17/12/2024
যাদের বিয়ের পর বাচ্চা হয় না বিভিন্ন সমস্যার কারনে । তাদের জন্য Dxn company র কিছু সুপার ফুড আছে নিচে তার বিবরণ দেওয়া আছে।
সন্তান ধারন করতে চাইলে আজ থেকে সেবন করুন
1. Spirulina
2. Morinzhi
3. Cordyceps
4. Lion'smane
আজকের সেমিনারে আলোচনার বিষয় হল সন্তান ধারনে অক্ষমতা আসুন পুরো বিষয়টা জেনে নেই
বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
বা সন্তান ধারনে অক্ষমতা.এবংএর প্রতিকার.
রোধ করতে স্পাইরুলিনা+ কডিসেপ+ মরেনজি+ লায়ন্সমেন পরামর্শ মোতাবেক গ্রহণ করবেন প্রতিদিন দুইবার একাধারে পাচ মাস স্বামী স্ত্রী দুইজনেই ব্যবহার করবেন ব্যবহার করলেই হবে না সাথে সাথে কিছু পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
আসুন জেনে নেই বন্ধ্যাত্ব বলতে কি বুঝায় :
“””””””””””'”””””””””””””””””””””””””””‘”
বিয়ের পর এক বছর পার হলে যদি সন্তান না হয়,
তবে তাকেই সাধারনত বন্ধ্যাত্ব বুঝায়। আবার অনেকের ধারনা, যদি নারীর সন্তান ধারনে সক্ষমতা একেবারে না থাকে, তাহলো বন্ধ্যাত্বের বিশেষ লক্ষন যদি চিকিৎসার মাধ্যমে নারী সন্তান ধারনে সক্ষম হন,
তাহলে তা প্রকৃত বন্ধ্যাত্ব নয়।
বন্ধ্যাত্ব কত প্রকার :
“”””””””””””””””””””””””””””””
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দুভাগে ভাগ করেছেন,
০১) প্রাথমিক বন্ধ্যাত্ব।
০২) সাময়িক বন্ধ্যাত্ব।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের গবেষনার ফল হলো নারী-পুরুষের মিলনের মধ্যে ৯০% ক্ষেত্রে সন্তান হয়,
আর ১০% হয়না। চিকিৎসার ফলে ৬%-৭% সন্তান ধারনে সক্ষমতা ফিরে পায়।
আসুন জেনে নেই ন্ধ্যাত্বের কারন :
“””””””””””””””””””””””””
অনেকক্ষেত্রে স্বাভাবিক নিয়মেই
নারীর সন্তান ধারন করতে পারেনা, যেমন:
০১) নারীর বেশি বয়সে Menopause হলে।
০২) ডিম্বকোষে ডিম্ব উৎপন্নের বয়স না হলে।
০৩) নারীর স্তনে দুধ আসার বয়স না হলে।
সন্তান ধারনের জন্য যা প্রয়োজন :
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
ওভারীকে সুস্হ O**m নি:সরন করতে হবে। টেস্টিসকে অবশ্যই সুস্হ Spermatozoa সৃষ্টি করতে হবে।
ওভারীর সংগে সুস্হ শুক্রকীটের মিলন না হলে
উল্লেখিত বিষয়ের মধ্যে যদি কোন একটির অবাব হয়,
তাহলেই সন্তান হবেনা।
প্যাথলজিক্যাল কারন :
“””””””””””””””””””””””””””””””””””
পুরুষের শুক্রকীটের ক্রোমোজোমে ঠিকমতো XY ভাবে না থাকা, কিংবা পুরুষের শুক্রকীট ঠিকমতো সৃষ্টি করার ক্ষমতা থাকেনা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা হয়। আবার কখনো নারীর যৌন জীবন, যৌন চরিত্র এবং যৌন বাহ্যিক অবস্হা ঠিক থাকলেও, ঠিকমতো ডিম্বকোষে উপযুক্ত ডিম সৃষ্টি হয়না। আর এটাও সন্তান না হবার জন্য অনেকাংশে দায়ী। ডিম্বকোষেরর রোগ থেকেও তা হতে পারে। আবার এর ভিন্ন কারনও থাকতে পারে।
পুরুষরা যেজন্য দায়ী থাকে তা হলো :
“”””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
ডায়েবেটিস রোগ হলে. কিংবা সাধারন ভাবে ক্ষমতা কমে গেলে। এন্ডোক্রিন গ্রন্হির জন্য। মানসিক অবস্হা।
জেনিট্যাল কারন। টেস্টিস ঠিকমতো গঠিত না হলে।
হার্নিয়া বা ফাইলেরিয়া প্রভৃতি রোগের জন্যও হতে পারে। পুং যৌননালীতে বাধার জন্যও হতে পারে।
মুত্রথলির প্রদাহ, গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতিকেও এর জন্য দায়ী করা হয়। যক্ষারোগকে ও দায়ী করা হয়।
যৌন মিলনের ভুল প্রথা- অনেক নারী বা পুরুষ জানেন না কি করে প্রকৃত যৌন মিলন করতে হয়। ভুল যৌন মিলনের ফলে নারীর জরায়ুতে বীর্য নিক্ষপ ঠিকমতো না হলেও সন্তান হবেনা।
নারীদেরকে যে কারনে দায়ী করা হয় :
“””””””””””””””””””””””””””‘””‘”””””””””””””””””””””””””'”””
মানসিক কারন, সারভিক্সে কার্যক্ষমতার অভাব, এনিমিয়া বা রক্ত শুন্যতা, পুষ্টিহীনতা, হর্মোন জনিত কারন। যৌনির জন্মগত অপরিনতি, যৌনিতে ক্রিয়াশীলের অভাব, যোনির আক্ষেপ।জরায়ুর কার্য প্রনালীতে সমস্যা, ডিম্ববাহী নালীর সৃষ্টিতে বাধা,
ডিম্ব উৎপাদনে ব্যাঘাত, যৌনব্যাধি হওয়া, ইত্যাদিকে সন্তান না হবার জন্য দায়ী করা হয়।
বন্ধ্যাত্বের পর্যবেক্ষণ :
“””””””””””””””””””””””””””””””””
এর পর্যবেক্ষণ অনেক কঠিন কাজ। কখনো পরিলক্ষিত হয়,প্রাথমিক অবস্হা থেকেই বন্ধ্যাত্ব। কি কারনে তা হচ্ছে,এর কারন উদঘাটন করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, একটি বা দুটি সন্তান হয়েই আর হয়না,তারপর বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা :(পুরুষের)
“”””””””””””””””””””'”””””””””””””””””””””””””
পুরুষের পরীক্ষার ক্ষেত্রে তার ইতিহাস জানা জরুরি।
তার যৌনতন্ত্র ঠিক আছে কিনা,
তার দেহের Cell এবং নিউক্লিয়াসে XY ক্রোমোজোম ঠিকমতো অাছে কিনা,
সে বীর্যপাত করলে তাতে শুক্রকীট বের হয় কিনা,
রক্তহীনতা বা অপুষ্টি জনিত সমস্যাও দেখতে হবে।
মহিলাদের ক্নিনিক্যাল পরীক্ষা :
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””‘””””
সতর্ক পর্যবেক্ষণ করতে হবে,
বয়স ৩৫ এর বেশি এবং কর্মশীল না হয়,তবে
বন্ধ্যাত্ব হওয়াকে স্বাভাবিক হিসেবে পরিগনিত হয়।
যোনির বা জরায়ুর সমস্যার কারনে বা লিউকোরিয়া
থাকলে তা চিহ্নিত করবে। যৌনরোগে আক্রান্ত কিনা দেখতে হবে। যক্ষা,এপেনডিসািটিস,ডায়াবেটিস,ফাইলোরিয়া
টাইফয়েড,ডেংগু,ডিপথেরিয়া,রক্ত শুন্যতা,
জরায়ু,ডিম্বনালী বা যোনিতে কখনো অপারেশন
হয়েছে কিনা ইত্যাদি বিষয়ে জানা অাবশ্যক।
মাসিকের বিষয়ে বিস্তারিত জানবে।
মিলন পদ্দতিতে ভুল আছে কিনা জানতে হবে।
বিবাহে সম্মতি ছিরো কিনা তা জানাও জরুরী, কারন
মতের বিবুদ্ধে স্বাভাবিক মিলন হয়না,
ইত্যাদি বিষয়ে জানা প্রয়োজন।
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা :
“””””‘”””””””””””””””””””””””””””
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হলে তার শুক্রকীট থাকবেনা, কিংবা নিস্তেজ থাকবে। কাজেই পুরুষের যৌন দুর্বলতা বা ধ্বজভংগ থাকলে তড়িৎ চিকিৎসা করবে।
নারী বন্ধ্যাত্ব হলে :
কারন চিহ্নিত করে চিকিৎসা করলে আল্লাহর ইচ্ছায়
গর্ভধারন করতে পারবে।
চারটি সুপারফুড পেতে ইনবক্স করুন।