Children’s Specialist Chamber

Children’s Specialist Chamber Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Children’s Specialist Chamber, Doctor, MUSKASH;51 South Khulshi;Road # 01, Chittagong.

CHILDREN’S SPECIALIST CHAMBER
(চিলড্রেন‘স স্পেশালিস্ট চেম্বার)
-নবজাতক,শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ
ঠিকানা:
MUSKASH; ৫১ নং দক্ষিণ খুলশী,রোড #০১,
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
চেম্বার সময়: সন্ধ্যা ৭টা -রাত ১০টা;শুক্রবার বন্ধ।
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
০১৭৯৫ ৬৩৩ ৩৩৩

চট্টগ্রামে হামের সর্বশেষ পরিস্হিতি : অদ্য ২৯ মার্চ রাত ১০ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ০২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকে...
30/03/2026

চট্টগ্রামে হামের সর্বশেষ পরিস্হিতি :
অদ্য ২৯ মার্চ রাত ১০ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ০২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৪ জন রোগী সন্দেহজনক হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এসব সন্দেহজনক হাম রোগীদের নমুনা সংগ্রহ পূর্বক রোগনির্নয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর কোন তথ্য অত্র দপ্তরে অদ্যবধি নথিবুক্ত নয়।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম শহর ও আশেপাশের এলাকায় শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়াজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এসব রোগীদের উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা চালু রয়েছে। সন্দেহজনক হাম রোগীদের ক্ষেত্রে নমুনা সংগ্রহ পূর্বক তা পরীক্ষা করা আবশ্যক।
জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসব নিউমোনিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্হা গ্রহন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা বিশেষ কর্নার খোলা হয়েছে ।

টিকাদান পরিস্থিতি: চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) এবং সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী টিকার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
টিকাদানের সময়সূচী ও নিয়ম
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের দুই ডোজ হামের টিকা দেওয়া হয়:
প্রথম ডোজ : শিশু জন্মের ৯ মাস পূর্ণ হলে।
দ্বিতীয় ডোজ : ১৫ মাস বয়সে।

তবে ৯ মাসের কম বয়সী শিশুরা, যাদের এখনও টিকা দেওয়ার বয়স হয়নি, তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

হাম রোগ সাধারণত দুইভাবে নির্ণয় করা হয়
: বাহ্যিক লক্ষণ দেখে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে।
১. বাহ্যিক লক্ষণ পর্যবেক্ষণ (ক্লিনিকাল ডায়াগনোসিস)
চিকিৎসকরা সাধারণত রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং ফুসকুড়ির ধরণ দেখে হাম শনাক্ত করেন:
*কপলিক স্পট : গালের ভেতরের অংশে ছোট ছোট সাদা বা ধূসর দানা দেখা দেয়, যা হামের একটি প্রধান লক্ষণ।
*ফুসকুড়ির ধরণ: সাধারণত কান বা মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে শরীরের নিচের দিকে (ঘাড়, বুক, হাত ও পা) ছড়িয়ে পড়া লালচে ছোপ ছোপ দাগ।
*প্রাথমিক উপসর্গ: তীব্র জ্বর (১০৩-১০৪° ফারেনহাইট), অনবরত কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
*জরুরি বিপদচিহ্ন:
শ্বাসকষ্ট হওয়া বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়া বা খিঁচুনি হওয়া।
একদম খেতে না পারা বা অনবরত বমি করা।

২. ল্যাবরেটরি পরীক্ষা (ল্যাব ডায়াগনোসিস)
লক্ষণগুলো নিশ্চিত করার জন্য কিছু পরীক্ষা করানো হতে পারে:
রক্ত পরীক্ষা (IgM Antibody Test): রক্তে হামের ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি (IgM) আছে কিনা তা যাচাই করা হয়। এটি বর্তমানে হাম শনাক্তের সবচাইতে প্রচলিত পদ্ধতি।
পিসিআর পরীক্ষা (RT-PCR): রোগীর নাক, গলা বা প্রস্রাব থেকে নমুনা (Swab) নিয়ে ভাইরাসের জেনেটিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ: আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবার (বিশেষ করে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার) এবং পর্যাপ্ত বুকের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

আক্রান্ত শিশুর যত্ন:

আলাদা রাখা: শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা ঘরে রাখুন।
তরল খাবার: প্রচুর পানি, ফলের রস ও পুষ্টিকর খাবার দিন।
ভিটামিন-এ: চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন-এ নিশ্চিত করুন।

🚨

আমার দর্পন: “আর পড়বো না ডাক্তারি“সমীক্ষাটি ভারতের হলেও আমাদের দেশেও এমনটিই হবে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের প্...
27/03/2026

আমার দর্পন: “আর পড়বো না ডাক্তারি“
সমীক্ষাটি ভারতের হলেও আমাদের দেশেও এমনটিই হবে।
সম্প্রতি একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৯১.৪% চিকিৎসক তাঁদের সন্তানদের ডাক্তারি পেশায় আসতে দিতে চান না, যা পেশার প্রতি গভীর হতাশা ও অনিচ্ছার ইঙ্গিত দেয়। কাজের অতিরিক্ত চাপ (৭৮%), শারীরিক বা মৌখিক হেনস্থার ভয় (৮৪%), এবং আইনি জটিলতা (Medico-legal ৬৭%) এই অনীহার মূল কারণ। দীর্ঘ পড়াশোনা ও কাজের ভারের তুলনায় আয়ের অসামঞ্জস্যতাও বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে চিকিৎসকরা তীব্র পেশাগত স্ট্রেস এবং burn out এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন,
অধিকাংশক্ষেত্রে রোগীর আত্মীয়-স্বজন কতৃক মিথ্যা অভিযোগ,সিনিয়রদের অসহযোগিতা,এছাড়া প্রশাসনিক অবহেলা চিকিৎসকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া একটি রীতিতে পরিনিত হয়েছে।
পোস্ট গ্রাজুয়েশনে সীমিত আসন,অনেক পরিশ্রমের পর চান্স,এরপর শুরু হয় বিশাল জগতের পড়াশুনা,এমনভাবে duty সাজানো আছে যেনো কেহ পোস্ট গ্রাজুয়েশন করতে আসলে পাশাপাশি Part-time job করতে না পারে।তার সংসার,বৌ-বাচ্চা কে চালাবেন এসব স্যার-ম্যাডামরা কখনই ভাবেন না,কেহ যদি তার ডিউটির বাইরে চেম্বার করেন বা কোথাও part-time job করেন এতে আপনার সমস্যা কোথায়? ??কিন্তু এতে তার পাশের ১২টা বেজে যাবে।কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ব্যবহার খুবই খারাপ, যা মুখ বুজে হজম করতে হয়।

সময়মতো পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করে ক্যালেন্ডারের পাতা খেয়াল করলে দেখবেন তার ৪০ তম birthday গত মাসে পেরিয়ে গেছে। পোস্ট গ্রাজুয়েশনের পর নতুন করে প্রফেশন শুরু হলো। চেম্বার,পরিচিতির জন্য দৌড়-ঝাপ করতে করতে ৫০তম birthday পেরিয়ে যাবে, আত্মীয়-স্বজন দাওয়াত দিবেন. .?আপনি দিন-রাত পড়েছিলেন, কাউকে সময় দেন নি আর এখন দেখবেন কেহ আপনাকে আর চিনছে না, সবাই দূরে চলে গেছে।বৌ-বাচ্চা সবাইকে deprive করলেন. ...!!!

জীবনে পেলেন কি??? দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাত জাগা বা জরুরি ডিউটির ফলে কর্ম-জীবন হয়ে উঠেছে ভারসাম্যহীন।হতাশা বেড়ে যায় যখন পোস্ট গ্রাজুয়েশন করে এসেও ভালো কোথাও ঠাঁই পাচ্ছেন না ।চিকিৎসা পেশায় আপনাকে সারা জীবন পড়াশুনার মধ্যে থাকতে হবে, আপনাকে সবসময় update থাকতে হবে।
সেই কলেজের বন্ধুরা যখন ২৮-৩০বছরে চাকুরী-সংসার গোছায়ে বিদেশ ভ্রমণ করছেন,আপনি তখন টিফিন বক্সে ২টি রুটি আর ডিম ভাজি নিয়ে সারাদিন ট্রেনিং/লাইব্রেরী work করছেন।তাইতো ৪৭ শতাংশ চিকিৎসক পেশা পরিবর্তনের কথা ভেবেছেন।হতাশায় আত্মহত্যার ঘটনাও কম নয়।

এ কারণে একসময়ের সম্মানজনক মহান এই পেশা এখন কর্মক্ষেত্রে চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের কারণে আগের মতো আকর্ষণীয় অবস্থায় নেই।
চিকিৎসক শুনলেই মানুষ বাঁকা চোখে প্রতিক্রিয়া জানায়।হাতে গোনা শতকরা ৭-৮ জন চিকিৎসক ভালো আছেন। বাইরে থেকে মানুষ দেখেন চিকিৎসকরা খুবই ভালো আছেন,আসলে ভিতরটা এর বিপরীত।

-ডাঃ এ টি এম মাহমুদুর রহমান জে এ সিদ্দিকী
কনসালটেন্ট
শিশু বিভাগ,NICU & PICU
ল্যাবএইড স্পেশালিস্ট হসপিটাল চট্টগ্রাম।

আগামী ২৬শে মার্চ (বৃহস্পতিবার)থেকে যথারীতি চেম্বার খোলা থাকবে ইনশাআল্লাহ
24/03/2026

আগামী ২৬শে মার্চ (বৃহস্পতিবার)থেকে যথারীতি চেম্বার খোলা থাকবে ইনশাআল্লাহ

ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ(তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)।“আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন...
20/03/2026

ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَ ﻣِﻨْﻜُﻢْ
(তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)।
“আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন”।
সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষদের হৃদয়েও ছড়াক ঈদানন্দ।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ঃ ১৯৮৮ সালে পাহাড়ের চূড়ায় উঠেছিলাম।তখন মোবাইল ছিল না বলে বিভিন্ন মূহুর্তের  ছবি তুলতে পারি নি।আজ হটাৎ এই...
09/03/2026

চন্দ্রনাথ পাহাড়ঃ ১৯৮৮ সালে পাহাড়ের চূড়ায় উঠেছিলাম।তখন মোবাইল ছিল না বলে বিভিন্ন মূহুর্তের ছবি তুলতে পারি নি।আজ হটাৎ এই পাহাড়ের ছবি দেখে সেই দিনের কথা মনে পড়লো।

চন্দ্রনাথ পাহাড়, যা সীতাকুণ্ড পাহাড় নামেও পরিচিত। সীতাকুণ্ড পাহাড় হিমালয় হতে বিচ্ছিন্ন হিমালয়ের পূর্বাঞ্চলীয় অংশ। এই পাহাড়টি হিমালয়ের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক ঘুরে ভারতের আসাম এবং ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্য দিয়ে ফেনী নদী পার হয়ে চট্টগ্রামের সঙ্গে মিশেছে। চট্টগ্রাম অংশে ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম শহর পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত হয়েছে সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক।

চন্দ্রনাথ পাহাড় (Chandranath Hill) হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান আর সুবিশাল সমুদ্র অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি সীতাকুণ্ডকে করেছে অনন্য। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের অবস্থান সীতাকুণ্ড বাজার থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার পূর্বে দিকে। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে পায়ে হেঁটে কিংবা রিক্সায় করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিচের গেটের কাছে যাওয়া যায়। তবে পায়ে হেঁ‌টে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে হিন্দুদের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা ও অধিবাসীদের জীবন যাত্রার চিত্র দেখা যায়। সীতাকুণ্ডের পূর্বদিকে চন্দ্রনাথ পাহাড়। আর পশ্চিমদিকে সুবিশাল সমুদ্র। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের শ্রেণিভূক্ত ছোট পাহাড়গুলো ব্যাসকুণ্ড থেকে শুরু হয়েছে। চন্দ্রনাথ মন্দিরসহ আরো রয়েছে বড়বাজার পূজামণ্ডপ, ক্রমধেশ্বরী কালী মন্দির, ভোলানন্দগিরি সেবাশ্রম, কাছারীবাড়ী, শনি ঠাকুর বাড়ী, প্রেমতলা, শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রাহ্মচারী সেবাশ্রম, শ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, গিরিশ ধর্মশালা, দোল চত্বর, এন,জি,সাহা তীর্থযাত্রী নিবাস, তীর্থ গুরু মোহন্ত আস্তানা, বিবেকানন্দ স্মৃতি পঞ্চবটি, জগন্নাথ আশ্রম, শ্রীকৃষ্ণ মন্দির, মহাশ্মশানভবানী মন্দির, স্বয়ম্ভুনাথ মন্দিগয়াক্ষেত্, জগন্নাথ মন্দির, বিরুপাক্ষ মন্দির, পাতালপুরী, অন্নপূর্ণা মন্দির ইত্যাদি।
সাংবার্ষিক ফাল্গুন মাসে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শিবচতুর্দশী মেলা হয় যা বেশ বড় ধরনের মেলা। দেশ-বিদেশের অগণিত সাধু-সন্ন্যাসী, ধর্ম পথিকের আগমণ ঘটে। তখন এলাকাটি জনাকীর্ণ আকার ধারণ করে।

বাংলাদেশের সীতাকুণ্ডের নিকটে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরে অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির অন্যতম বিখ্যাত শক্তিপীঠ।এ এলাকাকে হিন্দুদের বড় তীর্থস্থান বলাই ভালো।

ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শতাব্দীতে সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম অঞ্চল আরাকান রাজ্যের অধীনে ছিল। এর পরের শতাব্দীতে এই অঞ্চলের শাসনভার চলে যায় পাল সম্রাট ধর্মপালের হাতে। সোনারগাঁওয়ের সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ্ ১৩৪০ খ্রীষ্টাব্দে এ অঞ্চল অধিগ্রহন করেন। পরবর্তীতে ১৫৩৮ খ্রীষ্টাব্দে সুর বংশের শের শাহ্ সুরির নিকট বাংলার সুলতানি বংশের শেষ সুলতান সুলতান গীয়াস উদ্দীন মুহাম্মদ শাহ্ পরাজিত হলে এই এলাকা আরাকান রাজ্যের হাতে চলে যায় এবং আরাকানীদের বংশধররা এই অঞ্চল শাসন করতে থাকেন। পরবর্তীতে পর্তুগীজরাও আরাকানীদের শাসনকাজে ভাগ বসায় এবং ১৫৩৮ খ্রী: থেকে ১৬৬৬ খ্রী: পর্যন্ত এই অঞ্চল পর্তুগীজ ও আরাকানী বংশধরেরা একসাথে শাসন করে। প্রায় ১২৮ বছরের রাজত্ব শেষে ১৯৬৬ খ্রী: মুঘল সেনাপতি বুজরুগ উন্মে খান আরাকানীদের এবং পর্তুগীজদের হটিয়ে এই অঞ্চল দখল করে নেন।

চন্দ্রনাথ পাহাড় চূড়াতেই চন্দ্রনাথ মন্দির (Chandranath Temple) অবস্থিত। চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে ছোট একটি ঝর্ণা দেখাঁ যায়। এই ঝর্ণার কাছ থেকে পাহাড়ে উঠার পথ দুই দিকে চলে গেছে। ডান দিকের পথটির পুরোটাতেই পাহাড়ে উঠার জন্য সিঁড়ি তৈরি করা আর বাম পাশের পথটি সম্পূর্নই পাহাড়ি। সাধারণত পাহাড়ি পথ দিয়ে উপরে উঠা তুলনামুলক সহজ আর সিঁড়ির পথে নামাতে সহজ হয়।হেঁটে উঠতে একটু পরিশ্রমের কাজ হলেও আপনার হাঁটার উপর নির্ভর করবে কতক্ষণ লাগবে। সাধারণত ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে আসতে ধীরে উঠলে।
সীতাকুণ্ড শহরের পূর্বে অবস্থিত চন্দ্রনাথ শৃঙ্গ প্রায় ১১৫২ফুট উঁচু এবং চট্টগ্রাম জেলার সর্বোচ্চ স্থান। রাজবাড়ি টিলার উচ্চতা ৯০০ ফুট এবং সাজিঢালার উচ্চতা ৮০১ ফুট।

চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত। তাই যে জায়গা থেকেই চন্দ্রনাথ পাহাড় দেখতে চান আপনাকে প্রথমে সীতাকুণ্ডে আসতে হবে। সীতাকুণ্ড থেকে জনপ্রতি ২০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় চলে যেতে পারবেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে।

09/03/2026

https://www.facebook.com/share/1GQaxYR81Z/?mibextid=wwXIfr

CHILDREN’S SPECIALIST CHAMBER
(চিলড্রেন‘স স্পেশালিস্ট চেম্বার)
-নবজাতক,শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ
ঠিকানা:
MUSKASH; ৫১ নং দক্ষিণ খুলশী,রোড #০১,
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
চেম্বার সময়: সন্ধ্যা ৭টা -রাত ১০টা;শুক্রবার বন্ধ।
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
০১৭৯৫ ৬৩৩ ৩৩৩

09/03/2026
শিরোনাম : আকাশে জীবন বাঁচানোর সাহসী সিদ্ধান্ত — আটলান্টিকের মাঝপথে ডেল্টা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ডাইভার্ট।নিউজ ডেস্ক | ৬ জু...
09/02/2026

শিরোনাম : আকাশে জীবন বাঁচানোর সাহসী সিদ্ধান্ত — আটলান্টিকের মাঝপথে ডেল্টা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ডাইভার্ট।
নিউজ ডেস্ক | ৬ জুলাই ২০২৫
আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর মাঝ আকাশে এক যাত্রীর জীবন বাঁচাতে তাৎক্ষণিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত নিলেন ডেল্টা এয়ারলাইন্সের এক ক্যাপ্টেন।
মাদ্রিদ থেকে নিউইয়র্ক (JFK) অভিমুখে যাত্রারত Delta Air Lines-এর ফ্লাইট DL127–এ হঠাৎ গুরুতর চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে বিমানটি নির্ধারিত গন্তব্যের পরিবর্তে পর্তুগালের আজোরেস দ্বীপপুঞ্জের টেরসেইরা দ্বীপে জরুরি অবতরণ করে।
বিমানটি ছিল Airbus A330।
সূত্র জানায়, ফ্লাইটটি দুপুরের পর স্পেনের মাদ্রিদ থেকে যাত্রা শুরু করে। আটলান্টিক মহাসাগরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পথ অতিক্রম করার পর বিমানে থাকা এক যাত্রী হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার মধ্যে স্ট্রোকের স্পষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে বিমানে থাকা চিকিৎসকরা দ্রুত প্রাথমিক পরীক্ষা করেন।
পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর চিকিৎসকরা ককপিট ক্রুকে জানান—
রোগীকে অবিলম্বে উন্নত চিকিৎসা না দিলে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা অত্যন্ত বেশি।
এই অবস্থায় ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ডায়ানা ফস্টার দ্রুত বিকল্প বিমানবন্দর হিসেবে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জের টেরসেইরা দ্বীপ নির্বাচন করেন। এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দূরবর্তী অঞ্চল হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ ও চিকিৎসা সহায়তার সুযোগ রয়েছে।
ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফ্লাইটটি নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে টেরসেইরার দিকে যাত্রা করে এবং নিরাপদে অবতরণ সম্পন্ন করে।
বিমানবন্দরে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল জরুরি চিকিৎসা দল। অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই অসুস্থ যাত্রীকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে চিকিৎসকরা জানান,
এই দ্রুত ডাইভারশন এবং সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানোর সিদ্ধান্তই রোগীর জীবন বাঁচাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এই জরুরি ডাইভারশনের কারণে ফ্লাইটটির যাত্রা প্রায় ৪ ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও অপারেশনাল ব্যবস্থাপনার কারণে ফ্লাইটের যাত্রীরা প্রায় ২৯ ঘণ্টা টেরসেইরা দ্বীপে অবস্থান করতে বাধ্য হন।
তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন,
একজন মানুষের জীবন রক্ষার জন্য এই বিলম্ব তারা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছেন।
এই ঘটনা কেবল একজন পাইলটের পেশাগত দক্ষতার উদাহরণ নয়—
বরং আকাশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
ডেল্টা এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটের ডাইভারশন সিদ্ধান্ত আবারও প্রমাণ করল—
বিমান পরিচালনায় নিরাপত্তা ও মানবজীবনের গুরুত্বই সর্বাগ্রে।

Address

MUSKASH;51 South Khulshi;Road# 01
Chittagong
4225

Opening Hours

Monday 19:00 - 22:00
Tuesday 19:00 - 22:00
Wednesday 19:00 - 22:00
Thursday 19:00 - 22:00
Saturday 19:00 - 17:00
Sunday 19:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Children’s Specialist Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category