সুন্নতি বিয়ে

সুন্নতি বিয়ে দ্বীনদার জীবনসঙ্গী নির্বাচনে সাহায্য করে বিয়েকে সহজ করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য...
(2)

19/08/2024
05/11/2023

🎯 বিয়ে আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত ও রাসুল (সা.) এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।
🎯 চারিত্রিক অবক্ষয় রোধের অনুপম হাতিয়ার। আদর্শ পরিবার গঠন।
🎯 মানুষের জৈবিক চাহিদাপূরণ ও মানবিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ।
🎯 বিয়ে ইসলামী শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান।

💢💢 উত্তম বিয়ে 💢💢পুরুষের জন্য যে নারীকে বিয়ে করা উত্তম, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেসব নারীর গুণ বর্ণনা ক...
01/11/2023

💢💢 উত্তম বিয়ে 💢💢
পুরুষের জন্য যে নারীকে বিয়ে করা উত্তম, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেসব নারীর গুণ বর্ণনা করেছেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘(সাধারণত) নারীদের চারটি গুণ দেখে বিয়ে করা। আর তাহলো-
🎯 ধন-সম্পদ
🎯 বংশমর্যাদা
🎯 সৌন্দর্য
🎯 ধর্মপরায়ণতার জন্য।
তোমরা ধর্মপরায়ণ নারীকে বিবাহ করে ধন্য হও, অন্যথায় তোমাদের উভয় হাত অবশ্যই ধুলায় ধূসরিত হবে।’ (আবু দাউদ)

ধার্মিকতাবিহীন নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্য সেই পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ের ন্যায় যার বাহিরে চাকচিক্য মানুষকে মুগ্ধ করলেও ভিতরটা অসুন্দর। কেননা ধার্মিকতাই নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য। বাহ্যিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন ভিতরে তার মণি-মুক্তা আর হিরা-পান্নায় পরিপূর্ণ, যা মানুষের দুনিয়া ও পরকালকে সুন্দর করে গড়ে তোলে।

আবার শুধু নারীর ধার্মিকতার দ্বারাই দাম্পত্য জীবন সুখী হবে এমনটা ভাবার অবকাশ নেই। কেননা বিয়ে উত্তর দাম্পত্য জীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্যের জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ভূমিকাই সমান। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমরা দেখ কোনো ব্যক্তি বিবাহ করেছে, সে ধর্মের অর্ধেক পূর্ণ করেছে, এরপর তারা উভয়ে বাকি অর্ধেকের জন্য আল্লাহকে ভয় করুক।’ (বায়হাকি)

ইসলামে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ছাড়া নারী-পুরুষের যে কোনো ধরনের পারস্পরিক সম্পর্ককেই হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া এটি মানবস্বভাববিরুদ্ধ কাজ। এতে গোনাহ ছাড়া কোনো পুণ্য নেই।

আমাদের হয়তো জানা নেই যে, বিয়ে মানুষকে এক নতুন শান্তিপূর্ণ জীবন ও সঠিক পথের সন্ধান দিয়ে থাকে। যে পথ মানুষের জাগতিক ও আধ্যাত্মিক সফলতার আসল চাবিকাঠি।

তাই আসুন, দুনিয়ায় জান্নাতি পরিবেশ ও প্রশান্তিময় জীবন লাভে সুন্নাত পদ্ধতিতে বিয়ের বন্ধন আবদ্ধ হই।

যাবতীয় অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করা থেকে বিরত থাকি।

26/10/2023

♥প্রিয় নবীজি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর একজন কালো সাহাবি ছিলো।♥
তার নাম ছিলো, সাদ আল আসওয়াদ আস-সুলুমী (রা)-তিনি ছিলেন গরীব, গায়ের রঙ ছিলো কালো। কেউ তাঁর কাছে নিজের মেয়ে বিয়ে দিতে চাইতো না।

সাদ (রা) একদিন আল্লার রাসূল (সা) এর কাছে দুঃখ করে বলেছিলেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কি আল্লার জান্নাতে যেতে পারবো না? তিনি আরো বলেন! ‘আমি তো নিচু মাপের ঈমানদার হিসেবে বিবেচিত হই’। রাসুল (সঃ) বললেন! কেন তুমি জান্নাতে যেতে পারবা না? অবশ্যই তুমি জান্নাতে যাবে?

সা'দ (রাঃ) দুঃখ সহকারে বলতে লাগলেন? মদিনার, কেউ আমাকে নিজের মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হচ্ছে় না’?
রাসূলুল্লাহ (সা) সাহাবীর দুঃখটা বুঝতেন পারেন।

রাসুল (সাঃ)একটি পত্র লিখে৷ কালো সাহাবির হাতে দিয়ে বললেন এই পত্রটি মদিনার বড় বাড়িতে গিয়ে , মালিকের হাতে দিয়ে উত্তর
জেনে তার পরে আসবে , কালো সাহাবী জানে না যে , এর ভিতরে কি
লেখা আছে , নবীজী(সাঃ)এর কথা অনুযায়ী পত্র খানি নিয়ে মদিনার বড়
বাড়ির মালিকের হাতে দিল ।

নবীজী(সাঃ)এর কথা শুনে তারাতারি পত্রটি খোলে ফেললো, এর মধ্যে লেখা আছে -
আস সালামু আলাাইকুম আমি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলতেছি! আমি আপনার কাছে আমার একজন কালো সাহাবি কে পাঠিয়েছি আপনার মেয়ের সাথে আমার কালো সাহাবীর বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার জন্য আপনার কাছে আমি তাকে পাঠিয়েছি । আশা করি আমার প্রস্তাব আপনি গ্রহণ করবেন এবং আমার কালো সাহাবীর সাথে আপনার সুন্দরী মেয়ের হুড়হুড়ি সাথে বিবাহ দিবেন।
____ ইতি হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)

মদিনার শ্রেষ্ট ধনি লোক ছিলেন আল ইবনে-ওয়াহহাব। সাধারণ কোন ব্যক্তি ছিলেন না আল ইবনে ওয়াহহাব। তিনি হলেন মদীনার নেতাদের একজন; কিছুদিন যাবৎ মুসলিম হয়েছেন। তাঁর মেয়ে অপরূপা সুন্দরী রমণী, রূপের জন্য তাকে হুড়হুড়ি নামে বিখ্যাত ছিলেন। সেই আল ইবনে ওয়াহহাবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) সাদকে পাঠালেন।
এমন নেতার মেয়ে বিয়ে করবে সাদের মতো একজন অসহায় গরীব কালো ছেলে।

সে তার সৌন্দর্য্যের জন্য এতো প্রসিদ্ধ৷ সে হবে সাদের বউ? স্বাভাবিক ভাবেই আল ইবনে ওয়াহহাব অহংকার করে বলতেছে! তোমার মত একজন কালো ছেলের কাছে, আমার হুড়হুড়িকে বিয়ে দেবো? না অসম্ভব তুমি ‘আকাশের-কুসুম কল্পনা ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে চলে যাও’? সে চেহারাটা খারাপ করে বাড়ির দিকে রওনা হলো?

… কিন্তু তাঁর মেয়ে ততক্ষণে দরজার ফাঁক থেকে সব কথা বার্তা শুনে ফেলেছে। তখন মেয়েটা বলে উঠলো, ‘বাবা! ছেলে টা আপনার কাছে কি প্রস্তাব নিয়ে আসছে?আমাকে একটু বলবেন! তার বাবা বললেন? তোমাকে নাকি সেই ছেলেটা বিয়ে করার জন্য নবিজী আমার কাছে পাঠিয়েছেন। তখন মেয়েটা বলে উঠলো? আমাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব টা দিয়েছে কে ....তিনি বল্লেন....আমাদের বিশ্ব নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সঃ)|

আল্লাহর রাসূল (সা) অনুরোধ করেছে বিয়েটা দেওয়ার জন্যে, কিন্তু তাকে কিভাবে ফিরিয়ে দিতে পারলেন? রাসূলের উৎকণ্ঠা থেকে আমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদের অবস্থানটা কি হবে?’ এরপর সাদকে আধা পথ থেকে ফিরে এনে বললো, ‘রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে বলে দিন, আমি আপনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তুত’এই কথা শুনে সাদের মন সেদিন আনন্দে পুলকিত… সে যেন খুশিতে টগবগ করে ফুটছে;…তারপর ।। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললো বিয়ে জন্য ৪০০ দেরহাম মোহরানা দিতে হবে।
সাদ বললেন, হে রাসূল, আমি তো জীবনে কোনদিন চারশ দেরহাম দেখিই নি! আমি এই টাকা কীভাবে শোধ করবো? নবীজি (সা) তাকে বললেন, আলী আল-নুমান ইবনে আউফ আর উসমান (রা) এর কাছ থেকে দুইশত দুইশত করে মোট চারশ দেরহাম নিয়ে নিতে। দুজনেই উনাকে দুইশত বেশি করে দেরহাম দিয়ে দিলেন। টাকা জোগাড় হয়ে গেলো।আলহামদুলিল্লাহ এইবার বিয়ে হয়ে গেল ! এখন নতুন বউ এর কাছে যাবেন সাদ (রা)।

রাসুল (সঃ) বলেন! সাদ তুমি যাও বাজার থেকে তোমার বউ এর জন্যে টুকটাক কিছু উপহার কিনে নিয়ে আসো। তিনি মার্কেটে পৌঁছে গেছেন, তিনি আনন্দের সাথে বাজার করতেছেন। প্রায় বাজার সব শেষের দিকে বউ জন্য একটা শাড়ি কিনলো বাকি টাকা দিয়ে আরও কিছু জিনিস পত্র..কিনবে।.হঠাৎ করে তাঁর কানে আওয়াজ আসলো জিহাদের ডাক। ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও’ … সাদ যেখানে ছিলেন সেখানেই দাঁড়িয়ে গেলেন। একবার আকাশের দিকে তাকায়...আর একবার জমিনের দিকে তাকায়? তিনি বললেন- ‘হে আল্লাহ! আমি এই বাকি টাকা দিয়ে এমন কিছু কিনবো যা তোমাকে খুশি করবে।’ নতুন বউ এর জন্য গিফট কেনার বদলে তিনি কিনলেন একটি তরবারি আর একটি ঘোড়া। সাদ (রাঃ) তার বউয়ের কাপড়টা পুরা শরীরে পড়ে ঘোড়া নিয়ে ছুটে চললেন জিহাদের ময়দানে, নিজের চেহারাটা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিলেন।। যেন আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তাকে দেখে চিনে ফেলতে না পারে। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) তাকে দেখলেই তো বাড়িতে পাঠিয়ে দিবেন! সে যে সদ্য-বিবাহিত!

সাহাবারা বলা বলি করছিলেন, এবং আল্লাহর রাসুল (সঃ) নিজেই চিন্তা করতেছেন?যুদ্ধের ময়দানে আমাদের মুসলমানদের পক্ষে এই রকম পুরা শরীর কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে আমাদের পক্ষে কে যুদ্ধ করতে আসা এই -ঢাকা লোকটি কে? আলী (রা) বললেন, ‘বাদ দাও, সে যুদ্ধ করতে এসেছে।’ সাদ যুদ্ধ করতে থাকলেন, কিন্তু তাঁর ঘোড়ায় আঘাত হানা হলো, ঘোড়া পড়ে গেলো। সাদ উঠে দাঁড়ালেন। ঐ সময় নবীজি (সা) তার কালো চামড়া দেখে ফেললেন, ‘ইয়া সাদ এ কি তুমি?!’ রাসূল (সা) এর প্রশ্নের জবাবে তিনি (রা) বললেন ‘আমার মা-বাবা আপনার উপর উৎসর্গিত হোক ইয়া আল্লাহর রাসূল! হ্যাঁ, আমি সাদ’ মুহাম্মাদ (সা) বললেন, ‘হে সাদ, জান্নাত ছাড়া তোমার জন্য আর কোন আবাস নেই।’ সাদ (রা) আবারো জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিছু সময় পর কয়েকজন বললো সাদ আহত হয়েছে। রাসূল (সা) ছুটে গেলেন ময়দানে। সাদকে খুঁজতে লাগলেন। সাদের মাথা খানা নিজের কোলের উপর রেখে কাঁদতে শুরু করলেন।তাঁর অশ্রু গড়িয়ে গড়িয়ে সাদের মুখের উপর এসে পড়ছিলো। রাসুল (সা) চোখ বেয়ে নেমে আসছিলো অশ্রুর ধারা। একটু পর তিনি দুনিয়া থেকে শাহাদাত বরং করে নিলেন । কিছু পর রাসূলুল্লাহ (সা) হঠাৎ হাসতে শুরু করলেন, আর তারপর মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

আবু লুবা (রা) নামের একজন সাহাবা উনাকে দেখে বিস্ময়ে বললেন, ‘হে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমি আপনাকে এমনটি কখনো করতে দেখি নি’… আল্লাহর রাসূল (সা) বললেন, ‘আমি কাঁদছিলাম কারণ আমার প্রিয় সঙ্গী আজ চলে গেলো! আমি দেখেছি সে আমার জন্য কী ত্যাগ করলো আর সে আমাকে কতো ভালোবাসতো…
কিন্তু এরপর আমি দেখতে পেলাম তার কী ভাগ্য, আল্লাহর কসম, সে ইতিমধ্যে হাউদে পৌঁছে গেছে।’ আবু লুবা জিজ্ঞেস করলেন ‘হাউদ কি?’ রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, ‘এটি হলো এমন এক ঝর্ণা যা থেকে কেউ একবার পান করলে জীবনে আর কোনদিন পিপাসার্ত হবে না, এর স্বাদ মধুর চেয়েও মিষ্টি, এর রং দুধের চেয়েও সাদা! আর যখন আমি তাঁর এইরূপ মর্যাদা দেখলাম, আল্লাহর কসম, আমি হাসতে শুরু করলাম।’

‘তারপর আমি দেখতে পেলাম সাদের দিকে তাঁর জান্নাতের স্ত্রীগণ এমন উৎফুল্ল ভাবে ছুটে আসছে, যে তাদের পা গুলো কাপড় গুলো হাটু ওপরে উঠে গেছে ।।।, তাই আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম।’

নবীজি অতঃপর সাহাবাদের কাছে এসে বললেন সাদের ঘোড়া আর তরবারি নিয়ে আসতে, সেগুলো যেন সাদের স্ত্রীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তাকে যেন বলা হয় এগুলো তার বংশধর।
রাসুল(সাঃ) বললেন, তাকে জানিয়ে দিও আল্লাহ তায়া লা সাদকে জান্নাত দান করেছেন ।

21/10/2023

বিয়ের জাগতিক ও পরকালীন উপকারিতা:

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাকস্বরূপ এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাকস্বরূপ।"[সূরা বাকারা, আয়াত- ১৮৭]

" হযরত আবু নাজি (রা.) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
মুখাপেক্ষী! মুখাপেক্ষী ! ঐ পুরুষ যার স্ত্রী নেই।

সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন, যদি তার অনেক সম্পদ থাকে, তবুও কি সে মুখাপেক্ষী? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'যদিও তার অনেক সম্পদ থাকে, তবুও সে মুখাপেক্ষী। তিনি আরো বলেন, মুখাপেক্ষী! মুখাপেক্ষী ওই নারী, যার স্বামী নেই। সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন, যদি তার অনেক সম্পদ থাকে, তবুও কি সে মুখাপেক্ষী?

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, 'যদিও তার অনেক সম্পদ থাকে, তবুও সে মুখাপেক্ষী।" (রাজিন) কেননা সম্পদের উপকারিতা, প্রশান্তি বা পার্থিব চিন্তামুক্ত সেই পুরুষের ভাগ্যে জুটে না, যার স্ত্রী নেই।

সে নারীর ভাগ্যেও জুটে না, যার স্বামী নেই। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, বিয়েতে জাগতিক ও পরকালীন অনেক বড় বড় উপকার রয়েছে। (হায়াতুল মুসলিমিন; পৃষ্ঠা : ১৮৭)

বিয়ে আল্লাহর বিশেষ দান বা উপহার। বিয়ের দ্বারা জাগতিক ও ধর্মীয় জীবন দুটোই ঠিক হয়ে যায়। মন্দ চিন্তা ও অস্থিরতা থাকে না।

সবচেয়ে বড় উপকার হলো, অঢেল পুণ্য অর্জন। কেননা স্বামী স্ত্রী একত্রে বসে ভালোবাসার কথা বলা, খুনসুটি করা নফল নামাজ পড়ার চেয়েও পুণ্যময়। (বেহেশতি জেওর)

19/10/2023

মেয়ে দেখার নিয়ম:

আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,

إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمْ امْرَأَةً فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَنْظُرَ إِلَيْهَا إِذَا كَانَ إِنَّمَا يَنْظُرُ إِلَيْهَا لِخِطْبَتِهِ وَإِنْ كَانَتْ لَا تَعْلَمُ.

‘‘যখন তোমাদের মধ্যে কেউ কোন রমণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তখন যদি প্রস্তাবের জন্যই তাকে দেখে, তবে তা দূষণীয় নয়; যদিও ঐ রমণী তা জানতে না পারে।’’

হযরত আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত,

عن أبي هريرة، قال: كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم، فأتاه رجل فأخبره أنه تزوج امرأة من الأنصار، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنظرت إليها؟»، قال: لا، قال: «فاذهب فانظر إليها، فإن في أعين الأنصارشيئا»

তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর পাশে বসা ছিলাম। এমন সময় একব্যক্তি এসে বলল, আমি আনসারি এক মহিলাকে বিয়ে করতে চাই। রাসূলুল্লাহ বললেন,তুমি কি পাত্রী দেখেছো?তিনি বললেন,না।রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন,যাও গিয়ে পাত্রী দেখে আসো।কেননা আনসারীদের চোখে নীল বা এজাতীয় কিছু থাকে।(সহীহ মুসলিম-১৪২৪)

মনে রাখবেন, পাত্রীকে পরিচয় জিজ্ঞাসা করা বৈধ। তবে অনেক সময় ধরে বসিয়ে রাখা বৈধ নয় এবং বারবার বা বহুবার দৃষ্টি রাখাও অবৈধ। একিভাবে একবার দেখার পর পুনরায় দেখা বা দেখতে চাওয়া বৈধ নয়।

Address

Dhaka Cantonment
Cantonment
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নতি বিয়ে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to সুন্নতি বিয়ে:

Share