OASIS Health Care Centre

OASIS Health Care Centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from OASIS Health Care Centre, Medical and health, Beside Boro Mia Mosjid, K. B. Aman Ali Road , Bakalia , Chawkbazar, Chittagong.

নিরাপদ কসমেটিক খৎনা;
মেডিসিন,শিশু,ডায়াবেটিস,চর্ম ও যৌন রোগ,মহিলা ও প্রসূতি সমস্যা,বাত-ব্যাথা,নিউরলজিকাল সমস্যা,গেস্ট্রোলজিকাল সমস্যা,লিভার ও কিডনি বিষয়ক পরামর্শ,অনিয়মিত মাসিক,থায়রয়েড ও হরমোন এর সমস্যা

কসমেটিক খতনা:1.সেলাই লাগেনা2.ব্যাথা খুব কম3.রক্তপাত প্রায় নেই4.ইনফেকশন ঝুকি কম #খতনা #চট্রগ্রাম #কসমেটিক #রক্তপাতবিহিন #...
11/12/2025

কসমেটিক খতনা:
1.সেলাই লাগেনা
2.ব্যাথা খুব কম
3.রক্তপাত প্রায় নেই
4.ইনফেকশন ঝুকি কম

#খতনা
#চট্রগ্রাম
#কসমেটিক
#রক্তপাতবিহিন
#সেলাই লাগেনা
#চকবাজার
#বাকলিয়া

রোগী এসেছিলেন প্রায় 1 বছর ধরে খাওয়ায় অরুচি সমস্যা নিয়ে।হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম উনার লাস্ট এক বছরে প্রায় ৬/৭ বার বিভিন্ন ধরন...
10/12/2025

রোগী এসেছিলেন প্রায় 1 বছর ধরে খাওয়ায় অরুচি সমস্যা নিয়ে।হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম উনার লাস্ট এক বছরে প্রায় ৬/৭ বার বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশন যেমন ইউরিন ইনফেকশন;ফুসফুস ইনফেকশন ইত্যাদি হয়েছিল।রোগীর ইতিহাস এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখলাম রোগীর CLD /লিভারে রোগ হয়েছে।

লিভারের সমস্যা/লিভারের রোগ-

⭐ Chronic Liver Disease (CLD) – লক্ষন ও জটিলতা:

📌 Chronic Liver Disease কী?
যখন লিভারের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ বা ক্ষতির কারণে লিভারের গঠন ও কাজের ধীরে ধীরে অবনতি ঘটে, তখন তাকে ক্রনিক লিভার ডিজিজ বলা হয়। এর ফলে লিভারে ফাইব্রোসিস ও পরে সিরোসিস হতে পারে।

🩺 CLD-এর লক্ষন-
1️⃣ প্রাথমিক বা আরলি ফিচার-
প্রাথমিক অবস্থায় লক্ষণগুলো খুব কম দেখা যায়, যেমন—
দুর্বলতা ও ক্লান্তি
ক্ষুধামন্দা
ওজন কমে যাওয়া
হালকা বমি বমি ভাব
পেটের অস্বস্তি
2️⃣ অ্যাডভান্সড ফিচার-
➡️যখন লিভারের ক্ষতি বাড়ে, তখন স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়—
✔ জন্ডিস (Jaundice)
চোখ ও চামড়া হলুদ হয়ে যাওয়া
গা চুলকানো
✔ শরীরে পানি জমা-
পা ফোলা
পেট ফোলা (Ascites)
✔ মালনিউট্রিশন
⏩️মাংসপেশি কমে যাওয়া (Muscle wasting)
⏩️শরীর শুকিয়ে যাওয়া
✔ Spider Angioma
ত্বকের ওপর মাকড়সার মতো লাল দাগ
✔ Palmar Erythema
হাতের তালুর লালচে রং
✔ Gynaecomastia
পুরুষদের স্তনে চর্বি জমা
✔ Testicular atrophy
পুরুষদের অন্ডকোষ ছোট হয়ে যাওয়া
✔ Hepatomegaly বা Small Shrunken Liver
শুরুতে লিভার বড় হতে পারে
পরে লিভার ছোট ও শক্ত হয়ে যায় (cirrhosis)

⚠ CLD-এর জটিলতা (Complications)🔻
1️⃣ Portal Hypertension
লিভারের ভেতর চাপ বেড়ে গেলে—
ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসিস (রক্তনালীর ফুলে যাওয়া)
ভ্যারিসিয়াল ব্লিডিং → বমিতে রক্ত আসা
স্প্লিন বড় হওয়া (Splenomegaly)
পেটের পানি (Ascites)

2️⃣ Ascites
পেটে পানি জমা
পেট ফুলে যাওয়া
সংক্রমণের ঝুঁকি (SBP – Spontaneous Bacterial Peritonitis)

3️⃣ Hepatic Encephalopathy
লিভার বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে ফেলতে না পারলে মস্তিষ্কে প্রভাব পড়ে—
ঘুম ঘুম ভাব
বিভ্রান্তি
হাত কাঁপা (Asterixis)
আচরণ বা ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন
গুরুতর হলে কোমা

#লিভারের রোগ
Disease
#পেটে সমস্যা
#পেটে পানি জমা
#রক্ত বমি
Vomit
Parkview Hospital Chittagong

Dr.Enamul Kabir Tanvir

আমাদের হাস্পাতালের একজন সিকিউরিটি অফিসার এসেছিলেন পিটে একটা গোটার মত সমস্যা নিয়ে.মাঝে মধ্যে ব্যাথা করে;ফোলে উঠে;আবার মাঝ...
02/12/2025

আমাদের হাস্পাতালের একজন সিকিউরিটি অফিসার এসেছিলেন পিটে একটা গোটার মত সমস্যা নিয়ে.মাঝে মধ্যে ব্যাথা করে;ফোলে উঠে;আবার মাঝে মাঝে পুজ বের হয়।
রোগের নাম-এপিডার্মাল সিস্ট

✨ এপিডার্মাল সিস্ট (Epidermal Cyst) —
এপিডার্মাল সিস্ট হলো ত্বকের নিচে তৈরি হওয়া নরম, ছোট, সাধারণত ব্যথাহীন একটি গুটি।

🔍 লক্ষণ:
• ত্বকের নিচে ছোট গোল গুটি
• চাপ দিলে নরম লাগে
• মাঝে মাঝে সাদা/হলুদ পদার্থ বের হয়
• ইনফেকশন হলে ব্যথা ও লালভাব হয়।

📌 কেন হয়?
• ত্বকের মৃত কোষ আটকে যাওয়া
• চুলের ফলিকল ব্লক
• ত্বকের আঘাত
• তৈলাক্ত ত্বক

🩺 চিকিৎসা
• পুরোপুরি সরাতে ছোট অপারেশন
❌ নিজে চাপ দিয়ে ফাটাবেন না

Dr.Enamul Kabir Tanvir

৩৪ বছরের একজন মহিলা এসেছিলেন কণ্ঠস্বরের সমস্যা নিয়ে!কিছক্ষন কথা বললে গলা বসে যায়।বেশি জোরে কথা বললে স্বর বদলে যায়।ইতিহাস...
01/12/2025

৩৪ বছরের একজন মহিলা এসেছিলেন কণ্ঠস্বরের সমস্যা নিয়ে!কিছক্ষন কথা বললে গলা বসে যায়।বেশি জোরে কথা বললে স্বর বদলে যায়।ইতিহাস ও পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখলাম উনার vocal cord এ পলিপ হয়েছে।

🌿 ভোকাল কর্ড পলিপ:
🟡ভোকাল কর্ড পলিপ (Vocal Cord Polyp) হলো কণ্ঠনালীর ওপরের দিকে তৈরি হওয়া ছোট মাংসপিণ্ড বা স্ফীতি, যা সাধারণত ভোকাল কর্ডের অতিরিক্ত ব্যবহার, চিৎকার, ধূমপান, অ্যালার্জি বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে হয়ে থাকে।
এটি যদিও ক্যান্সার নয়, কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা না হলে কণ্ঠের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

🔍 ভোকাল কর্ড পলিপ কেন হয়?
✔ অতিরিক্ত ভয়েস ইউজ
➡️বেশি কথা বলা
➡️জোরে বা চিৎকার করে কথা বলা
⏩️গান গাওয়া বা পাবলিক স্পিকিং
✔ ধূমপান
⚫️সিগারেটের উত্তাপ ও কেমিক্যাল ভোকাল কর্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করে
✔ অ্যাসিড রিফ্লাক্স (GERD)
⚫️পাকস্থলীর অ্যাসিড বারবার গলায় উঠে এলে কর্ডে জ্বালা ও প্রদাহ হয়
✔ অ্যালার্জি
⚫️দীর্ঘমেয়াদি অ্যালার্জিতে কর্ডে ইরিটেশন তৈরি হয়
✔ ভাইরাল ল্যারিনজাইটিস
⚫️গলা ইনফেকশনের পরে পলিপ দেখা দিতে পারে

🔍 ক্লিনিক্যাল ফিচার / উপসর্গ :🔻🔻
১️⃣ কণ্ঠ ভেঙে যাওয়া (Hoarseness of Voice)
🔘এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রাথমিক উপসর্গ।
২️⃣ গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি
🔘মনে হয় কর্ডে কিছু লেগে আছে।
৩️⃣ গলা ব্যথা বা অস্বস্তি
🔘কথা বললে বা গান গাইলে বৃদ্ধি পায়।
৪️⃣ ভয়েস ফ্যাটিগ (Voice Fatigue)
🔘অল্প কথা বললেই গলা ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
5️⃣ বারবার কাশি বা গলা পরিষ্কার করতে ইচ্ছা
6️⃣ স্বরের পিচ পরিবর্তন
স্বরের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

⚠️ জটিলতা (Complications):
চিকিৎসা না করলে—
❗ ১. স্থায়ী কণ্ঠ পরিবর্তন
*️⃣স্বর চিরতরে খসখসে বা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
❗ ২. ভোকাল কর্ডে স্কার (Scar) তৈরি হওয়া
*️⃣যা কণ্ঠের মান স্থায়ীভাবে নষ্ট করতে পারে।
❗ ৩. ভয়েস এফিসিয়েন্সি কমে যাওয়া
*️⃣কম শক্তিতে কম শব্দ উৎপন্ন হয়; পেশাদার গায়ক, শিক্ষক ও বক্তাদের জন্য বড় সমস্যা।
❗ ৪. একাধিক ল্যারিনজিয়াল সমস্যা তৈরি হওয়া
যেমন নডিউল বা ক্রনিক ল্যারিনজাইটিস।
❗ ৫. মানসিক চাপ বা আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া
*️⃣দীর্ঘদিন কণ্ঠের সমস্যায় মানুষ উদ্বেগে ভোগে।

🌿 প্রতিরোধের উপায় (Prevention)
🔵জোরে বা চিৎকার করে কথা বলা এড়িয়ে চলা
🔵পর্যাপ্ত পানি পান
🔵ধূমপান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ
🔵রিফ্লাক্স থাকলে সময়মতো চিকিৎসা

Dr.Enamul Kabir Tanvir

[ সবার জন্য লেখাটা পড়া ফরজ। ইয়ং ছেলে-মেয়েরা যে টুপটাপ চোখের সামনে মরে যাচ্ছে - এই তার কারণ ] চর্বি  ভাল না খারাপ.....আমর...
22/11/2025

[ সবার জন্য লেখাটা পড়া ফরজ। ইয়ং ছেলে-মেয়েরা যে টুপটাপ চোখের সামনে মরে যাচ্ছে - এই তার কারণ ]

চর্বি ভাল না খারাপ.....আমরা যারা চল্লিশ বা চল্লিশ ছুই..ছুই....

ছবিটা আমার রোগীর
যার TG LEVEL 5000

ডায়েট সিরিজ: Transfat/ট্রান্সফ্যাট
গোরুর মাংস/চর্বি? সয়াবিন তেল? কতটুকু খারাপ ? নাকি ভালো? নাকিদুটোই ভালো?
=================
চর্বির কারণে বুকে কি ব্লক হয়? নাকি হয় না? কতটুকু পর্যন্ত এলাউড? আসুন ডিটেইলস এ যাই।
=================
চর্বির অনেক প্রকারভেদ আছে। চর্বি মানেই খারাপ না। চর্বি বা তেল একটা ন্যাচারাল খাদ্য। মানুষ হাজার বছর ধরে খেয়ে আসছে, এটা সাদা চিনির মত না। তখন কিন্তু কারো বুকে ব্লক হয়নি কিন্তু গত ১০০ বছর ধরে হচ্ছে। কারণ কী?
=============

১. প্রথমে আসি কোলেস্টেরল প্রসঙ্গে। কোলেস্টেরল হলো চর্বি/তেলের সেই অংশ, যা বুকের আর্টারিতে জমে ব্লক হয় কিন্তু কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ আছে। শুধুমাত্র এলডিএল কোলেস্টেরলটা খারাপ যেটা যেটা বুকে জমে কিন্তু অন্য কোলেস্টেরল (যেমন: এইচডিএল) কিন্তু খারাপ না, ওগুলো বুকে জমে না। এইচডিএল কোলেস্টেরল তো ভালো কোলেস্টেরল, যেটা খারাপটাকে ধ্বংস করে।

তাহলে, আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, যে আপনি যেন খারাপ কোলেস্টেরলটা (এলডিএল) লিমিট করতে পারেন, মানে কম খান। আর কিছু না।

২. তেল বা চর্বির দুই নাম্বার কনসার্নড জিনিস হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট। মানে ফ্যাট পরমানুটার কার্বন লিংকে হাইড্রোজেন বসে এটা স্যাচুরেটেড হয়ে গেছে, কোনো জায়গা খালি নাই তার। এই স্যাচুরেটেড ফ্যাটের একটা ছোট অংশ 'খারাপ কোলেস্টেরল' এ পরিণত হয়, হজমের পর। তাই এটা কম খেতে হবে। লিমিটটা পরে বলছি।

৩. এবার আসে সবচেয়ে বিষাক্ত ফ্যাট এ। যেটা ন্যাচারাল না। যেটা সমগ্র পৃথিবীতে বুকে ব্লকের অন্যতম প্রধান কারণ। সেটা হলো ট্রান্সফ্যাট।
দুটো স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনু যুক্ত হয়ে এই ট্রান্সফ্যাট হয়। মানে এটা ডাবল স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এটা ন্যাচারালি কোনো তেলেই সেভাবে থাকে না। ট্রেস এমাউন্ট থাকে, যেটুকু মানুষের ক্ষতি করে না।

কিন্তু এই ফ্যাট ডাইরেক্ট বুকের ভিতরে গিয়ে জমে ব্লক হয়। সামান্য একটু খেলেই ব্লক। এটা একই সাথে 'খারাপ কোলেস্টেরল'কে বৃদ্ধি করে, আবার ভালো কোলেস্টেরলকে কমিয়ে দেয়। একই সাথে এই ট্রান্সফ্যাট ইনফ্ল্যামেটরি। মানে যেখানে জমে , সেই জায়গাটা ফুলে যায়।

মানে সামান্য একটু ট্রান্সফ্যাট মনে করেন বুকের আর্টারিতে গিয়ে জমলো। মনে করেন ১০% ব্লক হবার কথা কিন্তু এটা ফুলে গিয়ে (ভলিউম এক্সপ্যানশন) ৩০% হয়ে যাবে আরকি।

তার মানে নরমালি ৬০% কে সে ফুলিয়ে ১০০% ব্লক করে আপনাকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়ে দিবে।

তার মানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যাট , হলো ট্রান্সফ্যাট। অন্যগুলো কম ঝুঁকিপূর্ণ। ওকে?

আগে সাদা চিনিকে বিষ বলছিলাম। হ্যাঁ, তা বিষ, কিন্তু যখন বেশি হয়, ২ - ৩ চামচ ওকে, WHO বলছে ৬ চামচ পর্যন্ত ওকে। সাদা চিনি হলো স্বল্প মাত্রার বিষ: বিষ এ ধুতুরা।

সেই তুলনায় ট্রান্স ফ্যাট হলো: বিষ এ সায়ানাইড। জাগাত খাইবেন, জাগাত বুকে ব্লক।
=============

তো, USDA/FDA এর লিমিট অনুযায়ী ট্রান্সফ্যাট এর দৈনিক লিমিট হলো মাত্র ২.০ গ্রাম। মানে এর বেশি খেলেই বুকে ব্লক হবার সম্ভাবনা তৈরী হবে।

=============
কিন্তু আমরা কতটুকু খাচ্ছি? আর কতটুকু গোরু থেকে খাচ্ছি? কতটুকু সয়াবিন থেকে খাচ্ছি? আর এই ট্রান্সফ্যাট কেন আমাদের ফুড সাইকেল এ আসলো? এটা তো সায়ানাইড। উচ্চ মাত্রার বিষ। এমনটা তো হবার কথা না, তাই না?
=============
ঘটনা হলো এই: গত শতাব্দীতে সয়াবিনসহ সকল ভোজ্য তেল ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড প্রডাকশনে যায়। তো ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু তেল তৈরী করে মেশিনে, ঘানি ভাঙ্গা তেলের মত না ওইটা।

ইন্ডাস্ট্রি তেলকে সুন্দর, ঘন এবং বহুদিন স্বাদ গন্ধ অপরিবর্তীত রাখার জন্য এর সাথে হাইড্রোজেন গ্যাস মিশায়।

'যেকোনো তেল + ক্যাটালিস্ট + বায়বীয় হাইড্রোজেন' = ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড ভোজ্য সয়াবিন/ক্যানোলা/ সানফ্লাওয়ার তেল, যেটা আমরা খাই এখন।

তা সয়াবিন হোক বা ক্যানোলাই হোক বা সানফ্লাওয়ারই হোক। তারা কিন্তু হাইড্রোজেন মিশিয়ে এটাকে বিষাক্ত করে। কারণ প্রসেসটায় গেলে ব্যাপক লাভ হয়, মাস প্রডাকশনে যাওয়া যায়, মানুষ কিনেও। ঘানিভাঙ্গা তেল মাত্রাতিরিক্ত তরল (সান্দ্রতা কম) হয়, বেশি দিন থাকে না, তাই ইন্ডাস্ট্রি সেটা পছন্দ করে না। ইন্ডাস্ট্রি বাহির থেকে এক্সট্রা হাইড্রোজেন মিশায়। মনে করেন, ওই হাইড্রোজেন হলো বায়বীয় ফরমেটের ফরমালিন আরকি।

ইন্ডাস্ট্রির উদ্দেশ্য, হয়তো খারাপ না, একটু বেশি টাকা কামানো। কিন্তু .....

কিন্তু যখন নরমাল আনস্যাচুরেটেড তেলের সাথে আপনি হাইড্রোজেন মিশাবেন, তখন ওই তেলের একটা বড় অংশ ট্রান্সফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট হয়ে যায়। ওই হাইড্রোজেন পরমানু, কার্বন লিংকের ফাঁকা জায়গায় বসে গিয়ে।

স্যাচুরেটেড ফ্যাট একটু খারাপ কিন্তু ট্রান্সফ্যাট তো পুরা সায়ানাইড, রাইট?

প্রতি দশ গ্রাম তেলে ৪ - ৫ - ৬ গ্রামই ট্রান্সফ্যাট হয়ে যেতে পারে, ডিপেন্ড করে, আপনি কী পরিমাণ হাইড্রোজেন গ্যাস মিশালেন, তার উপর।

ট্রান্সফ্যাট আরও এক ভাবে হয়, সেটা হলো বাহিরে দোকানে যখন একই তেলে দিনের পর দিন সিঙ্গারা -সামুচাসহ সব কিছু ভাজা হয়। যেটাকে আমরা পোড়া তেল বলি। তেল বেশি পুড়লে, বাতাসের হাইড্রোজেন এর সাথে বিক্রিয়া করে তা ট্রান্সফ্যাট হয়ে যায়। কাজেই বাহিরের ভাজা - পোড়া খাবার যাবে না। না পারলে, বাসায় বানিয়ে খান।

============

২০০৬ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ লোক বিনা কারণে হার্ট এটাক হয়ে মারা যাবার মূল কারণ হিসেবে ভোজ্য তেলে এই ট্রান্সফ্যাটের উপস্থিতিকে দায়ী করা হয়। বিজ্ঞানীরা এটাকে বের করেন এবং আমেরিকান সরকারকে ব্যাপক চাপ দেন।

পরে আমেরিকান সরকার চাপে পড়ে ২০০৬ সালে নতুন আইন করে, সেটা হলো, ভোজ্য তেলকে হাইড্রেজেনেটেড করতে গেলে খুব কম করতে হবে, বা করা যাবে না। প্রতি তেলের ডিব্বায় ট্রান্সফ্যাটের এমাউন্ট উল্লেখ করে দিতে হবে। না হলে একশন। তেল ব্যবসা লাটে উঠেনো হবে, এফডিএ একশনে যাবে।

সরকারি চাপে পড়ে তেল কোম্পানিগুলো ডিল করে, যে তারা প্রতি সার্ভিং তেলে ০.৫ গ্রামের কম ট্রান্সফ্যাট দিবে এবং ০.৫ গ্রামকে রাউন্ডিং করে তারা লিখবে ০.০ গ্রাম। হোয়াট আ ফান? প্রতি সার্ভিং তেল মানে মাত্র ১৫ গ্রাম তেল। মানে আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত তেলগুলোতে প্রতি ১৫ গ্রামে ০.৫ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট থাকে। মানে ১০০ গ্রামে ৩.৫ গ্রাম । চিন্তা করেন, শতকরা ৩.৫ % ট্রান্সফ্যাট আছে, তেলে কিন্তু লেখে ০ গ্রাম। কত বড় বাটপারি? হায় আমেরিকান লবি।

আমেরিকা তাও ভালো , আগে হয়তো ২০-৩০% ট্রান্সফ্যাট ছিল, ওইটা কমিয়ে ৩.৫% করছে।

কিন্তু বাংলাদেশ কী করছে? বাংলাদেশে তো কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই সরকারের, কোনো আইন বা তার প্রয়োগও নাই।

তার মানে বাংলাদেশে যখন আমরা বাহিরের খোলা তেল খাচ্ছি, সামান্য একটু তেল থেকেই দিনে হয় ৮ - ১০ - ১২ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট খাচ্ছি, যেখানে দৈনিক লিমিট হলো ২ গ্রাম। তার মানে কোনো গোরু না খেয়েই , জাস্ট তেলতেলা সবজি - তেল - পরোটা - সিঙ্গারা - সামুচা খেয়েই আমাদের অল্পবয়সে বুকে ব্লক হচ্ছে, সয়াবিন তেলে থাকা এই ট্রান্সফ্যাট এর জন্য। বাই দ্যা ওয়ে, আমেরিকানদের ডেটা অনুযায়ী একজন এভারেজ আমেরিকান, ১৯৯৬ - ২০০৬ সালে দিনে ৬ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট খেয়েছেন এবং লাখে লাখে লোক হার্ট এটাক হয়ে মারা গেছেন। এখন অবশ্য সবাই ব্যাপারটা জানে, সরকারও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছেন।

কিন্তু বাংলাদেশে আমরা কিন্তু সব দোষ ওই নিরীহ গোরু - খাসিকেই দিচ্ছে। নিরীহ অবলা এই প্রাণীটির একটু চর্বি আছে, তাতে কিছুটা কোলেস্টেরল, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ট্রান্সফ্যাটও আছে কিন্তু এত বেশি না কিন্তু, একটু কম।

আর মানুষ কিন্তু গোরু - খাসি প্রতিদিন খায় না কিন্তু ভোজ্য তেল কিন্তু প্রতিদিন খায়। USDA এর রেকমেন্ডেশন হলো সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম গোরু/খাসও খেলে কোনো সমস্যা নাই। শর্ত হলো, এই গরুতে অতিরিক্ত ফ্যাট (যেটা সিনার মাংস, ৩০% ফ্যাট) হতে পারবে না। নরমাল লিন মাংস (যেমন রানের মাংস, ১০% ফ্যাট) হতে হবে।

মানে গোরু যদি সপ্তাহে একদিন, ২ বেলা মিলে ৩৫০ গ্রাম খান, চর্বির দলাগুলো না খান, তাহলে তাতে হার্টে ব্লক হবার সম্ভাবনা নেই। মানে প্রায় ১০ টুকরা, মাঝারি পিছ, প্রতি বেলা ৫ পিছ। এর বেশি খেলে ব্লক হবার ঝুঁকিতে পড়বেন। এভাবে আজীবন খেলেও কোনো ব্লক হবার কথা নয় (ইউ এস হার্ট এসোসিয়েশন)। যদি চর্বি বেশি ওয়ালা মাংস খান, তাহলে পরিমাণ ১৫০ গ্রাম খাবেন, সপ্তাহে একবার।(৪ - ৫ পিছ)

আমি দেখি না, এভারেজে সবাই এত গোরু/খাসি খায়। খেয়াল করলে দেখবেন, বুকে ব্লক এখন লোকজনের খুব বেশি হচ্ছে। সেসব মানুষেরও হচ্ছে, যাঁরা তেমন গোরু কিন্তু খায় না কিন্তু ওই ভোজ্য তেল, ওই ভাজা পোড়া, ওই সিঙ্গারা - সামুচা, তেল সমৃদ্ধ তরকারী তারা খায়। খুব সম্ভবত: তেলে থাকা ট্রান্সফ্যাট থেকেই, যারা গোরু খায় না, তাদেরও বুকে ব্লক হচ্ছে।

এনিওয়ে, ব্রান্ডের কোম্পানির সয়াবিন তেলে ট্রান্সফ্যাট কতটুকু থাকে, বাংলাদেশে? আমি জানি না। একটু কম হওয়ার কথা। যদি লেখা থাকে, প্রতি সার্ভিং এ ট্রান্সফ্যাট ০ গ্রাম, তাহলে সর্বনিম্ন পরিমাণ আছে, মানে ০.৫ গ্রাম আছে। কিছুটা সেইফ কিন্তু তাও বেশি খেতে পারবেন না। দিনে ৪০ গ্রামের বেশি ওই তেল পেটে গেলে প্রবলেম। তবে বাহিরের ভাজা পোড়া থেকে অনেক ভালো হবে আশা করি।

=======

এবার ডাইরেক্ট ভ্যালু দিচ্ছি। USDA/Canada রিকমেন্ডেশন অনুযায়ী, দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল খেলে তা সেইফ, মানে সপ্তাহে ২১০০ মিলিগ্রাম। দিনে ১২ গ্রাম (সপ্তাহে ৮০ গ্রাম) স্যাচুরেটেড ফ্যাট খেলে তা সেইফ। আর ট্রান্সফ্যাট? দিনে মাত্র ২ গ্রাম (মানে সপ্তাহে ১৪ গ্রাম) এর বেশি খেলেই বুকে ব্লক। যদি দীর্ঘকাল খেতে থাকেন। তবে কোনো কোনো এজেন্সি বলেছে, ট্রান্সফ্যাট সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দিতে কিন্তু এটা সম্ভব না। কারণ বাণিজ্যিক ভোজ্য তেলে একটু থাকেই, ট্রেস এমাউন্ট।

=========

এখন গোরু - খাসি যদি সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম খান, তাহলে এই লিমিট ক্রস করবে না। আপনি ইন শা আল্লাহ সম্পূর্ণ সুস্থ থাকবেন কিন্তু সপ্তাহে এর বেশি খান, তাহলে ঝুঁকিতে পড়বেন। এখন আপনি একদিনেই ৩৫০ গ্রাম খাবেন, নাকি ২ - ৩ দিন মিলে ৩৫০ গ্রাম খাবেন , তা আপনার ব্যাপার, ওকে?

গোরু-খাসির মাংস আসলে রেড মিট, খুব পুষ্টিকর খাদ্য। এতে প্রচুর পরিমাণ আয়রণ, জিংক, ফসফরাস, লিপয়িক থাকে। শরীর খুব সুস্থ থাকবে, ব্রেনে - মাসলে শক্তি পাবেন, যদি এই লিমিটে খেতে পারেন। সুন্নাহ তো। খালি বেশি খেলে প্রবলেম হবে। বেশি খাবেন না কিন্তু বাদ দিবেন না, দুর্বল হয়ে যাবেন কিন্তু।

গরুর দুধ: যদিও এটাতে যথেষ্ট ফ্যাট থাকে কিন্তু ট্রান্সফ্যাট নেই, স্যাচুরেটেড ফ্যাটও কম। দিনে এক কাপ পর্যন্ত অসুবিধা নেই। দুধে আছে ক্যালসিয়াম, অনেক পুষ্টি এবং ভিটামিন ডি। মাঝে মধ্যে হলে নো প্রবলেম। দুধ থেকে আসা চিজ খেতে চান? দিনে একটা স্লাইস (৩০ গ্রাম) হলে, নো প্রবলেম।

ঘি: খুব ঝুঁকিপূর্ণ। প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। ইন্ডাস্ট্রি থেকে আসলে ট্রান্সফ্যাট থাকবে। তেল যত ঘন বা সলিড হবে, তত খারাপ হবার সম্ভাবনা।

=========
তার মানে বাংলাদেশের হার্ট এটাকের অন্যতম প্রধান কারণ হলো আসলে ভোজ্য তেল, সয়াবিন/অন্যান্য তেল এ থাকা মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। যেটা সামান্য খাবার কারণেই দৈনিক লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে এবং মানুষ হার্ট এটাকের শিকার হচ্ছে মাত্র ৩০ - ৪০ - ৫০ বছর বয়সেই।

আর দোষ হচ্ছে, সব ওই নিরীহ অবলা গোরুর উপর। যদিও গোরু কিছুটা দায়ী। কারণ অনেকে বেশি গোরু খায়, আর খালি চর্বি খায়, ঝোল খায়। গোরুর সাথে যে ঝোল থাকে সেটা কিন্তু আবার সয়াবিন তেলে ভরা, গোরুর চর্বি থেকে ওইটা বেশি খারাপ।

কাচ্চি কেমন খারাপ? কাচ্চিতে তো মাংস কম থাকে কিন্তু যেই তেলটা পোলাউয়ের সাথে থাকে ওইটা খারাপ। ওইটার মধ্যে খালি ট্রান্সফ্যাট আর ট্রান্সফ্যাট, যদি বাহিরে হয়। একবার বাহিরে কাচ্চি খাইছেন মানে আগামী ১ মাস: নো মাংস।
=========

তাহলে এখন কীভাবে চলতে হবে?

এক. গোরু - খাসি'র রানের মাংস বা অন্য অঞ্চলের চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া যাবে কিন্তু লিমিট হলো সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম পার পার্সন। একটু আধটু চর্বি আসলে সমস্যা নাই। খালি চর্বির দলাগুলো বা মাংস - চর্বির ৫০ - ৫০ মিক্স পিসগুলো ফেলে দিবেন।

দুই. আমরা প্রচুর ঝোল খাই। সমস্যা হলো ঝোলে তো ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ তেল থাকে। ওই তেলের ট্রান্সফ্যাট হল বিশাল প্রবলেম। কাজেই ঝোল খাবার হবে খুব কম, জাস্ট কোনোরকম ভাতকে ভিজানো। পানি বেশি দিয়ে ঝোল বেশি করতে পারেন কিন্তু তেলের পরিমাণ হবে, প্রতি লিটারে ৫০ - ৬০ মিলি লিটার। তেল কমিয়ে, মসলা একটু বেশি দিয়ে হলেও তরকারী রাঁধতে হবে।

তিন. যিনি রাঁধবেন, তাকে বলে দিবেন যেন গোরু - খাসি'র মাংসে খুব কম তেল দেয়। প্রতি কেজিতে মাত্র ৫০ - ৬০ এম এল এনাফ। এরপর যখন রান্না হয়ে যাবে, তখন তেলটা উপরে ভেসে উঠে কিন্তু, ভেসে উঠলে ফেলে দিবেন। ডালে, তরকারীতেও তেল কম দিতে হবে, প্রতি লিটারে ৫০ - ৬০ এম এল

চার. বাহিরের ভাজা পোড়া খাবেন না। সিঙ্গারা - সমুচা - পরোটা এসব যদি খেতেই হয়, প্রয়োজনে বাসায় করে খাবেন, মাসে ১ - ২ বার কিন্তু বাহিরে না। বাহিরে খোলা তেল দেয়, ওতে ট্রান্সফ্যাট মাত্রাতিরিক্ত বেশি। আর তেলকে পোড়ালে সেটা বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নিজে নিজে ট্রান্সফ্যাট হয়ে যায়। কাজেই যখন বাহিরে পোড়া তেল খাচ্ছেন, ডাইরেক্ট সায়ানাইড খাচ্ছেন।

পাঁচ. ফাস্ট ফুডে কিন্তু খারাপ ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ তেল দিয়েই ভাজে সব কিছু। কাজেই ফাস্ট ফুড থেকে চিকেন ও খাবেন না, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও খাবেন না। বাসায় করে খান, দরকার পড়লে। কারণ, বাসায় তো আপনি ব্র্যান্ডের তেল খাচ্ছেন, যেটাতে ট্রান্সফ্যাট লিমিটেড।

ছয়. বাহিরে যদি খেতেই হয়, তাহলে রুটি - ভাত - রান্না করা মাছ মাংস এইসব খাবেন কিন্তু ভুলেও তেলে ভাজা কিছু খাবেন না। সাধারণভাবে ঘরে খাবেন। কাচ্চি - পোলাউ - গোরু - মুরগি খেতে ইচ্ছে করছে? বাসায় নিজে রান্না করে খান।

সাত. চিংড়ি মাছে, গোরু - খাসি'র ডাবল কোলেস্টেরল থাকে। কাজেই চিংড়ি মাছ খেতে পারবেন 200 গ্রাম, প্রতি সপ্তাহে। এর বেশি নয়। তেলাপিয়া মাছে মার্কারি - লেড - ক্রোমিয়াম জমে, বিষাক্ত, বাদ। সামুদ্রিক মাছ খেলে খুব ভালো। সামুদ্রিক মাছের তেল ব্লক খুলে দিবে, তাই বেশি বেশি সামুদ্রিক মাছ খান, চিটাগাং এ থাকার সুবিধা। নদী - পুকুরের মাছও ভালো। মাছের তেল হলো ভালো তেল, এইচডিএল থাকে।

=========

যদি এমন কোনো উৎস থেকে সয়াবিন তেল সংগ্রহ করতে পারেন, যিনি হাইড্রোজেনেটেড করেন না, জাস্ট নরমাল ঘানিভাঙ্গা, তাহলে সেই তেল বেশি একটু খেলেও প্রবলেম নেই, বড়জোর ভুঁড়ি হবে কিন্তু বুকে ব্লক হবে না। ওতে ট্রান্সফ্যাট থাকে না। তবে ওই তেল একটু পাতলা, সংরক্ষণ অসুবিধা। মানুষ কিনতে চায় না।

সরিষা? সরিষা যদি হাইড্রোজেনেটেড না করে, নরমাল ঘান ভাঙ্গা না হয়, কিছুটা সেইফ। প্রমাণ: বাপ - দাদারা সব সরিষাই খেতো। তবে সমস্যা হলো, সরিষায় আবার মাটিতে থাকা মার্কারি - লেড এইসব শোষণ করে। বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়ায় এখন যেখানে সেখানে অনেক ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে, যেখান থেকে মার্কারি - লেড মাটিতে চলে যাচ্ছে। যদি সরিষা এমন মাটিতে হয়, তাহলে সেটা সেইফ না; এটা বের করা সম্ভব না, যে সরিষা কোন মাটিতে হচ্ছে। । কাজেই আমি রিকমেন্ড করি না। আর ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরিষা আসলে ওইটাও হাইড্রোজেনেটেড হবে।

হাইড্রোজেনেটেড না হলে, সরিষা বা সয়াবিন, দুইটাই এক।
আমেরিকান তেল, যেখানে ৩.৫% ট্রান্সফ্যাট থাকে, সেখানে দিনে মাত্র ৩০ গ্রাম সয়াবিন বা ভোজ্য তেল সেইফ । বাংলাদেশে এর থেকে কম হবে, কারণ ট্রান্সফ্যাট বেশি, কত বেশি জানি না, তাই লিমিট দিতে পারছি না। কাজেই জাস্ট তরকারীর তেল বেশ কম খেতে হবে।

=======

প্রসঙ্গত, মেজবানী খাবার: চট্টগ্রামের ভাইরা:

মেজবানীতে অনেক জায়গায় (হোটেলের) গোরুর কোনো কিছু ফেলা হয় না, পুরো গোরু সব চর্বি সহ পাক করে ফেলে, খেতে চরম স্বাদ হয়। তার উপর আছে, গোরুর কলিজা, যেটাতে লেড - মার্কারিসহ সব বিষ জমা হয়। এতে আরও আছে, বাজারের ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ সয়াবিন তেল, কাজেই একটা ব্যাপক বিষাক্ত। কাজেই হোটেলের মেজবানী কিন্তু পিউর সায়ানাইড, বাদ দিবেন। খাবেন না, খাওয়াবেন না।

গ্রামীণ মেজবানী, তেল পরিমিত হলে, ঝুঁকি কম।

=========
শেষকথা: যদি ভাজাপোড়া বেশি খান, বেশ তেল সমৃদ্ধ খাবার খান, তাহলে কিন্তু সিক্সপ্যাক নিয়েও আপনার ব্লক হতে পারে। ট্রান্সফ্যাটের কারণে, স্যাচুরেটেড ফ্যাটের কারণে। কারণ আপনি ক্যালরি মেইন্টেইন করেই খাচ্ছেন কিন্তু ট্রান্সফ্যাট গিয়ে সব জমছে হার্টের আর্টারির মধ্যে।

তার মানে বাংলাদেশের জন্য কিটো ডায়েট কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ, চিকন হবেন, বাট বুকে ব্লক হবে। যদিও বাংলাদেশে ট্রান্সফ্যাট মেন্টেন করে না সরকার। শুধু দুধ দিয়ে করলে ঝুঁকি কম।

=========
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুকে ব্লক হওয়া থেকে বাঁচাক। আমিন।

জাযাকাল্লাহু খায়রান

[ সংগৃহীত ]

লিভারের রোগ:হেপাটাইটিস -সি;কয়েকদিন আগে একজন ২২ বছরের যুবক এসেছিলেন ক্ষুধামন্দা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি সমস্যা নিয়ে।সাথে ছিল ...
14/11/2025

লিভারের রোগ:
হেপাটাইটিস -সি;

কয়েকদিন আগে একজন ২২ বছরের যুবক এসেছিলেন ক্ষুধামন্দা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি সমস্যা নিয়ে।সাথে ছিল বমি বমি ভাব।পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখা গেল তিনি হেপাটাইটিস -সি ভাইরাসে আক্রান্ত।আজকে সে ব্যাপারে কিছু তথ্য তুলে ধরব।

🦠 হেপাটাইটিস–সি ভাইরাস (HCV) সংক্রমণ 🩸:

🧬 Hepatitis C কী?
➡️এটি একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ যা লিভারকে আক্রান্ত করে।
➡️অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণ নেই, তাই রোগী বুঝতেই পারেন না।
➡️চিকিৎসা না হলে ক্রনিক লিভার ডিজিজ, সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার হতে পারে।

🔍 সংক্রমণের উপায়:
🚫সংক্রমিত ব্যক্তির রক্তের সংস্পর্শে আসা
🚫একই সুচ/ইনজেকশন ব্যবহার
🚫অসুরক্ষিত রক্ত বা রক্তজাত পণ্য গ্রহণ
🚫ট্যাটু/পিয়ার্সিংয়ের সময় অপরিষ্কার যন্ত্র ব্যবহার
🚫মা থেকে শিশুর মধ্যে (কদাচিৎ)
⛔যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে

⚠️ যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
🔄🩸(অনেক সময় কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে)

👁️অস্বাভাবিক ক্লান্তি
👁️বমি বমি ভাব
👁️খিদে কমে যাওয়া
👁️পেটের ডান পাশে ব্যথা
👁️গা ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
👁️গা চুলকানি

💊 চিকিৎসা
♓আধুনিক( DAA) ওষুধে সাধারণত ৮–১২ সপ্তাহেই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।
♓চিকিৎসার সফলতার হার ৯৫%+।

🛡️ প্রতিরোধের উপায়:
➡️কারও ব্যবহৃত সুচ বা ব্লেড ব্যবহার না করা
➡️রক্ত নেওয়ার সময় নিরাপদ ও স্ক্রিন করা রক্ত ব্যবহার
➡️ট্যাটু/পিয়ার্সিংয়ের জন্য স্টেরাইল যন্ত্র ব্যবহার
➡️ব্যক্তিগত রেজর, নেলকাটার শেয়ার না করা
➡️যৌন সম্পর্কের সময় সুরক্ষা ব্যবহার

🔄♓নিয়মিত স্ক্রিনিং (বিশেষত উচ্চ ঝুঁকির ব্যক্তিদের জন্য)

👥 কারা বেশি ঝুঁকিতে?
🚫ইনজেকশন ড্রাগ ব্যবহারকারী
🚫ডায়ালাইসিস রোগী
⛔বহুবার রক্ত/রক্তজাত উপাদান গ্রহণকারীরা
🚫স্বাস্থ্যকর্মী (Needle-stick injury)

📌 মূল বার্তা-
➡️হেপাটাইটিস–সি চিকিৎসা সম্ভব।
➡️শুধু সচেতনতা, পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা—এটাই লিভারকে সুরক্ষিত রাখার পথ।

Dr.Enamul Kabir Tanvir

অ্যান্টিবায়োটিকের যুগের আগে সিফিলিস ছিল মানুষের সবচেয়ে ভয়ের রোগগুলোর একটি। ১৫শ শতকের শেষ দিক থেকে ইউরোপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে...
05/11/2025

অ্যান্টিবায়োটিকের যুগের আগে সিফিলিস ছিল মানুষের সবচেয়ে ভয়ের রোগগুলোর একটি। ১৫শ শতকের শেষ দিক থেকে ইউরোপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই রোগ। শেষ পর্যায়ে এই রোগে অন্ধত্ব, পক্ষাঘাত, ডিমেনশিয়া এবং মুখ বিকৃত হয়ে যেত। নাকের হাড় পর্যন্ত বসে যেত। এজন্যই এটাকে বলা হতো “The great imitator” — কারণ এটি বহু রোগের মতোই লক্ষণ তৈরি করত।

তখনকার ডাক্তাররা চিকিৎসা হিসেবে দিতেন পারদ (Mercury) — ointment, ট্যাবলেট, এমনকি ভেপার বাথ! এজন্যই প্রচলিত কথা ছিল “এক রাত ভেনাসের সাথে, আর সারা জীবন পারদের সাথে।” কিন্তু পারদ বেশিরভাগ সময় রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়ে যেত রোগের আগেই।

১৯২৮ সালে Alexander Fleming penicillin আবিষ্কার করার পর থেকেই সিফিলিসের কার্যকর চিকিৎসা শুরু হয় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ এই ভয়াবহ কষ্ট থেকে রক্ষা পায়।

©

আজকের  #কসমেটিক (ডিভাইস) খতনা।
03/11/2025

আজকের #কসমেটিক (ডিভাইস) খতনা।

01/11/2025

A**l Fissure 👇

🩺 অ্যানাল ফিশার কী?
অ্যানাল ফিশার হলো পায়ুপথের (a**s) ভিতরের দিকে ত্বক বা মিউকোসার একটি ছোট ফাটল বা ক্ষত। এটি সাধারণত মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ বা শক্ত মল বের হওয়ার কারণে হয়ে থাকে।

⚠️ অ্যানাল ফিশারের সাধারণ লক্ষণসমূহ'
1.তীব্র ব্যথা – মলত্যাগের সময় এবং পরে জ্বালাপোড়া বা কাটার মতো ব্যথা অনুভূত হয়।
2.রক্তপাত – সাধারণত উজ্জ্বল লাল রঙের অল্প রক্ত মলের সাথে বা টয়লেট পেপারে দেখা যায়।
3.চুলকানি বা জ্বালা – পায়ুপথের চারপাশে চুলকানি বা অস্বস্তি থাকতে পারে।
4.ভয় বা অস্বস্তি – অনেকেই মলত্যাগ করতে ভয় পান কারণ ব্যথা বাড়ে।

🧾 অ্যানাল ফিশারের প্রধান কারণ:
➡️কঠিন বা শুকনো মল (Constipation)
➡️ডায়রিয়া বা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা
➡️গর্ভাবস্থা ও প্রসব
➡️অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মলত্যাগ করা
➡️অ্যানাল সেক্স বা আঘাতজনিত কারণ

Crohn’s disease– কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্রের প্রদাহও কারণ হতে পারে।

🧑‍⚕🥗 প্রতিরোধের উপায়-
↔️প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন।
↔️আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান।
↔️নিয়মিত ও সহজে মলত্যাগের অভ্যাস করুন।
↔️মলত্যাগে বেশি চাপ দিবেন না।
↔️পর্যাপ্ত শরীরচর্চা করুন।

Dr.Enamul Kabir Tanvir

🩺 ডায়াবেটিস ও যৌন সমস্যা: যা জানা জরুরি!ডায়াবেটিস শুধু রক্তে শর্করার সমস্যা নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদে আমাদের যৌন স্বাস্থ্য...
30/10/2025

🩺 ডায়াবেটিস ও যৌন সমস্যা: যা জানা জরুরি!

ডায়াবেটিস শুধু রক্তে শর্করার সমস্যা নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদে আমাদের যৌন স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে। অনেকেই এই সমস্যা গোপন রাখেন, ফলে সমস্যার সমাধান হয় না।

⚠️ ডায়াবেটিসের কারণে যেসব যৌন সমস্যা হতে পারে:
🔹 পুরুষদের ক্ষেত্রে:
➡️Erectile Dysfunction
➡️যৌন ইচ্ছার অভাব
➡️দ্রুত বীর্যপাত বা
➡️ বিলম্বিত বীর্যপাত

🔹 নারীদের ক্ষেত্রে:
➡️যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
➡️যোনিতে শুষ্কতা
➡️যৌনমিলনে অস্বস্তি বা ব্যথা

✅ করণীয়:
✔ ব্লাড সুগার নিয়মিত নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✔ স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন
✔ মানসিক চাপ কমান
✔ জীবনসঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা কথা বলুন
✔ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

❌ যা করবেন না:
🚫 সমস্যা গোপন রাখবেন না
🚫 নিজে থেকে যৌন উত্তেজক ওষুধ খাবেন না
🚫 ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলুন
🚫 ভুল ধারণায় নিজেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করবেন না

👉 যৌন সমস্যা লজ্জার নয়, চিকিৎসাযোগ্য!
সঠিক জীবনযাপন ও চিকিৎসার মাধ্যমে আপনি আবার ফিরে পেতে পারেন স্বাভাবিক জীবন।

#ডায়াবেটিস #যৌনস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যবার্তা

Dr.Enamul Kabir Tanvir

Address

Beside Boro Mia Mosjid, K. B. Aman Ali Road , Bakalia , Chawkbazar
Chittagong

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OASIS Health Care Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share