Nutritionist Iqbal Hossain

Nutritionist Iqbal Hossain যিনি আপনার বাড়ির রান্নাঘর সামলান, ডায়েট চার্ট নিতে আসার সময় চেষ্টা করবেন তাকে সাথে নিয়ে আসতে।

27/04/2026

ডিম কি কুসুমসহ খাবেন নাকি কুসুম ছাড়া খাবেন? আসুন জেনে নিই...

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা, আগামি সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রার পারদ ৪৫ ছুয়ে যেতে পারে। এই কাঠাফাটা গরমে নিজের শরীরকে কিছুটা স্...
25/04/2026

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কতা, আগামি সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রার পারদ ৪৫ ছুয়ে যেতে পারে। এই কাঠাফাটা গরমে নিজের শরীরকে কিছুটা স্বস্তি দিতে করনীয় সম্পর্কে...

আজকের #প্রথম_আলো পত্রিকায় আমার লেখা বিশেষ আর্টিকেল। পড়ার আমন্ত্রণ রইল।

১লা বৈশাখ সমাচারআমি তখন প্রাইমারী স্কুলে পড়ি। আমাদের একটা দোকান ছিল, যার একদিকে শাড়ি কাপড় এবং আর একদিকে মুদি মালামাল ছিল...
15/04/2026

১লা বৈশাখ সমাচার

আমি তখন প্রাইমারী স্কুলে পড়ি। আমাদের একটা দোকান ছিল, যার একদিকে শাড়ি কাপড় এবং আর একদিকে মুদি মালামাল ছিল। আমার ছোট চাচা দোকান দেখাশোনা করতেন। সাথে আব্বাও মাঝেমাঝে সময় দিতো।

আমাদের গ্রামেই একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন শামশের ভাই, সবাই ছামু ভাই বলে ডাকত। গাঞ্জার কলকিতে দম মারাতে ভাইয়ের জুড়ি মেলা ভার ছিল। আশেপাশের গ্রামেও এই ব্যাপারে তার নামডাক ছিল। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ভাইয়ের বাড়িতে গঞ্জিকা সেবনের আসর বসত। উনি নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় দুই একটা গঞ্জিকা গাছের চাষও করতেন।

যাইহোক, ছামু ভাই বেশিরভাগ সময়ই ইলিশ মাছ বিক্রি করতেন। দোকানের শাড়ি লুংগি, গেঞ্জি আর মুদি মালামাল নিয়ে ভাই কখনো নগদ টাকা দিতনা। বাকিতে নিয়ে, ইলিশ মাছ দিয়ে শোধ করে দিতেন। তখন ইলিশের কেজি ছিল ৩০ থেক ৫০ টাকার মধ্যে। গ্রামে যেহেতু বিদ্যুত ছিল না, তাই ইলিশ মাছ সংরক্ষণেরও কোন উপায় ছিল না। এজন্য গ্রামের হাটে মাছের দাম মাঝেমাঝে আরো কম হতো।

যৌথ পরিবার হওয়ায় প্রায় ১৮-২০ জনের রান্না হত প্রতিবেলায়।রান্নাঘরেই খেজুর পাতার বিছানা বিছিয়ে সবাই খেত। ছামু ভাই প্রতিদিন ৩-৪ টা বড় সাইজের ইলিশ বিকালের দিকে বাসায় দিয়ে যেত। ইলিশ মাছ শহর থেকে আনতে হতো বলে দুপুরের আগে দিতে পারতো না। তাই আমাদের রাতে খাবারে নিয়মিত উপস্থিত থাকত ছামু ভাইয়ের ইলিশ মাছ। রাতে খাওয়ার পর বাকি ইলিশগুলো সকালে সবাই খেত পান্তা ভাতের সাথে। ঐ সময়ে গ্রামের সবাই পান্তা ভাতে অভ্যস্ত ছিল, এখনো অনেকে আছে।

স্কুলে যাইতাম, বন্ধুদের কাছে আলাদা প্রেস্টিজ😆😆😆নিয়ে চলা লাগত। পান্তা খেয়েছি একথা বন্ধুদের বল্লে যেন মানসম্মান কাদার সাথে গড়াগড়ি খাইত। তাই সকালে পান্তা ইলিশ আমি কখনই খেতে চাইতাম না বা খেলেও সেকথা কাউকেও বলতাম না। মা বাধ্য হয়ে ভাতে পানি দেওয়ার আগে কিছু ভাত আমার জন্য তুলে রাখত। আর তা না হলে আমি খাবোই না, এতে মা যেন আরো বেশি কষ্ট পেত। এজন্য মা বাধ্য হয়ে আমার জন্য ভাত রেখে দিত। সকালে সেটা খেয়ে স্কুলে চলে যাইতাম।

কিন্তু এখন যেন পান্তা ইলিশ খাওয়াটাই প্রেস্টিজের ব্যাপার, নাখাওয়াটা অপমানের। যে পান্তা ইলিশ খাওয়ানোয় জন্য মা প্রতিদিন সকালে পান্তাভাত আর ইলিশ মাছ নিয়ে আমার পিছে পিছে ঘুরে বেড়াত, সেই পান্তা ইলিশের আয়োজন এখন বছরে একবার করাটাই কষ্টকর হয়ে যায়। সেটা ইলিশের দামের কারনে।

তখন মাঝে মাঝে মোটা আউশ চালের ভাত রান্না করত, যেটা খেতে খুবই মজাদার, কিন্তু চাল দেখতে কালো তাই আমি খেতামনা। আউশ চাল- পান্তা ভাত আর চিড়া তৈরীর জন্য বিখ্যাত ছিল। এগুলো এখন আর পাওয়া যায়না। আব্বাকে মাঝে মাঝেই বলি যে, একটু খুজে দেখিয়েন যে এখন কেউ আউশ ধান চাষ করে কিনা। গত সপ্তাহেও বলেছি আউশ চাল পাওয়া যায় কিনা দেখতে।

তখন নিজেদের জমিতে গম চাষ হতো। আমরা গমের লাল আটার রুটি খেতে চাইতাম না। বাধ্য হয়ে গম বিক্রি করে, সেই টাকা দিয়ে সাদা আটা কিনে রুটি বানিয়ে খেতো। তখন গমের লাল আটার দাম কম ছিল আর সাদা আটার দাম ছিল বেশি। এটা শুধু আমার পরিবারের গল্প না, গ্রামের প্রতিটা পরিবারের গল্প ছিল। এখন আর আমরা সাদা আটা খাই না, লাল আটা খায়। এখন গম কাটার মৌসুম চলছে। কয়দিন আগেও আব্বাকে বলেছি, আমার জন্য একমন গম কিনে দিতে।

আসলে কালের বিবর্তনে সব সস্তাগুলো অনেক দামি হয়ে গেছে আর দামিগুলো সস্তা। এই যেমন ধরুন, টি ভি চ্যানেলের কথা। আগে গ্রামের একমাত্র টিভি চ্যানেল ছিল বিটিভি। তাও ছবি পরিস্কার হত না। ঐ ঝিরিঝিরি চ্যানেল দেখার জন্যই সারাদিন অপেক্ষা করতাম। রাত আটটার খবর প্রচারিত হত পাক্কা আধাঘন্টা। রাত দশটার খবর একঘন্টা। তবুও যেন টিভির পর্দা থেকে চোখ সরতো না। বাশের মাথায় টাঙ্গানো এন্টেনা টা কতবার ঘুরাতাম একটু পরিস্কার ছবি দেখার জন্য। যে জায়গাতে এন্টেনা রাখলে ছবি ভালো হইত সেই জায়গাতে এন্টেনা টা স্থির রাখার জন্য বাশটা শক্ত করে বেধে রাখতাম। ঐ একটা চ্যানেলই সবসময় দেখতাম। ঐ এক চ্যানেলেই যেন মনের টিভি দেখার খায়েশ মিটে যেত।

কিন্তু এখন?? এখন শতাধিক চ্যানেল থাকলেও কোন নির্দিষ্ট চ্যানেলে যেন স্থির হতে পারিনা। একের পর এক চ্যানেল চেঞ্জ হতেই থাকে। এগুলো হয়ত চ্যানেলের আধিক্যেরই প্রভাব। আর আগের সবচেয়ে দামি টিভি চ্যানেল বিটিভি 😃😃😃এখন যেন হাসির পাত্রে পরিনত হয়েছে। এখন যদি কাউকে বলা হয় যে, বিটিভি দেখলে প্রতি ঘন্টায় ৫০ টাকা করে দিবো😛😛😛😛তবুও মনেহয় কাউকে খুজে পাওয়া যাবেনা।

একইভাবে একসময়ের সস্তা ইলিশ এখন অনেক দামি। শুধু দামি না, একেবারে ধরাছোয়ার বাইরে। ঐসময়ে পাঙ্গাস মাছের দাম অনেক বেশি ছিল, কারণ পাঙ্গাস মাছ তখন পাওয়া যেত না। মাঝেমাঝে নদীর বড় পাঙ্গাস বাজারে আসলে, তা উচ্চমুল্যে কেটে বিক্রি হতো। কিন্তু এখন হয়ত পাঙ্গাসই বাজারের সবচেয়ে সস্তা মাছ।

সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ ১৪৩৩...
14/04/2026

সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ ১৪৩৩...

গতকাল ০৪/০৪/২৬ইং তারিখে......বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পত্রিকা  #প্রথম_আলো তে শিশুদের হাম এবং জলবসন্ত রোগ থেকে, দ্রুত আর...
05/04/2026

গতকাল ০৪/০৪/২৬ইং তারিখে......
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পত্রিকা #প্রথম_আলো তে শিশুদের হাম এবং জলবসন্ত রোগ থেকে, দ্রুত আরোগ্য পেতে খাদ্যভ্যাস নিয়ে লেখা আমার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে শিশুদের হাম এবং জলবসন্ত মহামারী আকার ধারন করতে যাচ্ছে। দুইটা রোগই ভাইরাসজনিত রোগ এবং প্রচন্ড ছোঁয়াচে। এই রোগগুলো প্রতিকার এবং প্রতিরোধে সঠিক খাদ্যভ্যাস অত্যন্ত জরুরী।

অপর একটি জনপ্রিয় পত্রিকা #কালের_কণ্ঠে "রাতে চাই শান্তির ঘুম" শিরোনামে আরো একটি আর্টিকেল গতকাল প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে আমরা যেন সঠিক সময়ে ঘুমাতে ভুলে গেছি। রাতে ঘুম ভালো না হলে সারাদিনে কাজকর্মে মন বসে না। গভীর ঘুমের সাথে খাবারে দারুন একটি সম্পর্ক আছে।

লেখা দুইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইল।

ঈদ পরবর্তি চেম্বারে ২৬/০৩/২৬ইং তারিখে তিনটি ভালোলাগার ঘটনা ঘটল। ঘটনা তিনটা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ঘটনা-১ঃচেম্বারে দুইজ...
04/04/2026

ঈদ পরবর্তি চেম্বারে ২৬/০৩/২৬ইং তারিখে তিনটি ভালোলাগার ঘটনা ঘটল। ঘটনা তিনটা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

ঘটনা-১ঃ
চেম্বারে দুইজন ছোট বাচ্চা নিয়ে প্রবেশ করলেন এক দম্পতি। দুইজন বাচ্চার জন্য এপোয়েন্টমেন্ট নেওয়া ছিল। আমার চেম্বারে রোগীর সাথে গল্প বেশি করতে হয়। গল্পে গল্পে জিজ্ঞাসা করলাম বাড়ি কোথায়? বল্ল সাতক্ষীরা!! উত্তর শুনে ভুরু কুচকে আবার জিজ্ঞাসা করলাম, একই উত্তর দিল। জিজ্ঞাসা করলাম সাতক্ষীরা থেকে এখানে কেন? এবার ভদ্রমহিলা বিষয়টা ক্লিয়ার করলেন। ভদ্রমহিলার বাবার বাড়ি হালিশহর, বিয়ে করেছেন সাতক্ষীরা। দূরত্বের কারনে বাবার বাড়ি খুবই কম আসেন। কিন্তু এবার ঈদে এসেছেন শুধু বাচ্চাদের জন্য আমার পরামর্শ নিবেন তাই😊😊। শুনে সত্যিই অবাক হয়েছি, সেইসাথে দারুন এক ভালোলাগা কাজ করেছে।

ঘটনা-২ঃ
৬০ এর কাছাকাছি বয়স্ক ভদ্রলোক চেম্বারে ঢুকলেন। অন্য কোন সমস্যা নেই, একটু দুর্বলতা এবং কিছুটা ওয়েট লস হচ্ছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এব্যাপারে একজন মেডিসিন ডাক্তার না দেখিয়ে আমার কাছে কেন এসেছেন? উনি উত্তরে যা বল্লেন তাতে আমার বিষ্ময়ের শেষ নেই। উনি বল্লেন যে, "আমি মেডিসিন ডাক্তার দেখাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমার ছেলে আমেরিকায় থাকে। ছেলে আমেরিকা থেকে আপনার কার্ডের ছবি আমাকে পাঠিয়ে বলেছে আপনার পরামর্শ নিতে"। মোবাইলের হোয়াটসআপ ওপেন করে আমাকে কার্ডের ছবিও দেখালো। দারুন এক ভালোলাগা কাজ করলো। মানুষ আসলেই জীবন নিয়ে সচেতন হচ্ছে। দেশের বাইরে পুষ্টিবিদের চাহিদা থাকলেও আমাদের দেশে পুষ্টিবিদের ব্যাপারে মানুষজন বড়ই উদাসীন। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কারনে এই উদাসীনতা ধীরেধীরে দুর হবে ইনশাআল্লাহ।

ঘটনা-৩ঃ
এবারো ৫০ এর কিছুটা কম বয়স্ক ভদ্রলোক চেম্বারে প্রবেশ করলেন। নতুন ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। ডায়াবেটিস খুব বেশি না, প্রাথমিক অবস্থায় আছে। উনি এসেছেন কক্সবাজার পেকুয়া থেকে। কক্সবাজারে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু উনার পরিচিত কেউ একজন প্রতিবেশি আমার পরামর্শ নিতে বলেছেন। প্রতিবেশি নিজেরও ডায়াবেটিস আছে এবং ডাক্তারের চিকিৎসার পাশাপাশি আমার পরামর্শ নিয়েছিলেন। প্রতিবেশি উপকৃত হওয়ায় উনি আমার ঠিকানা দিয়েছেন। সত্যিই আপনাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

"কালেরকণ্ঠ" পত্রিকায় টিনদের (টিনএজ) খাদ্যভ্যাস নিয়ে আমার একটি  আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। বাসায় কোন টিনএজ এর ছেলে-মেয়ে থাক...
02/04/2026

"কালেরকণ্ঠ" পত্রিকায় টিনদের (টিনএজ) খাদ্যভ্যাস নিয়ে আমার একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।

বাসায় কোন টিনএজ এর ছেলে-মেয়ে থাকলে তাদের খাওয়ার দাওয়ার ব্যাপারে জানতে আর্টিকেল টি পড়তে পারেন।

27/03/2026

পৃথিবীতে ওজন কমানোর কোন ঔষধ নেই। ওজন কমানোর কোন কার্যকর মেডিসিন থাকলে পৃথিবীতে এতো ওভার ওয়েটের মানুষ থাকত না। সকলেই মেডিসিন খেয়ে ওজন কমিয়ে "ফ্যাট থেকে ফিট" হয়ে যেতো।

ওজন কমাতে চাই একটি সঠিক ডায়েট প্লান। আপনার ওজন, উচ্চতা, বয়স এবং কর্মব্যস্ত জীবনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি গাইডলাইন আপনার জীবনের গতিধারা পরিবর্তন করে দিতে পারে।

মিস স্বর্ণালী ত্রিপুরা,
আমার উপরে আস্থা রেখে আমার দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলেছেন। ফলাফল হিসাবে নিজের ওজনকে ৯৭কেজি থেকে ৭০কেজিতে নিয়ে এসেছেন। স্বর্ণালী ত্রিপুরার শুধু ওজনই কমেনি, সাথে অন্যান্য অনেক জটিলতারও স্থায়ী সমাধান হয়েছে।

স্বর্ণালী ত্রিপুরাকে আমার কাছে পাঠিয়েছিলেন সম্মানিত এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডাঃ ইমরানুর রশিদ চৌধুরী স্যার। ধন্যবাদ সম্মানিত চিকিৎসককে আমার উপরে আস্থা রাখার জন্য।

মিস স্বর্ণালী ত্রিপুরা যদি পারেন, তাহলে আপনি কেন পারবেন না?? তাহলে আর দেরী না করে আজই একজন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে শুরু করুন আপনার জার্নি।

24/03/2026

কিডনী রোগীদের জন্য কেন একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরী...

ঈদের ছুটি শেষ মানে ঈদও শেষ। আজকে থাকে আবারও আগের রুটিন অনুযায়ী চেম্বার চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করি...
24/03/2026

ঈদের ছুটি শেষ মানে ঈদও শেষ।
আজকে থাকে আবারও আগের রুটিন অনুযায়ী চেম্বার চালু থাকবে ইনশাআল্লাহ। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Iqbal Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutritionist Iqbal Hossain:

Share

Category