06/01/2026
একটা মজার গল্পবলি::-
একদিন দেখলাম ছবির বাচ্চাটাকে তার মা বোতলে করে কি যেনো হাবিযাবি খাওয়াচ্ছে।
আমি গিয়ে সুন্দর করে বুঝিয়ে বললাম। যেনো এসব না খাওয়ায়।
পরদিন যখন দেখলাম যে আবার বুঁকের দুধের পরিবর্তে বোতল ফিডিং করাচ্ছে তখন আমি বোতলটা দিয়ে গেলাম আমার রুমে,,, আর নিষেধ করলাম এইসব যেনো আর না খাওয়ায়।
৩য় দিন দেখলাম যে আমার থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে বোতল দুধ বানিয়ে খাওয়াচ্ছে,, আমি বাচ্চাটায় নিয়ে চলে আসলাম 🤭( ছবি )
একটা বাচ্চা পৃথিবীতে আসার ১ ঘন্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করা জরুরি।
৬ মাস পর্যন্ত শুধু মাত্র মায়ের দুধ খাবে।
প্রয়োজনে মেডিসিন খাবে, তাছাড়া অন্য কোনো কিছুই খাওয়ানো যাবেনা।
এতে বাচ্চার নানান সমস্যার সৃষ্টি হয়।
মায়ের দুধ বাচ্চার জন্য সবচেয়ে বড় ঔষধ,,
প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি আল্লাহ এর মধ্যে দিয়েছেন।
আমার এক স্যার বলেন, বাচ্চাকে মায়ের দুধ না দিয়ে বোতল ফিডিং করানো একটা ক্রাইম।
বাচ্চার হক নষ্ট করার জন্য ডাক্তার বা মা কে আল্লাহ কাছে জবাবদিহি করতে হবে..!!!!😲
অনেক বাচ্চার মা বলে বাচ্চা দুধ কম পায়,
একটা ইন্টারেষ্টিং কথা বলি,,
আল্লাহ এইখানে এমন মেকানিসম দিয়ে দিয়েছেন, যে বাচ্চার জন্য যতটুকু দুধ প্রয়োজন ততটুকু দুধ আসবে। এমনকি কখন একটু তরল কখন একটু ঘন দুধ প্রয়োজন সেটাও সেট করা।(যদি বাচ্চা ও মা সুস্থ থাকে)
বাচ্চার দুধ চুষা থেকে মায়ের ব্রেইন এ সিগন্যাল যায় কখন কত টুকু, কেমন ঘনত্বের দুধ প্রয়োজন..!!!
এই জন্যই বাচ্চার সুস্থতা ও বৃদ্ধির জন্য ৬ মাস পর্যন্ত শুধু মাত্র মায়ের বুঁকের দুধ খাওয়ান। ৬ মাস পর দুধের সাথে পারিবারিক খাওয়ার শুরু করুন।
যখন বাচ্চাকে বোতল ফিডিং করানো হয় কিছু সমস্যা হয়।
১. বোতল থেকে ইনফেকশন ছড়ায়।
কয়দিন পরপর ডায়রিয়া নিয়ে আসে।
২. বাচ্চা দুধ খেতে চায়না।
বোতলের মিষ্টি খাবার পেয়ে সে আর দুধ খায়না।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হয়।
যারজন্য বাচ্চা বারবার অসুস্থ হয়ে পরে।
৪. বাচ্চা মোটাসুটা হয় তবে সহজেই অসুস্থ হয়।
তাই মায়ের দুধ খাওয়ান,, বাচ্চাকে সুস্থ রাখুন। ☺️