CTG pharmacy

CTG pharmacy Medicine At Your Home

07/02/2023

তুরস্কে ভুমিকম্পে এক দিনে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজারের কাছাকাছি

ডাব্লিউএইচও বলছে, মৃত্যুর সংখ্যা আট গুণ বাড়তে পারে

ভাবাই যায় না

এরকম একটা ভূমিকম্প বাংলাদেশে হলে ওয়ার্ল্ড নিউজে টাইটেল কি হবে জানেন?

টাইটেল হবে; “বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”

ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস লাইনগুলো গিয়েছে

৫ মিনিটও লাগবে না ঢাকার বিল্ডিংগুলো হুড়মুড় করে ধ্বসে পড়তে ... বিল্ডিং এর চাপে, গ্যাস লাইন ফাটবে

আর তারপর?

মুহূর্তে এই শহর একটা অগ্নিকূপে পরিণত হবে

জাস্ট অগ্নিকুন্ডের একটা গোলা
.. সেদিন হয়তো স্ট্যাটাস দিতে পারব না... তাই পোষ্টডেটে স্ট্যাটাসটা, আজকেই দিয়ে নিচ্ছি

“বাংলাদেশের এই পরিণতির জন্য, বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তিদায়ী”

এরা ক্ষমতায় আসলে, পকেটে টাকা ভরতে ব্যস্ত

ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে যে অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস লাইন গিয়েছে, তা এদের অনেকেই জানে না

এরা শুধু জানে, খাটের নিচে পরিকল্পিতভাবে টাকা লুকাতে
.. তা না হলে; মাত্র ৯ মাসেই দেশ স্বাধীন করে ফেলতে পারলে ... দেশের এই সিম্পল জিনিসটা গুছাতে, ৫২ বছর লাগার কথা না

যেদিন ঘটবে, সেদিন তো আর স্ট্যাটাস দিতে পারব না... তাই, আজ পোষ্টডেইটে স্ট্যাটাস দিয়ে এদের সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে গেলাম

আর রিকোয়েস্ট করে যাচ্ছি সেদিন, বিশ্ব মিডিয়া যেন আমাদের নিয়ে রিপোর্ট করার সময়; এই হেডলাইনটা অন্তত যেন দেয় যে, “বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”

আরিফ আর হোসাইন

07/11/2022

#চোখ উঠা
সারাদেশে চোখ ওঠা ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। জেনে নিন এই রোগের লক্ষন ও প্রাথমিক চিকিৎসা।
সারাদেশে বিভিন্ন জেলায় "চোখ ওঠা" কিংবা "ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস" ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে।কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) রোগের প্রাদুর্ভা চলছে। চারদিকে প্রচুর লোকজন আক্রান্ত এই রোগে। এটি কিন্তু অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে। ভাইরাসটি অতি দ্রুতই সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে, এক্ষেত্রে আমাদের সচেতনতা আবশ্যক, আসুন নিজে সচেতন হই ও অন্যজনকে সচেতন করি।

চোখ উঠার কারণঃ
১. চোখে ধুলোবালি, ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস লাগানো।
২. তীক্ষ্ণ আলোকরশ্মি, চোখের উপর অত্যাধিক চাপ,
৩. ঋতু পরিবর্তন,
৪. ঠান্ডা বা গরম বাতাস এর ঝাপটা বা আঘাত লাগা।
৫. ভাইরাস জনিত।

চোখ ওঠার লক্ষণ ও উপসর্গঃ-
১. চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া;
২. চোখের পাতা ফুলে যাওয়া;
৩. চোখ দিয়ে পানি পড়া;
৪. চোখে জ্বালাপোড়া করা, খচখচ করা;
৫. ঘুম হতে ওঠার পর চোখের দুই পাতা একসঙ্গে লেগে থাকা।
৬. পিচুটি পড়া।
৭. খুব চুলকায়।
৮. আলোর দিকে, রোদের দিকে তাকানো যায় না।
৯. দৃষ্টি শক্তি ব্যাঘাত ঘটে।
সাধারণ ৭/৮ দিনের মধ্যে উপসর্গ গুলো কমে আসে।
এটি একটি জটিল রোগ দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

কীভাবে চোখ উঠার জীবাণু ছড়ায়ঃ-
১. চোখ ওঠা খুবই ছোঁয়াচে রোগ। সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এটি হয়। অপরিষ্কার হাত, আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শে, আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, গামছা ব্যবহারে চোখ উঠতে পারে।

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ-
১. হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে হবে এবং চোখের পাতাগুলো খোলা রাখতে হবে।
২. চোখে কালো চশমা পরতে পারেন।
৩. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খান।

ঔষধ সূমহঃ---

১--*Eye Drop: 05%Eyemox
(২ফোটা করে ৪ বার ৫ দিন)
২---*Tab:Napa (500mg)
(১+১+১) ৫ দিন
৩---*Fenadin(120mg)
(0+0+1) ৭ দিন

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেনঃ-
১. যখন আপনার চোখ থেকে ঘন হলুদ কিংবা সবুজাভ হলুদ রঙের ময়লা পদার্থ বের হয়;
২. চোখ ব্যথা সাথে জ্বর, গলাব্যথা থাকলে।
৩. চোখে ঝাপসা দেখতে পেলে অথবা দেখতে সমস্যা হলে;
৪. চোখের সাদা অংশ ফুলে উঠলে কিংবা লাল হয়ে গেলে।

করনীয়ঃ-
১. কোনো চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া চোখের ড্রপ ও ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

প্রতিকারঃ-সর্তকতা ;
১. পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবাই কাপড়, তোয়ালে ও অন্যান্য জিনিস আলাদা ব্যবহার করুন।
২. চোখে হাত দেবেন না;
৩. ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ভালোমতো পরিষ্কার করুন।
৪.পুকুর নদী নালায় গোসল না করা।
৫. চোখে কালো চশমা পরে থাকা, মোবাইল, টেলিভিশন দেখা।
৬. সংক্রান্ত রুগী র কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকা।
৭.চোখের পানি, ময়লা পরিস্কার করার জন্যে আলাদা রুমাল ব্যবহার করবেন।
৮. চোখের পাতা বেশি ফুলে গেলে বরফ দেওয়া যেতে পারে।
৯. চোখ উঠা বাচ্চাদের আলাদা বিছানা, অন্য বাচ্চা দের দূরে রাখতে হবে।

কুসংস্কার ;
আক্রান্ত রুগী র দিকে তাকালে চোখ উঠবে ভ্রান্ত ধারণা। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত চোখ কিছুদিন পর ভালো হয়ে যায়, কিন্তু আশপাশে অনেককেই আক্রান্ত করে বা করতে পারে। তাই চোখ ওঠা রোগী মূলত সে তার নিজের জন্য সমস্যা নয়, বরং অন্যের জন্য সমস্যা। সর্বোপরি সাবধানে থাকার চেষ্টা করুন।

07/11/2022

কোন দেশ আইসিসি চালায়, কোন দেশ ফিক্সিং করে জিতে এসব ইউজলেস, ইলজিক্যাল তর্ক করতে করতে আমরা কখনো এই ফ্যাক্টটা বুঝতে পারি না- যে ১১ জন দেশের জার্সিতে খেলছে, তারা অবশ্যই দেশের বেস্ট ইলাভেন না।

দেশের বেস্ট ইলাভেন যেটা হবার কথা, তারা সাবস্টিটিউট বেঞ্চ, এ টিম, আন্ডার নাইন্টিন তো দূরে থাক... বিকেএসপি'তেও নেই। সেই বেস্ট ইলেভেন এর কেউ কলেজ ইউনিভার্সিটিতে, কেউ কাপড়ের দোকানদার কিংবা কেউ দিনমজুর।

এটা বেস্ট দেশের ইলাভেন হলে দেশের স্কুল ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যায় না, এলাকায় টেপ টেনিস দিয়ে বাতাসে বল সুইং করাতে পারা ছেলেটা শুধু এলাকার'ই বোলার হয়ে থেকে একদিন খেলা ছেড়ে দিতো না। দেশের হয়ে খেলতে যাওয়া ইলাভেন এর চেয়ে অনেক অনেক ভালো হার্ড হিটার আসরের আজানের পরে খেলতে আসা মাদ্রাসা ছাত্রদের ভেতর আছে।

রাহুল দ্রাবিড় ভারতের সিনিয়র টিমের কোচ এখন, যাঁর টেস্ট ক্যারিয়ার রান ১৩ হাজার, ওডিআই ১০ হাজার, ফার্স্ট ক্লাস ২৩ হাজার এবং লিস্ট এ ১৫ হাজার। ডাক নাম 'দ্য ওয়াল'। জ্বর নিয়ে খেলতে নেমে ইডেন টেস্টে ফলো অনে ১৮০ করে অস্ট্রেলিয়াকে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন যিনি, সেই রাহুল দ্রাবিড়। বর্তমানে যেসব সাবেক প্লেয়ার নানান টুর্নামেন্ট এবং সিরিজের সময় টিমের সাথে নির্লজ্জের মতোন বিদেশ ঘুরতে যান, তাদের সবার সর্বমোট রানের চেয়ে যার একার ওয়ানডে রান বেশি, সেই দ্রাবিড়।

দ্রাবিড় ক্রিকেট থেকে রিটায়ারমেন্টের পর থেকে গত কয়েক বছরে ইয়ুথ নিয়ে কাজ করেছেন... শ্রেয়াস আইয়্যার, পৃথ্বী শ, স্যামসন, গিল, মাভি, যশশ্বী'দের মতো প্লেয়ার তুলে দিয়েছেন টিমে, আরো দিতে থাকবেন অনাগত দিনে। এই প্লেয়ারগুলো আইপিএল, রঞ্জি, দুলীপ, বিলেটেরাল, ট্রাই নেশন সিরিজে পারফর্ম করেও ওয়ার্ল্ডকাপ স্কোয়াডে চান্স পায় না।

ওরা একের পর এক প্লেয়ার তুলবে, আমরা তাকিয়ে দেখবো।

ধোনী'র স্কুল টিমের গোলকিপার থেকে উইকেট কিপার হবার গল্প সবার জানা, কি পরিমাণ স্ট্রাগল করে তাকে টিমে ঢুকতে হয়েছে... সেটা এখন গোটা বিশ্ব জানে। বিরাট কোহলি একের পর এক পারফর্ম করার পরও স্টেট লেবেলের টিমে খেলার জন্য তার বাবার কাছে ঘুষ চেয়েছিলেন এক কর্মকর্তা। বিরাটের বাবা ঘুষ দেন নি... বলেছিলেন, "সিলেকশন হলে এমনিতেই হবে। আর না হলে প্রয়োজন নেই।"
ফলে বিরাটের টিমে সিলেকশন হয় নি। বিরাট ভেঙ্গে না পড়ে এতোই বেশি ফোকাসড হয়ে রান করা শুরু করেছিলেন, তাকে আর আটকে রাখা যায় নি। সেই বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও মাঠে নেমে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন বিরাট। একশ কোটি মানুষের দেশের টিমের ১২ জনের ১ জন হওয়ার মূল্য বুঝেছিলেন বলেই নিজেকে ট্রান্সফর্ম করে ঘন্টার পর ঘন্টা ট্রেনিং এর পিছনে ব্যয় করে হয়ে উঠেছেন আজকের বিরাট। এটাই প্রফেশনালিজম, গেইমের প্রতি ডেডিকেশন।

দেশপ্রেম শব্দটার সাথে দায়িত্ব জুড়ে থাকে, ক্রিকেটারদের দেশপ্রেমিক হতে হবে... এই ধরণের দাবি করার কোন প্রয়োজন নেই, করবেন না। ক্রিকেটাররা বেতন এবং কন্ট্রাক্টভুক্ত কর্মচারী।
এই কর্মচারীদের শুধু প্রফেশনাল হলেই চলে।

আইসিসি টুর্নামেন্টে একে ওকে সুবিধা দিচ্ছে, এই স্টুপিড রব না তুলে নিজেদের ঘরোয়া ক্রিকেটে, আম্পায়ারিং এ, সিলেকশন এ কেনো বছরের পর বছর ফিক্সিং হচ্ছে... সেটা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেন। বোর্ড কেনো ৯০০ কোটি টাকা হাতে নিয়েও কোথাও একটা পাওয়ার হোল্ড বানাতে পারছে না, কেনো বিপিএল একটা জঘন্য টুর্নামেন্ট হিসেবে চলছে.... সেই প্রশ্ন তুলেন।

আগামী বিশ্বকাপে আশা করি আর অন্যের আবর্জনা ঘেঁটে স্বান্তনা পেতে হবে না।

Sleep Aid Device10000 takaশারীরিক থেরাপির সরঞ্জাম অনিদ্রা ঘুমের সাহায্যকারী ডিভাইস ক্র্যানিয়াল ইলেক্ট্রোথেরাপি উদ্দীপনা...
28/08/2022

Sleep Aid Device
10000 taka
শারীরিক থেরাপির সরঞ্জাম অনিদ্রা ঘুমের সাহায্যকারী ডিভাইস ক্র্যানিয়াল ইলেক্ট্রোথেরাপি উদ্দীপনা চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্র

সাবধান
21/08/2022

সাবধান

04/08/2022

কিছু অবাক করা তথ্যঃ

১. আপনার পাকস্থলী ভীত👉 যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

২. আপনার কিডনি আতঙ্কিত👉 যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৩. আপনার গলব্লাডার ভীত 👉 যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত 👉 যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত 👉 যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

৬. ফুসফুস তখন ভীত 👉 যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

৭. লিভার ভীত 👉 যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

৮. হৃদপিন্ড ভীত 👉 যখন আপনি বেশি লবন এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত 👉 যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত 👉 যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন। এবং

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত 👉 যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন এবং তাদের আতঙ্কিত করবেন না। কারণ এই সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না। অতএব, নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গসমূহকে সুস্থ রাখুন।
Collected

18/07/2022
প্রকৃতির কাছে মানুষ কতো অসহায়। 😭😭😭😭১৯৮৫ সালের ‘ আরমেরো  ট্র্যাজেডি’ বিশ্ববাসীর মনে বিশেষ দাগ কেটেছিল। প্রকৃতির কোপে পড়...
14/07/2022

প্রকৃতির কাছে মানুষ কতো অসহায়। 😭😭😭😭

১৯৮৫ সালের ‘ আরমেরো ট্র্যাজেডি’ বিশ্ববাসীর মনে বিশেষ দাগ কেটেছিল। প্রকৃতির কোপে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় কলম্বিয়ার নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী একাধিক গ্রাম। তবে এর থেকেও মর্মান্তিক ছিল এই ঘটনায় ১৩ বছর বয়সি ওমায়রা সানচেজ গারজন নামে এক স্থানীয় কিশোরীর মৃত্যু। এই মৃত্যুতে নিজেদের সামলে রাখতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা। এমনকি এই ঘটনা যারা পড়েছেন বা শুনেছেন, চোখ ভিজে গিয়েছে তাঁদেরও।
১ /২৩
১৯৮৫ সালের ‘ আরমেরো ট্র্যাজেডি’ বিশ্ববাসীর মনে বিশেষ দাগ কেটেছিল। প্রকৃতির কোপে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় কলম্বিয়ার নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী একাধিক গ্রাম। তবে এর থেকেও মর্মান্তিক ছিল এই ঘটনায় ১৩ বছর বয়সি ওমায়রা সানচেজ গারজন নামে এক স্থানীয় কিশোরীর মৃত্যু। এই মৃত্যুতে নিজেদের সামলে রাখতে পারেননি প্রত্যক্ষদর্শীরা। এমনকি এই ঘটনা যারা পড়েছেন বা শুনেছেন, চোখ ভিজে গিয়েছে তাঁদেরও।

Advertisement

৬৯ বছর শান্ত থাকার পরে ১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর কলম্বিয়ার নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হয়। দুর্যোগের দু’মাস আগে সতর্কবার্তা পাওয়া সত্ত্বেও, সে দেশের সরকার আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি বাসরত জনগণকে সরিয়ে নিতে এবং সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে আশপাশের ১৩টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২ /২৩
৬৯ বছর শান্ত থাকার পরে ১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর কলম্বিয়ার নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হয়। দুর্যোগের দু’মাস আগে সতর্কবার্তা পাওয়া সত্ত্বেও, সে দেশের সরকার আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি বাসরত জনগণকে সরিয়ে নিতে এবং সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে আশপাশের ১৩টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল আরমোরো শহর। এই শহরের সেই সময় মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২৯ হাজার। তার মধ্যে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ অগ্ন্যুৎপাতের কারণে মারা যান।
৩ /২৩
তবে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল আরমোরো শহর। এই শহরের সেই সময় মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২৯ হাজার। তার মধ্যে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ অগ্ন্যুৎপাতের কারণে মারা যান।

Advertisement

১৩ নভেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। পুরো এলাকা ঢেকে যায় আগ্নেয়গিরির গরম ছাই এবং লাভার পরতে। তবে শুধু মাত্র লাভার কারণে যে এত প্রাণ গিয়েছিল, তা নয়।
৪ /২৩
১৩ নভেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। পুরো এলাকা ঢেকে যায় আগ্নেয়গিরির গরম ছাই এবং লাভার পরতে। তবে শুধু মাত্র লাভার কারণে যে এত প্রাণ গিয়েছিল, তা নয়।

যখন নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে গরম লাভা বেরোনো শুরু হয়, তখন নিকটবর্তী হিমবাহ গলে জল সমতলের দিকে গড়িয়ে আসে। এই জল নদীর তীরের পাথর এবং মাটির সঙ্গে মিশে সমতল এলাকায় বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। আগ্নেয়গিরির গরম লাভার সঙ্গে তুষারগলা জল এবং কাদার মিশ্রণ পরিচিত ‘লাহার’ নামে।
৫ /২৩
যখন নেভাদো দেল রুইজ আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে গরম লাভা বেরোনো শুরু হয়, তখন নিকটবর্তী হিমবাহ গলে জল সমতলের দিকে গড়িয়ে আসে। এই জল নদীর তীরের পাথর এবং মাটির সঙ্গে মিশে সমতল এলাকায় বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। আগ্নেয়গিরির গরম লাভার সঙ্গে তুষারগলা জল এবং কাদার মিশ্রণ পরিচিত ‘লাহার’ নামে।

Advertisement

রাস্তায় থাকা সব গাছ ও গাড়ি তুলে নিয়ে ঘণ্টায় ১৩ মাইল বেগে সমতলে আছড়ে পড়ে লাহার। লাহারের স্রোত প্রবেশ করে টলিমার আরমেরো শহরেও। আরমেরোর প্রায় ৭০ শতাংশ বাসিন্দা লাহারের কবলে পড়ে মারা যান। এই ঘটনাই ‘আরমেরো ট্র্যাজেডি’ হিসাবে পরিচিত।
৬ /২৩
রাস্তায় থাকা সব গাছ ও গাড়ি তুলে নিয়ে ঘণ্টায় ১৩ মাইল বেগে সমতলে আছড়ে পড়ে লাহার। লাহারের স্রোত প্রবেশ করে টলিমার আরমেরো শহরেও। আরমেরোর প্রায় ৭০ শতাংশ বাসিন্দা লাহারের কবলে পড়ে মারা যান। এই ঘটনাই ‘আরমেরো ট্র্যাজেডি’ হিসাবে পরিচিত।

কলম্বিয়ান মেয়ে ওমায়রা ১৯৭২ সালের ২৮ আগস্ট জন্মগ্রহণ করে। তার বাবা আলভারো এনরিক এবং মা মারিয়া আলেদা। স্থানীয় একটি স্কুলে পড়াশোনা করত ওমায়রা। স্কুলে এক জন মেধাবী ছাত্রী হিসেবেই পরিচিত ছিল ওমায়রা।
৭ /২৩
কলম্বিয়ান মেয়ে ওমায়রা ১৯৭২ সালের ২৮ আগস্ট জন্মগ্রহণ করে। তার বাবা আলভারো এনরিক এবং মা মারিয়া আলেদা। স্থানীয় একটি স্কুলে পড়াশোনা করত ওমায়রা। স্কুলে এক জন মেধাবী ছাত্রী হিসেবেই পরিচিত ছিল ওমায়রা।

যে রাতে লাহার আরমেরোতে আঘাত হানে, সেই রাতে ওমায়রা তার বাবা, ভাই এবং পিসির সঙ্গে বাড়িতেই ছিল। মা ব্যবসার কারণে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটাতে ছিলেন।
৮ /২৩
যে রাতে লাহার আরমেরোতে আঘাত হানে, সেই রাতে ওমায়রা তার বাবা, ভাই এবং পিসির সঙ্গে বাড়িতেই ছিল। মা ব্যবসার কারণে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটাতে ছিলেন।

লাহারের স্রোত যখন তাদের বাড়িতে আঘাত হানে, তখন বাড়ির বাকি সদস্যদের সঙ্গে ওমায়রাও ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়ে।
৯ /২৩
লাহারের স্রোত যখন তাদের বাড়িতে আঘাত হানে, তখন বাড়ির বাকি সদস্যদের সঙ্গে ওমায়রাও ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়ে।

ঘটনার কয়েক ঘন্টা পরে উদ্ধারকারী এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওমায়রাদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যা দেখে, তা দেখে তারাও মর্মাহত হয়ে পড়ে।
১০ /২৩
ঘটনার কয়েক ঘন্টা পরে উদ্ধারকারী এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওমায়রাদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যা দেখে, তা দেখে তারাও মর্মাহত হয়ে পড়ে।

উদ্ধারকারীরা দেখেন, ওমায়রা কোনও রকমে তার হাত জলকাদার উপরে তুলে রয়েছে। উদ্ধারকারীদের দেখেই হাত তুলে সে জানান দেয় যে, সে তখনও জীবিত রয়েছে।
১১ /২৩
উদ্ধারকারীরা দেখেন, ওমায়রা কোনও রকমে তার হাত জলকাদার উপরে তুলে রয়েছে। উদ্ধারকারীদের দেখেই হাত তুলে সে জানান দেয় যে, সে তখনও জীবিত রয়েছে।

উদ্ধারকারীরা ওমায়রাকে সাহায্য জন্য ছুটে এলেও খুব শীঘ্রই বুঝতে পারেন, তাকে উদ্ধার করা অত সহজ নয়।
১২ /২৩
উদ্ধারকারীরা ওমায়রাকে সাহায্য জন্য ছুটে এলেও খুব শীঘ্রই বুঝতে পারেন, তাকে উদ্ধার করা অত সহজ নয়।

উদ্ধারকারীরা বুঝতে পারেন, ওমায়রার কোমর থেকে নীচের অংশ জলের তলায় থাকা কংক্রিটের নীচে চাপা পড়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা অনেক চেষ্টার পর ওমায়রার শরীরের উপরের অংশকে যতটা সম্ভব কংক্রিটের বাঁধন থেকে মুক্ত করেন।
১৩ /২৩
উদ্ধারকারীরা বুঝতে পারেন, ওমায়রার কোমর থেকে নীচের অংশ জলের তলায় থাকা কংক্রিটের নীচে চাপা পড়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা অনেক চেষ্টার পর ওমায়রার শরীরের উপরের অংশকে যতটা সম্ভব কংক্রিটের বাঁধন থেকে মুক্ত করেন।

কংক্রিট থেকে ছোট্ট ওমায়রাকে মুক্ত করার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম উদ্ধারকারীদের কাছে ছিল না। ওমায়রার শরীর জলের মধ্যে ভাসিয়ে রাখতে উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা তার শরীরের চারপাশে কাঠের মঞ্চ তৈরি করেন। তার শরীরে একটি টায়ারও লাগানো হয়।
১৪ /২৩
কংক্রিট থেকে ছোট্ট ওমায়রাকে মুক্ত করার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম উদ্ধারকারীদের কাছে ছিল না। ওমায়রার শরীর জলের মধ্যে ভাসিয়ে রাখতে উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা তার শরীরের চারপাশে কাঠের মঞ্চ তৈরি করেন। তার শরীরে একটি টায়ারও লাগানো হয়।

ডুবুরিরাও জলের তলায় গিয়ে ওমায়রার শরীর ধ্বংসস্তূপ থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা দেখেন, ওমায়রার পা বেঁকে গিয়েছে এবং তার পা দু’টি ইটের দেয়ালের নীচে আটকা পড়েছে। তার পা না কেটে তাকে সম্পূর্ণ ভাবে মুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও বুঝতে পারেন উদ্ধারকারীরা।
১৫ /২৩
ডুবুরিরাও জলের তলায় গিয়ে ওমায়রার শরীর ধ্বংসস্তূপ থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা দেখেন, ওমায়রার পা বেঁকে গিয়েছে এবং তার পা দু’টি ইটের দেয়ালের নীচে আটকা পড়েছে। তার পা না কেটে তাকে সম্পূর্ণ ভাবে মুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও বুঝতে পারেন উদ্ধারকারীরা।

ওমায়রাকে উদ্ধার করার পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন সে জার্মান সাংবাদিক সান্তা মারিয়া ব্যারাগানের সঙ্গে কথা বলে। মারিয়ার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি সে গান গেয়ে, লজেন্স খেয়ে এবং সোডা পান করে নিজেকে উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা করে।
১৬ /২৩
ওমায়রাকে উদ্ধার করার পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন সে জার্মান সাংবাদিক সান্তা মারিয়া ব্যারাগানের সঙ্গে কথা বলে। মারিয়ার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি সে গান গেয়ে, লজেন্স খেয়ে এবং সোডা পান করে নিজেকে উজ্জীবিত রাখার চেষ্টা করে।

তবে আটকা পড়ার দ্বিতীয় দিনে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হতে শুরু করে ওমায়রা। তৃতীয় দিনে ভুল বকতেও শুরু করে সে। বারংবার বলতে থাকে একটাই কথা— ‘‘আমি স্কুলে দেরি করে পৌঁছাতে চাই না।’’ এমনকি স্কুলে আসন্ন গণিত পরীক্ষার কথাও উল্লেখ করে সে।
১৭ /২৩
তবে আটকা পড়ার দ্বিতীয় দিনে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হতে শুরু করে ওমায়রা। তৃতীয় দিনে ভুল বকতেও শুরু করে সে। বারংবার বলতে থাকে একটাই কথা— ‘‘আমি স্কুলে দেরি করে পৌঁছাতে চাই না।’’ এমনকি স্কুলে আসন্ন গণিত পরীক্ষার কথাও উল্লেখ করে সে।

জল এবং ধ্বংসস্তূপের চাপে ওমায়রার চোখ প্রথমে লাল এবং ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে। চিকিৎসকেরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে থাকেন।
১৮ /২৩
জল এবং ধ্বংসস্তূপের চাপে ওমায়রার চোখ প্রথমে লাল এবং ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে। চিকিৎসকেরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে থাকেন।

ওমায়রার অঙ্গচ্ছেদ করে নিরাপদ ভাবে তাকে মুক্ত করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সেই মুহূর্তে চিকিৎসকদের কাছেও ছিল না। সময় আরও গড়ালে যন্ত্রণায় কাতরাতে শুরু করে ওমায়রা। অনেক চেষ্টার পরও যখন উদ্ধারকারী এবং চিকিৎসকেরা তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে, ওমায়রাকে শান্ত রাখা এবং তাকে মরতে দেওয়াই হবে সব থেকে মানবিক কাজ।
১৯ /২৩
ওমায়রার অঙ্গচ্ছেদ করে নিরাপদ ভাবে তাকে মুক্ত করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সেই মুহূর্তে চিকিৎসকদের কাছেও ছিল না। সময় আরও গড়ালে যন্ত্রণায় কাতরাতে শুরু করে ওমায়রা। অনেক চেষ্টার পরও যখন উদ্ধারকারী এবং চিকিৎসকেরা তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে, ওমায়রাকে শান্ত রাখা এবং তাকে মরতে দেওয়াই হবে সব থেকে মানবিক কাজ।

উদ্ধারকারীরা মনে করেন, ওমায়রাকে উদ্ধারের জন্য আরও টানাহ্যাঁচড়া করলে তার কষ্ট বাড়বে বই কমবে না। তাই ওমায়রাকে আশ্বস্ত করতে শুরু করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনগণ।
২০ /২৩
উদ্ধারকারীরা মনে করেন, ওমায়রাকে উদ্ধারের জন্য আরও টানাহ্যাঁচড়া করলে তার কষ্ট বাড়বে বই কমবে না। তাই ওমায়রাকে আশ্বস্ত করতে শুরু করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনগণ।

৬০ ঘণ্টা জলের তলায় আটকে থাকার পর গ্যাংগ্রিন এবং হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ওমায়রা।
২১ /২৩
৬০ ঘণ্টা জলের তলায় আটকে থাকার পর গ্যাংগ্রিন এবং হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ওমায়রা।

ওমায়রা মারা যাবার কয়েক ঘণ্টা আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফোটোগ্রাফার ফ্রাঙ্ক ফোর্নিয়ার। ওমায়রার বেশ কিছু ছবিও তোলেন তিনি। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসার পর এই ছবিগুলি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন ফেলে।
২২ /২৩
ওমায়রা মারা যাবার কয়েক ঘণ্টা আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফোটোগ্রাফার ফ্রাঙ্ক ফোর্নিয়ার। ওমায়রার বেশ কিছু ছবিও তোলেন তিনি। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসার পর এই ছবিগুলি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন ফেলে।

ফ্রাঙ্কের তোলা ওমায়রার কিছু ছবি ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফোটো অব দ্য ইয়ার’-এর তালিকায় নাম তোলে। এই ছবিগুলির মাধ্যমে কলম্বিয়ার সরকারের ব্যর্থতার কথা সারা বিশ্বের কাছে উঠে আসে। দিকে দিকে কলম্বিয়া সরকারে।

জন্মবিরতি করন জেলসর্বপ্রথম নাভানা ফার্মা  নিয়ে এলো(Available stock)
05/07/2022

জন্মবিরতি করন জেল
সর্বপ্রথম নাভানা ফার্মা নিয়ে এলো(Available stock)

Address

Chittagong
4030

Telephone

+8801670408785

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CTG pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to CTG pharmacy:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram