Dr. Hanif's Health Talk

Dr. Hanif's Health Talk open at 9am to 11pm
(1)

ডা.আবুহানিফ,এম.বি.বি.এস(ঢাকা),এফ.সি.জি.পি(ফ্যামিলিমেডিসিন),ডিওসি(চর্ম ও যৌন),সিসিডি(ডায়াবেটিস),সি-কার্ড (হৃদরোগ),পিজিটি(এনেস্থেসিয়া আইসিইউ &পেইন মেডিসিন),এমপিএইচ(রোগতত্ত্ব -থিসিস),সিসিএইচ(উচ্চ রক্তচাপ)চেম্বার: জনসেবা হাস্পাতাল,মাটিডালি,বগুড়া 01639131424

12/05/2026

বাচ্চার নাড়ী গলায় পেছানো কি খারাপ কিছু?

গর্ভের শিশুর গলায় নাড়ী পেঁচানোকে নুকাল কর্ড বলা হয়। এটি খুবই সাধারণ একটি ঘটনা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক নয়।

কতটা সাধারণ?

প্রায় ২০–৩০% ডেলিভারিতে শিশুর গলায় একবার নাড়ী পেঁচানো থাকে। অনেক সময় প্রসবের সময় ডাক্তার সহজেই খুলে দেন। অধিকাংশ শিশুই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে।

কখন সাধারণত সমস্যা হয় না?

যদি: বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিক থাকে
NST/CTG স্বাভাবিক থাকে
ডপলার বা আল্ট্রাসাউন্ডে রক্তপ্রবাহ ঠিক থাকে, বাচ্চার হার্টবিট স্বাভাবিক থাকে
তাহলে সাধারণত উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার হয় না।

কখন ঝুঁকি হতে পারে?

কিছু ক্ষেত্রে নাড়ী বেশি টাইট হলে বা বহুবার পেঁচালে সমস্যা হতে পারে:
বাচ্চার হার্টবিট কমে যাওয়া,নড়াচড়া কমে যাওয়া,প্রসবের সময় fetal distress
খুব বিরল ক্ষেত্রে অক্সিজেন কম পাওয়া
তবে শুধু “নাড়ী গলায় পেঁচানো” শুনেই সিজারিয়ান লাগবে—এমন নয়।

কী কী লক্ষণ খেয়াল করবেন?

যদি থাকে:
বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া,রক্তপাত,পেট শক্ত হয়ে ব্যথা,পানি ভাঙা,প্রসব ব্যথায়,হার্টবিট সমস্যা
তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।

কীভাবে নিশ্চিত হয়?

সাধারণত:
আল্ট্রাসাউন্ড কালার ডপলার প্রসবের সময় দেখা যায

চিকিৎসা বা করণীয়
নির্ভরকরে:গর্ভেসপ্তাহ,বাচ্চারঅবস্থা,হার্টবিট,মায়ের উপসর্গ
সাধারণত করা হয়:
নিয়মিত ফলো-আপ
fetal movement count
NST/CTG monitoring
যদি fetal distress হয়, তখন দ্রুত ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
#গর্ভবতী #গর্ভকালীনঅসুবিধা

09/05/2026

🥼আল্লাহ গর্ভবতী মাকে সুস্থ রাখুন,নিরাপদ প্রসব দিন,সন্তানকে নেক, সুস্থ,সুন্দর, বরকতময় করুন,আমিন🤲

09/05/2026

A newborn baby by LUCS

09/05/2026
09/05/2026

এই মানুষটা কেন হাসতেসে জানেন? নিজের ভাগ্যটার দিকে তাকায়ে হাসতেসে।

এই দেশে জন্মায়ে এই দেশের সিস্টেমে জন্মায়ে, এই দেশের শিক্ষিতদের মধ্যে সবচেয়ে স্লেভারির একটা প্রফেশনে উপায়হীন চাকরির জন্য হাসতেসে। এরপর গ্রেপ্তার হইতে হইতেসে দালাল নাম খেয়ে। এইটাই আমার দেশ। অনেক গর্ব হয় এই দেশটারে নিয়া।

যখন ইন্টার্নিতে ছিলাম ইনসেপ্টার একজন রিপ্রেজেন্টেটিভের সাথে বেশ সখ্যতা হইসিলো। একটা কার্ডিয়াক প্রডাক্ট আর একটা লিপিড লোয়ারিং ড্রাগের দায়িত্ব ছিল তার।

নাইট এডমিশনে রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত হাসপাতালে ওয়ার্ডে থাকত। জিজ্ঞেস করসিলাম বাসায় যাবেন না?

উনি হতাশায় আর তেমন উত্তর দেন নাই।

এই যে রিপ্রেজেন্টেটিভদেরকে অনেকে গালি দেয়, ডাক্তারের কাছে গিফট দেয়, টাকা দেয়, রোগীর প্রেসপক্রিপশনের ছবি তোলে - হ্যাঁ এইটাই এদের চাকরি। ওষুধ কোম্পানি চায় দেখেই তারা এগুলা নিয়ে আসে ব্র‍্যান্ড প্রমোশনের জন্য। নিজের পকেটে থেকে দেয় না।

কোম্পানি বাজেট করে কোন ডাক্তারের পিছে কত খরচা করবে। সেই বাজেটের টাকা এরপর ওষুধের হাই প্রাইসের ওপর দিয়ে রোগীর পকেট থেকে যায়।

মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটভরা জাস্ট স্লেভ। গ্র‍্যাজুয়েট স্লেভ। এদেরকে যে অসম্ভব সেলস টার্গেট দিয়ে কোম্পানি মাঠে ছেড়ে দেয়, এরপর এদের জীবন বলে কিছু থাকে না, ফ্যামিলি বলে কিছু থাকে না।

দালাল বলে যাদের গ্রেপ্তার কইরা নিল এরা গ্র‍্যাজুয়েট হওয়া, মেডিকেলের ওষুধ নিয়ে পড়াশোনা করে চাকরি করা মানুষগুলার মধ্যে সবচেয়ে নিপীড়িত মানুষ।

এক সেলস টার্গেট ধরায়ে এদেরকে উদ্ভ্রান্ত করে দেওয়া হয়। ছবি তুলতে হয় সেলস প্রমাণের জন্য।

এরা সবচেয়ে সুন্দরভাবে পরিপাটি হয়ে আসে। শুধু ভেতরটায় বিদ্ধস্ত এক মানুয।

সরকারি মেডিকেলে দালাল যদি চানই, তাইলে সেইটা একদিনের ঝটিকা অভিজানে সম্ভব না। আপনে এদেরকে চিনবেনই না।

গ্রামের সাধারণ রোগী সাইজা মেডিকেলে যান, ক্যামেরা নিয়া যান। রেগুলার যান। দালালের লিস্ট করতে পারবেন।

লোক দেখানো এইসব ঝটিকা অভিজানে নিরীহ মানুষগুলারে ভুগায়েন না। এরা ফ্যামিলিকে সময় দিতে পারে না এই ব্লাডি চাকরির জন্য। আপনেরা মরার উপর এখন খাড়ার ঘা দিলেন।
লিখেছেন যুবায়ের আহমেদ ভাই

26/04/2026

আমাদের শরীরের নিজস্ব একটি self-healing ক্ষমতা আছে।
যেমন: কাটা গেলে নিজে নিজে শুকিয়ে যায়, জ্বর হলে শরীর নিজেই জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে।

চিকিৎসক যা করেন:
রোগ নির্ণয় করেন,
ওষুধ বা চিকিৎসা দিয়ে শরীরকে সহায়তা করেন কিন্তু সুস্থ হওয়ার কাজটা করে শরীর নিজেই।
উদাহরণ:
সর্দি-কাশি → বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজে নিজে ভালো হয়।
ক্ষত → শরীর নিজেই নতুন টিস্যু তৈরি করে।
হাড় ভাঙা → চিকিৎসা সহায়তা দেয়, কিন্তু জোড়া লাগে শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়ায়
মূল শিক্ষা:
চিকিৎসক “healer” নন, বরং “helper”
প্রকৃতি (শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা) আসল “healer”
Our body has its own self-healing ability
For example: If you get cut, it dries itself, if you get fever, the body fights against germs on its own
What a doctor does:
Diagnose the disease
Help the body with medicine or treatment
But the body itself does the work of healing
Example:
Cold and cough → In most cases, it heals on its own
Wound → The body creates new tissue on its own
Broken bones → Medical assistance is provided, but the healing process is done by the body's own process
Key lesson:
A doctor is not a "healer", but a helper"
Nature (the body's natural ability) is the real "healer"

26/04/2026

ঝুম বৃষ্টি, ছেলেদের দুরন্তপনা। ছোটবেলার কত স্মৃতি মনে করে দেয়।

25/04/2026

লেবুর পানি কি কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি হওয়া কমাতে সাহায্য করে?

লেবুর পানি কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে—বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের পাথরের ক্ষেত্রে।

কেন উপকারি?

লেবুতে থাকে সাইট্রেট যা কিডনিতে ক্যালসিয়াম পাথর তৈরি হওয়া কমায়,
ছোট পাথর বড় হতে বাধা দেয়,
মূত্রে ক্যালসিয়াম জমাট বাঁধা কমায়।

কীভাবে কাজ করে?

সাইট্রেট মূত্রে গিয়ে ক্যালসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে পাথর তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে
ইউরিনকে একটু বেশি ক্ষারীয় করে, যা পাথর গঠনে বাধা দেয়।

কীভাবে খাবেন?

প্রতিদিন ১–২ গ্লাস লেবুর পানি খেতে পারেন। ১ গ্লাস পানিতে আধা–১টা লেবুর রস।চিনি না দেওয়াই ভালো (চিনি পাথরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে)

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা :

শুধু লেবুর পানি খেয়ে পুরোপুরি পাথর প্রতিরোধ করা সম্ভব না
পর্যাপ্ত পানি পান (দিনে ২.৫–৩ লিটার)
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ :
যাদের আগে কিডনিতে পাথর হয়েছে, তাদের জন্য ডায়েট ও চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।
Does lemon water help reduce the risk of kidney stones?

Lemon water may help reduce the risk of kidney stones—especially certain types of stones.

Why is it beneficial?

Lemons contain citrate, which reduces the formation of calcium stones in the kidney,
prevents small stones from growing larger,
reduces calcium deposits in the urine.

How does it work?

Citrate binds with calcium in the urine, preventing stone formation,
making the urine slightly more alkaline, which prevents stone formation.

How to drink it?

You can drink 1–2 glasses of lemon water every day. Juice of half a lemon in 1 glass of water. It is better not to give sugar (sugar can increase the risk of stones)

Important warning:

It is not possible to completely prevent stones by drinking lemon water alone
Drink enough water (2.5–3 liters a day) Most importantly:
Diet and doctor's advice are important for those who have had kidney stones before.
#লেবুরপানি
#কিডনীপাথর Dr. Hanif's Health Talk

22/04/2026

প্রচন্ড গরমে যে খাবারগুলো আপনার শরীর ঠান্ডা রাখবে:

প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা খুব জরুরি—বিশেষ করে বাংলাদেশের আবহাওয়ায়। নিচে এমন কিছু খাবার ও পানীয় দেওয়া হলো, যেগুলো শরীর ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর:
১. পানি সমৃদ্ধ সবজি:
শসা,লাউ,ঝিঙ্গে
এগুলোতে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীর হাইড্রেটেড রাখে।
২. রসালো ফল
তরমুজ, বাঙ্গি আনারস
এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখে এবং পানির ঘাটতি পূরণ করে।
৩. ডাবের পানি:প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ
গরমে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে খুব কার্যকর।
৪. দই ও লাচ্ছি,টক দই,লাচ্ছি
শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি হজমেও সাহায্য করে।
৫. লেবুর শরবত
লেবু + পানি + সামান্য লবণ/চিনি
দ্রুত এনার্জি ও ঠান্ডা অনুভূতি দেয়।
৬. পুদিনা ও ধনিয়া
পুদিনা পাতা,ধনিয়া পাতা
শরীরকে কুলিং ইফেক্ট দেয়।
৭. পাতলা ভাত (পান্তা ভাত)
পানি মিশিয়ে ভাত
গ্রামাঞ্চলে খুব জনপ্রিয়, শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
যেগুলো এড়িয়ে চলবেন:
অতিরিক্ত চা/কফি
ভাজাপোড়া ও ঝাল খাবার
সফট ড্রিংক (কার্বনেটেড)
অতিরিক্ত টিপস:
দিনে কমপক্ষে ২.৫–৩ লিটার পানি পান করুন
বাইরে গেলে ছাতা/ক্যাপ ব্যবহার করুন
দুপুরের রোদ (১২–৩টা) এড়িয়ে চলুন। #গরম #সুস্থতা

20/04/2026

হিট স্ট্রোক না ডিহাইড্রেশন বুঝবো কিভাবে এই গরমে?

এই গরমে হিট স্ট্রোক আর ডিহাইড্রেশন —দুটোই হতে পারে, কিন্তু লক্ষণ ও গুরুত্ব ভিন্ন।
হিট স্ট্রোক
এটা জরুরি।
প্রধান লক্ষণ:
শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি (≥ ৪০°C)
মাথা ঘোরা / বিভ্রান্তি / অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
ত্বক গরম ও শুকনো (ঘাম নাও থাকতে পারে)
খিঁচুনি হতে পারে
পালস দ্রুত ও শক্তিশালী
সাধারণত দীর্ঘ সময় রোদে থাকা বা অতিরিক্ত গরমে কাজ করার পর হয়

ডিহাইড্রেশন: শরীরে পানির ঘাটতি
প্রধান লক্ষণ:
খুব তৃষ্ণা লাগে
মুখ শুকিয়ে যাওয়া
প্রস্রাব কম ও গাঢ় রঙের
দুর্বলতা / মাথা হালকা লাগা
ত্বক শুকনো কিন্তু ঘাম থাকতে পারে
পানি কম খাওয়া, ডায়রিয়া/বমি, ঘাম বেশি হলে হয়।

কী করবেন?

যদি হিট স্ট্রোক সন্দেহ হয়:
দ্রুত ঠান্ডা স্থানে নিন
কাপড় ঢিলা করুন
শরীরে ঠান্ডা পানি/ভেজা কাপড় দিন
দ্রুত হাসপাতালে পাঠান
যদি ডিহাইড্রেশন:
বেশি করে পানি / ORS দিন
বিশ্রাম
খুব খারাপ হলে (বমি, অজ্ঞান) → হাসপাতালে

সহজ টিপস মনে রাখার জন্য:
ঘাম নাই + অজ্ঞান/বিভ্রান্ত → হিট স্ট্রোক
তৃষ্ণা + প্রস্রাব কম → ডিহাইড্রেশন।

20/04/2026

@ বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত হতে পারে। তাই এটাকে হালকাভাবে নেয়া উচিত নয়। সহজভাবে করণীয়গুলো দেওয়া হলো—
প্রথমে নিজে যাচাই করুন,
মা বাম কাতে শুয়ে পড়ুন,
শান্ত পরিবেশে থাকুন,
২ ঘণ্টা সময় নিন।
এই সময়ে কমপক্ষে ১০ বার নড়াচড়া অনুভব হওয়া স্বাভাবিক
যদি ২ ঘণ্টায় ১০ বার না হয় → সতর্ক হতে হবে
কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?
নিচের যেকোনোটি থাকলে দেরি না করে হাসপাতালে যান—
একেবারেই নড়াচড়া অনুভব না হওয়া
আগের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে যাওয়া
পেট শক্ত হয়ে থাকা বা ব্যথা
রক্তপাত / পানি ভাঙা
হাসপাতালে গিয়ে যা করা হবে:
ডাক্তার সাধারণত—
CTG করে বেবির হার্টবিট দেখবেন,
Ultrasonography করে fetal well-being মূল্যায়ন করবেন,
প্রয়োজনে দ্রুত ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
বাড়িতে কিছু সহায়ক টিপস
(শুধু হালকা ক্ষেত্রে, গুরুতর হলে এগুলো করে সময় নষ্ট করবেন না)
মিষ্টি কিছু খেয়ে (যেমন: জুস) নড়াচড়া observe করা
পর্যাপ্ত পানি পান
অতিরিক্ত স্ট্রেস এড়ানো।
#গর্ভাবস্থা

Address

Nurani Mor
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Hanif's Health Talk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share