M/S khawja Durg house

M/S khawja Durg house Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from M/S khawja Durg house, Doctor, East shohid nagor, Chittagong.

02/06/2025

✅ মিষ্টি আলুঃ বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়ানোর জন্যে সেরা খাবার। এটি শুধু বাচ্চার শরীরের জন্য নয়, তাদের মানসিক বিকাশেও সাহায্য করে।

🟠 মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ: 👇

🟣 ওজন বৃদ্ধি:

মিষ্টি আলু দ্রুত বাচ্চার ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা পুষ্টিগুণ বাচ্চার শক্তি বৃদ্ধি করে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়ক।

🟣 ক্যালসিয়াম ও আয়রন:

এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম এবং আয়রন, যা রক্তশূন্যতা কমায় এবং হাড়ের গঠন শক্তিশালী করে।

🟣 হজমে সহায়তা:

মিষ্টি আলু হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটি বাচ্চার পেটের সমস্যাগুলোর জন্যও খুব উপকারী।

🟣 বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন A:

মিষ্টি আলুতে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন A থাকে, যা বাচ্চার চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়ায় এবং তাদের চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

🟣 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:

এটি বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, যার ফলে তারা বেশি সুস্থ ও সক্রিয় থাকে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিষ্টি আলু রাখুন এবং দেখুন আপনার বাচ্চা হয়ে উঠছে আরো শক্তিশালী, সুস্থ এবং প্রাণবন্ত।

25/05/2025

লো প্রেসার: নীরব বিপদ! জেনে নিন বিস্তারিত
লো প্রেসার বা রক্তচাপ কমে যাওয়া একটি সাধারণ কিন্তু অবহেলিত সমস্যা।
এটি হলে শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিকমতো হয় না, ফলে বিভিন্ন অঙ্গ প্রভাবিত হতে পারে।

⭐ লক্ষণ ও উপসর্গ:

✅মাথা ঘোরা
✅দুর্বল লাগা
✅চোখের সামনে অন্ধকার দেখা
✅বমি ভাব
✅দ্রুত শ্বাস
✅মনোযোগে ঘাটতি

🧑‍🔬 লো প্রেসার কেন হয়?

✅পানিশূন্যতা
✅হৃদযন্ত্রের সমস্যা
✅হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
✅ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
✅অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা ইনফেকশন

🚨 প্রতিকার কী?

✅পর্যাপ্ত পানি পান
✅নুনযুক্ত খাবার গ্রহণ / ওরস্যালাইন
✅ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ানো
✅শরীরচর্চা
✅প্রয়োজনে ডাক্তার প্রদত্ত ওষুধ সেবন

👉 প্রতিরোধ করবেন কীভাবে?

✅সুষম খাদ্য গ্রহণ
✅শরীর হাইড্রেটেড রাখা
✅অতিরিক্ত স্ট্রেস এড়িয়ে চলা
✅নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা

💊 ব্যবহৃত ওষুধসমূহ (ডাক্তারের পরামর্শক্রমে):

✅ফ্লুড্রোকর্টিসোন
✅মিডড্রিন (Midodrine)
✅কখনো কখনো স্যালাইন দেওয়া হয়
✅নরঅ্যাড্রেনালিন

🔥 লো প্রেসার কখন ভয়াবহ?
✅রক্তচাপ ৯০/৬০ mmHg-এর নিচে নামলে
✅অজ্ঞান হয়ে গেলে
✅হার্টবিট দ্রুত কমে গেলে

🔥🔥 লো প্রেসার থেকে সৃষ্ট জটিলতা 🔥🔥

⭐মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়া:
ফলে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
⭐হৃদযন্ত্রের সমস্যা:
হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত পায় না, ফলে হৃদস্পন্দনে অস্বাভাবিকতা (Arrhythmia), হৃৎপিন্ডের কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি বাড়ে।
⭐কিডনির ক্ষতি:
কিডনিতে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছালে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা কিডনি ফেইলিওরের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
⭐অঙ্গহানি (Organ Damage):
লো প্রেসার যদি দীর্ঘস্থায়ী বা খুব তীব্র হয়, তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি, লিভারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়ে অঙ্গহানি হতে পারে।
⭐অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়ে চোট লাগা:
হঠাৎ মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ায় পড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে আঘাত, হাত-পা ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি শারীরিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
⭐দৃষ্টিশক্তির সমস্যা:
চোখে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
⭐Shock (Hypovolemic/Septic/Cardiogenic):
খুব তীব্র লো প্রেসার হলে শরীর শকে চলে যেতে পারে, যা জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা

🧑‍⚕️ ডাক্তার দেখাবেন কখন?

✅উপসর্গ বারবার হলে
✅মাথা ঘোরার সঙ্গে বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট থাকলে
✅হঠাৎ করে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে নেমে গেলে
লো প্রেসারকে হালকাভাবে না দেখে সময়মতো চিকিৎসা নেয়া খুব জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত
🦠 সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন।।।

14/05/2025

🍜 নুডুলস: স্বাস্থ্যের পক্ষে না বিপক্ষে?
🔖 নুডুলসের সাধারণ পুষ্টিমূল্য বিশ্লেষণ:

কার্বোহাইড্রেট: উচ্চ পরিমাণে।

ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট: কিছু ক্ষেত্রে বেশি, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

সোডিয়াম (লবণ): অনেক বেশি।

প্রোটিন ও ফাইবার: খুবই কম।

ভিটামিন-মিনারেল: কার্যত অনুপস্থিত।

🚫 নিয়মিত ইনস্ট্যান্ট নুডলস খাওয়ার ঝুঁকি:

উচ্চমাত্রার সোডিয়াম: উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনির সমস্যার ঝুঁকি।

ট্রান্স ফ্যাট ও প্রিজারভেটিভ: হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

কম পুষ্টিগুণ: শুধু কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ভিটামিন প্রায় নেই।

ময়দা থেকে তৈরি: হজমে সমস্যা এবং ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা।

স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ব্যাঘাত ঘটায়।

🍜 স্বাস্থ্যকরভাবে নুডুলস খাওয়ার উপায়:

সবজি যোগ করুন: গাজর, ব্রকোলি, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।

প্রোটিন যুক্ত করুন: ডিম, মুরগি, ডাল বা টোফু।

কম লবণ ও তেল ব্যবহার করুন: প্যাকেটের মসলা না দিয়ে নিজের তৈরি মসলা ব্যবহার করুন।

🤔 স্টিকি নুডুলস কি ভালো বিকল্প?

রাইস নুডুলস তুলনামূলকভাবে কম প্রসেসড, হজমে সহজ এবং গ্লুটেন-মুক্ত। ঘরে রান্না করে সবজি ও প্রোটিন যোগ করলে এটি ইনস্ট্যান্ট নুডুলসের চেয়ে স্বাস্থ্যকর।

নুডুলস কখনোই পূর্ণাঙ্গ পুষ্টিকর খাবার নয়। স্বাস্থ্যসচেতনভাবে রান্না করলে মাঝে মাঝে খাওয়া যেতে পারে।

Dr.Tanvir Ahmed
Join: Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD)

14/05/2025

বুকের দুধ খায় এমন নবজাতক শিশুকে ঔষধ না খাইয়ে কিভাবে বদহজম ও পেট ফাপা থেকে মুক্ত করা যায়?

নবজাতক শিশু যদি শুধু বুকের দুধ খায় এবং তার বদহজম বা পেট ফাঁপা (Gas) হয়, তাহলে কোনো ওষুধ ছাড়াই কিছু কার্যকরী পদ্ধতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

১. সঠিকভাবে দুধ খাওয়ানো (Proper Breastfeeding Technique)

❌ ভুল: অনেক সময় শিশুর পজিশনিং বা অ্যাটাচমেন্ট ঠিকমতো না হলে সে অনেক বাতাস গিলে ফেলে, যা পেটে গ্যাস তৈরি করে।
✅ সমাধান:
• শিশুকে ঠিকমতো পজিশনিগ করান (নিপলের সাথে অ্যারিওলার কিছু অংশ মুখে রাখতে হবে)।
• একবারে বেশি দুধ খাওয়ানোর পরিবর্তে বারবার ছোট ছোট সময় খাওয়ান।
• বুকের দুধের প্রথম ভাগ (foremilk) এর পাশাপাশি শেষের দুধ (hindmilk) ও খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। পিছনের দুধে বেশি চর্বি থাকে, যা হজমে সহায়ক। অনেকে ভুলে এক পাশের দুধ কিছু ক্ষণ খাইয়েই অপর পাশের দুধ খাওয়ানো শুরু করেন এতে শিশু দুই স্তনেরই ফোরমিল্ক পাচ্ছে ও হাইন্ডমিল্ক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

২. প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর পর বার্প করানো (Burping after Each Feed)

শিশু যখন দুধ খায়, তখন কিছু বাতাসও গিলে ফেলে, যা পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে।

✅ কীভাবে বার্প করাবেন?
• পিঠে আলতো চাপ দিয়ে (Shoulder Method) – শিশুকে কাঁধে তুলে ধরে ধীরে ধীরে পিঠে চাপ দিন।
• বসিয়ে পিঠে চাপ দিয়ে (Sitting Method) – শিশুকে কোলে বসিয়ে এক হাত চিবুকের নিচে ধরে অন্য হাত দিয়ে পিঠে চাপ দিন।
• উল্টে রেখে পিঠে চাপ দিয়ে (Lap Method) – শিশুকে উল্টো করে কোলের ওপর রাখুন, মাথা একটু উঁচুতে থাকবে, ধীরে ধীরে পিঠে চাপ দিন।

৩. “বাইসাইকেল এক্সারসাইজ” এবং পেট ম্যাসাজ (Leg Exercise & Tummy Massage)

✅ কীভাবে করবেন?
• শিশুকে সমতল জায়গায় শুয়ে রেখে তার পা দুটো আলতোভাবে বাইসাইকেলের মতো চালান। এতে অন্ত্রের গ্যাস সহজেই বের হয়ে যাবে।
• ঘড়ির কাটার দিকে পেট ম্যাসাজ করুন (Clockwise Abdominal Massage)। এতে অন্ত্রের গ্যাস বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।
• ম্যাসাজের জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায়।

৪. শিশুকে কিছুক্ষণ উল্টে শোয়ানো (Tummy Time)
• দিনে ২-৩ বার, ৩-৫ মিনিট করে শিশুকে পেটের ওপর শুইয়ে দিন (মুখ এক পাশের দিকে থাকবে)।
• এতে গ্যাস বের হতে সাহায্য করে ও পেটের পেশি মজবুত হয়।

৫. মায়ের খাবারের প্রতি নজর দেওয়া (Mother’s Diet & Hydration)

কারণ: শিশুর পেটে ফাঁপা অনেক সময় মায়ের খাবারের কারণে হতে পারে, কারণ বুকের দুধের মাধ্যমে কিছু উপাদান শিশুর দেহে যায়। মা খুব রিচ ফুড, ঝাল মশলা যুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।

✅ মায়ের কী খাবার এড়িয়ে চলা উচিত?
❌ গ্যাস তৈরির খাবার – বাঁধাকপি, ব্রকলি, ডাল, বেশি মসলা, পেঁয়াজ, চিনি
❌ বেশি চা-কফি
❌ দুগ্ধজাত খাবার (যদি শিশুর Lactose Intolerance থাকে)

✅ কী খাওয়া উচিত?
✅ প্রচুর পানি ও তরল খাবার
✅ শাকসবজি ও সহজপাচ্য খাবার, মাছ
✅ আদা-জিরা-সুপারির পানি (যাতে গ্যাস কম হয়)

🚨 কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে?

বদহজম বা পেট ফাঁপার সাথে নিম্নলিখিত লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
• শিশু খাবার খেতে চাইছে না।
• বমি হচ্ছে বা পেট ফাঁপা বেশি দেখা যাচ্ছে।
• পায়খানা খুব কম বা খুব বেশি হচ্ছে।
• শিশু অতিরিক্ত কান্নাকাটি করছে বা ঘুমাচ্ছে না।
• জন্ডিস, ওজন কমে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে।

© collected

11/05/2025

বিষাক্ত খাবার গুলো বাচ্চাদের খাওয়াবেন না

11/05/2025

ছবিটা দেখে জিহ্বায় পানি না আসলে আপনার সমস্যা আছে!
যেকোন টক জাতীয় খাবার দেখলেই আমাদের জিহ্বায় পানি আসে। কারন উক্ত খাবারের স্বাদ কীরকম, তার ধারনা আমাদের জিহ্বা আগে থেকেই জানে। তাই তেঁতুল বা টক জাতীয় খাবার দেখলে বা শুনলেই মানব মনে একধরনের উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। খাবার টক হয় জৈব এসিডের উপস্থিতিতে। যেহেতু জিহ্বা আগে থেকেই এর স্বাদ সম্পর্কে অবগত থাকে, তাই টক খাবার দেখলেই আমাদের মস্তিষ্কের অনিয়ন্ত্রনযোগ্য অংশের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। ফলে টক জাতীয় খাবার দেখলেই তা আমাদের স্যালিভা,সিকরেশন বাড়ায় যা লালাগ্রন্থী কে লালা ক্ষরন করার নির্দেশ দেয়, তাই জিবে পানি আসে। তবে টক জাতীয় খাবার স্বাদ সমন্ধে যদি পূর্বে থেকে কোন ধারনাই না থাকে তাহলে জিহ্বায় পানি আসবেনা। মূলত তা সিমপ্যাথেটিক ও প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুর আবেগজনিত ক্রিয়ার ফলে লালারস নিঃসৃত হয়ে থাকে।
এই ছবি দেখে কার কার জিহ্বায় পানি চলে আসছে জানাবেন..

10/05/2025

বাহিরের খাবার বাচ্চাদেরকে খাওয়াবেন না তাতে বাচ্চাদের কি হতে পারে একবার ভেবে দেখুন।

cp

10/05/2025

শিশুর যত্নে গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস। শেয়ার করুন। নিজে জানুন, অন্যদেরকেও জানান।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

▶️ভুল করেও আপনার সদ্যোজাত নবজাতক শিশুকে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু খেতে দিবেন না। অনেকে পানি, মধু, চিনির পানি বা মিসরির পানি খেতে দেন না জেনেই। এটার প্রভাব তাৎক্ষণিক ভাবেই পড়তে পারে আপনার শিশুর উপর।
▶️ শিশু জন্মের পর প্রথম তিন দিন পর্যন্ত শিশুকে গোসল করাবেন না।

▶️শিশু যদি না খেতে চায় তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।

▶️শিশুকে কখনোই একা একা উঁচু স্থানে বসিয়ে রেখে আপনি দূরে কোথাও যাবেন না।

▶️গোসল করিয়ে সাথে সাথে শিশুর শরীরে তেল লাগাবেন না। বরং গোসলের আগে তেল ব্যবহার করতে পারেন।

▶️ প্রথম ৬ মাস শিশুকে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু খেতে দিবেন না।

▶️শিশু কান্না করলে তাকে শান্ত রাখার জন্য মুখে চুষনি দিবেন না।

▶️ রাতে ঘুমের মধ্যে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোন খাবার শিশুর মুখে দুধ দেবেন না।

▶️ অনেকের ধারণা জ্বর হলে মোটা কাঁথা-কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখলে জ্বর কমে যাবে। ভুলেও এ কাজ করবেন না। শিশু যেভাবে আরাম বোধ করে সেভাবে রাখুন।

▶️ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে স্যালাইন এর পাশাপাশি সব খাবার দিবেন শিশুকে। কোন খাবার বন্ধ করবেন না।

▶️কখনোই অতিরিক্ত কাপড় দিয়ে শিশুর উপর চাপ সৃষ্টি করবেন না।

▶️আপনার শিশুকে বাইরের কোন খাবার, দীর্ঘ দিনের ফ্রিজের খাবার বা বাসি খাবার দেবেন না।নিজে হাতে তৈরি করুন তার খাবার।

▶️শিশু যতদিন না নিজে নিজে হাঁটতে পারে ততদিন শিশুকে ওয়াকার দিয়ে হাঁটানোর চেষ্টা করবেন না।

▶️শিশুর যদি শ্বাস কষ্টের জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে তাকে কখনোই ঘুমের ওষুধ দিবেন না।

▶️অনেকের ধারনা কলা, কমলা ও অন্যান্য ফলমূল খেলে শিশুর ঠাণ্ডা লাগে বা বেড়ে যায়। এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। সব ফলমূল খেতে দিন আপনার শিশুকে।

▶️ না ধুয়ে কোন ফল খাওয়াবেন না শিশুকে।

▶️ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে শিশুকে কখনো কোন ওষুধ খাওয়াবেন না।

▶️শিশু না খেলে বা দুষ্টমি করলে কখনো তাকে ভয় দেখাবেন না। এতে আপনার শিশুর মানসিক সমস্যা হতে পারে।

▶️শিশুকে কখনো মারবেন না, সে কোন খারাপ কিছু করলে তাকে বুঝিয়ে বলুন।

▶️শিশুর সামনে বসে কখনো ধূমপান করবেন না।

▶️শিশুকে সাথে নিয়ে কোন ধরনের ভয়ের সিনেমা বা নাটক দেখবেন না।

▶️রান্নাঘর বা টয়লেটে একা একা আপনার শিশুকে যেতে দিবেন না।

▶️কোন ধরনের ধারালো জিনিস যেমন সুই, কাঁচি, ছুরি এগুলো শিশুর সামনে রাখবেন না।

▶️ সমস্যা খুব গুরুতর না হলে শিশুর এক্সরে করবেন না।

▶️সবরকম ওষুধ শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।

শিশুকে নিরাপদে রাখতে মেনে চলুন সব ধরনের সতর্কতা। ভালো থাকুক আপনার সোনামণি। হাসি থাকুক আপনার মুখে সবসময়।

10/05/2025

শরীরের গোপন পরিচালক: মানবদেহের ৪৪টি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন!
জানুন কোন হরমোন কী কাজ করে, ঘাটতি বা অতিরিক্ত হলে কী হতে পারে!

আপনার শরীরের মধ্যে চলছে এক বিশাল "হরমোনাল ব্যালান্স" এর খেলা!
ইনসুলিন থেকে শুরু করে অক্সিটোসিন, থাইরক্সিন থেকে এন্ডোরফিন—প্রতিটি হরমোনই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার অনুভূতি, শক্তি, ঘুম, ক্ষুধা, মেজাজ, প্রজনন ক্ষমতা এমনকি জীবনের গতি!

আপনি জানেন কি?

ক্ষুধা বাড়ায় "ঘ্রেলিন", আবার দমন করে "লেপ্টিন"

"অ্যাড্রেনালিন" দিয়ে তৈরি হয় ফাইট অর ফ্লাইট মুড

"প্রোল্যাক্টিন" শুধু দুধ নয়, প্রজননের সাথেও জড়িত!

আর "সেরোটোনিন" ছাড়া জীবন একেবারেই ফাঁকা ফাঁকা লাগবে!

বিশেষত:
এই তালিকায় রয়েছে ৪৪টি প্রধান হরমোনের নাম, উৎপত্তি, কাজ ও ঘাটতি/অতিরিক্ত হওয়ার প্রভাব—সব একসাথে এক পোস্টে!

পোস্টটি পড়ে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
কারণ, জানাটা যত বেশি, জীবনটা তত ভালো!

---
"মানবদেহের ৪৪টি হরমোন – কাজ, উৎস, ও অসামঞ্জস্যের প্রভাব!"

মানব দেহে প্রায় ৫০টিরও বেশি হরমোন রয়েছে, যেগুলো শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন, তাদের কাজ ও ঘাটতি/বেশি হওয়ার প্রভাব তুলে ধরা হলো:

১. ইনসুলিন (Insulin)

উৎপত্তি: অগ্ন্যাশয় (Pancreas)
কাজ: রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
ঘাটতি: ডায়াবেটিস (Type 1 বা Type 2)
অতিরিক্ত: হাইপোগ্লাইসেমিয়া (কম রক্তচিনি), দুর্বলতা

---

২. থাইরক্সিন (Thyroxine / T4)
উৎপত্তি: থাইরয়েড গ্রন্থি
কাজ: বিপাক হার নিয়ন্ত্রণ করে
ঘাটতি: হাইপোথাইরয়েডিজম (বিষণ্ণতা, ওজন বৃদ্ধি, দুর্বলতা)
অতিরিক্ত: হাইপারথাইরয়েডিজম (হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, ওজন হ্রাস)

---

৩. অ্যাড্রেনালিন (Adrenaline)
উৎপত্তি: অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
কাজ: ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স, হঠাৎ বিপদের সময় শক্তি বৃদ্ধি
অতিরিক্ত: উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা

---

৪. কর্টিসল (Cortisol)
উৎপত্তি: অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
কাজ: স্ট্রেস হরমোন, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: দুর্বলতা, ওজন হ্রাস, রক্তচাপ হ্রাস
অতিরিক্ত: কুশিং’স সিনড্রোম (Cushing's Syndrome)

---

৫. এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন (Estrogen & Progesterone)
উৎপত্তি: ডিম্বাশয়
কাজ: নারী দেহের প্রজনন ও ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: অনিয়মিত ঋতুস্রাব, বন্ধ্যাত্ব
অতিরিক্ত: পিসিওএস, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি

---

৬. টেস্টোস্টেরন (Testosterone)
উৎপত্তি: অণ্ডকোষ
কাজ: পুরুষের যৌন বৈশিষ্ট্য ও পেশি বৃদ্ধি
ঘাটতি: যৌন দুর্বলতা, হতাশা
অতিরিক্ত: আগ্রাসী আচরণ, ব্রণ

---

৭. গ্রোথ হরমোন (Growth Hormone - GH)
উৎপত্তি: পিটুইটারি গ্রন্থি
কাজ: দেহের বৃদ্ধি ও কোষের গঠনে সাহায্য করে
ঘাটতি: বামনত্ব
অতিরিক্ত: জায়ান্টিজম বা অ্যাক্রোমেগালি

---

৮. অক্সিটোসিন (Oxytocin)
উৎপত্তি: হাইপোথ্যালামাস
কাজ: সন্তান জন্মের সময় জরায়ু সংকোচন, মাতৃস্নেহ বৃদ্ধি
ঘাটতি: সন্তান প্রসবে বিলম্ব
অতিরিক্ত: খুব কম প্রভাব দেখা যায়

---

৯. এলডোস্টেরন (Aldosterone)
উৎপত্তি: অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
কাজ: শরীরে সোডিয়াম ও পানি সংরক্ষণ এবং পটাসিয়াম নির্গমন
ঘাটতি: ডিহাইড্রেশন, রক্তচাপ কমে যাওয়া
অতিরিক্ত: উচ্চ রক্তচাপ, পটাসিয়াম কমে যাওয়া

---

১০. প্রোল্যাক্টিন (Prolactin)
উৎপত্তি: পিটুইটারি গ্রন্থি
কাজ: স্তন্যদানকে উদ্দীপিত করে
ঘাটতি: দুধ উৎপাদনে সমস্যা
অতিরিক্ত: বন্ধ্যাত্ব, স্তন্যবৃদ্ধি (পুরুষের ক্ষেত্রেও)

---

১১. মেলাটোনিন (Melatonin)
উৎপত্তি: পাইনিয়াল গ্রন্থি
কাজ: ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে
ঘাটতি: ঘুমের ব্যাঘাত, ইনসোমনিয়া
অতিরিক্ত: অতিরিক্ত ঘুম, মন্থরতা

---

১২. ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH)
উৎপত্তি: পিটুইটারি গ্রন্থি
কাজ: ডিম্বাণু ও শুক্রাণু উৎপাদন
ঘাটতি: বন্ধ্যাত্ব
অতিরিক্ত: অস্বাভাবিক প্রজনন সমস্যা

---

১৩. লুটিনাইজিং হরমোন (LH)
উৎপত্তি: পিটুইটারি গ্রন্থি
কাজ: ডিম্বাণু নির্গমন ও পুরুষের টেস্টোস্টেরন নিঃসরণ
ঘাটতি: প্রজননে সমস্যা
অতিরিক্ত: হরমোন ভারসাম্যহীনতা

---

১৪. অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন (ADH বা Vasopressin)
উৎপত্তি: হাইপোথ্যালামাস (সংরক্ষণ: পিটুইটারি)
কাজ: পানি সংরক্ষণ, প্রস্রাবের পরিমাণ কমানো
ঘাটতি: ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস (অতিরিক্ত প্রস্রাব ও পিপাসা)
অতিরিক্ত: পানি জমা হয়ে হাইপোনাট্রেমিয়া

---

১৫. প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH)
উৎপত্তি: প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি
কাজ: রক্তে ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: মাংসপেশির খিঁচুনি
অতিরিক্ত: অস্থি দুর্বলতা, কিডনির পাথর

---

১৬. ক্যালসিটোনিন (Calcitonin)
উৎপত্তি: থাইরয়েড গ্রন্থি
কাজ: রক্তে ক্যালসিয়াম কমায়
ঘাটতি/অতিরিক্ত: তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ, তবে হাড়ে প্রভাব ফেলে

---

১৭. ঘ্রেলিন (Ghrelin)
উৎপত্তি: পাকস্থলী
কাজ: ক্ষুধা উদ্দীপিত করে
ঘাটতি: ক্ষুধামান্দ্য
অতিরিক্ত: অতিরিক্ত খাওয়া ও মোটা হওয়া

---

১৮. লেপ্টিন (Leptin)
উৎপত্তি: ফ্যাট সেল (adipose tissue)
কাজ: ক্ষুধা দমন করে
ঘাটতি: অতিরিক্ত খাওয়া
অতিরিক্ত: লেপ্টিন রেজিস্ট্যান্স (মোটা হওয়া সত্ত্বেও ক্ষুধা না কমা)

---

১৯. সেরোটোনিন (Serotonin) (আংশিকভাবে হরমোন, আংশিক নিউরোট্রান্সমিটার)
উৎপত্তি: মস্তিষ্ক ও অন্ত্রে
কাজ: মেজাজ, ঘুম, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: বিষণ্ণতা, উদ্বেগ
অতিরিক্ত: সেরোটোনিন সিনড্রোম

---

২০. ইরিথ্রোপয়েটিন (Erythropoietin – EPO)
উৎপত্তি: কিডনি
কাজ: রক্তে লাল কণিকা (RBC) তৈরি উদ্দীপিত করা
ঘাটতি: অ্যানিমিয়া
অতিরিক্ত: রক্ত ঘন হয়ে স্ট্রোক বা হৃদরোগের ঝুঁকি

---

২১. রেনিন (Renin)
উৎপত্তি: কিডনি
কাজ: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন সিস্টেম শুরু করে
ঘাটতি: রক্তচাপ কমে যাওয়া
অতিরিক্ত: উচ্চ রক্তচাপ

---

২২. অ্যাঞ্জিওটেনসিন II
উৎপত্তি: রেনিনের প্রভাবে লিভার থেকে
কাজ: রক্তনালী সংকুচিত করে রক্তচাপ বাড়ায়
অতিরিক্ত: উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের ঝুঁকি

---

২৩. গ্লুকাগন (Glucagon)
উৎপত্তি: অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস)
কাজ: রক্তে গ্লুকোজ বাড়ানো
ঘাটতি: হাইপোগ্লাইসেমিয়া
অতিরিক্ত: রক্তে গ্লুকোজ অতিরিক্ত, ডায়াবেটিসে সমস্যা

---

২৪. ট্রাইয়োডোথাইরোনিন (T3)
উৎপত্তি: থাইরয়েড
কাজ: কোষের বিপাক বৃদ্ধি করে
ঘাটতি: মেটাবলিজম কমে যায়
অতিরিক্ত: হাইপারথাইরয়েডিজম

---

২৫. সোমাটোস্ট্যাটিন (Somatostatin)
উৎপত্তি: হাইপোথ্যালামাস ও প্যানক্রিয়াস
কাজ: অন্যান্য হরমোনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে
ঘাটতি: হরমোনের অতিনিঃসরণ
অতিরিক্ত: হরমোন নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত

---

২৬. এন্ডোরফিন (Endorphins)
উৎপত্তি: মস্তিষ্ক
কাজ: ব্যথা উপশম, আনন্দ অনুভব
ঘাটতি: বিষণ্ণতা
অতিরিক্ত: অতিরিক্ত উত্তেজনা, ব্যথা সংবেদন কমে যাওয়া

---

২৭. এনকেফালিন (Enkephalins)
উৎপত্তি: স্নায়ুতন্ত্র
কাজ: ব্যথা নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: ব্যথা বেশি অনুভূত হওয়া
অতিরিক্ত: ব্যথা অনুভূতির বিকৃতি

---

২৮. থাইরোট্রপিন (TSH – Thyroid Stimulating Hormone)
উৎপত্তি: পিটুইটারি
কাজ: থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে সহায়তা
ঘাটতি: হাইপোথাইরয়েডিজম
অতিরিক্ত: হাইপারথাইরয়েডিজম

---

২৯. অ্যাক্টিএইচ (ACTH – Adrenocorticotropic Hormone)
উৎপত্তি: পিটুইটারি
কাজ: কর্টিসল নিঃসরণে সহায়তা
ঘাটতি: কর্টিসল ঘাটতি
অতিরিক্ত: কুশিং'স সিনড্রোম

---

৩০. হিউম্যান করিওনিক গনাডোট্রপিন (hCG)
উৎপত্তি: গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টা
কাজ: গর্ভধারণ বজায় রাখা
ঘাটতি: গর্ভপাতের ঝুঁকি
অতিরিক্ত: টিউমার, মোলার প্রেগন্যান্সি

---

৩১. হিউম্যান প্লাসেন্টাল ল্যাকটোজেন (hPL)
উৎপত্তি: প্লাসেন্টা
কাজ: গর্ভাবস্থায় শিশুর জন্য গ্লুকোজ সরবরাহ
ঘাটতি: গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ঝুঁকি
অতিরিক্ত: মাতৃগ্লুকোজ লেভেল অতিরিক্ত

---

৩২. ইনহিবিন (Inhibin)
উৎপত্তি: ডিম্বাশয় ও অণ্ডকোষ
কাজ: FSH নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: প্রজননে সমস্যা
অতিরিক্ত: প্রজনন দমন

---

৩৩. রিল্যাক্সিন (Relaxin)
উৎপত্তি: প্লাসেন্টা ও ডিম্বাশয়
কাজ: গর্ভকালীন জরায়ু ও পেলভিস নরম করা
ঘাটতি: প্রসবের সমস্যা
অতিরিক্ত: অস্থিসন্ধির ব্যথা

---

৩৪. গ্যাসট্রিন (Gastrin)
উৎপত্তি: পাকস্থলী
কাজ: অ্যাসিড নিঃসরণ
ঘাটতি: হজমে সমস্যা
অতিরিক্ত: আলসার

---

৩৫. সেক্রেটিন (Secretin)
উৎপত্তি: অন্ত্র
কাজ: প্যানক্রিয়াসকে বাইকার্বনেট নিঃসরণে উদ্দীপিত করা
ঘাটতি: হজমে সমস্যা
অতিরিক্ত: পেট ফাঁপা

---

৩৬. কোলেসিস্টোকাইনিন (CCK)
উৎপত্তি: ক্ষুদ্রান্ত্র
কাজ: পিত্ত নিঃসরণে সহায়তা, খিদে নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: হজম সমস্যা
অতিরিক্ত: ক্ষুধামান্দ্য

---

৩৭. মোটিলিন (Motilin)
উৎপত্তি: অন্ত্র
কাজ: অন্ত্রের গতি বাড়ানো
ঘাটতি: কোষ্ঠকাঠিন্য
অতিরিক্ত: ডায়রিয়া

---

৩৮. ভিআইপি (VIP – Vasoactive Intestinal Peptide)
উৎপত্তি: অন্ত্র
কাজ: অন্ত্রের রক্তপ্রবাহ ও নিঃসরণ বাড়ায়
ঘাটতি: হজমে সমস্যা
অতিরিক্ত: ডায়রিয়া

---

৩৯. নিউরোপেপ্টাইড Y
উৎপত্তি: মস্তিষ্ক
কাজ: ক্ষুধা ও শক্তি সঞ্চয়
ঘাটতি: ক্ষুধামান্দ্য
অতিরিক্ত: ওজন বৃদ্ধি

---

৪০. অ্যাডিপনেকটিন (Adiponectin)
উৎপত্তি: ফ্যাট সেল
কাজ: ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি
ঘাটতি: টাইপ ২ ডায়াবেটিস ঝুঁকি
অতিরিক্ত: দুর্বলতা

---

৪১. লিপোকালিন-২ (Lipocalin-2)
উৎপত্তি: ফ্যাট টিস্যু
কাজ: প্রদাহ ও ইনসুলিন সংবেদনশীলতা
ঘাটতি/অতিরিক্ত: গবেষণাধীন, তবে ডায়াবেটিসে ভূমিকা থাকতে পারে

---

৪২. রেটিনল বাইন্ডিং প্রোটিন ৪ (RBP4)
উৎপত্তি: লিভার ও ফ্যাট সেল
কাজ: ভিটামিন A পরিবহন
ঘাটতি: দৃষ্টির সমস্যা
অতিরিক্ত: ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স

---

৪৩. হেপসিডিন (Hepcidin)
উৎপত্তি: লিভার
কাজ: আয়রন শোষণ নিয়ন্ত্রণ
ঘাটতি: আয়রন ওভারলোড
অতিরিক্ত: অ্যানিমিয়া

---

৪৪. ট্রপোনিন (Hormone-like protein)
উৎপত্তি: হৃৎপিণ্ডের কোষ
কাজ: হৃৎপিণ্ডের ক্ষত নির্দেশক
অতিরিক্ত: হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত

#শরীরেরহরমোন #ডায়াবেটিস #থাইরয়েড #ঘুম #মেজাজ

08/05/2025

বিড়াল পালনে সাধারণ কিছু তথ্য :
১। প্রতি তিন মাস অন্তর কৃমির ওষুধ খাওয়ান।
২। বয়স ২-২.৫ মাস হলে ফ্লু এর ভ্যাক্সিন দিন৷ র‍্যাবিসের ভ্যাক্সিন ৩ মাস বয়সে দিন।
৩। ঘন ঘন গোসল দেয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজন অনুসারে ২-৬ মাসে একবার দিন৷ মানুষের শ্যাম্পু দিয়ে গোসল দিবেন না।
৪। ড্রাই ক্যাট ফুড সম্ভব হলে এড়িয়ে চলুন।
৫। মশলা, অতিরিক্ত লবণ, তেল, চকোলেট, ঘি ইত্যাদি খাবার পরিহার করুন।
৬। মাছ/মাংসের কাটা/হাড্ডি বেছে খেতে দিন।
৭। কয়েকদিন পরপর নখ কেটে দিন।
৮। প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের নিউটার/স্পে করিয়ে দিন
৯। সাধারণ হাচি-কাশি বা শরীর গরমে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।
১০। নাপা/প্যারাসিট্যমল জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন
১১। যেসব বিড়াল হঠাৎ করে খাওয়া দাওয়া করে না এবং বমি করে এসকল বিড়ালকে সুস্থ বিড়াল থেকে আলাদা রাখুন।
১২। বিড়ালের হঠাৎ পাতলা পটি হলে ঘরোয়া ভাবে মাংসের সাথে কাচা কলা সিদ্ধ করে খাওয়ান।
১৩। পটি শক্ত হয়ে কন্স্টিপেশন হলে মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপে সিদ্ধ খাওয়ান।
১৪। সাধারণত মাল্টিভিটামিন খাওয়ালে পটি নরম হয়, এটা নরমাল।
১৫। ঘরের বিড়াল বাহিরে যাওয়া আসা করলে অবশ্যই র‍্যাবিস বা জলাতঙ্কের টিকা দিন বছরে একবার। মনে রাখবেন মানুষের জলাতঙ্ক হলে বাঁচার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
১৬। বিড়ালের গর্ভধারণ সময় ৬২-৬৫ দিন। এসময় কৃমির সমস্যা দেখা দিলে সব ধরনের কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না৷ নির্দিষ্ট কিছু কৃমির ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শে দেয়া যাবে। নির্দিষ্ট ওষুধ বাদে বাকিগুলো abortion/miscarriage করার জন্য দায়ী।
১৭। বিড়াল অসুস্থ হলে, খাওয়া দাওয়া না করলে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
১৮। বাচ্চা ডেলিভারিতে সাধারণত ১২ থেকে ৩৬ ঘন্টা সময় বা তারও বেশি লাগতে পারে। এসময় বিড়ালকে আমিষ জাতীয় খাবার বা গ্লুকোজ খাওয়ান।
১৯। কয়েকদিন পরপর কান পরিষ্কার করে দিন৷ কটোন বাডে নারিকেল তেল লাগিয়ে কান পরিষ্কার করুন।
২০। গর্ভবতী নারীরা বিড়ালের পটি পরিষ্কার থেকে বিরত থাকুন।
২১। ফ্লু ছাড়াও মানুষের মতো বিড়ালের রোগের অভাব নেই। মানুষের মতো বিড়ালদেরও হার্ট, ফুসফুস, কিডনি, লিভার, স্প্লিনের রোগ হতে পারে। সকল রোগের সাধারণ লক্ষণ খাওয়া বন্ধ করে দেয়া। তাই সব ক্ষেত্রেই ফ্লু হয়েছে বলা যাবে না। ( এ সম্পর্কে পেইজের পূর্বের পোস্ট দেখুন)
২২। যেকোনো ওষুধ খাওয়ানোর পূর্বে সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ একজন ভেট ৫ থেকে ৭ বছর পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তারপর ভেট হন। অবশ্যই একজন ভেট বিভিন্ন ওষুধের ব্যাপারে অবগত
আছেন

মিষ্টি আলুঃ "বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়ানোর সেরা খাবার" বাচ্চার স্বাস্থ্য এবং বিকাশের জন্য মিষ্টি আলু একটি বিশেষ খাবার। এটি শ...
08/05/2025

মিষ্টি আলুঃ "বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়ানোর সেরা খাবার"
বাচ্চার স্বাস্থ্য এবং বিকাশের জন্য মিষ্টি আলু একটি বিশেষ খাবার। এটি শুধু বাচ্চার শরীরের জন্য নয়, তাদের মানসিক বিকাশেও সাহায্য করে।

🟠 মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ: 👇
🟣 ওজন বৃদ্ধি:

মিষ্টি আলু দ্রুত বাচ্চার ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা পুষ্টিগুণ বাচ্চার শক্তি বৃদ্ধি করে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়ক।

🟣 ক্যালসিয়াম ও আয়রন:
এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম এবং আয়রন, যা রক্তশূন্যতা কমায় এবং হাড়ের গঠন শক্তিশালী করে।

🟣 হজমে সহায়তা:
মিষ্টি আলু হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটি বাচ্চার পেটের সমস্যাগুলোর জন্যও খুব উপকারী।

🟣 বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন A:
মিষ্টি আলুতে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন A থাকে, যা বাচ্চার চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়ায় এবং তাদের চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

🟣 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
এটি বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, যার ফলে তারা বেশি সুস্থ ও সক্রিয় থাকে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিষ্টি আলু রাখুন এবং দেখুন আপনার বাচ্চা হয়ে উঠছে আরো শক্তিশালী, সুস্থ এবং প্রাণবন্ত।

Address

East Shohid Nagor
Chittagong
4213

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/S khawja Durg house posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category