11/02/2026
আজ (১১-০২-২৬) জীবনের ৫৬ তম রক্তদান করেছি,
আগামী দিনগুলোতেও যেন সুস্থ থেকে রক্ত দান করে মানবসেবায় সম্পৃক্ত থাকতে পারি সবাই দোয়া করবেন।
😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢😢
(নিজের কাছের আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে রক্তদান বিনিময় করা যাবে না)
😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
রক্তদাতা ( ডোনার) কারা ও দানের শর্ত সমূহ : 💉💉💉🩸🤩🤩
প্রতি ৪ মাস অন্তর অন্তর সুস্থ্য মানুষ রক্ত দান করতে পারেন
১. ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক যে কোন সুস্থ নর-নারী রক্ত দাতা হতে পারেন।
২. রক্তচাপ স্বাভাবিক (১২০/৮০ মিমি মারকারি) আছে
৩. যাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক আছে / থাকে
৪. ওজন ৪৫ কেজির বেশী
৫. গত ৪ মাসের মধ্যে রক্তদান করেননি
কারা রক্ত দিতে পারবেন না : 😰😥😥🤭🤫😢
১. বয়স ১৮ বছরের কম ও ৫০ বছরের বেশী , ওজন ৪৫ কেজির কম
২. দীঘমেয়াদী জটিল রোগে আক্রান্ত ( ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট , বেশী এলার্জি, রক্তরোগ , মানসিক রোগী, কিডনী ও লিভার রোগ)
৩. গর্ভবতী , সদ্য সন্তান প্রসবকারী, মাতৃদুগ্ধ প্রদানকারী মা
৪. মহিলাদের ঋতুচক্রকালীন সময়েও রক্ত দেয়া নিষেধ
৫. অনিরাপদ যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ এবং মাদকাসক্ত
৬. এছাড়া গত ৬ মাসের মধ্যে যাদের শরীরে বড় কোন অস্ত্রপচার হয়েছে ।
রক্তদান প্রক্রিয়া : 🩸❤️💖💓💉💖🩸🍷🍷
আমাদের মধ্যে অনেকেই রক্ত দিতে ভয় পান। কিন্তু এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ এবং নিরাপদ। এ প্রক্রিয়ায় সুঁই ফোটানো ছাড়া আর কোন ব্যথা পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই।
ইচ্ছুক ব্যক্তিরা যে কোন রক্তদাতা সংগঠনে বা কোন অসুস্থ রোগীকে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারের সাহায্য নিয়ে অতি সহজেই রক্ত দিতে পারেন।
এতে সময় লাগে ৫ - ১০ মিনিট।
খালি পেটে / রোজা রেখে কখনোই রক্ত দেয়া ঠিক নয়।
তাই রক্তদানের আগে অবশ্যই হালকা কোন খাবার ও পানি খেয়ে নেয়া উচিৎ।
রক্তদান শেষে ১-৩ মিনিট শুয়ে থাকবেন, রক্তদানের সাথে সাথে উঠে বসবেন না, এতে হঠাৎ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
রক্তদান শেষে তাড়াহুড়ো না করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া ও পর্যাপ্ত (৫০০ এমএল) পানি / জুস পান করা প্রয়োজন।
একজন সুস্থ্য মানুষের দেহে সাধারণত ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে।
রক্তদানের সময় সেখান থেকে নেয়া হয় মাত্র সাড়ে ৩৫০ - ৪৫০ এমএল।
আর দানকৃত রক্তের প্রায় ৬০ ভাগ ১ দিনের মধ্যেই শরীর তৈরি করে নেয়।
শুধু রক্তের লোহিত কণিকা পূরণ হতে ১২০ দিন বা ৪ মাস সময় লাগে।
রক্তদানের সুবিধা : 💔💔💔⛹️⛹️♂️
সবোর্চ্চ মানবসেবা,
প্রতি ৪ মাস অন্তর রক্ত দিলে শরীরে নতুন লোহিত কণিকা সৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
রক্তদানের মধ্যে দিয়ে মনেও আসে প্রশান্তি।
আপনার শরীরে থাকা অজানা কিছু রোগ ( হেপাটাইটিস বি, সি, সিপিলিস, এইচ আই, ভি) ডায়াগনোসিস হতে পারে।