Amanah Matrimony

Amanah Matrimony Amanah Matrimony is a matrimonial service firmly rooted in Islamic perspective with the aim to provide quality matrimonial services for Bangladeshi Muslims

আমানাহ ম্যারেজ মিডিয়াতে বিয়ের প্রাথমিক কাজের জন্য কোন ধরনের ফি নেওয়া হয় না। এখানে কোন মেম্বারশিপ টাইপের কিছু নেই। আমরা ট্রেডিশনাল কোন মিডিয়া নই। পাত্র/পাত্রী বায়োডাটা ম্যাচ হলে আমরা তাদের অভিভাবক পর্যায়ে যোগাযোগ করিয়ে দেই যাতে পরবর্তীতে নিজেরাই এগুতে পারে। ইনশাআল্লাহ্‌ কোন বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর অভিভাবক/পাত্র-পাত্রী পক্ষ খুশী হয়ে কিছু দিতে চাইলে আমাদের ফান্ডে যেকোন এমাউন্ট (এটা ১০০ টাকাও হলেও আমরা খুশী) এর টাকা জমা দিতে পারবে যেটা আমরা পারিশ্রমিক হিসেবেই গন্য করবো। তাই সংকোচ না করে আপনার পছন্দ জানিয়ে বায়োডাটা পাঠিয়ে দিন। বায়োডাটা পাঠাতে পারেন পেইজের ম্যাসেজ অপশান ব্যবহার করে অথবা ইমেইলে। আমাদের ইমেইল amanahmatrimony@gmail.com। ফোন করতে পারেনঃ ০১৫৫৮০৪৯৭৮৫ নাম্বারে।

আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের মাধ্যমে আরো একটি বিয়ে সম্পন্ন হলো। অনলাইন ঘটক হওয়ায় মানুষ জানায় কম, কদাচিত দাওয়াত দেয়। আজকে দাওয়া...
02/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের মাধ্যমে আরো একটি বিয়ে সম্পন্ন হলো। অনলাইন ঘটক হওয়ায় মানুষ জানায় কম, কদাচিত দাওয়াত দেয়। আজকে দাওয়াত পেয়ে এটেন্ড করতে আসলাম। 😅 পাত্র-পাত্রী খুজতে ভিজিট করুন http://amanahmatrimony.com

আসসালামুয়ালাইকুম। ২০২৫ সালের সম্মানিত হজ্বযাত্রীদের জন্য ঢাকায় একটা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছি। আপনার পরিচিত হুজ্জাজ...
16/04/2025

আসসালামুয়ালাইকুম। ২০২৫ সালের সম্মানিত হজ্বযাত্রীদের জন্য ঢাকায় একটা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছি। আপনার পরিচিত হুজ্জাজদের অংশগ্রহনের জন্য পাঠাতে পারেন ইনশাআল্লাহ্‌। দাওয়াতী কাজে অংশ নিয়ে শেয়ার করতে পারেন ইনশাআল্লাহ্‌।

📍 স্থান: শ্যামলী, ঢাকা
📅 তারিখ: আগামী শনিবার (১৯শে এপ্রিল)
🕒 সময়সূচী: দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা

এই কর্মশালায় ইনশাআল্লাহ্‌ তুলে ধরা হবে হজ্বযাত্রায় প্রাকটিক্যাল কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো আপনি প্রথমবার হজযাত্রী হলে জানা অবশ্যই জরুরি, যেমনঃ

- দলছাড়া হয়ে গেলে করণীয়, তাবুর লোকেশন শনাক্তকরণ
- মিনা, আরাফাহ, মুজদালিফা ও জামারাহ-তে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে - সঠিকভাবে হজ্ব আদায়ের কৌশল
- হজ্বের সময় ব্যাগ গোছানো, উমরাহর প্রস্তুতি ও অবস্থানকালীন করণীয়
- বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে হজ্বের চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

এমন আরো অসংখ্য প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ্‌ আমাদের সেসনে।

🗓️ সেশন ডিটেইলস:
🔹 সেশন ১: দুপুর ২টা – ৩:৩০ মিনিট
বিষয়: হজ্বের বিধিবিধান, গুরুত্ব, রোকন-আরকান ও পদ্ধতি
বক্তা: ড. রফিকুল ইসলাম
মুহাদ্দিস ও খতিব, উত্তরা সেন্ট্রাল জামে মসজিদ

🔹 প্রশ্নোত্তর সেশন: ৩:৩০মিনিট – ৪:০০ টা
🔹সেশন ২: বিকাল ৪:০০ – ৪:৪৫ মিনিট
বিষয়: হজ্বের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জসমূহ
বক্তা: জনাব তারেক হুসাইন
ম্যানেজিং পার্টনার, শেফার্ডস হজ্ব ও উমরাহ্‌ সার্ভিস

আসর নামাজের বিরতি: ৪:৪৫ – ৫:১৫ মিনিট

🔹 সেশন ৩: বিকাল ৫:১৫ – সন্ধ্যা ৭:০০ টা
বিষয়: হজযাত্রায় ব্যাগ গোছানো, উমরাহ ও অবস্থানকালীন করণীয়, হজ্বের সময়কার কৌশল ও টিপস
বক্তা: জনাব আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ
ম্যানেজিং পার্টনার, শেফার্ডস হজ্ব ও উমরাহ্‌ সার্ভিস
🔚 কর্মশালা সমাপ্তি: সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিট

💳 অংশগ্রহণ ফিঃ ২০০ টাকা
আমাদের মূল উদ্দেশ্য প্রশিক্ষণ দেওয়া, কিন্তু আসন সংখ্যা সীমিত এবং আপনাদের হালকা আপ্যায়নের ব্যবস্থার জন্য ২০০টাকা নেয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র ৬০ জন অংশগ্রহণকারীর জন্যই আয়োজন করা হয়েছে।
যদি চাহিদা বেশি হয়, ইনশাআল্লাহ্‌ পরবর্তী সপ্তাহে নতুন ব্যাচের আয়োজন করা হবে।

🧾 অংশগ্রহণ ফি প্রদানের নিয়মঃ
১. আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে 01737319201 নাম্বারে ২০০ টাকা Send Money করুন
২. তারপর নিচের ফর্মটি পূরণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন:
🔗 ফর্ম লিংক: https://forms.gle/1Rtx7LhHMiE6Q7966

ইনশাআল্লাহ্‌, আপনার পেমেন্ট কনফার্ম হলে ম্যাসেজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের স্থান ও বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।

🌍 বিদেশে ও ঢাকার বাইরে অবস্থানরত হজ্বযাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
যারা বিদেশে ও ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য ইনশাআল্লাহ্‌ লাইভ গুগল মিটের মাধ্যমে কর্মশালাটি শেয়ার করা হবে, যেন তারাও অনলাইনে অংশ নিতে পারেন।

তবে, অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন আবশ্যক।

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে আমরা গুগল মিটের লিংক ইমেইলে পাঠিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ্‌।

🕌 আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের সকলকে কবুল হজ্ব ও সহীহ আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

12/02/2025

বিয়ে আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত।

উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।

কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।
এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।

কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।

পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???
============================
০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???

০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।

০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।

আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।
কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।

অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।

সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

একজন বলেছিল-- বিয়ে আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।
----
কালেক্টেড

২০২৫ সালে হজে যাওয়ার জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।সরকারি ব্যবস্থাপনার সাধারণ ...
30/10/2024

২০২৫ সালে হজে যাওয়ার জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

সরকারি ব্যবস্থাপনার সাধারণ হজ প্যাকেজ-১-এ খরচ পড়বে চার লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। এই প্যাকেজের হোটেলগুলো মক্কা থেকে দূরে আজিজিয়ায় হবে। হেঁটে আসা-যাওয়ার সুযোগ নাই। হয়তো ট্রান্সপোর্ট দিবে।

আর সাধারণ হজ প্যাকেজ-২-এ খরচ পড়বে পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা। এই প্যাকেজের হোটেলগুলো মিসফালাহ ফ্লাইওভারের পরের হোটেল হবার সম্ভাবনা বেশী। দুরুত্ব মোটামুটি ১-১.৫ কিলো।

বেসরকারি মাধ্যমে সাধারণ হজ (সর্বনিম্ন) প্যাকেজ নির্ধারিত হয়েছে চার লাখ ৮৩ হাজার ১৫৬ টাকা। এই প্যাকেজের হোটেলগুলো মক্কা থেকে দূরে আজিজিয়া হবে।

এ বছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের ...
24/10/2024

এ বছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থে হজ পালন এক ধরনের বিলাসিতা, যা শরয়ী ও নৈতিক দিক থেকে সমর্থনযোগ্য নয়। প্রতি বছর অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় অর্থে হজে যান, যা উচিত নয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে রাষ্ট্র সঠিক পথে এগিয়েছে। ইসলামের সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে হলে আমাদের নিজেদের সামর্থ্যেই হজ পালন করতে হবে। সত্যিই খুব ভালো একটি পদক্ষেপ!

আলহামদুলিল্লাহ্‌! বেশ ভালো একটি খবর।  হজের খরচ কমার সম্ভাবনা অনেক। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. তাওফিক ফাউযান ...
07/10/2024

আলহামদুলিল্লাহ্‌! বেশ ভালো একটি খবর। হজের খরচ কমার সম্ভাবনা অনেক।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. তাওফিক ফাউযান আল রাবিয়ার সাথে বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়। জেদ্দাস্থ সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন সমুদ্র পথে বাংলাদেশ থেকে হাজী প্রেরণে সৌদি সরকারের কোন বাধা নেই। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে নেব। বাংলাদেশকেও জাহাজ কোম্পানির সাথে আলোচনা করতে হবে।
পানির জাহাজযোগে ২/৩ হাজার হাজীকে পরীক্ষা মূলকভাবে হজব্রত পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে প্রেরণের ব্যাপারে বাংলাদেশ চিন্তাভাবনা করছে।

সৌদি মন্ত্রী হাজীদের জন্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে আপগ্রেড করার ব্যাপারে নিশ্চয়তা প্রদান করেন। বাংলাদেশের হজ এজেন্সির মালিক অথবা তাঁদের প্রতিনিধিদের হজের ২/৩ মাস আগে আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য বারবার সৌদি আরব যেতে হয়। সেজন্য মুনাজ্জেম (মাল্টিপল) ভিসার প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের ধর্ম উপদেষ্টা এ ব্যাপারে হজ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি মুনাজ্জেম ভিসা ইস্যুর আশ্বাস দেন।

রোড টু মক্কা কর্মসূচীর আওতায় ঢাকার হজ ক্যাম্পে সৌদি ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হয় এবং হাজীদের লাগেজ সৌদি হোটেলে পৌঁছে দেওয়ার কথা। কিন্তু ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বেশ কিছু লাগেজ হারিয়ে যায়। প্রসঙ্গটি তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইতঃপূর্বে সৌদি হজ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি এজেন্সীকে কমপক্ষে দুই হাজার হাজি প্রেরণের কোটা দেওয়া হয়। ধর্মীয় উপদেষ্টা এ ব্যাপারে ২০২৪ সালের অনুরূপ ২৫০ এ সিলিং করার অনুরোধ করেন। সৌদি মন্ত্রী ব্যাপারটি সদয় বিবেচনার আশ্বাস দেন।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সৌদি হজ মন্ত্রীকে সহায়তা করেন হজ মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক ডেপুটি মিনিস্টার ড. হাসান আল মানাখেরা ও হজ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বদর আল সেলামী।
বাংলাদেশী টিমে ছিলেন ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সচির আবদুল হামিদ জমাদ্দার, অতিরিক্ত সচিব মতিউল ইসলাম, রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ব্রিগেডিয়ার রাকিবুল্লাহ, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল, মিয়া মুহাম্মদ মঈনুল কবির, জেদ্দা হজ মিশনের কাউন্সেলর, জহিরুল ইসলাম, হজ কন্সাল মুহাম্মদ আসলামুদ্দিন, বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ড. সাদিক হোসাইন ও জেদ্দা হজ মিশনের কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।

মসজিদ আল হারাম, মক্কার বর্তমান ইমামগণ। এদের মধ্যে কার তিলাওয়াত আপনার বেশী পছন্দ? ১) শাইখ আবদুর রহমান আস-সুদাইস২) শাইখ সা...
03/10/2024

মসজিদ আল হারাম, মক্কার বর্তমান ইমামগণ। এদের মধ্যে কার তিলাওয়াত আপনার বেশী পছন্দ?

১) শাইখ আবদুর রহমান আস-সুদাইস
২) শাইখ সালিহ বিন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
৩) শাইখ উসামা খাইয়্যাত
৪) শাইখ ফয়সল গাজ্জাভি
৫) শাইখ মাহের আল মুয়াইকিলি
৬) শাইখ আব্দুল্লাহ আওয়াদ আল জুহানী
৭) শাইখ বান্দার বালিলাহ
৮) শাইখ ইয়াসির আদ-দৌসারি
৯) শাইখ বদর আল তুর্কি
১০) শাইখ ওয়ালিদ আল শামসান

আমার পছন্দের ইমাম শাইখ আব্দুল্লাহ আওয়াদ আল জুহানী ও শাইখ ইয়াসির আদ-দৌসারি। স্পেশালি এই দুইজনের ফজরের ওয়াক্তের তিলাওয়াতে কেন জানি অন্যরকম এক ভালো লাগ কাজ করত।

৩৩ বছর বয়সে আমদের অনেকেই এখনো অবিবাহিত আর ঐদিকে আরববিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী নানা হিসেবে কামাল আল তালফিটি রেকর্ড করেছেন। তিন...
22/09/2024

৩৩ বছর বয়সে আমদের অনেকেই এখনো অবিবাহিত আর ঐদিকে আরববিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী নানা হিসেবে কামাল আল তালফিটি রেকর্ড করেছেন। তিনি ৩৩ বছরে নানা হয়েছেন। 😎

তিনি নিজে ১৬ বছরে বিয়ে করেন এবং তার কন্যার বিয়ে দেন ১৬ বছরে।

একজন ফোন দিয়েছিলেন তার বাবা-মা দেশ থেকে যাবেন কিন্তু তার আমেরিকায় থাকা বোন কি একসাথে রেজিস্ট্রেশন করে আমেরিকা থেকে সরাসর...
20/09/2024

একজন ফোন দিয়েছিলেন তার বাবা-মা দেশ থেকে যাবেন কিন্তু তার আমেরিকায় থাকা বোন কি একসাথে রেজিস্ট্রেশন করে আমেরিকা থেকে সরাসরি সৌদিতে হাজী হিসেবে যেতে পারবেন?

উত্তর হচ্ছেঃ না। বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী হিসেবে যদি আপনাকে হজে যেতে হয় তবে বাংলাদেশ থেকেই হাজী হিসেবে সৌদিতে ঢুকতে হবে।

হজ্ব এর সময় উমরাহ্‌ এর মতো নিয়ম-কানুন ছাড়া হাজী প্রবেশ করানো হয় না। হজ্বের সময়টায় এইজন্য উমরাহ্‌ ভিসা বন্ধ থাকে। হাজী ম্যানেজমেন্ট এর সুবিধার জন্য প্রতিটা দেশের নির্দিষ্ট কোটায় আসা হাজীকে তাদের দেশ থেকে সৌদিতে প্রবেশ করতে হয় (সৌদিতে কাজের ভিসায় থাকা প্রবাসীরা বাদে)। এরপর হাজী এয়ারপোর্ট থেকে সৌদি মুয়াল্লেম কর্তৃপক্ষ রিসিভ করে বিভিন্ন ধাপে চেকপয়েন্টে নিয়ে সিকিউরিটি ভেরিফিকেশন করে বাংলাদেশি এজেন্সী কর্তৃক নির্ধারিত হোটেলে হাজীদের পৌঁছে দেন। এয়ারপোর্ট থেকেই হাজীদের পাসপোর্ট নিয়ে নেয়া হয় যা দেশে আসার পুর্বমুহুর্তে এয়ারপোর্টে ফেরত দেয়া হয়। প্রচুর নিয়মকানুনের মধ্যে এই হাজী ম্যানেজমেন্ট এর কাজ চলে তাই এক দেশের হাজী অন্যদেশ থেকে আসা তারা এলাও করেন না।

👉প্রবাসীরা তাহলে হজ্বে কিভাবে যায়?

প্রবাসীরা রেগুলার হজযাত্রীদের ন্যায় রেজিস্ট্রেশন করে। এরপর ফ্লাইটের আগ মুহুর্তে বাংলাদেশে এসে এরপর রেগুলার হজ্বযাত্রী হিসেবে অন্যান্য হাজীদের সাথে সৌদিতে প্রবেশ করে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে (যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে) প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যা যা লাগেঃ
১.বাংলাদেশী পাসপোর্ট
২. জন্মনিবন্ধন পত্র
৩. বিদেশী ভিসা/পিআর কার্ড/ড্রাইভিং লাইসেন্স
৪. পাসপোর্ট সাইজ সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি

👉হজ্ব শেষে কি একইভাবে বাংলাদেশে ফেরত আসতে হবে?

যেহেতু হজ্বের ডিরেক্ট ফ্লাইট আপ-ডাউন টিকেট করতে হয় সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে নির্দিষ্ট তারিখে আপনার রিটার্ন টিকেটে দেশে ফিরতে পারেন। অথবা আপনি যদি নির্দিষ্ট তারিখের আগে বা সৌদি থেকে নিজ দেশে ফেরত যেতে চান সেক্ষেত্রে একটা এক্সট্রা টিকেট কিনে আপনি সরাসরি নিজে দেশে ফিরতে পারবেন।এজেন্সী আপনার পাসপোর্ট মুয়াল্লেম অফিস থেকে নিয়ে এসে আপনাকে দিয়ে দিবে। সেক্ষেত্রে আপনার ডাউন টিকটের সীট খালি দেশে আসবে। সর্ট প্যাকেজের দেশ থেকে যাওয়া যাত্রী, যারা ১০-১৫ দিনের প্যাকেজে যায় তারাও সেইম একইভাবে এক্সট্রা টিকেট করে দেশে ফেরত আসে। তাদের ফ্লাইট সাধারণত শেষের দিকে হয় এইজন্য যাতে হজ্ব শেষেই তারা ফেরত আসতে পারে।

কোন প্রশ্ন থাকলে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ্‌।

07/09/2024

যারা বায়োডাটা এন্ট্রি করতে পারছেন না আমাদের ওয়েবসাইটে তারা আমাদের পিডিএফ কিংবা ওয়ার্ড ফাইলে রেডি করা বায়োডাটা পাঠান ইনবক্স/ইমেইলে।

25/08/2024

ভাসমান একটা লাশ ভেসে আসছিলো। যেখানে ছোট একটি চিরকুট লিখা ছিলো "উনি একজন মুসলিম মহিলা। কোনো ব্যক্তি যদি ওনাকে পেয়ে থাকেন,দয়া করে দাফন করে দিবেন"

আল্লাহ্‌ আমাদের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করুন... :(

11/05/2024

একজন সাহাবীর প্রয়োজন মেটানোর জন্য নবিজী (স.) এক ইহুদির কাছ থেকে ঋণ নেন।

ঋণ গ্রহণের সময় বিধান হলো ঋণ ফেরতের তারিখ নির্ধারণ করা। নবিজী( স. ) ইহুদিকে একটি তারিখ বলেন, যে তারিখে তিনি ঋণ ফেরত দিবেন।
একদিন নবিজী (স. ) সাহাবীদেরকে নিয়ে একটি জানাযা থেকে ফিরছেন। তাঁর সাথে ছিলেন আবু বকর, উমরের (রা. ) মতো মহান কিছু সাহাবী।
ঠিক সেই সময় ঐ ইহুদি লোকটি নবিজীর (স.) গলার চাদরে ধরে রাগী স্বরে, অভদ্র ভাষায় বললো-

“ও মুহাম্মদ! আমার কাছ থেকে যে ঋণ নিয়েছিলে, সেই অর্থ কোথায়? আমি তো তোমার পরিবারকে চিনি। ঋণ নিলে তোমাদের আর কোনো খবর থাকে না!”

নবিজী (স.) সেসময় মদীনা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁর কথায় সাহাবীরা নিজেদের জীবন দিয়ে দিতে পারেন। তিনি যদি সাহাবীদেরকে একটু ইশারা দেন, তাহলে সাহাবীরা তার (ইহুদির) গর্দান উড়িয়ে ফেলবেন। তাঁকে সবার সামনে এতো বড়ো অপমান করা হলো? অথচ ঋণ পরিশোধের যে তারিখ ধার্য করা ছিলো, সেটা এখনো বাকি আছে। সময়ের আগেই সুন্দরভাবে না চেয়ে এভাবে অভদ্র ভাষায় দাবি করতে হবে?
উমর (রা.) সহ্য করতে পারলেন না। তিনি তাঁর স্বভাবজাত সেই বিখ্যাত উক্তিটি বললেন-

“ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি অনুমতি দিন, তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলি?”

নবিজীর (স.) এর যেমন ক্ষমতা ছিলো, তেমনি তিনি ন্যায়সঙ্গত ছিলেন (কারণ, ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ইহুদি লোকটি তাঁর চাদর ধরে অপমান করেছে)। ইহুদির অমার্জিত আচরণের কারনে তিনি শাস্তি দিতে পারেন। ইহুদিরা তাঁকে নবী বলে স্বীকৃতি না দিক, তারা তাঁকে রাষ্ট্রপ্রধান, চিফ জাস্টিস হিসেবে তো স্বীকৃতি দেয় (মদীনা সনদের আলোকে)। নবিজী (স.) ইহুদিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেবার অধিকার রাখেন।

কিন্তু, তিনি উল্টো উমর ইবনুল খাত্তাবকে (রা.) বললেন:

“উমর, তোমার কাছ থেকে তো উত্তম ব্যবহার আশা করা যায়। তুমি এভাবে না বলে বরং আমাকে বলতে পারতে- ‘আপনি তাঁর ঋণ পরিশোধ করুন’। কিংবা তাকে বলতে পারতে- আপনি সুন্দরভাবে ঋণের কথা বলতে পারতেন।”

অসুন্দরের জবাব সুন্দর দ্বারা, অনুত্তমের জবাব কিভাবে উত্তম দ্বারা দিতে হয় সেটা নবিজী (স.) উমর (রা.) সহ সাথে উপস্থিত সাহাবীদেরকে শেখালেন।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স. ) উমরকে (রা.) নির্দেশ দিলেন-

“উমর, যাও তার সাথে এবং তাকে তার ঋণ পরিশোধ করার পর আরো বিশ সা’ খেজুর দিও। কারণ, তুমি তাকে ভয় দেখিয়েছো।”

উমর (র.) ইহুদিকে সাথে নিয়ে গেলেন। তাকে তার প্রাপ্য ঋণ প্রদান করলেন এবং সাথে আরো ৩২ কেজির মতো খেজুর দিলেন। ইহুদি তো অবাক! সে একে তো সময়ের আগেই পাওনা দাবী করেছে, তার
উপর সবার সামনে নবিজীকে (স.) অপমান করেছে; তবুও নবিজী (স.) তাকে পাওনা দিয়ে দিলেন, সাথে দিচ্ছেন আরো ৩২ কেজি খেজুর!?

সে জিজ্ঞেস করলো, “অতিরিক্ত এগুলো কেনো?”

উমর (রা.) বললেন, “কারণ, আমি তোমাকে হুমকি দিয়েছি। সেটার কাফফারা হিসেবে নবিজী (স.) এগুলো দিতে বললেন।”

এটা শুনে ইহুদি বললো, “উমর, তুমি কি জানো আমি কে?”

উমর (রা.) বললেন, “না, আমি জানি না। তুমি কে?”

ইহুদি বললো, “আমি যায়িদ ইবনে সু’নাহ।”

তার নাম শুনে উমরের (রা.) চক্ষু চড়কগাছ!

যায়িদ ইবনে সু’নাহ? মদীনার সেই বিখ্যাত ইহুদি রাবাই (ইহুদিদের আলেম)? উমর (রা.) তার নাম জানতেন, কিন্তু তিনিই যে ঐ ব্যক্তি, সেটা তিনি জানতেন না।

যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন, “হ্যাঁ, আমিই সেই ইহুদি রাবাই। আমাদের ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী মুহাম্মদের (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবী হবার প্রমাণের যতো ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া যায়, সবগুলোই আমি তাঁর মধ্যে পেয়েছি। শুধু দুটো বিষয় পরীক্ষা করা বাকি ছিলো।”

সেই দুটো ছিলো:

১. তাঁকে কেউ রাগালে তিনি সহনশীলতা দেখাবেন।
২. কোনো মূর্খ তাঁর কাছে এসে মূর্খের মতো আচরণ করলে তিনি বরং সেই মূর্খের সাথে ভালো আচরণ করবেন। অর্থাৎ তিনি মন্দের জবাব ভালোর মাধ্যমে দিবেন, অনুত্তমের জবাব উত্তমের মাধ্যমে।

যায়িদ ইবনে সু’নাহ নবিজীর (স. ) মধ্যে সেই দুটো গুণও এবার দেখতে পান। তিনি নবিজীকে (স.) রাগানো সত্ত্বেও নবিজী (স.) তাঁর সাথে রাগ করেননি; উল্টো তার পাওনা অর্থের বেশি তাকে দিয়েছেন।

এবার যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন:

“ও উমর, তুমি সাক্ষী থাকো- আমি আল্লাহকে আমার রব হিসেবে, ইসলামকে আমার ধর্ম হিসেবে এবং মুহাম্মদকে (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নবী হিসেবে মেনে নিলাম। আমার অনেক সম্পদ আছে। আমি আমার অর্ধেক সম্পদ ইসলামের তরে দান করে দিলাম।”

তথ্যসূত্র:
সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৮৮, আল-বায়হাকী: ১১০৬৬, মুস্তাদারক হাকিম: ৬৫৪৭। ইমাম হাকিম (রাহিমাহুল্লাহ) হাদীসটিকে ‘সহীহ’ বলেছেন।
----
আরিফুল ইসলাম
২১ জুলাই ২০২১

Address

Shop 1, 2nd Floor, System Imperial Complex
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amanah Matrimony posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Amanah Matrimony:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram