Raqi Sayeed Ayman

Raqi Sayeed Ayman Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Raqi Sayeed Ayman, Medical and health, বিশ্বরোড মোড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, Brahmanbaria.

10/01/2026

৯০ শতাংশের বেশি মুসলিমের দেশে, জুলাই সনদের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নথিতে যদি আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাসের কথা না থাকে, তাহলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
এই দেশ এমনিতেই তৈরি হয়নি। শতাধিক মাদরাসার ছাত্র, অসংখ্য আলেম ও সাধারণ মুসলমান জীবন দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। তাঁরা কোনো ফাঁকা স্লোগানের জন্য রক্ত দেননি। আল্লাহর উপর বিশ্বাস, ন্যায়বিচারের আশা এবং জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ঈমানি চেতনা থেকেই তাঁরা রাজপথে নেমেছিলেন।
তাহলে আজ সেই আত্মত্যাগের বিনিময়ে যদি রাষ্ট্রীয় সনদে স্পষ্টভাবে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাসের কথা উল্লেখ না থাকে, তা কি শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি নয়?
এটা শুধু একটি বাক্য যোগ বা বিয়োগের বিষয় না। এটা আমাদের পরিচয়, বিশ্বাস এবং ইতিহাসের প্রশ্ন। যে বিশ্বাস মানুষকে শাহাদাত বরণ করতে শক্তি দেয়, সেই বিশ্বাসকে উপেক্ষা করে কোনো সনদ জনগণের হৃদয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।
একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের রাষ্ট্রীয় সনদে আল্লাহর উপর আস্থা থাকা কোনো পক্ষপাত নয়। বরং এটা জনগণের বিশ্বাস, আত্মত্যাগ এবং বাস্তবতার স্বীকৃতি।

শীতের গরম অফারহিজামা করালেই পাচ্ছেন ৪৫% ডিসকাউন্ট  হিজামার উপকারিতা  ১. রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করেশীতের কারণে রক্তনালী সংকুচি...
02/12/2025

শীতের গরম অফার
হিজামা করালেই পাচ্ছেন ৪৫% ডিসকাউন্ট


হিজামার উপকারিতা

১. রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে
শীতের কারণে রক্তনালী সংকুচিত হয়, রক্তসঞ্চালন ধীর হয়ে যায়। হিজামা রক্তকে সক্রিয় করে, শরীর গরম রাখে এবং ঠান্ডাজনিত ব্যথা কমায়।

২. ঘাড়-কাঁধ-কোমর ব্যথা উপশমে দারুণ কার্যকর
শীতে মাংসপেশী শক্ত হয়ে যায়, ফলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। হিজামা জমে থাকা ব্লাড ও স্ট্যাগনেশন দূর করে দ্রুত আরাম দেয়।

৩. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে
শীতের সময় সর্দি, কাশি, ফ্লু বেশি হয়। হিজামা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা কমাতে সাহায্য করে।

৪. ঘুমের মান উন্নত করে
শীতে অনেকের ঘুম কমে যায় বা ভারী লাগে। হিজামা স্নায়ুকে রিল্যাক্স করে গভীর ঘুমে সহায়তা করে।

৫. শরীরের এনার্জি বাড়ায়
হিজামা টক্সিন বের করে শরীরকে ফ্রেশ ও হালকা অনুভূতি দেয়—শীতকালীন ক্লান্তি দূর হয়।

৬. স্ট্রেস, টেনশন ও মাথাব্যথা কমায়
শীতে স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন কিছুটা বেশি দেখা যায়। হিজামা স্নায়ু শান্ত করে মানসিক স্বস্তি আনে।

৭. ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে
শীতে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ আর নিস্তেজ হয়ে যায়। হিজামা রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বকে প্রাকৃত উজ্জ্বলতা আনে।

৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
শীতে ক্ষুধা বেশি লাগে, চর্বি জমে। হিজামা মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৯. পুরনো ব্যথা ও ঠান্ডাজনিত প্রদাহ কমায়
যাদের দীর্ঘদিনের ব্যথা আছে—শীতে তা আরও বেড়ে যায়। হিজামা ইনফ্লামেশন কমিয়ে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

07/11/2025

রুকইয়াহ কী?
রুকইয়াহ (الرقية) হলো কুরআনের আয়াত, দুআ ও আল্লাহর নামসমূহ দ্বারা মানুষের উপর ঝারফুক করা— যার মাধ্যমে জাদু, জ্বিনের আছর, নজর লাগা, মানসিক বা শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা করা হয়।
এটি একধরনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসা (Spiritual Healing) যা পুরোপুরি কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক।

রুকইয়াহর শাব্দিক অর্থ

আরবি শব্দ “রুকইয়াহ” (الرقية) এর শাব্দিক অর্থ হলো
“পাঠ করা”, “ঝাড়ফুঁক করা” বা “আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া”।
শব্দটি এসেছে “رَقَى – يَرْقِي – رُقْيَةً” ধাতু থেকে, যার অর্থ কারো উপর কিছু পাঠ করা বা দুআ পাঠ করে আরোগ্য কামনা করা।

রুকইয়াহর পারিভাষিক অর্থ
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে রুকইয়াহ শরইয়্যাহ বলতে বোঝায়—
কুরআনের আয়াতসমূহ, রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক বর্ণিত দুআ, যিকর ও সহীহ দুআসমূহ পাঠ করে আল্লাহর নিকট আরোগ্য প্রার্থনা করা।
এটি জাদু, নজর, জ্বিনের আছর, মানসিক কষ্ট, ভয়, উদ্বেগ ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি বৈধ ও শরীয়তসম্মত উপায়।

হাদীসের আলোকে

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“রুকইয়াহ, তাবিজ, ও তাবারুক (জাদুমন্ত্র) ছিল শিরকের অন্তর্ভুক্ত; তবে যে রুকইয়াহতে শিরক নেই, তা অনুমোদিত।” (সহীহ মুসলিম: 2200)

আরেক হাদীসে এসেছে —
“যে ব্যক্তি কুরআনের আয়াত ও আল্লাহর নাম দ্বারা রুকইয়াহ করে, তাতে কোনো সমস্যা নেই।”
(সহীহ মুসলিম)

সংক্ষেপে বলা যায়
রুকইয়াহ হলো—
কুরআন ও হাদীসের দুআ দ্বারা আত্মা ও শরীরের চিকিৎসা, আল্লাহর অনুমতিতে রোগমুক্তির মাধ্যম।

16/10/2025

রিজিক নষ্টের জাদুতে আক্রান্তদের- অতিরিক্ত অলসতা, কর্মের সময় ঘুম আসা, পারিবারিক অশান্তি, ইবাদতে অনিহার লক্ষ্মণ প্রকাশ পায়!

08/10/2025

শেষ জামানার অন্ধকার শুরু হয়ে গেছে...
দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে জাদুর আগুন।
ব্ল্যাক ম্যাজিক, শয়তানি তন্ত্র-মন্ত্র আর ধোঁকার জাল!
এ সবের পেছনে কাজ করছে দাজ্জালের সৈন্যবাহিনী — জাদুকররা!
কিন্তু আল্লাহর ইযাজতে, এই অন্ধকারের বিরুদ্ধে লড়ছে রাকিগণ — যারা কুরআনের আলো দিয়ে জাদুর জাল ছিন্ন করছেন।

শেষ জামানার সবচেয়ে বড় ভিলেন — দাজ্জাল।
তার আগমনের আগে পৃথিবী ভরে যাবে জাদু ও ফিতনায়।
এটাই সেই সময়...
যখন রাকিদের দায়িত্ব শুধু চিকিৎসা নয় — বরং এক মহান জিহাদ!

06/10/2025

অধিকাংশ আত্মহত্যা হয় যাদু ও জীন আক্রান্তের কারণে।
আপনার বারবার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে?

06/10/2025

“হত্যার যাদু” বা “ সিহরুল কতল" (سحر القتل)” — এটি কালো জাদুর সবচেয়ে ভয়ংকর ধরণের একটি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো— জাদুর প্রভাবে কোনো মানুষকে ধীরে ধীরে কষ্ট দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। নিচে বিষয়টি ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো

হত্যার যাদু কীভাবে কাজ করে

হত্যার যাদু সাধারণত শয়তান বা জিনদের সাহায্যে করা হয়। জাদুকর নির্দিষ্ট নাম, ছবি, পোশাক বা শরীরের কোনো অংশ ব্যবহার করে জাদু বাঁধে।
এর মাধ্যমে জিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় যেন সে ঐ ব্যক্তির শরীর ও মনে যন্ত্রণাদায়ক প্রভাব সৃষ্টি করে—

হঠাৎ অজানা অসুস্থতা
তীব্র মাথাব্যথা বা বুকব্যথা
হৃৎকম্প, ঘুমে শ্বাসরোধ
আত্মহত্যার চিন্তা, ভয় বা পাগলামি
কখনো কোনো কারণ ছাড়াই মৃত্যু

~ ইসলামী দৃষ্টিকোণ

রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি যাদু করে, সে কুফরি করে।”
(সূরা আল-বাকারা: ১০২)

আল্লাহ তাআলা বলেন:
“তারা এমন কিছু শিখেছিল, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারত না।”
— (সূরা আল-বাকারা: ১০২)
অর্থাৎ, কোনো যাদু আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কার্যকর হয় না।

~ হত্যার যাদুর লক্ষণ

★ডাক্তারি চিকিৎসায় আরোগ্য না পাওয়া
★শরীরে ভারী ভাব ও অজানা ব্যথা
★নামাজ বা কুরআন শুনলে বিরক্তি
★মাথায় বা বুকের ওপর চাপ
★স্বপ্নে জিন, অন্ধকার, কবর বা সাপ দেখা

~রুকইয়াহ দ্বারা চিকিৎসা

রুকইয়াহ (কুরআন ও সহীহ দোআ দ্বারা চিকিৎসা) হচ্ছে এর একমাত্র নিরাপদ উপায়।

05/10/2025

বয়স হচ্ছে তবুও বিয়ে হচ্ছেনা এমন বোনদের রুকইয়া করলে দেখা যায়- ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই জীন/জাদুতে আক্রান্ত!

05/10/2025

অধিকাংশ বিচ্ছেদ হয় সিহরুত তাফরীক ও আশিক জিনের কারণে। ডিপোর্স দেওয়ার আগে অনুগ্রহ করে একবার ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করুন।

28/09/2025

# **বদনজরের লক্ষন সমূহ**

যারা নিজেদের বদনজরে আক্রান্ত ভাবছেন বা যারা যাচাই করতে চান যে তিনি আসলেই বদনজরে আক্রান্ত কিনা তাদের জন্য এই পোস্ট উপকারী হবে ইন শা আল্লাহ। বদনজর আক্রান্ত হওয়ার অনেক লক্ষণ আছে, তার মাঝে কয়েকটি হল -

১। শরীরে জ্বর থাকা, কিন্তু থার্মোমিটারে না উঠা।

২। কোনো কারণ ছাড়াই কান্না আসা।

৩। প্রায়সময় কাজে মন না বসা। ইবাদাত, কাজকর্ম, পড়াশোনায় মন না বসা।

৪। প্রায়শই শরীর দুর্বল থাকা, ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব লাগা।

৫। চেহারা ধুসর/হলুদ হয়ে যাওয়া।

৬। মাঝেমাঝে বুক ধড়পড় করা, দমবন্ধ বা অস্বস্তি লাগা।

৭। অহেতুক মেজাজ বিগড়ে থাকা।

৮। আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের সাথে দেখা হলেই ভালো না লাগা।

৯। অতিরিক্ত চুল পড়া। ওষুধ-শ্যাম্পুতে কাজ না করা।

১০। পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়া।

১১। বিভিন্ন রোগব্যধি লেগে থাকা। অথবা সাধারণ রোগ দীর্ঘদিন চিকিৎসাতেও ভালো না হওয়া।

১২। হাত-পায়ে মাঝেমধ্যেই ব্যাথা করা, পুরো শরীরে ব্যাথা দৌড়ে বেড়ানো।

১৩। ব্যবসা বা কাজকর্মে ঝামেলা লেগে থাকা।

১৪। আপনি যে কাজে অভিজ্ঞ সেটা করতে গেলেই অসুস্থ হয়ে যাওয়া।
.

প্রথমত, এসব লক্ষণ যদি দুই একটা মিলে তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনার রুকইয়াহ করা লাগবে না। পাচ ওয়াক্ত নামায, প্রতিদিনের মাসনুন আমল এবং বেশি বেশি দোয়া করাই যথেষ্ট হবে।

আর যদি অধিকাংশ লক্ষণ আপনার সঙ্গে মিলে যায় তাহলে অভিজ্ঞ একজন রাক্বির সঙ্গে পরামর্শ করে রুকইয়াহ করা লাগবে।

Address

বিশ্বরোড মোড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
Brahmanbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Sayeed Ayman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram