Homeo Aid & HealthCare

Homeo Aid & HealthCare Online Paid Homeo Service Center. (একটি বিশুদ্ধ হোমিওপ্যাথিক অনলাইন চিকিৎসা কেন্দ্র)

আপনি কি একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার খুঁজছেন?দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিক, হাঁপানি, চর্মরোগ, ডায়াবেটিস বা বিভিন্ন দীর্ঘস...
05/03/2026

আপনি কি একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার খুঁজছেন?

দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিক, হাঁপানি, চর্মরোগ, ডায়াবেটিস বা বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় ভুগছেন?
অনেক চিকিৎসা নিয়েও কি স্থায়ী সমাধান পাচ্ছেন না?
এখন ঘরে বসেই নিতে পারেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পরামর্শ।

👩‍⚕️ ডা. মুক্তা বড়ুয়া
হোমিওপ্যাথিক ফিজিশিয়ান (ডি.এইচ.এম.এস)

✔ দীর্ঘমেয়াদী রোগের চিকিৎসা
✔ শিশু ও নারী রোগের চিকিৎসা
✔ অনলাইনে ডাক্তার দেখানোর সুবিধা

📞 সিরিয়াল নিতে কল করুন : 01794742696
⚠️ শুধুমাত্র দুপুর ১২ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সিরিয়াল এর জন্য ফোন করতে পারবেন!

✅ প্রয়োজনীয় ফি প্রদানের পর আপনার অনলাইনে ভিজিটিং টাইম জানিয়ে দেওয়া হবে।

👉 আপনার সমস্যাটি কমেন্টে লিখুন বা ইনবক্স করুন
👉 সীমিত সময়ের মধ্যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন।
👉 বিস্তারিত জানতে আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

ঘরে বসেই ডাক্তারের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিন এবং সকল রোগের হোমিওপ্যাথিক সল্যুশনে রোগমুক্তির পথে এগিয়ে যান।ছবিতে দেওয়া ন...
04/03/2026

ঘরে বসেই ডাক্তারের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিন এবং সকল রোগের হোমিওপ্যাথিক সল্যুশনে রোগমুক্তির পথে এগিয়ে যান।

ছবিতে দেওয়া নাম্বারে কিংবা আমাদের পেইজে যোগাযোগ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন, প্রয়োজনীয় ফি প্রদানের মাধ্যমে আপনার স্লট বুক করুন। এরপর যথাসময়ে ডাক্তারের সাথে অনলাইনে ওয়ান-ওয়ান কথা বলে, নির্দেশনা ও পরামর্শ গ্রহন করতে পারবেন।

তাই আজই যোগাযোগ করুন : 01820 107979 (Whatsapp)

এখনই আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্ম করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
02/03/2026

এখনই আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্ম করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ঘরে বসেই ডাক্তারের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিন এবং সকল রোগের হোমিওপ্যাথিক সল্যুশনে রোগমুক্তির পথে এগিয়ে যান।ছবিতে দেওয়া ন...
01/03/2026

ঘরে বসেই ডাক্তারের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিন এবং সকল রোগের হোমিওপ্যাথিক সল্যুশনে রোগমুক্তির পথে এগিয়ে যান।

ছবিতে দেওয়া নাম্বারে কিংবা আমাদের পেইজে যোগাযোগ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন, প্রয়োজনীয় ফি প্রদানের মাধ্যমে আপনার স্লট বুক করুন। এরপর যথাসময়ে ডাক্তারের সাথে অনলাইনে ওয়ান-ওয়ান কথা বলে, নির্দেশনা ও পরামর্শ গ্রহন করতে পারবেন।

তাই আজই যোগাযোগ করুন : 01820 107979 (Whatsapp)

Homeo Aid and Healthcare

👉👉 হোমিও পোস্ট:👩‍🎤👉 স্থান ও লক্ষণ অনুযায়ী ব্যথার কার্যকরী মেডিসিন সমূহঃ💁‍♂️ব্যথা, হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়ঃ👉আর্জেন্টাম নাইট, ব...
20/02/2026

👉👉 হোমিও পোস্ট:

👩‍🎤👉 স্থান ও লক্ষণ অনুযায়ী ব্যথার কার্যকরী মেডিসিন সমূহঃ

💁‍♂️ব্যথা, হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়ঃ

👉আর্জেন্টাম নাইট, বেলেডোনা,ক্যান্থারিস, ইগ্নেসিয়া, কেলি বাইক্রম, ক্যালমিয়া, ইউপেটো-পার্ফো, ম্যাগ-ফস, নাইট্রিক অ্যাসিড, ফাইটোলাক্কা, স্যাবাইনা, স্পাইজিলিয়া।

💁‍♂️ব্যথা, ধীরে ধীরে আসে ধীরে ধীরে যায়ঃ

👉ক্যালমিয়া, নেট্রাম, মিউর, ফসফরাস, প্ল্যাটিনা, স্পাইজিলিয়া, স্ট্যানাম, সালফ-অ্যাসিড।

💁‍♂️ ব্যথা, ধীরে ধীরে আসে হঠাৎ চলিয়া যায়ঃ

👉আর্জেন্টাম মেট,পালসেটিলা, সালফ-অ্যাসিড।

💁‍♂️ব্যথা, হঠাৎ আসে ধীরে ধীরে যায়ঃ

👉পালসেটিলা।

💁‍♂️ব্যথা, চাপিয়া ধরিলে উপশমঃ

👉 কলোসিন্থ, ম্যাগ-ফস, প্লাম্বাম, পডোফাইলাম, স্ট্যানাম।

💁‍♂️ ব্যথা, উত্তাপ প্রয়োগে উপশমঃ

👉আর্সেনিক, ব্রাইওনিয়া, কস্টিকাম,কলচিকাম, কলোসিন্থ, গ্র্যাফাইটিস, হিপার, কেলি বাই, কেলি কার্ব, লাইকোপোডিয়াম, ম্যাগ-ফস, নাক্স ভমিকা, অ্যাসিড ফস, রাস টক্স, সাইলিসিয়া, সালফার।

💁‍♂️ ব্যথা, উত্তাপ প্রয়োগে বৃদ্ধিঃ

👉এপিস, ল্যাক, ক্যানা, লাইকো, ল্যাকে, লিডাম, ব্রাইওনিয়া, পালসেটিলা, সিকেল, সালফার, থুজা ফুওরিজ অ্যাসিড।

💁‍♂️ব্যথা, নড়িলে চড়িলে বৃদ্ধিঃ

👉অ্যাকোনাইট, ইস্কুলাস, অ্যান্টিম-টার্ট, আর্নিকা, আর্সেনিক, ব্রাইওনিয়া, ক্যাপসিকাম, ক্যামোমিলা, চায়না, ককুলাস, কলচিকাম, কলোসিন্থ, জেলসিমিয়াম, গ্লোনইন, ক্যালমিয়া, ল্যাকেসিস, লিডাম, মার্কুরিয়াস, মেজেরিয়াম, ফসফরাস, পালসেটিলা, রিউম, স্যাবাইনা, স্যাঙ্গুইনেরিয়া, সার্সাপারিলা, স্পাইজিলিয়া, স্ট্যানাম।

💁‍♂️ নাড়িবার প্রথম মুখে ব্যথা পায়ঃ

👉রাস টক্স।

💁‍♂️ব্যথা, নড়িলে চড়িলে উপশমঃ

👉অ্যাগারিকাস, আর্সেনিক, অরাম মেট,ক্যাপসিকাম, চায়না, কোনিয়াম, ডালকামারা, ফেরাম, কেলি বাই, লাইকোপোডিয়াম, ম্যাগ-মিউর, ফস-অ্যাসিড, পালসেটিলা, রাস টক্স, স্যাবাডিলা, সিপিয়া, সালফার, টিউবারকুলিনাম, রেডিয়াম।

💁‍♂️ ব্যথার সহিত পিপাসাঃ

👉ক্যামোমিলা ও টিউবারকুলিনাম।

💁‍♂️ ব্যথার সহিত মল বা মূত্রত্যাগের ইচ্ছাঃ

👉নাক্স-ভম।

💁‍♂️ ব্যথার সহিত ঘর্মঃ

👉মার্কুরিয়াস, ল্যাকেসিস।

💁‍♂️ ব্যথার সহিত বমনেচ্ছাঃ

👉আর্স, ইপি, চেলিডোেন, স্পাইজিলিয়া।

💁‍♂️ব্যথা জ্বালাকরঃ

👉অ্যানথ্রাক্স, এপিস, আর্স, আইরিস, অ্যারাম-ট্রি, ব্রাইও বার্বারিস, কার্বো-ভ, কার্বো-অ্যা, কস্টি, ক্যান্থা, কোনিয়াম, ল্যাকেসিস, নাক্স-ভ, কেলি বাই, মার্ক, নেট্রাম-মি, ফস, রাস টক্স, নাইট-অ্যা, পালস, মেজি, গ্র্যাফা, সিকেলি, সাইলি, সালফ, সিপিয়া, ষ্ট্যানাম, ট্যারেন্ট, টেরিবিন্থ।

💁‍♂️ কাঁটা ফোটার মত ব্যাথাঃ

👉ইস্কুলাস, অ্যাগারিকাস, আর্জ-নাইট, হিপার, নাইট-অ্যাসিড, সাইলি।

💁‍♂️ব্যথা, ঘুরিয়া বেড়ায়ঃ

👉আর্নিকা, ক্যাল্কে-ফ, চায়না, কার্বো-ভ, কষ্টি, কলচি, কেলি বাই, লিডাম, ল্যাক-ক, ফাইটালাক্কা, প্লাম্বাম, পালস, টিউবারকুলিনাম, রেডিয়াম।

# # সংগৃহিত

👉👉 হোমিও পোস্ট:🧠 চিন্তা রোগ (Excessive Worry / Anxiety) – হোমিওপ্যাথিক আলোচনা🔍 চিন্তা রোগ কী?চিন্তা রোগ বলতে বোঝায়—দীর্...
20/02/2026

👉👉 হোমিও পোস্ট:

🧠 চিন্তা রোগ (Excessive Worry / Anxiety) – হোমিওপ্যাথিক আলোচনা
🔍 চিন্তা রোগ কী?
চিন্তা রোগ বলতে বোঝায়—
দীর্ঘদিন ধরে অপ্রয়োজনীয় ভাবনা, ভবিষ্যৎ ভয়, মানসিক অস্থিরতা, সিদ্ধান্তহীনতা ও আশঙ্কা—যা রোগীর দৈনন্দিন জীবন, ঘুম, ক্ষুধা ও কর্মক্ষমতাকে ব্যাহত করে।
⚠️ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে কী কী রোগ হতে পারে?
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ও চিন্তার ফলে নিচের সমস্যাগুলি দেখা যায়—
🧠 মানসিক রোগ
Anxiety Disorder
Depression
Panic Attack
Obsessive Thinking
Insomnia (ঘুমের সমস্যা)
❤️ শারীরিক রোগ
উচ্চ রক্তচাপ
গ্যাস্ট্রিক, অম্বল, IBS
হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
মাথাব্যথা / মাইগ্রেন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সমস্যা
ইমিউনিটি কমে যাওয়া
👉 নবীন চিকিৎসকদের জন্য টিপস:
চিন্তা রোগকে শুধু মানসিক ভেবে এড়িয়ে গেলে চলবে না—এটি ধীরে ধীরে সাইকো-সোমাটিক ডিজিজে রূপ নেয়।
💊 চিন্তা রোগের হোমিওপ্যাথিক ওষুধসমূহ (Key Remedies)
1️⃣ Arsenicum Album
অতিরিক্ত ভয়, ভবিষ্যৎ চিন্তা
একা থাকতে পারে না
রাতে চিন্তা বেড়ে যায়
2️⃣ Calcarea Carbonica
দায়িত্বের চাপ
ব্যর্থতার ভয়
ঠান্ডা লাগার প্রবণতা
3️⃣ Natrum Muriaticum
চুপচাপ দুশ্চিন্তা
পুরনো কষ্ট মনে রাখা
একা কাঁদে
4️⃣ Silicea
আত্মবিশ্বাসের অভাব
সিদ্ধান্ত নিতে পারে না
মানসিক ক্লান্তি
5️⃣ Lycopodium
কাজের আগে ভয়, পরে আত্মবিশ্বাস
হজমের সমস্যা সহ চিন্তা
6️⃣ Kali Phosphoricum
মানসিক দুর্বলতা
ব্রেন-ফ্যাটিগ
পরীক্ষার ভয়
📊 বয়স ভিত্তিক ডোজ (General Guideline)
👶 শিশু (৫–১২ বছর)
30C potency
২–৩ ফোঁটা / ২টি গ্লোবিউল
দিনে ১–২ বার
🧑 প্রাপ্তবয়স্ক (১৩–৬০ বছর)
30C বা 200C
২–৪ ফোঁটা
দিনে ১–২ বার (রোগের তীব্রতা অনুযায়ী)
👴 বৃদ্ধ (৬০+)
30C
কম ডোজ, পর্যবেক্ষণ সহ
⚠️ নবীনদের জন্য সতর্কতা:
একসাথে একাধিক ওষুধ নয়
মানসিক উপসর্গকে কেন্দ্র করে Remedy নির্বাচন
Improvement হলে dose spacing বাড়াতে হবে
🧘 সহায়ক পরামর্শ (Adjunct Advice)
পর্যাপ্ত ঘুম
মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া কমানো
শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম
রোগীর কথা মন দিয়ে শোনা (Therapeutic Listening)
✍️ . অপূর্ব বিশ্বাস
🏥 রাধারানী হোমিও হল
📍 Betai Tel Pump, Tehatta, Nadia, West Bengal, India
📌 প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র নবীন হোমিও চিকিৎসক বন্ধুদের জন্য

📌 উপসংহার
চিন্তা রোগ নীরব ঘাতক—
হোমিওপ্যাথির Individualized Remedy, কম ডোজ ও সঠিক পর্যবেক্ষণই রোগীকে সুস্থতার পথে ফেরাতে পারে।
# সংগৃহীত

13/02/2026

👉👉 হোমিও পোস্ট:

☘️লাইকোপোডিয়াম ও🌹নাক্স ভোমিকার মধ্যে পার্থক্য

১।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- এক প্রকার ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ, যা সাধারণত "Clubmoss" নামে পরিচিত।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- "Strychnine tree" বা কুঁচিলা "বিষফল" গাছের বীজ থেকে তৈরি হয়।

২।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- ২য় স্তরের গরমকাতর
🌿নাক্স ভোমিকাঃ- প্রথম স্তরের শীতকাতর।

৩।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- ক্রিয়া ডানদিকে বেশি।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- ক্রিয়া তুলনামূলক বামদিকে বেশি।

৪।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- আহারের পর পেটে বেদনা ও যন্ত্রণা লাইকোপোডিয়ামে বেশি।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- আহারের পর পেটে বেদনা ও যন্ত্রণা লাইকোপোডিয়ামের তুলনায় কম।

৫।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ-ভীতু। এই ওষুধের রোগীরা সাধারণত বুদ্ধিবৃত্তিক এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়। তাদের আত্মবিশ্বাস কম থাকে, কিন্তু তারা বাহ্যিকভাবে ক্ষমতাশালী বা কর্তৃত্বপরায়ণ দেখানোর চেষ্টা করে। তারা জনসাধারণের সামনে কথা বলতে বা পারফর্ম করতে ভয় পায়।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ-সাহসী। এই ওষুধের রোগীরা সাধারণত অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কর্মঠ, এবং সহজে বিরক্ত বা ক্রুদ্ধ হয়। তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পছন্দ করে এবং দীর্ঘক্ষণ কোনো কাজ ফেলে রাখা তাদের পছন্দ নয়। তাদের মধ্যে প্রায়শই "পারফেকশনিজম" বা নিখুঁতবাদিতা দেখা যায়।

৬।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ-পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা, এবং হজমের সমস্যায় বেশি কার্যকর। সাধারণত বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে উপসর্গগুলো বেড়ে যায়।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাব, এবং অতিরুক্ত ভোজন বা অ্যালকোহলের কারণে সৃষ্ট হজমের সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।

৭।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- পেটে গুরগুর শব্দ এবং উপরের পেটের দিকে পেট ফাঁপা লক্ষণীয়।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- পেট ভরা বা ভারী লাগা এবং টক বা তেতো ঢেকুর লক্ষণীয়।

৮।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- মিষ্টি বা উষ্ণ খাবার ও পানীয়ের প্রতি তাদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকে।
🌿নাক্স ভোমিকাঃ- ঝাল ও মশলাযুক্ত খাবার, কফি, ওয়াইন বা অন্যান্য উত্তেজক পদার্থের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকে।

৯।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- সাধারণত রোগা, দুর্বল এবং অকালে বয়স্ক দেখায়।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- পাতলা, কৃশকায় এবং দুর্বল হতে পারে।

১০।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে, গরম ঘরে, এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের পর।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- রাত ২-৩ টা র মধ্যে বেশি বৃদ্ধি।
সকালে, অতিরিক্ত খাবার বা অ্যালকোহল সেবনের পর এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায়।

১১।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- বাতাস লাগালে, ঠান্ডা পানীয় পান করলে এবং কাপড় ঢিলা করলে।
🌹নাক্স ভোমিকাঃ- বিশ্রামে, ঘুমানোর পর, এবং উষ্ণ সেঁক দিলে।

১২।☘️লাইকোপোডিয়ামঃ- প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন - লিভার, মূত্রনালী, এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যা। স্মৃতিশক্তি হ্রাস এবং স্নায়ুচাপের ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর হতে পারে।

🌹নাক্স ভোমিকাঃ- তীব্র ও হঠাৎ সৃষ্ট সমস্যার জন্য বেশি উপযোগী, যেমন - অতিরিক্ত ভোজন, অনিদ্রা, মাথাব্যথা এবং মাসিকের সমস্যা।

**সংগৃহীত।

11/02/2026
👉👉 হোমিও পোস্ট:♦♦ একজিমা♦♦  #একজিমা_কি?চর্মের বহিঃত্বকের প্রদাহ সহ রস নিঃসরণ হতে থাকলে তাকে একজিমা বলা হয় । প্রথমে কতকগু...
04/02/2026

👉👉 হোমিও পোস্ট:

♦♦ একজিমা♦♦
#একজিমা_কি?
চর্মের বহিঃত্বকের প্রদাহ সহ রস নিঃসরণ হতে থাকলে তাকে একজিমা বলা হয় । প্রথমে কতকগুলি জলপূর্ণ ও জ্বালাকর লাল ফুস্কুড়ি জন্মে এবং অত্যন্ত চুলকায়, অত্যাধিক চুলকানোর ফলে সেটা ক্ষতে পরিণত হয় এবং হলুদাভ পুঁজের ন্যায় অথবা জলবৎ বা মধুর ন্যায় চটচটে রস ক্ষরিত হয় ও অধিক চুলকালে সেটা হতে রক্ত বের হয় ও তার উপর সূক্ষ্ম অথবা স্থুল মামড়ী পড়ে । এটা মস্তক, মুখমণ্ডল, লিঙ্গ, অণ্ডকোষ, যোনি-কপাট ( লেবিয়া মেজোরা ) , উরুর ভিতর দিক, নিন্মপদ, হস্ত, পদ সর্বস্থানেই উপজাত হতে পারে । কখন কখন এটা এমন চুলকায় যে রোগী একেবারে অস্থির হয়ে উঠে । সোরাদুষ্ট ধাতু, অথবা সর্বক্ষণ অধিক উত্তাপের নিকট কাজ করা, যেমন রুটিওয়ালা ( বেকার্স ইচ ) অথবা ক্রোটন তৈল বা সোডা, চুন, প্রভৃতি উত্তেজক পদার্থের সংস্পর্শে, শারীরিক রক্তপ্রবাহের ধীরতা, নিন্মপদের একজিমা ( সল্ট-রিউম ), প্রভৃতি কারণে ইহা সংঘটিত হইয়া থাকে।

কেন্ট স্যার বলেছেন "Treat the patient not the disease" রোগের চিকিৎসা নয় রোগের চিকিৎসার করুন। তারপরও প্রাক্টিস অফ মেডিসিনের নিয়ম অনুসারে আমরা যে সকল ঔষধ গুলো নিয়ে আলোচনা করব সেগুলোর ক্রিয়া অনুসারে চর্মের উপর প্রভাব বিস্তার করে বিধায় এদের লক্ষন সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকলে ঔষধ নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।
>> এবার আসুন একজিমার ক্ষেত্রে কোন কোন ঔষধগুলো সবচেয়ে বেশি ক্রিয়া করে সেগুলোর লক্ষন গুলো সম্পর্কে একটু জেনে নিই।

# (Anacardium)অ্যানাকার্ডিয়ামঃ হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে, চোখের পাতায়, মুখমণ্ডল, বুক, গলা, অণ্ডকোষ, প্রভৃতি স্থানে অসহনীয় চুলকানি সহ একজিমা ।

#(Antim Crud)অ্যান্টিম ক্রুডঃ অত্যাধিক স্থুল ও কঠিন মধুবর্ণের মামড়ীযুক্ত একজিমা, চতুঃপার্শ্বে অত্যধিক চুলকায় ও জ্বালা করে, রাত্রিকালে, স্নানের পর বা জলে কাজ করার পর বৃদ্ধি ঘটলে এন্টিম ক্রুড উপযোগী।

#( Arsenic alb)আর্সেনিকঃ পুরাতন একজিমা, চামড়া কঠিন ও দৃঢ় হয়ে যায়, মাথা, মুখমণ্ডল, পায়ের তলায়, প্রভৃতি হতে শুষ্ক আইস ও হ্যাজাকর দুর্গন্ধযুক্ত রস ঝরে এবং ভীষণ জ্বালা করে ও চুলকায়, রাত্রিকালে ও ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, উত্তাপ প্রয়োগে উপশম। সুচিবাই, খুঁতখুঁতে রোগীর ক্ষেত্রে উপযোগী এহা।

# (Bayrita Carb)ব্যারাইটা কার্বঃ হাতের পিছনে একজিমা, সর্দিপ্রবণ, টনসিলের বা ঘাড় গলা ফোলা যুক্ত স্থুল থপথপে শিশুগণের মস্তকে একজিমা, ভিজা স্থলে মামড়ী পড়ে ও অত্যধিক চুলকায় ও জ্বালা করে ।

#( Bovista)বভিষ্টাঃ জলে কাজ করার জন্য হাতের পিছনে একজিমা, চুলকালেও চুলকানির নিবৃত্তি হয় না, মুখের চতুর্দিকে ও নাকে একজিমা।

#(Bromium)ব্রোমিয়ামঃ মাথায় একজিমা, সমগ্র মাথাবেষ্টন করে একজিমা। দেখে মনে হয় মাথায় টুপি পরানো এমন একজিমার ক্ষেত্রে ব্রোমিয়াম উপযোগী।

# (Calcaria Carb)ক্যাল্কেরিয়া কার্বঃ
মোটা সোটা বাচ্চা যাদের দাঁত ওঠাকালে মাথায় একজিমা – মাথা হতে মুখমণ্ডল পর্যন্ত বিস্তৃত হয় – রাতে ঘুমানোর পর প্রচুর চুলকানী এবং শিশু প্রবলভাবে মাথা চুলকানোর তাগিদে রক্তপাত করে, নিন্মপদ, নাভিতে, জানুতে ও কনুইতে রক্তস্রাবী একজিমা ( শীর্ণকায় শিশুদিগের – ক্যাল্কেরিয়া ফস, হলুদাভ সবুজ রস-ক্ষরণ হইলে – ক্যাল্কেরিয়া সালফ ) ।

#( Cantharis)ক্যান্থারিসঃ প্রদাহিক স্থানের উপর একজিমা – অত্যধিক জ্বালা ও চুলকানি, ক্রমশঃ বিস্তৃত হয়ে পড়ে, উত্তাপে বৃদ্ধি । মুত্রত্যাগকালে জ্বালা ও কুন্থন।

#(Chelledonium)চেলিডোনিয়ামঃ যকৃৎ পীড়াগ্রস্ত ব্যক্তিদের নিন্মপদে একজিমা ।

#(Cicuta vera)সিকিউটা ভিরোসাঃ মাথায় টুপি পরানোর ন্যায় একজিমা । বিশেষ চুলকায় না, সমগ্র মাথা জুড়ে টুপীর ন্যায় পাতিলেবু বর্ণের মামড়ী পড়ে, মাথার একজিমা চাপা পড়ে মস্তিস্ক বিকার।

#( Conium)কোনিয়ামঃ মুখমণ্ডলে, বাহুতে ও যোনির উপরিস্থ কেশময় স্থানে একজিমা, চটচটে রস ক্ষরণ হয়ে কঠিন মামড়ী পড়ে, প্রায়ই মাথা ঘোরে – শয্যায় শয়নকালে মাথা ঘোরার বৃদ্ধি ।

# (Crotin tig)ক্রোটন টিগঃ মাথা হতে পায়ের তলা পর্যন্ত সর্বশরীরব্যাপী একজিমা, মুখমণ্ডল, চক্ষুপল্লব, অণ্ডকোষ ও জননেন্দ্রিয়ের উপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুস্কুড়ি জন্মে ও ভয়ানক চুলকায় ও জ্বালা করে এবং নিকটস্থ গ্রন্থিসমূহ স্ফীত হয়, ধীরে ধীরে চুলকালে উপশম বোধ।

#( Graphitis)গ্র্যাফাইটিসঃ স্থুল দেহ, স্বল্প ঋতু, শুষ্ক ও ঘর্মবিহীন চর্ম এইরূপ ব্যাক্তিগণের ( পুরুষ বা স্ত্রী ) একজিমা, কর্ণের পশ্চাৎ হইতে সূচিত হইয়া গ্রীবা ও গণ্ডদেশে বিস্তৃত হইয়া পড়ে, কর্ণের পশ্চাতে ও গ্রীবা, প্রভৃতি আক্রান্ত স্থান ফাটিয়া যায়, একজিমা হইতে প্রচুর পরিমাণে চটচটে মধুর ন্যায় রস ক্ষরিত হয় এবং অত্যধিক চুলকায় ও জ্বালা করে । কর্ণ ও মস্তকের পশ্চাৎ, করতল, প্রত্যঙ্গাদির ভাঁজ, মলদ্বারের চতুষ্পার্শ্ব, প্রভৃতি স্থানে একজিমা প্রকাশ পায় এবং উক্ত স্থানসমূহ গভীরভাবে ফাটিয়া যায়, ক্ষতস্থান স্পর্শ করিলে আদৌ যন্ত্রণাবোধ হয় না ।

#(Heper Sulph)হিপারঃ মস্তকে একজিমা অত্যধিক বেদনাযুক্ত, স্পর্শ সহ্য হয় না, জননেন্দ্রিয়ে, উরুতে ও অণ্ডকোষে একজিমা অত্যধিক চুলকায় ও দুর্গন্ধ বাহির হয়, নূতন ফুস্কুড়ি জন্মিয়া ক্রমশঃ বৃদ্ধি পায়, অত্যধিক শীতকাতর এবং ক্ষতস্থান স্পর্শ অসহ্যবোধ করে।

# (Jugluas cinaria)জুগল্যান্স সিনেরিয়াঃ হস্তপৃষ্টে ও হাতের কব্জিতে একজিমা, অসহ্য চুলকানি ও বেদনায় রোগী আদৌ নিদ্রা যাইতে পারে না, আরোগ্য হইতে না হইতেই পুনরায় প্রকাশ পায় ।

#(Kali ars)ক্যালি আর্সঃ পুরাতন শুষ্ক একজিমা, নিন্মবাহুর চর্ম স্বাভাবিক অপেক্ষা স্থুল, শরীর উত্তপ্ত হইলেই অত্যধিক চুলকায়, প্রাতে সন্ধিস্থানে চর্ম ফাটিয়া যায়, রসপূর্ণ উদ্ভেদসহ পুনঃ প্রকাশিত হয় ।

#(Kali Mur)ক্যালি মিউরঃ ঋতুস্রাবের বিপর্যয় অথবা টীকা দিবার কুফলস্বরূপ – ঘন শ্বেতবর্ণের পদার্থপূর্ণ ফুস্কুড়িযুক্ত একজিমা, ক্ষত হইতে অস্বচ্ছ সাদা পুঁজশ্লেষ্মাময় আস্রাব নির্গত হয় এবং চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা ও সর্বস্থানের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী হইতে ঘন সাদা বা হলুদাভ হড়হড়ে শ্লেষ্মা নির্গত হয় ।

#(Lappa mezor)ল্যাপ্পা মেজরঃ মস্তকের একজিমা – সিক্ত দুর্গন্ধযুক্ত, ধুসরাভ মামড়ী পড়ে এবং মুখমণ্ডলে বিস্তৃত হয়, অত্যধিক চুলকায় ও ছিঁড়িয়া ফেলার ন্যায় যন্ত্রণা হয় ।

#(Lycopodium) লাইকোপোডিয়ামঃ মস্তকের পশ্চাৎ হইতে সূচিত হইয়া মুখমণ্ডল পর্যন্ত বিস্তৃত একজিমা হইতে প্রচুর পরিমাণে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ নিঃসরণ হয় এবং স্থুল মামড়ী পড়ে, সহজেই রক্তপাত হয়, নিন্মপদে ও পায়ের ডিমে গভীর ফাটল ও স্থুল মামড়ীযুক্ত একজিমা, অত্যধিক চুলকায় এবং চুলকাইলে উত্তপ্ত হইলে এবং অপরাহ্ণে ৪ টা হইতে ৮ ঘটিকা মধ্যে যাতনা অত্যধিক বৃদ্ধি পায় ।

#(Manganum)ম্যাঙ্গানামঃ পুরাতন একজিমা, কনুই ও অন্যান্য সন্ধিস্থানে গভীর ফাটল ও অত্যধিক বেদনা হয়, মাসিক ঋতুস্রাবকালে একজিমার বৃদ্ধি ।

#(Marc sol)মার্কসলঃ ক্ষত হইতে ঘন হলুদাভ মামড়ী ঝরে এবং তাহার চতুষ্পার্শ্বে প্রদাহ সংঘটিত হয়, অত্যধিক চুলকায় এবং রাত্রিকালে ও শয্যার উত্তাপে চুলকানি বৃদ্ধি পায় – চুলকাইলে বেদনা ও রক্তপাত হয় । সর্ব শরীরে চটচটে ঘাম হয় । মুখে প্রচুর লালা জন্মে ।

#(Mezerinum)মেজেরিয়ামঃ মস্তক হইতে শরীরের সকল স্থানেই একজিমা প্রকাশ পাইতে পারে এবং ক্ষতের উপর শুষ্ক চামড়ার ন্যায় স্থুল মামড়ী পড়ে ও তাহার নীচে পুঁজ জন্মে, মস্তকে হইলে চুল জুড়িয়া যায়, ভয়ানক চুলকায়, চুলকাইলে তাহা আরও বৃদ্ধি পায় । শিশু মস্তক, মুখমণ্ডল, প্রভৃতি ভীষণভাবে চুলকাইয়া মামড়ী টানিয়া তুলিয়া ফেলে, মস্তক, মুখমণ্ডল প্রভৃতি রক্তাক্ত হয় এবং ক্ষত মধ্যে মেদপূর্ণ ফুস্কুড়ি জন্মে, সমগ্র নিন্ম পদের উপর উচ্চ শ্বেত বর্ণের মামড়ী, উত্তাপে চুলকানি বৃদ্ধি পায় ।

#(Natrum Mur)নেট্রাম মিউরঃ মস্তকের উপর এক কর্ণ হইতে অপর কর্ণ পর্যন্ত বিস্তৃত সাদা মামড়ী ও তাহার নীচ হইতে পুঁজ নিঃসরণ হইয়া চুলকায়, মুখের চতুষ্পার্শ্বে, জানুর খাঁজে, শরীরের সর্বস্থানেই চর্মের ভাঁজে ভাঁজে একজিমার উদ্ভেদ জন্মে ও তন্মধ্য হইতে হ্যাজাকর চটচটে রস ঝরে।

#(Natrum Sulph)নেট্রাম সালফঃএকজিমা হইতে প্রচুর পরিমাণে জলবৎ তরল রস নির্গত হয়, রসপূর্ণ ফুস্কুড়িযুক্ত একজিমা, সমগ্র শরীরে স্থানে স্থানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলপূর্ণ ফুস্কুড়ি জন্মে ।

#(Acid Nit)নাইট্রিক অ্যাসিডঃ মস্তকে, কর্ণকুহরে বা মিয়েটাসের উপর, জননেন্দ্রিয়ে, বাহুতে হস্তে, মলদ্বারের চতুষ্পার্শ্বে একজিমা, একজিমা মধ্যে কণ্টকবিঁধনবৎ বেদনা ও সহজেই রক্তপাত হয় ।

# (Oleander)ওলিয়েণ্ডারঃ শিশুদিগের মস্তকের উপর জলপূর্ণ ফুস্কুড়িযুক্ত একজিমা, মস্তকের ও কর্ণের পশ্চাতে আইসযুক্ত উদ্ভেদ – পিপীলিকাদংশনের ন্যায় কুটকুট করে।

#(Petroleum) পেট্রোলিয়ামঃ মুখমণ্ডলে, গ্রীবায়, মস্তকের পশ্চাতে, অণ্ডকোষে, পেরিনিয়ামে ও উরুতে হলুদাভ সবুজ স্থুল মামড়ী, অত্যধিক চুলকায়, ব্যথা করে ও চর্মে গভীর ফাটল হয় ( গ্র্যাফাই, লাইকো ), হস্ত পৃষ্টে একজিমা, পদাঙ্গুলি মধ্যে একজিমা ও দুর্গন্ধযুক্ত পদ ঘর্ম, শীতকালে একজিমা প্রকাশ পায় গ্রীষ্মকালে অন্তর্হিত হয়।

#(Psorinum)সোরিনামঃ একজিমা গ্রীষ্মকালে অন্তর্হিত হয় ও শীতকালে প্রকাশ পায়, অত্যধিক চুলকায় এবং তাহা রাত্রিকালে শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি পায় ( ক্লিমেটিস, মার্ক, মেজেরি, সালফ ), প্রবলভাবে চুলকাইয়া রক্তাক্ত করিয়া ফেলে, সোরাদুষ্ট, ভগ্নস্বাস্থ্য, দুর্বল, শীতকাতর, চর্মরোগপ্রবণ, গণ্ডমালা ধাতুগ্রস্ত শিশু বা ব্যক্তিগণের, যাহাদের গাত্র হইতে সর্বদাই দুর্গন্ধ বাহির হয়, স্নান করিলেও তাহা দূর হয় না, তাহাদের পক্ষে বিশেষতঃ অন্যান্য সুনির্বাচিত ঔষধ, এমন কি, সালফার বিফল হইলে ইহা উপযোগী।

#(Rhus tox)রাস-টক্সঃমস্তকে একজিমা স্কন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, স্থুল মামড়ী পড়ে অত্যধিক চুলকায়, রাত্রিকালে বৃদ্ধি পায়, অণ্ডকোষ ও উরুর ভিতর দিকে একজিমা হইতে প্রচুর রস ক্ষরণ হয়, বর্ষা ও শীতকালে বৃদ্ধি।

#(Sarsaparilla) সার্সাপ্যারিলাঃ কপালে ও মুখমণ্ডলে একজিমা, একজিমার চতুষ্পার্শ্বে প্রদাহাম্বিত হয় এবং মামড়ীগুলি বায়ুস্পর্শে পড়িয়া যায় এবং ক্ষতস্থানে গভীর ফাটল হয় ও জ্বালা করে।

#(Sepia)সিপিয়াঃ অন্তঃসত্ত্বাবস্থায় একজিমা, শরীরে সর্ব স্থানেই হইতে পারে, লাল ফুস্কুড়ি জন্মে, অত্যধিক চুলকায় ও চুলকাইবার পর জ্বালা করে । প্রথমে শুষ্ক থাকে, শীঘ্রই দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজের ন্যায় প্রচুর আস্রাব হয় এবং তাহা শুকাইয়া মামড়ী পড়ে ও পরে ফাটিয়া ঝরিয়া যায়।

# (Sillicea) সাইলেসিয়াঃঅধিক পুঁজ-স্রাবী একজিমা, অত্যধিক চুলকায় ও জ্বালা করে, চুলকাইলে বৃদ্ধি, আচ্ছাদিত রাখিলে উপশম।

#(Staphysagria)স্ট্যাফিসেগ্রিয়াঃ শিশুদিগের মস্তকে মুখমণ্ডলে ও কর্ণের নিকটে একজিমা, গণ্ডদেশে, কর্ণের পশ্চাতে ও মস্তকের উপর স্থুল হলুদাভ মামড়ীর নীচে দুর্গন্ধময় পুঁজ জন্মে এবং অত্যধিক চুলকায়, একস্থানে চুলকাইলে তথা হইতে নিবৃত্ত হইয়া অন্যস্থানে চুলকায়, মাথার চুল ঝরিয়া যায়।

#(Sulphur)সালফারঃ যে সকল শিশু অথবা ব্যক্তিগণ নোংরা থাকিতেই ভালবাসে, পরিষ্কার হইবার প্রয়োজন বোধ করে না, স্নান করিতে চায় না, যাহাদের গাত্রচর্ম কর্কশ এবং প্রায়ই নানাপ্রকার উদ্ভেদ জন্মে, গাত্র হইতে দুর্গন্ধ নির্গত হয় তাহাদের সর্বপ্রকার চর্মরোগেই সালফার উপযোগী । ইহাতে চর্মরোগে গাত্র অত্যধিক চুলকায়, চুলকাইলে জ্বালা ও বেদনা হয় এবং রাত্রিকালে ও স্নান করিলে চুলকানি বৃদ্ধি পায়।

#(Thuja)থুজাঃ টীকা দেওয়ার কুফল স্বরূপ একজিমা অথবা টীকা লইবার পর একজিমার বৃদ্ধি, গাত্রচর্মে হস্তস্পর্শ সহ্য হয় না, ভীষণ চুলকায় এবং চুলকাইবার পর দারুণ জ্বালা করে, শরীরের অনাবৃত অংশে ঘর্ম হয় এবং আবৃত অংশে উদ্ভেদাদি জন্মে।

#(Vinca minor) ভিনকা মাইনরঃ মস্তকে, মুখমণ্ডলে ও কর্ণের পশ্চাতে একজিমা, চুলকায়, চুলকাইলে জ্বালা করে, দুর্গন্ধযুক্ত রস ঝরে ও চুল জুড়িয়া যায়।

#(Viola Tricolar)ভায়োলা ট্রাইকলারঃ শিশুদিগের মস্তকে ও মুখমণ্ডলে একজিমা, অতি স্থুল মামড়ী পড়ে ও তাহার তলদেশ হইতে প্রচুর পরিমাণে ঘন হলুদবর্ণের রস নির্গত হইয়া চুল জুড়িয়া ফেলে, অত্যধিক চুলকায় ও জ্বালা করে রাত্রিকালে বৃদ্ধি হয়, একজিমা সহ গ্রীবাগ্রন্থির স্ফীতি, মুত্রে দুর্গন্ধ।

>>> সর্ব শেষে এতটুকু বলতে পারি যে রোগীর সর্বদৈহিক লক্ষনভেদে আরো অনেক উচ্চ ক্রিয়ার ঔষধ আসতে পারে যেমন ব্যাসিলিনাম, পাইরোজেন, টিউবার, রোডিয়াম ব্রোম,এ ধরনের ঔষধ সম্পর্কে লেখা বড়ই সময় সাপেক্ষ ও কঠিন ব্যাপার বিধায় এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করলাম না। তবে চর্মরোগীর ক্ষেত্রে অধিক সময় নিয়ে রোগী পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে ঔষধ প্রয়োগ করাটা শ্রেয়।অতএব রোগীর লক্ষন মিলিয়ে সঠিক ঔষধ নির্বাচন করবেন।

# # সংগৃহীত পোস্ট

Address

Ehsan City, Syed Shah Road, Bakolia.
Chittagong
4203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeo Aid & HealthCare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram