Dr. Md Shah Alam

Dr. Md Shah Alam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md Shah Alam, Doctor, পার্কভিউ হসপিটাল, ৯৪/১০৩ কাতালগঞ্জ রোড, Chittagong.

নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস(ডিএমসি), বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এমডি(শিশু), এমএএপি(ইউএসএ)

নিয়মিত শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আপডেট পেতে পেজটি ফলো করুন।
আপনার শিশুর সুস্থতাই আমার অঙ্গীকার।

শিশু খেতে না চাইলে কি করবেন! সব মায়ের অভিযোগ আমার বাচ্চা কিছুই খায়না। খাবার না দিলে সারা দিন না খেয়েই থাকে। আবার জোর করে...
24/08/2025

শিশু খেতে না চাইলে কি করবেন!

সব মায়ের অভিযোগ আমার বাচ্চা কিছুই খায়না। খাবার না দিলে সারা দিন না খেয়েই থাকে। আবার জোর করে খাওয়ালে বমি করে দেয়।
বিশেষত ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মা–বাবারা এই সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শিশু শুধু বুকের দুধ খায়। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তি খাবার শুরু করা হয়।
এ সময় সঠিক নিয়মে খাবার না দিলে খাবারের প্রতি শিশুরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে বা অনীহা প্রকাশ করতে থাকে।
যেমন-
১। একই খাবার প্রতিদিন দেওয়া, এতে শিশু একঘেয়েমিতে ভোগে।
২। খাবারের ঘনত্ব ঠিক না থাকা। খুব বেশি তরল বা একদম ব্লেন্ড করা খাবার দিলে শিশু খাবারের স্বাদ পায় না।
৩। বুকের দুধের পরপর বাড়তি খাবার দেওয়া। শিশুদের পাকস্থলী আকারে বেশ ছোট, দুধই তাদের পেটের অনেকখানি ভরিয়ে ফেলে। তাই এ সময় বাড়তি খাবারটা খেতে পারে না।
৪। ঘন ঘন এক–দুই ঘণ্টা পরপরই খাবার দেওয়া। এতে শিশু খাবারটুকু হজমের সময় পায় না, অনেক সময় বমিও করে দেয়।
৫। ১ থেকে ২ বছরের শিশুরা সাধারণত দুরন্ত প্রকৃতির হয়। খাবারের চেয়ে খেলাধুলা ও চঞ্চলতা বেশি করে। তা ছাড়া এ বয়সে শিশুরা যদি চকলেট, চিপস, জুস—এ ধরনের বাইরের খাবারের অভ্যস্ত হয়ে যায়, তাহলে ঘরে তৈরি খাবার খেতে চায় না।

কী করবেন!

১. শিশুদের খাবারের একটি রুটিন তৈরি করুন।
২. খাবারের ঘনত্ব ঠিক রাখতে হবে।
খাবার পুরোপুরি ব্লেন্ড করে বা তরল করে দেওয়া যাবে না। আধা শক্ত খাবার শিশু কিছুটা চিবিয়ে খাবে। এতে খাবারের স্বাদ বুঝবে।
৩. ঘরের পরিবেশ সুস্থ ও শিশুবান্ধব রাখুন
শিশুকে ধৈর্য ধরে যত্ন ও স্নেহ–মমতার সঙ্গে খাওয়ান। সম্ভব হলে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বসিয়ে খাবার দিন। একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসিয়ে বিভিন্ন সুন্দর ও রংবেরঙের পাত্রে পরিবেশন করলে খাবারের প্রতি আগ্রহ বোধ করবে।
৪. খাবারের বৈচিত্র্য আনুন
প্রতিদিন একই উপাদান দিয়ে রান্না করা খিচুড়ি না দিয়ে ভিন্নভাবে দিন। ডিমও প্রতিদিন সেদ্ধ না দিয়ে ভেজে কিংবা পুডিং বানিয়ে দিন।
৫. খাবার রান্না ও পরিবেশনের সময় শিশুকে সঙ্গে রাখুন। একটু বড় হলে আঙুল দিয়ে ধরে খেতে পারে, এ ধরনের খাবারগুলো নিজের হাতে খেতে উৎসাহ দিন।

যা করবেন না!
১. বাচ্চাদের জোর করে, ভয় দেখিয়ে খাওয়াবেন না।
২. চকলেট, চিপস, আইসক্রিম, জুস দেবেন না। এসব রুচি নষ্ট করে এবং সহজেই পেট ভরিয়ে ফেলে, তখন ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খেতে চায় না।
৩. মোবাইল, টিভি ইত্যাদি যন্ত্রের সামনে বসিয়ে না খাওয়ানোই ভালো। এতে খাবারের প্রতি মনোযোগ না থাকায় কী খাচ্ছে, তা বুঝতে পারে না।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন!

১। শিশু খাওয়াদাওয়া করছে না, সেই সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়ছে, অপুষ্টির লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।
২। শিশু খেলাধুলার উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে।
৩। শিশু খাবার খাচ্ছে না। অন্যান্য উপসর্গ যেমন গলাব্যথা, বমি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি সমস্যা হচ্ছে।
৪। জিহ্বার ওপরে পুরু সাদা স্তর পড়ে গেছে, যা ছত্রাকের কারণে হতে পারে।
৫। খাওয়াদাওয়া না করার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর মানসিক বিকাশ, কথা বলা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

শিশুর জ্বর হলে করনীয় :জ্বর কি?জ্বর হল সংক্রমণের প্রতি শিশুর স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি অংশ। জ্বর নিজেই কোনও রোগ...
30/07/2025

শিশুর জ্বর হলে করনীয় :

জ্বর কি?

জ্বর হল সংক্রমণের প্রতি শিশুর স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি অংশ। জ্বর নিজেই কোনও রোগ নয় বরং বিভিন্ন অন্তর্নিহিত অবস্থার লক্ষণ, যেমন সংক্রমণ। সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাথে প্রায়শই তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি জড়িত। এই বর্ধিত তাপমাত্রা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসকে মেরে ফেলতে সাহায্য করতে পারে। যদিও জ্বর সাধারণত ক্ষতিকারক নয়, তবুও এটি আপনার শিশুকে অস্বস্তিকর করে তুলতে পারে এবং আরও গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

জ্বরের বিষয়ে কখন আপনার চিন্তা করা উচিত?

যদিও বেশিরভাগ জ্বর নিজে থেকেই সেরে যায়, তবুও এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যখন আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। এখানে কিছু সতর্কতামূলক বিষয় রয়েছে যা আপনার নজরে রাখা উচিত:

১. উচ্চ জ্বর (১০৩° ফারেনহাইটের উপরে):
যদি আপনার সন্তানের জ্বর ১০৩° ফারেনহাইটের বেশি হয়। উচ্চ জ্বর অস্বস্তির কারণ হতে পারে এবং পানিশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে, তাই তাপমাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

২. তিন দিনের বেশি জ্বর থাকা:
তিন দিনের বেশি সময় ধরে জ্বর থাকা উদ্বেগের কারণ। যদিও ভাইরাল সংক্রমণ কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী জ্বরের কারণ হতে পারে, তবে এ ক্ষেত্রে শিশুর গুরুতর অবস্থার সম্ভাবনা বাদ দেওয়ার জন্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

৩. তীব্র লক্ষণ সহ জ্বর:
যদি আপনার সন্তানের জ্বরের সাথে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলির মধ্যে কোনটি থাকে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে:

তীব্র মাথাব্যথা বা ক্রমাগত ব্যথা
ফুসকুড়ি যা দূর হয় না
শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
অবিরাম বমি বা ডায়রিয়া
তীব্র কানে ব্যথা
খিঁচুনি
ঘাড় শক্ত হওয়া বা আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা (এগুলি মেনিনজাইটিসের লক্ষণ হতে পারে)

এই লক্ষণগুলি আরও গুরুতর সংক্রমণ বা অসুস্থতার ইঙ্গিত দিতে পারে যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

৪. নবজাতক এবং খুব ছোট শিশুদের জ্বর ১০০.৪°F (৩৮°C) বা তার বেশি জ্বর হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন।

৫. দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর:
যদি আপনার সন্তানের দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থাকে, যেমন হৃদরোগ, হাঁপানি, বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ব্যাধি, তাহলে জ্বর আরও গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। যদি আপনার পূর্ব-বিদ্যমান অসুস্থতাযুক্ত শিশুর জ্বর হয় তবে সর্বদা আপনার শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

জ্বর হলে কি করবেন?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, জ্বর বাড়িতেই সহজ যত্নের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে:

১. প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার দিন:
জ্বর পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে, তাই আপনার শিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ, তরল খাবার, ডাবের পানি, জাউ ভাত, পরিষ্কার পানি, পরিষ্কার স্যুপ, অথবা ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন পান করতে উৎসাহিত করুন।

২. আপনার শিশুকে উপযুক্ত পোশাক পরান: আপনার শিশুকে হালকা সুতি কাপড়ের জামা পরান, যাতে ভেতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত হয়। দরজা-জানালা খুলে দেবেন, পাখা ছেড়ে দেবেন, যাতে বাতাস চলাচল করে এবং রুমের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে।

৩. শিশুর অতিরিক্ত জ্বর কমিয়ে আনতে জলশোষক তোয়ালে, কুসুম গরম পানিতে চুবিয়ে প্রথমে পা, বুক, পিঠ ও কপাল—এভাবে পর্যায়ক্রমে ১৫ থেকে ২০ মিনিট শরীর স্পঞ্জ করুন।

৪. জ্বর কমানোর ওষুধ দিন: অ্যাসিটামিনোফেন (প্যারাসিটামল) বা আইবুপ্রোফেন এর মতো ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ জ্বর কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে, আপনার শিশুকে কোনও ওষুধ দেওয়ার আগে সঠিক ডোজের জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

৫ . আপনার শিশু যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় তা নিশ্চিত করুন।

আপনার শিশুকে কি কি খাওয়াবেন:শিশুদের সঠিক পুষ্টির জন্য বয়স অনুযায়ী খাবার তালিকা অনুসরণ করা প্রয়োজন। ৬ মাস বয়স থেকে মা...
16/07/2025

আপনার শিশুকে কি কি খাওয়াবেন:

শিশুদের সঠিক পুষ্টির জন্য বয়স অনুযায়ী খাবার তালিকা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
৬ মাস বয়স থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দেয়া শুরু করা উচিত।
দুধের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুষ্টিকর ও শক্তিদায়ক খাবার, যা তাদের শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে।

০-৬ মাস:
মায়ের দুধ: এই সময়ে মায়ের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে উপযোগী এবং প্রয়োজনীয়।
মায়ের দুধ ব্যাতিত অন্য কোন খাবার এ সময় দেয়া যাবে না।

৬-১২ মাস:
মায়ের দুধ: আগে মায়ের দুধ তারপর অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

পুষ্টিকর খাবার: খাবারে ভাত, মুড়ি, নরম খিচুড়ি, সিদ্ধ ডিম, সবজি ও মুরগির স্যুপ, ফলের রস ও পিউরি, নরম ফল (কলা, পেঁপে) এবং চালের ভাতের মাড়।
ডাল, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি নরম করে বা পিউরি করে খাওয়াতে পারেন।
খেয়াল রাখতে হবে শিশুকে নতুন খাবার ধীরে ধীরে এবং অল্প পরিমাণে দিতে হবে, যাতে হজম করতে সুবিধা হয়।

১২-২৪ মাস:
মায়ের দুধ: আগে অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার পরে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
১২ মাস বয়সের পর থেকে শিশুর খাবার তালিকা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খাবারের মতো করা যেতে পারে।
বিভিন্ন ধরণের খাবার: ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, ফল, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, দই ইত্যাদি শিশুর খাদ্য তালিকায় যোগ করতে হবে।

২ বছর বা তার বেশি:
তিনবেলা খাবার: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে তিনবেলা খাবার এবং দুই বেলা পুষ্টিকর নাস্তা খাওয়া উচিত।
স্বাস্থ্যকর খাবার: ফল, সবজি, শস্য, প্রোটিন, এবং দুগ্ধজাত খাবার শিশুর খাদ্য তালিকায় যোগ করা উচিত।

শিশুর বয়স, বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে খাবারের তালিকা পরিবর্তন হতে পারে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

১. ধীরে ধীরে শুরু: প্রথমে অল্প পরিমাণে এবং নরম খাবার দিয়ে শুরু করুন, যেমন ফলের পিউরি বা নরম খিচুড়ি।

২. পুষ্টিকর খাবার: শিশুকে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার দিন। যেমন - ডিম, ডাল, সবজি, ফল, এবং অল্প পরিমাণে ঘি বা দুগ্ধজাত খাবার।

৩. নরম ও সহজে হজমযোগ্য: এমন খাবার দিন যা শিশুর জন্য হজম করা সহজ। যেমন - চালের ভাতের মাড়, নরম করে সিদ্ধ করা সবজি, ফলের পিউরি।
৪. মশলা ও লবণ এড়িয়ে চলুন: শিশুর খাবারে অতিরিক্ত মশলা, লবণ এবং চিনি যোগ করা উচিত নয়।
৫ . একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী অনুসরণ করে খাবার দিন, যেমন - সকালের নাস্তা, দুপুর, এবং রাতের খাবার।

কতটুকু খাওয়াবেন:

৭-৮ মাস বয়সী শিশুদের ১পোয়া বাটির অর্ধেক করে দিনে ২বার! ১-২ বার পুষ্টিকর নাস্তাi

০৯-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১ পোয়া বাটির অর্ধেক করে দিনে ৩ বার। ১-২ বার পুষ্টিকর নাস্তা!

১২-২৪ মাস বয়সী শিশুদের ১ পোয়া বাটির ৩ বাটি পুষ্টিকর খাবার + ২ বেলা পুষ্টিকর নাস্তা।

অবশ্যই আমাদের মায়েদের প্রতি যত্ন নিতে হবে এবং মা দের যথাযথ পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে শিশুরা ও সুস্থ ও সবল ভাবে বেড়ে উঠবে।

মায়ের দুধে শিশুর ওজন কেন বাড়ছে না?অনেক মা অভিযোগ করেন আমি শুধু বুকের দুধ খাওয়াচ্ছি, তারপরও বাবুর ওজন বাড়ছে না। ঠিক মতো দ...
09/07/2025

মায়ের দুধে শিশুর ওজন কেন বাড়ছে না?

অনেক মা অভিযোগ করেন আমি শুধু বুকের দুধ খাওয়াচ্ছি, তারপরও বাবুর ওজন বাড়ছে না। ঠিক মতো দুধ খাওয়াতে না জানলে শিশুর ওজন ঠিকমতো বাড়ে না।

দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম:

১. মায়ের একদিকের স্তনের দুধ খাওয়া শেষ হলে অন্যদিকের স্তন শিশুকে প্রদান করুন।

২. মা শিশুকে একবারে অনেকক্ষণ (শিশু যতক্ষণ চায়) কমপক্ষে ১০ - ১৫ মি. এক পাশের স্তনের দুধ খাওয়াবেন।

৩. এতে শিশু মায়ের দুধের প্রথমের পাতলা দুধ (Fore milk) ও পরের ঘন দুধও (Hind milk) পাবে, যেটা শিশুর শরীরে পুষ্টি ও শক্তি যোগায়। শিশুকে পরিতৃপ্ত রাখে ও শিশুর ওজন বাড়ায়।

৪. দীর্ঘক্ষণ না খাওয়ালে শিশু শুধু পাতলা দুধ পাবে এতে বাবুর তৃষ্ণা মিটবে কিন্তু ঘন দুধ না খেলে ওজন বাড়বে না।

৫. একদিকের স্তনের দুধ খাওয়া শেষ হলে অন্যদিকের স্তন শিশুকে প্রদান করতে হবে। ক্ষুধা থাকলে শিশু হা করবে এবং দুধ খাবে, না হলে পরবর্তী খাবারের সময় অন্যদিকের স্তন থেকে খাওয়ানো শুরু করতে হবে।

মায়ের দুধ সংরক্ষণ:চাকরিজীবী মা কিংবা যে সব মা-দের কাজের জন্য ঘরের বাইরে থাকতে হয় তারা প্রায়ই চেম্বারে এসে বাবুকে দুধ খাও...
07/07/2025

মায়ের দুধ সংরক্ষণ:

চাকরিজীবী মা কিংবা যে সব মা-দের কাজের জন্য ঘরের বাইরে থাকতে হয় তারা প্রায়ই চেম্বারে এসে বাবুকে দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে পরামর্শ চান। সবাই জানতে চান কোন ফর্মুলা দুধ খাওয়ালে ভালো হবে। অনেকেই জানেন না মায়ের দুধ গেলে রেখে সংরক্ষণ করে শিশুকে খাওয়ানো যায়। মা-দের প্রতি পরামর্শ হলো নিয়মমতো দুধ গেলে সংরক্ষণ করুন এবং আপনার অনুপস্থিতির সময় শিশুকে খাওয়ান। ফরমুলা দুধ খাওয়ানোর কোন প্রয়োজন হবে না।
কিভাবে সংরক্ষণ করবেন?

১.ঘরের ভিতরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৮ ঘন্টা
২. এবং নরমাল ফ্রিজে (৪ ডিগ্রি তাপে ) ২৪ ঘন্টা
৩. ডিপ ফ্রিজে ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষন করা যায়

তবে ফ্রিজে সংরক্ষিত দুধ চুলায় তাপে নয়, গরম পানির মাঝে ফ্রিজে রাখা দুধের পাত্রটি রেখে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনতে হবে। আগে গালানো দুধ আগে খাওয়াতে হবে। পরে গালানো দুধ পরে খাওয়াতে হবে) প্রয়োজন অনুসারে বোতলে নম্বর এবং তারিখ দিতে রাখতে হবে।

মায়ের গেলে রাখা (সংরক্ষিত) দুধ শিশুকে খাওয়ানোর পদ্ধতি:

১. শিশুকে একবার যতটুকু খাওয়ানো হবে ততটুকু দুধ চামচে (মেলামাইন বা সিরামিক) অথবা কাপে (মেলামাইন বা সিরামিক) নিতে হবে। কারন ষ্টীল বা প্লাষ্টিকের চামচের মাথা মসৃণ থাকেনা, ফলে শিশুর গাল/ঠোঁট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কোন অবস্থাতেই ফিডার বা বোতলে দেয়া যাবে না।

২. চামচ/কাপ হালকা করে শিশুর নীচের ঠোঁটে ধরতে হবে। চামচ/ কাপটিকে অল্প একটু কাত করে ধরতে হবে যাতে অল্প একটু দুধ শিশুর ঠোঁটে লাগে।

৩. শিশুটি ঠোঁটে চামচ/কাপের ছোঁয়া পেয়ে মুখ হা করবে এবং জিহবা দিয়ে মুখে দুধ নিতে থাকবে এবং অল্প অল্প করে চুষে খেয়ে ফেলবে।

মায়ের দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম!প্রতিটি মায়ের অভিযোগ শিশু ঠিক মতো দুধ পাচ্ছেনা। সঠিক পজিশন ও সংযোগ ঠিক রেখে যদি শিশুকে বুকে...
01/07/2025

মায়ের দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম!

প্রতিটি মায়ের অভিযোগ শিশু ঠিক মতো দুধ পাচ্ছেনা। সঠিক পজিশন ও সংযোগ ঠিক রেখে যদি শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় এবং মায়ের যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত করা হয় তাহলে আপনার শিশু অবশ্যই পর্যাপ্ত দুধ পাবে।

শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের অবস্থান:
১. মা কে আরামদায়কভাবে বসতে হবে।
২. প্রয়োজনে পিঠে অথবা কোলের উপর বালিশ দিয়ে সোজা হয়ে হেলান দিয়ে বসবেন।
৩. মাকে চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

অবস্থান(পজিশন): অবস্থান বলতে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় মা ও শিশুর আরামদায়কভাবে বসা বা শোয়াকে বোঝানো হয়।

শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর অবস্থান (৪ টি মূল তথ্য):
১. শিশুর মাথা মায়ের হাতের কনুই এ এবং পাছা (Buttock) মায়ের হাতের তালুতে থাকবে।
২. শিশুর মাথা, ঘাড় এবং শরীর একই সরল রেখায় থাকবে এবং মা শিশুর সমস্ত শরীর ধরে থাকবে।
৩. শিশুর পেট মায়ের পেটের সাথে লেগে থাকবে।
৪. দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর মুখ মায়ের স্তনের দিকে ঘোরানো থাকবে।

সংস্থাপন: সংস্থাপন বলতে মায়ের স্তনে শিশুর মুখ কিভাবে লেগে থাকলে শিশু দুধ খেতে পারবে তা বোঝায়।

মা ও শিশুর সঠিক সংস্থাপনের ৪ টি মূল তথ্য–
১. শিশুর মুখ বড় করে হা করা থাকবে।
২. স্তনের উপরের কালো অংশ নিচের অংশের চেয়ে বেশী দেখা যাবে।
৩. শিশুর থুতনি মায়ের স্তনে লেগে থাকবে।
৪. নিচের ঠোঁট বাইরের দিকে উল্টানো থাকবে।

শিশুর বিকাশ:শিশুর ডেভেলপমেন্ট ঠিক মতো হচ্ছে কিনা এটা নিয়ে সব মা-বাবা চিন্তিত থাকে। শিশুর বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে যদি কোন...
25/06/2025

শিশুর বিকাশ:
শিশুর ডেভেলপমেন্ট ঠিক মতো হচ্ছে কিনা এটা নিয়ে সব মা-বাবা চিন্তিত থাকে। শিশুর বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে যদি কোনো শিশু নিম্নলিখিত বিষয়গুলো করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

জন্মের পর প্রথম ৫ মাস:
স্বাভাবিকভাবে বুকের দুধ পান না করা।
শব্দের প্রতি সাড়া না দেওয়া বা শব্দ করতে না পারা। মাথা সোজা রাখতে না পারা।পরিচিত মুখ বা কণ্ঠস্বর চিনতে না পারা।

৬-১২ মাস:
বসতে না পারা বা হামাগুড়ি না দেওয়া। "মা" বা "বাবা" এর মতো শব্দ বলতে না পারা। তাদের নামের প্রতি সাড়া না দেওয়া। অন্যের দিকে তাকিয়ে না থাকা বা চোখের যোগাযোগ না করা।

১২-১৮ মাস:
দাঁড়াতে বা হাঁটতে না পারা। স্পর্শ বা অঙ্গভঙ্গি দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা না করা। কিছু সাধারণ শব্দ বলতে না পারা।

২ বছর বা তার বেশি:
দুটি শব্দ যুক্ত করে বাক্য তৈরি করতে না পারা। অন্যদের নির্দেশাবলী বুঝতে না পারা বা তাদের কথা না শোনা। খেলতে অনীহা প্রকাশ করা বা একা থাকতে পছন্দ করা।

23/06/2025

ছোট শিশুর পায়খানা কেমন হয়!!

১। নবজাতকের পায়খানা হওয়ার স্বাভাবিক পরিমাণ আসলে বেশ পরিবর্তনশীল এবং এটি বুকের দুধ নাকি ফর্মুলা দুধ খাচ্ছে তার উপর নির্ভর করে।
২। সাধারণত, বুকের দুধ পান করা নবজাতক দিনে কয়েকবার থেকে শুরু করে ৭-১০ বার কিংবা আরো বেশি পর্যন্ত পায়খানা করতে পারে, এমনকি প্রতিবার দুধ পানের পর পরেও করতে পারে।
৩। কিছু ক্ষেত্রে, বুকের দুধ পান করা শিশুরা ৩-৭ দিন পর পর পায়খানা করতে পারে। অন্যদিকে, ফর্মুলা দুধ পান করা শিশুদের পায়খানা সাধারণত কম ঘন ঘন হয়, দিনে একবার বা দুবার হয়।
৩। পায়খানার পরিমাণ এবং ফ্রিকোয়েন্সি নবজাতকের বয়স, খাদ্য এবং স্বাস্থ্যের অবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
৪। আপনার শিশুর পায়খানার রঙ হলদে, হালকা বাদামী কিংবা সবুজাভ হতে পারে।

এখানে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে:
বুকের দুধ:
বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুরা সাধারণত ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো শিশুদের চেয়ে বেশি ঘন ঘন পায়খানা করে।
বয়স:
নবজাতকের বয়স বাড়ার সাথে সাথে পায়খানার ফ্রিকোয়েন্সি কমতে থাকে।
স্বাভাবিকতা:
যদি আপনার শিশু স্বাভাবিকভাবে খাচ্ছে, ওজন বাড়ছে, ঠিক মতো ঘুমাচ্ছে এবং খেলছে, তাহলে পায়খানার ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই।

চিকিৎসকের পরামর্শ:
যদি আপনার শিশুর পায়খানা অত্যধিক শক্ত কিংবা অত্যধিক পাতলা, পায়খানায় রক্ত দেখা যায় কিংবা বেশি ফ্যাকাসে ও সাদা রঙের হয় তাহলে দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিতে হবে।

নবজাতকের প্রথম গোসল:১. জন্মের পরপরই প্রথম গোসলের প্রয়োজন নেই। বরং দু-তিন দিন পর দেওয়া ভালো। শিশু যদি অপরিণত বা কম ওজন ...
21/06/2025

নবজাতকের প্রথম গোসল:

১. জন্মের পরপরই প্রথম গোসলের প্রয়োজন নেই। বরং দু-তিন দিন পর দেওয়া ভালো। শিশু যদি অপরিণত বা কম ওজন হয়, সে ক্ষেত্রে আরও কিছুদিন পরে দিত হবে।

২. গোসলের জন্য নির্ধারিত ঘরে ফ্যান বন্ধ রাখা ভালো। সময়টা মধ্যদুপুর হওয়া শ্রেয়।

৩. একটি গামলা বা টাবের মধ্যে সহনীয় মাত্রার উষ্ণ পানিতে গোসল করানোই যথেষ্ট।

৪. শিশুর প্রথম গোসলে সুগন্ধযুক্ত সাবান, বডি ওয়াশ, তেল—কোনো কিছুরই প্রয়োজন নেই।
৫. প্রথমবার নবজাতককে পুরোপুরি পানিতে ডুবিয়ে গোসল না দিয়ে এক টুকরা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে সমস্ত শরীর পরিষ্কার করতে হবে।
৬. প্রথমে চোখ, মুখ, মাথা ধুয়ে নিয়ে মুছে ফেলা দরকার। তারপর ধীরে পুরো শরীর পরিষ্কার করে দিতে হবে।
৭. গোসল শেষে নরম তোয়ালে দিয়ে পুরো শরীর মুছে দ্রুত কাপড় পরিয়ে দেওয়া উচিত।
৮. শিশুর চুলে যেন পানি জমে না থাকে ও নাভির গোড়া যেন শুষ্ক থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৯. পরবর্তীতে আবহাওয়া বুঝে শিশুকে দুই-তিন দিন পরপর নিয়মিত গোসল করানো উচিত।

মায়ের দুধের বিকল্প! আজকাল মা-রা বিশেষ করে জমজ বাচ্চার মা-দের বদ্ধমুল ধারণা জমজ  বাচ্চা হলেই আর্টিফিশিয়াল মিল্ক অর্থাৎ টি...
19/06/2025

মায়ের দুধের বিকল্প!

আজকাল মা-রা বিশেষ করে জমজ বাচ্চার মা-দের বদ্ধমুল ধারণা জমজ বাচ্চা হলেই আর্টিফিশিয়াল মিল্ক অর্থাৎ টিনের দুধ খাওয়াতেই হবে। কিন্তু এটা একটি ভুল ধারণা।
বাচ্চা একটা কিংবা দুটো হউক বাচ্চারা যত বেশী মায়ের দুধ চুষবে মায়ের ততই বেশি দুধ তৈরি হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দরকার মা-দের যথাযথ পুষ্টি, শারীরিক বিশ্রাম ও মানসিক প্রশান্তি।
আপনার বাচ্চা যদি ঠিকমতো পেশাব করে এবং সুস্থভাবে বেড়ে উঠে তাহলে বুঝতে হবে আপনার শিশু পরিমাণ মতে দুধ পাচ্ছে।

মনে রাখতে হবে মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই! মায়ের দুধের বিকল্প শুধুমাত্র মায়ের দুধই!

Address

পার্কভিউ হসপিটাল, ৯৪/১০৩ কাতালগঞ্জ রোড
Chittagong

Opening Hours

Monday 19:00 - 21:00
Wednesday 19:00 - 21:00
Saturday 19:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Shah Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category