Dr.Rucksana Akter Nipa

Dr.Rucksana Akter Nipa Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Rucksana Akter Nipa, Medical and health, Nangalkot,Cumilla , Comilla, Bangladesh, 3580, Cumilla.

MBBS (CU)
CMU (ULTRASONOGRAPHY)
PGT ( GYNAE AND OBS )
PGT ( RADIOLOGY AND IMAGING)
COMILLA MEDICAL COLLEGE COMILLA
BMDC Reg No- 106323
For Serial: 01310-783709, 01713-176244, 01630-154418

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes): সতর্ক হোন সময় থাকতেই:-গর্ভাবস্থার ২৪-২৮ সপ্তাহে রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয...
21/04/2026

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes): সতর্ক হোন সময় থাকতেই:-
গর্ভাবস্থার ২৪-২৮ সপ্তাহে রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া মা ও শিশু উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। এর লক্ষণ ও ঝুঁকিগুলো সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো:

🚩 প্রাথমিক লক্ষণ:
● অস্বাভাবিক বেশি পানি পিপাসা লাগা।
● ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া।
● চরম দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভব করা।
● দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা।
● বারবার প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া।

⚠️ যাদের ঝুঁকি বেশি:
● যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।
● পরিবারে বা আগের গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে।
● মায়ের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে।
● যাদের পিসিওএস (PCOS) বা হরমোনের সমস্যা আছে।

🛑 ঝুঁকি ও জটিলতা:
● শিশুর ওজন: শিশু অতিরিক্ত বড় হতে পারে, যা প্রসব জলিটতা বাড়ায়।
● মা: রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া (Pre-eclampsia) এবং সিজারিয়ানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
● ভবিষ্যৎ: মা ও শিশুর পরবর্তী জীবনে স্থায়ী ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে।

🩺 করণীয়: লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক, ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই OGTT পরীক্ষাটি করিয়ে নিন। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রণে থাকলে ভয়ের কিছু নেই।

🎗️ডা: রোকসানা আক্তার নিপা
এমবিবিএস
পিজিটি (গাইনী এন্ড অবস)এবং সার্জন
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
পিজিটি (রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং)
গাইনি প্রসূতি স্ত্রীরোগের চিকিৎসক এবং সার্জন
🎀🎀🎀

🎆চেম্বার :আলট্রা মডার্ন হসপিটাল
(নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা)
শনিবার, সোমবার, বৃহস্পতিবার)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত
🎇চেম্বার :মুন্সিরহাট ক্লিনিক
(মুন্সিরহাট, চৌদ্দগ্রাম,)
প্রতি শুক্রবার
সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত
🎇চেম্বার :আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার
প্রতি বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত
🎇চেম্বার :সাফিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার
দোলখাড়, নাঙ্গলকোট
প্রতি বুধবার বিকাল ৩ঃ০০ টা থেকে রাত ৭ টা পর্যন্ত

একটোপিক প্রেগনেন্সি: জীবন বাঁচাতে যা জানা জরুরি -একটোপিক প্রেগনেন্সি মানে হলো বাচ্চা জরায়ুর ভেতরে না থেকে বাইরে (সাধারণত...
19/04/2026

একটোপিক প্রেগনেন্সি: জীবন বাঁচাতে যা জানা জরুরি -

একটোপিক প্রেগনেন্সি মানে হলো বাচ্চা জরায়ুর ভেতরে না থেকে বাইরে (সাধারণত টিউবে) বেড়ে ওঠা। এটি সময়মতো শনাক্ত না করলে জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

⏱️ কখন ধরা পড়ে?

• সাধারণত ৫ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই এটি শনাক্ত করা যায়।
• অনেক সময় ৪ সপ্তাহ পার হলেই লক্ষণ দেখে সন্দেহ করা যায়।

🔍 কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়?

• TVS (আল্ট্রাসাউন্ড): জরায়ুর ভেতরে ভ্রূণ না থাকলে এবং টিউবে কিছু দেখা গেলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
• Beta hCG টেস্ট: রক্তে গর্ভাবস্থার হরমোন যদি স্বাভাবিক নিয়মে না বাড়ে, তবে এটি বড় সংকেত।

⚠️ বিপদের লক্ষণসমূহ:

• পেটের একপাশে অসহ্য বা তীব্র ব্যথা।
• যোনিপথে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ।
• প্রচণ্ড দুর্বলতা বা মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া।

মনে রাখবেন: সামান্য অবহেলা বা দেরিতে ধরা পড়লে টিউব ফেটে গিয়ে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হতে পারে। তাই গর্ভাবস্থার শুরুতে ব্যথা বা রক্তপাত দেখা দিলেই দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সচেতনতাই পারে বড় বিপদ এড়াতে।

07/04/2026

২৫ তম নরমাল ডেলিভারি
রুগীর নাম- জান্নাত
নিয়মিত আমার ফলোআপে ছিল। গত ৩ তারিখ আলট্রামডার্ন হসপিটাল এ ভর্তি হয়।এর আগে অনেক বার ভর্তি ছিল।সকালে আমাকে কল দিয়ে বলে ম্যাডাম আমার ব্যাথা বেশি আমাকে সিজার করান। আমি বললাম আরেকটু সময় নি।।।।আমি আসার পর জরায়ুর মুখ দেখলাম। জরায়ুর মুখ ৪ সেন্টিমিটার খোলা ।আলহামদুলিল্লাহ ১০.৩০ টায় রুগির নরমাল ডেলিভারি হইচে। আলহামদুলিল্লাহ মা এবং বাচ্চা ২ জন ই ভাল আছে।রোগীর লোক অনেক খুশি নরমাল ডেলিভারি হওয়াতে। আগের বাচ্চাটাও নরমাল ডেলিভারি হইছে। নরমাল ডেলিভারি নিয়ে যারা ভয়ে থাকেন একটু সাহস, ধৈর্য ধরলে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব।

সি'-জারের পর বেল্ট ব্যবহার করছেন? তাহলে শুধু ব্যবহার করলেই হবে না—সঠিক নিয়ম জানা খুব জরুরি। বিস্তারিত জেনে নিন 👇🔹 ১. সঠি...
31/03/2026

সি'-জারের পর বেল্ট ব্যবহার করছেন? তাহলে শুধু ব্যবহার করলেই হবে না—সঠিক নিয়ম জানা খুব জরুরি। বিস্তারিত জেনে নিন 👇

🔹 ১. সঠিকভাবে বেল্ট বাঁধুন
বেল্ট খুব বেশি শক্ত করে বাঁধলে পেটে চাপ পড়ে এবং সে'লাইয়ের জায়গায় ব্য'থা বাড়তে পারে। আবার খুব ঢিলাও হলে কোনো সাপোর্ট পাবেন না। তাই এমনভাবে বাঁধুন যাতে আরাম লাগে এবং হালকা সাপোর্ট পাওয়া যায়।

🔹 ২. ভালো মানের বেল্ট নির্বাচন করুন
ইলাস্টিক ও নরম কাপড়ের বেল্ট ব্যবহার করুন যাতে স্কিনে জ্বালা বা অ্যালার্জি না হয়। খুব শক্ত বা রাফ ম্যাটেরিয়াল এড়িয়ে চলুন।

🔹 ৩. পরিষ্কার ও শুকনা রাখুন
বেল্ট ভিজে গেলে বা ঘাম জমলে ব্যবহার করবেন না। এতে ই'নফেকশনের ঝুঁ'কি বাড়তে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার ও শুকনা রাখা জরুরি।

🔹 ৪. খাবারের পর একটু বিরতি দিন
খাওয়ার সাথে সাথে বেল্ট পরলে পেটে অস্বস্তি বা চাপ লাগতে পারে। তাই অন্তত ৩০ মিনিট পর বেল্ট পরুন।

🔹 ৫. গোসলের সময় খুলে রাখুন
গোসলের সময় বেল্ট পরা উচিত না। এতে বেল্ট ভিজে যেতে পারে এবং ত্বকের স'মস্যা হতে পারে।

🔹 ৬. ঘুমানোর সময় বেল্ট না পরাই ভালো
ঘুমানোর সময় শরীরকে রিল্যাক্স থাকতে দিন। সারাক্ষণ বেল্ট পরে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়া বা'ধাগ্রস্ত হতে পারে।

🔹 ৭. কতক্ষণ ব্যবহার করবেন?
প্রথমে দিনে কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করে ধীরে ধীরে সময় বাড়াতে পারেন। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।

🔹 ৮. কোনো স'মস্যা হলে স'তর্ক হন
যদি অতিরিক্ত ব্য'থা, লালচে ভাব বা অ'স্বস্তি হয়, তাহলে বেল্ট ব্যবহার ব'ন্ধ করে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

💚 সঠিকভাবে বেল্ট ব্যবহার করলে পেটের সাপোর্ট পাওয়া যায়, ব্যথা কমে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

🤰 গর্ভাবস্থায় জরুরি আলট্রা কখন ও কেন করাতে হবে:১.ডেটিং স্ক্যান (৬–১২ সপ্তাহ)▪️ গর্ভাবস্থার শুরুতে করা হয়▪️ বাচ্চার হার...
30/03/2026

🤰 গর্ভাবস্থায় জরুরি আলট্রা কখন ও কেন করাতে হবে:
১.ডেটিং স্ক্যান (৬–১২ সপ্তাহ)
▪️ গর্ভাবস্থার শুরুতে করা হয়
▪️ বাচ্চার হার্টবিট আছে কিনা নিশ্চিত করা হয়
▪️ এক বা একাধিক বাচ্চা আছে কিনা জানা যায়

২. এনটি স্ক্যান (১১–১৪ সপ্তাহ)
▪️ বাচ্চার ঘাড়ের পেছনের তরল মাপা হয়
▪️ ডাউন সিনড্রোমসহ কিছু ঝুঁকি আগেই বোঝা যায়

৩. অ্যানাটমি স্ক্যান (১৮–২২ সপ্তাহ)
▪️ বাচ্চার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পর্যবেক্ষণ করা হয়
▪️ কোনো গঠনগত সমস্যা আছে কিনা দেখা হয়

৪. গ্রোথ স্ক্যান (২৮–৪০ সপ্তাহ)
▪️ বাচ্চার ওজন ও বৃদ্ধি দেখা হয়
▪️ গর্ভের পানির পরিমাণ (অ্যামনিওটিক ফ্লুইড) মূল্যায়ন করা হয়

৫. ডপলার স্ক্যান (প্রয়োজনে যেকোনো সময়)
▪️ বাচ্চার কাছে রক্ত প্রবাহ ঠিক আছে কিনা দেখা হয়
▪️ প্লাসেন্টার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়

৬. থ্রিডি/ফোরডি স্ক্যান (২৬–৩২ সপ্তাহ)
▪️ বাচ্চার স্পষ্ট ছবি দেখা যায়
▪️ অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চার মুখ দেখা সম্ভব হয় ।

প্রতিটি মা চান স্বাভাবিক প্রসব —কিন্তু কখনো কখনো সিজারই হয় একমাত্র পথ।⚠️ কখন সিজার করতে হয়?🔄 ১. শিশু উল্টো অবস্থানে• ম...
27/03/2026

প্রতিটি মা চান স্বাভাবিক প্রসব —
কিন্তু কখনো কখনো সিজারই হয় একমাত্র পথ।

⚠️ কখন সিজার করতে হয়?

🔄 ১. শিশু উল্টো অবস্থানে
• মাথা উপরে, পা নিচে থাকলে
• স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব হয় না

২. প্রসব আর এগোচ্ছে না
• ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টার পরেও
• প্রসব থেমে গেলে

৩. শিশু বিপদে পড়লে
• গর্ভে শিশুর অক্সিজেন কমে গেলে
• দেরি না করে সিজার করতে হয়

৪. যমজ বা একাধিক শিশু
• একসাথে দুই বা তিনটি শিশু থাকলে
• ঝুঁকি এড়াতে সিজার নিরাপদ

৫. মায়ের স্বাস্থ্য সমস্যা
• হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা
• অন্য জটিলতা থাকলে
SafeDelivery

26/03/2026

নরমাল ডেলিভারি এক্সপার্ট।যারা নরমাল ডেলিভারি করাতে চান। মেডামকে দেখাতে পারেন।।।

ডেলিভারির সময় বাচ্চার পজিশন ঠিক নেই হতে পারে বড্ড বিপদ! গর্ভের ভেতরে বাচ্চা শুরু থেকে এক জায়গায় থাকে না। সে নিজের মতো কর...
26/03/2026

ডেলিভারির সময় বাচ্চার পজিশন ঠিক নেই হতে পারে বড্ড বিপদ!
গর্ভের ভেতরে বাচ্চা শুরু থেকে এক জায়গায় থাকে না। সে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়ায়—কখনো মাথা নিচে, কখনো উপরে, কখনো পাশ হয়ে।

কিন্তু গর্ভাবস্থার শেষ দিকে, বিশেষ করে ৩৬–৩৭ সপ্তাহের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চাই ধীরে ধীরে ঘুরে গিয়ে মাথা নিচের দিকে নিয়ে আসে এবং সেই অবস্থায় স্থির হয়।

এই অবস্থাকে বলা হয়:
Cephalic Position (সেফালিক পজিশন)
👉 অর্থাৎ Head Down Position (মাথা নিচে)
✅এই পজিশনটাই সবচেয়ে নিরাপদ,
কারণ ডেলিভারির সময় বাচ্চার মাথা আগে বের হওয়াই স্বাভাবিক এবং ঝুঁকিহীন।

🚫কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চা সেই সময়েও সঠিক পজিশনে আসে না।

তখন যেসব অবস্থায় থাকে—
🚫 Breech Position (ব্রীচ পজিশন)
👉 বাচ্চার মাথা উপরে থাকে, পা বা নিতম্ব নিচে থাকে

🚫 Transverse Lie (ট্রান্সভার্স লাই)
👉 বাচ্চা আড়াআড়ি হয়ে থাকে

এই অবস্থাগুলো ডেলিভারিকে জটিল করে তোলে।
স্বাভাবিক ডেলিভারি কঠিন হয়ে যায়,
বাচ্চার মাথা শেষে বের হওয়ার কারণে ঝুঁকি বেড়ে যায়,বাচ্চা পর্যাপ্ত অক্সিজেন নাও পেতে পারে,
নাভির নাড়ি আগে বের হয়ে আসার মতো বিপদ হতে পারে,
এবং হঠাৎ জরুরি অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে।

বিশেষ করে বাচ্চা যদি আড়াআড়ি অবস্থায় থাকে,
তখন স্বাভাবিক ডেলিভারি প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

এ ধরনের সমস্যা হওয়ার পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে—

🔔Placenta previa (প্লাসেন্টা নিচে থাকা)
🔔Amniotic fluid বেশি বা কম হওয়া
জরায়ুর গঠনের সমস্যা
একাধিক বাচ্চা থাকা

তবে সব ক্ষেত্রে কারণ নির্দিষ্টভাবে জানা যায় না।

এই অবস্থায় সচেতন থাকাটাই সবচেয়ে জরুরি।

✅৩৬ সপ্তাহের পর নিয়মিত চেকআপ করে বাচ্চার পজিশন নিশ্চিত করা উচিত।

ডাক্তার প্রয়োজনে একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন—
কিছু হালকা ব্যায়াম সহায়ক হতে পারে (ডাক্তারের পরামর্শে)—

✅Pelvic Tilt
👉 কোমরের নিচে বালিশ দিয়ে ১০–১৫ মিনিট শুয়ে থাকা

✅ Forward Leaning
👉 সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা, যাতে বাচ্চা ঘোরার জায়গা পায়

✅ Left Side Sleeping
👉 বাম কাতে ঘুমানো, এতে রক্ত চলাচল ভালো হয়
কিছু লক্ষণ দেখা দিলে একদম দেরি না করে হাসপাতালে যেতে হবে—

🚫পানি আগে ভেঙে যাওয়া
বাচ্চার নড়াচড়া কমে যাওয়া
হঠাৎ তীব্র ব্যথা বা রক্তপাত হওয়া

গর্ভের বাচ্চা নিজের মতো ঘুরে বেড়ায় ঠিকই,
কিন্তু ডেলিভারির সময় তার সঠিক পজিশনটাই
মা এবং বাচ্চা—দুজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
আপনার এখন কত মাস চলছে?কি কি সমস্যা হচ্ছে অবশ্যই কমেন্ট করুন রিপ্লাই দেব
আর শেয়ার করে সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ সবাইকে।।। @@
.Rucksana Akter

14/03/2026
PCOS (Polycystic O***y Syndrome) নিয়ে ভুগছেন? আজ আপনাদের বাংলায় সহজভাবে বুঝিয়ে দিবো-✅ পরামর্শ,চিকিৎসা ও বিস্তারিত বিষয় ন...
14/03/2026

PCOS (Polycystic O***y Syndrome) নিয়ে ভুগছেন? আজ আপনাদের বাংলায় সহজভাবে বুঝিয়ে দিবো-

✅ পরামর্শ,চিকিৎসা ও বিস্তারিত বিষয় নিয়ে। মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

🔍 PCOS কী?

Polycystic O***y Syndrome (PCOS) হলো নারীদের হরমোনজনিত একটি সাধারণ সমস্যা, যেখানে ডিম্বাশয়ে (ovaries) অনেকগুলো ছোট ছোট সিস্ট (fluid-filled sac) তৈরি হয়, এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে মাসিক অনিয়ম, বন্ধ্যত্ব, অতিরিক্ত লোম, ব্রণ, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

🧬 PCOS-এর মূল বৈশিষ্ট্য (Triad of PCOS):

1. অনিয়মিত মাসিক বা অনুপস্থিত মাসিক (Oligo/Anovulation)

2. অতিরিক্ত পুরুষ হরমোন (Hyperandrogenism) – মুখে লোম, ব্রণ ইত্যাদি।

3. ওভারিতে একাধিক সিস্ট (Polycystic ovaries) – আল্ট্রাসাউন্ডে দেখা যায়।

📈 PCOS কতটা সাধারণ?

প্রতি ১০ জন নারীর মধ্যে প্রায় ১ জনের PCOS থাকে।

সাধারণত ১৫-৪০ বছর বয়সের নারীদের বেশি হয়।

⚠️ PCOS-এর লক্ষণসমূহ:

1. ✅ মাসিক অনিয়ম (২-৩ মাস পর পর বা একদম বন্ধ)।

2. ✅ গর্ভধারণে সমস্যা (বন্ধ্যত্ব)।

3. ✅ মুখে, বুকে বা পেটে অতিরিক্ত লোম।

4. ✅ ব্রণ ও ত্বকে তৈলাক্ততা।

5. ✅ মাথার চুল পড়ে যাওয়া (পুরুষদের মতো)।

6. ✅ ওজন বাড়া, বিশেষ করে পেটের আশেপাশে।

7. ✅ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স (ডায়াবেটিসের। পূর্বাবস্থা)

8. ✅ মেজাজ খিটখিটে হওয়া, অবসাদ।

🧪 PCOS নির্ণয়ের জন্য যেসব পরীক্ষা করা হয়:

1. আল্ট্রাসনোগ্রাফি (TVS ultrasound) – ওভারি বড় ও বহু ছোট সিস্ট দেখা যায়

2. রক্ত পরীক্ষা:

👉 T3,T4 ও FSH হরমোনের অনুপাতে সমস্যা।
👉 Testosterone বেড়ে যাওয়া।

👉 Prolactin ও TSH (অন্য রোগ বের করার জন্য)।

👉 Insulin ও Blood suga.

🩺 PCOS-এর চিকিৎসা ও সমাধান:

চিকিৎসা নির্ভর করে লক্ষণের ওপর।

🧘‍♀️ ১. লাইফস্টাইল পরিবর্তন (সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ):

👉 ওজন কমানো (৫-১০% কমালেই উপকার)।

👉 নিয়মিত ব্যায়াম (৩০ মিনিট/দিন)।

👉 স্বাস্থ্যকর ডায়েট (কম কার্ব, কম চিনি)।

👉 স্ট্রেস কমানো।

💊 ২. ওষুধ:

✅ যদি সন্তান না চান:

Combined oral contraceptive pills (COCP): মাসিক নিয়মিত করে, পুরুষ হরমোন কমায়
👉 উদাহরণ: Ethinylestradiol + Cyproterone acetate (Diane-35), Drospirenone

Anti-androgen: যেমন Spironolactone (লোম ও ব্রণ কমাতে)

✅ যদি সন্তান চান:

👉 Ovulation induction drugs: যেমন Letrozole, Clomiphene citrate

👉 Metformin 500mg : ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমায়, ওজন ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে। (রোগী যদি ওজন ৫০ কেজির কম হয় তবে প্রয়োজন নেই) প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করবেন।

👉 D-sitol 500 mcg / Gyrocyst 500mcg : Myo-Inositol + D-Chiro-Inositol: সিস্ট ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

👉 ResQ 200 : Coenzyme10 যা ওভারি কে সতেজ ও ডিম্বাণু পরিপক্ক করবে।

🧬 ৩. যখন ওষুধে কাজ হয় না:

👉 Laparoscopic ovarian drilling (LOD) – সার্জিক্যাল পদ্ধতি (মাত্রা অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য)।

❗ PCOS চিকিৎসা না করলে কী হয়?

👉 বন্ধ্যত্ব।

👉 টাইপ ২ ডায়াবেটিস।

👉 হাই ব্লাড প্রেশার।

👉 হৃদরোগের ঝুঁকি।

👉 জরায়ুর ক্যান্সারের আশঙ্কা।

👉 বিষণ্নতা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব।

✅ PCOS কোনো ভয়ানক রোগ নয়, বরং একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য হরমোন সমস্যা।
সময়মতো ডায়াগনোসিস, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও নিয়মিত চিকিৎসায় এটি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
@@ ডা-রোকসানা আক্তার নিপা
গাইনীএবং প্রসূূতি রোগে অভীজ্ঞ এবং সাজন
বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশনঃ -A-106323

Address

Nangalkot,Cumilla , Comilla, Bangladesh, 3580
Cumilla
3580

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rucksana Akter Nipa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share