Dr. Raihan Uddin

Dr. Raihan Uddin MBBS(Sir Salimullah Medical College), BCS(Health), FCPS Final Part (Medicine)

“দূরে নয়, আপনার কাছেই — নির্ভরতার এক ঠিকানা।” 🩺  ডা. রায়হান উদ্দীনএমবিবিএস (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)বিসিএস (স্বাস...
01/08/2025

“দূরে নয়, আপনার কাছেই — নির্ভরতার এক ঠিকানা।”

🩺 ডা. রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (কার্ডিওলজি), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

📍 চেম্বার ১
লোহাগাড়া জেনারেল হাসপাতাল, মেইন রোড, আমিরাবাদ, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
🗓️ সময়সূচি:
রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি ➡️ বিকাল ৪:০০ - রাত ৯:০০
শুক্রবার ➡️ সকাল ১০:০০ - বিকাল ৪:০০
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01306 261234

📍 চেম্বার ২
শান্তি মেডিকেল হল, সুখছড়ী কালিবাড়ি বাজার (ডা. সমীর ভট্টাচার্য্যর চেম্বার)
🗓️ প্রতি শুক্রবার ➡️ বিকাল ৪:০০ - সন্ধ্যা ৭:০০
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01306 261234, 01815 883761

📲 WhatsApp যোগাযোগ:
01829 321960 (সকাল ৯:০০ - রাত ১০:০০)

আপনার সুস্থতা আমার অঙ্গীকার। সঠিক চিকিৎসা নিন, নিশ্চিন্তে থাকুন!

🌟 আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি । ধন্যবাদ 🌟

🛑 অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার: এক অদৃশ্য মহামারি 🇧🇩💊বাংলাদেশে অনেকেই সাধারণ সর্দি-কাশি বা জ্বর হলেই নিজের মতো করে অ্যান...
29/05/2025

🛑 অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার: এক অদৃশ্য মহামারি 🇧🇩💊

বাংলাদেশে অনেকেই সাধারণ সর্দি-কাশি বা জ্বর হলেই নিজের মতো করে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন — যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! ⚠️

🔍 বাস্তবতা কী বলছে?

🔴 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র মতে, বাংলাদেশে ৬০%-এর বেশি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই সেবন করা হয়!
🔴 ICDDR,B এর এক গবেষণায় দেখা যায়, ঢাকার ওষুধের দোকানের ৭৬% বিক্রেতা প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করেন।

🦠 এর ফলাফল কী?

✅ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR): শরীরের মধ্যে জীবাণুগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না।

✅ জীবননাশের ঝুঁকি: অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করলে সাধারণ সংক্রমণও প্রাণঘাতী হতে পারে।

✅ শরীরে সাইড ইফেক্ট: ডায়রিয়া, লিভারের সমস্যা, কিডনি ড্যামেজসহ নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

❌ সাধারণ সর্দি-জ্বর মানেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়!

আমাদের দেশের অনেকেই মনে করেন —
👉🏼 “জ্বর মানেই অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে!”
👉🏼 “সর্দি কাশি ২ দিনেও না সারলে অ্যান্টিবায়োটিক দরকার!”

কিন্তু বাস্তবতা হলো —
সাধারণ সর্দি-জ্বর, কাশি বা গলা ব্যথার ৮০%-এর বেশি ক্ষেত্রেই ভাইরাসজনিত, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজই করে না! 💡

🔴 অ্যান্টিবায়োটিক শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে কাজ করে, ভাইরাসে নয়।
🔴 অযথা অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে রোগ ভালো তো হয়ই না, বরং প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে, এবং ভবিষ্যতে সেই ওষুধ আর কাজ নাও করতে পারে।

🧪 বাংলাদেশে ভুল চিকিৎসার চিত্র

🔸 অনেক স্থানীয় ফার্মেসিতে গিয়ে মানুষ নিজের উপসর্গ বললেই দোকানদার প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দেন।
🔸 আবার অনেকে পুরনো প্রেসক্রিপশন বা আত্মীয়ের ব্যবহৃত ওষুধ দেখে নিজের চিকিৎসা নিজেই করেন!
🔸 ফলে রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় না হওয়ায় অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়া হয়, এবং সঠিক চিকিৎসা বিলম্বিত হয়।

💬 এমন ভুল চিকিৎসার কারণে সাধারণ একটি ভাইরাস জ্বর থেকেও বড় জটিলতা দেখা দিতে পারে — যেমন সেকেন্ডারি ইনফেকশন, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি।

🛑 মনে রাখুন,

“অ্যান্টিবায়োটিক কোনো ম্যাজিক নয় – এটি সঠিক সময়ে, সঠিক রোগে, সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ না হলে, ক্ষতি করতে পারে উপকারের চেয়ে অনেক বেশি।”

🛡️ আমাদের করণীয় কী?

🔹এম বি বি এস চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।
🔹 পুরো কোর্স শেষ না করলে জীবাণু আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে।
🔹 শিশুকে কখনোই নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন না।
🔹 দোকান থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনবেন না।

সূত্র:
🔹 WHO Bangladesh, 2023
🔹 ICDDR,B Study on Antibiotic Use in Urban Bangladesh, 2022
🔹 DGHS, AMR Surveillance Report, 2021

📢 সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন!

এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদেরও সচেতন করুন।
অ্যান্টিবায়োটিক জীবন বাঁচাতে পারে — কিন্তু ভুলভাবে ব্যবহারে জীবনও নিতে পারে।

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

#সচেতনতা #অ্যান্টিবায়োটিক

📢 লিচু… সুস্বাদু কিন্তু কখনো মৃত্যুর কারণ! জেনে নিন ভয়ানক সত্য! 🍒💀এখন  জ্যৈষ্ঠ মাস চলছে ।জ্যৈষ্ঠ মানেই মধুমাস। বাজারে রস...
25/05/2025

📢 লিচু… সুস্বাদু কিন্তু কখনো মৃত্যুর কারণ! জেনে নিন ভয়ানক সত্য! 🍒💀

এখন জ্যৈষ্ঠ মাস চলছে ।জ্যৈষ্ঠ মানেই মধুমাস। বাজারে রসে টসটসে ফলের রাজত্ব— আর সবার প্রিয় লিচু তার শীর্ষে!

লিচু খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এতে আছে অনেক পুষ্টিগুণ:
✅ ভিটামিন C
✅ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
✅ ডায়েটারি ফাইবার

তবে জানেন কি? এই মিষ্টি ফলটি কখনো কখনো মৃত্যুর কারণ হতে পারে! 😱

⚠️ বাস্তব ঘটনার আলোকে সতর্কতা:

১৯৯৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে লিচু খাওয়ার পর রহস্যজনকভাবে অসুস্থ হয়ে অন্তত এক হাজার শিশুর মৃত্যু হয় বলে বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে। এছাড়া লিচুর বীচি গলায় কাটকে শ্বাসরুদ্ধ হয়েও অনেক শিশুর প্রাণ ঝরে যাচ্ছে ।

🔴 ২০১২ - দিনাজপুর, বাংলাদেশ:
লিচু খাওয়ার পর ১৪ জন শিশু মৃত্যুবরণ করে।
প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল কিটনাশক দায়ী, তবে পরে IEDCR ও যুক্তরাষ্ট্রের CDC নিশ্চিত করে যে— মৃত্যুর মূল কারণ ছিল লিচুতে থাকা প্রাকৃতিক বিষ (toxicity)।

🔴 ২০১৪ - বিহার, ভারত:
লিচু মৌসুমে ১২২ জন শিশু মারা যায় এবং প্রায় ৩৯০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
এই ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্ব পায় এবং The Lancet নামক খ্যাতনামা গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।

⚠️ কেন হয় এই বিষক্রিয়া?

লিচুতে থাকে:
🔬 Hypoglycin A ও MCPG (methylenecyclopropylglycine)
এই দুটি বিষাক্ত পদার্থ—
❌ যকৃতে গ্লুকোজ তৈরি বন্ধ করে দেয় (inhibits gluconeogenesis)
❌ ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ ভয়াবহভাবে কমে যায় (hypoglycemia)

🧒 কারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?
• খালি পেটে লিচু খাওয়া শিশু
• অপুষ্টিতে ভোগা শিশু
• যারা অপরিপক্ব (কাঁচা বা আধাপাকা) লিচু বেশি খায়

🧠 লক্ষণ:
• বমি 🤮
• দুর্বলতা
• পেটব্যথা
• খিঁচুনি
• অচেতনতা 😵
• মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ☠️

✅ করণীয়:

🔹 খালি পেটে লিচু খাওয়া এড়িয়ে চলুন
🔹 পরিমিত পরিমাণে খান
🔹 অপরিপক্ক (সবুজ) লিচু শিশুদের না দিন
🔹 লিচু খাওয়ার পর শিশুর আচরণ নজরে রাখুন

🍇 লিচু খাওয়া যাবে, কিন্তু জেনে বুঝে, সচেতনভাবে।
🛡️ একটু সাবধানতাই বাঁচাতে পারে একটি জীবন।

📢 শেয়ার করে সবাইকে সতর্ক করুন!
জ্ঞান ছড়ান, জীবন বাঁচান।

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

সুরক্ষিত চিকিৎসা, নির্ভরযোগ্য পরামর্শ — আরও কাছে, আরও সহজে!ডা. রায়হান উদ্দীনএমবিবিএস (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)বিস...
22/05/2025

সুরক্ষিত চিকিৎসা, নির্ভরযোগ্য পরামর্শ — আরও কাছে, আরও সহজে!

ডা. রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)
বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (কার্ডিওলজি), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

📍 চেম্বার ১
লোহাগাড়া জেনারেল হাসপাতাল, মেইন রোড, আমিরাবাদ, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
🗓️ সময়সূচি:
রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি ➡️ বিকাল ৪:০০ - রাত ৯:০০
শুক্রবার ➡️ সকাল ১০:০০ - বিকাল ৪:০০
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01306 261234

📍 চেম্বার ২
শান্তি মেডিকেল হল, সুখছড়ী কালিবাড়ি বাজার (ডা. সমীর ভট্টাচার্য্যর চেম্বার)
🗓️ প্রতি শুক্রবার ➡️ বিকাল ৪:০০ - সন্ধ্যা ৭:০০
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01306 261234, 01815 883761

📲 WhatsApp যোগাযোগ:
01829 321960 (সকাল ৯:০০ - রাত ১০:০০)

আপনার সুস্থতা আমার অঙ্গীকার। সঠিক চিকিৎসা নিন, নিশ্চিন্তে থাকুন!
🌟 আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি । ধন্যবাদ 🌟

🌟 শিশুর খাওয়ার নতুন অধ্যায় শুরু হোক ভালোবাসা দিয়ে – “ফিংগার ফুড” দিয়ে! 🌟আপনার ছোট্ট সোনামণির জন্য খাবার শেখার প্রথম ধাপট...
20/05/2025

🌟 শিশুর খাওয়ার নতুন অধ্যায় শুরু হোক ভালোবাসা দিয়ে – “ফিংগার ফুড” দিয়ে! 🌟
আপনার ছোট্ট সোনামণির জন্য খাবার শেখার প্রথম ধাপটা হোক আনন্দময়, স্বাভাবিক এবং আত্মবিশ্বাস গড়ার সুযোগে ভরপুর।

❓ ফিংগার ফুড মানে কী?
ফিংগার ফুড হল এমন সব খাবার যা শিশু নিজের হাতে তুলে মুখে দিতে পারে।
👉🏻 যেমন: ছোট ছোট সেদ্ধ আলুর টুকরো, পাকা কলা বা নরম ভাতের বল।

৬ মাস বয়স থেকেই শিশুরা হাত দিয়ে জিনিস ধরতে ও মুখে দিতে শেখে — এই সময়টাই আদর্শ ফিংগার ফুড শুরু করার জন্য!

🕒 কখন থেকে ফিংগার ফুড দেওয়া নিরাপদ?
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে সময়টা সঠিক:

✅ ঘাড় ও মাথা সোজা রাখতে পারছে
✅ নিজে নিজে কিছু ধরতে পারে
✅ অন্য কেউ খেলে আগ্রহ দেখায়
✅ খাবার সামনে ধরলে মুখ খোলে

💚 ফিংগার ফুডের উপকারিতা কী কী?
শুধু খাওয়ার জন্যই না, শিশুর সামগ্রিক বিকাশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ:

🔹 নিজে খাওয়ার আত্মবিশ্বাস গড়ে
🔹 খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ায়
🔹 নতুন স্বাদ ও টেক্সচারের সাথে পরিচিত হয়
🔹 চোখ-হাতের সমন্বয় উন্নত করে

📌 বয়স অনুযায়ী ফিংগার ফুডের সুন্দর তালিকা:

👶🏻 ৬–৭ মাস:
🥔 সেদ্ধ আলু / মিষ্টি আলু (দীর্ঘাকৃতির কাটা)
🍌 পাকা কলা / পেঁপে / আম
🥕 চিকন করে কাটা গাজর সেদ্ধ
🥦 সেদ্ধ ব্রকলি বা ফুলকপি

👶🏻 ৮–৯ মাস:
🥚 ডিম সেদ্ধ (লম্বা করে কাটা)
🍗 হাড় ছাড়া নরম মুরগির মাংস
🍚 নরম ভাত দিয়ে ছোট বল তৈরি করে দেওয়া

📣 মনে রাখবেন:
শুরু করুন ধীরে ধীরে, জোর না দিয়ে।
শিশুর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিন – সে যদি মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তাহলে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন।
নিজের হাতে খাওয়ার অভ্যাস তাকে করে তুলবে আত্মবিশ্বাসী ও খুশি। ইনশাআল্লাহ। 🌈

👩🏻‍🍼 আপনি কি ইতিমধ্যে ফিংগার ফুড শুরু করেছেন? আপনার ছোট্ট বাচ্চার প্রিয় ফুড আইটেম কোনটি? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না! 💬

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

🌟 “৩০ পার হতেই এই ৫টি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন—না করলে বিপদ ডেকে আনছেন নিজের হাতে!” 🌟৩০-এর ঘরে পা রাখা মানেই জীবন এক নতুন ...
19/05/2025

🌟 “৩০ পার হতেই এই ৫টি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন—না করলে বিপদ ডেকে আনছেন নিজের হাতে!” 🌟

৩০-এর ঘরে পা রাখা মানেই জীবন এক নতুন অধ্যায়ের শুরু। ক্যারিয়ারে গতি, সংসারের ভার, সামাজিক দায়িত্ব—সবকিছুই যেন একসাথে বাড়তে থাকে। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝে আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি ভুলে যাই—নিজের শরীরের যত্ন।

আপনি যেমন প্রতিদিন ফোন চার্জে দেন, গাড়ির ইঞ্জিন তেল চেক করেন, তেমনি আপনার শরীরও নিয়মিত ‘চেক-আপ’ চায়। সময়মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করালে, সুপ্ত রোগগুলো একসময় বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চলুন জেনে নিই ৩০ পেরোনোর পর যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা একদম ফেলে রাখলে চলবে না—

🔍 ১. রক্তচাপ পরীক্ষা (Blood Pressure Check)

🎯 “উচ্চ রক্তচাপ নীরব ঘাতক”—এই কথাটি শুধু কথার কথা নয়।

অনেকেই জানেন না যে ৩৫ বছরের একজন সুস্থ মানুষও স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন শুধুমাত্র অজান্তে থাকা হাই ব্লাড প্রেশারের কারণে।
একজন চাকরিজীবী, যিনি প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা ডেস্কে বসে কাজ করেন, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত খাওয়া-ঘুমের কারণে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন—তিনি হয়ত টেরও পান না।

✅ প্রতি ৬-১২ মাসে একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে যদি পরিবারে কারও হাই প্রেশার থাকে।

🩸 ২. রক্তে শর্করার মাত্রা (Fasting Blood Sugar & HbA1c)

🎯 ডায়াবেটিস এখন শুধু “বুড়োদের রোগ” নয়—এই ধারণা পুরনো।

চটজলদি খাওয়া, ব্যায়ামের অভাব, এবং ঘুমের অনিয়মের ফলে এখন ৩০-এর আগেই অনেকেই টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

একজন ৩২ বছরের আইটি পেশাজীবী যিনি প্রতিদিন ৫ কাপ চিনি দেওয়া চা খান এবং রাত ২টায় ঘুমাতে যান—তিনি জানতেও পারেন না যে তার HbA1c ইতিমধ্যেই 6.5%-এর উপরে।

✅ বছরে অন্তত একবার ফাস্টিং ব্লাড সুগার ও HbA1c পরীক্ষা করুন।

💉 ৩. কোলেস্টেরল লেভেল / লিপিড প্রোফাইল (Cholesterol Test)

🎯 চেহারায় শুকনো বা ফিট দেখালেও শরীরের ভেতরের ফ্যাটের মাত্রা বিপজ্জনক হতে পারে।

একজন স্বাস্থ্যসচেতন মনে হলেও যদি প্রতিদিন ফাস্ট ফুড বা ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার খান, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তেই পারে।
অবস্থা এমন হতে পারে যে কোনো লক্ষণ ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

✅ বছরে একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করান, বিশেষ করে যদি আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন থাকে।

🧬 ৪. লিভার ও কিডনি ফাংশন টেস্ট (LFT & KFT)

🎯 লিভার আর কিডনি—দু’জনেই নিঃশব্দে কাজ করে, যতক্ষণ না সমস্যাটা বড় হয়ে ওঠে।

প্রতিদিন পেইনকিলার খাওয়া, অতিরিক্ত পার্টি ড্রিংকিং, বা অনিয়মিত সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ—এইসব কারণে লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
একজন জিমপাগল ব্যক্তি যিনি নিয়মিত প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নেন, যদি কিডনির ফাংশন না দেখেন, ভবিষ্যতে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হতে পারে।

✅ রুটিন হেলথ চেকআপে LFT ও KFT টেস্ট অন্তর্ভুক্ত করুন।

👩‍⚕️ ৫. নারীদের জন্য জরায়ু ও স্তনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Pap smear, Breast Check)

🎯 সঠিক সময়ে পরীক্ষা মানে ভবিষ্যতের বিপদ অনেকটাই এড়ানো।

৩০-এর পর নারীদের শরীরে হরমোনাল পরিবর্তন শুরু হয়। পিরিয়ড অনিয়ম, পিসিওএস, কিংবা অজানা স্তনের গাঁট—সব কিছু সময়মতো ধরা জরুরি।
একজন ৩৫ বছর বয়সী মা, যিনি নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করতেন না, হঠাৎই একদিন ব্রেস্ট লাম্প আবিষ্কার করলেন—যা প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ছিল।

✅ প্রতি ২-৩ বছর অন্তর Pap Smear, আর প্রতি মাসে নিয়মিত Breast Self-Examination করুন।

নিজেকে গুরুত্ব দেওয়া মানে স্বার্থপর হওয়া নয়।
আপনি যত বেশি স্বাস্থ্যবান থাকবেন, আপনার পরিবার, ভালোবাসার মানুষ আর সমাজ তত বেশি উপকৃত হবে।
সতর্কতা শুধু জীবন বাঁচায় না—জীবনকে সুন্দর রাখে।

তাই আজই নিজের এবং প্রিয়জনের হেলথ চেকআপের জন্য সময় বের করুন। কারণ প্রতিরোধ, চিকিৎসার চেয়ে অনেক শক্তিশালী।

শেয়ার করুন এই পোস্ট, হোক সবাই সচেতন!

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

#স্বাস্থ্যপরীক্ষা

অদৃশ্য শত্রু ‘উচ্চ রক্তচাপ’: সময়মতো মেপে নিন, বাঁচুন বিপদ থেকেউচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার একটি নীরব ঘাতক—বলা হয় এক...
17/05/2025

অদৃশ্য শত্রু ‘উচ্চ রক্তচাপ’: সময়মতো মেপে নিন, বাঁচুন বিপদ থেকে

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার একটি নীরব ঘাতক—বলা হয় একে “Silent Killer”। কারণ, প্রাথমিকভাবে এর কোনও লক্ষণ নাও থাকতে পারে, কিন্তু সময়মতো ধরা না পড়লে এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলিওর এবং চোখের সমস্যাসহ অনেক জটিল রোগ ডেকে আনতে পারে। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আগে থেকেই আছে, তাদের অবশ্যই নিয়মিত মনিটরিং করা উচিত।আজ উচ্চরক্তচাপ দিবসে রক্তচাপ মাপার সঠিক পদ্ধতি ও প্রচলিত ভুল নিয়ে লিখব!

এখন অনেকেই ঘরে বসেই রক্তচাপ মাপার মেশিন ব্যবহার করছেন। এটি অবশ্যই একটি ভালো অভ্যাস। তবে রক্তচাপ মাপার সময় কিছু ভুল করলে রিপোর্ট ভুল আসতে পারে এবং তার ফলে চিকিৎসার সিদ্ধান্তেও সমস্যা হতে পারে। নিচে সঠিকভাবে ব্লাড প্রেসার মাপার উপায় ও কিছু সাধারণ ভুল তুলে ধরা হলো।

✅ সঠিকভাবে ব্লাড প্রেসার মাপার নিয়ম:

১) পরিমাপের আগে প্রস্তুতি:
• রক্তচাপ মাপার অন্তত ৩০ মিনিট আগে ধূমপান, চা-কফি, অ্যালকোহল গ্রহণ এবং ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।
• শারীরিক ও মানসিকভাবে শান্ত হতে হবে। স্ট্রেস থাকলে তা রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

২) বিশ্রাম নিন:
• রক্তচাপ মাপার ১০ মিনিট আগে চুপচাপ বসে থাকুন। কোনও কাজ করবেন না, কথা বলবেন না।

৩) অবস্থান ও ভঙ্গি:
• একটি চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন, পা দুটি মাটিতে রাখুন। পায়ের উপর পা তুলে বসা যাবে না।
• বাহুকে টেবিল বা কুশনের উপর রাখুন যেন কনুই হৃদযন্ত্রের উচ্চতায় থাকে।

৪) কাফের অবস্থান:
• ব্লাড প্রেসার মেশিনের কাফটি ত্বকের উপরেই লাগাতে হবে, জামা-কাপড়ের উপর নয়।
• কাফটি কনুই থেকে প্রায় ২.৫ সেন্টিমিটার উপরে বেঁধে নিন।

৫) সময় নির্বাচন:
• প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে রক্তচাপ মাপুন, বিশেষত সকালে ঘুম থেকে উঠে ও রাতে ঘুমানোর আগে।
• প্রতিবার ২-৩ বার মাপুন এবং গড় মানটি লিখে রাখুন।

৬) ডান নাকি বাম হাতে মাপবেন?
• আপনি যদি ডানহাতি হন বাম হাতে মাপবেন, আর যদি বাম হাতি হন ডানহাতে মাপবেন । তবে এটার ব্যতিক্রম ও হতে পারে ক্ষেতবিশেষে । যে হাতে প্রেসার বেশি পাওয়া যায় সবসময় ,সে হাতে মাপা ভাল ।

❌ রক্তচাপ মাপার সাধারণ ভুল:
• ❗ খাওয়া বা ধূমপানের পরপরই মাপা
• ❗ ঘরোয়া যন্ত্রে নিয়মিত ক্যালিব্রেশন না করানো
• ❗ ঘুম থেকে উঠেই সঙ্গে সঙ্গে মাপা
• ❗ কাফ খুব ঢিলা বা শক্ত করে বাঁধা
• ❗ চঞ্চল বা কথা বলার সময় মাপা
• ❗ ভুল পজিশনে বসে থাকা বা কনুই নিচে রাখা

📘 কী রকম রিডিং চিন্তার বিষয় হতে পারে?

স্বাভাবিক রক্তচাপ: ১২০/৮০ mmHg
• ১৩০/৮০-১৩৯/৮৯: হাইপারটেনশনের প্রাক-ধাপ
• ১৪০/৯০ বা তার বেশি: হাইপারটেনশন (পর্যায়ের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা নির্ধারিত হবে)
• ১৮০/১২০ বা তার বেশি: জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন—এই অবস্থায় অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

দেখা যায় অনেকে প্রেসার ঠিক ভাবে মাপতে ও প্রেসার এর লেভেল সঠিকভাবে না জানার কারণে নরমাল প্রেসার থাকার পরেও প্রেসার এর ঔষধ খাচ্ছেন আর অনেকে উচ্চ রক্তচাপ থাকার পরেও ঔষধ খাচ্ছেন না । কারো কথার উপর নির্ভর করে প্রেসার এর ঔষধ বন্ধ বা চালু করবেন না । অবশ্যই একজন এম বি বি এস ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।

📝
রক্তচাপ মাপা যেন কোনো ফরমালিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা উচিত, ঠিক যেমন আপনি দাঁত ব্রাশ করেন বা খাবার খান। কারণ, সময়মতো ধরা না পড়লে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে উঠতে পারে জীবনের জন্য বড় হুমকি। তাই সচেতন হোন, নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন, সুস্থ থাকুন।

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

নীরব ঘাতককে থামান আজই!উচ্চ রক্তচাপ—এমন এক সমস্যা যা নিঃশব্দে শরীরকে ক্ষতি করে। লক্ষণ না থাকলেও বিপদ থাকে ভেতরে ভেতরে। তা...
16/05/2025

নীরব ঘাতককে থামান আজই!

উচ্চ রক্তচাপ—এমন এক সমস্যা যা নিঃশব্দে শরীরকে ক্ষতি করে। লক্ষণ না থাকলেও বিপদ থাকে ভেতরে ভেতরে। তাই সচেতন থাকুন, নিজের খেয়াল রাখুন।

কেন গুরুত্ব দিচ্ছেন না, যদি জীবনটাই সবচেয়ে মূল্যবান হয়?
• হৃদরোগ
• স্ট্রোক
• কিডনি বিকল
• চোখের জটিলতা

এসবের মূল কারণ হতে পারে আপনার অবহেলিত উচ্চ রক্তচাপ।

আপনার বয়স ৩০-এর বেশি? পরিবারে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস আছে?

তাহলে এখনই সময় আপনার রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করার!

উচ্চ রক্তচাপ হয় কেন?
• বেশি লবণ খাওয়া
• ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার
• ব্যায়ামের ঘাটতি
• ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান
• মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা
• কিডনি বা হরমোনজনিত সমস্যা

আপনি পারেন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে!

আপনার করণীয়ঃ
• খাবারে ভারসাম্য আনুন – লবণ কম, ফল-সবজি বেশি
• চলাফেরা করুন – প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
• ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন
• মানসিক চাপ কমান – মেডিটেশন, প্রার্থনা, যোগব্যায়াম
• ভালো ঘুম – অন্তত ৭–৯ ঘণ্টা
• রক্তচাপ মাপুন নিয়মিত – ঘরে মনিটর রাখুন

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন, দীর্ঘজীবী হোন।

এই ১৭ মে, আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি—
“নিজেকে ও প্রিয়জনকে রক্ষা করতে আজ থেকেই রক্তচাপ পরীক্ষা করি।”

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

নিশ্চিন্তে হারবাল ওষুধ? সাবধান! উপকারের নামে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিআজকাল শরীর খারাপ হলে অনেকেই আর ডাক্তার দেখাতে চান না...
16/05/2025

নিশ্চিন্তে হারবাল ওষুধ? সাবধান! উপকারের নামে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

আজকাল শরীর খারাপ হলে অনেকেই আর ডাক্তার দেখাতে চান না। ইউটিউব, ফেসবুক, প্রতিবেশী বা আত্মীয়ের পরামর্শে শুরু করে দেন “হারবাল” বা “প্রাকৃতিক” ওষুধ। অনেকে আবার অনলাইন থেকে কিনে ফেলেন যৌনশক্তি বৃদ্ধির নানা রকম “পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন” ক্যাপসুল বা সিরাপ।

কিন্তু জানেন কি, এই তথাকথিত প্রাকৃতিক ওষুধই হতে পারে নীরব ঘাতক?

হারবাল ওষুধ: উপকার না বিপদ?

১. লিভার ও কিডনির ক্ষতি:
অনেক হারবাল ওষুধে থাকে ভারী ধাতু যেমন সীসা, পারদ বা আর্সেনিক। এগুলো ধীরে ধীরে লিভার ও কিডনির ভয়ানক ক্ষতি করতে পারে।

২. ওষুধের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া:
আপনি যদি ডায়াবেটিস, প্রেসার বা অন্য কোনো রোগের নিয়মিত ওষুধ খান, হারবাল ওষুধ তার কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে পারে। কখনো আবার বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়াও হতে পারে।

৩. বিপজ্জনক উপাদান:
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক ‘আরিস্টোলোচিয়া’ — একটি জনপ্রিয় হারবাল উপাদান, যেটির সঙ্গে ক্যান্সার ও কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

যৌনশক্তি বৃদ্ধির নাম করে প্রতারণা🚨

অনেক হারবাল যৌন উত্তেজক ওষুধে অঘোষিতভাবে মেশানো থাকে স্টেরয়েড বা রাসায়নিক পদার্থ। এতে সাময়িক উত্তেজনা মিললেও শরীরে ঘটে মারাত্মক বিপর্যয়:
• রক্তচাপ বেড়ে বা কমে যাওয়া: যা হার্টের রোগীদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।
• হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট: পুরুষত্ব কমে যাওয়া, স্তনে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ব্রণ বা বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
• মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা: উদ্বেগ, হতাশা এমনকি আসক্তির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

ভুল ধারণা ভাঙতে হবে🙏

• “প্রাকৃতিক মানেই নিরাপদ” — একেবারে ভুল।
অনেক বিষ, যেমন বিষাক্ত গাছ বা প্রাণীদেহের টক্সিনও তো প্রাকৃতিক!
• “হারবাল ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই” — মিথ্যা।
বাস্তবে অনেক হারবাল ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, শুধু তা বিজ্ঞানসম্মতভাবে যাচাই না হওয়ায় আমরা বুঝতে পারি না।

কী করবেন?👇🏻👇🏻👇🏻

• যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• ইউটিউব বা সোশ্যাল মিডিয়ার পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করুন।
• প্রাকৃতিক বা হারবাল নাম শুনে অন্ধবিশ্বাসে পড়বেন না।
• স্বাস্থ্যই যদি না থাকে, তবে শক্তি বা সৌন্দর্য দিয়ে কী হবে?

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা: নিছক বিরক্তি নয়, হতে পারে হৃদরোগের ইঙ্গিত!রাতে পাশে কেউ নাক ডাকলে বিরক্ত হন? ভাবেন “গভীর ঘুম দিচ্ছ...
13/05/2025

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা: নিছক বিরক্তি নয়, হতে পারে হৃদরোগের ইঙ্গিত!

রাতে পাশে কেউ নাক ডাকলে বিরক্ত হন? ভাবেন “গভীর ঘুম দিচ্ছে”? কিন্তু জানেন কি, নাক ডাকা হতে পারে হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের সতর্কবার্তা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যবয়স্ক পুরুষদের ৪০% ও নারীদের ২০% জীবনের কোনো না কোনো সময় ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। এমনকি বাচ্চারাও এর শিকার হতে পারে।

কেন নাক ডাকি?
• নাকে পলিপ, সাইনাস বা অ্যাডিনয়েড
• গলার চারপাশে চর্বি জমে যাওয়া
• বয়স বাড়লে গলার পেশি আলগা হয়ে যাওয়া
• ধূমপান, মদ্যপান
• চিৎ হয়ে ঘুমানো

স্বাস্থ্যঝুঁকি কী কী?
• উচ্চ রক্তচাপ ও অনিয়মিত হার্টবিট
• হার্ট ফেইলিওর, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি
• ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মৃত্যু

নাক ডাকা কমাতে যা করতে পারেন:
• কাত হয়ে ঘুমান
• ওজন কমান
• ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করুন
• মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ দিন
• নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন
• নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান

নাক ডাকাকে অবহেলা নয়, গুরুত্ব দিন। এটা শুধু ঘুম নয়, আপনার হৃদয়ের ভবিষ্যতের বার্তা হতে পারে।

আপনার বা কাছের কারও এই সমস্যা থাকলে, আজই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

গরমে সতর্ক হোন! আপনার প্রতিদিনের ওষুধই হতে পারে হিট স্ট্রোকের কারণ!এই প্রচণ্ড গরমে শুধু রোদ বা তাপ নয়—আপনার নিজের শরীরেই...
12/05/2025

গরমে সতর্ক হোন! আপনার প্রতিদিনের ওষুধই হতে পারে হিট স্ট্রোকের কারণ!

এই প্রচণ্ড গরমে শুধু রোদ বা তাপ নয়—আপনার নিজের শরীরেই লুকিয়ে থাকতে পারে বিপদের বীজ। আপনি কি জানেন, কিছু সাধারণ ওষুধ গরমে শরীরের পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) বা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়?

চলুন জেনে নিই কোন ওষুধগুলো গরমে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে:

১. ডায়ুরেটিক্স (Diuretics)
যেমন: Furosemide, Hydrochlorothiazide
→ শরীর থেকে পানি ও লবণ বের করে দেয়। ফলে ডিহাইড্রেশন ও ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স হতে পারে।

২. বিটা-ব্লকার (Beta blockers)
যেমন: Atenolol, Metoprolol
→ শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায়, ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

৩. এন্টিহিস্টামিন (Antihistamines)
যেমন: Diphenhydramine, Loratadine
→ ঘাম হওয়ার প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়, যা শরীর ঠান্ডা রাখার প্রাকৃতিক পদ্ধতিকে বাধাগ্রস্ত করে।

৪. এন্টিসাইকোটিক ওষুধ (Antipsychotics)
যেমন: Olanzapine, Haloperidol
→ থার্মোরেগুলেশন বা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা করতে পারে।

৫. অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট (Antidepressants)
যেমন: Amitriptyline, Fluoxetine
→ স্নায়বিক উত্তেজনায় প্রভাব ফেলে এবং ঘাম কমায়।

কি করবেন?
• নিয়মিত পানি পান করুন, বিশেষ করে ওষুধ খাওয়ার পর।
• রোদে সরাসরি বের হবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন যদি আপনি উপরোক্ত ওষুধগুলোর কোনোটি খেয়ে থাকেন।
• হালকা ও ঢিলেঢালা কাপড় পরুন।
• হঠাৎ মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম বা ক্লান্তি অনুভব করলে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন ও পানি পান করুন।

মনে রাখবেন—সচেতনতা বাঁচাতে পারে জীবন!

হিটস্ট্রোক নিয়ে আমার আগের একটি পোস্ট আছে পড়তে চাইলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ।

https://www.facebook.com/share/p/18r9orBRLx/?mibextid=wwXIfr

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

নিশ্চিন্ত চিকিৎসা, সঠিক পরামর্শ — এখন আরও কাছাকাছি!প্রতি ‘শুক্রবার’ বিকাল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্তসুখছড়ী কালিবাড়ি ...
12/05/2025

নিশ্চিন্ত চিকিৎসা, সঠিক পরামর্শ — এখন আরও কাছাকাছি!

প্রতি ‘শুক্রবার’ বিকাল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত
সুখছড়ী কালিবাড়ি বাজারে অবস্থিত 'শান্তি মেডিকেল হল ‘(ডা সমীর ভট্টাচার্য্যর চেম্বার ) এ
আমি নির্ধারিত দিনে রোগী দেখব।

আপনার ও আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
সিরিয়ালের জন্যে যোগাযোগ করুন ০১৩০৬২৬১২৩৪, ০১৮১৫৮৮৩৭৬১

📌 ডা.রায়হান উদ্দীন
এমবিবিএস ( স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ),বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস ফাইনাল পার্ট (মেডিসিন)
সহকারী রেজিস্ট্রার (হৃদরোগ বিভাগ), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।

Address

Lohagara General Hospital, Lohagara
Chittagong
4396

Opening Hours

Monday 15:00 - 21:00
Tuesday 15:00 - 21:00
Wednesday 15:00 - 21:00
Thursday 15:00 - 21:00
Saturday 15:00 - 21:00
Sunday 15:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Raihan Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category