Elite Health Services

Elite Health Services Your well-being is our success, we sell 100%safe and beneficient products. Which is a lot more beneficial for people. Which is much more beneficial for people.

It will benefit you without any harm, it will benefit more than your price, it will not harm you inshaAllah. Your Mars is our success, we sell 100% safe and efficient products. We want you to stay well.,

প্রিয়_জনের_কাছে_নিজেকে_ছোট_মনে_করবেন_না🖤💌জীবনের_শেষ_চিকি_ৎসা_নিন।💌🖤এবার_হোন_আসল_পু_রু_ষ😍বিবা_হি_ত_অবি_বা_হি_ত_ভাই_দের জন...
08/08/2022

প্রিয়_জনের_কাছে_নিজেকে_ছোট_মনে_করবেন_না
🖤💌জীবনের_শেষ_চিকি_ৎসা_নিন।💌🖤এবার_হোন_আসল_পু_রু_ষ😍
বিবা_হি_ত_অবি_বা_হি_ত_ভাই_দের জন্য _সু _খবর

#100% ন্যাচারাল _প্রো_ডা_ক্ট।সাথে বুঝে নিন মানিব্যাক গ্যারান্টি কার্ড।
🤎হাফ এবং ফুল কোর্সে বিশাল ডিসকাউন্ট।
💚সুখময় জীবনের জন্য & লং টা ইম মনের মত এন _জয় করার জন্য বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় আ_ইটেম লাভ _ফর_ এভার এখন বাংলাদেশের সব থানায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে। আগে প্রোডাক্ট বুঝে নিন তারপর টাকা পরিশোধ করুন।

🖤🤎চুলের_সমস্যার জন্য ন্যাচারাল হেয়ার থেরাপি স্প্রে এন্ড শেম্পু
ওজন_বাড়ানো/কমানোর জন্য ওয়েট _লস এবং ওয়েট _গেইন🍀🍀🍀
বাংলাদেশের সব থানায় এসএ পরিবহন(SA Paribahan),AJR Courier, PathaO & RedX এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।বিস্তারিত জানতে, এখনই নিচের 📱01613267268নাম্বারে কল করুন অথবা SEND MESSAGE OPTION-এ 👇 ক্লিক করুন।

মধুর উপকারিতাঃসুস্থ থাকতে নিয়মিত খাঁটি মধু খাওয়ার কোন বিকল্প নেই ৷ ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি মধুতে কি কি খাদ্য উপাদানসমুহ ব...
08/08/2022

মধুর উপকারিতাঃ
সুস্থ থাকতে নিয়মিত খাঁটি মধু খাওয়ার কোন বিকল্প নেই ৷ ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি মধুতে কি কি খাদ্য উপাদানসমুহ বিদ্যমান রয়েছে। তবে আমাদেরকে নিয়মিত মধু খাওার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই, মধুতে বিদ্যমান এই বিশেষ খাদ্য উপাদানগুলি আমাদের শরীরে বিশেষ প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে । আমরা সবসময় মধু নিয়মিত খাওয়ার কথা বলে থাকি কারণ, অনিয়মিত মধু পানে যে উপকার আপনি পাবেন তা তেমনভাবে পরিলক্ষিত হবেনা । এ পর্যায়ে খাঁটি মধুর উল্লেখযোগ্য উপকারিতাসমূহ নিম্নে সংক্ষেপে তুলে ধরছিঃ

মধুতে বিদ্যমান রয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এর ফলে নিয়মিত খাঁটি মধু পানে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।
মধু আমাদের শরীরে তৎক্ষনাৎ শক্তি যোগায়, শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শরীরে তাপ উৎপন্ন করে ।
মধু আমাদের শরীরে খাবারের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়তা করে ৷
যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন, মধু তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারি। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তার মাধ্যমে মধু শরীরের রক্তশূণ্যতা দূর করে।
মধু আমাদের শরীরে রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে হৃদপেশির কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
মধুতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদানসমূহ। নিয়মিত মধু পানে আমাদের শরীরে এসব খজিনের (কপার, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি) অভাব পূরণ হয়৷
মুখের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ঘায়ের চিকিৎসায় মধু খুবই কার্যকরী এবং মধু আমাদের দাঁতকে মজবুত করে।
মৌসুমি সর্দি, জ্বর উপশমে তুলসি পাতার রসের সঙ্গে খাঁটি মধু মিশিয়ে কয়েকদিন নিয়মিত পান করলে এটা দারুণভাবে কাজ করে।
যারা ফুসফুসের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন এমনকি যাদের ফুসফুস করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ তাদের জন্যও মধু খুবই কার্যকরী৷
মধু শিশুদের হাড়ের গঠন মজবুত করে, দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
রাতের বেলা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে আপনার অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করবে।
শারীরিক এবং যৌন দূর্বলতা দূরীকরণে মধুর রয়েছে বিশেষ ভূমিকা ৷
মধু পানে শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্যতা দূর হয় ৷
নিয়মিত মধু পান বাতের ব্যথা উপশম করে।
মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বকের রং সুন্দর করে এবং তারুণ্যতা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে ৷
মুখের ব্রণ এর চিকিৎসায়, ত্বক এবং চুলের রূপচর্চায় মধু ব্যবহারে বিশেষ সুফল পাওয়া যায়

কাচা রসুনের উপকারিতা কি?বলে রাখা ভাল রান্না করা রসুনের থেকে কাঁচা রসুন কয়েক গুণ বেশি ভিটামিন ও মিনারেল ভরপুর থাকে। আমরা...
08/08/2022

কাচা রসুনের উপকারিতা কি?

বলে রাখা ভাল রান্না করা রসুনের থেকে কাঁচা রসুন কয়েক গুণ বেশি ভিটামিন ও মিনারেল ভরপুর থাকে। আমরা এখন জানবো কাঁচা রসুনের উপকারিতা গুলো সম্পর্কে।
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
সকালে উঠে কাঁচা রসুন খাওয়া আপনার রোগ প্রতিরোধক সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে। রসুনের ভিতরে থাকা এন্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এনজাইম আমাদের রোগ থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি লাগামহীন হওয়ার কারণে আমি আপনাকে সাজেস্ট করব প্রতিদিন দুই কোয়া কাঁচা রসুন সেবন করার জন্য এতে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে আর আপনি করনা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন।
২. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে:
শরীরের এলডিএল এর পরিমাণ যখন বৃদ্ধি পায় তখন শরীরের রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রতিদিন সকালে যদি আপনি দুই কোয়া কাঁচা রসুন সেবন করতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরের এলডিএলের পরিমাণ কে সমতায় রাখবে আর উচ্চ রক্তচাপ থেকে আপনাকে রেহাই দেবে।

৩. ফুসফুসের সুরক্ষায়:
ফুসফুসের সংক্রমণ খুবই কষ্টকর একটি বিষয় কারণ এতে আমরা সঠিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারিনা। রসুন এর রস এই ক্ষেত্রে খুবই উপকারী কারণ খাবার সাথে সাথেই এটি ফুসফুসের সংক্রমণ রোধ করা শুরু করে দেয়। এই কারণেই করোনা রোগীদেরকে প্রতিদিন রসুনের রস সেবন করানো হয়।
৪. হাড় শক্ত করে:
শরীর যখন ইস্ট্রোজেনের স্বল্পতা তে ভোগে তখনই শরীরের হাড় গুলো নরম হতে শুরু করে দেয় আর এই সমস্যাটি দেখা দেয় বেশির ভাগ মহিলাদের। প্রতিদিন নিয়মিত যদি আপনি দুই কোয়া রসুন খেতে পারেন তাহলে রসুনে থাকা ইস্ট্রোজেন আপনার হাড় শক্ত করতে সহায়তা করবে।
৫. কোলেস্টেরল কমাতে:
পঞ্চাশোর্ধ বেশিরভাগ পুরুষ ও মহিলা কোলেস্টরেল জনিত সমস্যায় ভুগছেন আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন করা নানান পদের ওষুধ কিনে খাচ্ছেন। ওষুধ আপনার ক্ষতি করছে আবার উপকারও ।কিন্তু আপনার হাতের কাছে রসুন থাকতে আপনি কেন ওষুধ খাবেন। রসুনের শুধু মাত্র 2 থেকে 4 কোয়া যদি আপনি সকালে উঠে চিবিয়ে চিবিয়ে খান তাহলে আপনার শরীরের কোলেস্টেরল দুই মাসের মধ্যে কন্ট্রোলে চলে আসবে।

শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই ডিম খেতে পছন্দ করে। ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়...
08/08/2022

শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই ডিম খেতে পছন্দ করে। ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। করোনায় এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই জুরুরি। তাই প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া উচিত।

শরীর দুর্বল হলে সকালবেলার নাশতায় সিদ্ধ ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ডিম খাওয়া বেশ উপকারী। ডিম অনেক পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি ক্যালসিয়াম, আয়রন ও প্রোটিনের ভালো উৎস।

আসুন জেনে নিই প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার উপকারিতা।

১. প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়। এটি দেহের কোষের কার্যক্রম ভালো রেখে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

২. চোখ ভালো রাখতে প্রতিদিন একটি ডিম খান। ডিমের মধ্যে রয়েছে লুটেইন এবং জিয়াক্সএনথিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা চোখের ছানি ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে।

৩. ডিমে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল মস্তিষ্কের কোষকে ভালো রাখে। এটি স্নায়ুকেও সুস্থ রাখে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

৪. ডিমে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও উচ্চমাত্রায় প্রোটিন, যা শরীরের পেশিকে ভালো রাখে। এবং পেশির শক্তি বাড়ায় ও কর্মক্ষম রাখে।

৫. গবেষকরা বলেন, ডিম খেলে দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা থাকে। ফলে অন্য খাবার গ্রহণে আগ্রহ কমে ও দৈনন্দিন ক্যালোরির চাহিদার পূরণ হয়।

৬. ডিমের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও সেলেনিয়াম, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৭. ডিমের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভালো চর্বি। অনেকে ভাবেন– সব চর্বিই খারাপ। কথাটি সঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে। এটি শরীরের জন্য ভালো।

কালোজিরা খাওয়ার ১০ উপকারিতা, জানলে চমকে যাবেনসব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। একাধিক আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণে সমৃদ্ধ এ কালো...
08/08/2022

কালোজিরা খাওয়ার ১০ উপকারিতা, জানলে চমকে যাবেন
সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। একাধিক আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণে সমৃদ্ধ এ কালোজিরা। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।
পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।
সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। স্থূলতা, ক্যান্সার ও হৃদরোগ- সব কিছুর বিরুদ্ধেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কালোজিরা।
কালোজিরার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা-
১. সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা ও জ্বরে খেতে পারেন কালোজিরা।

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতেও কালোজিরা উপকারী।
২. সেক্স হরমোন ক্রিয়াকলাপ ও নিউরোজেনারেটিভ কার্যকারিতা বাড়ায় কালোজিরা।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে করোনার রোধে শরীরকে তৈরি করুন কালোজিরা খেয়ে।
৪. এক চা চামচ কালোজিরা বাটা, সমপরিমাণ আদার রস ও মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। এ ছাড়া সকালে খালি পেটে পানির সঙ্গে খেতে পারেন কালোজিরা।
৫. কালোজিরায় থাকা ফসফরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরা খেতে পারেন।
৬. মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে কালোজিরার তেল পান করুন উপকার পাবেন।
৭. লেবু দিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ভালোভাবে শুকানোর পর কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমবে।
৮. বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করলে হাঁপানির সমস্যায় আরাম পাবেন।
৯. কালোজিরা দুর্দান্ত অ্যান্টি-টক্সিনের কাজ করে। তাই যন্ত্রণামুক্ত ও পরিষ্কার প্রস্রাবের জন্য খাবারের সঙ্গে রাখুন কালোজিরা।
১০. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় খেতে পারেন কালোজিরা। এ ছাড়া যারা অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তারা খাদ্যতালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণের সঙ্গে কালোজিরা খেতে পারেন।

মাশরুমের উপকারিতামাশরুমকে আমরা সবাই চিনি ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ হিসেবে। একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবারও বটে। মাশরু...
08/08/2022

মাশরুমের উপকারিতা
মাশরুমকে আমরা সবাই চিনি ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ হিসেবে। একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবারও বটে। মাশরুমে পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক থাকে যা মানুষের জন্য বেশ উপকারী এবং এটি খেতে খুবই মজা। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা উচিত। তবে শুধু অর্গানিক বা জৈব ভাবে উৎপন্ন মাশরুম খেতে হবে। বুনো জায়গায় উৎপন্ন মাশরুম অবশ্যই গ্রহণ করা নিষেধ। এতে আছে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। চলনু জেনে নেয়া যাক মাশরুমের সাস্থ্যকর দিকগুলো-

মাশরুমে কোলেস্টরেল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাষ্টটিন, এনটাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি,সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) ও হৃদরোগ নিরাময় হয়।
মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এই উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।
ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম বেশ উপকারী।
হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করে। অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
খাদ্য হজম করতে সাহায্য করতে মাশরুম সাহায্য করে।
মাশরুমে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। এই ছত্রাকে ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে যা ত্বককে নরম ও কোমল রাখে।
আমাশয় নিরাময় করতে মাশরুমের উপকারিতা রয়েছে।
মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও এন্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।
মাশরুমে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ্য রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন দূর হয় এবং মেরুদণ্ড দৃঢ় থাকে।
মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সালফারও থাকে। এই অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন- স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
মাশরুমের খনিজ লবণ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলি দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। উচ্চ ফ্যাট সমৃদ্ধ লাল মাংসের পরিবর্তে মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমানো সহজ হয়। FASEB তে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যায় যে, লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমে।
এখন জেনেন নিন আরও চারটি মজাদার খাবারের রেসিপি, যা শুধু মাশরুম দিয়েই বানানো যায়!

টুকটুকে লাল, গোলগাল এই সবজি রান্নার স্বাদ বাড়াতে অতুলনীয়। শীতকালীন সবজি হলেও সারাবছরই দেখা মেলে এই সবজির। টক স্বাদের বলে...
08/08/2022

টুকটুকে লাল, গোলগাল এই সবজি রান্নার স্বাদ বাড়াতে অতুলনীয়। শীতকালীন সবজি হলেও সারাবছরই দেখা মেলে এই সবজির। টক স্বাদের বলে এটি দিয়ে চাটনি, সস ইত্যাদিও তৈরি করা হয়। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন সবজির কথা বলছি? ঠিক ধরেছেন, বলছি টমেটোর কথা। শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিমানের দিক থেকেও টমেটো অনন্য। সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে টমেটো রান্না ছাড়াই খেলে। তবে রান্না করে খেলেও মেলে নানা উপকার। এই সবজিতে আছে ভিটামিন এ, কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও ভিটামিন সিসহ উপকারী সব উপাদান। এতে আরও আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ফোলেট, আয়রন, ফসফরাস, কোলিন ও কপার। এসব উপাদান আমাদের শরীর ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।

বিজ্ঞাপন

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত। কারণ এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। টমেটোতে আরও আছে প্রচুর খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে দ্রুতই। ত্বক ভালো রাখতে বাহ্যিক রূপচর্চার চেয়েও ভেতর থেকে যত্ন নেয়া বেশি জরুরি।

ওজন কমায়

বাড়তি ওজন মানে বাড়তি দুশ্চিন্তা। কারণ অতিরিক্ত ওজন আরও অনেক অসুখের কারণ হতে পারে। যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিংবা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন তাদের জন্য উপকারী খাবার হতে পারে টমেটো। নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে দ্রুত ‍ওজন কমানো সম্ভব। প্রতিদিন চেষ্টা করুন একগ্লাস টমেটোর রস পান করতে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

বর্তমানে একটি পরিচিত সমস্যা হলো দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া। আপনি যদি নিয়মিত পাতে টমেটো রাখেন তবে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এতে আছে বিটা-ক্যারোটিন ও লাইকোপেন যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে টমেটো।

কম ক্যালরি

টমেটোতে ক্যালরির পরিমাণ বেশ কম। এতে প্রায় ৯৪ শতাংশ পানি থাকে। প্রতি একশো গ্রাম টমেটোতে ১৭ গ্রাম ক্যালরি থাকে। তাই প্রতিদিন টমেটো খেলেও বাড়তি ক্যালরি জমা হওয়ার ভয় নেই।

মেটাবলিজম বাড়ায়

মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে টমেটো। এই সবজিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। লাইকোপেন মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যে কারণে নিয়মিত টমেটো খেলে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরে দ্রুত।

বাদাম শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান আছে বাদামে। বিশেষ করে চিনা বাদাম ব...
08/08/2022

বাদাম শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান আছে বাদামে। বিশেষ করে চিনা বাদাম বেশি সহজলভ্য হওয়ায় সবার কাছেই প্রিয়।

Advertisement

তবে কাঁচা নাকি ভাজা অবস্থায় বাদাম খাওয়া ভালো? জানলে অবাক হবেন, ভাজা বাদামের চেয়ে কাঁচা বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কাঁচা বাদাম খান তাদের শরীরে এমন কিছু উপাদান প্রবেশ করে যা একাধিক রোগ থেকে দূরে রাখে। একইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়।
কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ হাড় গঠনে ও মাংসপেশি মজবুত রাখে, ব্রেইনের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, ক্যানসার প্রতিরোধ ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

Advertisement

কাঁচা বাদামে থাকে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজসহ আরও অনেক উপকারী উপাদান।
তাই দৈনিক অবশ্যই অল্প পরিমাণে হলেও খেতে পারেন কাঁচা বাদাম। এমনকি ভাজা বাদামেও মিলবে উপকার।
কাঁচা নাকি ভাজা, কোন বাদাম বেশি উপকারী?
আসলে দু’ধরনের বাদামেই মিলেবে উপকারিতা। কাঁচা বাদামে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া থাকে যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার ভাজা বাদাম হারিয়ে ফেলে কিছু পুষ্টিগুণ।

Advertisement

তবে কাঁচা বাদাম পরিষ্কার করে হালকা তাপে ভেজে নিলেই সব ক্ষতিকর উপাদান দূর হয়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি কিংবা তেল দিয়ে বাদাম ভেজে খেলেও পুষ্টিগুণ কমে যায়।
নিয়মিত বাদাম খেলে শরীরে যা ঘটে
>> উপকারী কোলেস্টেরল পাওয়া যায় বাদামে।
>> এতে থাকে সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন ও ইন্টারলিউকিন। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
>> ফাইবার থাকায় বাদাম খেলে হজমের সমস্যায়ও দূর হয়।
>> বাদাম খেলে হৃদপিণ্ড সক্রিয় থাকে।
>> নিয়মিত বাদাম খেলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। এমনকি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে বাদাম।
>> বাদাম খেলে হাড় ও মাংসপেশি মজবুত হয়।
>> বাদামে থাকা প্রাকৃতিক তেল ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
>> বাদাম খেলে দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ হয়।
>> স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদামের উপকারিতা প্রচুর।
>> অতিরিক্ত ওজন কমাতেও সাহায্য করে বাদাম

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। জীবনযাত্রার অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শরীরচর্চার অভাব এ...
08/08/2022

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। জীবনযাত্রার অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শরীরচর্চার অভাব এই রোগের মূল কারণ।

Advertisement

টাইপ ১ ডায়াবেটিসের চেয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা নিয়ম মেনে চললেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। তাদের ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস হলো জীবনধারার রোগ। এর জন্য দায়ী হলো ওজন বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা। প্রাথমিক অবস্থায় যদি এটি চিকিৎসা করা না হয় তাহলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসকের দাবি, ডায়েটে একটি মাত্র পরিবর্তনের মাধ্যমেই তিনি বিপুল সংখ্যক রোগীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেছেন। (ইউকে ডেইলি’র রিপোর্ট)

Advertisement

সাউথপোর্টের নরউড সার্জারির চিকিৎসক ডেভিড উনউইন বলেন, ‘২০১২ সালের আগ পর্যন্ত টাইপ ২ ডায়াবেটিস ওষুধ ছাড়া নির্মূল হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবতেই পারিনি।’
‘তবে এই রোগ থেকে বাঁচতে দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ গ্রহণের বিষয়টি মানতে পারছিলাম না। এরপর আমি ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস নির্মূলের বিষয়ে অধ্যায়ন শুরু করি।’
ডা. উনউইনের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, কম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কাজ করে। এই উপায়ে ১০০ জনেরও বেশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগী রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে আনতে পেরেছি।’
২০১৯ সালে ‘ব্রিটিশ জার্নাল অব জেনারেল প্র্যাকটিস’এ লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট কীভাবে ওষুধ ছাড়াই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সে বিষয়ে একটি ব্যবহারিক গাইডলাইন সম্পন্ন করেন ডা. উনউইন। তার গবেষণাপত্রটি গাইডলাইনস ইন প্র্যাকটিস সাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

ডা. উনউইনের সমীক্ষা অনুযায়ী, চিনি, শষ্য, মিষ্টিজাতীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের পরিবর্তে প্রতিদিনের ক্যালোরির চাহিদা মেটাতে প্রোটিন ও চর্বিজাতীয় খাবার খেলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস।
একটি নো-কার্ব ডায়েটে আপনি খুব কম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট খেতে পারবেন। শুধু সবজি থেকে যতটুকু কার্ব পাওয়া যায় ততটুকুই। কারণ কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করা অর্থাৎ চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে আনলে ডায়াবেটিসও কমে আসবে।
এই সমীক্ষায় অংশ

নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার ৭টি উপকারী দিক। কিসমিসের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের ...
08/08/2022

নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার ৭টি উপকারী দিক।
কিসমিসের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কিসমিসে ভিটামিন,খনিজ,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, পলিফেনলস এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি ফাইবার রয়েছে। কিসমিস শরীরে যেমন শক্তি যোগায় এবং রক্ত উৎপাদনেও সহায়তা করে। কিসমিসের কয়েকটি যাদুকরী উপকারীর কথা আলোচনা করা হবে।

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে:

কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা শরীরের পরিপাকক্রিয়ায় দ্রুত সাহায্য করে। এতে করে খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যর মত সমস্যা দূর করে।

সুস্থভাবে ওজন বাড়ায়:

সবাই ওজন কমাতে চায় না। এমন অনেক মানুষ আছে যারা ওজন বাড়াতে চায়। আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান সেক্ষেত্রে কিসমিস হতে পারে আপনার পরম বন্ধু।

ক্যান্সার প্রতিরোধে:

কিসমিসে ক্যাটেচিন নামক একধরনের অ্যান্টিওক্সিডান্ট থাকে যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিকে লড়াই করে নিঃশেষ করে। শরীরের এই ফ্রি র‍্যাডিকলগুলো ক্যান্সার সেলের স্বতঃস্ফুর্ত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মেটাস্টাসিসেও সাহায্য করে। কিসমিস রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে:

কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে থাকা উচ্চমাত্রার সোডিয়াম, রক্তচাপ বাড়ার প্রধান কারণ। কিসমিস শরীরের সোডিয়াম মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

কিসমিসে ভিটামিন এবং খনিজগুলির সাথে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং পলিফেনলগুলির মতো অন্যান্য যৌগগুলির মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলি আমাদের সিস্টেমে ফ্রি র‌্যাডিকালগুলোর সাথে লড়াই করতে, এগুলিকে স্থিতিশীল করতে এবং তাদের শ্বেত রক্তকণিকা সহ আমাদের কোষগুলিকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির কারণ হতে রোধ করে যা আমাদের ইমিউন সিস্টেম গঠন করে।

হাড়ের স্বাস্থ্য বর্ধন:

কিসমিসে পাওয়া যায় আরো এক উপাদান, ক্যালসিয়াম, যা হাড় ও দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজন। এছাড়াও, বোরন নামক এক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।

সাদা, হলদে নানা বর্ণের গাজর দেখা যায়। আমাদের দেশে জন্মে কমলা রঙের গাজর। এটা শীতকালীন সবজি। গাজর দেখতে যেমন সুন্দর ও আকর্...
08/08/2022

সাদা, হলদে নানা বর্ণের গাজর দেখা যায়। আমাদের দেশে জন্মে কমলা রঙের গাজর। এটা শীতকালীন সবজি। গাজর দেখতে যেমন সুন্দর ও আকর্ষণীয় তেমনি খেতেও সুস্বাদু। তদুপরি পুষ্টিতেও ভরপুর। এত সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ার বড় কারণ এর মধ্যে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন। গাজর নিজে যেমন সুন্দর তেমনি মানুষের রঙ উজ্জ্বল করতেও এটি সহায়ক।

সবজি হিসেবে গাজরের ব্যবহার ব্যাপক। মাছ-গোশতের সঙ্গেও খাওয়া যায়। গাজরের হালুয়া অনেকের কাছেই অতি প্রিয়। সালাদ হিসেবে গাজর বেশ জনপ্রিয়। সামান্য লবণ মিশিয়ে এটি কাঁচাই খাওয়া যায়। পুষ্টিসমৃদ্ধ এ সবজিটির বাজারমূল্য মৌসুমের সময় থাকে একেবারেই সস্তা। এর উচ্চ পুষ্টিমান জানা থাকলে এর বাজারমূল্য চড়ে যেতো বহুগুণ। এখানে গাজরের প্রতি ১০০ গ্রাম আহার উপযোগী অংশে পুষ্টিমান উল্লেখ করা হলো-

খাদ্য শক্তি- ৪৮ ক্যালোরি
শর্করা- ১০.৬০ গ্রাম
খনিজ পদার্থ- ১.১০ গ্রাম
ক্যালসিয়াম- ৮০.০০ মি. গ্রাম
ফসফরাস- ৫৩০.০০ মি. গ্রাম
লৌহ- ২.২০ মি. গ্রাম
ক্যারোটিন- ১৮৯০.০০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি ১ - ০.০৪ মি. গ্রাম
ভিটামিন সি- ৩.০০ গ্রাম
উৎস : কৃষি প্রযুক্তি হাত বই, বারি-২০০৫

অন্যান্য সবজির তুলনায় গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর। উদাহরণস্বরূপ মুলার চেয়ে গাজরে ফসফরাস আছে ২৬ গুণ, ক্যারোটিন প্রায় ৬৩০ গুণ।

গাজরের রসের উপকারিতা
১. চোখের মহৌষধ : গাজরের আকর্ষণীয় বর্ণের মধ্যেই রয়েছে এর ঔষধি গুণ। গাজরের বিটা ক্যারোটিন নিজে নিজেই ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয় যা দেহের জন্য খুবই উপকারী। বিটা-ক্যারোটিন আমাদের দেহের ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রেটিনল বা ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয়, আর ভিটামিন-এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিশু অন্ধ হয়ে যায় ভিটামিন-এ’র অভাবে। সাধারণত ৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুরাই চোখের সমস্যায় ভোগে। প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ শিশু রাতকানা রোগে আক্রান্ত হয়। তাই শিশুকে প্রতিদিন ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হয়। গাজর ক্যারোটিনের রাজা, যা ভিটামিন-এ’র উৎস। তাই শিশুদের প্রতিদিন অন্তত মৌসুমের সময় গাজর খাওয়ানো উচিত।

২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : গাজরের রস লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে হজম শক্তির উন্নতি হয়।

৩. হাড়ের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক : রোগ প্রতিরোধ গাজরের অস্টিওপরোসিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন রস হিতকর।

৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক : গাজরে রয়েছে ভ

Address

Muradpur Chittagong
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elite Health Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram