ভিডিওতে জেনে নিন বিস্তারিত
Admin post #
ভিডিওটি দেখুন এবং শেয়ার করুন।

05/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️
চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিল উপলক্ষে
ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যার কর্তৃক পরিচালিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মানবসেবাই যার লক্ষ্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যার অঙ্গীকার —
স্যারের এই মহৎ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

ধন্যবাদ Barishal Darpan ❤️

Admin post #

চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিল উপলক্ষেডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যারের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প।মানবসেবাই হোক আমাদের অঙ্গীকা...
01/04/2026

চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিল উপলক্ষে
ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যারের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প।
মানবসেবাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিল উপলক্ষে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের জন্য ডক্টর এস এম আহমাদ আবেদ স্যার পরিচালনা করেছেন একটি ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প।
এই মেডিক্যাল ক্যাম্পে আগত রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, পরামর্শ ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে।
আল্লাহ তায়ালা স্যারের এই মানবিক উদ্যোগ কবুল করুন এবং তাকে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করুন। 🤲

-এডমিন





30/03/2026

#হাম বা (মিজলস) ছড়িয়ে পড়ছে, ৫ টি বিষয় অবশ্যই জানা দরকার।

A).হাম (মিজলস) মারাত্মক হতে পারে।

১.হাম প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জন মানুষকে হত্যা করে, যা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১২ জন। এদের অধিকাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু।

২.শিশুরা হাম থেকে বেঁচে গেলেও, এই ভাইরাস তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা বা স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা রেখে যেতে পারে।

৩.গুরুতর জটিলতা হিসেবে দেখা দিতে পারে: নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া, অন্ধত্ব এবং এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের ফোলা)।

৪.হাম সেরে ওঠার অনেক পরেও এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, যাকে “ইমিউনিটি অ্যামনেসিয়া” বলা হয়।

B)হাম (মিজলস) পৃথিবীর সবচেয়ে ছোঁয়াচে রোগগুলোর মধ্যে একটি।

১.হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে বায়ুবাহিত (airborne) রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস-প্রশ্বাস, কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস কণা বাতাসে এবং
২.বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে দেয়, যা দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সংক্রামক থাকতে পারে।

৩. অবাক ব্যাপার হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজে জানার আগেই অন্যদের মধ্যে হাম ছড়াতে শুরু করতে পারে — বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হামের র‍্যাশ দেখা দেওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই।

৪.একবার কোনো শিশু হামে আক্রান্ত হলে, তার ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ৯০ শতাংশ মানুষ (যারা আগে থেকে প্রতিরোধী নয়) হামে আক্রান্ত হয়ে পড়বে।

৫.হামের ভাইরাস সীমানা মানে না। গত পাঁচ বছরে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে, এমনকি এমন কয়েকটি দেশেও যেখানে আগে হাম পুরোপুরি নির্মূল হয়েছিল।

C)টিকা হামের প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায়।

১.হামের টিকা নিরাপদ।
২.হাম-সম্বলিত টিকার দুই ডোজ সারাজীবনের জন্য ৯৯ শতাংশ সুরক্ষা প্রদান করে।
৩.টিকা শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়া এবং অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
কোনো শিশুরই হামে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতা বা মৃত্যুর ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।
৪.১৯৭৪ সাল থেকে হামের টিকা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯৪ মিলিয়ন (৯ কোটি ৪০ লাখ) জীবন বাঁচিয়েছে।

D)যথাযথ ভ্যাক্সিনেশন না হলে হাম ছড়াবেই।

হাম খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে, সম্প্রদায়ের মধ্যে উচ্চ হারে টিকাদান বজায় রাখা প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
১.হামের টিকার দুই ডোজ সহ ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি টিকাদানের হার থাকলে তবেই সম্প্রদায়কে হামের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
২. সকল শিশুকে হামের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া উচিত।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হামের প্রথম ডোজের টিকাদানের হার মাত্র ৮৪ শতাংশ, এবং দ্বিতীয় ডোজের হার আরও কম — মাত্র ৭৬ শতাংশ। এটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষার স্তরের অনেক নিচে।
৩.এই নিম্ন হারের কারণে হাম ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হয় এবং টিকাবিহীন শিশুসহ দুর্বল গোষ্ঠীগুলো আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।
৪.উচ্চ হারে হামের ঘটনা দেখা যায় এমন দেশগুলোতে নিয়মিত হামের টিকাদান এবং ব্যাপক টিকাদান অভিযান চালানো প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা এবং বিশ্বব্যাপী হামজনিত মৃত্যু কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

E)পাঁচ-ডোজের ভায়ালে (vial) স্যুইচ করলে সরকারগুলো আরও বেশি জীবন বাঁচাতে পারবে।
১.হামের টিকা সাধারণত দশ-ডোজের ভায়ালে কেনা হয়।
একবার ভায়াল খোলার পর স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় থাকে, যার মধ্যে দশটি ডোজই শিশুদের দিয়ে দিতে হয়।ব্যবহার না হওয়া কোনো ডোজ নষ্ট হয়ে যায় এবং ফেলে দিতে হয়।
২.স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক সময় মাত্র এক বা দুইজন শিশুর জন্য নতুন ভায়াল খুলতে দ্বিধা করেন, কারণ বাকি ডোজগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
৩.এই দ্বিধা এবং ওষুধ নষ্ট হওয়ার ভয় প্রায়ই ভায়াল না খোলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ফলে অনেক শিশু প্রয়োজনীয় টিকা না পেয়ে হাম থেকে সুরক্ষা পায় না।

সূত্র:UNICEF

Dr Mohammed Shahjahan Nazir
Associate Professor,
Infectious Diseases and Tropical Medicine

Address

Popular Diagnostic Center Ltd, Barishal Branch
Barishal

Telephone

+8801913867080

Website

https://www.linkedin.com/in/dr-s-m-ahamed-abed-1632613b4/?lipi=urn%3Ali%3Apage%3Ad_flagship3_fee

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. S M Ahamed Abed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. S M Ahamed Abed:

Share