Vaccine Plus

Vaccine Plus Prevention is better than cure. So, we provide vaccine that keep you safe from various diseases.

26/05/2026

রোটাভাইরাস ডায়রিয়া

বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ

আপনি জানেন কি?

বাংলাদেশে প্রতিবছর রোটাভাইরাস ডায়রিয়ার কারণে প্রায় ১০,০০০ শিশুর মৃত্যু হয়।

৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সী শিশু এ রোগে বেশী আক্রান্ত হয় এবং জন্মের পর প্রথম ৩ বছরের মধ্যে সকল শিশু কমপক্ষে ১বার এ রোগে আক্রান্ত হয়।

কিভাবে শিশুরা রোটাভাইরাস এ আক্রান্ত হয়?

১) রোটাভাইরাস প্রধানত মূখ গহ্বর দিয়ে খাদ্যনালীতে প্রবেশ করে।

২) সাধারণত সংক্রমিত পানি, খাবার, খেলনা,এমনকি বিভিন্ন আসবাবপত্র থেকেও এই রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে।

রোটাভাইরাস আক্রান্ত হলে কি হয় ?

রোটাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ১- ৩ দিনের মধ্যে এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়:

১)জ্বর ও বমি, এর পর ধীরে ধীরে পানির মত ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা । খুব কম সময়ের মধ্যে ডায়রিয়া তীব্র আকার ধারণ করে এবং পানি শূন্যতা এত বেশি হয় যে, শিশু খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক সময় শিশুকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় এমনকি শিশুর মৃত্যু ও হতে পারে ।

২)এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুর ক্ষুধামন্দা,পেটব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দেখা যায়। লক্ষণগুলো সাধারণত ৫ - ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

রোটাভাইরাস ডায়রিয়ার এর চিকিৎসা কি?

পানিশূন্যতা পূরণ করার জন্য ঘন ঘন খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।শিশুর পানিশূন্যতা বেশি হলে এবং মুখে স্যালাইন না খেতে পারলে হাসপাতালে বা ক্লিনিকে ভর্তি করে শিরাপথে স্যালাইন দিয়ে পানিশূন্যতা পূরণ করতে হবে। অন্যান্য লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে হবে।

রোটাভাইরাস ডায়রিয়া কিভাবে প্রতিরোধ সম্ভব ?

১) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন, আপনার শিশু যে সমস্ত জিনিসপত্র ব্যবহার করে সেগুলো সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
২)শিশু যে সমস্ত খেলনা নিয়ে খেলা করে, তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং আপনার হাত, এমনকি খাবার তৈরি করার স্থান সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
৩)স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।
৪)শিশুকে রোটাভাইরাসের টিকা খাওয়ানো।

আপনার বাচ্চাকে ৮ মাসের মধ্যে রোটাভাইরাস এর টিকা দিন এবং রোটাভাইরাস ডায়রিয়া হতে রক্ষা করুন।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
"ভ্যাকসিন প্লাস"
০১৬৩০-৬৪ ৯৯ ৫৪
সি.এস.সি.আর হাসপাতাল এর পাশে,
ও.আর.নিজাম রোড,প্রবর্তক মোড়,চট্টগ্রাম।

11/05/2026

হাম (Measles) প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো সময়মতো এমএমআর (MMR) টিকা গ্রহণ। শিশুদের ৯-১২ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস থেকে ৪-৬ বছর বয়সের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ দিয়ে ৯৭% পর্যন্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
হাম প্রতিরোধের কার্যকর উপায়গুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
১. টিকাদান (Vaccination) - প্রধান উপায়
MMR ভ্যাকসিন: হাম-মাম্পস-রুবেলা (MMR) টিকা হামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর।
শিশুদের টিকা: সাধারণত ৯-১২ মাসে প্রথম ডোজ এবং ১২-১৫ মাস বা ৪-৬ বছর বয়সের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা: যারা ছোটবেলায় টিকা নেননি বা হামে আক্রান্ত হননি, তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিন নিতে পারেন।
ভ্রমণের আগে: যারা হামের প্রাদুর্ভাব আছে এমন এলাকায় ভ্রমণ করছেন, তাদের সম্পূর্ণ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে।

২. সংক্রামক ব্যক্তিকে আলাদা রাখা (Isolation)
আলাদা রাখা: হামের র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ৫ দিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে হবে।
সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা: আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসপত্র (যেমন- খাবার, পানীয়) থেকে ভাইরাস ছড়ায়, তাই এগুলো শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

৩. স্বাস্থ্যবিধি ও প্রতিরোধমূলক সতর্কতা
হাত ধোয়া: সাবান এবং পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে খাবার খাওয়ার আগে বা মুখ স্পর্শ করার আগে।
মাস্ক ব্যবহার: আক্রান্ত ব্যক্তির আশেপাশে থাকলে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জায়গা বা আসবাবপত্র জীবানুমুক্ত করতে হবে।

৪. পুষ্টি ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
ভিটামিন-এ: হাম হলে বা প্রতিরোধে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়ালে জটিলতা কমে।
তরল খাবার: প্রচুর পানি ও পুষ্টিকর তরল খাবার খাও�

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষি...
08/04/2026

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

হামের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে অনুগ্রহ করে নিচের আচরণগুলো মেনে চলুন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই তথ্যগুলো শেয়ার করুন এবং তাদেরও এসব আচরণ মেনে চলতে উৎসাহিত করুন। 👇



*বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন

"ভ্যাকসিন প্লাস"
সি.এস.সি.আর হাসপাতাল এর পাশে,
ও.আর.নিজাম রোড,প্রবর্তক মোড়,চট্টগ্রাম।

📜 ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন: স্বাধীনতার প্রথম অগ্নিস্ফুলিঙ্গ 🇧🇩🔥১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষার লড়াই ছিল...
21/02/2026

📜 ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন: স্বাধীনতার প্রথম অগ্নিস্ফুলিঙ্গ 🇧🇩🔥

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষার লড়াই ছিল না—এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথচলার প্রথম সুদৃঢ় ভিত্তি। এই আন্দোলন বাঙালি জাতিকে প্রথমবারের মতো শাসন, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ করে তোলে।

🔹 ভাষা থেকে জাতিসত্তার জন্ম
পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে বাংলাভাষী মানুষের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়ে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি বুঝে যায়—নিজের ভাষা, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষা না করলে টিকে থাকা অসম্ভব। এখান থেকেই জন্ম নেয় বাঙালি জাতিসত্তার চেতনা।

🔹 শহীদের রক্তে প্রতিবাদের সাহস
২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ শহীদদের রক্ত বাঙালিকে শিখিয়ে দেয়—অধিকার আদায়ের জন্য আত্মত্যাগই সবচেয়ে বড় শক্তি। এই আত্মত্যাগ ভবিষ্যতের সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।

🔹 রাজনৈতিক চেতনার বিস্ফোরণ
ভাষা আন্দোলনের পরই পূর্ব বাংলায় গণতান্ত্রিক অধিকার, স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্র হয়। ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান—সব কিছুর মূল প্রেরণা ছিল ভাষা আন্দোলনের চেতনা।

🔹 স্বাধীনতার বীজ বপন
ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে বুঝিয়ে দেয়—নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই নির্ধারণ করবে। এই উপলব্ধিই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত রূপ নেয়। তাই বলা হয়, ১৯৫২ না হলে ১৯৭১ আসতো না।

✨ ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে—ভাষা শুধু কথা বলার মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির আত্মা।

🇧🇩 এই আত্মার শক্তিতেই জন্ম নিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ।

#ভাষা_আন্দোলন #২১ফেব্রুয়ারি #বাংলা_ভাষা #জাতিসত্তা #বাংলাদেশ #স্বাধীনতার_পথ

🇧🇩 ১৬ ডিসেম্বর – মহান বিজয় দিবস 🇧🇩রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগে পাওয়া লাল-সবুজের পতাকা। আজ সেই...
16/12/2025

🇧🇩 ১৬ ডিসেম্বর – মহান বিজয় দিবস 🇧🇩

রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগে পাওয়া লাল-সবুজের পতাকা। আজ সেই গর্বের দিন— বাংলাদেশের বিজয়ের দিন।

“শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি জাতির সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি
'বাংলাদেশ' নামের একটি ঠিকানা।

আমরা তোমাদের ভুলবো না...”

গর্বিত আমি, গর্বিত আমরা—স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক।

✨ মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ✨

🙏"ভ্যাকসিন প্লাস"🙏

জলাতঙ্ক (Rabies) একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বাদুড়সহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা ...
08/12/2025

জলাতঙ্ক (Rabies) একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বাদুড়সহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়ায়।

---

🧬 জলাতঙ্কের কারণ:

জলাতঙ্ক রোগ Rabies virus নামক একটি ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে, যা Lyssavirus গোত্রের অন্তর্গত।

---

😷 রোগ ছড়ানোর উপায়:

আক্রান্ত প্রাণীর কামড় বা আঁচড় (বিশেষ করে যদি ত্বক কেটে রক্ত বের হয়)

আক্রান্ত প্রাণীর লালা চোখ, মুখ বা কাটা জায়গায় লাগলে

খুব কম হলেও বাদুড়ের কামড় থেকেও হতে পারে

---

⚠️ লক্ষণসমূহ:

জলাতঙ্কের লক্ষণ সাধারণত কামড়ের ১ থেকে ৩ মাস পরে দেখা দেয়, তবে এটি সপ্তাহখানেকের মধ্যেও শুরু হতে পারে।

প্রাথমিক লক্ষণ:

জ্বর, মাথাব্যথা

কামড়ের জায়গায় চুলকানি, জ্বালা

অগ্রসর লক্ষণ:

অতিরিক্ত উত্তেজনা বা ভয়

পানির প্রতি ভয় (Hydrophobia)

আলো বা বাতাসের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা

পেশি খিঁচুনি

কথা জড়ানো, বিভ্রান্তি

অবচেতনতা → মৃত্যু

---

💀 জলাতঙ্ক কি মরনঘাতী?

হ্যাঁ, একবার লক্ষণ দেখা দিলে জলাতঙ্ক প্রায় শতভাগ মৃত্যুর কারণ হয়। তাই এটি প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

---

💉 প্রতিরোধ ও চিকিৎসা:

১. কামড়ের পর প্রাথমিক করণীয়:

কামড়ের স্থান ১৫ মিনিট ধরে সাবান ও পানি দিয়ে ধুতে হবে

পরে অ্যান্টিসেপ্টিক লাগানো যেতে পারে

২. টিকা (Vaccine):

কামড়ের পর দ্রুত Rabies Vaccine দেওয়া প্রয়োজন

গুরুতর কামড় হলে Rabies Immunoglobulin (RIG)-ও দেওয়া হয়

৩. প্রতিরোধমূলক টিকা:

কুকুর পোষার আগে বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় থাকলে প্রতিরোধমূলক টিকা নেওয়া যায়

---

🐶 জলাতঙ্ক প্রতিরোধে করণীয়:

পোষা প্রাণীকে নিয়মিত টিকা দেওয়া

অজানা বা বন্য প্রাণী থেকে দূরে থাকা

কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া

🦟 শিশুদের ওপর মশার কয়েলের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকিশিশুর ফুসফুস এখনো পুরোপুরি গঠিত নয়, তাই কয়েলের ধোঁয়া তাদের দেহে বেশি ক...
24/11/2025

🦟 শিশুদের ওপর মশার কয়েলের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকি

শিশুর ফুসফুস এখনো পুরোপুরি গঠিত নয়, তাই কয়েলের ধোঁয়া তাদের দেহে বেশি ক্ষতি করে।

১️⃣ শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা

বারবার সর্দি–কাশি

হাঁপানির ঝুঁকি বৃদ্ধি

শ্বাসকষ্ট—ফুসফুসের বিকাশ ব্যাহত

২️⃣ অ্যালার্জি ও চুলকানি

চোখ জ্বালা

নাক বন্ধ

ত্বকে অ্যালার্জি

৩️⃣ নিউরোলজিক্যাল প্রভাব (Brain development)

কয়েলে থাকা পারমেথ্রিন ও ধোঁয়ার রাসায়নিক দীর্ঘ সময় শ্বাসের মাধ্যমে গেলে

মাথাব্যথা

মনোযোগ কমে যাওয়া

বিরক্তি ও ঘুমের সমস্যা হতে পারে

৪️⃣ দীর্ঘমেয়াদি ক্যান্সারের ঝুঁকি

কয়েলের ধোঁয়ায় বেঞ্জিন ও PAH জাতীয় ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে (বিশেষ করে বন্ধ রুমে ব্যবহার করলে)।

---

🛡️ শিশুদের নিরাপদে মশা নিয়ন্ত্রণের উপায়

✔ মশারি (সবচেয়ে নিরাপদ)
✔ মশা প্রতিরোধী নেট বা জানালায় জালি
✔ রুম পরিষ্কার রাখা, পানি জমতে না দেওয়া
✔ কয়েল ব্যবহার করলে অবশ্যই শিশু থাকা রুমে ব্যবহার করবেন না
✔ লিকুইড ভেপারাইজারও শিশুদের কাছে কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ—দূরে রেখে বাতাস চলাচল রাখুন

#শিশুস্বাস্থ্য #মশারকয়েলেরক্ষতি
#প্যারেন্টিংটিপস

#শিশুর_নিরাপত্তা

একটা ফলেই যখন থাকে ভিটামিন C, আয়রন, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট—তখন বুঝে নিতে হবে, সেটি কোনো সাধারণ ফল ...
14/11/2025

একটা ফলেই যখন থাকে ভিটামিন C, আয়রন, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট—তখন বুঝে নিতে হবে, সেটি কোনো সাধারণ ফল নয়—এটি হল ড্রাগন ফল। ড্রাগন ফল বিশ্বব্যাপী পুষ্টির পাওয়ার হাউসের জন্য জনপ্রিয়।

পুষ্টির পাওয়ার হাউজ বলার কারণ হলো—সুমিষ্ট ফলগুলোর মধ্যে একমাত্র ড্রাগন ফলেই লো ক্যালোরি ও হাই ফাইবারের পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আর এমন নিখুঁত সমন্বয় খুব কম ফলেই দেখা যায়।

ড্রাগন ফলের যতগুণঃ–

✅ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টঃ শরীরের কোষগুলিকে ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
✅ ভিটামিন C: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
✅ আয়রনঃ রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং শরীরের কোষে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে।
✅ ফাইবারঃ হজম প্রক্রিয়া মসৃণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
✅ প্রিবায়োটিকঃ অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্ম ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
✅ ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডঃ ফলের বীজে থাকা এই উপাদান দুটি হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
✅ ম্যাগনেসিয়ামঃ হাড় মজবুত রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখে।

তাই, ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করতে এবং রোগ বালাই থেকে সুরক্ষিত থাকতে আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন সুপারফুড ড্রাগন ফল !


মেয়েদের জন্য প্রয়োজনীয় টিকাগুলো হল টিটি (টিটেনাস) টিকা, যা ১৫ বছর বয়স থেকে শুরু করে নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ৫ বা...
13/11/2025

মেয়েদের জন্য প্রয়োজনীয় টিকাগুলো হল টিটি (টিটেনাস) টিকা, যা ১৫ বছর বয়স থেকে শুরু করে নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ৫ বার নিতে হয়। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় টিটি, টিড্যাপ এবং হেপাটাইটিস-বি টিকা এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে HPV (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস) টিকা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণ টিকা:

টিটি (টিটেনাস) টিকা: ১৫ বছর বয়স থেকে শুরু করে ৫টি ডোজ নিতে হয়।

১ম ডোজ: ১৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর বা গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাস থেকে।

২য় ডোজ: প্রথম ডোজের ৪ সপ্তাহ পর।

৩য় ডোজ: দ্বিতীয় ডোজের ৬ মাস পর বা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।

চতুর্থ ডোজ: তৃতীয় ডোজের ১ বছর পর।

পঞ্চম ডোজ: চতুর্থ ডোজের ১ বছর পর।

গর্ভাবস্থায় জরুরি টিকা:

১.টিটি (টিটেনাস) টিকা:

গর্ভবতী অবস্থায় নবজাতককে ধনুষ্টঙ্কার থেকে রক্ষা করার জন্য এই টিকা জরুরি।

২.টিড্যাপ (Tdap) টিকা:

এটি টিটেনাস, ডিপথেরিয়া এবং পারটুসিস (হুপিং কাশি) প্রতিরোধ করে এবং গর্ভাবস্থার ২৭ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে নেওয়া উচিত।

৩.হেপাটাইটিস-বি টিকা:

গর্ভধারণের আগেই এই টিকার ৩টি ডোজ নেওয়া জরুরি।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টিকা:

এইচপিভি (HPV) টিকা: এটি জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

টিকা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

"ভ্যাকসিন প্লাস"
সি.এস.সি.আর হাসপাতাল এর পাশে,
ও.আর.নিজাম রোড,প্রবর্তক মোড়,চট্টগ্রাম।

12/11/2025

"১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস।

মৌসুম পরিবর্তন মানেই নিউমোনিয়ার বাড়তি ঝুঁকি! সতর্ক থাকুন!

আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে ঠান্ডা-গরমের তারতম্য, ধুলাবালি ও ভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যায়, যা ফ্লু ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগী ও ফুসফুসের রোগীদের জন্য এটি হতে পারে মারাত্মক!

এই সময়ে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি কেন?
-আবহাওয়া পরিবর্তনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
-ফ্লু ভাইরাস ফুসফুসকে দুর্বল করে দেয়, যা নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়
এই সময় কী করবেন?
-নিউমোনিয়া ভ্যাকসিন নিন – এটি সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়
-ধুলাবালি এড়িয়ে চলুন ও মাস্ক পরুন

সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন! আজই নিউমোনিয়া ভ্যাকসিন নিন!

*বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
*"ভ্যাকসিন প্লাস"*
সি.এস.সি.আর হাসপাতাল এর পাশে,
ও.আর.নিজাম রোড,প্রবর্তক মোড়,চট্টগ্রাম।

Address

Middle Side Of CSCR & Rupali Bank Ltd. 1287, 2nd Floor, O. R. Nizam Road
Chittagong
4203

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vaccine Plus posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share