আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম

  • Home
  • আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম

আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম, Alternative & holistic health service, .

বদনজর, যাদুটোনা, জিনের আছর, ওয়াসওয়াসা/শুচিবাই, স্বামী-স্ত্রীর বিভিন্ন সমস্যা, বাচ্চা না হওয়া, বিবাহে বাঁধা, বাচ্চাদের সমস্যা, বাসার বা ঘরের বিভিন্ন সমস্যা, হিজামা সহ যেকোনো অস্বাভাবিক অসুস্থতার শরঈ তথা কুরআনিক চিকিৎসালয়।

01/11/2025

ইমাম মুহাম্মদ মুতাওয়াল্লি আশ-শারাওয়ী (রহ.) এক বিরল রেকর্ডকৃত আলোচনায় যাদু ভাঙার দোয়া সম্পর্কে বলেন —
সত্যিকার অর্থে যাদু কারও ক্ষতি করতে পারে না, যদি না আল্লাহ তাআলা নিজে তা অনুমতি দেন।

তিনি আল্লাহ তাআলার এই বাণী তাফসির করতে গিয়ে বলেনঃ

> “وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ ۚ وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ”
(সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১০২)

অর্থাৎ,

তারা (মানুষ) তাদের কাছ থেকে এমন কিছু শিখত যার দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। কিন্তু তারা কারও ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।
শায়খ আশ-শারাওয়ী (রহ.) বলেন—
মানুষ যখন এসব শেখে ও করে, তখন প্রশ্ন আসে, আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের এসব ক্ষতি থেকে কিভাবে রক্ষা করেন?
উত্তর হলো— যখন তুমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবে যে, কেউ তোমাকে ক্ষতি করতে পারবে না যদি আল্লাহ না চান, তখন কোনো জাদুকর, শয়তান বা মানুষই তোমার কিছু করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন—

যদি তুমি এই বিশ্বাস হারাও এবং তাদের উপর নির্ভর করো (যাদুকর, ঝাড়ফুঁকওয়ালা প্রভৃতি), তখন আল্লাহ তাআলা তোমাকে তাদের হাতে ছেড়ে দেন, যেন তুমি বুঝে যাও যে প্রকৃত শক্তি কেবল তাঁরই।

অতএব, শারাওয়ী (রহ.) বলেন, যাদু ভাঙার সবচেয়ে বড় দোয়া ও সুরক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও আস্থা।
এবং তিনি এই দোয়া পড়তে বলেনঃ

"حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ"
“আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি, এবং তিনিই মহান আরশের প্রভু।”
(সূরা আত-তাওবা: ১২৯)

➡️ এই আয়াত প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় সাতবার করে পড়লে, ইনশাআল্লাহ, জাদু, হিংসা, বদনজর ও শয়তানের সব ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা পাওয়া যায়।

26/06/2025

অনেক্ষণ দেখলাম,,চোখ দিয়ে পানি পড়ছে...

25/06/2025

একজন সাহাবীর রাতে ঠিকমতো ঘুম হতো না!

তিনি ঘুমানোর অনেক চেষ্টা করতেন, অনেক দুআ পড়তেন। তবুও তাঁর ঘুম আসতো না। তাঁর নাম ছিলো যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু; বিখ্যাত ওহী লেখক সাহাবী। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে গিয়ে তাঁর অনিদ্রার কথা জানান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ যায়িদ ইবনে সাবিতকে একটি দুআ শিখিয়ে দিলেন।

দুআটি হলো- “আল্লাহুম্মা গারাতিন নুজুমু, ওয়া হাদাআতিল উয়ুনু, ওয়া আনতা হাইয়ুন কাইয়ুমুন, লা তা'খুযু কা ছিনাতুন ওয়ালা নাওম। ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু, আহদি' লাইলি ওয়া আনিম আইনি।” (তাবরানী: ৪৮১৭)

যার অর্থ হলো- “হে আল্লাহ! আকাশের তারাগুলো নিভে যাচ্ছে, কিন্তু আমার চোখ এখনো জাগ্রত। আর আপনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, ঘুম বা তন্দ্রা আপনাকে পরাভূত করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আমার রাতকে প্রশান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম এনে দিন।”

কী সুন্দর দুআ!

এই দুআর আমল করার পর যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর অনিদ্রা সমস্যা কেটে যায়।

আরেকবার বিখ্যাত সাহাবী খালিদ ইবনে ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহুও রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে যান একই সমস্যা নিয়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকেও একটি দুআ শিখিয়ে দেন। (জামে আত-তিরমিজি: ৩৫২৩)

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩০% মানুষের ঘুমে সমস্যা হয়, ঠিকমতো ঘুম হয় না!

ঘুম হলো আল্লাহর দেয়া একটি নেয়ামত, এটা রিজিক। আমরা রিজিক বলতে শুধুমাত্র খাবারকেই মনে করি। আসলে তা না। খাবার, টাকা-পয়সা হলো রিজিকের অনেকগুলো ভাগের মধ্যে একটি ভাগ। এর বাইরেও অনেক রিজিক আছে যেগুলোকে আমরা ‘রিজিক’ মনে করি না!

আপনার টাকা, বাড়ি, গাড়ি, খাবার সবই আছে। কিন্তু, ঠিকমতো ঘুম হয় না। ঘুমের ওষুধ খেতে হয় বা ঘুমের ওষুধ খেয়েও ঘুম আসে না। তাহলে আপনিই জানেন এই সমস্যা কতো জটিল, কতো কষ্টের। অনিদ্রা মানুষের সুখ কেড়ে নেয়, মানুষের মেজাজ নষ্ট করে।

অনিদ্রার অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হলো জিন-যাদু সংক্রান্ত সমস্যা। জিনের আছর বা যাদুর লক্ষণের মধ্যে অন্যতম একটি লক্ষণ হলো রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া, একেবারে শেষ রাতে ঘুম আসা, ঘুমালেই দুঃস্বপ্ন দেখা।

এজন্য ঘুমের আগে অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। চোখে ঘুম আসলো আর ঘুমিয়ে গেলেন এমনটা মুমিনের কাজ না।

ঘুমের আগে ৫-৭টি ছোটো ছোটো আমল আছে। যেগুলো করতে মাত্র ১০ মিনিট লাগে।

বেশিরভাগ মানুষ এই ব্যাপারে সচেতন না। যার ফলে ঘুম না আসলে ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, একসময় ওষুধও কাজে আসে না!

ঘুমের আগে যা যা করতে পারে:

১. ওজু করে ঘুমালে ফেরেশতা আপনার হেফাজতের জন্য দুআ করবে। (সহীহ বুখারী: ২৪৭)

২. বিছানা ঝাড়ু দিতে হবে এবং ঘুমের পূর্বে 'আল্লাহুম্মা বিসমিকা...' দুআটি পড়তে হবে। ডানপাশ হয়ে ঘুমাতে হবে। এটা সুন্নাত। (সহীহ বুখারী: ৬৩২০, ৬৩২৪)

৩. আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমালে সকাল পর্যন্ত জিন, শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না। (সহীহ বুখারী: ২৩১১)

৪. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত 'আমানার রাসুলূহ...' পড়লে এটা আপনার জন্য যথেষ্ট। (সহীহ বুখারী: ৫০০৯)

৫. সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিতে হবে। (সহীহ বুখারী: ৫০১৭)

ইনশাআল্লাহ!! আমিন 🤲

22/06/2025

আজকের রুকইয়াহ সফর চট্টগ্রাম শহরে...

21/06/2025

ChatGPT কে জিজ্ঞেস করলাম রুকইয়াহ কী?
জবাবে যা এসেছে খুব সুন্দর দেখি-

ChatGPT said:

রুকইয়াহ (رقية) হলো কুরআন, দোয়া এবং সহিহ হাদীস থেকে নেওয়া নির্দিষ্ট আয়াত বা বাক্য ব্যবহার করে চিকিৎসা বা সুরক্ষা চাওয়ার একটি ইসলামি পদ্ধতি। এটি সাধারণত জিন, শয়তান, নজর লাগা (evil eye), যাদু বা কোনো অদৃশ্য ক্ষতি থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে করা হয়।

🕋 রুকইয়াহ দুই ধরনের হতে পারে:

রুকইয়াহ শারইয়াহ (شرعية) – কুরআন ও হাদীস ভিত্তিক বৈধ রুকইয়াহ, যেমন:

সূরা ফাতিহা

আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারাহ ২:২৫৫)

সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস

“আউধু বিখালিমাতিল্লাহি তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক” (সহিহ মুসলিম)

রুকইয়াহ শিরকিয়া (شرکية) – যে রুকইয়াহতে কুফরি, যাদু, তাবিজ, বা জিনের সাহায্য চাওয়া হয়, তা ইসলাম অনুযায়ী হারাম।

🧕 কবে রুকইয়াহ করা হয়?

কারো শরীরে হঠাৎ অসামান্য ব্যথা বা অসুস্থতা দেখা দিলে

দুঃস্বপ্ন, অশান্তি, আতঙ্ক, বা ঘুমের ব্যাঘাত হলে

ঘর বা পরিবেশে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে

নজর লাগা বা যাদুর সম্ভাবনা থাকলে

✅ রুকইয়াহ করার নিয়ম:

বিশুদ্ধ নিয়তে করা উচিত

নিজেই নিজের উপর রুকইয়াহ পড়া উত্তম

দোয়া ও আয়াত মুখে পড়া এবং পানি/তেলে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করা যায়

🌿 উদাহরণস্বরূপ রুকইয়াহ আয়াত:

সূরা ফালাক ও সূরা নাস – প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিনবার করে পড়া সুন্নাহ।

রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ বা সাহায্য পেতে আমার আইডি এবং গ্রুপের সাথে এড থাকতে পারেন। ধন্যবাদ

Mahfuz Chowdhury

রুকইয়াহ পরামর্শ - Ruqyah Consults

রাতে শুয়ে শুয়ে ফেসবুক চালাচ্ছিলাম!🙃অপরপাশ থেকে দেখি বউ আমার দিকে তাকিয়ে আছে।😒বিয়ের সবে মাত্র ৭ দিন হলো।বউকে বললাম তুমি ক...
19/06/2025

রাতে শুয়ে শুয়ে ফেসবুক চালাচ্ছিলাম!🙃
অপরপাশ থেকে দেখি বউ আমার দিকে তাকিয়ে আছে।😒
বিয়ের সবে মাত্র ৭ দিন হলো।
বউকে বললাম তুমি কি ফেসবুক চালাও?
বউ- হ্যাঁ অনেক আগে থেকেই চালাই।

আমার ফোনটা তার হাতে দিয়ে বললাম তোমার আইডি সার্চ দিয়ে বের করো দুজনে ফ্রেন্ড হই তারপর Got a Married ষ্ট্যাটাস দেই।😊

ওরে সর্বনাস,, ফ্রেন্ড হতে গিয়ে দেখি আমরা ২০১৫ সাল থেকে একে অপরের ফ্রেন্ড লিষ্টে আছি। এ দেখে বউ আমার দিকে আমি বউয়ের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। আমি বললাম যাইহোক বাদ দাও মাঝে মাঝে হয় এরকম।😐

"অথচ বাসর রাতে তার কাছে কতো ভালোই না সাজলাম"। সালার ইমেজটাই নষ্ট হয়ে গেলো। আর রিলেশনশিপ ষ্ট্যাটাস দেওয়া হলো না। বউয়ের মনটা কেমন জানি খারাপ হয়ে গেলো, জানিনা কেন! দুজনেই ঘুমিয়ে গেলাম।😜

বিকেলে ফ্রেন্ডদের সাথে গেলাম আড্ডা দিতে। তাদের সাথে গল্প করছি সিগারেট খাচ্ছি আর ফেসবুক নিউজফিড স্ক্রল করতেছি, এর মধ্যেই ম্যাসেঞ্জারে পটাং শব্দে চ্যাট হ্যাডে চোখ পড়তেই দেখলাম বউয়ের ম্যাসেজ🙄

বলতেছে, কোথায় আছো বাসায় আসবা কখন? রিপ্লাই দিলাম একটু পরেই আসতেছি।
রাতে খাওয়া দাওয়ার পর শুয়ে দুজনে গল্প করতেছি আর অনুভব করতেছি বউয়ের মনটা কেমন জানি ভারী ভারী লাগতেছে। 😴

আমি জিগাইলাম কি হইছে?
বউ তার ফোন টা আমার হাতে দিয়ে বলল এসব কি?😒

ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি টিনের চালে কাক আমিতো অবাক। ২০১৫ সালে তারে ম্যাসেঞ্জারে অনেক ম্যাসেজ দিয়েছিলাম পটানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম সব ম্যাসেজ দেখাচ্ছে।😥

অথচ তার সাথে যাবতীয় ম্যাসেজ এর Conversation আমার ওখানে থেকে সেই কবেই ডিলেট করেছিলাম আমার নিজেরই কিছু মনে নাই।
বউ আমার হাত থেকে আমার ফোন টা নিয়ে ম্যাসেঞ্জার ঘাটাঘাটি শুরু করে দিলো😔

১ ঘন্টা পর কিছু না পেয়ে বলে আমার সাথে যেমন কথা বলার সব Conversation ডিলেট করে দিয়েছো, বিয়ের আগে আরো যতো মাইয়ার সাথে Conversation ছিলো সব ডিলেট করে দিয়েছো?😒

এই বলে ফোন টা আমার দিকে ছুঁড়ে মা'রে আর ফোন টা আমার নাকে এসে লাগে, অনুভব করলাম নাকে কিছু বের হচ্ছে হাত দিয়ে মুছে লাইট জ্বালিয়ে দেখি🙄

প্রচুর র'ক্ত বের হচ্ছে র'*ক্ত দেখে আমি আগে থেকেই ভয় পাই, র'ক্ত দেখা মাত্রই আল্লাহ গো বলে চিৎকার করে উঠে বসে পড়ি।😓

আমার চি*ৎকার শুনে রুমমেট ৩ জন লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে বলে কি হইছে কি হইছে?
এ দুঃস্বপ্নের কথা কি আর রুমমেট কে বলা যায়!😐
আই এম তো হতাশ 🥴

Page: Taobah—التوبه

আমাদের হিজামা থেরাপিস্ট চট্টগ্রামের শিডিউলে আছেন আজকে...
18/06/2025

আমাদের হিজামা থেরাপিস্ট চট্টগ্রামের শিডিউলে আছেন আজকে...

পত্রিকায় দেখলাম একজন অভিনেত্রী নিজের ফেইসবুকে যাদুটোনায় আক্রান্ত থাকার কথা লিখেছেন। এরকম অসংখ্য রোগী তো আমাদের চেম্বারে ...
12/06/2025

পত্রিকায় দেখলাম একজন অভিনেত্রী নিজের ফেইসবুকে যাদুটোনায় আক্রান্ত থাকার কথা লিখেছেন। এরকম অসংখ্য রোগী তো আমাদের চেম্বারে আসে চিকিৎসার জন্য। প্রত্যেক রোগের কিছু সিমটম থাকে। যেমন জ্বর উঠার সিমটম হলো শরীর গরম, শীতশীত ভাব, খাবারে অরুচি ঠিক যাদু টোনা এটিও একটা রোগ যেটি মানুষেরা শত্রুতাবশত করে থাকে। এটিতে আক্রান্ত হলেও কিছু সিমটম বাহ্যিকভাবে দেখা যায়। কমেন্টে একটি লিংক দিয়ে রাখলাম। কারো প্রয়োজন হলে দেখে নিতে পারেন।

স্বপ্নকে অনেকে পাত্তা দেয় না...নিজ মন মতো ব্যাখ্যা করে দেয়...আবার কেউ কেউ ব্যাখ্যার জন্য অধীর আগ্রহ দেখায় এবং যার তার কা...
09/06/2025

স্বপ্নকে অনেকে পাত্তা দেয় না...নিজ মন মতো ব্যাখ্যা করে দেয়...আবার কেউ কেউ ব্যাখ্যার জন্য অধীর আগ্রহ দেখায় এবং যার তার কাছে স্বপ্ন বলে বেড়ায়..তাদের জন্য সতর্কতা

إِذَا رُؤْيَا الرُّؤْيَا فَإِنَّهَا تَعْلَقُ بِرِجْلِ طَائِرٍ، فَإِنْ عُبِّرَتْ وَقَعَتْ، وَإِنْ لَمْ تُعْبَّرْ لَمْ تَقَعْ.

বাংলা অনুবাদ:
"যখন কোনো স্বপ্ন দেখা হয়, তখন তা একটি পাখির পায়ে ঝুলন্ত থাকে। যদি এর ব্যাখ্যা করা হয়, তাহলে তা বাস্তবে পরিণত হয়; আর যদি এর ব্যাখ্যা না করা হয়, তবে তা বাস্তবায়িত হয় না।"
— [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নম্বর: 5020]

Collected frm- Sunnah Cure

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন। খালু-ফ...
01/04/2025

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন। খালু-ফুপা-চাচা-মামা এবং চাচাতো-মামাতো-ফুফাতো-খালাতো ভাইবোনেরা একত্রিত হন। এ ছাড়াও নানারকম নিকট-দূরের অনেক আত্মীয়স্বজন আমাদের বাসায় বেড়াতে আসেন, আমরাও যাই। এ-সময় ঘুমানোর জায়গা নিয়েও অনেক পরিবারে সংকট দেখা যায়। স্থান সংকুলান না করতে পেরে ছেলেমেয়েদেরকে অনেক সময় আমরা এমন মানুষদের সাথে ঘুমাতে দিয়ে থাকি, যেটা ইসলামি মূল্যবোধের সাথে যায় না। মেহমানদের আপ্যায়ন, নানারকম ব্যস্ততার কারণে ছেলেমেয়েরা কোথায় থাকে, তার খোঁজ রাখতে মায়েরা ভুলে যান। আর এই সুযোগেই অনেক সময় আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনে ঘটে যায় অনেক ভয়াবহ ঘটনা।

দাম্পত্য ও পারিবারিক কাউন্সেলিংয়ের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে আমার। আমি প্রফেশনাল কাউন্সেলর নই, নিজের জানাশোনা লোকদের মধ্যে অনেক সময় অনেকে এসেছেন কাউন্সেলিংয়ের জন্য। আমার যতটুকু জ্ঞানবুদ্ধি আল্লাহ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি।

আজ তেমনই একটা কাউন্সেলিংয়ের ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

বেশ অনেক বছর আগের কথা। এক ভদ্রলোক আমাকে ইনবক্স করেছেন, তিনি আমার সাথে দেখা করতে চান। পারিবারিক বিষয়ে তার পরামর্শ প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে না-চেনার কারণে সাক্ষাতে আগ্রহবোধ করছিলাম না। তিনি জানালেন—বিষয়টি খুবই মানবিক এবং তাকে একজন নির্ভরযোগ্য লোক আমার সাথে এ নিয়ে পরামর্শ করতে বলেছে।

পারিপার্শ্বিক নানা পরিস্থিতির কারণে আমি তারপরও সাক্ষাতের ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখালে তিনি সমস্যার কথা ইনবক্সেই বললেন। সমস্যা হলো তিনি তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চান। মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। শেষবারের মতো তিনি একটু বুঝতে চান; আর এজন্যই আমার শরণাপন্ন হয়েছেন। একটি সংসার রক্ষা করার কথা চিন্তা করে অবশেষে তাকে অফিসে আসতে বললাম।

ডিভোর্সের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, বিছানায় যেতে চাইলেই তার স্ত্রী রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। কিছুতেই তাকে শান্ত করা যায় না। এরপর এক পর্যায়ে অপ্রকৃতস্থ হয়ে পড়েন। তখন কাউকে সহ্য করতে পারেন না—বিশেষ করে পুরুষ কাউকে। মারাত্মকরকম অস্বাভাবিক আচরণ করেন।

আমি তার কাছে জানতে চাইলাম—এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন। তিনি খুব নির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারলেন না। তবে পরিবারের অন্যান্যরা বলে—তার স্ত্রীর নাকি অন্য কারও সাথে রিলেশন আছে, তার কাছ থেকে ডিভোর্স নেওয়ার জন্য এসব অভিনয় করে। আর স্ত্রীর পরিবার থেকে কে নাকি বলেছে তার ‘উপরি ভাব’; অর্থাৎ জিনের আছর আছে। কারণ যা-ই হোক, বেচারা স্বামীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। নতুন বিয়ে করে কোথায় একটু সুখ-আনন্দ করবে, তার তো উপায় নাই-ই, উলটো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। তবে ভদ্রলোক নিজে এর কোনোটায় বিশ্বাস করেন বলে মনে হলো না; বরং স্ত্রীর প্রতি তিনি যথেষ্ট আন্তরিক, তবে পরিস্থিতি এতটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে যে, তিনি একরকম অসহায় বোধ করছেন।

আমি তাকে আরেকটু ধৈর্য ধরতে বললাম। বললাম আপনি ডিভোর্স দিলে তো যেকোনো সময়েই দিতে পারবেন, তবে তার এ-আচরণের কারণ উদ্‌ঘাটন না করে যদি ডিভোর্স দেন, তা বোকামি হবে। কারণ উদ্‌ঘাটন করে যদি দেখেন তা সমাধান সম্ভব, তাহলে সমাধানের চেষ্টা করেন আর যদি সমাধানের অযোগ্য হয়, তাহলে আপনি তখন যা খুশি, সিদ্ধান্ত নিয়েন। পরামর্শ দিলাম স্ত্রীর বাবা-মা, ভাইবোন কারও সাথে একান্তে বসে তাদের থেকে জানতে চেষ্টা করুন এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে কি না!

কিছুদিন পর ভদ্রলোক আবার এলেন। তিনি জানালেন যে এবার তিনি কারণ উদ্ধার করতে পেরেছেন। কারণটা হলো, তার স্ত্রী কিশোরী বয়সে তাদের বাসায় বেড়াতে আসা এক দূর সম্পর্কের মামা বা চাচা টাইপের এক আত্মীয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। তাদের বাসার লোকজন তেমন ধর্ম-কর্ম করতেন না, পর্দা-পুশিদার ধার ধারতেন না। দশ-এগারো বছর বয়স। বাচ্চা মেয়ে। ‘আরে উনি তো তোমার মামা লাগেন, এখানেই ঘুমাও, কী হবে!’ এভাবে নাকি একই রুমে ঘুমাতে দিয়েছিলেন বাবা মা।

সেই দুর্ঘটনা তার কিশোরী মনে এত গভীর রেখাপাত করেছিল যে, এখন তার জীবনটাই ধ্বংসের মুখে। যখন তার স্বামী তার কাছে আসতে চায়, তখন তার মানসপটে কৈশোরের সেই ভয়ংকর দৃশ্য ভেসে ওঠে। তার স্বামীকে সে তখন চিনতে পারে না, মনে হয় সেই ধর্ষক তার দিকে এগিয়ে আসছে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করে বাঁচতে। সে চিৎকার করে ওঠে। দৌড় দেয়। ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর প্রলাপ বকতে থাকে।

একটু অসচেতনতা, একটু অসতর্কতা, একটি ঘটনা। আজ একজন পুরুষের, একজন নারীর ও দুটি পরিবারের জীবন এমন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যা থেকে কোনো দিন উত্তরণ হবে কিনা, কেউ জানে না।

আহ! বাবা, মা! কেন মহান স্রষ্টা মানুষকে বাবা-মা বানিয়েছেন! কেন মানবপ্রজন্ম রক্ষার জন্য এই নিয়ম দিয়েছেন? তিনি চাইলে তো আকাশ থেকে মানুষ বৃষ্টি করতে পারতেন। তিনি চাইলে মাটি থেকে গাছের মতো মানুষ গজাতে পারতেন। তিনি চাইলে নদী থেকে মাছের মতো জলজ্যান্ত মানুষ উঠে আসত; কিন্তু মানুষ তো মানুষ। সৃষ্টির সেরা জীব। তার জন্ম, প্রতিপালন, আচার-ব্যবহার, আদব-কায়দা, নিরাপত্তা, আবাসন তো সৃষ্টির সেরা জীবের মতই হওয়া চাই।

আপনি কেমন বাবা-মা হলেন, আপনার যে সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়া ছিল আপনার দায়িত্ব, আপনি তাকে ধর্ষিতা হওয়ার জন্য তুলে দিলেন অন্যের বিছানায়!

আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষও আছেন; যারা নিজেরা নামাজ-কালাম করেন, অনেক মহিলা আছেন; যারা বাইরে যাওয়ার সময় যথারীতি মুখ-ঢাকা বোরকা পরে যান; কিন্তু ঘর-বাড়িতে পর্দার ব্যাপারে মোটেই সচেতন নন। চাচাত, মামাত আর পাড়াত ভাই-বোনদের সাথে এমনভাবে চলেন, যেন তারা পর্দার হুকুমের বাইরে।

মনে রাখবেন, রাস্তার একজন মানুষ হঠাৎ এসে আপনার মেয়ের ওপর, আপনার ছেলের ওপর চড়াও হবে না। যারা আপনার বাড়িতে থাকে কিংবা আসা-যাওয়া করে, তাদের দ্বারাই এ-ধরণের অঘটন ঘটার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি; অথচ বাইরে বেরোবার সময় সাতপাট্টা পরে বের হলেও বাড়ি-ঘরে নারী-পুরুষদের পৃথকীকরণ ও পর্দার ব্যাপারে আমরা সবচে বেশি উদাসীন।

প্রত্যেক মানুষের একটি পাবলিক চেহারা আছে, যেটা সবাই প্রকাশ করে। এখানে কেউই নিজেকে খারাপভাবে প্রকাশ করে না। নিজের চারিত্রিক, নৈতিক যত খারাপ দোষ আছে, তার ওপর অনেকগুলো পর্দা ঝুলিয়ে তা ঢেকে রাখে। নিজে যতটুকু ভালো, তার চেয়ে অনেক বেশি ভালো সাজিয়ে নিজেকে প্রকাশ করে। এ-কারণে আমাদের মনে আমাদের চারপাশের মানুষদের সম্পর্কে একটা সাধারণ নিষ্পাপ ধারণা থাকে। আরে ও আমাদের অমুক, আরে এ তো আমাদের...।

বিশেষত ভাইবোনের ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে। তাদের প্রতি যেহেতু একটা সন্তানসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, তাই তাদেরকে আমরা স্বতন্ত্র একটি ছেলে বা মেয়ে, একজন নারী বা পুরুষ হিসেবে মূল্যায়ন করে উঠতে পারি না। এভাবে আমরা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিই। আসলে আমরা মানুষদেরকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে চিনি না। সঠিকভাবে কেবল তিনিই চেনেন; যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি তাদের জীবন পরিচালনার জন্য যে নিয়ম দিয়েছেন, তা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। আর আমরা যে এভাবে হালকাভাবে দেখিয়ে নিজেদেরকে ভালো মানুষ সাজাতে চাই, এটাও আসলে ভালো মানুষ সাজানো নয়।

আমরা মনে করি—আহ! আমার বোনের ছেলেকে, ভাইয়ের ছেলেকে যদি ভেতরঘরে ঢুকতে নিষেধ করি, ড্রয়িংরুমে বসিয়ে রাখি, তাহলে তারা মাইন্ড করবে, আমার ভাইবোনেরা মনে কষ্ট পাবে। পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে যদি ঘরে অবাধে প্রবেশ করতে না-দেওয়া হয়, তারা মনে মনে ক্ষিপ্ত হবে।

আমাদের মেয়েদের ক্ষতি হবার চিন্তা করে আমরা তাদেরকে পর্দার মধ্যে না লুকালেও সেই একই লোকেরা যখন আমাদের বাড়িতে আসে, আমরা আমাদের টাকাপয়সা, সোনাদানা ও মূল্যবান জিনিসপত্র কিন্তু ঠিকই লুকিয়ে রাখি। তখন আমরা ঈমান রক্ষার ব্যাপারে সচেতন হয়ে যাই। বলি, মাল যায় যার ঈমান যায় তার। কিন্তু আমাদের ইজ্জত, আমাদের মেয়েদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হলে আমাদের ঈমান যায় না!

যে লোকদের ওপর আপনি সামান্য টাকাপয়সার ব্যাপারে আস্থা রাখলেন না, আপনার অমূল্য সম্পদ কন্যাটির ব্যাপারে তাদেরকে কীভাবে ফেরেশতা ভাবলেন? অথচ অর্থের প্রতি লোভের চেয়ে নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণের মাত্রা অনেক বেশিই থাকে।

পর্দার ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নিলে যে বহিরাগতদের সাথে পরিবারের লোকদের অবাধ মেলামেশা বাধাগ্রস্ত হয়, তারা অনেক সময় এমন কথা নিয়ে উপস্থিত হন যে, এর দ্বারা তাদেরকে অপমান করা হয়েছে। তারা বোঝাতে চান যে, তাদেরকে এর দ্বারা চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, তাহলে একই ব্যক্তি যখন তার টাকাপয়সা সোনাদানা সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে রাখেন, তখন কি আপনারা আপনাদেরকে চোর সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে অপমান বোধ করেন? করেন না; অথচ ওটা করলে এটা মনে করাও যৌক্তিক ছিল!

আসলে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে যেসব সাবধানতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার উদ্দেশ্য প্রত্যেক ব্যক্তিকে অপরাধী মনে করা নয়। আপনি বাইরে গেলে আপনার ঘরে তালা দিয়ে যান—এর অর্থ আপনার প্রতিবেশীরা সব চোর তা নয়। আপনার বাড়িতে ঘরের টাকাপয়সা, সোনাদানা বিশেষভাবে আলমারি সিন্দুকে লুকিয়ে রাখেন—এর অর্থ এই নয় যে, আপনার বাড়িতে আগত মেহমানরা সবাই চোর!

যে-কারণে তারপরও আমরা এসব সতর্ক থাকি তা হলো, আমরা তো সবাইকে নিশ্চিতভাবে চিনি না, কারও একটু হাতটানের স্বভাব থাকতে পারে। কারও চুরির স্বভাব থাকতেও পারে। আর এ-ধরনের লোকেরা যদি অরক্ষিত কিছু পায়, তা নিয়ে যেতেও পারে। একইভাবে পর্দা-ব্যবস্থা গ্রহণ করা দ্বারা সবাইকে চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয় না। তবে অবাধ মেলামেশা হলে নারী-পুরুষের কারও সাথে কারও অনৈতিক কিছু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে ওঠে।

তাই আপনার প্রাণপ্রিয় কন্যাটির ব্যাপারে, ছেলেটির ব্যাপারে আরও একটু সচেতন হোন। আপনি তার অভিভাবক। তার নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার। আপনার সামান্য অবহেলা তার গোটা জীবনটাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

আপনি কি তা চান?

লিখেছেন, আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক
প্রধান সম্পাদক, সিয়ান পাবলিকেশন

সিয়ান । বিশুদ্ধ জ্ঞান । বিশ্বমান

 #কুরআন_সুন্নাহ_অনুযায়ী_নিজের_চিকিৎসা_করুন_নিজেই #সরাসরি_সেল্প_রুকইয়াহ_কোর্সজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সমস্যা যথা- বদনজর, যা...
28/02/2025

#কুরআন_সুন্নাহ_অনুযায়ী_নিজের_চিকিৎসা_করুন_নিজেই

#সরাসরি_সেল্প_রুকইয়াহ_কোর্স

জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সমস্যা যথা- বদনজর, যাদুটোনা, কালো যাদু/ব্ল্যাক ম্যাজিক, তাবিজ কবজ, বান মারা, বশ করা, ওয়াসওয়াসা/সুচিবাই, জ্বিনের আছর, ইত্যাদি বিষয়ে আক্রান্ত না এরকম মানুষ খুবই কম।
এ দেশে হয়তো এমন একটা প্রাপ্তবয়স্ক লোকও পাওয়া যাবে না, যার নিজের পরিবার অথবা আত্মীয়স্বজনদের মাঝে কেউই এজাতীয় সমস্যায় ভুগছে না। আমার, আপনার চারপাশে এমন মানুষের অভাব নেই।

এদের দুনিয়া এবং আখিরাতের ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জন্য, এবিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও এজাতীয় ভয় ভীতি দূর করে এগুলোর স্বাভাবিক জ্ঞানার্জনে সহায়তা করার জন্য, প্রচলিত তাবিজ কবজ, কুফরি ও শিরকি কবিরাজি নির্মূল করে নিজেই কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা গ্রহণ করা এবং পরিবার পরিজন কে সহায়তা করতে পারার জন্য আমরা চালু করতে যাচ্ছি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সেই সুন্নাহ সম্মত চিকিৎসা তথা 'রুকইয়াহ শারঈয়্যাহ' কোর্স। এটি সরাসরি হবে, অনলাইনে না।

🔊কোর্সটি মুসলিম যে কেউ করতে পারবেন। মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড শর্ত না।

✒️এই কোর্স টি করে আপনি শিখতে পারবেন কী করে নিজের এবং পরিবার পরিজনদের রুকইয়াহ চিকিৎসা করা যায়। যেমন-
✅ কোনো সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করার কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক পদ্ধতি ও পরিত্রাণের উপায়
✅ রুকইয়াহ পরিচিতি, কী, কেন এবং কিভাবে করে
✅ বদনজরে আক্রান্ত হলে তা চিহ্নিত করে কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা
✅ বাচ্চাদের বদনজর, পশুপাখির উপর বদনজর ও এর চিকিৎসা
✅ জাদুটোনায় আক্রান্ত হলে তা চিহ্নিত করে কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা, যাদুর বিভিন্ন প্রকার যথা- অসুস্থতার জাদু, বিবাহ বন্ধের জাদু, বিচ্ছেদের জাদু, অনিয়মিত মাসিকের জাদু, বাচ্চা না হওয়ার জাদু, পাগলামির জাদু, আসক্ত করার জাদু, অদৃশ্য আওয়াজের জাদু, সহবাসে অক্ষমতার জাদু, অলসতার জাদু, বিষন্নতার জাদু, পেটের জাদু, ছিটানো জাদু, নজর বন্দী জাদু, কবরের জাদু, ঝুলন্ত জাদু, স্বপ্নে খাওয়ানো জাদু, পড়ালেখা নষ্টের জাদু, দরিদ্রতার জাদু, চেঁহেরার সৌন্দর্য নষ্টের জাদু, বারবার করা জাদু ইত্যাদির চিকিৎসা
✅ জাদুর গিঁট নষ্টের রুকইয়াহ
✅ ‌স্বামী-স্ত্রীর সমস্যায় রুকইয়াহ
✅ জ্বীনের আছরে আক্রান্ত হলে তা চিহ্নিত করে কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা
✅ ওয়াসওয়াসা বা শুচিবাই এর চিকিৎসা
✅ ‌ঘরের সমস্যায় রুকইয়াহ
✅ ‌নিজেকে এবং পরিবার কে সুরক্ষার কুরআন সুন্নাহ সম্মত উপায়
‌এছাড়াও আরো অনেককিছু জানতে পারবেন আমাদের এই কোর্সটিতে ইনশাআল্লাহ।

💠 কোর্স শেষে যা যা পাবেন-
১. প্র্যাকটিক্যাল রুকইয়াহ করে দেখানো
২. রুকইয়াহ সম্পর্কিত বই
৩. সারাজীবন রুকইয়াহ সম্পর্কিত যেকোনো সহযোগিতা

✒️কোর্স ইন্সট্রাক্টর হিসেবে থাকবেনঃ
মো: মাহফুজুর রহমান চৌধুরী Mahfuz Chy (personal FB id)
পরিচালক- সুন্নাহ লাইফ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার Sunnah Life (FB page)
সুপার, মিয়াজান শিকদার মোহাম্মাদিয়া মাদ্রাসা
খতিব, রমজান আলী চৌধুরী জামে মসজিদ।
সাথে আরো থাকছেন-
মাওলানা তারেক আদনান রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (FB id)

📕কোর্সের রেগুলার ফি: ৩৫০০/-
রমাদান উপলক্ষে ডিসকাউন্ট: ১০০০/-
কোর্সের বর্তমান ফি: ২৫০০/-

নোটঃ কোর্সে অংশগ্রহণ করার আগেই রেজিস্ট্রেশনের জন্য কমপক্ষে ৫০০/- টাকা এডভান্স দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বাকি টাকা কোর্সের দিন পেমেন্ট করে অংশগ্রহণ করা যাবে।

⏰কোর্সের সময়:
৮ এবং ৯ই মার্চ ২০২৫ (শনিবার, রবিবার)
দুই দিন ব্যাপি, প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত

📣বিঃদ্রঃ যারা কোনো কারনে কোর্স ফি এডভান্স দিয়েও অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না বা একদিন করে কোনো কারনে আরেকদিন করতে পারছেননা, তারা চাইলে পরবর্তী আমাদের অন্য কোনো কোর্সে ফি ছাড়াই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

🪙কোর্স ফি দেওয়ার মাধ্যম-
Ac No: 20504380200131614
Islami Bank Bangladesh lmtd
Nazirhat Branch
01817857179 (Bikash Personal & Nagad)

📌সেন্টারের লোকেশনঃ
হাজী ইউনুছ প্লাজা, পুরাতন বাস স্টেশন, কলেজ রোড, নাজিরহাট, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
মুছা সওদাগরের পেট্রোল পাম্পের সামনের বিল্ডিং।
গুগুল ম্যাপে লোকেশন: https://maps.app.goo.gl/HBhqPcxVqSJFJ3UH6

☎️ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন-
01817-857179 (মাহফুজ)
01606743874 (তারেক)

Address


Opening Hours

Monday 15:00 - 21:00
Tuesday 15:00 - 21:00
Wednesday 15:00 - 21:00
Thursday 15:00 - 21:00
Friday 16:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 13:00
15:00 - 21:00
Sunday 15:00 - 21:00

Telephone

+8801604943197

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share