Huma গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও যত্নের পরামর্শ। সুস্থ মাতৃত্ব ও শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সাথে থাকুন।

29/01/2026

ঘুমের মধ্যে অজান্তে পজিশন পরিবর্তন হওয়া খুব স্বাভাবিক এবং এতে বাচ্চার কোনো বড় ক্ষতির সম্ভাবনা নেই; শুধু টের পাওয়া মাত্রই আবার বাম কাতে ফিরে শুয়ে পড়ুন। শরীরের নিচে এবং দুই হাঁটুর মাঝে বালিশ ব্যবহার করলে আপনি স্থিরভাবে একপাশে শুয়ে থাকতে বেশি আরাম পাবেন।

29/01/2026

সাধারণত জন্মের ৪ সপ্তাহ বা ১ মাস পর থেকে শিশুকে প্যাসিফায়ার দেওয়া নিরাপদ, যাতে সে বুকের দুধ খাওয়ার সঠিক পদ্ধতিটি (Latch) আগে ভালোভাবে শিখে নিতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদী দাঁতের সমস্যা বা ইনফেকশন এড়াতে ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে এটি ছাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

29/01/2026

গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে জরায়ু ছোট থাকায় চিত হয়ে শোয়া ক্ষতিকর নয়, তবে অভ্যাসের জন্য ধীরে ধীরে বাম কাতে শোয়ার চেষ্টা করা ভালো। ১৬ সপ্তাহের পর থেকে চিত হয়ে শুলে শরীরের প্রধান রক্তনালীতে চাপ পড়ে বাচ্চার রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দিতে পারে, তাই তখন থেকে এটি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

29/01/2026

শেষ দুই মাসে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রামের মাধ্যমে বাচ্চার ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব, কারণ এই সময়েই তারা দ্রুত বড় হয়। প্রোটিনযুক্ত খাবার (ডিম, দুধ, মাছ, মাংস) এবং পর্যাপ্ত ক্যালরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাম কাতে ফিরে শুলে বাচ্চার রক্ত সঞ্চালন ও পুষ্টি বৃদ্ধি পায়।

27/01/2026

এক মাস বয়সী শিশুর ঘনঘন দুধ খেতে চাওয়া এবং কম ঘুমানো একদম স্বাভাবিক, কারণ এই সময় তাদের পাকস্থলী খুব ছোট থাকে এবং তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে (Growth Spurt)। যদি শিশুর প্রস্রাব-পায়খানা ঠিক থাকে এবং ওজন বাড়ে, তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই; সে কেবল তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করছে।

27/01/2026

সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩২ থেকে ৩৬ সপ্তাহের পর জরায়ুতে জায়গা কমে যাওয়ায় বাচ্চার পজিশন আর খুব একটা পরিবর্তন হয় না। তবে অধিকাংশ শিশু ৩৬ সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্তভাবে মাথা নিচের দিকে (Cephalic position) নিয়ে আসে।

26/01/2026

সিজারের পর পিঠের ব্যথা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়
📍 ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাব পূরণ:
▪️সিজারের পরবর্তী পিঠের ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ হলো শরীরে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি। এটি কাটিয়ে উঠতে:

💊 সাপ্লিমেন্টের গুরুত্ব:
ক্যালসিয়াম ও আয়রনের অভাব পূরণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন।
⚠️ সতর্কবার্তা:
কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয়ে সাপ্লিমেন্ট বন্ধ করবেন না; বরং প্রয়োজনে ভালো ব্র্যান্ডের বা লিকুইড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

🥗 কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়েট নিয়ন্ত্রণ:
▪️পেট পরিষ্কার থাকলে এবং শরীরে পুষ্টি থাকলে পিঠের ব্যথা দ্রুত উপশম হয়। এজন্য যা করবেন:
💧 প্রচুর পানি: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন যা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করবে।

🌾 ইসবগুলের ভুষি:
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য ইসবগুলের ভুষি একটি অত্যন্ত কার্যকর প্রাকৃতিক সমাধান।
🥦 ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার:
খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টাটকা শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার রাখুন।
💡 মনে রাখবেন:
শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘাটতি পূরণ হলে এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকলে সিজার পরবর্তী জটিলতাগুলো দ্রুত সেরে যায়।

25/01/2026

সিজার করলেও জরায়ুর মুখ প্রথম কয়েক সপ্তাহ কিছুটা খোলা থাকে এবং সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ (প্রায় ৪০ দিন) পর্যন্ত রক্ত বা লালচে স্রাব যেতে পারে।

জরায়ুর ভেতর আলাদাভাবে পরিষ্কারের প্রয়োজন নেই, শুধু বাইরের অংশ হালকা গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখুন; আর শারীরিক ও জরায়ুর পূর্ণ সুস্থতার জন্য ডাক্তাররা সাধারণত ৬ সপ্তাহ বা দেড় মাস পর মেলামেশার পরামর্শ দেন।

25/01/2026

প্রথমবার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য সঠিক 'ল্যাচিং' বা নিপলের চারপাশের কালো অংশসহ শিশুর মুখে দেওয়া এবং মা নিজে প্রচুর পানি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

শিশুর ক্ষুধার সংকেত বুঝে বারবার দুধ খাওয়ান এবং স্তনে কোনো প্রচণ্ড ব্যথা বা শক্ত ভাব হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

24/01/2026

গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই খেজুর খাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই, বরং এটি মা ও বাচ্চার জন্য অত্যন্ত উপকারী। খেজুরে প্রচুর আয়রন, ফাইবার এবং এনার্জি থাকে যা রক্তস্বল্পতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

তবে শেষের দিকে (৩৬ সপ্তাহের পর) প্রতিদিন ৫-৬টি খেজুর খেলে জরায়ুর মুখ নরম হয় এবং নরমাল ডেলিভারি সহজ হতে পারে।

24/01/2026

‼️৩৬ সপ্তাহে জেলির মতো সাদা স্রাব যাওয়া মূলত 'মিউকাস প্লাগ' (Mucus Plug) বের হওয়ার লক্ষণ, যা শরীরকে প্রসবের (Labor) জন্য প্রস্তুত করছে।

‼️এটি জরায়ুর মুখ খুলতে শুরু করার একটি প্রাথমিক সংকেত, তবে এর মানেই এই নয় যে এখনই লেবার পেইন শুরু হবে; এটি প্রসবের কয়েক দিন বা সপ্তাহ আগেও হতে পারে।

24/01/2026

❓গর্ভাবস্থায় শেষ আল্টা বা চেকআপ কতো সপ্তাহে করা সব চেয়ে ভাল ?
‼️গর্ভাবস্থায় শেষ আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা চেকআপ করার সবচেয়ে আদর্শ সময় হলো ৩৬ থেকে ৩৭ সপ্তাহের মধ্যে। এই সময়ে আল্ট্রা করলে বাচ্চার সঠিক ওজন, পজিশন (মাথা নিচে আছে কি না), জরায়ুতে পানির পরিমাণ এবং নাড়ির অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়, যা নিরাপদ ডেলিভারির পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।

‼️তবে আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা বাচ্চার নড়াচড়া কম হওয়ার মতো সমস্যা থাকে, তবে ডাক্তার যেকোনো সময় জরুরি চেকআপের পরামর্শ দিতে পারেন।

Address

কালিবাড়ি রোড, ভোলা সদর ভোলা
Barishal
8300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Huma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Huma:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram