25/06/2025
#গর্ভধারণ_নিয়ে_যত_ভুল_ধারণা
গর্ভধারণ যে কোনো নারীর জন্য সুন্দর একটা সময়। অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য সব ধরনের মনোযোগ দেন একজন গর্ভবতী মা। সেজন্য তারা মেনে চলেন নানা ধরনের নিয়মকানুন।
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও বাংলাদেশের সমাজে বহু নারী এমন কিছু রীতিনীতি মেনে চলেন যেগুলো বংশপরম্পরায় কিংবা সামাজিকভাবে যুগ যুগ ধরে প্রচলিত আছে।
একজন নারীর গর্ভকালীন অবস্থার জন্য নানা ধরণের মিথ বা কল্পকথা চালু আছে। গর্ভবতী নারী কী করতে পারবেন বা কী করতে পারবেন না এনিয়ে নানা ধরনের ধারণা বা বিশ্বাস প্রচলিত। এসব ধারণা বা বিশ্বাসের সাথে চিকিৎসা বা বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নেই।
আর এগুলো মেনে চলতেও গর্ভবতী নারীকে বিশেষ চাপ দেয়া হয়। তবে অনেক সময়ই এই নিয়মকানুন যতটা না বিজ্ঞানভিত্তিক হয়, তারচেয়ে বেশি হয় দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত থাকা বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।
#সেই_বিশ্বাসগুলো_কি_কি?
সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণের সময় কিছু করা যাবে না।
লিঙ্গভেদে সৌন্দর্যের তারতম্য মানে মায়ের চেহারা দেখে, ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে, ধারণা করা।
খাবারে সন্তানের গায়ের রঙ নির্ধারণ
খাবারে গর্ভপাতের শঙ্কা করা
কুকুর-বেড়াল রাখা উচিৎ না
সহবাস করা যাবে না
গর্ভাবস্থায় চুল কাটলে পেটের সন্তান জন্মানোর পর চোখে কম দেখে।
পেটের আকার দেখে ছেলে হবে না মেয়ে- এমনটিও ধারণা করা।
পেটের সন্তান ছেলে হলে বেশি নড়াচড়া করে আর মেয়ে হলে তুলনামূলক কম নড়ে।
অন্তত প্রথম তিন মাস পরিবার বাদে বাইরের কাউকে এই খবর না জানানো।
গর্ভাবস্থায় হাতে মেহেদী লাগালে ,এতে করে সন্তানের শ্বেত রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে।
#উপরের_সব_গুলোই_ভুল_ধারণা।
এতে করে অনাগত সন্তানের মা মানসিক চাপে থাকেন।
এতে তার প্রেশার বেড়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা থেকে মিসক্যারেজও হয়ে যেতে পারে।
*পরামর্শের জন্য পেইজের ইনবক্সে মেসেজ করুন ***