Riku Health Care

Riku Health Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Riku Health Care, Medical and health, Chittagong.

সবাইকে "রিকু হেলথ কেয়ার" এর পক্ষ থেকে অনেক শুভেচ্ছা। আমি প্রতিদিন বিভিন্ন রোগ নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য ভিডিও আপলোড করে থাকি।আমি একজন প্যারামেডিক চিকিৎসক, ট্রেনিং সহ আজ ২৭ বছর চলতেছে
সবাই আমার জন্য আশীর্বাদ করবে আমি আপনাদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে করতে চাই

11/09/2025

সুস্থ থাকতে হলে দৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যস্ত জীবনের ফাঁকেও যদি আমরা কিছু নিয়ম মেনে চলি, তাহলে সহজেই অনেক রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

১. প্রতিদিন সকালের শুরু হোক এক গ্লাস পানি দিয়ে:
রাতভর ঘুমের পর শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এক গ্লাস পানি খেলে শরীরের বিপাক ক্রিয়া (metabolism) ঠিকভাবে কাজ করতে শুরু করে।

২. ব্যায়াম করুন অন্তত ৩০ মিনিট:
প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটাহাঁটি, জগিং, যোগব্যায়াম বা হালকা স্ট্রেচিং করলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং মানসিক চাপও কমে।

৩. স্বাস্থ্যকর খাবার খান:
ফাস্ট ফুড বা তেল-মসলাযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। তার বদলে প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল, দানাদার খাবার এবং প্রচুর পানি খান।

৪. ঘুম হোক পর্যাপ্ত ও নিয়মিত:
প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম খুব দরকার। ঘুম ঠিক না হলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

৫. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন:
প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝে নিজের জন্য সময় বের করুন। প্রিয় কাজ করুন, পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং নিন।

02/08/2025

#জন্ডিস #রোগ

31/07/2025

Welcome
31/07/2025

Welcome

31/07/2025

🌿 স্বাস্থ্যই সম্পদ 🌿
নিজেকে ভালো রাখতে হলে, স্বাস্থ্যকে ভালোবাসুন।
প্রতিদিন সঠিক খাবার খান, বিশ্রাম নিন, ব্যায়াম করুন
আর মানসিক শান্তির জন্য একটু সময় রাখুন।
সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন, জীবন হোক সুন্দর! 💚

11/07/2025

ডায়রিয়াসহ খাদ্যবাহিত রোগের অন্যতম কারণ জীবাণু সংক্রমণ। জীবাণু সংক্রমণ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় যথাযথ নিয়মে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে বারবার হাত ধোয়া।

....জলাতঙ্ক... জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, র‌্যাবিস ভাইরাস ঘটিত একটি মারাত্মক রোগ হলো জলাতঙ্ক। আমাদের দেশে ...
27/01/2025

....জলাতঙ্ক...

জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, র‌্যাবিস ভাইরাস ঘটিত একটি মারাত্মক রোগ হলো জলাতঙ্ক। আমাদের দেশে জলাতঙ্ক রোগে বছরে প্রায় ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। জলাতঙ্কের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার প্রায় শতভাগ। অর্থাৎ রোগলক্ষণ একবার প্রকাশ পেলে রোগীকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব। জলাতঙ্ক সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই জেনে রাখা জরুরি।

কুকুরের আঁচড় বা কামড়ের পর দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জলাতঙ্ক ও ধনুষ্টংকারের টিকা গ্রহণ করা উচিত।

যেকোনো সময় পাগলা কুকুরের আক্রমণের শিকার হতে পারে যে কেউ। এ ছাড়া সাধারণ কুকুরকে বিরক্ত করলেও কামড় দিতে পারে। বছরের এই সময় কুকুরের আক্রমন বেড়ে যায় তাই কুকুরকে উত্ত্যক্ত না করে সতর্কভাবে চলাচল করা উচিত।

পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে, দেশে কুকুরের আক্রমণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসে। তবে অন্য সময়ও এটা হতে পারে। রাস্তাঘাটে কুকুরের আক্রমণের শিকার হলে ভীত না হয়ে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

জলাতঙ্ক যেভাবে ছড়ায়
কুকুর, শিয়াল, বিড়াল, বানর, বেঁজি, বাদুড় ইত্যাদি র্যাবিস জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে এবং আক্রান্ত উল্লেখিত প্রাণি মানুষকে কামড়ালে মানুষের এ রোগ হয়। এসব আক্রান্ত প্রাণির মুখের লালায় র্যাবিস ভাইরাস থাকে। এ লালা পুরোনো ক্ষতের বা দাঁত বসিয়ে দেওয়া ক্ষতের বা সামান্য আঁচড়ের মাধ্যমে রক্তের সংস্পর্শে এলে রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশে শতকরা ৯৫ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয় কুকুরের কামড়ে।

জলাতঙ্কের লক্ষণ
সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে।

অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।

এছাড়া পানির পিপাসা খুব বেড়ে যাবে, তবে পানি খেতে পারবে না। পানি দেখলেই আতঙ্কিত হবে, ভয় পাবে। আলো-বাতাসের সংস্পর্শে এলে আতঙ্ক আরও বেড়ে যাবে। খাবার খেতে খুবই কষ্ট হবে, খেতে পারবে না। শরীরে কাঁপুনি, মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ হবে। কণ্ঠস্বর কর্কশ হতে পারে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাবে, আক্রমণাত্মক আচরণ দেখা দেবে।

সন্দেহজনক প্রাণি কামড় বা আঁচড় দিলে যা করবেন
কুকুরে কামড়ালে প্রথমে ক্ষতস্থান চেপে ধরুন, যেন রক্তপাত বন্ধ হয়।

সন্দেহভাজন প্রাণি কামড়ানো বা আঁচড়ানোর সাথে সাথে ক্ষতস্থানটি ১০-২০ মিনিট ধরে সাবান ও প্রবহমান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার পর পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণ দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে কোনো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করতে পারেন ক্ষতটি ভালোভাবে পরিষ্কারের জন্য। অথবা ক্লোরহেক্সিডিন বা পোভিডোন আয়োডিন দিয়ে ক্ষতস্থানটিকে ভালো করে ওয়াশ করতে হবে। এতে ৭০-৮০% জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়।

এরপর অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে অথবা নিকটবর্তী হাসপাতালে নিতে হবে।

চিকিৎসকের পরামর্শ মতো র্যাবিস ভ্যাকসিন নিতে হবে। সাধারণত প্রথম দিন দেওয়ার পর ৩, ৭, ১৪ ও ২৮তম দিনে মোট ৫টি ডোজে ভ্যাকসিন দিতে হয়। ক্ষেত্রবিশেষে হিউম্যান র্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিনও দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

ক্ষতস্থানে যা করা যাবে না
ক্ষতস্থানে কোনো স্যালাইন, বরফ, চিনি, লবণ ইত্যাদি ক্ষারক পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। বাটিপড়া, পানপড়া, চিনিপড়া, মিছরিপড়া, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি জলাতঙ্কের হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারে না।

ক্ষতস্থান কখনোই অন্য কিছু দিয়ে কাটা, চোষণ করা বা ব্যান্ডেজ করা যাবে না। এতে বরং ইনফেকশন হতে পারে। ক্ষতস্থানে বরফ, ইলেকট্রিক শক দেওয়া যাবে না কিংবা হাত-পা বাঁধাও যাবে না।

কোনো কবিরাজ বা ওঝার শরণাপন্ন হয়ে কোনো অবৈজ্ঞানিক কিংবা অপচিকিৎসা গ্রহণ করে সময় ক্ষেপণ করবেন না।

যেসব প্রাণির কামড়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই
ইঁদুর, খরগোশ, কাঠবিড়ালী, গুঁইসাপ ইত্যাদি কামড় দিলে র্যাবিস ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে টিটেনাস ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

বিশেষ অবস্থায় ভ্যাকসিন নিতে সমস্যা হবে কি
গর্ভাবস্থায়, মায়ের স্তন্যদানকালে, অন্য যেকোনো অসুস্থতায়, ছোট বাচ্চা বা বৃদ্ধ ব্যক্তি এরকম কোনো বিশেষ অবস্থায় জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে কোনো সমস্যা নেই।

ভারটিগো কেন হয়?ভারটিগোর মূল কারণ হলো ভেস্টিবুলার সিস্টেমে (কানের ভারসাম্য রক্ষাকারী অংশ) কোনো সমস্যা। এর কিছু প্রধান কার...
25/01/2025

ভারটিগো কেন হয়?

ভারটিগোর মূল কারণ হলো ভেস্টিবুলার সিস্টেমে (কানের ভারসাম্য রক্ষাকারী অংশ) কোনো সমস্যা। এর কিছু প্রধান কারণ হলো:

1. কানের সমস্যা:
বিনাইন পজিশনাল পারক্সিসমাল ভার্টিগো (BPPV): মাথার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে হয়।
ভেস্টিবুলার নিউরাইটিস: কানের ভেস্টিবুলার নার্ভে সংক্রমণ বা প্রদাহ।
মেনিয়ার রোগ: কানের ভেতরে অতিরিক্ত তরল জমে।

2. মস্তিষ্কের সমস্যা:
স্ট্রোক বা রক্ত সঞ্চালনের বাধা।
টিউমার বা অন্য কোনো স্নায়বিক সমস্যা।

3. মাইগ্রেন:
মাইগ্রেনের সময় অনেক সময় ভার্টিগো হতে পারে।

4. ডিহাইড্রেশন বা লো ব্লাড প্রেশার:
শরীরে পানির অভাব বা রক্তচাপ কমে গেলে মাথা ঘোরা অনুভূত হয়।

5. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
কিছু সেডেটিভ বা এন্টিবায়োটিকের কারণে ভার্টিগো হতে পারে।

লক্ষণ...
মাথা ঘোরা বা পরিবেশ ঘোরার অনুভূতি।
ভারসাম্যহীনতা।
বমি বা বমি বমি ভাব।
কানে শব্দ হওয়া (টিনিটাস)।
কানে চাপ অনুভব।

চিকিৎসা ও পরামর্শ
১. কারণ নির্ণয়:
চিকিৎসক আপনার কানের পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা, বা MRI স্ক্যানের মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করবেন।

২. চিকিৎসা পদ্ধতি:
BPPV-এর জন্য:
Epley Maneuver: বিশেষ ধরনের মাথার অবস্থান পরিবর্তন করে কানের ক্রিস্টাল ঠিক করা হয়।

মেনিয়ারের রোগ:
লো-সোডিয়াম ডায়েট এবং ডাইইউরেটিক ওষুধ।

ইনফেকশন বা নিউরাইটিস:
এন্টিবায়োটিক বা এন্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ।

মাইগ্রেন:
মাইগ্রেনের ওষুধ এবং ডায়েট কন্ট্রোল।

দ্রুত মাথা ঘোরা কমানোর জন্য:
Prochlorperazine বা Betahistine ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

৩. ব্যায়াম:
ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন এক্সারসাইজ।

৪. জীবনধারা পরিবর্তন:
পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
হঠাৎ করে মাথা বা শরীরের অবস্থান পরিবর্তন করবেন না।
ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

পরামর্শ...
যদি ভার্টিগো কয়েকদিন স্থায়ী হয় বা তীব্র হয়, তবে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ (ইএনটি বা নিউরোলজিস্ট) এর পরামর্শ নিন।

ভার্টিগো পুনরাবৃত্তি এড়াতে জীবনধারা এবং খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন।

ব্যায়ামের মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষার ক্ষমতা বাড়ান।

প্রয়োজনে আপনার অবস্থার বিস্তারিত জানালে আরও সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিতে পারি।

@ডিসেনট্রি (Dysentery)@ডিসেনট্রি হলো একটি সাধারণ অন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ, যা সাধারণত ডায়রিয়া, পেটব্যথা এবং মলের সাথে ...
20/01/2025

@ডিসেনট্রি (Dysentery)@

ডিসেনট্রি হলো একটি সাধারণ অন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ, যা সাধারণত ডায়রিয়া, পেটব্যথা এবং মলের সাথে রক্ত বা পুঁজ মেশানো দ্বারা চিহ্নিত হয়। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী দ্বারা হয়।

ডিসেনট্রির প্রকারভেদ.....

1. ব্যাসিলারি ডিসেনট্রি:
কারণ: শিগেলা (Shigella) নামক ব্যাকটেরিয়া।
উপসর্গ: উচ্চমাত্রার জ্বর, রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা, তীব্র পেটব্যথা।

2. আমিবিক ডিসেনট্রি:
কারণ: এন্টামিবা হিসটোলিটিকা (Entamoeba histolytica) নামক পরজীবী।
উপসর্গ: মলের সাথে রক্ত এবং পুঁজ মিশ্রণ, মাঝারি জ্বর, দীর্ঘস্থায়ী পেটের ব্যথা।

ডিসেনট্রির লক্ষণ....
মলের সাথে রক্ত বা পুঁজ মেশানো।
পাতলা পায়খানা।
পেটব্যথা।
তীব্র জ্বর।
বমি বমি ভাব।
শরীরের পানিশূন্যতা।

প্রধান কারণসমূহ....
দূষিত খাবার এবং পানীয়।
অপরিষ্কার হাত ধোয়ার অভ্যাস।
সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা।
অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা।

চিকিৎসা
ডিসেনট্রির চিকিৎসা রোগের কারণ ও মাত্রার উপর নির্ভর করে।
১. ওষুধ
ব্যাসিলারি ডিসেনট্রি:
এন্টিবায়োটিক: সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন ইত্যাদি।

আমিবিক ডিসেনট্রি:
এন্টি-আমিবিক ওষুধ: মেট্রোনিডাজল, টিনিডাজল।

২. প্রাকৃতিক সেবা এবং ঘরোয়া পরিচর্যা
পর্যাপ্ত পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট সমাধান (ORS) গ্রহণ করুন।
হালকা এবং সহজপাচ্য খাবার (যেমন ভাত, কলা, দই)।
সম্পূর্ণ বিশ্রাম।

৩. পানিশূন্যতার চিকিৎসা.…
গুরুতর অবস্থায় স্যালাইন দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা...
খাবার ও পানীয় পরিষ্কার রাখুন।
প্রতিবার খাবারের আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে হাত ধুয়ে নিন।
স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নতি করুন।
কাঁচা খাবার ও দূষিত পানি এড়িয়ে চলুন।

গুরুত্বপূর্ণ:
ডিসেনট্রি দীর্ঘস্থায়ী বা জটিল আকার ধারণ করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Riku Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram