Dr. Vinu’s Women’s Ultrasound

Dr. Vinu’s Women’s Ultrasound
নারীদের জন্য বিশেষায়িত আল্ট্রাসাউন্ড সেবা – টিভিএস, ফলিকুলোমেট্রি ও ব্রেস্ট আল্ট্রাসাউন্ড।

16/02/2026

ফার্টিলিটি টেস্ট কি শুধু স্ত্রীর জন্য?

না, একদমই না। স্বামী ও স্ত্রী—দুজনেরই ফার্টিলিটি টেস্ট করা উচিত এবং প্রয়োজন হলে দুজনেরই চিকিৎসা নেওয়া দরকার। সন্তান না হওয়া শুধুমাত্র স্ত্রীর দোষ নয়; এটি অনেক সময় জৈবিক (biological) কারণেও হতে পারে।

আমাদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজে অনেক স্বামী মনে করেন, এই ধরনের পরীক্ষা করালে তাদের পৌরুষত্বে আঘাত লাগবে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

সন্তান নেওয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি এবং সামাজিক কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা উপেক্ষা করা উচিত।

14/02/2026

ছেলে সন্তান না হওয়ার জন্য কে দায়ী?

13/02/2026

গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা লাগলে কী করবেন?

গর্ভাবস্থায় আপনার শরীরে ইমিউন সিস্টেম স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা দুর্বল থাকে। কারণ, পেটের বাচ্চাকে শরীর একটি “বিদেশি বস্তু” (foreign object) হিসেবে শনাক্ত করতে পারে, যাকে ইমিউন সিস্টেম আক্রমণ করতে পারে। তাই বাচ্চাকে সুরক্ষিত রাখতে শরীর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমিউন সিস্টেম কিছুটা কমিয়ে দেয়।

এই ইমিউনিটি কম থাকার কারণে ফ্লুর মৌসুমে গর্ভবতী মায়েরা সহজেই ঠান্ডায় আক্রান্ত হতে পারেন। এটি সাধারণ সর্দি (Common Cold) হিসেবেও দেখা যায়। এর লক্ষণগুলো হলো:

১. নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হওয়া
২. হাঁচি
৩. কাশি
৪. হালকা জ্বর (১০০° ফারেনহাইটের নিচে)
৫. শরীর দুর্বল লাগা বা অতিরিক্ত ক্লান্তি

কখন বিষয়টি গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়:

১. উচ্চ জ্বর (১০১° ফারেনহাইটের বেশি)
২. কাশি বা সর্দি বেড়ে গিয়ে হলুদ বা সবুজ রঙের কফ হওয়া
৩. কাশির সাথে বুক ব্যথা হওয়া
৪. লক্ষণগুলো ১০ থেকে ১৪ দিনের বেশি স্থায়ী হওয়া

এই লক্ষণগুলো খেয়াল রাখবেন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগবিদ্যায় সোনোগ্রাফির ইতিহাস শুরু হয় ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত ল্যানসেট জার্নালে ইয়ান ডোনাল্ড এবং গ্লাসগো থ...
12/02/2026

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগবিদ্যায় সোনোগ্রাফির ইতিহাস শুরু হয় ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত ল্যানসেট জার্নালে ইয়ান ডোনাল্ড এবং গ্লাসগো থেকে তাঁর দলের ক্লাসিক গবেষণাপত্রের মাধ্যমে। পঞ্চাশ বছর পর আজকের দিনে বিভিন্ন ধরনের আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি ছাড়া প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ চিকিৎসা চর্চা কল্পনাই করা যায় না।

সলিড-স্টেট সার্কিট্রি, রিয়েল-টাইম ইমেজিং, কালার ও পাওয়ার ডপলার, ট্রান্সভ্যাজাইনাল সোনোগ্রাফি এবং ৩/৪ডি ইমেজিংয়ের মতো প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ক্লিনিক্যাল গবেষকদের রোগী নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করেছে। এসব প্রযুক্তি ভ্রূণের বৃদ্ধি ও সুস্থতা মূল্যায়ন, জন্মগত ত্রুটি নির্ণয়ের স্ক্রিনিং, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া ও প্রি-টার্ম জন্মের পূর্বাভাস, এক্টোপিক গর্ভধারণ শনাক্তকরণ, পেলভিক মাস মূল্যায়ন, ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং বন্ধ্যত্ব চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে আল্ট্রাসাউন্ড-নির্দেশিত পদ্ধতিগুলো ভ্রূণ চিকিৎসা এবং আইভিএফ চিকিৎসার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। এই সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটি এমন একজন ব্যক্তির লেখা, যিনি আল্ট্রাসাউন্ড যুগের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং এসব তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার যথার্থ প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে সক্ষম।

রসুন (Garlic, Allium sativum) খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাস্থ্যগত অনেক উপকার পাওয়া যায়। এতে অ্যালিসিন (Allicin)...
09/02/2026

রসুন (Garlic, Allium sativum) খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাস্থ্যগত অনেক উপকার পাওয়া যায়। এতে অ্যালিসিন (Allicin) নামক সক্রিয় যৌগ থাকে, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল প্রভাব প্রদর্শন করে।
• কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য: রসুন রক্তচাপ (blood pressure) হ্রাস এবং লিপিড প্রফাইল (lipid profile) নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যা এথেরোস্ক্লেরোসিস (atherosclerosis) ঝুঁকি কমায়।
• ইমিউন সাপোর্ট: অ্যালিসিন ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে, সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
• অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রভাব: ফ্রি র‍্যাডিকেল (free radicals) কমাতে সাহায্য করে, যা সেলুলার স্ট্রেস হ্রাস করে।
• এন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব: সিস্টেমিক ইনফ্ল্যামেশন কমায়, যা দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন প্রদাহজনিত রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
• হজম ও মেটাবোলিক স্বাস্থ্য: রসুন হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক এবং গ্লুকোজ মেটাবোলিজম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে রসুন খাওয়া হৃদরোগ, সংক্রমণ এবং মেটাবোলিক ডিসঅর্ডারের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক হতে পারে।

08/02/2026

অনেক দম্পতির জীবনেই একটা নীরব প্রশ্ন ঘুরে বেড়ায়—
“কেন হচ্ছে না?”
বন্ধ্যাত্ব (infertility) কোনো একক কারণের জন্য হয় না, আর এটা কারো দোষও না 🤍

কখনো হরমোনের সমস্যা, কখনো ডিম্বাণু বা শুক্রাণুর মান কমে যাওয়া।
অনিয়মিত পিরিয়ড, PCOS, থাইরয়েড, টিউব ব্লক—এসবও কারণ হতে পারে।
পুরুষদের ক্ষেত্রেও স্ট্রেস, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা হরমোনজনিত সমস্যা বড় ভূমিকা রাখে।

আবার অনেক সময় বয়স, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব,
অস্বাস্থ্যকর খাবার আর অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাও প্রভাব ফেলে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো—
বন্ধ্যাত্ব মানেই শেষ না।
সঠিক সময়, সঠিক পরীক্ষা আর ডাক্তারের পরামর্শ নিলে অনেক সমাধান সম্ভব 🌱

চুপ করে কষ্ট পাওয়ার চেয়ে কথা বলা, সাহায্য নেওয়াই শক্তি।
কারণ আশা কখনোই ভুল না ✨

07/02/2026
03/02/2026

অনেক নারীই আল্ট্রাসনোগ্রাফি করার পর রিপোর্ট হাতে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান—ফলিকল মাপ কত হলে গর্ভধারণের জন্য ঠিক থাকে? আসলে ফলিকল হলো ডিম্বাশয়ের ভেতরের সেই ছোট থলি, যার ভেতরে ডিম্বাণু বেড়ে ওঠে। একটি সুস্থ ও পরিপক্ব ফলিকল থেকেই ডিম্বাণু বের হয় (ovulation), আর সেটাই গর্ভধারণের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

সাধারণত মাসিক চক্রের শুরুতে ফলিকল খুব ছোট থাকে, প্রায় 2–5 মিমি। মাসিকের দিন গুনে এগোতে থাকলে ফলিকল ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় 1–2 মিমি করে ফলিকল বড় হয়। এই বৃদ্ধি স্বাভাবিক হরমোনের ওপর নির্ভর করে।

গর্ভধারণের জন্য ফলিকলের আদর্শ বা পরিপক্ব মাপ সাধারণত 18 থেকে 24 মিমি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে 18–20 মিমি হলেই ফলিকলকে পরিপক্ব ধরা হয় এবং এই সময়েই ডিম্বাণু বের হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়টাকেই বলা হয় fertile period বা গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

যদি ফলিকল খুব ছোট থাকে (যেমন 14–15 মিমির নিচে), তাহলে সেটি পুরোপুরি পরিপক্ব হয়নি ধরা হয় এবং সেই চক্রে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। আবার যদি ফলিকল খুব বড় হয়ে যায় কিন্তু ডিম্বাণু না বের হয়, তখন সেটি ফলিকুলার সিস্টে পরিণত হতে পারে।

ফলিকলের মাপ জানার জন্য সাধারণত TVS বা ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু ফলিকলের আকারই নয়, ডিম্বাশয়ের অবস্থা, জরায়ুর লাইনিং (endometrium) এবং ওভুলেশন হয়েছে কি না—সবকিছু একসঙ্গে দেখা যায়। অনেক সময় একাধিক স্ক্যান করে ফলিকলের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাকে follicular monitoring বলা হয়।

মনে রাখা জরুরি, শুধু ফলিকলের মাপ ঠিক থাকলেই গর্ভধারণ হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। জরায়ুর লাইনিং, হরমোনের ভারসাম্য, শুক্রাণুর গুণগত মান এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপরও গর্ভধারণ নির্ভর করে। তাই রিপোর্ট দেখে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এগোনোই সবচেয়ে ভালো।

সংক্ষেপে বলা যায়, গর্ভধারণের জন্য ফলিকলের আদর্শ মাপ সাধারণত 18–24 মিমি। তবে প্রতিটি নারীর শরীর আলাদা, তাই ফলিকল মাপের ব্যাখ্যাও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। নিজের শরীরকে বোঝা, ধৈর্য রাখা এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়াই হলো সুস্থ গর্ভধারণের পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

01/02/2026

অনেক নারীর মনেই প্রশ্ন থাকে—কেন TVS টেস্ট করা হয়? নামটা শুনলেই অনেক সময় ভয়, লজ্জা বা অস্বস্তি কাজ করে। কিন্তু আসলে TVS বা ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য একটি পরীক্ষা।

TVS টেস্ট করা হয় মূলত জরায়ু, ডিম্বাশয় এবং আশপাশের অঙ্গগুলো খুব কাছ থেকে ও পরিষ্কারভাবে দেখার জন্য। পেটের ওপর দিয়ে করা সাধারণ আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে অনেক সময় ভেতরের সূক্ষ্ম সমস্যা ধরা পড়ে না। কিন্তু TVS যেহেতু যোনিপথ দিয়ে করা হয়, তাই অঙ্গগুলো আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

এই টেস্টটি করা হয় বিভিন্ন কারণে। যেমন, যদি মাসিক অনিয়মিত হয়, অতিরিক্ত রক্তপাত হয় বা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকে। তলপেটে বা পেলভিকে ব্যথা থাকলে, সহবাসের সময় ব্যথা হলে কিংবা হঠাৎ করে অস্বাভাবিক স্রাব হলে TVS খুব সাহায্য করে। ডিম্বাশয়ে সিস্ট আছে কি না, পিসিওএস, ফাইব্রয়েড, ইনফেকশন বা অন্য কোনো গঠনগত সমস্যা আছে কি না—এসব বোঝার জন্য এই টেস্ট খুবই কার্যকর।

গর্ভধারণের ক্ষেত্রেও TVS-এর গুরুত্ব অনেক। খুব শুরুর দিকের গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করা, গর্ভটি জরায়ুর ভেতরে আছে কি না দেখা, একটপিক প্রেগন্যান্সি আছে কি না বোঝা, হার্টবিট দেখা বা গর্ভের সমস্যা শনাক্ত করতে TVS করা হয়। অনেক সময় বন্ধ্যাত্বের কারণ খুঁজে বের করতেও এই পরীক্ষা দরকার হয়।

TVS টেস্ট করা মানে কোনো বড় সমস্যা আছে—এমনটা ভাবার দরকার নেই। অনেক সময় শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্য বা আগেভাগে সমস্যা ধরার জন্যই ডাক্তার এই পরীক্ষা দেন। এই কয়েক মিনিটের পরীক্ষাই ভবিষ্যতের বড় জটিলতা এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো—TVS কোনো লজ্জার বিষয় নয়। এটি আপনার শরীর, আপনার স্বাস্থ্য। নিজের শরীরকে ভালোভাবে জানার জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য এই পরীক্ষাকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করা উচিত। সচেতন থাকাই হলো সুস্থ থাকার প্রথম ধাপ।

30/01/2026

যদি বাচ্চার গলার চারপাশে নাড়ি পেঁচানো থাকে, তাহলে আপনি কী করবেন?

29/01/2026

অনেক নারীই টিভিএস বা ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফির নাম শুনলেই একটু চিন্তিত হয়ে পড়েন। মনে হয়, এই পরীক্ষা বুঝি অনেক সময়সাপেক্ষ বা কষ্টকর। কিন্তু বাস্তবে টিভিএস করা খুবই সহজ এবং এতে খুব বেশি সময় লাগে না।

সাধারণভাবে একটি টিভিএস আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। কিছু ক্ষেত্রে যদি জরায়ু, ডিম্বাশয় বা আশপাশের অঙ্গগুলো আরও ভালোভাবে দেখার প্রয়োজন হয়, তখন সময়টা একটু বাড়তে পারে, তবে সাধারণত ১০–১৫ মিনিটের বেশি হয় না।

পরীক্ষার সময় আপনাকে আরাম করে শুইয়ে রাখা হয়। একটি ছোট ও সরু প্রোব খুব সতর্কভাবে যোনিপথে প্রবেশ করানো হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে করা হয় যাতে অস্বস্তি কম হয়। বেশিরভাগ নারীই পরে বলেন, তারা যতটা ভয় পেয়েছিলেন, পরীক্ষাটা আসলে তার চেয়ে অনেক সহজ ছিল।

এই অল্প কয়েক মিনিটের টিভিএস আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমেই জরায়ুর ভেতরের অবস্থা, ডিম্বাশয়ের সিস্ট, পিসিওএস, ফাইব্রয়েড, ইনফেকশন বা প্রাথমিক গর্ভাবস্থা খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায়। অনেক সময় বড় কোনো সমস্যা এই ছোট পরীক্ষার মাধ্যমেই আগেভাগে ধরা পড়ে।

সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, টিভিএস করার পর আলাদা কোনো বিশ্রামের দরকার হয় না। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি স্বাভাবিক কাজে ফিরে যেতে পারেন।

তাই টিভিএস আল্ট্রাসনোগ্রাফি নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটি কম সময় লাগে, নিরাপদ এবং নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা। নিজের শরীরকে বোঝার জন্য এই কয়েক মিনিট সময় দেওয়াই অনেক বড় উপকার বয়ে আনতে পারে।

27/01/2026

👶💖 মা হওয়ার পথে প্রথম ধাপ: প্রয়োজনীয় টেস্টগুলো জানেন তো?
একটি নতুন জীবন পৃথিবীতে আনার স্বপ্ন খুবই সুন্দর। কিন্তু সেই স্বপ্নকে নিরাপদ ও সুস্থভাবে বাস্তব করতে হলে, কনসিভ করার আগেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল টেস্ট করা খুব জরুরি।
✨ কেন এই টেস্টগুলো দরকার?
কারণ একজন সুস্থ মা মানেই একটি সুস্থ সন্তান। আগেভাগে শরীরের ভেতরের অবস্থা জেনে নিলে অনেক ঝুঁকি সহজেই এড়ানো যায়।
🧪 কনসিভ করার আগে যেসব টেস্ট করা উচিত:
✔️ Blood Group & Rh Factor – মা ও শিশুর রক্তের সামঞ্জস্য বোঝার জন্য
✔️ Complete Blood Count (CBC) – রক্তস্বল্পতা বা ইনফেকশন আছে কি না জানতে
✔️ Thyroid Test – থাইরয়েডের সমস্যা কনসিভ ও বেবির গ্রোথে প্রভাব ফেলতে পারে
✔️ Blood Sugar Test – ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস শনাক্ত করতে
✔️ TORCH Test – কিছু সংক্রমণ যা বেবির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
✔️ Hormone Test – ওভুলেশন ও ফার্টিলিটি বুঝতে সাহায্য করে
🌸 একটু আগেভাগে জানলে অনেকটাই নিশ্চিন্ত থাকা যায়।
এই টেস্টগুলো শুধু রিপোর্ট নয়—এগুলো আপনার আর আপনার ভবিষ্যৎ সন্তানের নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
🤍 মা হওয়ার প্রস্তুতি মানেই শুধু স্বপ্ন নয়, সচেতন সিদ্ধান্তও।
আজই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, প্রয়োজনীয় টেস্ট করান, আর নিশ্চিন্তে শুরু করুন আপনার মাতৃত্বের যাত্রা।
📌 নোট: প্রত্যেক নারীর শরীর আলাদা। তাই ব্যক্তিগত ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী টেস্ট করানোই সবচেয়ে ভালো।

Address

The Shahjalal Hospital &diagnostic Centre, East Paikpara, Opposite To Ramkanai High School
Brahmanbaria
3400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Vinu’s Women’s Ultrasound posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram