11/12/2024
মলদ্বারে ফিস্টুলা হলো একটি ছোট সুড়ঙ্গ বা নালি, যা মলদ্বারে সংক্রমিত গহ্বরকে মলদ্বারের চারপাশের ত্বকের সঙ্গে সংযুক্ত করে। মলদ্বারের মাধ্যমে শরীর থেকে মল বের হয়ে থাকে। মলদ্বারের ঠিক ভেতরে অনেকগুলো ছোট গ্রন্থি রয়েছে, যা মিউকাস বা শ্লেষ্মা তৈরি করে। মাঝেমধ্যে এই গ্রন্থিগুলো আটকে যায় এবং সংক্রমিত হতে পারে, যার ফলে ফোড়া হয়ে থাকে। এই ফোড়াগুলোর প্রায় অর্ধেকই পরবর্তী সময়ে ফিস্টুলায় পরিণত হতে পারে।
মলদ্বার ফিস্টুলার কারণ কী
মলদ্বার ভগন্দরের প্রধান কারণ হলো মলদ্বার গ্রন্থি এবং মলদ্বার ফোড়া। এ ছাড়া নিচের অবস্থাগুলো, যা মলদ্বার ফিস্টুলার কারণ হতে পারে: ক্রোনস ডিজিজ (অন্ত্রের একটি প্রদাহজনিত রোগ), রেডিওথেরাপি, ট্রমা, যৌনরোগ, যক্ষ্মা, ডাইভার্টথাক্লাইটিস (একটি রোগ, যেখানে ছোট থলি বড় অন্ত্রে তৈরি হয় এবং স্ফীত হয়), ক্যানসার।
বিজ্ঞাপন
লক্ষণগুলো কী কী
১. ঘন ঘন মলদ্বারে ফোড়া হওয়া, মলদ্বারের চারপাশে ব্যথা এবং ফোলা ভাব, মলদ্বারের চারপাশে একটি মুখ থেকে রক্তাক্ত বা দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ নিঃসরণ। এ ক্ষেত্রে ফিস্টুলা নিষ্কাশনের পর ব্যথা কমে যেতে পারে।
২. মলদ্বারের চারপাশের ত্বকে জ্বালা।
৩. মলত্যাগের সঙ্গে ব্যথা।
৪. রক্তপাত।
৫. জ্বর।
কীভাবে মলদ্বার ফিস্টুলা নির্ণয় করা হয়
একজন চিকিৎসক সাধারণত মলদ্বারের চারপাশের এলাকা পরীক্ষা করে মলদ্বার ফিস্টুলা নির্ণয় করতে পারেন। তিনি সেখানকার ত্বকে একটি মুখ ও নালির (ফিস্টুলা ট্র্যাক্ট) সন্ধান করবেন। তারপর দেখতে হবে, ট্র্যাক্ট বা সুড়ঙ্গটি কতটা গভীর। এটি কোন দিকে যাচ্ছে, তা নির্ধারণ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাইরের মুখ থেকে পুঁজ বা রস নিষ্কাশিত হয়।
কিছু ফিস্টুলা ত্বকের পৃষ্ঠে দৃশ্যমান না–ও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসককে অতিরিক্ত পরীক্ষা করতে হতে পারে। যেমন অ্যানোস্কপি পরীক্ষা হলো একটি পদ্ধতি, যেখানে মলদ্বার এবং মলদ্বারের ভেতরে দেখতে একটি বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
✅ বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ক্লিক করুন⬇️