স্বাস্থ্য কথা

স্বাস্থ্য কথা Like for health tips

মনে আছে ডা: দ্বীন মোহাম্মদ ছয় সাত মাস আগে হঠাৎ রুগী দেখা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন কয়েকদিনের জন্যে। তাতে হাহাকার উঠেছিল ফেস...
03/11/2025

মনে আছে ডা: দ্বীন মোহাম্মদ ছয় সাত মাস আগে হঠাৎ রুগী দেখা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন কয়েকদিনের জন্যে। তাতে হাহাকার উঠেছিল ফেসবুকে। বাংলাদেশের সেরা চিকিৎসককে আমরা সম্মান দিতে পারছি না, লাল স্বাধীনতা দ্বায়ী, সবুজ স্বাধীনতা চলে যাওয়ায় এই হাল দেশের.... এমন সব হাহাকারের ফেসবুক পোস্ট।

ঘটনা হইলো উনার ট্যাক্স ফাইল ধরে টান দেয়া হয়েছিল, নিজেকে সেফ করার জন্যে উনি ভং ধরে এইসব বলেছিলেন।

উনার ট্যাক্স ফাইলে দেখিয়েছেন বছরে আয় করেন মাত্র সাত লক্ষ টাকা। অথচ বাস্তবে উনি মাসে আনুমানিক ত্রিশ লক্ষের উপর আয় করেন।

উনার সিরিয়াল যে লোকের থেকে নিতে হয় ফজলু, তারে সিরিয়াল নিতে এক/দুই হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়।

ফজলুর বছরে আয় শুধু দ্বিন মোহাম্মদের সিরিয়ালের ঘুস থেকেই ১৪ লাখ হবে, সেখানে ডাক্তার সাহেব নিজের আয় দেখিয়েছেন সাত লাখ।

বাংলাদেশের মত একটা দরিদ্র ও ঘনবসতিপূণর্ দেশে ডা দ্বীন মোহাম্মদ, ডা: মুসা, ডা: প্রান গোপাল, ডা: মইনুল ইসলাম, ডা: জাহাঙ্গীর মানুষ গুলোকে সারাদেশের মানুষ মাথায় তুলে রাখে সম্মানের সাথে। উনারা মেধাবী, উনারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান তবে উনারা যখন এইধরনের চুরি চামারি করে তখন রাস্তার পকেটমার অথবা ছিকে চোরদের আর অপরাধী মনে হয় না। এত বড় বড় মানুষ গুলো যখন মানহীন ঔষধ জেনেও কোম্পানির টাকা খেয়ে প্রেস্ক্রিপশন করে, টেস্টের টাকার অভাবে দরিদ্র মানুষ গুলো চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করে দিতে হয় তবুও এইসব বড় বড় ডাক্তাররা টেস্টেও মোটা অঙ্কের কমিশন খাওয়া কমায় না।

আমার না এইসব মেধাবী চোরদের পরিবারের কাছে জানতে ইচ্ছে করে - আপনাদের কত টাকা লাগে জীবনে? কত টাকার চাহিদার জন্যে চিকিৎসা নামক মহান পেশাকে আপনার বাবা এমন বাজারী পেশা বানিয়েছে? আপনাদের বাবা যে চিকিৎসার নামে রক্তচুষে এনে আপনাদের এই অর্থের পাহাড়ের উপরে নিয়ে গেছে, সেই পাহাড়ের উপর থেকে আমাদের মত দরিদ্র মানুষ গুলোকে দেখতে কি পোকামাকড় মনে হয় আপনাদের?

ওই দেশে যে যত সম্মানিত জায়গায় যায় সে তত বড় চোর হয়। সম্মানের জায়গা সম্মানিতরা নিজেরাই রাখে না লোভের কারনে।

এইসব রথি-মহারথিদের ছাত্র আমার অনেক কয়জন চিকিৎসাকের সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে খুব ভালো সম্পর্ক। বিশ্বাস করবেন না কেউ, এই জুনিয়ার ডাক্তার গুলো হাজার গুনে মানবিক ওইসব নাম করা ডাক্তারগুলো থেকে। ভয় হয় এইসব বড় বড় পিশাচ গুলো, মানবিক ডাক্তার গুলোকেও না নষ্ট করে দেয়।

30/07/2025

প্রতি ৪ জনে ১ জন স্ট্রোক রোগীর বয়স ৫০ -এর কম!

রাত জাগা, সকালের ঘুম বাদ, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন -
তরুণদের স্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করবে?--------------------------------------------------------------------------...
07/01/2025

যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করবে?
----------------------------------------------------------------------------
আপনার সংগীকে বারে বারে চুমু দিন । তার শরিরে আলতভাবে হাত বুলাতে থাকুন । তাকে জরিয়ে ধরে আদর করুন । তার সারা শরিরে চুমু দিতে থাকুন । তাকে আলতভাবে কামড় দিন । এই প্রক্রিয়াগুলো চালিয়ে যান । দেখবেন সে উত্তেজিত হয়ে উঠবে।
প্রথমেই স্ত্রী স্বামীর যৌনতা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক জ্ঞান রাখতে হবে। তারপর অগ্রসর হবেন।

A) মিলনের প্রস্তুতিঃ
১. বেশিরভাগ মেয়ে সারাদিন কাজের শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে স্বামীর সাথে শুতে যায়। কিন্তু স্বামী সর্বদা আশা করে স্ত্রী সতেজ অবস্থায় তার শয্যাসঙ্গী হবে। তাই পরিচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় যাবে।

২. সহবাসের রাত্রিগুলিতে সাজসজ্জা ও পোশাকের ব্যাপারে স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব দিবে।

৩. অন্যান্য দিনে অন্তর্বাস পরিধান না করলেও সহবাসের রাত্রিতে ব্লাউজের নিচে বক্ষবন্ধনী ও নিম্নাঙ্গে প্যান্টি পরা উচিৎ। এর ফলে স্বামী মিলনে বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করে।

৪. যে সব মেয়ের গুপ্তাঙ্গে ঘন চুল আছে, তারা অনেকেই চুল কেটে রাখতে চায়। গুপ্তাঙ্গের চুলের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেবে। স্বামী যদি চুল অপছন্দ করে, তাহলে ছেঁটে রাখবে। আর ইসলাম নিয়ম হচ্ছে ৪০ দিনের ভিতর কাটা।

৫. মুখের গন্ধের ব্যাপারে সচেতন হবে। সম্ভব হলে বিছানায় যাবার আগে দাঁত মেজে নিবে।

B) মিলনের আগেঃ
১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্যেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেমক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময়টা কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিৎ স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে তোলা।

২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করা এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। যৌনাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীতে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীতে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।

৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিৎ, স্বামী যখন তার কাপড় খুলবে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকেও মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য মিলনের আনন্দ যে কতগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করাতে পারে যে তার রূক্ষ শরীরও স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে চুম্বন।

C) মিলনের সময়ঃ
মিলনের সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্টের উপর।
প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্যঃ
১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।

২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।

৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।

দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য।
নীরস বলতে যাদের সাথে সহবাসে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না।
১) যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস),
২) সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি),
৩) যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)- বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস।

নীরস রমণীর করণীয়ঃ
১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে সহবাসে মনোনিবেশ করবে।

২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় সাত ইঞ্চি দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিৎ হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না। নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়, সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে সহবাস কার্য চালায়, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।

⭕ সব মহিলাদের কাছে এটা পৌঁছান যাতে করে তারা পুরুষকে উত্তেজিত করতে পারে।
⭕ এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না। ধন্যবাদ
✅ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না যেন।
#লাইক #গুডলাইফ
#পেজে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার করে পাশে থাকুন।

অনেকেই সিন্ডিকেট কি সেটা বুঝে না। এটাই হচ্ছে সিন্ডিকেট যে প্রয়োজনে ফেলে দিব নস্ট করব তবুও কম দামে বাজারে ছেড়ে দেওয়া য...
19/11/2024

অনেকেই সিন্ডিকেট কি সেটা বুঝে না। এটাই হচ্ছে সিন্ডিকেট যে প্রয়োজনে ফেলে দিব নস্ট করব তবুও কম দামে বাজারে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। তাহলে দাম নিম্নগামী হবে। দাম নিম্নগামী করা যাবে না।🙂

 #অন্ডকোষের_সমস্যাটেস্টিস হচ্ছে পুরুষ প্রজনন অঙ্গ। এখানে স্পার্মবা শুক্রাণু তৈরি হয় এবং এই স্পার্ম বা শুক্রাণুরসঙ্গে মেয়...
11/06/2023

#অন্ডকোষের_সমস্যা

টেস্টিস হচ্ছে পুরুষ প্রজনন অঙ্গ। এখানে স্পার্ম
বা শুক্রাণু তৈরি হয় এবং এই স্পার্ম বা শুক্রাণুর
সঙ্গে মেয়েদের ডিম্বাণুর মিলনের ফলে সন্তানের জন্ম হয়। এই টেস্টিসের সংখ্যা দুটি। এর জন্ম পেটের ভিতর। টেস্টিসদ্বয় শিশুর মায়ের পেটে বেড়ে ওঠার
সঙ্গে সঙ্গে নিচের দিকে নামতে থাকে এবং সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই অন্ডকোষ (স্ক্রটাম) থলিতে অবস্থান
নেয়।

টেস্টিস বা অন্ডকোষের কি কি অসুখ
হতে পারে :
১। টেস্টিস সঠিক স্থানে না আসা,
টেস্টিস অন্ডকোষ থলিতে না এসে পেটে বা অন্য কোন স্থানে নামার সময় আটকে যেতে পারে।
এই ধরনের অসুখের ফলে টেস্টিসের বৃদ্ধির
ব্যাঘাত ঘটে এবং প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সর্বোপরি টেস্টিসের ক্যান্সার হওয়ার
সম্ভাবনা অনেক বেশি।
অতএব পিতামাতার উচিত এ বিষয়টি গুরুত্বের
সঙ্গে বিবেচনা করা এবং অতি সত্বর সার্জনের
শরণাপন্ন হওয়া। কারণ
সময়মতো চিকিৎসা করলে টেস্টিসের স্বাভাবিক
বৃদ্ধি ঘটে ও ক্যান্সার হওয়া রোধ হয়।
চিকিৎসা :
পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে টেস্টিসের অবস্থান
নির্ণয় করা অর্থাৎ টেস্টিস কোথায় আছে তা নিরূপণ
করা এবং সঠিক স্থানে নামিয়ে আনাই হচ্ছে এর আসল
চিকিৎসা।

২। টেস্টিসের টিউমার : টেস্টিসের জন্মের পর
যদি সঠিক জায়গায় না থাকে ঐ টেস্টিসের টিউমার
হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। এছাড়াও বিভিন্ন
কারণে টেস্টিসের টিউমার হতে পারে।
টেস্টিসের টিউমার হলেই টেস্টিস হঠাৎ
অস্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে। বেশির ভাগ সময়ই
কোন ব্যথা হয় না। টেস্টিসের টিউমার সাধারণত
ক্যান্সার হয়ে থাকে।
সময়মতো চিকিৎসা না করলে অতি দ্রুত বিভিন্ন
স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং মৃত্যু অনিবার্য।

৩। হাইড্রোসিল : টেস্টিসের দুটি আবরণ থাকে।
যদি এই দুই আবরণের
মাঝে পানি জমে তাকে হাইড্রোসিল বলে। বিভিন্ন
কারণে টেস্টিসে পানি জমতে পারে।
যেমন (ক)
জন্মগত কারণ,
(খ) ইনফেকশন,
(গ) গোদরোগ/
ফাইলেরিয়াসিস,
(ঘ) টিউমার বা ক্যান্সার ইত্যাদি।

হাইড্রোসিল হলে কি জটিলতা হতে পারে :
(ক)অনেক বড় হয়ে চলাফেরায় অসুবিধা হতে পারে।
(খ) দৈহিক মিলনের প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে।
(গ)ক্যান্সারের কারণে হাইড্রোসিল হলে জীবন
নাশের সম্ভাবনা থাকে।

৪। টেস্টিকুলার টরসন : ৫ বছর থেকে ৩০ বছর
বয়স পর্যন্ত টেস্টিসের এই অসুখ হয়। এই
রোগে টেস্টিস প্যাঁচ খেয়ে যায়, যার ফলে এর
রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় এবং টেস্টিসের
কার্যক্ষমতা হারিয়ে জড়বস্তুতে পরিণত হয়। এই
রোগে টেস্টিসের হঠাৎ প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হয়।
দ্রুত এই রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা অতীব জরুরী।
তা না হলে টেস্টিস গ্যাংগ্রিন হয়ে যায়।

৫। অরকাইটিস বা টেস্টিসের প্রদাহ : ১৪
থেকে ২২ বছর বয়সে এই অসুখ বেশি হয়
এতে টেস্টিসের ইনফেকশন হয় এবং প্রচুর
ব্যথা ও টেস্টিস ফুলে যায়। রোগীর জ্বর ও
প্রস্রাবের জ্বালা-পোড়া হয়। এই রোগের
অন্যতম কারণ অবৈধ যৌন সঙ্গম। সঠিক সময়
চিকিৎসা না করলে টেস্টিসের কার্যক্ষমতা নষ্ট
হয়ে যায়।

৬। ভেরীকোসিল : টেস্টিসের রক্তনালীর
অস্বাভাবিক স্ফীত ও বৃদ্ধির ফলে এই অসুখ হয়।
হাঁটাচলা করলে বা অনেকক্ষণ
দাঁড়িয়ে থাকলে টেস্টিসের উপরের রগ
ফুলে উঠে এবং শুয়ে থাকলে আবার মিলিয়ে যায়।
সেই সঙ্গে ব্যথাও অনুভব হয়। এ রোগ
হলে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
তা ছাড়া আরও অনেক অসুখ যেমন স্পার্মাটোমমিল
ও ইপিডিডাইমাল সিস্ট/টিবি ইত্যাদি অসুখ ও টেস্টিস
হতে পারে।
অতএব, টেস্টিসের যে কোন ধরনের
অস্বাভাবিকতা দেখা দিলেই
জরুরী ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে।
**is #হেলথটিপস #অন্ডকোষ

মানুষ আপনাকে যাই বলুক, মালটা এভাবেই খান।এভাবে মাল্টা খেলে মালটার ফাইবারগুলো আপনার ডাইজেস্টে সহায়তা করবে 💖💖©️
14/04/2023

মানুষ আপনাকে যাই বলুক, মালটা এভাবেই খান।
এভাবে মাল্টা খেলে মালটার ফাইবারগুলো আপনার ডাইজেস্টে সহায়তা করবে 💖💖
©️

কতবেলের কত গুণ!নুন-ঝাল দিয়ে কতবেল মাখা খেয়ে দেখেছেন? স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। পুষ্টি বিচার করলেও কতবেলের জুড়ি নেই। হজমের সম...
05/11/2022

কতবেলের কত গুণ!

নুন-ঝাল দিয়ে কতবেল মাখা খেয়ে দেখেছেন? স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। পুষ্টি বিচার করলেও কতবেলের জুড়ি নেই। হজমের সমস্যা হচ্ছে? কতবেল আছে না! বাজারে এখন চোখে পড়বে নানা আকারের কতবেল। কথায় আছে, কতবেল খেলে ওষুধের খরচ কমে। কারণ, কতবেলের অনেক গুণ।

কতবেল নারী ও শিশুদের কাছে বেশ প্রিয় ফল। শক্ত খোলসযুক্ত ফলের ভেতরে ধূসর রঙের আঠালো শাঁস এবং ছোট সাদা বীজ থাকে। কতবেল টক বা মিষ্টি স্বাদযুক্ত হতে পারে। এটি হালকা সুগন্ধযুক্ত ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং স্বল্প পরিমাণে লৌহ, ভিটামিন বি১ ও ভিটামিন সি বিদ্যমান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কতবেল হেলাফেলার নয়। কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আমলকী, আনারসের চেয়েও বেশি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কতবেল কিডনি সুরক্ষিত রাখে। লিভার ও হার্টের জন্যও উপকারী। কতবেলের ট্যানিন দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া ও পেটব্যথা ভালো করে। কলেরা ও পাইলসের প্রতিষেধক।

কতবেলের গুণাগুণ
পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম কতবেলে রয়েছে পানি ৮৫.৬ গ্রাম, খনিজ ২.২ গ্রাম, আমিষ ৩.৫ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ১৩ মিলিগ্রাম।

* হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে।

* বদহজম দূর করে।

* কোথাও ঘা বা ক্ষত হলে কতবেল খেলে সেটা তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

* কতবেলে রয়েছে ট্যানিন, যা অন্ত্রের কৃমি ধ্বংস করে।

* কতবেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে।

* কতবেল রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে।

* দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য ও আমাশয় কতবেল উপকারী।

* রক্ত পরিষ্কার করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তস্বল্পতা দূর করে।

* শরীরের শক্তি বাড়ে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, স্নায়ুর শক্তি বাড়ায়।

* সর্দি-কাশিতে কত বেলের জুড়ি মেলা ভার।

17/04/2022

এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!
গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুমে পেসাব করে বোতলে পানি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। তার দুইদিন পর সিমটম শুরু হলে নিউরোসাইন্স হাসপাতালে যাই। যথারীতি সিটিস্ক্যান! ধরা পড়ে মাইনর স্ট্রোক!
পরামর্শঃ-
যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:

আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।

হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।

ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।

এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।

হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।

১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।

২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।

৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।

এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।

খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।

মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ। বিদ্রঃ সংগৃহীত, জনসচেতনতার জন্যে প্রচারিত।

যে কোনো পানিয় দ্রব্যে যদি মছি পরে নিশ্চই আমরা সেটা ফেলে দেব! কারন আমরা মনে করি এতে জীবানু রয়েছে। আর এটা পান করলে আমাদের ...
18/12/2021

যে কোনো পানিয় দ্রব্যে যদি মছি পরে নিশ্চই আমরা সেটা ফেলে দেব! কারন আমরা মনে করি এতে জীবানু রয়েছে। আর এটা পান করলে আমাদের শরীরে বাসা বাধবে বিভিন্ন রোগব্যাধি।
কিন্তুু বিজ্ঞান বলে তার বিপরীত। এ বিষয়টি নিয়ে কিং আব্দুল আজীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক মাছি নিয়ে কয়েকটি পরীক্ষা চালান। জীবাণুমুক্ত কিছু পাত্রের মধ্যে কয়েকটি মাছি ধরে নিয়ে জীবাণুমুক্ত টেস্টটিউবের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখেন।
তারপর নলটি একটি পানির গ্লাসে উপুড় করেন। মাছিগুলো পানিতে পতিত হওয়ার পর উক্ত পানি থেকে কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পান, সেই পানিতে অসংখ জীবাণু রয়েছে।
তারপর জীবাণুমুক্ত একটি সূঁচ দিয়ে মাছিকে ওই পানিতেই ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, সেই পানিতে আগের মতো আর জীবাণু নেই, বরং কম। তারপর আবার ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে আবার পরীক্ষা করেন। এমনিভাবে কয়েকবার পরীক্ষা করে দেখেন যে, যত বার মাছিকে ডুবিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন ততই জীবাণু কমেছে। অর্থাৎ ঐ শিক্ষক প্রমাণ করে দেখিয়েছেন, মাছির একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে এবং অপরটিতে রোগনাশক ওষুধ রয়েছে।
কিন্তুু আশ্চর্য হবেন এই কথাটি রাসুল (সা) আমাদের ১৪০০ বছর আগে বলেছেন। বুখারী ৩৩২০ নং হাদিস,
قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي شَرَابِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ، ثُمَّ لِيَنْزِعْهُ، فَإِنَّ فِي إِحْدَى جَنَاحَيْهِ دَاءً وَالأُخْرَى شِفَاءً.
অর্থ :নবী (সা) বলেছেন, ‘তোমাদের কারো পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে সেটাকে তাতে ডুবিয়ে দেবে। অতঃপর তাকে উঠিয়ে ফেলবে। কেননা তার এক ডানায় রোগ থাকে আর অপর ডানায় থাকে রোগের প্রতিষেধক।’
বিজ্ঞান যত কিছুই আবিষ্কার করুক না কেন, সেটা নবী মুহাম্মদ (সা) আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে তার উম্মত কে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। কিন্তুু আমরা মুসলমান কুরআন হাদিস পরায় উদাসীন। আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন ও হাদিস পড়ার তাওফিক দান করুক। আমিন।
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত

🔴 আপনি জানেন কি ? 🔴১. দিনে গড়ে একজন মানুষ ১৪ বার পাদ দেয়। পাদ নিয়ে লজ্জা পাবেন না  , আপনি আমি সকলেই পাদি।২. পাদের গতিবেগ...
22/11/2021

🔴 আপনি জানেন কি ? 🔴

১. দিনে গড়ে একজন মানুষ ১৪ বার পাদ দেয়। পাদ নিয়ে লজ্জা পাবেন না , আপনি আমি সকলেই পাদি।

২. পাদের গতিবেগ - ৭ মাইল / ঘন্টা।

৩. গড়ে মানুষ দিনে আধা (১/২) লিটার পাদের গ্যাস তৈরি করে।

৪. ঠিক বের হয়ে আসার মুহুর্তে পাদের তাপমাত্রা সাধারণত ৯৮.৬ ডিগ্রি বা ইংরেজিতে 98.6° হয়ে থাকে। বেরোনোর পর ঠান্ডা হয়ে যায় Joules-Thompson fall (effect)-য়ে। সরু দ্বার দিয়ে বেরিয়ে sudden expansion-র কারণে ।

৫. একজন ব্যক্তি যদি ৬ বছর ৯ মাস একটানা পাদে, তবে তা একটি পারমাণবিক বোমার সমতুল্য শক্তির গ্যাস উৎপাদন হবে।

৬. পুরুষ আর মহিলা সমান তালে পাদতে পারে। তবে পুরুষ এ ব্যাপারে মহিলাদের চেয়ে গর্বিত থাকে।

৭. পাদ ধরে রাখা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ হতে পারে। ১ টি পাদ দেয়া মানে ১ টি সম্ভাব্য স্ট্রোক থেকে নিস্তার পাওয়া।

৮. পাদ হল দাহ্য বা ইংরেজিতে Flammable.

৯. মানুষ মৃত্যুর পরেও পাদে। মৃত্যু পর ৩ ঘন্টা পর্যন্ত, পরিপাক নালীর উভয় প্রান্ত থেকে অবিরত গ্যাস বের হয়।

*পাদ সম্পর্কে অনেক তথ্য আপনি ইতিমধ্যে জানলেন

এবার নিজে পাদুন
অপরকে পাদ দেয়ার জন্য উৎসাহী করুন।
😍😋

#সাস্থ_কথা #হেলথ_টিপস

কিশোরীর স্তন বিশাল বড় হয়ে যাওয়াঅনেক সময় কিশোরী বয়সে অর্থাৎ মেয়েদের বয়োসন্ধির সময় স্তন বিশাল বড় হয়ে যেতে দেখা য...
20/10/2021

কিশোরীর স্তন বিশাল বড় হয়ে যাওয়া
অনেক সময় কিশোরী বয়সে অর্থাৎ মেয়েদের বয়োসন্ধির সময় স্তন বিশাল বড় হয়ে যেতে দেখা যায়। অনেক মেয়ে প্রথম গর্ভধারনের সময় ও এমন সমস্যায় পরতে পারে। বয়োসন্ধির সময় ইস্ট্রোজেন (Oestrogen) হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের স্তন এর স্বাভাবিক পূর্ণতাপ্রাপ্তি ও বৃদ্ধি শুরু হয়। কোনো মেয়ের যদি এই ইস্ট্রোজেন এর প্রতি অস্বাভাবিক স্পর্শকাতরতা (altered sensitivity) থাকে তাহলে স্তনের এমন অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি শুরু হয়। এমনটি হলে স্তন এতো বড় হয়ে যায় যে বসা অবস্থায় দুই পাশের স্তনই মেয়েটির হাটু পর্যন্ত এসে পৌছতে পারে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই দুই পাশের স্তন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই সমস্যাটি অস্বস্তিকর এবং অনেক সময় তা দৃষ্টিকটু হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাই এর চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন আছে। অনেক সময় ইস্ট্রোজেন বিরোধী (Antioestrogen) অসুধ ব্যবহার করে এই সমস্যায় ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এতে যদি স্তন ছোটো হয়ে না আসে তা হলে রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি (Reduction mammoplasty) নামক অপারেশন করিয়েই এর স্থায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।

#হেলথ্ #টিপস #সাস্থ্য_কথা #সাস্থ #কথা #সাস্থকথা #হেলথ্ #হেলথ #টিপস #ডায়েট

স্বাদের কারণে আখরোটের জনপ্রিয়তা নানা দেশে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মিষ্টি থেকে সালাদ তৈরিতে এই বাদাম ব্যবহার করা হয়।  ...
12/08/2021

স্বাদের কারণে আখরোটের জনপ্রিয়তা নানা দেশে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মিষ্টি থেকে সালাদ তৈরিতে এই বাদাম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু শুধুই কি স্বাদের জন্য এত চর্চা আখরোট নিয়ে? তাই যদি হয়, তবে এত চিকিৎসক এই বাদাম খেতে বলেন কেন?

পুষ্টিবিদদের মতে, অন্য বাদামের চেয়ে কোনও অংশে কম গুণ নেই আখরোটের। নানা ভাবে স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারে এই বাদাম। এতে ওমেগা- থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এছাড়াও এতে প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়ামের মতো আরও নানা প্রকার উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরকে নানা ধরনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়তে সক্ষম করে তোলে।

সেরামানের আখরোট কিনতে ভিজিট করুনঃ Fresho - ফ্রেশো

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসার থেকে হৃদরোগের নানা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে আখরোট। পাশাপাশি, মস্তিষ্ক সচল রাখতেও সাহায্য করেএই বাদাম। জার্নাল অব নিউট্রিশনে সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। সেখানে জানানো হয়েছে, নিয়মিত আখরোট খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর ফলে হৃদযন্ত্র এবং মস্তিষ্ক দুটিই ভালো থাকে।
সূত্রঃ সমকাল

Address

Chittagong
3418

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বাস্থ্য কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share