জননী হোমিও ফার্মেসী

জননী হোমিও ফার্মেসী পি টি আই মোড়, কাউন্সিলরের কার্যালয় সংলগ্ন, আলীগঞ্জ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

08/01/2023

গাউট কি?
যখন শরীরের কোন জয়েন্টে মনোসোডিয়াম ইউরেট মনোহাইড্রেট ক্রিস্টাল আকারে জমা হওয়ার ফলে জয়েন্টে আর্থ্রাইটিস হয় তখন একে গাউট বলে।

গাউট বেশি হয় কাদের?
৩০-৫০ বয়সী পুরুষদের বেশি হয়। এছাড়া ৪৫-৫০ বয়স্ক মহিলাদের এটি হয়।

গাউট হওয়ার কারন কি কি?
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড এর পরিমাণ দীর্ঘদিন বেশি থাকলে গাউট হতে পারে। কিডনি দিয়ে ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যদি কিডনির কোন রোগ হয় তখন ইউরিক অ্যাসিড বের হতে পারে না, তখন রক্তে ইউরিক অ্যাসিড এর পরিমাণ বেড়ে যায়। এছাড়া এলকোহল সেবন, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদিও গাউটের কারন। বেশি বেশি পিউরিন বা ইউরিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খেলে।

গাউট এর লক্ষণ কি কি?
আক্রান্ত জয়েন্ট ব্যথা, ফোলা, লাল, গরম হয়। সাধারণত পায়ের বুড়ো আঙুলের জয়েন্ট প্রথমে আক্রান্ত হয়। এছাড়া হাত ও পায়ের ছোট ছোট জয়েন্টে গুলো আক্রান্ত হয়। পায়ের গোড়ালি, হাটু ইত্যাদি জয়েন্ট আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত জয়েন্টে, কানে টফাই(এক ধরনের নোড/ছোট টিউমারের মত) তৈরি হয়।

বিধি নিষেধঃ পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাংস, যকৃত, মগজ, শিমের বিচি, ফুলকপি, মাশরুম এগুলো খাওয়া নিষেধ।

হোমিওপ্যাথিতে গাউটের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ঔষধ হল-
১. লাইকোপোডিয়াম
২. কলচিকাম
৩. আর্টিকা ইউরেন্স
৪. বার্বারিস ভলগারিস
৫. বেনজয়িক এসিড
৬. লিডাম পাল
ইত্যাদি

>আমদের মধ্যে অনেকের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে যার ফলে আমরা নানা ধরনের সমস্যায় ভুগি। তাই আজ...
07/01/2023

>

আমদের মধ্যে অনেকের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে যার ফলে আমরা নানা ধরনের সমস্যায় ভুগি। তাই আজকে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ে আলোচনা করবো।

ইউরিক অ্যাসিড কি?
ইউরিক অ্যাসিড হল কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন এর দ্বারা তৈরি একটি রাসায়নিক যৌগ। এটি পিউরিন(purine) থেকে তৈরি হয়। এই পিউরিন DNA ও RNA তৈরিতে সাহায্য করে। শরীরের স্বাভাবিক নিয়মে যখন কোষ এর মৃত্যু হয় তখন এই পিউরিন রক্তে মিশে যায় এবং আমাদের যকৃত এবং অন্ত্রে গিয়ে পিউরিন ভেঙে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। ইউরিক অ্যাসিড এর ৭০% কিডনি দিয়ে প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়, বাকি ৩০% মল এর সাথে বের হয়।
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড এর স্বাভাবিক পরিমাণ হল-
৩.৫-৭.২ মিলিগ্রাম/ডিএল।
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড এর পরিমাণ স্বাভাবিক তুলনায় বেশি হলে এই অবস্থাটাকে বলে হাইপারইউরিসেমিয়া (Hyperuricemia)।

রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি হলে কি সমস্যা হয়???

রক্তে ইউরিক অ্যাসিড এর পরিমাণ বেশি হলে এটি ক্রিস্টাল তৈরি করে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে জমা হয়ে এক ধরনের আর্থ্রাইটিস তৈরি করে যেটাকে গাউট (Gout) বলে।
এছাড়া কিডনিতে পাথর তৈরি করে। ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ও লিভার এর বিভিন্ন রোগ তৈরি করে।

অর্শ বা পাইলস Hemorrhoids (Piles):অর্শ বা পাইলস হলো মলদ্বারের ভেরিকোজ ভেইন অর্থাৎ রেক্টামের নিচের অংশে (Anorectal venous...
11/06/2022

অর্শ বা পাইলস Hemorrhoids (Piles):

অর্শ বা পাইলস হলো মলদ্বারের ভেরিকোজ ভেইন অর্থাৎ রেক্টামের নিচের অংশে (Anorectal venous plexus) মলদ্বারে ফুলে যাওয়া এবং ফাঁপা শিরা।

প্রকারভেদ ঃ দুই প্রকার- ১. External
২.Internal(1st degree, 2nd degree, 3rd degree)

লক্ষণঃ এই রোগ হলে মলদ্বারে আঙ্গুর ফলের মতো বলি বের হতে পারে, সাথে রক্তপাত, মলদ্বার ভেজা, চুলকানি এবং জ্বালাযন্ত্রণা থাকতে পারে।

কারণঃ দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া, পরিবারে কারও পাইলস থাকার ইতিহাস ইত্যাদি। এছাড়া মলত্যাগের সময়ে অত্যধিক চাপ দেওয়ার কারণে বা গর্ভাবস্থায় রেক্টামের শিরার উপর চাপ পড়ার কারণেও হতে পারে।

পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে। এটি নির্ভর করে অর্শের তীব্রতার উপরে। যে অর্শ কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য হয়, খাদ্যাভ্যাসের এবং জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা উচিত।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ লক্ষণ অনুসারে - নাক্স ভোম, ইস্কুলাস হিপ, সালফার, এলো, কোলিনসোনিয়া ইত্যাদি।

19/06/2021
03/07/2019

মডার্ন হারবালকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
০৩ জুলাই ২০১৯, ১৬:৩১

আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১৬:৩৪
কোনো মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করে তা বাজারজাত করার দায়ে মডার্ন হারবাল গ্রুপকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে কারখানা সাময়িকভাবে সিলগালা করে দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: হাসান রাজাকোনো মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করে তা বাজারজাত করার অপরাধে মডার্ন হারবাল গ্রুপকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় মডার্ন হারবালের কারখানার অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী হাকিম সারোয়ার আলম। অভিযানে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কোনো মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করে তা বাজারজাত করার দায়ে মডার্ন হারবাল গ্রুপকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে কারখানা সাময়িকভাবে সিলগালা করে দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: হাসান রাজাসাংবাদিকদের সারোয়ার আলম বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০টি পণ্য বাজারে রয়েছে। এসব পণ্য উৎপাদন করতে গিয়ে যেসব রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, এর কোনোটারই মেয়াদ নেই। কোম্পানির মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগারে (কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাব) অভিযান চালিয়ে দেখা গেছে, এখানে সাত, আট ও নয় বছর আগে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে—এমন রাসায়নিকও আছে। এমনকি কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি যেসব পণ্য উৎপাদন করেছে, তার কোনোটারই ব্যাচ ম্যানুফ্যাকচারিং রেকর্ড (বিএমআর) নেই। একটি পণ্য উৎপাদন করতে গিয়ে যে ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, সেটার গুণগত মান যাচাই করা হয়েছে, কারা এসব পণ্য তৈরি করেছেন—সব তথ্য এই বিএমআরের মধ্যে থাকে।

একই ল্যাবে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ যাচাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। অথচ প্রতিষ্ঠানটি একই ল্যাবে এমনটাই করে আসছে। র‌্যাবের প্রশ্ন ছিল, আজকে যে ধরনের পণ্য উৎপাদন করেছেন, সেগুলোর নমুনা কোথায়? তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তারা তা দেখাতে পারেননি। তাঁরা জানান, কাগজে লেখা আছে।

কোনো মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করে তা বাজারজাত করার দায়ে মডার্ন হারবাল গ্রুপকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে কারখানা সাময়িকভাবে সিলগালা করে দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: হাসান রাজাএখানে অভিযান শুরুর পর প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা তারিক বিন হোসেন ঘটনাস্থলে ছিলেন। তাঁর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছুরই মান নিয়ন্ত্রণ করেছি। তবে কেন যেন মনে হচ্ছে, এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে।’ কারা ষড়যন্ত্র করছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাইরের কেউ করছেন।’ তাহলে আপনারা বিএমআর দেখাতে পারছেন না কেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোনো জবাব তিনি দিতে পারেননি।

23/04/2019

বিএসএমএমইউর আইসিইউতে ৮০ ভাগ রোগীর মৃত্যু হয় সুপারবাগে

অনলাইন ডেস্ক
২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২১:১৫
মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। ফলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো হয়ে উঠছে অ্যান্টিবায়োটিক সহনশীল। ছবি: রয়টার্সবাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। এই প্রতিষ্ঠানের আইসিইউতে মারা যাওয়া রোগীদের ৮০ শতাংশের মৃত্যুর কারণ হলো সুপারবাগ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। বলা হচ্ছে, মাত্রাতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সুপারবাগ হলো অ্যান্টিবায়োটিক সহনশীল ব্যাকটেরিয়া। এসব ব্যাকটেরিয়াকে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে ঠেকানো যায় না। বিএসএমএমইউর আইসিইউতে মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে এই সুপারবাগ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউয়ের চিকিৎসক সায়েদুর রহমানের কথায় উঠে এসেছে এই মৃত্যুঝুঁকির কথা। তাঁর মতে, ২০১৮ সালে বিএসএমএমইউর আইসিইউতে ভর্তি হওয়া আনুমানিক ৯০০ রোগীর মধ্যে ৪০০ জনই মারা গেছেন। আর এর পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার।

মানবদেহে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আবিষ্কার করা হয়েছিল অ্যান্টিবায়োটিক। চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে যুগান্তকারী হিসেবেই ধরা হয়েছিল অ্যান্টিবায়োটিকের আবিষ্কারকে। কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে সেই অ্যান্টিবায়োটিক এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে।

দ্য টেলিগ্রাফের এই প্রতিবেদনটি গতকাল সোমবার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৫ সালে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব সায়েন্টিফিক রিসার্চের এক গবেষণার বরাত দিয়ে তাতে বলা হয়েছে, ওই জরিপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি রোগীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেছেন।

বিএসএমএমইউর মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান আহমেদ আবু সালেহ বলছেন, বাংলাদেশের সব আইসিইউতে মারা যাওয়া মোট রোগীর ৭০ শতাংশের মৃত্যুর পেছনে সুপারবাগের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। অথচ ১০ বছর আগেও পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ ছিল না। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ভবিষ্যতে ব্যবহার করার মতো কার্যকর কোনো অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের হাতে নেই। বর্তমানে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। এ কারণে পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে।’

চিকিৎসক সায়েদুর রহমান বলছেন, ‘নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে। যেখানে সেখানে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। কেবল নিবন্ধিত হাসপাতালগুলো থেকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ীই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।’

২০১৬ সালে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সুপারবাগ দিন দিন এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠছে, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতিবছর ১ কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে এটি! গত বছর ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও ডায়রিয়ায় মারা যাওয়া রোগীর সম্মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি এই সংখ্যা!

অন্যদিকে মানুষের রোগ নিরাময়ের জন্য যে অ্যান্টিবায়োটিক বানানো হয়েছিল, অতিরিক্ত লাভের আশায় সেগুলো এখন পশুপাখিদের দ্রুত বর্ধনশীল করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে করা এক গবেষণায় উঠে এসেছে, শহরের অর্ধেকেরও বেশি পোলট্রি মুরগির শরীরে এসব অ্যান্টিবায়োটিক ঢোকানো হচ্ছে। এই পোলট্রি মুরগি খেয়ে ঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষও।

শুধু বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, এই ভয়াবহতা থেকে মুক্ত নয় বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোও। ২০১৭ সালের এক গবেষণা জানাচ্ছে, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ আরও অনেক দেশ সুপারবাগের ঝুঁকিতে রয়েছে।
- - প্রথম আলো

16/04/2019

ভেষজ চিকিৎসা উপেক্ষা করতে পারি না: প্রধানমন্ত্রী

বাসস
১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবিপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থার পাশাপাশি প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা চিরায়ত স্বাস্থ্যসেবা পদ্ধতিকে মূলধারার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ-২০১৯ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেষজ, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা উপেক্ষা করতে পারি না এবং মানুষের চিকিৎসার সুবিধার জন্য এগুলোর উন্নয়নের জন্য আরও গুরুত্ব দিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে এবং বিদেশে এর চাহিদা তৈরি হয়েছে, পাশাপাশি চিরায়ত ওষুধেরও ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ভেষজ (হারবাল) চিকিৎসার চাহিদা ব্যাপক উল্লেখ করে তিনি চিরায়ত চিকিৎসার উন্নয়নে নিবিড় গবেষণার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সহজতর করতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অর্থে কেনা অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ বিতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তাঁর সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার ক্লিনিক মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে এবং এখান থেকে ৩০টি মারাত্মক রোগের ওষুধ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৯৬-০১ মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্লিনিকগুলো প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এই বনিয়াদি প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রসবকালীন সময়ের জন্য দক্ষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সরকার আইসিটি ব্যবহার করে ‘স্বাস্থ্য বার্তা’ নামে কল সেন্টারের মাধ্যমে টেলি মেডিসিন সেবা চালু করেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব স্বাগত বক্তব্য দেন। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের কারণে দেশের গড় আয়ু ৬৬ দশমিক ৮ বছর থেকে বেড়ে ৭২ বছর ছাড়িয়েছে এবং মাতৃমৃত্যুর হার ৩ দশমিক ৪৮ থেকে কমে ১ দশমিক ৭২ (প্রতি হাজারে) এবং শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১০০০-এ ৪১ থেকে কমে ২৪-এ দাঁড়িয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকার সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বর্তমানে প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী বাজেট থেকে অটিস্টিকসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। শেখ হাসিনা এ সময় অটিস্টিকদের কল্যাণে তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগের ব্যাপক বিস্তার ঘটায় এসব রোগ সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

04/02/2019

আজ ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য ২০০৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ হিসেবে ক্যানসারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। শরীরের যেকোনো অংশেই হতে পারে ক্যানসার। মানবদেহ অসংখ্য কোষ দ্বারা গঠিত। এই কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে কিছুদিন পর মারা যায় এবং নতুন কোষ তাদের জায়গায় আসে। যখন এই কোষ বিভাজন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে, তখন টিউমারের উৎপত্তি হয়। কোষের জিনের পরিবর্তনের জন্য ক্যানসার হয়ে থাকে। ক্যানসার ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ ও শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কাউকে আক্রান্ত করতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যানসার রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

আমাদের দেশে ক্যানসারের প্রতিরোধ, নির্ণয় ও চিকিৎসাব্যবস্থা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি, যদিও বিগত কয়েক দশকে ক্যানসার চিকিৎসার প্রভূত উন্নতি সাধন হয়েছে। সূচনায় ক্যানসার নির্ণয় না হওয়ায় চিকিৎসা বিলম্বিত হয়। কিন্তু যখন তারা ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের কাছে যায়, তখন সুচিকিৎসার জন্য আর তাদের পর্যাপ্ত সময় থাকে না। কারণ, ক্যানসার খুব দ্রুত শরীরের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি) ২০১৮-এর প্রাক্কলিত তথ্যমতে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় দেড় লাখ নতুন ক্যানসার রোগী রয়েছে। যার মধ্যে ৮৩ হাজার পুরুষ ও ৬৭ হাজার নারী। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ক্যানসারে প্রায় এক লাখ রোগী মারা গেছে। নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার, জরায়ুমুখের ক্যানসার, মুখ ও গলার ক্যানসার বেশি। অন্যদিকে পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস, খাদ্যনালি, মুখ-গলা ও কোলন ক্যানসার বেশি।

ক্যানসার হওয়ার নিশ্চিত কারণ এখনো নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি, তবে সম্ভাব্য কিছু কারণ জানা গেছে। যেমন, তামাক সেবন কমপক্ষে ৩০ ভাগ ক্যানসারের জন্য দায়ী। তামাক সেবনের কারণে ফুসফুস, স্বরতন্ত্র, মুখ, খাদ্যনালি, মূত্রথলি, কিডনি ও জরায়ুমুখের ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্য ৩৫ ভাগ ক্যানসারের জন্য দায়ী। যেমন ফরমালিন ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য দ্বারা পাকানো ফলফলাদি, রং মেশানো খাবার, ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা মুড়ি ইত্যাদি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। মদ্যপানও ক্যানসারের অন্যতম একটি কারণ।

ক্যানসার আক্রান্ত রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার জন্য নানাবিধ চিকিৎসা-প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। যেমন: শল্যচিকিৎসা, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি, হরমোনাল থেরাপি, ইমিউনথেরাপি ইত্যাদি। ক্যানসার চিকিৎসার ২০ ভাগ শল্যচিকিৎসা, ৬০-৭০ ভাগ রেডিওথেরাপি এবং ২৫-৩০ ভাগ কেমোথেরাপির মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে প্রয়োজনের তুলনায় ক্যানসার চিকিৎসার স্থাপনা অপ্রতুল। ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট জাতীয় ক্যানসার গবেষণা হাসপাতাল, ১২টি মেডিকেল কলেজে ক্যানসার বিভাগ এবং বেসরকারি খাতে সাতটি হাসপাতালে ক্যানসার চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বমানের অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা রয়েছে স্কয়ার, ইউনাইটেড ও অ্যাপোলো হাসপাতালে। কিন্তু এসব হাসপাতালের চিকিৎসার ব্যয়ভার সবাই বহন করতে পারে না। ক্যানসার রোগীর চিকিৎসার জন্য আরও অনেক হাসপাতাল, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে হাসপাতাল স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া আমাদের দেশে ক্যানসার নিয়ে খুবই সীমিত পর্যায়ে গবেষণা হয়। এটা বাড়ানো দরকার।

বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যানসার প্রতিরোধ ও ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ সনদে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। তাই ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে যথাযথ পরিকল্পনা ও কর্মকৌশল গ্রহণ করতে হবে। যেমন, দেশে ক্যানসার রোগীর নিবন্ধন কার্যক্রম চালু করা, স্বাস্থ্য বিমার মাধ্যমে ক্যানসার রোগীদের সহায়তা প্রদান, ক্যানসার বিষয়ে গবেষণা বাড়ানো, ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ তহবিল গঠন, সাশ্রয়ীমূল্যে ক্যানসারের ওষুধ সরবরাহ ইত্যাদি।

যেহেতু তামাক ৩০ ভাগ ক্যানসারের জন্য দায়ী, তাই তামাক সেবন প্রতিরোধের ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, তামাক থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আয় হয়, তামাকের ব্যবহারজনিত রোগের কারণে হাসপাতালের ব্যয় তার চেয়ে অনেক বেশি। তাই তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে, স্কুলের পাঠ্যক্রমে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে

অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, তামাকবিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে এবং তামাকের মূল্য বাড়াতে হবে।

অত্যন্ত আশঙ্কার কথা যে ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের প্রতিটি পরিবারের কেউ না-কেউ ক্যানসারে ভুগবে। কিন্তু তা প্রতিরোধে আমরা কি প্রস্তুত? আমাদের কি পর্যাপ্ত হাসপাতাল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্ট আছে? সংশ্লিষ্ট সবাইকে একটি

রূপকল্প প্রণয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।

অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন ক্যানসার ও জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ, স্কয়ার হাসপাতাল

ঢাকার সাভার উপজেলায় ‘বিষক্রিয়ায়’ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে; যারা রাস্তার কবিরাজের বিক্রি করা কথিত শক্তিবর্ধক হালুয়া খেয়েছিল ব...
15/03/2018

ঢাকার সাভার উপজেলায় ‘বিষক্রিয়ায়’ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে; যারা রাস্তার কবিরাজের বিক্রি করা কথিত শক্তিবর্ধক হালুয়া খেয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এছাড়া আরও দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা সবাই স্থানীয় বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিক।

সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপতালের ব্যবস্থাপক বাবুল হোসেন বলেন, ভাদাইল এলাকা থেকে জিল্লুর রহমান, মোতালেব শেখ, শামীম শেখ ও ফরিদ উদ্দিন নামে চার যুবককে বুধবার গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন।

“তাদের মধ্যে জিল্লুর ও মোতালেবকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা। আর শামিম ও ফরিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।”

জিল্লু টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর থানার ধবুলিয়া গ্রামের সবুজ শেখের ছেলে। আর মোতালেব একই গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে।

চিকিৎসাধীন শামীম শেখ ওই গ্রামের আবুল শেখের ছেলে। ফরিদ উদ্দিনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া থানার ওসি আবদুল আউয়াল বলেন, তারা ভাদাইলে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

কী ধরনের বিষক্রিয়ায় তারা আক্রান্ত হয়েছেন, সে বিষয়ে পরীক্ষা না করে কিছু বলতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তবে ওসি বলেছেন, বুধবার গভীর রাতে তারা কারখানা থেকে ফিরে ‘কবিরাজের কাছ থেকে আনা মালমশলা দিয়ে শক্তিবর্ধক হালুয়া তৈরি করে’ খান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাদের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।”

স্থানীয়রা জানান, সাভারের পথেঘাটে একশ্রেণির কথিত কবিরাজ হ্যান্ডমাইকে ‘শক্তিবর্ধক হালুয়া’ বিক্রি করেন।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমজাদুল হক বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় এই কথিত শক্তিবর্ধক হালুয়া বিক্রি হয়। কেউ কখনও অভিযোগ দেয়নি। এটা আসলে শক্তিবর্ধক কিনা বা ক্ষতিকর কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে নেই।”

ওই চারজনের বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে মোহাম্মদ আলীর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক নূরুল হক বলেন, “রাতে তারা কি যেন খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন মোতালেবের ভাই নাসির উদ্দিন তাদের প্রতিবেশীদের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা ঠিক কী খেয়েছিল তা আমি সঠিক জানি না।
- তথ্যসূত্র:

Bangladesh's largest news publisher by reach - 24/7, bilingual; content opened to public on 23 Oct 2006

16/01/2018

আজকাল শিশুদের সময় কাটানো হয়েছে এক মহাযন্ত্রণা। মাঠই নেই, খেলবে কোথায়? পাখির বাসার মতো ঘরের ভেতরই তাদের সীমানা। স্মার্টফোন, গেমিং ডিভাইস, কম্পিউটার বা ট্যাবলেট—এসব নিয়ে পড়ে থাকে। এসব প্রযুক্তিপণ্যের ডিসপ্লে স্ক্রিন বাচ্চাদের দৃষ্টিশক্তির ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে খুব বেশি গবেষণাও হয়নি।

তবে চক্ষু বিশেষজ্ঞরা শিশুদের মধ্যে দূরের জিনিস দেখতে না পারার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সাম্প্রতিক দশকগুলোয় বিশ্বজুড়ে দূরের জিনিস দেখতে না পারার ঘটনা বাড়ছে। এ প্রবণতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় মায়োপিয়া। পূর্ব এশিয়ায় তরুণদের ৯০ শতাংশই মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঘরের চার দেয়ালে বন্দী অবস্থায় কাছের জিনিস দেখার কারণে এবং বাইরে সূর্যের আলোয় বেশি বের না হওয়ায় শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা শিশুদের বাইরে সূর্যের আলোয় সময় কাটানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

লন্ডনের কিংস কলেজের চক্ষুবিজ্ঞানের প্রফেসর ক্রিস হ্যামন্ড বলেন, ‘আমরা জানি যে মায়োপিয়া বা দূরের বস্তু না দেখার প্রবণতা এখন খুবই সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। পূর্ব এশিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় এটা মহামারির পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেখানে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তরুণদের ৯০ শতাংশই মায়োপিয়ায় আক্রান্ত।’

ক্রিস হ্যামন্ড বলেন, ইউরোপে বিশেষ করে পশ্চিম ইউরোপে বর্তমানে ২৫ বছরের তরুণদের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। বিংশ শতাব্দীর কয়েক দশক ধরে এই হার বেড়েই চলছে।

লন্ডনের মুরফিল্ডস চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ দালমান নূর বলেন, এর মূল কারণ প্রাকৃতিক আলোর অভাব হতে পারে। তিনি বলেন, সরাসরি সূর্যের আলোয় না যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে মনে হচ্ছে। কারণ, শিশুদের যারা ঘরে বসে প্রচুর পড়াশোনা করে এবং যারা কম্পিউটার বা স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার করে, তাদের বাইরে খেলাধুলার সুযোগ কম। এতে করে তারা সূর্যের আলোয় কম সময় থাকছে। এসব কারণে দূরের বস্তু দেখতে না পারার প্রবণতা বাড়ছে।

প্রফেসর হ্যামন্ড বলেন, পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় শিশুরা মায়োপিয়ায় আক্রান্ত হয়। কারণ, সেখানকার শিশুদের ছোটবেলা থেকে অতিরিক্ত শিক্ষা চাপিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিশুদের বিপুল সময় ঘরের ভেতরে থেকে পড়াশোনা করতে হয়। চার দেয়ালের মধ্যে বইপত্রসহ সবকিছুই তারা খুব কাছ থেকে দেখে। তারা বাইরে কম সময় কাটায়। কাছ থেকে দেখা যায়, এমন কাজে নিয়োজিত থাকা, যেমন: স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে গেমস খেলার ফলে শিশুদের দূরের বস্তু দেখার ক্ষমতা হারানো তথা মায়োপিয়ায় আক্রান্তের সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে।

তবে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট থেকে বাচ্চাদের বিরত রাখার বিষয়টি বলা যতটা সহজ, করা ততটা সহজ নয়। ড. দালমান নূর বলেন, শিশুদের বুঝিয়ে সচেতন করে এসব প্রযুক্তিপণ্যের ব্যবহারের মাত্রা কমানো যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে ভালো হলো, যতটা সম্ভব শিশুদের বাইরে খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রফেসর হ্যামন্ড বলেন, দৈনিক দুই ঘণ্টা বাইরে কাটানোর মাধ্যমে শিশুদের দূরে না দেখার প্রবণতা থেকে রক্ষা করা যেতে পারে।

হ্যামন্ড বলেন, মায়োপিয়া নিয়ে গবেষণা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। এতে দেখা গেছে, সিডনিতে বাস করা চীনা বংশোদ্ভূত শিশুরা, যারা দৈনিক দুই ঘণ্টা বাইরে কাটায়, ছয় বছর বয়সে তাদের মাত্র ৩ শতাংশ মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। আর সিঙ্গাপুরের ছয় বছর বয়সী শিশুদের এই রোগে আক্রান্তের হার ৩০ শতাংশ। হ্যামন্ড বলেন, ‘কাজেই আবারও পরামর্শ দিই, বাইরে কাটানো আমাদের চোখের জন্য ভালো।’

একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাবার চোখকে ভালো রাখতে সহায়তা করে। দালমান নূর বলেন, ‘ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ও ভিটামিন এ, সি, ই’সহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার চোখের জন্য ভালো। আমরা মা-বাবার সঙ্গে এসব খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিই। তেলযুক্ত মাছসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি যতটা সম্ভব বেশি করে খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ প্রতিবছর অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন দালমান নূর।
_ _ _প্রথম আলো

31/12/2017

ডা: নীলমনি ঘটক তাঁর রচিত হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকা গ্রন্থে ম্যাঙ্গেনাম এসিটিকাম ঔষধটি বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছেন..... সুচিকিৎসা কাহাকে বলে, তাহা অনেকেই জানেন না। সুতরাং ঘন ঘন সর্দি দেখা দিলে, কডলিভার অয়েল, প্রায়ই অবসন্নতা অনুভব করলে স্যানাটোজেন ইত্যাদির সাহায্যে কেবল সাময়িক উপশম আনীত হয় এবং গৃহস্থ উহাকেই চিকিৎসা বলিয়া মনে করিয়া থাকেন।

Address

পি টি আই মোড়, কাউন্সিলরের কার্যালয় সংলগ্ন, আলীগঞ্জ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
Chandpur
3310

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Tuesday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Wednesday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Thursday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Friday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Saturday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30
Sunday 10:00 - 13:00
16:00 - 19:30

Telephone

+8801924528087

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জননী হোমিও ফার্মেসী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share