ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব ABU MEDICO, PAKKA DOKAN
সোমবার (বিকেল ৫ টা-রাত ৮টা)

ডা. মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান রাকিব।
এমবিবিএস, পিজিটি(নবজাতক ও শিশু), সিএমইউ(আল্ট্রা)
PARKVIEW HOSPITAL
রবি ও মঙ্গলবার (রাত১০টা-সকাল ৮টা)
ISLAMI BANK HOSPITAL
রবি ও মঙ্গলবার (সকাল১০টা-দুপুর ৩টা)
MS.

ভাইরাল "নাভিরজ্জু" 🤣🤣🤣কাপজাপ এই ভাইরাল পোস্ট এর কমেন্টবক্সের হাল দেখে এখন থেকে ডেলিভারির পর পেশেন্ট পার্টি আম্বিলিকাল কর...
29/07/2025

ভাইরাল "নাভিরজ্জু" 🤣🤣🤣

কাপজাপ এই ভাইরাল পোস্ট এর কমেন্টবক্সের হাল দেখে এখন থেকে ডেলিভারির পর পেশেন্ট পার্টি আম্বিলিকাল কর্ড আর প্লাসেন্টা খোঁজা শুরু করলে অবাক হব না 🤣🤣

25/07/2025

পরীক্ষা করে দেখেন 🤣

একটা প্লেন বিধ্বস্ত হলো…হাসপাতালের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাত্র একটা ম্যাসেজ…‘Emergency at Diabari. All who are near, please...
21/07/2025

একটা প্লেন বিধ্বস্ত হলো…
হাসপাতালের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাত্র একটা ম্যাসেজ…
‘Emergency at Diabari. All who are near, please attend.’
তারপর দেখা গেলো—কে ছুটিতে, কে বাসায়, কে ক্লান্ত ডিউটির পর বিশ্রামে—সব ভুলে
যে যেভাবে পেরেছে ছুটে এসেছে রোগীদের পাশে।

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ডাক্তারদের এই দৃশ্য গর্ব করার মতো।
কেউ বলে নাই, "আমি ছুটিতে", কেউ বলে নাই, "আজ আমার অফিস নাই"।
সবাই শুধু একটা কথাই বলেছে—"I’m on the way."

এইটাই ডাক্তার নামের আসল পরিচয়।
মানুষের বিপদে ছুটে আসা, নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ানো।

স্যালুট টু আওয়ার ডক্টরস।
এসব গল্পগুলো সবসময় আড়ালেই থাকে।

📝 Dr. Mohammad Saiful Islam

20/07/2025

আসসালামু আলাইকুম।
আগামীকাল সোমবার থেকে পাক্কা দোকান, মেসার্স আবু মেডিকো তে পূর্বের নিয়মে নিয়মিত রোগী দেখব ইনশা আল্লাহ্।

13/07/2025

একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:

টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বাংলাদেশ সরকার টিসিভি ক্যাম্পেইন পরবর্তী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন সংযোজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তারই প্রেক্ষিতে আগামী ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে(ছেলে + মেয়ে) ১ ডোজ টিসিভি টিকা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
সেজন্য টিকা পেতে হলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন থাকতে হবে।তাই যাদের ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন নাই তারা দ্রুত করে নিন।

অনুরোধক্রমে: সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম

03/07/2025

মনে বড় আশা ছিলো......
✍️ ডা. মু. জামাল উদ্দিন তানিন
রক্তরোগ রক্তক্যান্সার থ্যালাসেমিয়া ও রক্তস্বল্পতা বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম।

রোগীকে প্রথম দেখেছিলাম সম্ভবত ২০১৯ সালে।
আমার ডাক্তার ছাত্রীর আত্মীয়।

তখন আমি সবেমাত্র মহান আল্লহর দয়ায় পোস্টগ্রাজুয়েশন শেষ করে চেম্বার শুরু করেছি চট্টগ্রামে।

থ্যালাসেমিয়া রোগী। মহিলা। বয়স ৫০ এর আগে পরে।

কষ্ট করে নিজের খরচ নিজেই চাকুরি করে চালিয়েছেন। চিকিৎসাটা একটু কম করে হয়েছে।

আমি তখন চট্টগ্রামে থ্যালাসেমিয়ার আইডিয়াল চিকিৎসা নিয়ে যুদ্ধটা সবে শুরু করেছি মাত্র।
এখনকার মত অতটা কনফিডেন্স ছিলোনা।

যাই হোক।
রোগীর দেখলাম চিকিৎসায় আগের চেয়ে বেশ কিছু প্যারামিটারে উন্নতি হচ্ছে। ভালো লাগছিলো।

প্রথম যেদিন দেখেছিলাম রোগীকে সেদিন তিনি বলেছিলেন উনি হাজ্জে যেতে চান। প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তখন আমি হাজ্জ ব্যপারটা বুঝতামনা অত।
ভাবলাম যেতে পারলে যাবেন। আমার দিক থেকে রোগের জন্য কোন বাঁধা নেই। মনে মনে বুঝতে পারছিলামনা টাকা কিভাবে হবে।

রোগী অন এন্ড অফ ফলো আপে আসেন।
মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি হাজ্জের কি খবর।

উনি বলেন টাকা জমাচ্ছেন।

এদিকে মাঝে মাঝে ডিসিসের কন্ট্রোল ছুটে যায়।
আমি শংকিত হই।

নতুন করে হার্টের সমস্যা ধরা পরে।
থ্যালাসেমিয়া রোগীদের আয়রণ কন্ট্রোলে না রাখলে হার্টের সমস্যা মৃত্যুর প্রধাণ কারণ। তার উপর রোগীর হার্টের ভালভে সমস্যা। ভিতরে ভিতরে ব্লক আছে কিনা এটাও চিন্তার বিষয়।

কোথায় হাজ্জ কোথায় কি! জীবন নিয়ে টানাটানি।

তার উপর হার্টের সমস্যা হলে হিমোগ্লোবিন আরেকটু বেশি রাখতে হয়। রক্ত বেশি লাগে। আয়রন বেশি জমে। ভিসিয়াস সাইকেল।

এরই মধ্যেই অবশেষে মহান আল্লহর রহমতে রোগী হাজ্জের টাকা জমিয়ে ফেললেন।
আমিতো খুব অবাক আর খুশি।

কষ্ট করে হাজ্জ করে আসুক।

ওনার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান করে যেন ভালোভাবে হাজ্জ করা যায় সেটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম আমি।আর সম্মানিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ স্যার। প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে লাগলাম সবাই। শুভ দিনের।
প্রভূর ঘরে হাজিরার।

কিন্তু আল্লহর ইচ্ছা আমাদের বোঝা কষ্ট।

হাজ্জ ফ্লাইটের দুই তিনদিন আগে রোগীর সিভিয়ার পেট ব্যথা।
গল ব্লাডারের পাথর আর ইনফেকশন।

কিন্তু থ্যালাসেমিয়া হার্টের অবস্থা সব মিলে অপারেশন করা যাবে কি যাবেনা। জান নিয়েই টানাটানি।

অবশেষে সুস্থ্য হলেন। মহান আল্লাহর কৃপায়।

কিন্তু এরই মধ্যে ওনাকে ফেলে আকাশে উড়াল দিয়েছে বিমান।

কি যে কষ্ট।

ওনার কষ্টটা আমি যেন বুঝতে পারছিলাম।

বুক ফাটা কষ্ট।

একজনের জীবনে আসলে কত পরীক্ষা আসতে পারে?

মানুষ যেখানে আশা হারায়
সেখানে মহান আল্লহ রহমতের সমীরণ সঞ্চারণ করেন।

পরের বছর রোগী আবার হাজ্জের যোগাড় করলেন।

আমি ওনার মনোবল দেখে অবাক হলাম।

কিন্তু শরীরটা যেন আর মানছেইনা। আমি বুঝতে পারছিলাম যে ওনার বয়সটা আসলে বিভিন্ন রোগের ধকল নিতে পারছেনা।

এর মধ্যে হাজ্জের নানা অনিয়ম অসংগতি আর কাফেলার দূর্ভাগ্যজনক প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে খবর পেয়েছি।

উনি অসুস্থ্য মানুষ কিভাবে এই ধকল সামলাবেন।বুঝতেই পারছিলাম না।

ভাবলাম নিষেধ করব কিনা?

কিন্তু মহান আল্লহর ঘরে যেতে তাঁর বান্দাকে নিষেধ করতে মন বাঁধা দিচ্ছিলো।

বিশেষ করে ওনার হাজ্জ নিয়ে যে অপরিসীম আবেগ সেটার বাঁধ ভাঙা প্লাবন থামানো অসম্ভব। সেটাও বুঝতে পারছিলাম।

যিনি সৃষ্টি করেছেন, যিনি রোগ দিয়েছেন,
যিনি তাঁর ঘরে আসার ডাক দিয়েছেন

তিনিই সহজ করে দিবেন...
এটা ভেবে আর কিছু বললামনা।

মনটা খচখচ করতে লাগলো।

যাবার সময় কাছে আসতে আবার নতুন বিপদ।নতুন পরীক্ষা...

বেশ ভালো ডায়াবেটিস ধরা পড়লো।

নতুন ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধ, ইনসুলিন, নিয়ম কানুনে অভ্যস্ত হওয়া খুব কঠিন। তার উপর হার্টের সমস্যা। তার উপর থ্যালাসেমিয়া।

এ যেন উপর্যুপরি বিপদের উপর বিপদের এক কঠিন বাস্তবতা ।

তবু রোগীর জেদ থামেনা।
উনি যাবেনই যাবেন। মরলে ওখানেই মরবেন।

আর হয়তো
সেই ঈমানের জোড়েই
ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের নবনির্মিত কাবার পাশ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া আহবানে সাড়া দিয়ে

অবশেষে

আমার রোগী

কাবার শুভ্র মাতাফে দাঁড়িয়ে
আমি হাজির হে আল্লহ আমি হাজির
বলে আসলেন।

আরাফাহর ময়দানে দুআ করে আসলেন।

মিনা মুজদালিফা জামারায়
হাজার বছর ধরে চলে আসা একত্ববাদের ঘোষণায় নিজেকে শামিল করে আসলেন।

মহান আল্লহর কৃপায় কাবার কালো গিলাফ
আর মাসজিদে নববীর সবুজ গুম্বজ দর্শনের অনন্যসাধারণ সৌভাগ্য লাভ করলেন।

সেখান থেকে এই অধমের জন্য নিয়ে আসলেন এই জায়নামাজ।

"স্যার, রিয়াদুল জান্নাহয় তিনবার সলাত পড়েছি।"
বলতে বলতে

রোগীর চোখে যে খুশিটা দেখলাম।

আহ.....

আমিও যদি এমন সুযোগ পেতাম.....

কবির ভাষায় বললে.....

আমি যদি আরব হতাম....

কিংবা মনে বড় আশা ছিলো......

( যাদের সামর্থ্য আছে সুস্থ্য থাকতে থাকতে হাজ্জে যান।
মহান আল্লহকে বলুন বারবার। তিনিই সহজ করে দিবেন।
আমার এই রোগীর হাজ্জ আমাকে বুঝিয়ে দিলো...

মানুষ আসলে হাজ্জ করেনা...
মহান আল্লহ তাঁর দাসকে দয়া করে হাজ্জ করান।

মহান আল্লহ আমাদের সবাইকে এমন সৌভাগ্যবান দাস হওয়ার তৌফিক দিন।

আমিন।

01/07/2025

বরবাদ মুভির একটা অংশ।

যাই হোক, সাকিব খান ব্রি খাচ্ছেন, হাসপাতালে। নায়িকা ক্রিটিকাল, আহত নায়িকার চিকিৎসা দিচ্ছেন ডাক্তার।

একজন সম্মানিত নার্স সাকিব খানকে ভদ্রভাবে বললেন যে এটা হাসপাতাল এলাকা, এখানে এভাবে ধূমপান করা নিষেধ।

সাকিব খান খুব তাচ্ছিল্য নিয়ে তাকালেন, শেষ টান দিলেন তারপর জ্বলন্ত ব্রি থু করে ছুঁড়ে দিলেন সম্মানিত নার্সের বুক লক্ষ্য করে। এরপর আরেকটি নতুন ব্রি ধরিয়ে জানান দিলেন উনার ক্ষমতা।

ডাক্তার যদি একটি হাসপাতালের শরীর হন, আমাদের সম্মানিত নার্সগণ হলো সেই শরীরের রক্ত। উনারা আমাদের হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নার্সিং একটি অত্যন্ত পবিত্র পেশা। একজন সচেতন চিকিৎসক হিসেবে আমি আমার শিক্ষাগুরু এবং সম্মানিত নার্সবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তাঁদের সম্মানের প্রতি সচেতন।

সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এই সিন আমাদের নার্সিং সেবায় নিয়োজিত হাজারো মা-বোন-কন্যার কর্মস্থলকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে বলে আমার আশংকা।

টেনে টেনে দেখে পুরো মুভিতে নায়ক কে আর ভিলেন কে সেটা নিয়ে খুবই কনফিউজড হলাম। খারাপ কাজে দুপক্ষ পাল্লা দিয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতাকে ডাল-ভাত করে ফেলা হয়েছে। ধূমপান বা মদ্যপানের সিন থাকলে নিচে লেখা থাকছে যে এটা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা বা অন্যান্য সহিংসতার ক্ষেত্রে এরকম কোনও সতর্ক বার্তা দেখানো হয় না।

ব্যক্তিজীবনে সাকিব খান দুজন নারী ও দুজন শিশুর অধিকারকে খর্ব করছেন। সেটা নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। আমি অন্তত হলে গিয়ে পয়সা দিয়ে উনার সিনেমা দেখব না। এইভাবে প্রতিবাদ জানাব।

নারী, শিশু ও অবলা প্রাণীদের প্রতি সহিংসতা, বাস্তবে বা পর্দায় প্রদর্শনের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবী। এসব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স থাকা উচিৎ। এই উপমহাদেশের সিনেমায় এসব উপাদান প্রচুর। টাইম লাইন খেয়াল করে দেখবেন এ ধরনের তামিল, হিন্দি ও স্বদেশী মারদাঙ্গা ছবি জনপ্রিয়তার গ্রাফ উর্ধ্বমুখী হওয়ার সাথে সাথে সহিংসতার মাত্রা ও প্রকোপও বাড়ছে।

©️ Mukit Osman - মুকিত ওসমান

28/06/2025

অনিবার্য কারণে ৩০/০৬/২০২৫, ০৭/০৭/২০২৫ এবং ১৪/০৭/২০২৫ ইং তারিখ, রোজ সোমবার আমার পাক্কা দোকান, চন্দনাইশ এর চেম্বার বন্ধ থাকবে।

এই সময়ের মধ্যে একান্ত প্রয়োজনে চিকিৎসা নিতে চাইলে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে আমার সেবা নিতে পারেন। অনলাইনে চিকিৎসা নেওয়ার নিয়মাবলী এই পেইজের পিন পোস্টে সংযুক্ত আছে।

সম্মানিত রোগীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত। ।

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

26/06/2025

©️

26/06/2025
25/06/2025

🤭🤭🤭

23/06/2025

নবজাতক কিংবা শিশুদের বিভিন্ন রোগের একটা কমন লক্ষণ হলো খিঁচুনি। এটা একটা মেডিকেল ইমার্জেন্সী। খিঁচুনি দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

তবে, ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই -

১) প্যানিক করবেন না। অভিভাবকেরা দিশেহারা হয়ে পড়লে চিকিৎসা বিলম্বিত হয়।

২) বাচ্চার খিঁচুনি হলে তাকে নিরাপদ স্থানে কাত করে শুইয়ে দিন। আশেপাশের ধারালো বা বিপদজনক বস্তু, দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি দূরে সরিয়ে রাখুন।

৩)কিছু মুখে দিবেন না। পানি, ওষুধ, চামচ, লেবু, লোহা কিছুই দিবেন না।

৪)খিঁচুনি কত সময় ধরে হচ্ছে সেটা নোট করুন। চিকিৎসা কেমন দেওয়া হবে - সেটা এই সময়ের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই কতক্ষন সময়জুড়ে খিঁচুনি হচ্ছে সেটা খেয়াল রাখুন।

৫) শ্বাস - প্রশ্বাসের দিকে খেয়াল রাখুন।

৬) সম্ভব হলে আশেপাশে কাউকে ভিডিও করে রাখতে বলুন। কারণ খিঁচুনি অনেক ধরনের হয়ে থাকে এবং প্রকারভেদে এগুলা একেকটার চিকিৎসা পদ্ধতি ও ভিন্ন। তাই ভিডিও করে রাখলে সেটি দেখে চিকিৎসকদের চিকিৎসা নির্ধারণ করতে সুবিধে হয়।

সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

- ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব

Address

Chittagong

Telephone

+8801601261635

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা. মোঃ মকছুদুর রহমান রাকিব:

Share

Category