Dr Israt Sharmin

Dr Israt Sharmin স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কনসালটেন্ট ( গাইনী এন্ড অবস)

অনেক মা-ই সিজারিয়ান ডেলিভারির পর সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করেন সেলাই ঠিকভাবে শুকাচ্ছে কিনা, কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা এই বিষয়...
26/04/2026

অনেক মা-ই সিজারিয়ান ডেলিভারির পর সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করেন সেলাই ঠিকভাবে শুকাচ্ছে কিনা, কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা এই বিষয়গুলো নিয়ে। আসলে অপারেশনের পর সেলাইয়ের যত্নটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ সামান্য অবহেলাও ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই সঠিক নিয়ম মেনে চললে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেলাই সুন্দরভাবে শুকিয়ে যায় এবং কোনো জটিলতা হয় না।

সেলাইয়ের যত্নে যা করবেনঃ-

🔹 সেলাই সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন
🔹 হাত পরিষ্কার করে সেলাই স্পর্শ করুন
🔹 ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন
🔹 নিয়মিত ড্রেসিং ও ফলোআপ করুন
🔹 শরীর শুকনো রাখুন
🔹 প্রোটিন (ডিম, মাছ, মাংস), ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খান

যা করবেন নাঃ-

🔹 টাইট বা আঁটসাঁট পোশাক পরবেন না
🔹 সেলাই ভিজা রাখা যাবে না
🔹 ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ বা ক্রিম ব্যবহার করবেন না
🔹 সেলাই চুলকানো বা খোঁচানো যাবে না
🔹 ভারী কাজ বা চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন

সিজারিয়ান সেলাইয়ের যত্ন নেওয়া কোনো জটিল কাজ না, কিন্তু নিয়ম না মানলে সমস্যা তৈরি হয়। অনেকেই ছোটখাটো বিষয়কে গুরুত্ব দেন না সেখান থেকেই ইনফেকশন শুরু হয়। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক পোশাক এবং ডাক্তারের নির্দেশনা এই তিনটা বিষয় ঠিক রাখলেই আপনি নিরাপদে ও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

গর্ভাবস্থা এমন একটি সময়, যখন একজন মায়ের প্রতিটি ছোট সিদ্ধান্তও তার নিজের এবং অনাগত শিশুর স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। আম...
25/04/2026

গর্ভাবস্থা এমন একটি সময়, যখন একজন মায়ের প্রতিটি ছোট সিদ্ধান্তও তার নিজের এবং অনাগত শিশুর স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। আমরা অনেকেই ভাবি স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই তো সব ঠিক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কিছু খাবার দেখতে বা শুনতে স্বাস্থ্যকর মনে হলেও গর্ভাবস্থায় সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আবার কিছু খাবার আছে, যেগুলো সঠিকভাবে প্রস্তুত না করলে মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করে। এই সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায়, ফলে খাবারের মাধ্যমে সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কী খাচ্ছেন, কীভাবে খাচ্ছেন এগুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চলুন জেনে নেই গর্ভাবস্থায় কোন খাবারগুলো ঝুঁকিপূর্ণঃ-

🔸 কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডিম
কাঁচা বা হালকা রান্না করা ডিমে Salmonella নামক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এটি ডায়রিয়া, বমি, জ্বর সৃষ্টি করতে পারে, যা গর্ভবতী নারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

🔸 কাঁচা বা অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা মাংস
গরু, খাসি বা মুরগির মাংস ভালোভাবে না রান্না করলে Toxoplasma বা অন্যান্য জীবাণু থাকতে পারে। এর ফলে গর্ভের শিশুর মারাত্মক ক্ষতি, এমনকি জন্মগত ত্রুটিও হতে পারে।

🔸 কাঁচা বা অপরিষ্কার মাছ ও সামুদ্রিক খাবার
কাঁচা মাছ (যেমন সুশি) বা ঠিকমতো পরিষ্কার না করা সামুদ্রিক খাবারে পরজীবী ও ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এছাড়া কিছু মাছে বেশি পরিমাণে মারকারি (Mercury) থাকে, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষতিকর।

🔸 অপাস্তুরিত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
পাস্তুরাইজ করা হয়নি এমন দুধ বা দুধজাত খাবারে Listeria নামক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এটি গর্ভপাত, সময়ের আগে ডেলিভারি বা শিশুর সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

🔸 কাঁচা পেঁপে ও আধা-পাকা আনারস
কাঁচা পেঁপেতে latex জাতীয় উপাদান থাকে, যা জরায়ু সংকোচন বাড়াতে পারে। অতিরিক্ত আনারসেও এমন কিছু এনজাইম থাকে যা বেশি খেলে সমস্যা করতে পারে।

🔸 রাস্তার খোলা খাবার ও অস্বাস্থ্যকর ফাস্টফুড
খোলা পরিবেশে রাখা খাবারে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। ফুড পয়জনিং হলে মা ও শিশুর দুজনের জন্যই ঝুঁকি তৈরি হয়।

🔸 রাস্তার খোলা খাবার ও অস্বাস্থ্যকর ফাস্টফুড
খোলা পরিবেশে রাখা খাবারে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। ফুড পয়জনিং হলে মা ও শিশুর দুজনের জন্যই ঝুঁকি তৈরি হয়।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

23/04/2026

এই সাধারণ লক্ষণ গুলো অবহেলা করলেই বিপদ

অনেক দম্পতি বেবি নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু ঠিক সময়টা ধরতে না পারার কারণে বারবার হতাশ হন। আসলে বিষয়টা অনেক সময় জটিল না। ...
22/04/2026

অনেক দম্পতি বেবি নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু ঠিক সময়টা ধরতে না পারার কারণে বারবার হতাশ হন। আসলে বিষয়টা অনেক সময় জটিল না। আপনার শরীর প্রতি মাসে নির্দিষ্ট কিছু সংকেত দেয়, শুধু সেগুলো ঠিকভাবে বুঝতে পারলেই হয়। ওভ্যুলেশন (ডিম্বাণু নিঃসরণ) ট্র্যাক করা সেই জায়গাটাতেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ভুল পদ্ধতিতে ট্র্যাক করলে বা অতিরিক্ত চিন্তা করলে ফল উল্টোও হতে পারে।

যাদের মাসিক নিয়মিত (২৮-৩০ দিন), তারা সাধারণত পরবর্তী মাসিকের ১২–১৪ দিন আগে ওভ্যুলেশন হয়। তাই সাইকেলের ১০ম দিন থেকে ওভ্যুলেশন টেস্ট (OPK) শুরু করা ভালো। খুব দেরি করে শুরু করলে পিক মিস হয়ে যেতে পারে। প্রতিদিন একই সময়ে টেস্ট করুন খুব ভোরে না করে, দুপুর বা বিকেলের দিকে টেস্ট করলে হরমোন (LH) বেশি নির্ভুলভাবে ধরা পড়ে। সার্ভিক্যাল মিউকাস লক্ষ্য করুন ওভ্যুলেশনের সময় যোনিপথে স্বচ্ছ, পিচ্ছিল, ডিমের সাদা অংশের মতো স্রাব হয় এটাই সবচেয়ে ফার্টাইল সময়ের লক্ষণ। হালকা পেটব্যথা (ovulation pain), স্তনে টান লাগা, যৌন আগ্রহ বেড়ে যাওয়া এসবও ওভ্যুলেশনের ইঙ্গিত হতে পারে। ওভ্যুলেশনের আগে ও সময়টাতে ১-২ দিন পরপর সহবাস করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

১ বছর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে, মাসিক অনিয়মিত হলে, ওভ্যুলেশন টেস্টে বারবার নেগেটিভ আসলে, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) বা অন্য হরমোন সমস্যা থাকলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

প্রসবের সময় যতই কাছে আসে, মায়েদের মনে ততই নানা প্রশ্ন, দুশ্চিন্তা আর উত্তেজনা কাজ করে। সব ঠিকঠাক হবে তো?, কোনো সমস্যা হব...
21/04/2026

প্রসবের সময় যতই কাছে আসে, মায়েদের মনে ততই নানা প্রশ্ন, দুশ্চিন্তা আর উত্তেজনা কাজ করে। সব ঠিকঠাক হবে তো?, কোনো সমস্যা হবে না তো?, আমি কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করব? এই ভাবনাগুলো একেবারেই স্বাভাবিক। শেষ এক মাসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়েই শরীর ধীরে ধীরে প্রসবের জন্য প্রস্তুত হয়। তাই এই সময়টা সঠিকভাবে কাটানো মা ও বাচ্চা দুজনের জন্যই নিরাপদ ডেলিভারির পথ সহজ করে দেয়।

শেষ মাসে সাধারণত প্রতি সপ্তাহে ফলো-আপ দরকার হয়। এতে বাচ্চার অবস্থান, হার্টবিট, পানি (amniotic fluid) এবং মায়ের শারীরিক অবস্থা ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করা যায়। প্রতিদিন বাচ্চার মুভমেন্ট খেয়াল করা খুব জরুরি। যদি হঠাৎ কমে যায় বা একদম না লাগে, দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট হালকা হাঁটা বা প্রেগনেন্সি-সেফ এক্সারসাইজ শরীরকে প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে এবং ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ায়। প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান। যেমন ডিম, মাছ, দুধ, শাকসবজি, ফল। এতে মা ও বাচ্চা দুজনই সুস্থ থাকে। ডিহাইড্রেশন এড়াতে দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এতে ইউরিন ইনফেকশন ও প্রি-টার্ম লেবারের ঝুঁকি কমে। হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাগ (baby bag) গুছিয়ে রাখুন। প্রয়োজনীয় কাপড়, রিপোর্ট, টাকা-পয়সা সব প্রস্তুত রাখুন। এই সময় শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়, তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম খুব দরকার।

এসময়ে ভারী কাজ বা ওজন তোলা এড়িয়ে চলুন। এতে জরায়ুর ওপর চাপ পড়ে এবং জটিলতা বাড়তে পারে। আপনার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না ইভেন সাধারণ ব্যথার ওষুধও নয়। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। একই পজিশনে অনেকক্ষণ থাকলে শরীরে চাপ পড়ে, পা ফুলে যেতে পারে এবং রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। স্ট্রেস হরমোনাল পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রসবের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই অযথা দুশ্চিন্তা না করে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। হঠাৎ পানি বের হওয়া (water break) বা যেকোনো ধরনের রক্তপাত হলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

20/04/2026

৫ টি সাধারণ লক্ষণ যা অবহেলা করবেন না

কৈশোরে শরীর যেমন দ্রুত বদলায়, তেমনি বদলায় হরমোনের ভারসাম্যও। এই সময় অনেক কিশোরী মেয়ের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখা যায়, ...
19/04/2026

কৈশোরে শরীর যেমন দ্রুত বদলায়, তেমনি বদলায় হরমোনের ভারসাম্যও। এই সময় অনেক কিশোরী মেয়ের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখা যায়, যা মা-বাবার কাছে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। সাদাস্রাব বা vaginal discharge এমনই একটি বিষয় যা নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভয়, লজ্জা বা ভুল ধারণা খুবই সাধারণ। কিন্তু সঠিক তথ্য জানা থাকলে বিষয়টি সহজেই বোঝা যায় এবং প্রয়োজন হলে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

কিশোরীদের ক্ষেত্রে সাদাস্রাব বেশিরভাগ সময়ই স্বাভাবিক হয়, বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে (Puberty), মাসিক শুরুর আগে বা পরে, ডিম্বস্ফোটনের সময় (Ovulation)। স্বাভাবিক সাদাস্রাব স্বচ্ছ বা হালকা সাদা রঙের, গন্ধহীন বা খুব হালকা গন্ধ, চুলকানি বা জ্বালা থাকে না, পাতলা বা হালকা আঠালো হতে পারে।

তবে সব সাদাস্রাব স্বাভাবিক নয়। নিচের লক্ষণগুলো থাকলে গুরুত্ব দিতে হবেঃ-

▪️ হলুদ, সবুজ বা ধূসর রঙের স্রাব
▪️ দুর্গন্ধ (বিশেষ করে মাছের মতো গন্ধ)
▪️ যোনিতে চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা
▪️ প্রস্রাবের সময় জ্বালা
▪️ অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে স্রাব
এসব লক্ষণ থাকলে এটি ইনফেকশনের ইঙ্গিত হতে পারে।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

অনেক মানুষ আছেন, যারা না বলতে পারেন না। কেউ কিছু বললে, নিজের কষ্ট হলেও হাসিমুখে মেনে নেন শুধু এই ভেবে যে, কাউকে যেন বিরক...
18/04/2026

অনেক মানুষ আছেন, যারা না বলতে পারেন না। কেউ কিছু বললে, নিজের কষ্ট হলেও হাসিমুখে মেনে নেন শুধু এই ভেবে যে, কাউকে যেন বিরক্ত না করা হয়। বাইরে থেকে এটা ভদ্রতা বা ভালো ব্যবহার মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে এটা একটা চাপ তৈরি করে। আর এই চাপই ধীরে ধীরে শরীর ও মনের ক্ষতি করতে শুরু করে যেটা অনেকেই বুঝতেই পারেন না।

কাউকে বিরক্ত না করার এই মানসিকতা কীভাবে ক্ষতি করে?

🔹 সবসময় অন্যের খুশি রাখার চেষ্টা করলে নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছা চাপা পড়ে যায়। এতে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে হতে পারে মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া, দ্রুত রেগে যাওয়া বা বিরক্তি।

🔹 নিজের অনুভূতি চেপে রাখা মানে ভেতরে ভেতরে জমতে থাকা চাপ। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজের কথা বলতে পারেন না, তাদের মধ্যে
Anxiety, Depression এর ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

🔹 মন খারাপ বা চাপ শুধু মাথায় থাকে না এটা শরীরেও প্রকাশ পায়। যেমন বুক ধড়ফড় করা, পেটের সমস্যা (গ্যাস্ট্রিক, IBS), শরীরে ব্যথা বা ক্লান্তি।

🔹 সবসময় হ্যাঁ বলতে বলতে একসময় মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন কোনো কাজেই আগ্রহ থাকে না। এটা এক ধরনের emotional exhaustion, যাকে আমরা বার্নআউট বলি।

সবাইকে খুশি রাখা কখনোই সম্ভব না। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্য নষ্ট করে অন্যকে খুশি রাখার চেষ্টা এটা কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ না।
নিজের বাউন্ডারি ঠিক রাখা, নিজের কথা বলা এগুলো স্বার্থপরতা না, বরং সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য।

ডাঃ ইসরাত শারমিন

16/04/2026

লিভার সুস্থ রাখতে করনীয়ঃ-

দিনে কয়বার খাবেন ৩ বেলা না ৫ বেলা এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন। কেউ বলেন বারবার অল্প অল্প করে খাওয়া ভালো, আবার কেউ বলেন কম বা...
15/04/2026

দিনে কয়বার খাবেন ৩ বেলা না ৫ বেলা এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন। কেউ বলেন বারবার অল্প অল্প করে খাওয়া ভালো, আবার কেউ বলেন কম বার কিন্তু ঠিকমতো খাওয়াই সেরা। আসলে বিষয়টা এতটা সিম্পল না। আমাদের শরীর কীভাবে খাবার ব্যবহার করে, হরমোন কীভাবে কাজ করে এসবের উপর নির্ভর করে সঠিক উত্তরটা।

আমাদের মাঝে দিনে ৩ বেলা (সকাল, দুপুর, রাত) খাওয়ার প্যাটার্নটাই সবচেয়ে প্রচলিত। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে খাবারের মাঝে বেশি সময় গ্যাপ থাকলে শরীরে ইনসুলিন লেভেল কমে, যা ফ্যাট বার্নে সাহায্য করতে পারে। হজম প্রক্রিয়া ঠিকমতো সম্পন্ন হওয়ার সময় পায়। অতিরিক্ত স্ন্যাকিং কম হয়, ফলে মোট ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা ওজন কমাতে চান, যাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা প্রিডায়াবেটিস আছে, যারা নিয়ম মেনে বড় মিল খেতে পারেন তাদের ক্ষেত্রে দিনে ৩ বেলা খাওয়াই ভালো।

দিনে ৫ বেলা মানে ৩টা মেইন মিল + ২টা ছোট স্ন্যাকস। অনেকেই মনে করেন বারবার খেলে মেটাবলিজম বাড়ে কিন্তু বাস্তবে এর শক্ত প্রমাণ নেই। ঘন ঘন খেলে ইনসুলিন বারবার বাড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে ফ্যাট জমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ছোট ছোট মিল খেলে কিছু মানুষের হঠাৎ বেশি খেয়ে ফেলা (overeating) কমে। যাদের একবারে বেশি খেতে সমস্যা হয়, গ্যাস্ট্রিক/অ্যাসিডিটির সমস্যা যাদের আছে, অ্যাথলেট বা খুব বেশি শারীরিক পরিশ্রম করেন যারা তাদের ক্ষেত্রে এই প্যাটার্নটাই উপকারী।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।
মোবাইলঃ ০১৭১৬১৬৭৮৭৯

নতুন বছর আপনার জন্য সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
14/04/2026

নতুন বছর আপনার জন্য সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক।
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

অনেক নারীই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার করেন। টিভি বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া সব জায়গাতেই এগুল...
13/04/2026

অনেক নারীই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার করেন। টিভি বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া সব জায়গাতেই এগুলোকে ফ্রেশ থাকার সহজ উপায় হিসেবে দেখানো হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শরীরের এই অংশটি স্বাভাবিকভাবেই নিজের যত্ন নিজেই নিতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় কিছু ব্যবহার করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার করলে কি সত্যিই সমস্যা বাড়ে? নারীর ভ্যাজাইনা নিজেই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পরিষ্কার ব্যবস্থা। এখানে ভালো ব্যাকটেরিয়া (Lactobacillus) থাকে, যা pH স্বাভাবিক রাখে (হালকা অ্যাসিডিক), ক্ষতিকর জীবাণু প্রতিরোধ করে। এই ব্যালেন্স ঠিক থাকলেই ভ্যাজাইনা সুস্থ থাকে।

ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার করলে যে ধরণের সমস্যা হতে পারেঃ-

☑️ প্রাকৃতিক ব্যালেন্স নষ্ট হয়
☑️ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে
☑️ শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া
☑️ হরমোনাল ও ত্বকের সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে

সাধারণভাবে রুটিন হিসেবে ভ্যাজাইনাল ওয়াশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শে নির্দিষ্ট ইনফেকশনের সময়, বিশেষ চিকিৎসার অংশ হিসেবে সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। ভ্যাজাইনাল এড়িয়া পরিষ্কার রাখতে শুধু পরিষ্কার পানি দিয়ে বাইরের অংশ (v***a) ধুয়ে নিন। কোনো সুগন্ধি সাবান বা কেমিক্যাল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ভেজা বা টাইট আন্ডারওয়্যার এড়িয়ে চলুন। পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন। অস্বাভাবিক গন্ধ, চুলকানি বা স্রাব হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,
বাংলাবাজার, বরিশাল।

Address

Popular Diagnostic Centre, Bangla Bazar
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Israt Sharmin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category