Elite Health Care

Elite Health Care Our product is made in a completely natural way and is approved by Bangladesh Sciencelab

এলাচির অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য এক চামচ এলাচি দারুণ কাজে লাগে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এলা...
07/11/2022

এলাচির অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য এক চামচ এলাচি দারুণ কাজে লাগে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এলাচগুঁড়ো ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকর চর্বি কমাতে ও অস্বাস্থ্যকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, যদিও ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি খুব সহজ নয়, তবে সঠিক ডায়েট প্রক্রিয়ায় এলাচি গুঁড়ো যোগ করে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলা যায়।
রান্নায় এলাচির ব্যবহার অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছে। এটি খাবারে স্বাদ ও সুগন্ধের যোগ করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের নানা উপকার করে। শরীরে চর্বি পোড়ানোর সক্ষমতা যুক্ত করে এই মসলা।
হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এলাচি। তাই অনেকেই খাবারের পর এক দানা এলাচি মুখে দেন। এটি গ্যাস শোষণ করে হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে বলে পেট ফাঁপা ও জ্বলুনি কমায়।
এলাচিতে প্রচুর ম্যাংগানিজ আছে, যা শরীরে ক্ষতিকর উপাদানগুলো বিরুদ্ধে লড়ার এনজাইম তৈরি করে শরীরকে বিষমুক্ত রাখে। শরীরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে এলাচি। খাবারের পাশাপাশি চায়ের সঙ্গেও এলাচি খেতে পারেন, যা শরীরকে বিশেষ সুবিধা দেয়।
কার্বোহাইড্রেট, চর্বি ও ক্যালরি পোড়াতে এলাচির জুড়ি নেই। গরম দুধের মধ্যে দু-এক চামচ এলাচি গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া দিন। এতে একটু চিনি যোগ করতে পারেন। এতে শরীরের দুর্বলতা দূর হবে। রক্তশূন্যতার মতো উপসর্গ দূর হবে।
যাঁরা মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এলাচিযুক্ত সবুজ চা দারুণ কাজে লাগতে পারে। গরম-গরম সবুজ চায়ের সঙ্গে এলাচগুঁড়ো মিশিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়।
যাঁরা অম্লের সমস্যার ভোগেন, তাঁরা খাবার শেষ করেই যেন বসে পড়বেন না। খাবার পর এক দানা এলাচ মুখে দিয়ে কিছুটা হাঁটাহাঁটি করুন। এতে সমস্যার সমাধান হবে।

[আসসালামু আলাইকুম]🔹মে"দ-ভূ"ড়ি ও ও"জন ক"মান স্থা"য়ী-ভা"বে।🔹আম"রা সক"লেই জা"নি মে"দ-ভুঁ"ড়ি আমা"দের স্বা"স্থ্যের জ"ন্য কত"ট...
07/11/2022

[আসসালামু আলাইকুম]

🔹মে"দ-ভূ"ড়ি ও ও"জন ক"মান স্থা"য়ী-ভা"বে।

🔹আম"রা সক"লেই জা"নি মে"দ-ভুঁ"ড়ি আমা"দের স্বা"স্থ্যের জ"ন্য কত"টা ক্ষতি"কর। যা শুধু মাত্র অ"স্বা"স্থ্যকর নয় অ"সুন্দর ও বটে।
🔹 আপ"নার ফিট"নেস ধরে রাখুন ন্যা"চা"রাল জু"স খেয়ে।

🔹বিস্তা"রিত জানতে ইন"বক্সে যো"গা-যো"গ করুন।
ধন্যবাদ।

লবঙ্গ এর উপকারীতা!!![]প্রতিদিন সকালে ও রাতে ২–৩টি করে লংবা লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে নিম্নলিখিত উপকার পাওয়া যায়:[]দাঁতের ব্যথা ক...
06/11/2022

লবঙ্গ এর উপকারীতা!!!
[]প্রতিদিন সকালে ও রাতে ২–৩টি করে লংবা লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে নিম্নলিখিত উপকার পাওয়া যায়:
[]দাঁতের ব্যথা কমায়: লবঙ্গ দাঁতের ব্যথা দূরকরে। মাড়ির ক্ষয় নিরাময় করে। লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। প্রায় সব টুথপেস্টের কমন উপকরণ এই লবঙ্গ।
[]মাথা ব্যথা ও মাথা যন্ত্রণা কমায়: ধোঁয়া, রোদ এবং ঠান্ডার জন্য শ্লেষ্মা বেড়ে নানা ধরনের মাথা ব্যথা বা মাথার রোগ দেখা দিতে পারে। মাথা ব্যথা কমাতে লবঙ্গের উপকারিতা অপরিসীম।
[]বমি বমি ভাব দূর করে: ট্রেনে বা বাসে যাওয়ার সময় যদি মাথা ঘুরতে থাকে ও বমি এসে যায়, তাহলে মুখে একটি লবঙ্গ রেখে সেই রস চুষলে বমি ভাব ও মাথা ঘোরা কমে যাবে। গর্ভবতী মায়েরা সকালের বমিবমি ভাব দূর করতে লবঙ্গ চুষতে পারেন। লবঙ্গের সুগণ্ধ বমিবমি ভাবদূর করে।
[]কামোদ্দীপক ও যৌন রোগে উপকারি: লবঙ্গ কামোদ্দীপক। এর সুবাস অবসাদ দূর করে, শরীর ও মনের ক্লান্তি ঝরিয়ে দেয়। যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।
[]প্রচণ্ড স্ট্রেস ও উৎকণ্ঠা কমায়: এক টুকরো লবঙ্গ মুখে ফেলে চুষে চুষে খেয়ে ফেলুন। পান করতে পারেন লবঙ্গের চাও। মেজাজ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।
[]রক্ত পরিশোধন করে: লবঙ্গ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদানগুলো সরিয়ে রক্তকে পরিশোধন করতে ভূমিকা রাখে। রক্তকে পরিস্কার করে।
[]ব্রণের চিকিৎসায়: লবঙ্গ ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ব্রণের দাগ দূর করতে লবঙ্গের পেস্ট ব্রণের ওপরে দিয়ে রাখুন। লবঙ্গ খেলেও ব্রণ হবে না।
[]পিপাসা রোগে উপকারি: যারা পিপাসা রোগে প্রায়ই আক্রান্ত হন; বারবার পানি পান করতে হয়। তাদের সকালে ও বিকালে লবঙ্গ খেলে-পিপাসা চলে যাবে।
[]ডায়াবেটিস রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখে: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি হতে পারে না। গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, লং এর রস শরীরের ভিতরে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে ও কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, এবং রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শকর্রার মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা কমে যায়। নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।
[]ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: লবঙ্গ ব্রেস্টক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধকরে থাকে।
[]শরীর ফোলা কমায়: লবঙ্গ খেলে ঠাণ্ডার জন্যে শরীরের কোনো অংশ ফুলে ওঠা কমে যায়।

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি...
05/11/2022

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।
[]মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।
[]যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।
[]গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।
[]রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।
[]দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
[]কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
[]রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
[]ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।
[]হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

[]বহু যুগ ধরে ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়েছে অ্যালোভেরার জুস। বলা হয়, এই পানীয় নিয়মিত সেবন করলে ইনসুলিন সে...
05/11/2022

[]বহু যুগ ধরে ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়েছে অ্যালোভেরার জুস। বলা হয়, এই পানীয় নিয়মিত সেবন করলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে, রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাটা সহজ হয়ে আসে।
[]অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী উপকারী উদ্ভিদ। এর পাতার মাঝে যে স্থিতিস্থাপক অংশটা আছে, তার মূল উপাদান পানি। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস আছে, যা শরীরের নানা উপকার করে। চলুন দেখে নিই উপকারগুলো কী কী।
[]ওজন কমাতে অ্যালোভেরা
[]দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে অ্যালোভেরা। এর মধ্যে প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেল থাকে। থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড, এনজাইম আর স্টেরল। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খেলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
[]অ্যালোভেরার জুস খানিকটা তিতা। তাই ব্লেন্ডারে শাঁস, পানি, বরফ দিয়ে জুস করে সামান্য মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়া যায়।চুল পড়া কমাতেঅ্যালোভেরার জুস খানিকটা তিতা। তাই ব্লেন্ডারে শাঁস, পানি, বরফ দিয়ে জুস করে সামান্য মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়া যায়।চুল পড়া কমাতে
[]অ্যালোভেরার জুসে প্রোটিয়োলাইটিক এনজাইমস নামে এক ধরনের উৎসেচক থাকে, যা তালুর ত্বকের কোষগুলোর স্বাস্থ্যরক্ষায় বিশেষভাবে কার্যকর। নিয়মিত ব্যবহার করলে বাড়বে চুলের দৈর্ঘ্য, কমে যাবে খুশকি, মাথার তালুর ইনফেকশন। এটি কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে এবং চুল থাকবে নরম ও মোলায়েম।রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়বহু যুগ ধরে ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়েছে অ্যালোভেরার জুস। বলা হয়, এই পানীয় নিয়মিত সেবন করলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে, রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাটা সহজ হয়ে আসে। কোষ্ঠকাঠিন্যতে উপকার করেঅ্যালোভেরার পাতার নিচের দিকে চটচটে হলুদ রঙের আঠালো একটি পদার্থ মেলে, এই উপাদানটি কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ হিসেবে দারুণ কার্যকর। তবে পাচনতন্ত্রের অন্য কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারবে না এটা। তাই এই সমস্যায় অ্যালোভেরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

[]কী ভাবে খাওয়া যায় পালং শাক?পালং শাক খাওয়া যায় রান্না করে। তার মধ্যে শাক ভাজা, চচ্চড়ি, ছেঁচকি, পনির দিয়ে সুস্বাদু...
05/11/2022

[]কী ভাবে খাওয়া যায় পালং শাক?

পালং শাক খাওয়া যায় রান্না করে। তার মধ্যে শাক ভাজা, চচ্চড়ি, ছেঁচকি, পনির দিয়ে সুস্বাদু নানান রেসিপি, মাছ দিয়ে নানান পদ ইত্যাদি তো হয়-ই। তা ছাড়াও সেদ্ধ, সালাড, স্যুপ অথবা জুস করেও খাওয়া যায়।
[]প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে থাকে –

১) খাদ্যশক্তি – ২৩ কিলোক্যালরি,

২) আঁশ – ০.৭ গ্রাম,

৩) কার্বোহাইট্রেড – ৩.৬ গ্রাম,

৪) শর্করা – ০.৪ গ্রাম,

৫) প্রোটিন – ২.২ গ্রাম,

৬) ভিটামিন এ – ৪৬৯ মাইক্রোগ্রাম,

৭) ভিটামিন সি – ২৮ মিলিগ্রাম,

৮) লিউটিন – ৫৬২৬ মাইক্রোগ্রাম,

৯) ফোলেট – (বি৯) ১৯৬ মাইক্রোগ্রাম,

১০) ভিটামিন কে – ৪৬৩ মাইক্রোগ্রাম,

১১) পটাশিয়াম – ২০৮ মিলিগ্রাম,

১২) ফ্ল্যাভোনয়েড – ১০ রকমেরও বেশি ধরনের,

১৩) ক্যালসিয়াম – ৯৯ মিলিগ্রাম,

১৪) নিকোটিনিক অ্যাসিড – ০.৫ মিলিগ্রাম,

১৫) রাইবোফ্লোবিন – ০.০৮ মিলিগ্রাম,

১৬) থায়ামিন – ০.০৩ মিলিগ্রাম,

১৭) অক্সালিক অ্যাসিড – ৬৫২ মিলিগ্রাম,

১৮) ফসফরাস – ২০.৩ মিলিগ্রাম,

১৯) আয়রন – ১১.২ মিলিগ্রাম,

২০) বিটাকেরোটিন।
[]) ওজন হ্রাসে –

শাকটিতে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, ফলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আরও নানাবিধ ভিটামিন এবং খনিজ। এইগুলি শরীরে প্রবেশ করার পর ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। তাই নিয়মিত এই শাক খাদ্য তালিকায় রাখলে অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায়।
[]কোলেস্টেরল কমাতে –

পালং শাকে যে সমস্ত পুষ্টিগুণ রয়েছে তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।কোলেস্টেরল কমাতে –

পালং শাকে যে সমস্ত পুষ্টিগুণ রয়েছে তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।কোলেস্টেরল কমাতে –

পালং শাকে যে সমস্ত পুষ্টিগুণ রয়েছে তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।কোলেস্টেরল কমাতে –

পালং শাকে যে সমস্ত পুষ্টিগুণ রয়েছে তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
[]ঋতুর সমস্যায় :

পালং শাকে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস আছে। তাই পালং শাক নিয়মিত খেলে মাসিকজনিত সমস্যা দূর হয়।
[]যৌবন ধরে রাখতে –

বয়সের ছাপ লুকানোর জন্য পালং শাক খুবই ভালো একটি খাবার। পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যন্টিঅক্সিডেন্টের কাজই হল কোষের ক্ষয়রোধ করে

[]ডাক্তার বা পুষ্টিবিদেরা সবসময়ই টক দই খেতে পরামর্শ দেন| বাইরের দেশগুলোতে যেমন ভারতে খাবার পরে সব সময় টক দই খায়| টক দই এ...
05/11/2022

[]ডাক্তার বা পুষ্টিবিদেরা সবসময়ই টক দই খেতে পরামর্শ দেন| বাইরের দেশগুলোতে যেমন ভারতে খাবার পরে সব সময় টক দই খায়| টক দই একটি lactic fermented খাবার| টক দই একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও হেলদি খাবার, কারণ এতে আছে দরকারী ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি| এটি দুগ্ধ যাত খাবার ও দুধের সমান পুষ্টিকর খাবার| এমনকি এটি দুধের চেয়েও বেশি পুষ্টিকর খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়| কারণ দুধের চেয়েও বেশি পুষ্টি উপাদান রয়েছে। টক দই খাওয়ার উপকারিতাগুলো হচ্ছে:

[]এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি ও জ্বর না হওয়ার জন্য এটি ভালো কাজ করে।
[]টক দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়িয়ে হজম শক্তি বাড়ায় বা ঠিক রাখে।
[]lactic acid থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন cancer এর রোগীদের জন্য উপকারী।
[]দইয়ের ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়ক| তাই এটি পাকস্থলী/ bowel র ও জ্বালাপোড়া কমাতে বা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে|
[]এতে প্রচুর calcium, riboflavin, vitamin B6, B5 ও vitamin B12 থাকার কারণে এটি খুব দরকারী একটি খাবার|
[]তাই Osteoporosis, Arthritis এর রোগী রা নিয়মিত টক দই খেলে উপকার পান।
[]ফ্যাটযুক্ত টক দই রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল কমায়| যাদের দুধ সহ্য হয় না বা lactose intolerance আছে, তারা টক দই দুধের বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন| কারণ দইয়ের ব্যাকটেরিয়া lactose কে ভেঙ্গে lactic acid তৈরি করে|
[]এর আমিষ দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়, এটি দুধের চেয়ে অনেক কম সময়ে হজম হয়| তাই যাদের দুধের হজমে সমস্যা তারা দুধের পরিবর্তে এটি খেতে পারেন।
[]টক দই রক্ত শোধন করে।
[]উচ্চ রক্ত চাপের রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
[]ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ এর রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে এসব অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ এর রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে এসব অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
[]এর পুষ্টি উপাদানগুলো হজমের সময় তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়ে দ্রুত শরীরকে শক্তি দেয়।
[]কম ফ্যাটযুক্ত টক দই একটি ভালো স্ন্যাকস। কারণ এটি খেলে পেট ভরা বোধ হয়| তাই পুষ্টিহীন খাবার বা বেশি ক্যালরিযুক্ত junk food না খেয়ে পুষ্টিকর টক দই খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে| কারণ এতে আমিষ থাকে, যেহেতু আমিষ হজম হতে সময় লাগে, তাই পেট ভরা বোধ হয় ও শক্তি পাওয়া যায়।

[]তিসির বীজের পুষ্টিগুণতিসির বীজের ৪২% চর্বি, ২৯% শর্করা, এবং ১৮% আমিষ।[]এক টেবিল চামচ পরিমাণ তিসির বীজে আরো আছেঃক্যালরি...
05/11/2022

[]তিসির বীজের পুষ্টিগুণ
তিসির বীজের ৪২% চর্বি, ২৯% শর্করা, এবং ১৮% আমিষ।
[]এক টেবিল চামচ পরিমাণ তিসির বীজে আরো আছেঃ

ক্যালরিঃ ৫৫
পানিঃ ৭%
আমিষঃ ১.৯ গ্রাম
শর্করাঃ ৩ গ্রাম
চিনিঃ ০.২ গ্রাম
আঁশঃ ২.৮ গ্রাম
চর্বিঃ ৪.৩ গ্রাম
পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটঃ ২.০ গ্রাম
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডঃ ১.৫৯৭ গ্রাম
ভাইটামিন বি১: প্রতিদিনের প্রয়োজনের ৮%
ফোলেটঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ২%
ক্যালসিয়ামঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ২%
আয়রনঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ২%
ম্যাগনেশিয়ামঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ৭%
ফসফরাসঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ৪%
পটাসিয়ামঃ প্রতিদিনের প্রয়োজনের ২%
[]তিসির বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩
আপনি যদি মাছ খেতে অপছন্দ করেন তাহ’লে তিসির বীজ হতে পারে আপনার জন্য ওমেগা-৩ আহরণের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সূত্র। এতে আছে প্রচুর আলফা লিনোলিক এসিড alpha-linolenic acid (ALA) নামে এক ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।

ALA আপনার শরীরের জন্য খুবই দরকারি একটি ওমেগা-৩ এবং এটা আপনাকে খাদ্য থেকে নিতে হবে কারণ আপনার দেহ প্রাকৃতিকভাবে ALA উৎপাদন করে না।

পশুর উপর করা গবেষণায় দেখা গেছে তিসির বীজের ALA রক্তের ধমনীতে কোলেস্টেরল জমা হওয়া বন্ধ করে, ধমনীর প্রদাহ কমায় এবং টিউমার হওয়া বন্ধ করে।
[]তিসির বীজে আছে অন্যান্য উদ্ভিজ খাদ্যের তুলনায় ৮০০% বেশী লিগন্যান।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যেসব নারী (বিশেষ করে পঞ্চাশোর্ধ নারী) তিসির বীজ খান তাঁদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় কম।তিসির বীজে আছে অন্যান্য উদ্ভিজ খাদ্যের তুলনায় ৮০০% বেশী লিগন্যান।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যেসব নারী (বিশেষ করে পঞ্চাশোর্ধ নারী) তিসির বীজ খান তাঁদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় কম।

[]স্বাদ বাড়াতে অনেক ধরণের খাবারে কারি পাতার যোগ করা হয়, কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই পাতাগুলি সকালে চিবিয়ে খেলে অনেক উপ...
04/11/2022

[]স্বাদ বাড়াতে অনেক ধরণের খাবারে কারি পাতার যোগ করা হয়, কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই পাতাগুলি সকালে চিবিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
[]স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী কারি পাতা
ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন, কপার, ভিটামিন এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান কারি পাতায় পাওয়া যায়, যা শরীরের নানাভাবে উপকারে কাজ করে। আসুন জেনে নিই প্রতিদিন সকালে ৩ থেকে ৪টি সবুজ কারি পাতা চিবিয়ে খেলে কীভাবে উপকার পাওয়া যায়।
[]কারি পাতা খাওয়ার আশ্চর্যজনক উপকারিতা
চোখের জন্য ভাল
কারি পাতা খেলে রাতকানা বা চোখ সম্পর্কিত আরও অনেক রোগের ঝুঁকি এড়ানো যায় কারণ এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ভিটামিন এ পাওয়া যায় যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়ক।
[]ডায়াবেটিসে সহায়ক
ডায়াবেটিস রোগীদের প্রায়ই কারি পাতা চিবনোর পরামর্শ দেওয়া হয় কারণ এতে হাইপোগ্লাইসেমিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
[]হজম ভালো হবে
কারি পাতা প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেতে হবে কারণ এটি হজমশক্তির উন্নতি ঘটায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি, ফোলা সহ সমস্ত পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
[]ওজন কমান
কারি পাতা চিবনো ওজন এবং পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে কারণ এতে ইথাইল অ্যাসিটেট, মহানিম্বিন এবং ডাইক্লোরোমেথেনের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
[]সংক্রমণ প্রতিরোধ
কারি পাতায় অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যা অনেক ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং রোগের ঝুঁকি এড়ায়।

পাকা পেঁপের উপকারিতাঃ⚫ শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে গেলেই শরীর থাকবে সুস্থ। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্...
04/11/2022

পাকা পেঁপের উপকারিতাঃ

⚫ শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে গেলেই শরীর থাকবে সুস্থ। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,বিটা ক্যারোটিন,ফ্লেভানয়েড,লুটেইন,ক্রিপ্টোক্সান্থিন আছে। এছাড়াও আরো অনেক পুষ্টিকর উপাদান আছে যেগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

অর্জুনের গুড়া (Arjun)✅অর্জুন গাছের অনেক গুন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা অনেকেই এই গাছের গুনাবলি জানি না। এই গাছের গুনাবলি ...
04/11/2022

অর্জুনের গুড়া (Arjun)✅
অর্জুন গাছের অনেক গুন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা অনেকেই এই গাছের গুনাবলি জানি না। এই গাছের গুনাবলি তুলে ধরেছেন ড. তপন কুমার দে তার ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়ার’ বইয়ে।

*অর্জুন গাছ, যাতে পেয়ারা গাছের অনুরূপ পাতা রয়েছে কিন্তু এটি আকারে অনেক বড়, এর বৈজ্ঞানিক নাম হল টার্মিমিনেলিয়া অর্জুন। বিভিন্ন অঞ্চলে, এটি ধাওয়াল, কুকুভ এবং নাদিসারজ নামেও পরিচিত। অর্জুন গাছ চিরহরিৎ বৃক্ষ। প্রধান ঔষধি গাছের মধ্যে একটি অন্যতম গাছ হল অর্জুন গাছ। এটি প্রাচীন কাল থেকে হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়েছে। অর্জুনের গাছের ছাল পাউডার, ডিকোশন, স্কুর ইত্যাদি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। অতএব আমাদের অর্জুন গাছের ছালের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি কী কী তা জানা দরকার।

**কুমার দে তার ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়ার’ বইয়ে।
১, হৃদরোগ উপশমে অর্জুন ছাল ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে বাজারে এক অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। অর্জুন ছাল ভালভাবে পেষণ করে চিনি ও গরুর দুধের সঙ্গে প্রত্যহ সকালে খেলে হৃদরোগ এবং বুক ধড়ফড় কমে যায়।

( ২)- রক্তক্ষরণে ৫-৬গ্রাম ছাল রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেকে পানি খেলে আরোগ্য হয়।
(৩) রক্তে নিম্ন চাপ থাকরে অর্জুনের ছালের রস সেবনে উপকার হয়।
(৪)শ্বেত বা রক্ত প্রদরে ছাল ভিজানো পানি আধ চামট কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে রোগের উপশন হয়।
(৫) ক্ষয়কাশে অর্জুনের ছালের গুড়াবাসক পাতার রসে ভিজিয়ে ঘি মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

(৬) এছারা হাঁপানিতে অর্জুন ফল টুকরো করে তামাকের মত ধোঁয়া টানলে উপকার হয়
(৭)হার্নিয়াতে অর্জুন ফল কোমরে বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা পাতার রস সেবনে আমাশয় রোগ ভাল হয়।
(৮)হৃদপিন্ডের দুর্বলতা ও সাধারণ দুর্বলতায় ৩-৪ গ্রাম অর্জুন ছাল চূর্ণ প্রত্যহ দুবার এক গ্লাস পরিমাণ দুধসহ সেব্য । এক মাস নিয়মিত সেবন করে যাওয়া আবশ্যক।
(৯)কাচাঁ অর্জুনের ছাল ৫ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে ভালোভাবে পিষে ঠাণ্ডা পানিসহ দিনে দুবার খেলে রক্ত আমাশয়ে বিশেষ উপকারী
(১০)২০ গ্রাম পরিমান আধাচূর্ণ অর্জুন ছাল নিয়ে দুই কেজি পরিমাণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে ,পরবর্তীতে জ্বাল করে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেব্য। উল্লিখিত নিয়মে দিনে ২-৩ বার সেবন করে যাওয়া আবশ্যক।
(১১)বিচূর্ণ ফল রক্তচাপ কমায়, মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভার সিরোসিস টনিক হিসাবে কাজ করে।
(১২)এই ছাল মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এটি মাড়ির রক্তপাত বন্ধ করে।

[ আসসালামু আলাইকুম ]ও'জন নি'য়ে চি'ন্তার দি'ন শে'ষ!ও'জন ক'মান ন্যা'চারাল জু'স খে'য়ে!"ন্যা'চারাল ও'য়েট ল'স জু'স" বাংলা'দেশ...
03/11/2022

[ আসসালামু আলাইকুম ]

ও'জন নি'য়ে চি'ন্তার দি'ন শে'ষ!

ও'জন ক'মান ন্যা'চারাল জু'স খে'য়ে!

"ন্যা'চারাল ও'য়েট ল'স জু'স" বাংলা'দেশ সা'ইন্সল্যাব দ্বা'রা প'রীক্ষিত এ'বং বি.এস.টি.আই. থে'কে অ'নুমোদিত।

বি'স্তারিত জা'নতে ইন'বক্সে যোগা-যোগ ক'রুন।
ধ'ন্যবাদ।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elite Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share