Dr. Abid Md. Alef Meem Prodhan

Dr. Abid Md. Alef Meem Prodhan Medicine Specialist and Rheumatologist
MBBS, BCS(Health), MACP (USA)
FCPS (Medicine)
MRCP-SCE(Rheumatology)-Uk
Asst.

Professor (Medicine)
Ministry of Health and Family Welfare

 # #জলাতঙ্ক ; সচেতনতা তেই  ভয় কে জয় # #
13/04/2026

# #জলাতঙ্ক ; সচেতনতা তেই ভয় কে জয় # #

 # #আত্ম-সচেতনতা""""///"দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতা**
09/04/2026

# #আত্ম-সচেতনতা""""///"দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতা**

 # # #অস্টিওআর্থ্রাইটিস **
04/04/2026

# # #অস্টিওআর্থ্রাইটিস **

বাংলাদেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, তাই আমাদের সবার সচেতন হওয়া জরুরি। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে কয়েক...
02/04/2026

বাংলাদেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, তাই আমাদের সবার সচেতন হওয়া জরুরি। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে কয়েক হাজার শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং দুর্ভাগ্যবশত বেশ কিছু প্রাণহানিও ঘটেছে।
​আপনার পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সচেতনতা।
​🔴 হামের লক্ষণগুলো কী কী?

​ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত ৭-১৪ দিন পর লক্ষণ দেখা দেয়:
• ​তীব্র জ্বর: যা ১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে।
• ​তিনটি বিশেষ লক্ষণ: কাশি, সর্দি এবং চোখ লাল হয়ে জল পড়া।
• ​মুখের ভেতর সাদা দাগ: জ্বরের ২-৩ দিন পর গালের ভেতরের অংশে লবণের দানার মতো ছোট সাদা দাগ (কপলিক স্পট) দেখা দিতে পারে।
• ​শরীরে র‍্যাশ বা লালচে দানা: মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে এই র‍্যাশ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

​🛡️ বাঁচার উপায় কী?
​হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ, তবে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
• ​টিকাদান (MR Vaccine): হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো টিকা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা অবশ্যই দিন।
• ​আক্রান্তের বিচ্ছিন্নকরণ: যদি কারো হাম হয়, তবে র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত তাকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন।
• ​ভিটামিন-এ (Vitamin A): হাম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো জরুরি, যা জটিলতা কমায়।
​📍 কিছু জরুরি পরামর্শ:

​১. আপনার শিশুর টিকাদান কার্ড চেক করুন। কোনো ডোজ মিস হয়ে থাকলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
২. আক্রান্ত শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার ও পুষ্টিকর খাবার দিন।
৩. শ্বাসকষ্ট বা প্রচণ্ড ক্লান্তি দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে নিন।

​নিজে সচেতন থাকুন, অন্যকে সচেতন করুন। সুস্থ থাকুক আমাদের আগামীর প্রজন্ম। ❤️

ডা: আবিদ
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও রিউমাটোলজিস্ট
সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন)

26/03/2026
“Kidney Health for All – Caring for People, Protecting the Planet”ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বা দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগ বর্ত...
26/03/2026

“Kidney Health for All – Caring for People, Protecting the Planet”

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বা দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগ বর্তমান সময়ে একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। যখন কিডনি মাসের পর মাস ধীরে ধীরে তার কার্যক্ষমতা হারায়, তখন তাকে CKD বলা হয়।

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বা দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগীদের জন্য সঠিক জীবনধারা এবং খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা ওষুধের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
কিডনির কার্যক্ষমতা ভেদে পরামর্শ ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ কিছু জরুরি উপদেশ নিচে দেওয়া হলো:

১. খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ (Dietary Care): ( নিচে সংযুক্ত)

২. রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:
কিডনি নষ্ট হওয়ার প্রধান দুটি কারণ হলো উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস।
* রক্তচাপ: নিয়মিত প্রেশার মাপুন এবং তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখুন।
* সুগার: ডায়াবেটিস থাকলে তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত Blood Sugar এবং HbA1c পরীক্ষা করান।

৩. ওষুধ অত্যন্ত সতর্কতার:

কিডনি রোগীদের (CKD) ক্ষেত্রে কিছু ওষুধ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়, কারণ কিডনি দুর্বল থাকলে শরীর থেকে ওষুধের বর্জ্য ঠিকমতো বের হতে পারে না। কিছু সাধারণ ওষুধ কিডনির কার্যক্ষমতা আরও দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে।
নিচে এমন কিছু ওষুধের তালিকা দেওয়া হলো যা CKD রোগীদের এড়িয়ে চলা উচিত বা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একদমই খাওয়া উচিত নয়:

--->>>ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs)
কিডনি রোগীদের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো সাধারণ ব্যথানাশক ওষুধ।
যেমন--ডাইক্লোফেনাক (Diclofenac), আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen), নেপ্রোক্সেন (Naproxen), কিটোরোলাক (Ketorolac), এটোরিকক্সিব (Etoricoxib) ইত্যাদি।

---->>কিছু অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics)
সব অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতিকর নয়, তবে কিছু নির্দিষ্ট গ্রুপের ওষুধ কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
যেমন--অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড গ্রুপ (যেমন: Gentamicin, Amikacin)।
* সতর্কতা: যেকোনো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহ
-->>আয়োডিনযুক্ত কনট্রাস্ট ডাই (Contrast Dye):
সিটি স্ক্যান (Contrast CT Scan) বা এনজিওগ্রাম করার সময় শিরায় যে বিশেষ রঙ বা ডাই দেওয়া হয়।
* সতর্কতা: এই কনট্রাস্ট মিডিয়া কিডনি বিকল (Acute Kidney Injury) করে দিতে পারে। পরীক্ষা করানোর আগে অবশ্যই টেকনিশিয়ান বা ডাক্তারকে আপনার কিডনির সমস্যার কথা জানান।
--->>>ভেষজ বা কবিরাজি ওষুধ (Herbal Medicine)
অনেক সময় মনে করা হয় ভেষজ ওষুধ নিরাপদ, কিন্তু কিডনি রোগীদের জন্য এটি মারাত্মক হতে পারে।

--->>ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম যুক্ত এন্টাসিড
সাধারণ বুক জ্বালাপোড়ার জন্য আমরা যে এন্টাসিড সিরাপ বা ট্যাবলেট খাই।
কিডনি জটিলতা থাকলে রক্তে ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম জমে গিয়ে স্নায়বিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস:
* ডোজ অ্যাডজাস্টমেন্ট: কিডনি রোগীদের অনেক সাধারণ ওষুধের ডোজ কমিয়ে দিতে হয় (Renal Dosing)। তাই প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষুধ কিনবেন না।

৪. পানি পানের নির্দেশনা:

কিডনি রোগীদের (CKD) ক্ষেত্রে কতটুকু পানি পান করা উচিত, তা পুরোপুরি নির্ভর করে রোগীর কিডনির বর্তমান অবস্থা বা স্টেজের ওপর। সবার জন্য পানির পরিমাণ এক রকম হয় না।
--->>>যাদের প্রস্রাব স্বাভাবিক হচ্ছে (প্রাথমিক স্টেজ)
যদি রোগীর শরীর বা পা না ফুলে এবং প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে তবে তিনি পিপাসা অনুযায়ী স্বাভাবিক পানি পান করতে পারেন। সাধারণত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
--->>>যাদের শরীরে পানি জমছে বা প্রস্রাব কমে গেছে (অ্যাডভান্সড স্টেজ)
যখন কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করতে পারে না, তখন পানি নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে একটি সাধারণ নিয়ম বা ফর্মুলা হলো:
* পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার মোট প্রস্রাবের পরিমাণ + ৫০০ মিলি (বা ২ গ্লাস) বাড়তি পানি।
* ধরুন, রোগী গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লিটার প্রস্রাব করেছেন, তাহলে তিনি পরের দিন ১.৫ লিটার তরল গ্রহণ করতে পারবেন।
--->>>ডায়ালিসিস রোগীদের জন্য
যাদের ডায়ালিসিস চলছে, তাদের ক্ষেত্রে পানি নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে বেশি কঠোর হতে হয়। দুই ডায়ালিসিসের মধ্যবর্তী সময়ে যেন শরীরের ওজন ২ কেজির বেশি না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই রোগীদের সাধারণত দিনে পানির পরিমান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

*******পানি হিসেবের সময় যা মনে রাখবেন (তরল খাবার)
শুধুমাত্র সরাসরি পানি পান করলেই হবে না, তরল জাতীয় সব খাবারই এই হিসেবের মধ্যে পড়বে:
* চা বা কফি
* ডাল বা তরকারির ঝোল
* দুধ বা দই
* ফলের রস
* বরফ কুচি

*****পানি কম খাওয়ার কারণে অনেক সময় প্রচণ্ড তৃষ্ণা পেতে পারে। সেক্ষেত্রে এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
* ছোট গ্লাস ব্যবহার করুন: বড় গ্লাসের বদলে ছোট কাপ বা গ্লাসে পানি খান।
* বরফ কুচি: এক গ্লাস পানির চেয়ে একটি ছোট বরফ কুচি মুখে রাখলে বেশিক্ষণ তৃষ্ণা মেটে।
* মুখ কুলি করা: তৃষ্ণা পেলে পানি দিয়ে মুখ কুলি করে ফেলে দিন, এতে মুখ ভেজা থাকবে কিন্তু পেটে পানি যাবে না।
* লবণ কমান: খাবারে লবণ কম খেলে তৃষ্ণা কম লাগে।

# # # # # # কখন বুঝবেন পানি বেশি হচ্ছে?
* হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া।
* পায়ের গোড়ালি বা চোখের নিচে ফুলে যাওয়া।
* শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট হওয়া বা রাতে দম বন্ধ হয়ে আসা।
* রক্তচাপ (Blood Pressure) বেড়ে যাওয়া।

ডা: আবিদ
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও রিউমাটোলজিস্ট
সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন)

ব্যথা উপশমে গরম ও ঠান্ডা সেঁকের ব্যবহার :-->> তাপ এবং ঠান্ডা সেঁক (Hot and Cold Compression) ব্যথা উপশমে প্রাচীনকাল থেকে...
25/03/2026

ব্যথা উপশমে গরম ও ঠান্ডা সেঁকের ব্যবহার :

-->> তাপ এবং ঠান্ডা সেঁক (Hot and Cold Compression) ব্যথা উপশমে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

-->> শীতল সেঁকের ব্যবহার শুরু হয়েছিল প্রাচীন মিশরে (২৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে)। তবে আধুনিক বিজ্ঞানে এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পায় ১৮ শতকে। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে জেমস আরনট (James Arnott) প্রথম ক্যানসার এবং বিভিন্ন ব্যথার চিকিৎসায় লবণের মিশ্রিত বরফ ব্যবহারের মাধ্যমে এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেন।

-->> গরম পানির ব্যবহার বা সূর্যতাপে ব্যথার উপশম প্রাচীন আয়ুর্বেদ এবং গ্রীক চিকিৎসাবিদ্যায় দেখা যায়। হিপোক্রেটিস (চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক) বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় গরম পানির ঝরনা ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন।

-->> বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানে (Modern Medical Science) ব্যথা উপশমে গরম ও ঠান্ডা সেঁকের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা Scientific Justification মূলত রক্ত সঞ্চালন এবং স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপনার ওপর নির্ভর করে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Thermotherapy এবং Cryotherapy বলা হয়।

-->> ব্যথা বা আঘাতের ধরন অনুযায়ী গরম বা ঠান্ডা সেঁক (Compression) দেওয়ার নিয়ম ভিন্ন হয়। নিচে সহজভাবে এর নির্দেশিকা হলো:

১. ঠান্ডা সেঁক (Cold Compression)

সাধারণত তাজা বা নতুন আঘাতের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।
* কখন দেবেন: আঘাত পাওয়ার প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।
* কেন দেবেন: এটি রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফোলাভাব, প্রদাহ এবং রক্তপাত কমাতে সাহায্য করে। এটি ওই জায়গাটিকে কিছুটা অবশ করে দেয়, ফলে তাৎক্ষণিক ব্যথা কমে।
* উদাহরণ: * পা মচকে গেলে।
* পেশিতে টান লাগলে (Acute strain)।
* কোনো জায়গায় আঘাত লেগে ফুলে গেলে বা লাল হয়ে গেলে।
১০-১৫ মিনিট ধরে রাখুন।

২. গরম সেঁক (Hot Compression)

এটি সাধারণত পুরানো বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকর।
* কখন দেবেন: আঘাত পাওয়ার ৭২ ঘণ্টা পর বা দীর্ঘদিনের ব্যথার ক্ষেত্রে।
* কেন দেবেন: এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং শক্ত হয়ে যাওয়া পেশিকে শিথিল (Relax) করতে সাহায্য করে।
* উদাহরণ: * দীর্ঘদিনের পিঠ বা কোমর ব্যথা।
* পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া (Stiffness)।
* আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা।

১৫-২০ মিনিট রাখুন।

কিছু জরুরি সতর্কতা (Precautions)
​১. সরাসরি বরফ নয়: সরাসরি বরফ ত্বকে লাগালে 'Ice Burn' হতে পারে। তাই সবসময় পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে ব্যবহার করা উচিত।

২. সংবেদনশীলতা: যাদের ডায়াবেটিস বা পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ আছে, তাদের তাপমাত্রা বোঝার ক্ষমতা কম থাকে। তাদের ক্ষেত্রে সেঁক দেওয়ার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হয় যাতে ত্বক পুড়ে না যায়।

৩. খোলা ক্ষত: কোনো কাটা জায়গা বা রক্তপাত হচ্ছে এমন স্থানে গরম সেঁক দেওয়া একেবারেই নিষেধ।
***********************************

ডা: আবিদ
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও রিউমাটোলজিস্ট
সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন)

Address

Bogura
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abid Md. Alef Meem Prodhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category