Dr. Lucy Khans Medical Help

  • Home
  • Dr. Lucy Khans Medical Help

Dr. Lucy Khans Medical Help General Practitioner

17/03/2024

টিউমার -ক্যান্সার সহ জটিল রোগের চিকিৎসাঃ

শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ব্যথা,শারিরীক দূর্বলতা,ব্রেস্ট ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার সহ সকল ধরনের টিউমার ও ক্যান্সার রোগের মত জটিল রোগ চিকিৎসা সহ কিমোথেরাপির সাইড ইফেক্ট গুলোর চিকিৎসা ওষুধের মাধ্যমে করা হয়,ওষুধের মাধ্যমে ডিএনসি করা হয়।মানুষদের ওজন বাড়ানোর- কমানোর চিকিৎসা করা হয়।

বিঃদ্রঃ
সুরাইয়া মাহামুদ আলি খান দাতব্য চিকিৎসালয় এর নামে
গরীব অসহায় রোগীদের বিনা/স্বল্প খরচে ব্যবস্থাপত্র ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
ডা. লুসি খান, এমবিবিএস(ইউএসটিসি),
পোষ্ট গ্রেজুয়েট সার্টিফিকেট ইন ক্যান্সার- ইউসিএল-ইউ.কে।

চেম্বারঃ
৩নং চকবাজার, কাপাসগোলা রোড, চট্টগ্রাম।
মোবাইলঃ মেসেনজারে যোগাযোগ করুন।

09/03/2024

ব্রেস্ট ক্যান্সার কোন অপারেশন ছাড়া শুধু মাত্র ওষুধ এর মাধ্যমে চিকিৎসা করে সুস্হ হওয়া আমার রোগী।

16/12/2023

শ্বাস কষ্ট:
ঘন ঘন শ্বাস ফেলা বা নেওয়া, বুকের পাঁজর ওঠানামা, শ্বাসের গতি দ্রুত বা ঘন হওয়া, দম বন্ধ অনুভূতি—এসব উপসর্গ দেখা দিলেই আমরা বলি শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তবে শ্বাসকষ্ট নিজে কোনো রোগ নয়, নানা রোগের উপসর্গ।

হৃদ্‌পিণ্ডের রোগে যখন হৃদ্‌পেশির সংকোচন করার ক্ষমতা কমে যায়, তখন ফুসফুসে রক্ত জমে ফুসফুসকে অনমনীয় করে তোলে, কখনো ফুসফুসে পানি জমে। এতে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

আবার হাঁপানি হলে ফুসফুসে বাতাস ঢোকা ও বেরোনোর নল (ব্রঙ্কিওল) সরু হয়ে যাওয়ায় জোরে জোরে শ্বাস নিতে হয়। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়াতেও শ্বাসকষ্ট হয়। এমনকি শ্বাসকষ্ট হতে পারে রক্তে পিএইচ কমে গেলে বা অ্যাসিড জমে গেলে।

তবে কখনো কখনো কোনো রোগের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের অনুভূতিকে মেলানো যায় না। চোখের সামনে দেখছেন রোগী ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে বা ফেলছে, বাতাসের জন্য ছটফট করছে, কিন্তু যুক্তিসংগত কোনো কারণ পাওয়া যাচ্ছে না। একে চিকিৎসকেরা বলেন হাইপারভেন্টিলেশন সিনড্রোম।

শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর দহন বা মেটাবলিজম বেড়ে যাওয়ায় নিশ্বাসের হার বেড়ে যায়। হাইপারভেন্টিলেশন সিনড্রোমের কারণ যদিও খুব স্পষ্ট নয়, তবে এর সঙ্গে উৎকণ্ঠা ও একধরনের ভয় পাওয়ার রোগের (প্যানিক ডিজঅর্ডার) সম্পর্ক আছে। সে অর্থে এটা মনের রোগ।

এ ক্ষেত্রে শারীরিক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি করে শ্বাস নেওয়ার জন্য রক্তের কার্বন ডাই-অক্সাইড শ্বাসের সঙ্গে অত্যধিক মাত্রায় বেড়ে যায়। ফলে রক্তে ক্ষারের মাত্রা বেড়ে যায়।

দেখা গেছে, উৎকণ্ঠায় ও ভয় পেলে ২৫ থেকে ৮৩ শতাংশ ক্ষেত্রে একধরনের শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়, যার শারীরিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এ ছাড়া মানসিক কোনো সমস্যা নেই, এমন ১১ শতাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক কোনো কারণ ছাড়াই শ্বাসের একধরনের কষ্ট হয়। পুরুষদের চেয়ে নারীরা এ সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন।

তবে সত্যি কোনো গুরুতর রোগ, নাকি মানসিক কারণে কেউ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে, তা সঠিক পরীক্ষা–নিরীক্ষা ছাড়া বোঝা অসম্ভব। তাই শ্বাসকষ্ট যে মাত্রায়ই হোক, আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষা করতে হবে।

সব শেষে যদি দেখা যায়, এর পেছনে কোনো গুরুতর শারীরিক কারণ নেই, কারণটি মনে, তবে মনোবিদের সাহায্য নিতে হতে পারে।

ref. অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
হাঁপানি নিয়ে নেক্সট :
জিজ্ঞেসা থাকলে নক করবেন।

15/12/2023

হাইপারটেনশন বা উচ্চরক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার : একটি নীরব ঘাতক

উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ নিজেরা উচ্চরক্তচাপ বা হাইপারটেনশনে ভুগছেন সে সম্পর্কে জানেন না।
যদিও নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এ নীরব ঘাতকের হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব,

বাংলাদেশে হাইপারটেনশনের যে রোগীরা আসেন তাদের মধ্যে তিন ভাগের একভাগ রোগী জানেনই না যে তারা হাইপারটেনশনে ভুগছেন।

একভাগ রোগী আসেন ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা, বমি ভাব বা বমি হওয়া, শরীর খারাপ এমন ধরণের উপসর্গ নিয়ে।

একভাগ রোগী আসেন উচ্চ রক্তচাপের ফলে হওয়া জটিলতা নিয়ে, যেমন হার্ট ফেইলিওর বা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হবার পর।



একজন সুস্থ মানুষের রক্তচাপ থাকার কথা ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।
সেটি যদি কারো পরপর দুইদিন ১৪০/৯০ এর বেশি থাকলে তখন সেটিকে উচ্চ রক্তচাপ বলে চিহ্নিত করে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া একান্ত প্রয়োজন।

তবে রোগীর বয়স ৮০ বছর বা তার বেশি হলে রক্তচাপের পরিমাপক বেশি হবে।

উচ্চ রক্তচাপ কিভাবে বাড়ে সেটি নির্দিষ্ট করে জানা যায় না। যেকোন সময় রোগির অজান্তে তা বেড়ে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যায় যেমন স্ট্রোক বা প্যারালাইসিস যা বহুল পরিচিত।

তবে যাদের অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ হয়, তাদের রক্তচাপ বেশি থাকার কিছু কারণ দেখা যায়, যার কারণে কারো রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে:

* কিডনি সমস্যা

* রক্তনালী সরু হয়ে গেছে

* হরমোন সমস্যা

* থাইরয়েড সমস্যা, পিটুইটারি গ্লান্ডের সমস্যা

* মস্তিষ্কে কোন সমস্যা থাকলে

* স্টেরয়েড গ্রহণের ধারাবাহিকতা থাকলে

উচ্চ রক্তচাপের কারণে শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে।

প্রথমেই এ থেকে স্ট্রোক হতে পারে, যা থেকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।

স্ট্রোক থেকে অন্ধত্ব, শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ অবশ হয়ে যাওয়া এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এ থেকে হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলিওর হতে পারে।

এছাড়া উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।

যেহুতু এই রোগের তেমন কোন লক্ষণ নাই কখন বাড়ে বা কখন কমে তাই ডাক্তারের পরামর্শ ও সতর্ক হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

সুস্থ থাকতে অবশ্যই নীচের পরামর্শ গুলো মানতে হবে।

*নিয়মিত ওষুধ সেবন (হাই বিপির)
* খাবারে আলগা লবণ বাদ দিতে হবে
* ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
* শাক-সবজি, ফলমূল বেশি করে খেতে হবে
* নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করতে হবে
* নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করতে হবে
* রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
* তামাক ও তামাক জাতীয় বস্তু ত্যাগ করতে হবে
* পরিমিত ঘুমাতে হবে

* স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে হবে

* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না।
ওষুধ সেবন না করলে যে কোন সময় রক্ত চাপ বেড়ে বড় কোন অঘটন যেমন স্ট্রোক, হার্ট এটাক,হার্ট ফেইলার সহ মৃত্যু ও হতে পারে।
আমাদের দেশে খুবই অবহেলিত এই উচ্চরক্তচাপ একজন স্বাভাবিক সুস্থ মানুষের প্রাণ নাশের বড় কারণ হতে পারে তাই অবহেলা না করে বিপি চেক করে ওষুধ সেবন করুন।
কোন কিছুই বেচে থাকার উর্ধ্বে নয়।
🇧🇩🇧🇩🇧🇩

15/12/2023

বাত (ইংরেজি: Arthritis)
(গ্রীক arthro - ,সন্ধি + –itis, প্রদাহ) হল মূলত অস্থিসন্ধির প্রদাহ যা এক বা একাধিক অস্থি সন্ধিকে আক্রান্ত করে। এটা শিল্পোন্নত দেশে ৫০-৫৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের মানুষের অক্ষমতা মূল কারণ।

বাত (আর্থ্রাইটিস) কথাটি ব্যাপক অর্থবহ এবং বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত। এটি একটিমাত্র রোগ নয় বরং একই পরিবারভুক্ত অনেকগুলো রোগের সমষ্টি। প্রায় ১০০টি বিভিন্ন ধরনের রোগ নিয়ে হয় বাতরোগ। এই রোগে প্রধানত অস্থিসন্ধি আক্রান্ত হলেও হাড়ের প্রদাহ, ক্ষয় রোগ, লিগামেন্ট ও টেন্ডনের ব্যথা, মাংসপেশীর ব্যথা,মেরুদণ্ডের প্রদাহ, ক্ষয়, আড়ষ্ঠতা এগুলোও বাতরোগের পর্যায়ে পরে।

প্রকারভেদ

নিম্নোলিখিত রোগগুলোই সাধারণত একত্রিত হয়ে বাতরোগ বা জয়েন্ট পেইন গঠিত হয়ঃ

১। সন্ধিবাত/ গাঁট - ফোলানো বাত (Rheumatoid Arthritis)
২।অষ্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis)/অস্থিসংযোগ ৩
৩।গ্রন্থি প্রদাহ, গেঁটে বাত (Gout)
৪।কটিবাত বা কোমর প্রদাহ (Lumbago)
৫।মেরুদণ্ড প্রদাহ বা স্পন্ডিলাইটিস (Spondylitis)
৬।সায়াটিকা/কোটি স্নায়ুশূল(Sciatica)
৭।আম বাত/আর্টিকেরিয়া/অ্যালার্জি(Urticaria)
৮।বাতজ্বর (Rheumatic Fever)
৯।সংক্রামক বাত/সেপটিক আর্থ্রাইটিস
এছাড়াও ঘাড়ের বাত(Stiff Neck), স্কন্ধবাত (Omalgia), পার্শ্ববাত (Pleurodynia) এগুলোও বাত রোগের আওতার মধ্যে পরে।

নিম্নোক্ত কারণসমূহ বাত রোগের ঝুকি বাড়ায়ঃ

১/আঘাত (Trauma or Injury): পূর্ববর্তী বড় ধরনের কোন আঘাত বাতের কারণেরর অংশ হতে পারে।

২/অপুষ্টি (Malnutrition): প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাব বিশেষতঃ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি।

৩/বয়সঃ বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তরুণাস্থি ভঙ্গুর হয়ে পরে এবং এর পুনর্গঠনের ক্ষমতাও কমে যায়। তাই বয়স বাড়ার সাথে বাত রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনাও বাড়ে।

৪/অতিরিক্ত ওজনঃ অস্থিসন্ধি ক্ষয় খানিকটা শরীরের বাড়তি ওজনের সম্পর্কিত। অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টগুলোর উপর অতিরিক্ত চাপ স্থাপন করে। তাই স্থূলকায় ব্যক্তিরা সাধারনত বাতরোগে বেশি ভুগে থাকেন।

৫/ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণঃ কতিপয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যেমন ক্লিবসেলা (klebsiella) ও এলার্জি স্বল্পমেয়াদী বাতব্যথার উদ্ভব ঘটাতে পারে। সংক্রমণের কারণে সংঘটিত বাতরোগকে রিএকটিভ আর্থ্রাইটিস (Reactive arthritis) বলে।

৬/বংশগতি (Genetics): বাতরোগে বংশগতির প্রকৃত ভূমিকা কি তা এখন জানা সম্ভব হয় নি। তবে এতে বংশগতির যে সুস্পষ্ট প্রভাব আছে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত।

যদিও বাত বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, সব বাত রোগের সাধারণ উপসর্গ হল বিভিন্ন মাত্রার ব্যথা, অস্থি-সন্ধির ফোলা , শক্ত হয়ে যাওয়া, আড়ষ্টতা এবং গিঁঠের চারপাশে স্থায়ী যন্ত্রণা। অন্যান্য উপসর্গসমূহ হলঃ

১/হাত ব্যাবহারে অক্ষমতা,
২/হাটতে অক্ষমতা,
৩/অস্বাচ্ছন্দ্য এবং গ্লানি বোধ,
৪/ওজন কমে যাওয়া
৫/পেশীর ব্যথা ও দুর্বলতা,
৬/পরিমিত ঘুম না হওয়া।
৭/শরীরের যে কোনো অংশ ফুলে ওঠা বা ফুলা ভাব হওয়া।
৮/বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা অনুভব করা

অস্থিসংযোগ গ্রন্থি প্রদাহ (Osteoarthritis), সন্ধিবাত (Rheumatoid Arthritis) ও এঙ্কাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস (Ankylosing Spondylitis) এর কোন প্রতিকার নেই। অন্যান্য বাতরোগে চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের ধরনের উপর যার মধ্যে আছে ফিজিওথেরপি, জীবনধারন পদ্ধতির পরিবর্তন, ব্যায়াম, ওষুধ প্রয়োগ এবং রোগের কারণ গুলোর চিকিৎসা করা ইত্যাদি।

আমি উইকিপিডিয়ার হেল্প নিছি।

Address


Opening Hours

Friday 19:00 - 21:00
Saturday 19:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Lucy Khans Medical Help posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Lucy Khans Medical Help:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share