Dr. Md Samim Hossain

Dr. Md Samim Hossain MBBS (SSMC),BCS (Health)
FCPS (P-2) Neurosurgery
MS (Resident) Neurosurgery
Dhaka Medical College & Hospital

কোভিড রোগ (COVID-19)কোভিড রোগ (COVID-19) হলো একটি সংক্রামক রোগ, যা SARS-CoV-2 নামক এক ধরনের করোনাভাইরাসের মাধ্যমে সৃষ্টি...
19/06/2025

কোভিড রোগ (COVID-19)

কোভিড রোগ (COVID-19) হলো একটি সংক্রামক রোগ, যা SARS-CoV-2 নামক এক ধরনের করোনাভাইরাসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় এবং তারপর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

---

🔬 রোগটির কারণ:

ভাইরাস: SARS-CoV-2

ছড়ায়:

হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ছোট ছোট ড্রপলেট থেকে

সংক্রমিত ব্যক্তি স্পর্শ করার পর মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করলে

---

⚠️ লক্ষণসমূহ (Symptoms):

লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের ২-১৪ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

জ্বর

শুকনো কাশি

ক্লান্তি

অন্যান্য লক্ষণ:

গলা ব্যথা

শ্বাসকষ্ট

গন্ধ ও স্বাদ অনুভব না হওয়া

মাথাব্যথা

পেশী ও গাঁটে ব্যথা

ডায়রিয়া

ত্বকে র‍্যাশ

---

🚨 জটিলতা (Complications):

নিউমোনিয়া

শ্বাসকষ্টজনিত ব্যর্থতা

কিডনি বিকলতা

হৃদরোগ

মৃত্যু (বিশেষ করে বয়স্ক ও সহ-ব্যাধিযুক্ত রোগীদের মধ্যে)

---

🛡️ প্রতিরোধ ও করণীয়:

মাস্ক পরা

হাত ধোয়া (সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে)

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা

ভিড় এড়ানো

টিকা নেওয়া (COVID-19 ভ্যাকসিন)

---

💉 টিকা (Vaccination):

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন COVID-19 ভ্যাকসিন ব্যবহৃত হচ্ছে, যেমন:

Pfizer-BioNTech

Moderna

Oxford-AstraZeneca

Sinopharm

Sinovac

Johnson & Johnson

---

🏥 চিকিৎসা:

হালকা লক্ষণ: বিশ্রাম, তরল পান, প্যারাসিটামল

গুরুতর লক্ষণ: অক্সিজেন থেরাপি, হাসপাতালে ভর্তি, কখনও কখনও স্টেরয়েড বা অ্যান্টিভাইরাল

---

ডায়াবেটিস (Diabetes)----------------------------------ডায়াবেটিস (Diabetes) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে শরী...
28/05/2025

ডায়াবেটিস (Diabetes)
----------------------------------

ডায়াবেটিস (Diabetes) হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে শরীরে রক্তে গ্লুকোজ (চিনি) এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। এটা হয় শরীরে ইনসুলিন নামক হরমোনের ঘাটতি বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ না করার কারণে।

ডায়াবেটিস এর ধরণ:
-----------------------------

১. টাইপ ১ ডায়াবেটিস:

শরীর ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না।

সাধারণত শিশু ও তরুণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

ইনসুলিন ইনজেকশনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

২. টাইপ ২ ডায়াবেটিস:

শরীর ইনসুলিন তৈরি করলেও তা সঠিকভাবে কাজ করে না (ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স)।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়।

ওষুধ, ডায়েট এবং ব্যায়াম দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৩. জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস (গর্ভকালীন ডায়াবেটিস):

গর্ভাবস্থায় ঘটে, এবং গর্ভের পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেরে যায়। তবে ভবিষ্যতে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

ডায়াবেটিস এর লক্ষণসমূহ:
--------------------------------------

১.ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া

২.অতিরিক্ত পিপাসা ও ক্ষুধা লাগা

৩.হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া

৪.দুর্বলতা ও ক্লান্তি

৫.ঘা বা ক্ষত দেরিতে শুকানো

৬.চোখে ঝাপসা দেখা

চিকিৎসা ও প্রতিকার
------------------------------

চিকিৎসাঃ(চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী)

১.ইনসুলিন থেরাপি (টাইপ ১ ও কিছু টাইপ ২ ক্ষেত্রে)

২.ওরাল মেডিসিন (টাইপ ২ এর জন্য যেমনঃ মেটফরমিন)

৩ নিয়মিত ব্লাড সুগার মনিটরিং

৪.চিকিৎসকের পরামর্শমতো ডায়েট ও ব্যায়াম

প্রতিকার ও প্রতিরোধঃ
-------------------------------

১.ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা

২.প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম

৩ শাকসবজি ও কম চিনি, কম কার্বোহাইড্রেট খাবার খাওয়া

৪.ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা

৫.নিয়মিত মেডিকেল চেকআপ

হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ)   --------------------------------------------হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ) একটি সাধারণ দীর্ঘমেয...
15/05/2025

হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ)
--------------------------------------------

হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ) একটি সাধারণ দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা, যা নিয়ন্ত্রিত না হলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা ইত্যাদি জটিলতা তৈরি করতে পারে।

হাইপারটেনশনের কারণসমূহ (Causes):
-------------------------------------------

হাইপারটেনশন দুই ধরনের হতে পারে:

১. প্রাথমিক (Essential) হাইপারটেনশন:

অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না।

ঝুঁকিপূর্ণ কারণ:

বয়স বৃদ্ধি

পারিবারিক ইতিহাস

অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ

স্থূলতা

মানসিক চাপ

শারীরিক পরিশ্রমের অভাব

ধূমপান ও মদ্যপান

২. গৌণ (Secondary) হাইপারটেনশন:

নির্দিষ্ট রোগের কারণে হয়, যেমন:

কিডনি রোগ

হরমোনের অস্বাভাবিকতা (যেমন কুশিং সিনড্রোম, হাইপারঅ্যালডোস্টেরোনিজম)

থাইরয়েড সমস্যা

কিছু ওষুধ (যেমন স্টেরয়েড, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি)

চিকিৎসা (Treatment):
--------------------------------

১. জীবনধারার পরিবর্তন:

লবণ কম খাওয়া (প্রতিদিন

08/05/2025
অতিরিক্ত ওজন (Obesity)--------------------------------------অতিরিক্ত ওজন (Obesity বা Overweight) শরীরের জন্য অনেক ধরনের ...
07/05/2025

অতিরিক্ত ওজন (Obesity)
--------------------------------------

অতিরিক্ত ওজন (Obesity বা Overweight) শরীরের জন্য অনেক ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। নিচে এর সমস্যাগুলো এবং প্রতিকার দেওয়া হলো:

অতিরিক্ত ওজনের জন্য সম্ভাব্য স্বাস্থ্যসমস্যা:

1. হৃদরোগ: রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল বেড়ে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।

2. টাইপ ২ ডায়াবেটিস: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায়।

3. জয়েন্টের সমস্যা: হাঁটু ও কোমরের জয়েন্টে চাপ পড়ে, অস্টিওআর্থ্রাইটিস হতে পারে।

4. ঘুমের সমস্যা: স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া।

5. ক্যানসার: কিছু নির্দিষ্ট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে, যেমন স্তন, কোলন ইত্যাদি।

6. মেনস্ট্রুয়াল সমস্যা ও বন্ধ্যত্ব: নারীদের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

7. মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা: আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা।

---

প্রতিকার ও করণীয়:

1. স্বাস্থ্যকর ডায়েট:

চিনি ও চর্বি কম খান।

শাকসবজি, ফলমূল, ফাইবারযুক্ত খাবার বেশি খান।

ছোট ছোট পরিমাণে বারবার খাবার খান।

2. নিয়মিত ব্যায়াম:

প্রতিদিন অন্তত ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।

যোগব্যায়াম বা সাঁতার করলে ভালো।

3. পর্যাপ্ত ঘুম:

প্রতিরাতে অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমান।

4. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ:

মেডিটেশন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।

5. চিকিৎসকের পরামর্শ:

যদি ওজন খুব বেশি হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কিছু ক্ষেত্রে ওজন কমাতে ওষুধ বা সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।

02/05/2025

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।
৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।
৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।
৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।
৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।
৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।
৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।
১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।
১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

স্ট্রোক (Stroke)------------------------  স্ট্রোক (Stroke) একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা...
30/04/2025

স্ট্রোক (Stroke)
------------------------
স্ট্রোক (Stroke) একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে বা রক্তপাত হলে ঘটে।

---

স্ট্রোক রোগের কারণ:
-----------------------------

১. ইসকেমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke)

রক্তনালী ব্লক হয়ে গেলে হয় (প্রায় ৮৭% ক্ষেত্রে)।
কারণ:

রক্ত জমাট (থ্রম্বাসিস)

আর্টারির সংকোচন (Atherosclerosis)

হৃদরোগ (যেমন: অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন)

২. হেমোরেজিক স্ট্রোক (Hemorrhagic Stroke)

মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে রক্তপাত হলে হয়।
কারণ:

উচ্চ রক্তচাপ

অ্যানিউরিজম

ট্রমা বা মাথায় আঘাত

রক্ত পাতলা করার ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

৩. TIA (Transient Ischemic Attack)

অস্থায়ী রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, যাকে “মিনি স্ট্রোক” বলা হয়। সাধারণত স্থায়ী ক্ষতি হয় না, তবে ভবিষ্যতে বড় স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

---

স্ট্রোকের লক্ষণসমূহ:
-----------------------------

অসাধারণ আচরণ দেখলে FAST নিয়ম মনে রাখুন:

F (Face drooping): মুখের এক পাশে অবশভাব

A (Arm weakness): এক হাত দুর্বল বা উঠাতে সমস্যা

S (Speech difficulty): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অস্পষ্ট হওয়া

T (Time to call emergency): দেরি না করে চিকিৎসা নিন

অন্যান্য লক্ষণ:

দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ ঝাপসা হওয়া

হঠাৎ ভারসাম্য হারানো

তীব্র মাথাব্যথা

শরীরের এক পাশে অবশতা বা অনুভূতিশূন্যতা

---

স্ট্রোকের চিকিৎসা:( চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী)
---------------------------

১. ইসকেমিক স্ট্রোক:

tPA ওষুধ: রক্ত জমাট গলানোর জন্য (৩–৪.৫ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হয়)

মেকানিক্যাল থ্রমবেক্টমি: শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে জমাট রক্ত অপসারণ

২. হেমোরেজিক স্ট্রোক:

উচ্চ রক্তচাপ কমানো

সার্জারি করে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ

রক্তনালীর অ্যানিউরিজম বন্ধ করার প্রক্রিয়া

৩. পুনর্বাসন (Rehabilitation):

ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি, কর্ম থেরাপি

দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা

---

স্ট্রোক প্রতিরোধ ও প্রতিকার:
----------------------------------------

১. উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন

২. ধূমপান ও মাদক গ্রহণ বন্ধ করুন

৩. দৈনিক ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

৫. সুষম খাবার খান (কম লবণ, কম চর্বি)

৬. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন

৭. স্ট্রেস কমান

--

মাথা ঘুরানো (Vertigo)মাথা ঘুরানো বা "ভার্টিগো" (Vertigo) একটি সাধারণ সমস্যা, যা মূলত ভারসাম্য রক্ষাকারী সিস্টেমে (ভেস্টি...
24/04/2025

মাথা ঘুরানো (Vertigo)

মাথা ঘুরানো বা "ভার্টিগো" (Vertigo) একটি সাধারণ সমস্যা, যা মূলত ভারসাম্য রক্ষাকারী সিস্টেমে (ভেস্টিবুলার সিস্টেম) সমস্যা হলে ঘটে।

কারণসমূহ:

1.BPPV (Benign Paroxysmal Positional Vertigo):

হঠাৎ করে মাথা ঘোরানো হয়, বিশেষ করে মাথার অবস্থান পরিবর্তনে।

কানের ভেতরের ছোট ক্যালসিয়াম কণাগুলো সরে গিয়ে ভারসাম্য নষ্ট করে।

2.Vestibular Neuritis বা Labyrinthitis:

ভাইরাসজনিত সংক্রমণে কানের নার্ভে প্রদাহ হয়ে মাথা ঘোরাতে পারে।

3.Ménière’s Disease:

কানে চাপ, শব্দ শোনা (টিনিটাস), ও ভার্টিগো।

কানের ভেতরে তরলের চাপ বেড়ে যায়।

4.মস্তিষ্কজনিত কারণ:

স্ট্রোক, মাইগ্রেন, বা টিউমার থেকেও মাথা ঘুরাতে পারে।

লো ব্লাড প্রেসার, রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) বা ডিহাইড্রেশন থেকেও মাথা ঘোরানো হতে পারে।

চিকিৎসা:( চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী)

BPPV-এর জন্য:

Epley Maneuver: একধরনের ব্যায়াম যা মাথার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে কণাগুলো সঠিক স্থানে ফিরিয়ে দেয়।

সাধারণত চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্ট করে থাকেন।

ঔষধ:

১.Betahistine (Vertin) – Ménière's disease ও ভার্টিগোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

২.Prochlorperazine বা Meclizine – বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরা কমায়।

৩.সংক্রমণ হলে – অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ।

অন্যান্য কারণ (মাইগ্রেন, স্ট্রোক) – সেই অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চিকিৎসা।

প্রতিকার ও সচেতনতা:

১.হঠাৎ করে উঠে দাঁড়াবেন না, ধীরে ধীরে উঠুন।

২.পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

৩.ঘাড়, মাথা ঘোরানো এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব।

৪.ভার্টিগো ব্যায়াম বা ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন করতে পারেন।

৫.স্ট্রেস, ধূমপান, ক্যাফেইন ও অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কমান (বিশেষ করে Ménière’s রোগীদের জন্য)।

মাথা ব্যথা (Headache) ---------------------------------মাথা ব্যথা (Headache) খুব সাধারণ একটি সমস্যা, তবে এর কারণ, লক্ষণ ...
20/04/2025

মাথা ব্যথা (Headache)
---------------------------------

মাথা ব্যথা (Headache) খুব সাধারণ একটি সমস্যা, তবে এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার নির্ভর করে ব্যথার ধরন ও উৎসের উপর। নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

---

মাথা ব্যথার কারণ:

1. টেনশন হেডেক (Tension Headache):

মানসিক চাপ, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা

দীর্ঘ সময় একভাবে বসে থাকা (কম্পিউটার ব্যবহার)

2. মাইগ্রেন (Migraine):

জেনেটিক কারণ

হরমোনের পরিবর্তন

কিছু খাবার (চকলেট, চিজ, ক্যাফেইন)

3. সাইনাস হেডেক:

সাইনাস ইনফেকশন বা সর্দি-কাশির কারণে সাইনাসে চাপ পড়লে

4. চোখের সমস্যা:

চোখের পাওয়ার সমস্যা

দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা

5. হাই ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ

6. নিদ্রার অভাব বা অতিরিক্ত ঘুম

7. জলস্বল্পতা (Dehydration)

---

মাথা ব্যথার লক্ষণ:

টেনশন হেডেক: পুরো মাথায় চাপের মতো ব্যথা, গলা বা কাঁধে টান

মাইগ্রেন: এক পাশে ধকধকে ব্যথা, বমি বমি ভাব, আলো/আওয়াজ সহ্য না হওয়া

সাইনাস: কপালে, গালের হাড়ে বা চোখের আশেপাশে ব্যথা, সঙ্গে নাক বন্ধ বা সর্দি

চোখের সমস্যা: চোখের পেছনে ব্যথা, চোখ ঝাপসা দেখা

---

প্রতিকার ও করণীয়:

ঘরোয়া উপায়:

পর্যাপ্ত পানি পান করা

মাথায় ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে সেঁক

অন্ধকার ও শান্ত ঘরে বিশ্রাম নেওয়া (বিশেষ করে মাইগ্রেন হলে)

লেবুর রস, আদা বা পুদিনা চা খাওয়া

চোখের ওপর ঠান্ডা কাপড় রাখা (চোখের চাপ কমাতে)

-----

ঔষধ: (চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ না করাই ভালো)

প্যারাসিটামল (Paracetamol)

আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen)
(ব্যথার ধরণ বুঝে ওষুধ নিতে হবে)

----

চিকিৎসকের কাছে কবে যাবেন:

বারবার মাথা ব্যথা হলে

ব্যথার সঙ্গে ঝাপসা দেখা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, বা জ্ঞান হারানো হলে

ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে বা জ্বর থাকলে

নতুন ধরনের বা অস্বাভাবিক তীব্র মাথা ব্যথা হলে

---

Low Back Pain(কোমড় ব্যথা) : ব্যাক পেইন অথবা কোমড় ব্যাথা খুব কমন এক ধরনের ব্যথা। মানুষ সারা জীবনে  একবার না‌ একবারএ ধরনে...
04/01/2025

Low Back Pain(কোমড় ব্যথা) :

ব্যাক পেইন অথবা কোমড় ব্যাথা খুব কমন এক ধরনের ব্যথা। মানুষ সারা জীবনে একবার না‌ একবারএ ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। মহিলাদের মাঝে এই সমস্যা সচরাচর খুব বেশি দেখা যায়। এজন্য রোগীরা প্রায়শই অনেক ধরনের চিকিৎসা করিয়ে অনেক ধরনের ব্যথার ওষুধ খেয়ে থাকেন কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আশানুরূপ ফল পেয়ে থাকেন না। ওষুধ বন্ধ করলেই আবার ব্যথা দেখা দেয়। যার কারণে কয়দিন পর পরই এরকম সমস্যা দেখা দেয়। এ ব্যথা যদি তিন মাসের বেশি থাকে তখন আমরা একে ক্রনিক লো ব্যাক পেইন বলি। যথাসময়ে ব্যাক পেইন এর চিকিৎসা না করলে বা ঠিকভাবে ব্যাথা কন্ট্রোল না করলে এটা ক্রনিক ব্যাক পেইন এ পরিণত হয়। তখন এই চিকিৎসা পদ্ধতি আরও জটিল থেকে জটিলতর পরিণত হয়। তাই ব্যাথা শুরু হওয়ার সাথে সাথেই অবজ্ঞা নয়। সাথে সাথেই আমরা যদি সঠিক চিকিৎসা করাতে পারি তাহলে এটা দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে পারবো।

কি কি কারণে ব্যাক পেইন হয়ে থাকে?

** ভারী কাজ করলে
** PLID অথবা ডিস্ক প্রলাপ্স অথবা ডিস্ক হার্নিয়া
** ডিস্ক ক্ষয়জনিত অথবা ডিজেনারেশন
** নার্ভ কম্প্রেশন
** মেরুদন্ডের হাড় ভেঙে গেলে অথবা ব্যথা পেলে
** অনেক উঁচু থেকে পড়ে গেলে
** ট্রমা
** রোড ট্রাফিক অ্যাকসিডেন্টের কারণে মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হলে
** অষ্টিও আর্থাইটিস অথবা হাড় ক্ষয় জনিত কারণ
** হাড়ে ইনফেকশন (অস্টিওমাইলাইটিস) অথবা টিউমার
** মেরুদন্ডের ক্যানেল সরু হয়ে যাওয়া যাকে স্পাইনাল স্টেনোসিস বলা হয়
** মাংসপেশিতে স্ট্রেইন অথবা ইনজুরি
** ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম ঘাটতি
** ইউরিনারি ইনফেকশন
** তলপেটে ইনফেকশন
** কিডনি অথবা মূত্রনালীতে পাথর
** ওভারির সমস্যাজনিত কারণে
** লম্বা সময় গাড়ি অথবা মোটরসাইকেল ড্রাইভ করলে
** ওভার ওয়েট অথবা অতিরিক্ত ওজন জনিত কারণে
** প্রেগনেন্সি জনিত কারণে
** বাতজ্বর জনিত কারণে
** ক্যান্সারে জনিত কারণে

ব্যাক পেইন এর লক্ষণ সমূহ:

** পিঠে অথবা কোমরে মাঝখানে ব্যথা করে। কখনো কখনো এই ব্যথা ডানে অথবা বামে ছড়িয়ে যায়।
** হাটাহাটি করতে গেলে ব্যথা বেড়ে যায়
** অনেক সময় ব্যথা আশেপাশে ছড়িয়ে যায়
** অনেক সময় পায়ের রগ অথবা মাংসপেশিতে টান লাগে
** কখনো কখনো পা ঝিনঝিন করে
** অনেক সময় দুই পায়ের দুর্বলতা লাগে
** পায়ের বোধ শক্তি কমে যাওয়া
** পায়ের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যায় অথবা কখনো কখনো শুকিয়ে যায়

Investigation:

** ডাক্তারের এক্সামিনেশন হচ্ছে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
** Lumbo-scaral spine (LS Spine) এক্সরে করা
** CT Scan
** MRI
** Bone scan
** সাথে আরো কিছু রক্ত পরীক্ষা যেগুলোর মাধ্যমে ইনফেকশন নির্ণয় করা যেতে পারে। যেমন;
CBC, ESR, C-reacting protein, RA Test,

ব্যাক পেইন এর চিকিৎসা সমূহ:

** চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত, সময় ধরে ব্যথার ওষুধ খাওয়া। ব্যথার ওষুধ যত কম খাওয়া যায় তত ভালো। সুতরাং চিকিৎসক যতদিন খেতে বলবেন ঠিক ততদিনই খাবেন। অবশ্যই ঘড়ি ধরে টাইম মতো রেগুলার খেতে হবে। কোন অনিয়ম করে ব্যাথার ওষুধ খাওয়া যাবে না।

** অল্প ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল-জাতীয় ব্যথার ওষুধ গুলো খাওয়া যেতে পারে। ক্লোফেনাক জাতীয় NSAID ওষুধ গুলো যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। বেশি ব্যথার ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অপীওয়েড (Opioid) গ্রুপের ড্রাগ গুলো খাওয়া যেতে পারে।

** চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু কিছু মাসল রিলাক্সেন্ট ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে ডাক্তার আরো কিছু অন্য ধরনের ওষুধ এতে যুক্ত করতে পারেন যেগুলো ব্যথার তীব্রতা গুলোকে কমিয়ে নিয়ে আসে।

** ক্লোফেনাক জেল জাতীয় কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, সেগুলো দিয়ে ব্যথার স্থানে মেসেজ বা মালিশ করা যেতে পারে। কিছু কিছু Clofenac gel এর সাথে মেন্থল যুক্ত থাকে, সেইগুলা আরো ভালো।

** মাঝে মাঝে গরম সেক দেয়া যেতে পারে। একে আমরা হট ওয়াটার কম্প্রেশন বলি। অনেক সময় বরফ দিয়ে কম্প্রেশন দিলেও ব্যথা কমে আসে।

** কোমড় ব্যথার কারণে যদি ঘুমের সমস্যা হয়ে থাকে তবে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঘুমের ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। মাঝে মাঝে কাউকে এন্টিডিপ্রেশন ওষুধও দেওয়া হয়ে থাকে।

** প্রয়োজনে সাইকোথেরাপি অথবা কাউন্সেলিং এর প্রয়োজন হতে পারে। আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার ব্যথা যদি chronic back pain হয়ে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমে ১০০ ভাগ ব্যথার নিরাময় সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু কিছু ব্যথা নিয়ে সারা জীবন পার করে দেয়া লাগতে পারে। এটা আপনাকে মন থেকে মেনে নিতে হবে।

** ব্যথার তীব্রতা কমে আসলে দুই সপ্তাহ পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম অথবা ফিজিওথেরাপি শুরু করতে হবে। শুরুতেই একেবারে কঠিন ব্যায়াম করা যাবে না। আস্তে আস্তে ব্যায়ামের মাত্রাটা বাড়াবেন। এতে করে আস্তে আস্তে ব্যথার ওষুধ খাওয়ার মাত্রা কমে আসবে। প্রতিদিন ৪০ মিনিট করে হলেও হাঁটাহাঁটি করা ভালো। সাঁতার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম।

** ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা। বিশেষ করে প্রেগনেন্সি পরবর্তীতে অবশ্যই মহিলা দের ক্যালসিয়াম দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে।

** ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ করা। সূর্যের আলো হলো ভিটামিন ডি এর সবচেয়ে বড় সোর্স। এছাড়া সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি আছে। এছাড়া ওষুধের মাধ্যমেও ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ করা যায়।

** কিছু কিছু ভিটামিন নার্ভ জনিত কারণে ব্যথার ( নিউরোপ্যাথি) তীব্রতা কমাতে খুবই সহযোগিতা করে। এরমধ্যে হল ভিটামিন B1 , B6 এবং B12 কম্বিনেশন।

** কোন ধরনের ইনফেকশন নির্ণয় হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। প্রস্রাবে ইনফেকশন ধরা পড়লে অবশ্যই বেশি বেশি পানি খেতে হবে এবং প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না। প্রস্রাবের চাপ দেখা দিলেই সাথে সাথে ওয়াসরুমে যেতে হবে। প্রয়োজনে রাতের বেলা ঘুমানোর আগে দুইবার ওয়াশরুমে যেতে পারেন।

** কিছু কিছু কোমড় ব্যথার জন্য অপারেশন লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে অপারেশন করার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে; যেমন কিডনিতে পাথর, মেরুদন্ডের হাড্ডি ভেঙ্গে যাওয়া অথবা পিএলআইডি ইত্যাদি।

উপদেশ:

** ভারী কাজ করা থেকে বিরত রাখতে হবে। কোমর ভাঁজ করে কোন কাজ না করাই ভালো।

** মাটিতে সরাসরি বসা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে টুল অথবা চেয়ার ব্যবহার করুন।

** হাই কমোড ব্যবহার করতে হবে। লো-প্যান অথবা লো কমোড ব্যবহার না করাই ভালো।

** মাটিতে বসে কাপড় কাচা থেকে বিরত থাকুন।

** বেশি ভার বহন করা থেকে বিরত থাকুন।

** ধূমপান পরিহার করতে হবে।

** গাড়ি অথবা বাইক লম্বা সময় চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

** বিছানা থেকে উঠার সময় ডান অথবা বাম কাত হয়ে তারপরে উঠুন এবং সরাসরি চিত হয়ে বিছানায় থেকে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।

** অতিরিক্ত শারীরিক ওজন কমান

** ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

** বেশি শক্ত অথবা বেশি নরম বিছানা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ফোমের বিছানা ব্যবহার না করাই ভালো। লক্ষ রাখতে হবে বিছানা যেন সমতল হয়, বিছানা যেন উঁচু-নিচু না হয়।

আসুন নিয়মগুলো মেনে চলি
ব্যথা মুক্ত জীবন গড়ি

Address

Ramganj
Ramganj

Telephone

+8801581508201

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Samim Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Samim Hossain:

Share

Category