31/03/2026
হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা উচ্চ জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে দাগযুক্ত র্যাশ বা ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে।
এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং MMR টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।
এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই, তাই চিকিৎসা মূলত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং সহায়ক যত্নের উপর নির্ভর করে।
• উপসর্গ:
প্রথমে জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি এবং চোখ লাল হওয়া (এই তিনটি লক্ষণকে “three C’s” বলা হয়) দেখা যায়। মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যেতে পারে। এরপর ৩–৫ দিনের মধ্যে মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।
• কারণ:
হাম রোগটি রুবিওলা (Rubeola) ভাইরাস দ্বারা হয়।
• সংক্রমণ:
এটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়। কাশি, হাঁচি বা সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে সহজেই ছড়ায়। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
• জটিলতা:
হাম থেকে কানের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কে প্রদাহ) হতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে এটি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
• চিকিৎসা:
এর কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং জ্বর নিয়ন্ত্রণই মূল চিকিৎসা।
তবে, এসময় জঠিলতা রোধে শিশুদের ভিটামিন -এ ক্যাপসুল দেয়া হয়।
• প্রতিরোধ:
MMR টিকা নিরাপদ এবং খুবই কার্যকর। এক ডোজে প্রায় ৯৩% এবং দুই ডোজে প্রায় ৯৭% সুরক্ষা দেয়।
সচেতন হোন।
জঠিলতা এড়াতে নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
#হাম
#স্বাস্থ্য