Dr. Jakia Momotaz - Gynecologist

Dr. Jakia Momotaz - Gynecologist Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Jakia Momotaz - Gynecologist, Obstetrician-gynaecologist, panchlaish, Chittagong.

প্রসূতী ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
ডাঃ জাকিয়া মমতাজ
এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস
এম.এস (অবস্ এন্ড গাইনী), ডিএমইউ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বি.এম.ডি.সি রেজি: নং- এ ৬৬৪২৬

একটি সন্তান হওয়ার পর দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আবার গর্ভধারণ না হলে সেটিকে Secondary Infertility বলা হয়। অনেকেই ভাবেন “একবার...
02/05/2026

একটি সন্তান হওয়ার পর দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আবার গর্ভধারণ না হলে সেটিকে Secondary Infertility বলা হয়।

অনেকেই ভাবেন “একবার তো হয়েছে, আবার হবেই”—কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা এত সহজ নয়।

কখন ভাববেন এটা সমস্যা?
১ বছর নিয়মিত চেষ্টা করেও conception না হলে,
বয়স ৩৫-এর বেশি হলে ৬ মাস চেষ্টা ব্যর্থ হলে,
মাসিক অনিয়মিত, ব্যথা, বা অন্য গাইনী সমস্যা থাকলে।

কেন দেরি না করে দেখা জরুরি?
Secondary infertility-তে অনেক সময় কারণটা নতুনভাবে তৈরি হয়, যা আগের pregnancy-র সময় ছিল না। তাই early evaluation করলে সহজ সমাধান পাওয়া সম্ভব।

মনে রাখবেন:
“একবার হয়েছে, আবার হবেই”—এই ধারণা আপনাকে দেরি করিয়ে দিতে পারে।

02/05/2026

প্রেগ্ন্যান্সির দীর্ঘ যাত্রা আর ডেলিভারির ধকল শেষে অনেক মা-ই একটা জরুরি কাজ ভুলে যান।

সেটি হলো, পোস্টনাটাল ভিজিট!

মূলত, ডেলিভারির পর মা ও শিশু — দুজনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা follow-up করার জন্য যে medical checkup হয়, সেটাই postnatal visit।

বাংলাদেশে সাধারণত হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জের সময়ই বলে দেওয়া হয় — ডেলিভারির ৭–১৪ দিনের মধ্যে এই ভিজিট করতে।

এই ভিজিটে মায়ের যা যা দেখা হয়—

✦ Blood pressure ও অন্যান্য vital signs

✦ C-section বা episiotomy-র ক্ষত সারছে কিনা

✦ Bleeding স্বাভাবিক আছে কিনা

✦ Bladder ও bowel ঠিকমতো কাজ করছে কিনা

✦ Breastfeeding-এ সমস্যা আছে কিনা — latch, engorgement, ni**le crack

✦ Gestational diabetes বা high blood pressure থাকলে সেগুলোর follow-up

শিশুর যা যা দেখা হয়—

✦ Weight gain ঠিকমতো হচ্ছে কিনা

✦ Feeding — breast বা formula, পরিমাণ ঠিক আছে কিনা

✦ Jaundice বা অন্য কোনো early sign আছে কিনা

✦ Umbilical cord ঠিকমতো শুকাচ্ছে কিনা

✦ Vaccination schedule শুরু হয়েছে কিনা

কেন এটা জরুরি?

High blood pressure, infection, postpartum depression — এগুলো সময়মতো ধরা না পড়লে পরে অনেক বড় আকার নিতে পারে।

তাই ডেলিভারির পর এই একটা checkup ফেলে রাখা ঠিক না।

আপনি কি সময়মতো postnatal visit করেছিলেন?

02/05/2026
30/04/2026

*অ্যাডেনোমায়োসিস সচেতনতা মাস:*
​এপ্রিল মাস হলো অ্যাডেনোমায়োসিস সচেতনতা মাস। একে প্রায়ই এন্ডোমেট্রিওসিসের 'দুষ্টু বোন' (Evil sister) বলা হয়ে থাকে।
​ *ডিফিউজ অ্যাডেনোমায়োসিস (Diffuse Adenomyosis) কী?*
জরায়ুর দেওয়ালের পেশী স্তরে (Myometrium) যখন জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আবরণীর টিস্যুগুলো (Endometrial glands and stroma) ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে ডিফিউজ অ্যাডেনোমায়োসিস বলে। এর ফলে জরায়ুর দেওয়াল অস্বাভাবিকভাবে পুরু হয়ে যায়।
​ *শনাক্তকরণে চ্যালেঞ্জ:*
ইমেজিং বা আল্ট্রাসনোগ্রামে এটি দেখতে অনেক সময় জরায়ু টিউমার বা 'ফাইব্রয়েড'-এর মতো মনে হতে পারে। এর ফলে জরায়ু আকারে বড় এবং ভারী হয়ে যায়, যা অনেক সময় ভুল রোগ নির্ণয়ের কারণ হতে পারে।
​ *বিস্তৃতি* :
অ্যাডেনোমায়োসিসের মোট আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই হলো 'ডিফিউজ অ্যাডেনোমায়োসিস'। জরায়ুর পেশীতে এই টিস্যুর বিস্তৃতি সব ক্ষেত্রে সমান হয় না; এটি কখনো সুষমভাবে (Symmetrical) আবার কখনো অসমভাবে (Asymmetrical) ছড়িয়ে থাকতে পারে।
​ *লক্ষণসমূহ* :
অ্যাডেনোমায়োসিসের কারণে সাধারণত নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়:
​মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
​দীর্ঘস্থায়ী মাসিক।
​মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা (Dysmenorrhea)।
​দীর্ঘমেয়াদী তলপেটে ব্যথা (Chronic pelvic pain)।
​সহবাসের সময় ব্যথা (Dyspareunia)।
​তলপেটে সবসময় ভারী ভাব বা চাপ অনুভব করা।
​এসব লক্ষণ দেখা দিলে সত্বর আপনার গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।।
# laperoscopy

 # মিসক্যারেজ _বা_অকাল_ গর্ভপাত ঃ _👉  মিসক্যারেজ বা অকাল গর্ভপাত হলো গর্ভাবস্থার ২০ থেকে ২৮ সপ্তাহের আগে ভ্রূণের মৃত্যু,...
29/04/2026

# মিসক্যারেজ _বা_অকাল_ গর্ভপাত ঃ _

👉 মিসক্যারেজ বা অকাল গর্ভপাত হলো গর্ভাবস্থার ২০ থেকে ২৮ সপ্তাহের আগে ভ্রূণের মৃত্যু, যা সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে (১-১৩ সপ্তাহ) বেশি ঘটে ।

👉তবে এর প্রধান কারন হলো ক্রোমোজোমাল এবনর্মালিটি বা জেনেটিক সমস্যা।

👉 তবে মিসক্যারেজের এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো
🌻 যোনিপথে রক্তপাত
🌻তলপেটে তীব্র ব্যথা

👉একটা মিসক্যারেজের জন্য কিছু জানা রোগ---
🌻 থাইরয়েড
🌻 আনকনট্রোল্ড ডায়বেটিস
🌻 হাই প্রেসার ইত্যাদি

👉 কোন কারন না পাওয়া গেলে
কাউকে দোষারোপ করা যাবে না।

এমনকি -
✅সহবাস
✅ব্যায়াম
✅কিংবা প্রতিদিন অফিস করা -
এটাকেও না ।

🔸তবে ধুমপান না করা
🔸হেলদি লাইফ লিড
- এ ধরনের কিছু সাবধানতা হয়তো পরবর্তী মিসক্যারেজ থেকে বাঁচাতে পারে তাও গ্যারান্টি দেয়া যায় না ।

🔸 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা - এর তথ্য অনুযায়ী প্রতি ১০০ প্রেগন্যান্সির মধ্যে ১০-১৫ টা প্রেগন্যান্সি মিসক্যারেজ হয় ।

🔸ঝুঁকি কখন বেশি:
বয়সের সাথে সাথে (বিশেষ করে ৩৫ বছরের বেশি বয়সে) এবং পূর্বের মিসক্যারেজের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

👉মিসক্যারেজএর সাথে D and C এর কথা চলে আসে । এটি নিজে থেকে হলে বা সম্পূর্ণ না হলে ডাক্তাররা ডিএন্ডসি (D&C) বা ওষুধের মাধ্যমে জরায়ু পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তবে সবসময় D& C লাগবেই এমন নয়।

পরামর্শ :
--------------
👉 সামান্য বা বেশি রক্তপাত দেখার সাথে সাথে নিকটস্থ ডক্টর এর সাথে যোগাযোগ করবেন তা না হলে কল্পনার চেয়েও ভয়ানক বিপদ হতে পারে ।

♥️ যারা মন খারাপ করছেন ,হতাশ হচ্ছেন - তাদের জন্য "নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী ।"

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব: কখন স্বাভাবিক, আর কখন নয়?গর্ভাবস্থা মানেই শরীরে এক অদ্ভুত পরিবর্তনের মেলা! এই সময়ে অনেক মা-ই সাদ...
29/04/2026

গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাব: কখন স্বাভাবিক, আর কখন নয়?
গর্ভাবস্থা মানেই শরীরে এক অদ্ভুত পরিবর্তনের মেলা! এই সময়ে অনেক মা-ই সাদা পানি বা ভেজাইনাল ডিসচার্জ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েন। সত্যি বলতে, এটি শরীরের একটি সুরক্ষা কবজ। কিন্তু অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক কিছু দেখলে সতর্ক হওয়াও জরুরি।

চলুন জেনে নিই সহজ কিছু সংকেত -

🌿 দুশ্চিন্তা করবেন না যদি:

এটি মূলত হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হয় এবং সংক্রমণের হাত থেকে জরায়ুকে বাঁচায়। একে বলা হয় 'লিউকরিয়া' (Leukorrhea)। এটি তখনই স্বাভাবিক যখন:
• রঙ স্বচ্ছ বা দুধের মতো সাদা হয়।
• ঘনত্ব খুব পাতলা হয়।
• এতে কোনো দুর্গন্ধ থাকে না।
• কোনো চুলকানি বা অস্বস্তি হয় না।

⚠️ এবার সতর্ক হোন যদি:

শরীরে যদি নিচের লক্ষণগুলো দেখেন, তবে বুঝতে হবে এটি কোনো ইনফেকশনের (যেমন: ইস্ট বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন) সংকেত:
• রঙের পরিবর্তন: যদি স্রাব হলুদ, সবুজ বা কালচে ধূসর হয়।
• ঘনত্ব: যদি ছানা কাটার মতো দলাদলা বা খুব ঘন হয়।
• তীব্র দুর্গন্ধ: মাছের মতো বা টক দুর্গন্ধ থাকলে।
• অস্বস্তি: গোপনাঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাবে ব্যথা হলে।
• অস্বাভাবিক প্রবাহ: হঠাৎ যদি অনেক বেশি পানি যায় (এটি অ্যামনিওটিক ফ্লুইড লিক হওয়ার লক্ষণ হতে পারে)।

💡 সুস্থ থাকতে কী করবেন?

আপনার এবং আপনার সোনামণির সুরক্ষার জন্য ছোট কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন:

1. পরিচ্ছন্নতা: সবসময় পরিষ্কার এবং শুকনো থাকার চেষ্টা করুন।
2. পোশাক: পাতলা সুতির (Cotton) অন্তর্বাস পরুন, যা বাতাস চলাচলে সহায়ক।
3. সতর্কতা: সুগন্ধি সাবান বা কড়া কেমিক্যালযুক্ত 'ইন্টিমেট ওয়াশ' ব্যবহার করবেন না। সাধারণ পানিই যথেষ্ট।
4. পরামর্শ: কোনো সন্দেহ হলেই নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে আপনার গাইনি বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।

এক চিমটি সচেতনতা: গর্ভাবস্থায় ছোট যেকোনো সমস্যাও বড় হতে পারে, তাই সন্দেহ হলে লজ্জা না পেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, প্রতিটি মা এবং গর্ভাবস্থা আলাদা—তাই আপনার শরীর কী বলছে তা মন দিয়ে শুনুন।

👶 বাচ্চা না হওয়ার ৭টি সাধারণ কারণ--------------অনেক দম্পতি চাইলেও সহজে সন্তান লাভ করতে পারেন না। এর পেছনে বিভিন্ন শারীরি...
28/04/2026

👶 বাচ্চা না হওয়ার ৭টি সাধারণ কারণ--------------

অনেক দম্পতি চাইলেও সহজে সন্তান লাভ করতে পারেন না। এর পেছনে বিভিন্ন শারীরিক ও জীবনযাত্রার কারণ থাকতে পারে।
চলুন সহজভাবে জেনে নিই—

🔴 ১. ডি'ম্বাণু ঠিকমতো তৈরি না হওয়া (PCOS/হরমোন স'মস্যা)
নারীদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে বা PCOS থাকলে ডি'ম্বাণু তৈরি বা পরিপক্ক হতে স'মস্যা হয়, ফলে গ'র্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়ে।

🔴 ২. ডি'ম্বাণু ও শু'ক্রাণুর মিলন না হওয়া
ডি'ম্বাণু ও শু'ক্রাণু ঠিকভাবে মিলিত না হলে নিষেক (fertilization) হয় না, তাই গ'র্ভধারণ সম্ভব হয় না।

🔴 ৩. নিয়মিত ডি'ম্বস্ফোটন না হওয়া
প্রতি মাসে ডি'ম্বাণু বের না হলে (ovulation না হলে) গ'র্ভধারণের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

🔴 ৪. লাইফস্টাইল স'মস্যা (ওজন, ধূ'মপান, স্ট্রে'স, ফাস্টফুড)
অতিরিক্ত ওজন, ধূ'মপান, মানসিক চাপ এবং অ'স্বাস্থ্যকর খাবার—এসব ফা'র্টিলিটিতে বড় প্রভাব ফেলে।

🔴 ৫. জ'রায়ুর স'মস্যা (ফা'ইব্রয়েড, প'লিপ, এ'ন্ডোমেট্রিওসিস)
জ'রায়ুতে কোনো গঠনগত স'মস্যা থাকলে ভ্রূ'ণ স্থাপন (implantation) বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

🔴 ৬. বয়স বৃদ্ধি (৩০–৩৫ এর পর)
বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীদের ডি'ম্বাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা কমে যায়, ফলে গ'র্ভধারণ কঠিন হয়।

🔴 ৭. পুরুষের শু'ক্রাণুর স'মস্যা
শু'ক্রাণুর সংখ্যা কম, গতি কম বা গঠনগত স'মস্যা থাকলে গ'র্ভধারণে বাধা আসে।

🩺 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
✔️ ১ বছর চেষ্টা করার পরও গ'র্ভধারণ না হলে
✔️ বয়স ৩০+ হলে ৬ মাস চেষ্টা করেই পরামর্শ নিন
✔️ মাসিক অনিয়মিত হলে
✔️ আগে কোনো গা'ইনোকোলজিক্যাল স'মস্যা থাকলে

❤️ শেষ কথা:
সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন করলে অনেক ক্ষেত্রেই এই স'মস্যা সমাধান সম্ভব। তাই দেরি না করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🔴 পিউবার্টি মেনোরেজিয়া (Puberty Menorrhagia) – কিশোরীদের পিরিয়ডে অতিরিক্ত  রক্তপাত..... পিউবার্টি বা কৈশোরকাল (সাধারণত ১...
28/04/2026

🔴 পিউবার্টি মেনোরেজিয়া (Puberty Menorrhagia) – কিশোরীদের পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তপাত.....

পিউবার্টি বা কৈশোরকাল (সাধারণত ১০–১৬ বছর বয়সে) মেয়েদের শরীরে নানা হরমোনগত পরিবর্তন ঘটে। এই সময় অনেকের ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত বা অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে, যাকে বলা হয় পিউবার্টি মেনোরেজিয়া।

📌 পিউবার্টি মেনোরেজিয়া কী?
যখন মাসিকের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দিন (৭ দিনের বেশি) বা বেশি পরিমাণে রক্তপাত হয়, তখন সেটিকে মেনোরেজিয়া বলা হয়।

⚠️ সম্ভাব্য কারণগুলো:
✔️ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
✔️ ডিম্বস্ফোটন (ovulation) না হওয়া
✔️ রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা
✔️ থাইরয়েডের সমস্যা
✔️ মানসিক চাপ বা অপুষ্টি

🚨 লক্ষণগুলো খেয়াল রাখুন:
🔹 দিনে বারবার প্যাড/কাপড় পরিবর্তন করতে হচ্ছে
🔹 বড় বড় রক্তের চাকা/দলা বের হওয়া
🔹 দীর্ঘদিন ধরে (৭ দিনের বেশি) মাসিক চলা
🔹 দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট (রক্তস্বল্পতার লক্ষণ)

💡 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
👉 অতিরিক্ত রক্তপাত হলে
👉 মাসিকের কারণে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলে
👉 দুর্বলতা বা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে

🩺 চিকিৎসা ও করণীয়:
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ
✔️ আয়রন সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: পালং শাক, কলিজা, ডাল)
✔️ পর্যাপ্ত বিশ্রাম
✔️ নিয়মিত ফলো-আপ

🌸 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
পিউবার্টি মেনোরেজিয়া সাধারণ হলেও অবহেলা করা উচিত নয়। সময়মতো চিকিৎসা নিলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

📢 সচেতনতা ছড়ান, নিজের এবং পরিবারের কিশোরীদের সুস্থ রাখুন।

27/04/2026

পিরিয়ড বন্ধ, ব্রণ, ওজন বাড়ছে… এটা কি PCOS?
কিন্তু সব সময় PCOS না, অনেক সময় Prolactin hormone বেশি থাকলেও একই রকম লক্ষণ হয়।

তাই আগে বুঝি, পার্থক্যটা কোথায় 👇

🔵 PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম)
এটা মূলত ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স + অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) বেশি হওয়ার সমস্যা, সাধারণ লক্ষণ:
✅অনিয়মিত বা ২–৩ মাস পর পর পিরিয়ড
✅ওজন বাড়া (বিশেষ করে পেটের চর্বি)
✅ব্রণ, তৈলাক্ত ত্বক
✅মুখে/ঠোঁটে লোম (hirsutism)
✅চুল পাতলা হওয়া
✅ডিম্বাণু ঠিকমতো mature না হওয়া → infertility

👉 এখানে সমস্যা শুরু হয় ওভারি + মেটাবলিজম থেকে

🟣 High Prolactin (Hyperprolactinemia)

এটা মূলত পিটুইটারি গ্রন্থির হরমোন imbalance; সাধারণ লক্ষণ:
✅ হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ (আগে নিয়মিত ছিল)
✅ স্তন থেকে দুধের মত স্রাব (বাচ্চা না থাকা সত্ত্বেও)
✅ যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া
✅ মাথা ব্যথা / চোখে ঝাপসা দেখা (কিছু ক্ষেত্রে)
✅ ডিম্বস্ফোটন বন্ধ → infertility

27/04/2026

💦যেকোন একটি দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো, কিন্তু সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াতে হয়তো আল্লাহ রক্ষা করেছেন।
♦️এই মায়ের আগে ১টি সিজার আছে ,এইবার ৩৮+সপ্তাহে রাতে পানি ভেঙে যায় এবং মাঝরাতে ব্যথা উঠে যায়। তার ব্যথা উঠে যাবার পর তিনি নরমাল ডেলিভারির জন্য ট্রায়াল দিতে চাইলেন। ব্যথা বেড়ে গেলে সকালে এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

♦️কিন্তু আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখা গেলো পানির পরিমাণ ৪.৪ যেটাকে আমরা Marked Oligohydroamnios বলি এবং বাচ্চার ওজন ৩.৩কেজি। এত কম পানির পরিমাণ ও বাচ্চার ৩কেজির উপরে ওজন নিয়ে নরমাল ডেলিভারি খুবই রিস্ক হয়ে যায়। সেজন্য সিজারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
♦️পরে সিজার করার সময় দেখলাম আগের সেলাইয়ের নিচে বাচ্চার মাথা আটকে গিয়ে ফুলে আছে এবং স্কার একদিকে গ্যাপ হয়ে আছে ,আরও কিছুক্ষণ দেরি হলে হয়তো পুরো স্কার খুলে যেতো।
দ্রুত সিজার করাতে হয়তো আল্লাহর রহমতে মা ও বাচ্চা ভালো আছে।

💦টিপস : যারা আগে সিজার আছে এবং VBAC করতে চান , তাদেরকে জানতে হবে এসব রোগীকে এমন একটি হাসপাতালে থেকে নরমাল ডেলিভারির ট্রায়াল দিতে হবে যেখানে ২৪ঘন্টা সিজার করার সুবিধা আছে এবং জরায়ু রাপচার হলে ৩০ মিনিটের মধ্যে ওটিতে নেয়া যাবে।

আজ একজন মহিলা রোগী পেলাম যার ৩১ সপ্তাহে মৃত বাচ্চা ডেলিভারি করানো হলো। রোগী গতকাল থেকে বাচ্চার নড়াচড়া পচ্ছিলো না। আজ আল্...
24/04/2026

আজ একজন মহিলা রোগী পেলাম যার ৩১ সপ্তাহে মৃত বাচ্চা ডেলিভারি করানো হলো। রোগী গতকাল থেকে বাচ্চার নড়াচড়া পচ্ছিলো না। আজ আল্ট্রাসাউন্ড করে আমি বাচ্চা মৃত পায় 😰

অনেক সময় বাচ্চা এরকম পেটের মধ্যে মারা যেতে পারে যা একজন নারীর জন্য খুবই বেদনাদায়ক একটি ব্যাপার। তাই, ২০ সপ্তাহের পর থেকে নিয়মিত বাচ্চার মুভমেন্ট খেয়াল রাখতে হবে।

সাধারণত একাধিক কারণ জড়িত থাকতে পারে—অনেক সময় স্পষ্ট কারণও খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণ নিচে দেওয়া হলো:

🔴 ১. প্লাসেন্টা (Placenta) সংক্রান্ত সমস্যা-

👉Placental abruption (প্লাসেন্টা আগে আলাদা হয়ে যাওয়া)
👉Placenta previa (প্লাসেন্টা নিচে থাকা)
👉প্লাসেন্টার মাধ্যমে বাচ্চার পর্যাপ্ত অক্সিজেন/পুষ্টি না পাওয়া

🔴 ২. মায়ের রোগ

👉উচ্চ রক্তচাপ / প্রি-এক্লাম্পসিয়া (Preeclampsia)
👉ডায়াবেটিস (Gestational diabetes)
👉থাইরয়েড সমস্যা
👉গুরুতর রক্তস্বল্পতা (Anemia)
👉সংক্রমণ (TORCH, সিফিলিস, ইত্যাদি)

🔴 ৩. বাচ্চার নিজস্ব সমস্যা

👉জন্মগত ত্রুটি (Congenital anomaly)
👉IUGR (বাচ্চার ঠিকমতো না বাড়া)
👉জেনেটিক সমস্যা

🔴 ৪. নাভির নাড়ি (Umbilical cord) সমস্যা

👉নাড়ি গলায় পেঁচানো
👉নাড়িতে গিঁট (True knot)
👉Cord prolapse

🔴 ৫. অন্যান্য কারণ

👉মায়ের ধূমপান / মাদক গ্রহণ
👉আঘাত বা দুর্ঘটনা
👉দীর্ঘ সময় বাচ্চার নড়াচড়া কম থাকা কিন্তু খেয়াল না করা

🔴 ৬. অজানা কারণ (Unexplained) —
অনেক ক্ষেত্রে ৩০–৪০% পর্যন্ত ক্ষেত্রে কারণ পাওয়া যায় না।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (যেগুলো অবহেলা করা যাবে না)

👉হঠাৎ বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
👉তলপেটে ব্যথা বা রক্তপাত
👉পানি ভেঙে যাওয়া

✅ করণীয়

👉বাচ্চার নড়াচড়া নিয়মিত লক্ষ্য করা (kick count)

☯️ বাচ্চা দিনে কতবার নড়ছে (লাথি, গড়াগড়ি, মোচড়)—এই নড়াচড়া গোনাকেই Kick Count বলা হয়।

📊 কীভাবে করবেন?
👉প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময় ঠিক করুন (যেমন খাবারের পর)
👉আরাম করে বাম কাতে শুয়ে পড়ুন
👉বাচ্চার প্রতিটি নড়াচড়া গুনতে থাকুন
👉১০টি নড়াচড়া হতে কত সময় লাগে সেটা হিসাব করুন

✅ স্বাভাবিক ফলাফল

সাধারণত ২ ঘণ্টার মধ্যে ১০টি নড়াচড়া পাওয়া উচিত
অনেক সময় ৩০–৬০ মিনিটেই ১০টা হয়ে যায়

⚠️ কখন চিন্তার কারণ?

⏺️২ ঘণ্টায় ১০টির কম নড়াচড়া
⏺️আগের তুলনায় হঠাৎ নড়াচড়া কমে যাওয়া
⏺️সারাদিনে একেবারেই নড়াচড়া না অনুভব করা

Address

Panchlaish
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Jakia Momotaz - Gynecologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share