ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব ABU MEDICO, PAKKA DOKAN
সোমবার (বিকেল ৫ টা-রাত ৮টা)

ডা. মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান রাকিব।
এমবিবিএস, পিজিটি(নবজাতক ও শিশু), সিএমইউ(আল্ট্রা)
PARKVIEW HOSPITAL
রবি ও মঙ্গলবার (রাত১০টা-সকাল ৮টা)
ISLAMI BANK HOSPITAL
রবি ও মঙ্গলবার (সকাল১০টা-দুপুর ৩টা)
MS.

শিশু জন্মের ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। বিসিজি টিকা নেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে ৬ মাসের মধ্যে টিকার স্থা...
29/11/2025

শিশু জন্মের ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। বিসিজি টিকা নেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে ৬ মাসের মধ্যে টিকার স্থানে চিহ্ন বা দাগ তৈরি হওয়ার কথা। যদি এ সময়ের মধ্যে দাগ না দেখা যায় বা পেকে না উঠে, তাহলে ৯ মাস বয়সের টিকার সময় পুনরায় বিসিজি দেওয়া উচিত।

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

28/11/2025

👨‍⚕️👩‍⚕️: নবজাতকের মাথায় সরিষার তেল দিলে কী লাভ
হয়?

💁‍♀️👦: বাচ্চার মাথায় তেল দিলে তার নানী-দাদীর মাথা
ঠান্ডা থাকে

চিন্তা করতেছি লিফটে উঠা উচিৎ হবে কিনা
28/11/2025

চিন্তা করতেছি লিফটে উঠা উচিৎ হবে কিনা

বাচ্চাদের পা এরকম ধনুকের মতো বাঁকানো দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সঠিক নিয়মে চিকিৎসা না নিলে এই পা আজীবনের জন্য ব...
28/11/2025

বাচ্চাদের পা এরকম ধনুকের মতো বাঁকানো দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সঠিক নিয়মে চিকিৎসা না নিলে এই পা আজীবনের জন্য বাঁকা হয়ে যাবে ☹️

বলেন দেখি নাইলন সুতার মতো জিনিসটা কী? 🥱
28/11/2025

বলেন দেখি নাইলন সুতার মতো জিনিসটা কী? 🥱

এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স : নীরব ঘাতক এটি আমার একটি রোগীর ব্লাড সিএস রিপোর্ট। জন্মের পর ছোটখাট একটা জন্মগত ত্রুটির জন্...
27/11/2025

এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স : নীরব ঘাতক

এটি আমার একটি রোগীর ব্লাড সিএস রিপোর্ট।
জন্মের পর ছোটখাট একটা জন্মগত ত্রুটির জন্য তার অপারেশন করানো হয় । অপারেশন সুন্দর মত কোন জটিলতা ছাড়াই শেষ হয়। অপারেশনের পরে ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য স্বাভাবিকভাবে যেসব এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয় সেগুলো দিয়ে রাখা হয়।

কিন্তু দিন দিন তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে, এন্টিবায়োটিক (Ceftazidim, Cefotaxim, Amikacin) পরিবর্তন করে উচ্চ ধাপের এন্টিবায়োটিক (Meropenem, Vancomycin,Cefepime ) দেওয়া হয় , তাতেও বাচ্চার অবস্থা উন্নতি হয় না।

পরে রক্তের সিএস রিপোর্ট যখন আসে, ডাক্তারের মাথায় হাত! প্রায় সাত দিন ধরে চলে আসা সবগুলো এন্টিবায়োটিক ই এই নবজাতক যে জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হয়েছে, তার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্ট।
অর্থাৎ এসব ওষুধ এই জীবাণুকে কিছুই করতে পারবে না।

ইতোমধ্যে ইনফেকশন রক্তের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে ডাক্তারি পরিভাষায় সেপসিস বলা হয়। অতঃপর সেনসিটিভ থাকা শুধুমাত্র দুটি এন্টিবায়োটিক (Colistin & Tigecycline ) দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেও সেপসিস কন্ট্রোলে না আসায় অবশেষে বাচ্চাকে আমাদের আইসিইউ তে পাঠানো হয়।

শিশু আইসিইউতে আমি যখন দেখি, বাচ্চাকে পাই প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনিরত অবস্থায়। সে রাতেই লাইফ সাপোর্টে দিতে হয় এবং কয়েক ঘন্টা ব্যবধানেই তার মৃত্যু হয়।

নবজাতক ও শিশু আইসিউতে কাজ করার সুবাদে প্রতিটা দিন এরকম দৃশ্য দেখা লাগছে। কয়েকদিন আগে একটা প্রতিবেদন দেখলাম , ৪১% রোগীর ক্ষেত্রেই সাধারণ এন্টিবায়োটিক গুলো আর কাজ করছে না। অনেকের কাছে প্রতিবেদনটা অসত্য মনে হলেও, বাস্তবতা প্রতিবেদন এর চেয়েও ভয়ংকর।

সামনে কী ভয়াবহ দিন আসতেছে আল্লাহ্ গফুরুর রহীম জানেন ☹️

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

শীত চলে এসেছে , ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে চরমভাবে বাড়ছে বাচ্চাদের সর্দি কাশি এলার্জি এসব সমস্যা।এই সময়ে ঠান্ডা ক্ষী সর্...
26/11/2025

শীত চলে এসেছে , ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে চরমভাবে বাড়ছে বাচ্চাদের সর্দি কাশি এলার্জি এসব সমস্যা।এই সময়ে ঠান্ডা ক্ষী সর্দি এলার্জি এসব থেকে বেঁচে থাকতে বাচ্চাদের:-

• ঠান্ডা বাতাসে সরাসরি বের হতে দেবেন না, বাইরে গেলে মাথা–কান–গলা ঢেকে রাখুন
• ঘরের ভেতর ধুলোবালি কমান, রুম ঠিকমতো বাতাস চলাচলের মতো রাখুন
• হালকা গরম পানি পান করাতে পারেন
• খুব ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম ও ফ্রিজের খাবার সরাসরি না দেওয়াই ভালো
• বাচ্চাকে ভিড় এড়িয়ে চলতে দিন, কারণ ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়
• কাশি–সর্দি বাড়লে বা শ্বাসকষ্ট/দুধ কম খাওয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখান

ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

ভারতীয় এক ব্যক্তির শরীর থেকে ভিয়েতনামের ডাক্তাররা ২৬ ইঞ্চি লম্বা ইল মাছ বের করেছেন, যে মাছটি তিনি উত্তেজিত হয়ে জোর করে ন...
26/11/2025

ভারতীয় এক ব্যক্তির শরীর থেকে ভিয়েতনামের ডাক্তাররা ২৬ ইঞ্চি লম্বা ইল মাছ বের করেছেন, যে মাছটি তিনি উত্তেজিত হয়ে জোর করে নিজের মলদ্বারে ঢুকিয়েছিলেন, সঙ্গে ছিলো একটি লেবুও!

চিকিৎসকেরা এক্স–রেতে যখন মাছটি দেখতে পান, তারা হতবাক হয়ে যান। জীবন্ত ইলটি ধারালো দাঁত দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল, বৃহদান্ত্রের দেয়াল কামড়ে কামড়ে ছিদ্র করে দিতে চাইছিল।

প্রথমে ডাক্তাররা প্রোব ব্যবহার করে রেকটামের দিক দিয়ে মাছ বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তখন দেখা গেল, ভেতরে আটকে রয়েছে একটি লেবু! ওটার কারণেই ইলটি টেনে বের করা সম্ভব হয়নি।

শেষ পর্যন্ত সার্জনদের পেট কে||টে অপারেশন করতেই হলো। ফোরসেপ দিয়ে ইলটিকে বের করে আনা হলো।

তারপর খুব সতর্কভাবে লেবুটিকে নিচের দিক দিয়ে নামানো হলো যতক্ষণ না তা মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসে। ডাক্তাররা অন্ত্রের ক্ষত সেলাই করে দিলেন এবং ছড়িয়ে পড়া মল পরিষ্কার করে দিলেন।

চিকিৎসকদের মতে, চিকিৎসা না হলে লোকটি নিশ্চিতভাবেই মারা যেত। এখন তাকে সারা জীবন কোলস্টমি ব্যাগ ব্যবহার করে চলতে হবে।

রোগীর নাম প্রকাশ করা হয়নি অবশ্য। শুধু জানা গেছে, তিনি ৩১ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিক।

আমার রোগীর অভিবাবকদের একটা কমন জিজ্ঞাসা হলো :- বারবার চিকিৎসা করেও বাচ্চাদের স্ক্যাবিস (পাঁচরা) ভাল হচ্ছেনা?এর কারণ গুলো...
25/11/2025

আমার রোগীর অভিবাবকদের একটা কমন জিজ্ঞাসা হলো :-

বারবার চিকিৎসা করেও বাচ্চাদের স্ক্যাবিস (পাঁচরা) ভাল হচ্ছেনা?

এর কারণ গুলো নীচে লিখলাম;

অনেক সময় শুধু ওষুধ দিলেই স্ক্যাবিস সারে না—
👉 ঘরের সবাই একসাথে চিকিৎসা না নিলে আবার ছড়িয়ে পড়ে।
👉 বিছানার চাদর, বালিশ, পোশাকগুলো ঠিকভাবে ধোয়া–রোদে শুকানো না হলে মাইট বেঁচে থাকে।
👉 ওষুধ ঠিকমতো সারা শরীরে লাগানো হয় না—বিশেষ করে আঙুলের ফাঁক, বগল, কোমর, নাভির চারপাশ এড়িয়ে যায়।
👉 বাচ্চাদের ঘন ঘন অন্যদের সাথে ঘুমানো বা কাপড়-তোয়ালে শেয়ার করার অভ্যাস থাকে—এতেও রিইনফেকশন হয়।

স্ক্যাবিস সারাতে ও পুনরায় না ফেরাতে চিকিৎসা + ঘরের সবার হাইজিন—এই দুটোই জরুরি। 🧼

ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

আসেন একটা গল্প বলি, আমাদের একজন রোগী । তার culture and sensitivity রিপোর্ট এটা । কি ভংকর অবস্থা হয়েছে দেখুন । 🆘১৭ টা এন...
25/11/2025

আসেন একটা গল্প বলি, আমাদের একজন রোগী । তার culture and sensitivity রিপোর্ট এটা ।

কি ভংকর অবস্থা হয়েছে দেখুন । 🆘

১৭ টা এন্টিবায়োটিক ঔষুধের ভেতরে মাত্র ১ টা ইন্টারমিডিয়েট ( মানে Microbial Agent এর সারফেসে কাজ করলেও সেটা ভেদ করে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে নি)। এক কথায় সেটাও কাজ করতেও পারে আবার না ও করতে পারে ।

তার মানে এখন আমরা,” ঢাল তলোয়ার ছাড়া নিধিরাম সর্দার হয়ে বসে থাকবো “।

সুপারিশ অনুযায়ী VITEK ( Life Technology) মেথড ব্যবহার করে পরের বার যদি কোনোটা sensitive আসে তাহলে সেটা ব্যবহার করতে পারবো । সেই রিপোর্ট আসতেও সময় লাগবে ১-২ দিন । তাও যদি আল্লাহ পাক আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন তবে । তার মানে এই কয়দিন বসে বসে দেখা লাগবে আর পরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে

এখন প্রশ্ন হলো, এই অবস্থা কিভাবে হলো? এমনকি যে Meropenem injection ছাড়া মুখের ট্যাবলেট হয় না, সেটাও রেসিস্টেন্ট 😱। যদিও সে এই ইনজেকশন এখানে আসার আগে পায় নি ।

এটা নিয়ে পরিচিত কয়েকজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট এর সাথে কথা বললাম । সেখানে যে পয়েন্ট বেশি সামনে আসলো:

🚨 যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার 🚨

এই ব্যবহার কিভাবে হয় জানেন? ফার্মেসি থেকে । এই আপনি ২/৩ দিনের জ্বর নিয়ে আসছেন? নো প্রবলেম , ফার্মেসি আপনাকে azithromycin দিয়ে দিবে । গলা ব্যথা নিয়ে যাবেন? একটা এন্টিবায়োটিক দিয়ে দিবে ।
আরেকটা ভয়ংকর কথা কি জানেন? এই যে পাতলা পায়খানা শুরু হলে, মুড়ি মুড়কির মতো Metronidazole খাওয়া শুরু করেন না? এটাও একটা এন্টিবায়োটিক ।

⚠️ এখন প্রশ্ন করতে পারেন, আরে ভাই আমি তো জীবাণু মেরে ফেলতেই খাচ্ছি । তাহলে সমস্যা কোথায়??

সমস্যা হলো, আপনারা মন মত খান । প্রতিটি এন্টিবায়োটিক এর নির্দিষ্ট ডোজ এবং সময় আছে । মনে করেন আপনার দেহে জার্ম / মাইক্রো অর্গানিজম আছে, সেটার জন্য আপনার একটা এন্টিবায়োটিকস দরকার । আপনাকে ডাক্তার দিলেন ৭ দিনের ( দিনে ৩ বেলা)। কিন্তু আপনি ৩-৪ দিন খেয়ে দেখলেন আগের চেয়ে ভালো আছেন তাই শুধু শুধু টাকা নষ্ট হবে এই ভেবে বাকি ২/৩ দিন আর খাইলেন না ।

এই সময় আপনার শরীরে কি হয় জানেন?

মনে করেন আপনার দেহে ছিলো ১০০ টা মাইক্রোঅরগানিজম । আপনি ঔষুধ খাওয়া শুরু করলেন, এরাও কমতে শুরু করলো । ৩-৪ দিনে সেটা কমে হলো ৩৫-৪০ এ। এখন আপনি ভালো আছেন দেখে আর কোনো ঔষুধ খাইলেন না । ফলে ওই ৩৫/৪০ টা দুর্বল হয়ে থেকে গেল । একবারে ধ্বংস হইলো না । এখন এই ৩৫-৪০ টা কি করবে? তারা নিজেরা নিজেদের মতো করে জিন পরিবর্তন করতে শুরু করবে । কারণ তারা নিজেরা সারভাইভ করতে চায় । এবং এই জিন পরিবর্তন করবে এমন ভাবে যেন, তাদের পরের প্রজন্ম এই মেডিসিন কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে পারে ।

ব্যাস, হয়ে গেল। পরের বার থেকে আর এই ঔষুধ আগের মত কাজ করবে না । ধীরে ধীরে এর ক্ষমতা কমে আসবে । একসময় ওষুধ খাবেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না ।

শুধু যে ফার্মেসি থেকে এটা হয় সেটা না । আমাদের খাবারের মধ্যে ও এখন এন্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে । যেটা খুব ই এলার্মিং । বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগি, ডিম, মাংস । খুব দ্রুত লাভ এর আশায় এন্টিবায়োটিকস, গ্রোথ হরমোন খাওয়ানো হয় । এই জন্য একটা ব্রয়লার মুরগি জন্মের ১৭/১৮ দিনের ভেতরে ২ কেজি + হয়ে যায় ।( আগে বাসার পাশে একটা ফার্ম থেকে নিজের চোখে দেখা) । এই মুরগি গুলোই পরে আমরা রেস্টুরেন্ট এ গিয়ে হাড় পর্যন্ত চাবিয়ে খেয়ে থাকি । ফলাফল, হাড়ে ডিপোজিট হওয়া এই গুলো আমাদের শরীরে চলে যাচ্ছে কিন্তু আমরা বুঝছি না ।

লং টার্ম এ দেখা যাচ্ছে আমরা নিজেদের কে একেকটা Super Bug বানিয়ে ফেলছি । কালকেই রিপোর্ট দেখলাম অলরেডি আইসিউ এর ৪১% রোগী রেসিস্টেন্স হয়ে গিয়েছে । তার মানে এটার প্যাসিভ ট্রান্সমিশন এ আমি আপনি সবাই আক্রান্ত হতে পারি । না চাইলেও হয়ে যাবো, রেসিস্টেন্স ।

এভাবে চলতে থাকলে সেদিন হয়তো খুব দূরে না , যেদিন সামান্য জ্বর, সর্দি , কাশি হবে আর কোন মেডিসিনে কাজ হবে না। এখানে থেকে কেউ হয়তো থাকবে আর কেউ হয়তো হারিয়ে যাবে

আল্লাহ সকলকে সুস্থ রাখুন । আমিন



“Act Now: Protect Our Present, Secure Our Future”

©️ Md-Wasiul Alam Taufique

ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি-এর অভাব আজকাল আমাদের সমাজে খুবই সাধারণ। মোটামুটি ৩০-৩৫ বছর বয়সের পর থেকেই দেখি সবার এগুলোর অভ...
24/11/2025

ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি-এর অভাব আজকাল আমাদের সমাজে খুবই সাধারণ। মোটামুটি ৩০-৩৫ বছর বয়সের পর থেকেই দেখি সবার এগুলোর অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে, এজন্য চিকিৎসকদের অনেক রোগীকে ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট একদম " চলবে " লিখতে দেখি...

কিন্তু দামি সাপ্লিমেন্ট বা ক্যাপসুলের বদলে আমাদের স্বাভাবিক খাবারেই এর দারুণ সমাধান আছে।

​এই চারটি খাবার রোজকার পাতে নিয়মিত রাখুন:
​১. দুধ ও দই: ক্যালসিয়ামের সেরা উৎস, যা হাড়ের মূল ভিত্তি মজবুত করে।

২. কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ: মলা বা পুঁটির মতো ছোট মাছ হাড় সহ খেলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

৩. ডিমের কুসুম: প্রতিদিন একটি ডিমের কুসুম আপনার শরীরের ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

৪. সবুজ শাক: পালং শাক বা অন্যান্য সবুজ পাতাযুক্ত শাকে রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য জরুরি খনিজ।

৫. বিভিন্ন ধরনের বাদাম: বাদামে থাকে সহজে শোষণযোগ্য ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট—যা হাড়ের গঠনে সরাসরি সাহায্য করে।

​নিয়মিত এগুলি খান। এটা শুধু আপনার হাড়কে শক্তিশালী করবে না, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বাড়াবে। সুস্থ থাকতে নিয়মিত খাবারের ওপর ভরসা রাখুন।

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব
মেডিসিন, নবজাতক ও শিশুরোগ এর ডাক্তার।

হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কোন নির্দিষ্ট রোগ নয়, অনেকগুলো রোগের লক্ষণ হিসেবেই উচ্চ রক্তচাপ দেখা যায়। বয়স, পেশা, অবস্...
24/11/2025

হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কোন নির্দিষ্ট রোগ নয়, অনেকগুলো রোগের লক্ষণ হিসেবেই উচ্চ রক্তচাপ দেখা যায়। বয়স, পেশা, অবস্থান, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের উপায় ইত্যাদি নানান অবস্থা মানুষের নরমাল প্রেসার কমবেশি হয়।

গ্রামের দিকে দেখি বেশিরভাগ লোকেই প্রেসার ১২০/৮০ থেকে একটু বেশি হলেই গিয়ে ফার্মেসি থেকে ওসারটিল, বাইজোরান ইত্যাদি নানা রকম ঔষধ একদম মুখস্থ খেয়ে নেয় প্রেসার কমানোর উদ্দেশ্যে!

অনেকে আবার ফার্মেসি ওয়ালার পরামর্শে এরকম ঔষধ বছরের পর বছর খেতেই থাকেন! অথচ কিজন্য খাচ্ছেন কেন খাচ্ছেন কিছু জানেন না!

প্রেসার বেশি/কম হওয়ার হাজারটি কারণ আছে, আপনার কী কারণে প্রেসার বাড়ল/কমল ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নেন। আন্তাজে প্রেসারের ঔষধ খেয়ে জীবন নাশ করবেন না।

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

Address

Chittagong

Telephone

+8801601261635

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব:

Share

Category