Hakim Mizanur Rahman DUMS

Hakim Mizanur Rahman DUMS মানুষের সেবায় দৃঢ়সংকল্প। প্রকৃত সেবায় দুনিয়া ও আখেরাত দুটোতেই সফল।
(1)

সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা। আমরা সবার জন্য কাজ করি। তাই যে কোনো যে কোনো রোগের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার থেকে আপনাকে স্বাগতম। যে কোনও রোগের প্রয়োজনে আমার এ নাম্বারে যে কোনও সময় কথা বলতে পারবেন : ০১৭৬২২৪০৬৫০ (ইমো-হোয়াটস অ্যাপ)

সময় আমাদেরকে ভিন্ন পথের যাত্রী হিসেবে সামনের দিকে টানে আর আমরা ধীরে ধীরে সময়ের স্রোতে ভেসে গিয়ে জীবনের কঠিন পথ গুলো ম...
03/03/2026

সময় আমাদেরকে ভিন্ন পথের যাত্রী হিসেবে সামনের দিকে টানে আর আমরা ধীরে ধীরে সময়ের স্রোতে ভেসে গিয়ে জীবনের কঠিন পথ গুলো মানিয়ে সামনে এগিয়ে যাই
@সেরা ফ্যান

03/03/2026

পৃথিবীতে আপন কে?
-----
সঠিক উত্তরদাতার জন্য রয়েছে সুন্দর ঈদ উপহার

মেহ ও প্রমেহ কি? এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার জেনে নিন@ফলোয়ার@সেরা ফ্যান
02/03/2026

মেহ ও প্রমেহ কি? এর কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার জেনে নিন

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

মেহ

পুরো শরীরে লোম বেড়ে যাওয়ার কারণ কি?পুরো শরীরে অস্বাভাবিকভাবে লোম বেড়ে যাওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ থাকতে পারে। চিকিৎসা বিজ্...
01/03/2026

পুরো শরীরে লোম বেড়ে যাওয়ার কারণ কি?
পুরো শরীরে অস্বাভাবিকভাবে লোম বেড়ে যাওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ থাকতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে সাধারণত হার্সুটিজম (Hirsutism) বলা হয়। এটি মূলত হরমোনজনিত সমস্যা।

সম্ভাব্য কারণসমূহ
– হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: বিশেষ করে পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন বেশি নিঃসৃত হলে মহিলাদের মুখ, বুক, পিঠে পুরুষদের মতো মোটা ও কালো লোম উঠতে পারে।

– পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS): মেয়েদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা, যেখানে অনিয়মিত মাসিক, স্থূলতা এবং শরীরে অতিরিক্ত লোম দেখা দেয়।
– জেনেটিক কারণ: পরিবারে কারও এ ধরনের সমস্যা থাকলে উত্তরাধিকার সূত্রেও হতে পারে।
– ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ যেমন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে শরীরে লোম বেড়ে যেতে পারে।
– **অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির সমস্যা: অ্যাড্রিনাল বা থাইরয়েড গ্রন্থির অসামঞ্জস্যও শরীরে লোম বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

যদি লোম বেড়ে যাওয়ার সমস্যা হঠাৎ শুরু হয় বা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে হরমোন পরীক্ষা বা অন্যান্য মেডিকেল টেস্ট প্রয়োজন হতে পারে।

যোগাযোগ
হাকীম মো. মিজানুর রহমান

ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)

অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা

সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

মোবাইল: 01762-240650

সেবাসমূহ : শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

28/02/2026

পরিবারকে অব্যাহত হু’ম’কির প্রতিবাদ : শ্যামনগরে সনাতনী সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

সোরিয়াসিস ও দাদ কি আলাদা রোগ? পার্থক্য, লক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ কীভাবে?@ফলোয়ার@সেরা ফ্যান
28/02/2026

সোরিয়াসিস ও দাদ কি আলাদা রোগ? পার্থক্য, লক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ কীভাবে?
@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

সোরিয়াসিস ও দাদ

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন, জেনে নিনশ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। যা ধবল রোগ নামেও পরিচিত। ত্বকের...
27/02/2026

শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন, জেনে নিন
শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। যা ধবল রোগ নামেও পরিচিত। ত্বকের বিভিন্ন স্থান থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই রোগটি। শ্বেতী বা ত্বকের সাদা ধবধবে দাগ এক ধরনের অটো ইমিউন ডিজিজ। শ্বেতী মূলত মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন শ্বেতী রোগীর মধ্যে ৩০ জনের ক্ষেত্রেই শ্বেতী বংশগত ধারায় হয়ে থাকে। যদিও শ্বেতী ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী রোগ নয়। তবে শ্বেতী কেন হয়?

ত্বকের একটি অদ্ভুত রোগ হলো শ্বেতী। ত্বকের মধ্যে উপস্থিত মেলানোসাইট কোষে থাকা মেলানিন, প্রধানত ত্বকের স্বাভাবিক বর্ণের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই মেলানিনই ফর্সা বা কালো রঙের কারণ।

এই মেলানিনের ভারসাম্য নষ্ট হলে অথবা এর কার্যকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে, শ্বেতীর সমস্যা দেখা দেয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়েই প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগ সাড়িয়ে তোলা সম্ভব। জেনে নিন করণীয়-

>> পেঁপে শ্বেতীর সমস্যা দূর করতে দুর্দান্ত কার্যকরী। ত্বকের সাদা স্থানে পেঁপের টুকরো ঘষুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শ্বেতীর কারণে হারিয়ে যাওয়া মেলানিন কোষগুলিকে পুনর্নির্মাণ করতে নিয়মিত পেঁপের জুস পান করুন।

>> এ ছাড়াও লাল মাটি শ্বেতী চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী। লাল মাটিতে থাকে তামা। এক টেবিল চামচ আদার রসের সাথে, দুই টেবিল চামচ লাল মাটি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে শ্বেতী স্থানে মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন। আদার রস শ্বেতীর জায়গায় রক্ত প্রবাহে সহায়তা করবে।

>> শ্বেতীর সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার অন্যতম উপায় হলো তামার পাত্র থেকে পানি পান করা। তামার পাত্রে রাখা জল পান করলে এটি শরীরে মেলানিন উৎপন্ন করে।

>> তুলসি পাতাতে অ্যান্টি-এজিং এবং অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য থাকে। লেবুর রসের সঙ্গে তুলসি পাতার মিশ্রণ, ত্বকের মেলানিন উৎপাদনে উৎসাহিত করে। তাই ত্বকের শ্বেতী স্থানে তুলসির রস ও লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

>> প্রতিদিন কমপক্ষে ৫টি আখরোট খেলে শ্বেতীর সমস্যা কমতে শুরু করে। এ ছাড়াও শ্বেতী স্থানে আখরোটের গুঁড়োর মিশ্রণ ব্যবহার করুন।

>> অ্যালোভেরাতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। এতে ভিটামিন এ, সি, বি ১২, ফলিক অ্যাসিড, তামা, ক্যালসিয়াম, ক্রোমিয়াম, জিঙ্ক থাকে। যা পুনরায় ত্বকের বর্ণ ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে।

>> আরও এক উপাদান হলো হলুদ। শ্বেতীর সমস্যা নিরাময়ে সরিষার তেলের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ২০ মিনিটের জন্য আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। ভালো ফল পেতে মিশ্রণটি দিনে দুইবার ব্যবহার করুন। সূত্র: বোল্ডস্কাই

তবে উপরোক্ত ঘরোয়া পদ্ধতিতে সবার ক্ষেত্রে শ্বেতী মুক্ত নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিতে পারবেন।

দেশ বিদেশে হাজার হাজার মানুষ এ রোগে ভুগছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ কেউ এক বছর থেকে দশ-পনেরো বছর পর্যন্ত বয়ে চলছেন অসুখটি। কিন্তু অনেক সময় অনেক চিকিৎসা করেও সঠিক চিকিৎসার অভাবে এবং এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

শ্বেতী রোগ আক্রান্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমাদের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আরো কিছু রোগের কারণ ও প্রতিকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসকল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন এবং অপরকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্যের জন্য সংবাদটি শেয়ার করুন-এটাই আমাদের কামনা।

বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!

তাই শ্বেতী রোগীকে অনাদর, অবহেলা-অবজ্ঞা নয়- আমাদের উদ্ভাবিত ভেষজ চিকিৎসায় শ্বেতী রোগ একশতভাগ মুক্ত হয়। তবে এ চিকিৎসা হতে হবে ধাপে ধাপে ধৈর্য সহকারে। কারণ একদিন বা এক মাসেই এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ নয়। এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে ইউনানী ভেষজ চিকিৎসা। ইউনানী ও ভেষজ চিকিৎসায় এ পর্যন্ত পার্শ্বে উল্লেখিত শিশুটি ছাড়াও কয়েক হাজার শ্বেতী রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করছেন।

যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় Recap ক্রিম, Vitiligo Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট। তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য হতে শুরু করে এবং আক্রান্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেই সাথে ভবিষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আক্রান্ত না হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

করণীয় :

কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে।

দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খাবেন।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

চিকিৎসা :
ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। Recap মলম লাগানো বা Vitiligo Natural ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ডাক্তার নির্দেশিত অন্যান্য ঔষধ প্রতিনিয়ত মালিশ করতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর Vitiligo Natural ও Vitiligo Remover ওষুধে কাজ হতে প্রায় ৬ মাস এমনকি দেড় থেকে ২ বছরও লাগতে পারে।

লক্ষ্য করুন :
– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

সুতরাং এ রোগ হবার সাথে সাথেই চিকিৎসা করা উত্তম। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
ঔষধ পেতে নিম্নে বর্ণিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে আপনি সরাসরি অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

যোগাযোগ

হাকীম মো. মিজানুর রহমান

ডিইউএমএস (ঢাকা) | বিএসএস (জা.বি) | এএপিএনএ (ভারত)

অলটারনেটিভ মেডিসিনে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা

সরকারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৩৫৪৬/এ

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা

সততা প্লাজা,

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন

রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

মোবাইল: 01762-240650

সেবাসমূহ : শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।
@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

@ফলোয়ার@সেরা ফ্যান
27/02/2026

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

সোরিয়াসিস ও দাদ কি আলাদা রোগ? পার্থক্য, লক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ কীভাবে?ত্বকের রোগ নিয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি দ...
26/02/2026

সোরিয়াসিস ও দাদ কি আলাদা রোগ? পার্থক্য, লক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ কীভাবে?
ত্বকের রোগ নিয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি দেখা যায় সোরিয়াসিস ও দাদকে ঘিরে। অনেকেই মনে করেন দুটো একই ধরনের সমস্যা, কিন্তু বাস্তবে এগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন রোগ। একটি হলো অটোইমিউন প্রদাহজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ (সোরিয়াসিস), আরেকটি হলো ছত্রাকজনিত সংক্রমণ (দাদ বা রিংওয়ার্ম)। তাই সঠিকভাবে পার্থক্য বোঝা জরুরি, কারণ চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা।

সোরিয়াসিস কী
– এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী, অ-সংক্রামক ত্বকের রোগ।
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার কারণে ত্বকের কোষ দ্রুত জমা হয়।
– ফলে ত্বকে লালচে দাগ তৈরি হয়, যার উপর রূপালি বা সাদা আঁশ থাকে।
– সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক, পিঠে বেশি দেখা যায়।
– রোগটি ওঠা-নামা করে: কখনও তীব্র হয়, আবার কিছু সময়ের জন্য কমে যায়।

দাদ কী
– দাদ বা রিংওয়ার্ম হলো ছত্রাকজনিত সংক্রমণ।
– এটি সংক্রামক, অর্থাৎ একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে।
– ত্বকে গোলাকার রিং-এর মতো লালচে দাগ হয়, মাঝখানটা তুলনামূলক পরিষ্কার থাকে।
– চুলকানি থাকে এবং ধীরে ধীরে দাগ বড় হতে থাকে।
– সাধারণত হাত, পা, বুক, পিঠ বা মাথার ত্বকে দেখা যায়।

সোরিয়াসিস বনাম দাদ: তুলনামূলক বিশ্লেষণ

বিষয় | সোরিয়াসিস | দাদ |
কারণ | অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া | ছত্রাক সংক্রমণ |
সংক্রামকতা | সংক্রামক নয় | সংক্রামক |
লক্ষণ | লাল দাগ, রূপালি আঁশ, শুষ্কতা, চুলকানি | গোলাকার রিং, মাঝখান পরিষ্কার, চুলকানি |
অবস্থান | কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক, পিঠ | শরীরের যেকোনো অংশ, বিশেষত আর্দ্র জায়গা |
সময়কাল | দীর্ঘস্থায়ী, ওঠা-নামা করে | চিকিৎসা করলে দ্রুত সারে |
চিকিৎসা | ইমিউন নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ, মলম, আলো থেরাপি | অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম, ওষুধ |

কীভাবে বুঝবেন কোনটি
– যদি দাগের চারপাশে রিং-এর মতো সীমারেখা থাকে এবং মাঝখান পরিষ্কার হয়, তবে এটি দাদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
– যদি দাগের উপর রূপালি আঁশ থাকে এবং দীর্ঘদিন ধরে ওঠা-নামা করে, তবে এটি সোরিয়াসিস হতে পারে।
– দাদ সাধারণত দ্রুত ছড়ায় এবং অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে, সোরিয়াসিসে তা হয় না।
– সোরিয়াসিসে রোগীর মানসিক চাপ, ঠান্ডা আবহাওয়া বা ইমিউন সিস্টেমের পরিবর্তনে সমস্যা বাড়তে পারে।

দাদ কি কখনো সোরিয়াসিসে রূপান্তরিত হতে পারে?

– রিংওয়ার্ম (Ringworm) হলো একটি ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে tinea বলা হয়। এটি সংক্রামক এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধে সাধারণত ভালো হয়ে যায়।

– সোরিয়াসিস (Psoriasis) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ত্বকে মোটা, খসখসে, লালচে দাগ তৈরি করে। এটি সংক্রামক নয় এবং ছত্রাকজনিত নয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে রিংওয়ার্ম কখনোই সোরিয়াসিসে রূপান্তরিত হয় না। তবে, তাদের ত্বকের লক্ষণ (লালচে দাগ, চুলকানি, খসখসে ভাব) অনেক সময় একে অপরের সাথে মিলে যায়, ফলে ভুল নির্ণয় হতে পারে। তাই রোগীকে সঠিকভাবে পরীক্ষা করে আলাদা করা জরুরি।

চিকিৎসা ও করণীয়
– সোরিয়াসিস: চিকিৎসকের পরামর্শে ইমিউন নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ, মলম, আলো থেরাপি ব্যবহার করা হয়। জীবনধারায় পরিবর্তন (স্ট্রেস কমানো, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস) গুরুত্বপূর্ণ।
– দাদ: অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। কাপড়, তোয়ালে আলাদা ব্যবহার করতে হবে।

সোরিয়াসিস ও দাদ দেখতে কিছুটা মিল থাকলেও প্রকৃতিতে সম্পূর্ণ আলাদা। একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ, অন্যটি ছত্রাকজনিত সংক্রমণ। তাই ভুল চিকিৎসা এড়াতে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা জরুরি।

*চেম্বার ও যোগাযোগ*
হাকীম মো. মিজানুর রহমান
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
গভ. রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
সততা প্লাজা,
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে),
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
ইমো : 01762240650
হোয়াটসঅ্যাপ: 01742057854

*চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*

*চেম্বারে আসার আগে উপরোক্ত নাম্বারে কল করে সিরিয়াল নিয়ে আসবেন।

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

Address

সততা প্লাজা, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন, রামপুর বাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
Chandpur
3600

Telephone

+8801762240650

Website

http://www.facebook.com/mrrana.press

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hakim Mizanur Rahman DUMS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hakim Mizanur Rahman DUMS:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

Hakim Mizanur Rahman

মানুষের সেবায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ