28/06/2022
( পরবর্তী অংশ).....
#বাচ্চার খাবার কখনও যেন শুধু চালের / গমের সুজি না হয়।
# প্রতিদিন গাজর / মিষ্টিকুমড়া না দিয়ে সপ্তাহে ২ / ৩ দিন দিতে হবে নাহলে বাচ্চার রঙ হলদে হয়ে যায় ( সিরিয়াসলি) ।
#বাচ্চার খাবার এ ১ বছর বয়স পর্যন্ত কোন আলাদা লবন/ চিনি/ মিছরি দেওয়া যাবে না।
#প্রিজারভেটিভ ও রঙযুক্ত খাবার, ম্যাগী মসলা, নুডলস এর মসলা, কোলা জাতীয় খাবার,ফাস্টফুড দেওয়া যাবে না।
# বাচ্চাকে সেরেল্যাক জাতীয় খাবার দিলে পরে ঘরের খাবার খেতে চায় না তাই না দেওয়াই ভাল।
# ১ বছর বয়স থেকে খাবার ব্লেন্ড না করে টেবিলে হাই চেয়ার সহ পরিবারের সবার সাথে বসিয়ে প্রতিদিন এর রান্না চটকে দিতে হবে। নাহলে পরে বাচ্চা শুধু ব্লেন্ড খাবার খেতে চায়।
#বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় খাবারের নাম বলতে হবে, গন্ধ নিতে, ধরতে দিতে হবে। একটু মাখামাখি করবে,নোংরা করবে, মেনে নিতে হবে।
# টিভি, মোবাইল, কম্পিউটার দেখিয়ে কখনও বাচ্চাকে খাওয়ানো উচিত নয়।
# বাচ্চার পিছনে খাবার নিয়ে লেগে থাকা নয়, আধা ঘন্টার মধ্যে যা খায় শেষ করে দিতে হবে। প্রতি বেলা খাবারের মাঝে অন্তত ৩ / ৪ ঘন্টা ব্যবধান থাকতে হবে।
# খাওয়া নিয়ে কখনো বকাবকি, মার দেওয়া, ঠুষে খাওয়ানো, গলার ভিতর দিয়ে দেওয়া / বাবা মা ঝগড়া করা, অন্য বাচ্চার সাথে তুলনা করে তার মত স্বাস্থ্যবান বানানোর চেষ্টা করা যাবে না।তাহলে বাচ্চা খাওয়াটা শাস্তি হিসাবে নিবে, আনন্দটা থাকবে না, খ্যানখেনে হয়ে যাবে। থাকুক না একটু হাল্কা পাতলা!
মা হিসাবে টিপসঃ ৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য চাল এর গুড়া, ডাল সিদ্ধ করে বেটে হালুয়ার মত করে এয়ার টাইট কন্টেইনার এ দুইদিন রেখে দেওয়া যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী এতে মাছ, মাংস, সবজি টাটকা রান্না ব্লেন্ড করে মিশালে সময় কম লাগবে, টেস্ট ও ভাল হবে।