29/03/2025
মানুষের দেহ নানাভাবে সংক্রমিত (ইনফেকশন) হয়। দেহে চষে বেড়ানো ব্যাকটেরিয়া যদি মস্তিষ্কে প্রবেশ করে, তাহলে মৃ%ত্যু প্রায় অনিবার্যই ধরে নেওয়া যায়। কিন্তু ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া মস্তিষ্কে অনুপ্রবেশ করতে পারে না।
মস্তিষ্কের রক্তনালী দেহের অন্যান্য রক্তনালীর তুলনায় একটু আলাদা গঠনের। মস্তিষ্কের রক্তবাহিকার গায়ে এক অদৃশ্য দেয়াল থাকে। নাম ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার। এটি কোনো দৃশ্যমান দেয়াল নয়, বরং এন্ডোথেলিয়াল কোষের একটা ঘন স্তর। অন্যান্য এন্ডোথেলিয়াল কোষে ফাঁকফোকর থাকলেও এই ব্যারিয়ারে সেটাও থাকে না।
এই ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ারের ভেতর দিয়ে মস্তিষ্কের জগতে পুষ্টি, হরমোন প্রবেশ করতে পারে। এমনকি ক্যাফেইন, অ্যালকোহলও প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, টক্সিন ও বেশিরভাগ ওষুধ মস্তিষ্কে ঢুকতে পারে না। মস্তিষ্ককে দুর্গের প্রহরীর মতো রক্ষা করে এই ব্যারিয়ার।
এই ব্যারিয়ারের আবার অসুবিধাও আছে। আলঝাইমার, পারকিনসন বা ব্রেইন টিউমারের মতো রোগ নিরাময়ে প্রধান বাধাই এই ব্যারিয়ার। কেননা, ওষুধ ঢুকতে পারে না। তবে ন্যানোটেক আর কেমিক্যাল ট্রান্সপোর্টার ব্যবহার করে এরও সমাধান করা সম্ভব..! 🧠💁