B.M Health Care Institute

B.M Health Care Institute কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজেই তৈরি করি।

12/01/2026

***এনজিওগ্রাম_কী?
এনজিওগ্রাম (Angiogram) হল হৃদপিণ্ডের ধমনীসহ শরীরের বিভিন্ন রক্তনালীর অবস্থা দেখার জন্য একটি বিশেষ পরীক্ষা। এতে আয়োডিনযুক্ত কন্ট্রাস্ট ডাই রক্তনালীতে প্রবেশ করিয়ে এক্স-রে বা ফ্লুরোস্কোপির মাধ্যমে রক্তনালীর ভেতরে রক্তপ্রবাহ, ব্লক, সংকোচন বা অন্যান্য সমস্যা দেখা হয়। হৃদযন্ত্রে ব্যবহৃত এনজিওগ্রামকে সাধারণভাবে করোনারি এনজিওগ্রাম বলা হয়। এটি হার্ট অ্যাটাক, বুকে ব্যথা, ব্লকেজ, বা বুকে অস্বস্তির কারণ নির্ণয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আধুনিক পদ্ধতি।

***কেন_এনজিওগ্রাম_করা_হয়?
এনজিওগ্রামের মাধ্যমে চিকিৎসক খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পারেন—
১.করোনারি ধমনীতে ব্লক আছে কি না?
২.ব্লকের মাত্রা কত শতাংশ
৩.কোন ধমনীগুলো সংকুচিত বা ক্ষতিগ্রস্ত
৪.ভবিষ্যৎ চিকিৎসা—স্টেন্ট, বাইপাস বা ওষুধ—কোনটি প্রয়োজন তা নির্ধারণ

এই পরীক্ষা দ্রুত, নির্ভুল ও জীবনরক্ষাকারী সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

***এনজিওগ্রাম_কিভাবে_করা_হয়? (ধাপে ধাপে)
ক.প্রাথমিক প্রস্তুতি:
রোগীকে সাধারণত খালি পেটে আনা হয়। কিডনি ফাংশন ও কিছু রক্ত পরীক্ষা আগে করে নেওয়া হয়। ইনফর্মড কনসেন্ট নেওয়া হয়।

খ.ক্যাথল্যাবে নেওয়া:
রোগীকে কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাবে নেওয়া হয়। মনিটরে হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ ও অক্সিজেন স্যাচুরেশন লাগানো থাকে।

গ.লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া:
সাধারণত হাতের কবজি (radial artery) অথবা কুঁচকির (femoral artery) ধমনীতে ছোট একটি জায়গায় স্থানীয় অবশ (local anesthesia) দেওয়া হয়।

ঘ.ক্যাথেটার ঢোকানো:
ধমনীতে একটি ছোট শিথ (Sheath) ঢোকানো হয়, এরপর তার ভেতর দিয়ে একটি সরু নরম টিউব (Catheter) হৃদয়ের কাছে করোনারি ধমনীর মুখ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়।

ঙ.কন্ট্রাস্ট ডাই দেওয়া:
ক্যাথেটারের মাধ্যমে বিশেষ কন্ট্রাস্ট ডাই ঢোকানো হয়, যা এক্স-রে তে স্পষ্ট দেখা যায়। তখনই মনিটরে রিয়েল-টাইম ভিডিওতে রক্তনালীর ভেতরে রক্তপ্রবাহ দেখা যায়।

চ.ব্লক বা অস্বাভাবিকতা দেখা:
কোন ধমনীতে কত শতাংশ ব্লক, কোথায় সংকোচন আছে—সব বিস্তারিত বোঝা যায়।

ছ.পরীক্ষা শেষ:
ক্যাথেটার ও শিথ বের করে দেওয়া হয়। রেডিয়াল রুট হলে বিশেষ ব্যান্ড দিয়ে প্রেসার দেওয়া হয়; ফেমোরাল রুট হলে কয়েক ঘণ্টা শুয়ে থাকতে হয়।

***এনজিওগ্রাম_করতে_কত_সময়_লাগে?
সাধারণত 10–20 মিনিট। জটিলতা থাকলে সময় একটু বেশি লাগতে পারে।

***এনজিওগ্রামের_পর_কি_কি_সতর্কতা_প্রয়োজন?
ক.হাতের ব্যান্ড ঢিলা না করা
খ.ভারী কাজ বা ভারী ওজন না তোলা (২৪–৪৮ ঘণ্টা)
গ.প্রচুর পানি পান করা, যাতে কন্ট্রাস্ট দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যায়
ঘ.ইনজেকশন/কথা বলার জায়গায় ব্যথা, ফোলাভাব বা রক্তপাত হলে দ্রুত ডাক্তারকে জানানো

***এনজিওগ্রাম_কতটা_নিরাপদ?
বর্তমানে করোনারি এনজিওগ্রাম অত্যন্ত নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর পদ্ধতি। ঝুঁকি খুবই কম (প্রায় ১% এরও কম)। অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট ও উন্নত ক্যাথল্যাবে ঝুঁকি আরও কমে যায়।
লেখক
***ডা_অর্ণব_কুমার_চৌধুরী
ক্লিনিক্যাল এন্ড ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

09/01/2026

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

03/01/2026
31/12/2025

প্রশিক্ষণ নিন, বদলে যাবে দিন......
শুক্রবার সকাল ১০:৩০ মিনিট এ একটি যাচাই ক্লাস করে ভর্তির সুবর্ণ সুযোগ।
"সঠিক চিকিৎসা- সঠিক জ্ঞান- উজ্জ্বল হবে চিকিৎসা বিজ্ঞান।
প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক বিভিন্ন কোর্স এ ভর্তি চলছে " বাংলাদেশ মেডিকেল হেলথ কেয়ার ইনস্টিটিউট দাউদকান্দি গৌরীপুর আমাদের রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী সহ মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।

আমাদের কোর্সসমূহ:
১) কেয়ার গিভিং (পল্লী চিকিৎসক)
২) LMAF পল্লী চিকিৎসক ৬ মাস ও ১ বছর মেয়াদী,
৩)DMS/DMA : ৬ মাস এবং ১ বছর মেয়াদী
৪) ফিজিওথেরাপি টেকনিশিয়ান ৬মাস ও ১বছর মেয়াদী
০৫) ফার্মাসি ৬ মাস/১ বছর মেয়াদী।
৬) MCH ৩ মাস মেয়াদী
৭) প্যারামেডিকেল ১/২ বছর মেয়াদী

বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্স করুন অথবা
যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে, whatsapp সহ
01912-074798
//01838-657730
বর্তমান সেশনে ভর্তি এবং রেজিস্ট্রেশন চলছে।
♦ প্রতিষ্ঠান এর বৈশিষ্ট্য :

# চাকরিজীবীদের জন্য শুক্রবার ডাবল ক্লাসের ব্যাবস্থা |
# কোর্স শেষে সরকার অনুমোদিত সার্টিফিকেট প্রদান।
# বিষয় ভিত্তিক লেকচার সীট প্রদান করা ।
# অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত।

🔹 কোর্স করে আপনার লাভ :
১। পল্লী চিকিৎসক হিসেবে চেম্বার করতে পারবেন।
২। ফার্মেসী দিয়ে ঔষধের ব্যাবসা করতে পারবেন।
৩। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও এনজিওতে নার্স / স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কাজ করতে পারবেন
৪। প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট সম্পর্কে জানা।
৫। একজন সফল ফার্মেসি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
৬। প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা।
৭। এনাটমি , ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, মেডিসিন, মা ও শিশু এবং সার্জারি সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহন করা।
৮। ড্রেসিং ও ব্যান্ডেজ সম্পর্কে জানা।
৯। শিশুদের টিকা সম্পর্কে জানা।
১০। বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জানা,
১১) কেনোলা এবং ইনজেকশন দেওয়া,
১২। বেকার, গৃহিণী, কিন্ডারগার্ডেন এর শিক্ষক, শিক্ষিকা,স্কুলের শিক্ষক, মাদ্রাসার শিক্ষক চাকুরীজীবী ,ব্যাবসায়ী,বিদেশ ফেরত, স্কুল কলেজের ছাএ/ছাএীরাও এই কোর্স টা করতে পারবেন।

♦ ভর্তির নূন্যতম যোগ্যতা: বিশেষ ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ অথবা যে কোন বিভাগে SSC / দাখিল /সমমান পাশ।
🕹️ বাংলাদেশ মেডিকেল হেলথ কেয়ার ইনস্টিটিউট
কুমিল্লা অফিস : গৌরিপুর বাস স্ট্যান্ড, ভিপি জাহাঙ্গীর সাহেবের বাড়ি, গ্রামীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে,। গৌরীপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
🎙️মোবাইল 01912074798 এবং 01838657730

কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজেই তৈরি করি।

আপনার পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) থাকার লক্ষণ # # # পিসিওএস কী? → পিসিওএস হল একটি সাধারণ হরমোনজনিত রোগ যা প্রজনন...
31/12/2025

আপনার পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) থাকার লক্ষণ

# # # পিসিওএস কী?

→ পিসিওএস হল একটি সাধারণ হরমোনজনিত রোগ যা প্রজনন বয়সের মহিলাদের প্রভাবিত করে
→ হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে এটি ঘটে, বিশেষ করে পুরুষ-ধরণের হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) বৃদ্ধির কারণে
→ এটি পিরিয়ড, ত্বক, চুল, ওজন এবং উর্বরতা প্রভাবিত করতে পারে
→ পিসিওএস আক্রান্ত সকল মহিলার চেহারা একই রকম হয় না, তাই লক্ষণগুলি ভিন্ন হতে পারে

# # অনিয়মিত বা মিসড পিরিয়ড
→ পিসিওএসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে একটি
→ পিরিয়ড খুব দেরিতে আসতে পারে, কয়েক মাস ধরে এড়িয়ে যেতে পারে, অথবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে
→ কিছু মহিলার বছরে মাত্র ২-৪ বার পিরিয়ড হয়
→ এটি ঘটে কারণ ডিম্বস্ফোটন নিয়মিত হয় না

# # অতিরিক্ত মুখ বা শরীরের লোম (হার্সুটিজম)
→ পুরুষ-প্যাটার্নের অংশে যেমন উপরের ঠোঁট, চিবুক, চোয়াল, বুক, পেট বা উরুতে চুলের বৃদ্ধি
→ অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) মাত্রা বৃদ্ধির কারণে
→ চুল ঘন, মোটা এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কালো হতে পারে

# # ব্রণ এবং তৈলাক্ত ত্বক
→ কিশোর বয়সের পরেও অবিরাম ব্রণ
→ ব্রণ সাধারণত মুখ, চোয়াল, বুক এবং উপরের পিঠে দেখা যায়
→ ত্বক তৈলাক্ত হয়ে ওঠে এবং ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে
→ হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে ত্বকের গ্রন্থিতে তেল উৎপাদন বৃদ্ধি পায়

# # মাথার ত্বক থেকে চুল পাতলা হওয়া বা চুল পড়া
→ মাথার ত্বকের সামনের বা উপরের অংশ থেকে চুল পড়ে যাওয়া
→ সময়ের সাথে সাথে চুল পাতলা এবং কম ঘন হয়ে যায়
→ প্যাটার্ন পুরুষদের মতো চুল পাতলা হওয়ার মতো দেখা যায়
→ অ্যান্ড্রোজেনের প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির কারণে

# # ওজন বৃদ্ধি বা ওজন কমাতে অসুবিধা
→ হঠাৎ বা ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধি, বিশেষ করে পেটের চারপাশে
→ ডায়েট এবং ব্যায়াম সত্ত্বেও ওজন কমাতে অসুবিধা
→ প্রায়শই ইনসুলিন প্রতিরোধের সাথে যুক্ত
→ কেন্দ্রীয় স্থূলতা হরমোনের ভারসাম্যহীনতাকে আরও খারাপ করে

# # ত্বকে কালো দাগ (অ্যাক্যানথোসিস নিগ্রিকানস)
→ ঘাড়, বগল, কুঁচকি বা স্তনের নীচে কালো, ঘন ত্বক দেখা যায়
→ ত্বক মখমল দেখাতে পারে
→ ইনসুলিন প্রতিরোধের ইঙ্গিত দেয়
→ ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকির একটি শক্তিশালী সতর্কতা চিহ্ন

# # ডিম্বাশয়ে একাধিক ছোট সিস্ট (আল্ট্রাসাউন্ডে)
→ ডিম্বাশয় একাধিক ছোট ফলিকলের সাথে বড় দেখা যেতে পারে
→ প্রায়শই "মুক্তার স্ট্রিং" চেহারা হিসাবে বর্ণনা করা হয়
→ এগুলি অপরিণত ফলিকল, সত্য নয় সিস্ট
→ শুধুমাত্র আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা PCOS নিশ্চিত করে না

# # গর্ভধারণে অসুবিধা
→ অনিয়মিত বা অনুপস্থিত ডিম্বস্ফোটন গর্ভধারণকে কঠিন করে তোলে
→ PCOS আক্রান্ত অনেক মহিলার মাঝে মাঝে ডিম্বস্ফোটন হয়
→ সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে, গর্ভাবস্থা সম্ভব

# # মেজাজের পরিবর্তন এবং শক্তির অভাব
→ বর্ধিত চাপ, উদ্বেগ, বা মেজাজ খারাপ
→ ক্লান্তি এবং প্রেরণার অভাব
→ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা ভূমিকা পালন করে

# # অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি
→ প্রি-ডায়াবেটিস বা টাইপ 2 ডায়াবেটিস
→ উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা
→ উচ্চ রক্তচাপ
→ দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি

*** মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়***
→ PCOS আক্রান্ত সকল মহিলার সমস্ত লক্ষণ থাকে না
→ তীব্রতা ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হয়
→ প্রাথমিক রোগ নির্ণয় দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করে
→ জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং চিকিৎসা কার্যকরভাবে লক্ষণগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

29/12/2025

পল্লী চিকিৎসক কোর্স সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণাথী কে সনদ প্রদান করছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।

কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজে তৈরি করি। চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করি।♦ কোর্স সমুহঃ✓ L.M.A.F/Ca...
29/12/2025

কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজে তৈরি করি। চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করি।
♦ কোর্স সমুহঃ
✓ L.M.A.F/Caregiving (পল্লী চিকিৎসক)- ৬ মাস।
✓ MCH ( মা ও শিশু স্বাস্থ্য)- ১/৩ মাস।
✓ D.M.S (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল সায়েন্স )- ১ বছর।
✓ D.M.A (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল এসিস্টেন্ট )- ১ বছর।
✓ Paramedic- ১ বছর।
✓ Skin & VD (চর্ম ও যৌন) - ৩ মাস।
✓ Physiotherapy Technician - ৬ মাস/ ১ বছর।
🔰 কোর্স করে যা যা শিখতে পারবেনঃ
√ কমন রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা।
√ রোগের কারন, লক্ষণ ও টেষ্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা।
√ জ্বর মাপা।
√ ইনজেকশন পুশিং এবং ক্যানুলা লাগানো।
√ স্যালাইন পুশিং।
√ কাটা জায়গা সেলাই।
√ ব্যান্ডেজ।
√ ড্রেসিং।
√ ডায়বেটিস পরীক্ষা।
√ রক্তচাপ মাপা।
√ রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা।
√ ইনসুলিন দেয়া।
√ নেবুলাইজার দেয়া ।
√ পাল্স অক্সিমিটারের ব্যবহার।
√ বিভিন্ন টেস্টের রিপোর্ট বুঝা।
√ সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতির নাম ও ব্যবহার হাতে কলমে শিখানো হয়।
⏰ ক্লাসঃ প্রতি শুক্রবার ও শনিবার।
📌 ঠিকানাঃ
গৌরীপুর শাখাঃ গৌরীপুর বাস স্ট্যান্ড, নৈয়ার-মতলব রোড, ভিপি জাহাঙ্গীর সাহেবের বাড়ি, গ্রামীণ ডায়াগনস্টিকের সাথে, দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
☎️ মোবাইল নাম্বারঃ 01838-657730, 01817-544484
শ্যামপুর শাখাঃ বি.এম হেলথ কেয়ার ইনস্টিটিউট, পূর্ব শ্যামপুর, বটতলা, কদমতলী, ঢাকা-১২০৪।
☎️ মোবাইল নাম্বারঃ 01838-657730.

25/12/2025

স্ট্রোক কী?
স্ট্রোক হলো যখন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়, তখন সেই অংশে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায় না। কয়েক মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষ মারা যেতে শুরু করে। তাই স্ট্রোককে Brain Attack বলা হয় এবং এটি জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

⭐ স্ট্রোকের প্রধান দুই ধরনের
1️⃣ ইস্কেমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke) — প্রায় ৮০–৮৫%
এটি তখন ঘটে যখন রক্তনালী ব্লক হয়ে যায়। ব্লকের কারণ হলো:
রক্ত জমাট বাঁধা (clot)
চর্বি বা প্লাক জমে নালী সরু হওয়া
হৃদরোগ বা আর্টারিতে ব্লক

2️⃣ হেমোরেজিক স্ট্রোক (Hemorrhagic Stroke) — প্রায় ১৫–২০%
এটি ঘটে যখন মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ হয়। এর কারণ:
উচ্চ রক্তচাপ
দুর্বল রক্তনালী (aneurysm)
মাথায় আঘাত
রক্ত পাতলা করার ওষুধের অতিরিক্ত প্রভাব

⭐ মিনি স্ট্রোক (TIA)
TIA – Transient Ischemic Attack রক্তপ্রবাহ ক্ষণিকের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে সাময়িক লক্ষণ দেখা দেয়, যা কয়েক মিনিট থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেরে যায়।
TIA ভবিষ্যতে বড় স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়।

স্ট্রোকের লক্ষণ (FAST):
স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত বুঝতে নিম্নোক্ত নিয়ম মনে রাখুন:
✔ F – Face drooping
মুখের এক পাশ হঠাৎ বেঁকে যাওয়া

✔ A – Arm weakness
হাত/পা দুর্বল হয়ে এক পাশে কাজ না করা

✔ S – Speech difficulty
বাক্য জড়ানো বা কথা বলতে সমস্যা

T – Time to call emergency help:
এই লক্ষণ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিতে হবে
অন্যান্য লক্ষণ:
হঠাৎ মাথা ঘোরা
চলতে সমস্যা
হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা এক চোখে কম দেখা
তীব্র মাথাব্যথা
চেতনা হারানো

⭐ স্ট্রোকের কারণ (Risk Factors)
নিয়ন্ত্রণযোগ্য কারণ:
উচ্চ রক্তচাপ (সবচেয়ে বড় ঝুঁকি)
ডয়াবেটিস
উচ্চ কোলেস্টেরল
ধূমপান
স্থূলতা
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা
অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ
হৃদরোগ (Atrial fibrillation)
অ-নিয়ন্ত্রণযোগ্য কারণ:
বয়স (৫০+)
লিঙ্গ (পুরুষদের ঝুঁকি বেশি)
পারিবারিক ইতিহাস
আগেও স্ট্রোক হয়ে থাকলে

স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কে কী ঘটে?
রক্ত না পৌঁছানোর ফলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যায়
আক্রান্ত অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এমন কাজ (বলা, হাঁটা, দেখা, স্মৃতি) নষ্ট হয়
স্থায়ী প্যারালাইসিস হতে পারে
দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে

⭐ স্ট্রোকের চিকিৎসা
স্ট্রোকের ধরন নির্ভর করে চিকিৎসা:
✔ ইস্কেমিক স্ট্রোক
tPA ইনজেকশন (Clot-busting drug) — ৪.৫ ঘন্টার মধ্যে
Thrombectomy — ক্লট অপসারণের বিশেষ পদ্ধতি
রক্ত পাতলা করার ওষুধ

হেমোরেজিক স্ট্রোক:
রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ
রক্তচাপ কমানোর ওষুধ
প্রয়োজন হলে সার্জারি
ফোলা কমানোর চিকিৎসা

⭐ স্ট্রোকের পর জটিলতা
পক্ষাঘাত (প্যারালাইসিস)
কথা বলায় সমস্যা (Aphasia)
স্মৃতিভ্রংশ
দৃষ্টিশক্তি সমস্যা
খিঁচুনি
ডিপ্রেশন
হাঁটাচলায় সমস্যা

⭐ স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা
চিনি ও কোলেস্টেরল কমানো
ধূমপান ত্যাগ
নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম
স্বাস্থ্যকর খাবার
স্ট্রেস কমানো
নিয়মিত চেকআপ

স্ট্রোক: ৫০টি MCQ
1. স্ট্রোক কোন অঙ্গের রক্তসঞ্চালন বন্ধ হলে ঘটে?
A. হৃৎপিণ্ড
B. মস্তিষ্ক
C. ফুসফুস
D. যকৃত
উত্তর: B

2. সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কোন ধরনের স্ট্রোক?
A. হেমোরেজিক
B. ইস্কেমিক
C. TIA
D. মিশ্র
উত্তর: B

3. ইস্কেমিক স্ট্রোকের হার প্রায় কত শতাংশ?
A. ২০%
B. ৪০%
C. ৮৫%
D. ৫%
উত্তর: C

4. হেমোরেজিক স্ট্রোক ঘটে যখন—
A. রক্তনালী ব্লক হয়
B. রক্তনালী ফেটে যায়
C. রক্ত ঘন হয়ে যায়
D. প্লেটলেট কমে যায়
উত্তর: B

5. TIA-এর পূর্ণরূপ—
A. Transient Ischemic Attack
B. Total Ischemic Accident
C. Temporary Intracranial Attack
D. Transient Internal Artery
উত্তর: A

6. FAST-এ “F” মানে—
A. Finger movement
B. Face drooping
C. Fever
D. Fainting
উত্তর: B

7. FAST-এ “A” মানে—
A. Arm weakness
B. Arrhythmia
C. Anxiety
D. Aphasia
উত্তর: A

8. উচ্চ রক্তচাপ কোন স্ট্রোকের প্রধান কারণ?
A. ইস্কেমিক
B. হেমোরেজিক
C. TIA
D. উভয়ই
উত্তর: D

9. থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ tPA দিতে হয় কত ঘন্টার মধ্যে?
A. ১২ ঘন্টা
B. ৮ ঘন্টা
C. ৬ ঘন্টা
D. ৪.৫ ঘন্টা
উত্তর: D

10. স্ট্রোক হলে প্রথম করণীয়—
A. পানি খাওয়ানো
B. তেল মালিশ করা
C. জরুরি হাসপাতালে নেওয়া
D. ঘুমাতে দেওয়া
উত্তর: C

11. মস্তিষ্কের কোষ কত মিনিট রক্ত না পেলে মারা যায়?
A. ৫–১০ মিনিট
B. ১ ঘন্টা
C. ৩০ মিনিট
D. ২৪ ঘন্টা
উত্তর: A

12. নিচের কোনটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ঝুঁকি?
A. বয়স
B. জেনেটিক
C. ডায়াবেটিস
D. লিঙ্গ
উত্তর: C

13. স্ট্রোক রোগীর হঠাৎ কথা জড়ানোকে বলে—
A. Dysphagia
B. Aphasia
C. Apnea
D. Agnosia
উত্তর: B

14. স্ট্রোকের সবচেয়ে জরুরি পরীক্ষা—
A. ECG
B. CT স্ক্যান
C. X-ray
D. MRI Spine
উত্তর: B

15. ইস্কেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে কী হয়?
A. রক্তক্ষরণ
B. রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপ্রবাহ বন্ধ
C. টিউমার তৈরি
D. ইনফেকশন হয়
উত্তর: B

16. হেমোরেজিক স্ট্রোকে প্রথমে কোনটি নিয়ন্ত্রণ জরুরি?
A. চিনির মাত্রা
B. রক্তচাপ
C. ইউরিন আউটপুট
D. পালস
উত্তর: B

17. নিচের কোনটি স্ট্রোকের উপসর্গ নয়?
A. হাত-পা দুর্বল
B. কথা জড়ানো
C. চোখে ঝাপসা
D. অতিরিক্ত ক্ষুধা
উত্তর: D

18. ব্রেইনে রক্ত জমাট বাঁধাকে বলে—
A. Embolus
B. Thrombus
C. Aneurysm
D. Hematoma
উত্তর: B

19. মস্তিষ্কে রক্তনালী ফুলে দুর্বল হওয়াকে বলে—
A. Aneurysm
B. Embolism
C. Stroke
D. Ischemia
উত্তর: A

২0. বেশি লবণ খেলে কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ে?
A. ডায়াবেটিস
B. উচ্চ রক্তচাপ
C. ক্যানসার
D. ফুসফুস রোগ
উত্তর: B

21. স্ট্রোকে হঠাৎ ভারসাম্য হারানো হয়—
A. Cerebellar dysfunction
B. Hepatic failure
C. Renal failure
D. Gastric problem
উত্তর: A

22. স্ট্রোক হলে মুখ বেকে যাওয়া কোন দিক বেশি দেখা যায়?
A. বাম
B. ডান
C. উভয়
D. নির্দিষ্ট নয়
উত্তর: D

23. রক্ত পাতলা করার ওষুধ কোন স্ট্রোকে বেশি ব্যবহৃত হয়?
A. ইস্কেমিক
B. হেমোরেজিক
C. উভয়
D. শিশুর স্ট্রোক
উত্তর: A

24. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের প্রধান কারণ—
A. কম ব্লাড প্রেসার
B. উচ্চ ব্লাড প্রেসার
C. কম ক্যালসিয়াম
D. বেশি পানি
উত্তর: B

25. স্ট্রোক রোগীর খাবারের প্রথম পরীক্ষা—
A. ব্লাড গ্রুপ
B. সুইয়ালো টেস্ট
C. ECG
D. LFT
উত্তর: B

26. স্ট্রোক রোগীর কোন পাশে দুর্বলতা হলে বিপরীত পাশে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়?
A. বাম–ডান
B. ডান–বাম
C. উভয়ই
D. হয়নি
উত্তর: A & B (crossing effect)

27. TIA-এর উপসর্গ কত সময়ের মধ্যে সেরে যায়?
A. ১ মিনিট
B. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
C. ৩ দিন
D. ১ সপ্তাহ
উত্তর: B

28. শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ে—
A. বেশি পানি খেলে
B. ধূমপান করলে
C. ব্যায়াম করলে
D. ঘুমালে
উত্তর: B

29. স্ট্রোকের পরে সাধারণ কোন জটিলতা দেখা যায়?
A. প্যারালাইসিস
B. দাঁত ব্যথা
C. এলার্জি
D. ডেঙ্গু
উত্তর: A

30. কোন বয়সে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি?
A. ১০ বছর
B. ২০ বছর
C. ৪০–৫০ এর পর
D. ৫ বছর
উত্তর: C

31. স্ট্রোক প্রতিরোধে সেরা উপায়—
A. নিয়মিত ব্যায়াম
B. না খেয়ে থাকা
C. অতিরিক্ত লবণ
D. অতিরিক্ত ঘুম
উত্তর: A

32. মস্তিষ্কের কোন অংশে রক্তপ্রবাহ কমলে কথা বলায় সমস্যা হয়?
A. Cerebellum
B. Broca’s area
C. Occipital lobe
D. Parietal lobe
উত্তর: B

33. দেখায় সমস্যা হলে কোন লোব বেশি আক্রান্ত হয়?
A. Parietal
B. Frontal
C. Occipital
D. Temporal
উত্তর: C

34. ধূমপান কোন স্ট্রোক ঝুঁকি বাড়ায়?
A. রক্তঘন
B. রক্তচাপ
C. রক্তনালী ক্ষতি
D. সবগুলো
উত্তর: D

35. স্ট্রোকে “Aphasia” মানে—
A. দেখা কম
B. কথা না বলতে পারা
C. শ্বাসকষ্ট
D. গলা ব্যথা
উত্তর: B

36. ইস্কেমিক স্ট্রোকে রক্ত জমাট অপসারণ প্রক্রিয়া—
A. Chemotherapy
B. Thrombectomy
C. Dialysis
D. Endoscopy
উত্তর: B

37. স্ট্রোকে তীব্র মাথাব্যথা বেশি দেখা যায়—
A. ইস্কেমিক
B. হেমোরেজিক
C. TIA
D. উভয়
উত্তর: B

38. রক্ত পাতলা করার ওষুধ কোনটি?
A. Paracetamol
B. Aspirin
C. Omeprazole
D. Vitamin C
উত্তর: B

39. স্ট্রোকের CT স্ক্যানে প্রথমে দেখা যায়—
A. রক্তক্ষরণ
B. টিউমার
C. গ্যাস্ট্রিক
D. কিডনি সমস্যা
উত্তর: A

40. স্ট্রোক কোন ধরনের জরুরি অবস্থা?
A. নরমাল
B. তাড়াহুড়া নেই
C. ব্রেইন অ্যাটাক
D. ক্ষুধা সমস্যা
উত্তর: C

41. স্ট্রোকে শ্বাসকষ্ট হলে প্রথম কাজ—
A. পানি খাওয়ানো
B. শুইয়ে অক্সিজেন দেওয়া
C. হাঁটানো
D. খাবার দেওয়া
উত্তর: B

42. হেমোরেজিক স্ট্রোকের চিকিৎসায় কখনো দেওয়া হয়—
A. রক্তচাপ কমানোর ওষুধ
B. অ্যাসপিরিন
C. tPA
D. রক্ত পাতলা
উত্তর: A

43. ইস্কেমিক স্ট্রোক প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—
A. উচ্চ লবণ
B. স্ট্যাটিন ওষুধ
C. ধূমপান
D. অ্যালকোহল
উত্তর: B

44. নার্ভ সেলের অন্য নাম—
A. Neuron
B. Nephron
C. Alveoli
D. Axon
উত্তর: A

45. মস্তিষ্ককে ঘিরে রাখা ঝিল্লি—
A. Pleura
B. Meninges
C. Peritoneum
D. Myelin
উত্তর: B

46. উচ্চ কোলেস্টেরল বাড়ায়—
A. ব্লক
B. রক্তপাত
C. সংক্রমণ
D. হিমোগ্লোবিন
উত্তর: A

47. স্ট্রোকের পর স্বাভাবিক হাঁটা ফেরে—
A. সঙ্গে সঙ্গে
B. সপ্তাহ/মাস পরে
C. কখনো না
D. তাৎক্ষণিকভাবে
উত্তর: B

48. স্ট্রোক রোগীর খাবার দিতে হয়—
A. শুয়ে
B. বসিয়ে
C. দৌড়াতে দৌড়াতে
D. উল্টে
উত্তর: B

49. স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন—
A. পানি কম খাওয়া
B. নিয়মিত BP চেক
C. অতিরিক্ত চিনি
D. সারাদিন ঘুম
উত্তর: B

🫀আপনার শরীরের সবচেয়ে পরিশ্রমী পেশীর মূল বিষয়গুলি জানুন।আপনার হৃদপিণ্ড দিনে ১০০,০০০ বার স্পন্দিত হয়। এই পরিশ্রমী, মুষ্...
26/11/2025

🫀আপনার শরীরের সবচেয়ে পরিশ্রমী পেশীর মূল বিষয়গুলি জানুন।

আপনার হৃদপিণ্ড দিনে ১০০,০০০ বার স্পন্দিত হয়। এই পরিশ্রমী, মুষ্টির আকারের অঙ্গটি বছরে ৩৬৫ দিন আপনার সারা শরীরে রক্ত ​​পাম্প করে আপনাকে জীবিত রাখে।

এর মূলে চারটি প্রকোষ্ঠ রয়েছে: ডান অলিন্দ এবং ডান ভেন্ট্রিকল শরীর থেকে আসা ডিঅক্সিজেনবিহীন রক্ত ​​পরিচালনা করে এবং ফুসফুসে পাঠায়, যখন বাম অলিন্দ এবং বাম ভেন্ট্রিকল ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ​​গ্রহণ করে এবং আপনার শরীরের বাকি অংশকে পুষ্টি জোগাতে তা পাম্প করে।

প্রতিটি প্রকোষ্ঠ একটি একমুখী ভালভ দ্বারা সংযুক্ত - ট্রাইকাস্পিড, পালমোনারি, মাইট্রাল এবং অ্যাওর্টিক - যা পিছনে না গিয়ে সঠিক দিকে রক্ত ​​প্রবাহ নিশ্চিত করে। এই ভালভগুলি সুরক্ষা চেকপয়েন্টের মতো কাজ করে, হৃদপিণ্ডের জটিল সিস্টেমে শৃঙ্খলা বজায় রাখে।

পুরো প্রক্রিয়াটি একটি অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যেখানে সাইনোট্রিয়াল (SA) নোড প্রাকৃতিক পেসমেকার হিসেবে কাজ করে।

এটি অ্যাট্রিওভেন্ট্রিকুলার (AV) নোডে সংকেত পাঠায়, যা হৃদপিণ্ডের সংকোচনের ছন্দ সমন্বয় করে, যাতে রক্তকে দক্ষতার সাথে চেম্বারগুলির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা যায়।

মায়োকার্ডিয়াম নামক একটি পুরু পেশী দিয়ে তৈরি হৃদপিণ্ডের দেয়ালগুলি একটি ছন্দবদ্ধ চক্রে সংকুচিত হয় যা দিনে প্রায় 100,000 বার পুনরাবৃত্তি হয়। এই অংশগুলি - এবং কীভাবে তারা একসাথে কাজ করে - তা বোঝা আপনাকে আপনার হৃদরোগের স্বাস্থ্যের আরও ভাল যত্ন নিতে এবং হৃদরোগ সম্পর্কিত সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণগুলি সনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে।

 #  #যথাযথ ইনসুলিন নেওয়ার পদ্ধতি — সঠিকভাবে জানুন, সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন  # # #ইনসুলিন ঠিকভাবে না নিলে এর কার্যকারিতা ক...
25/11/2025

# #যথাযথ ইনসুলিন নেওয়ার পদ্ধতি — সঠিকভাবে জানুন, সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন # # #

ইনসুলিন ঠিকভাবে না নিলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দেয়।

১. ইনজেকশন নেওয়ার আগে প্রস্তুতি
• হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
• ইনসুলিন কলম (pen) বা সিরিঞ্জ মেয়াদোত্তীর্ণ কিনা দেখুন।
• যদি মিশ্র ইনসুলিন (40/70 বা 30/70) হয়, হালকা ঝাঁকিয়ে সাদা-দুধের মতো করে নিন।
• বেসাল ইনসুলিন (Lantus, Tresiba, Levemir ইত্যাদি) ঝাঁকানো যাবে না।

২. সঠিক ইনজেকশন সাইট

ইনসুলিন দেওয়ার প্রধান চার জায়গা:
1️⃣ পেট (abdomen) — সবচেয়ে দ্রুত শোষিত হয়।
2️⃣ উরু (thigh) — মাঝারি গতিতে শোষণ।
3️⃣ হাতের উপরের অংশ (upper arm)
4️⃣ পাছার অংশ (buttocks) — ধীরে শোষিত হয়।

বিশেষ টিপস:
• সবসময় নাভির চারপাশে ২ আঙুল দূরে ইনজেকশন দিন।
• একই জায়গায় বারবার দেবেন না — এতে চামড়া শক্ত/দানা দানা (lipohypertrophy) হয়ে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ করবে না।
• রোটেশন (ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে) সাইট ব্যবহার করুন।

৩. সঠিক সূঁচ ব্যবহার
• যাদের ওজন গড়পড়তা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 4 mm বা 5 mm পেন-নীডল যথেষ্ট।
• সূঁচ একবার ব্যবহার করুন, পুনঃব্যবহার করবেন না।
• পুনঃব্যবহারে ব্যথা, রক্তপাত ও ইনজেকশন সাইটে ক্ষতি বাড়ে।

৪. কীভাবে ইনসুলিন ইনজেকশন দেবেন
1. ইনজেকশনের জায়গা অ্যালকোহল দিয়ে পরিষ্কার করুন।
2. পেন ব্যবহার করলে:
• 1–2 ইউনিট air shot/priming দিয়ে নিশ্চিত করুন ইনসুলিন বের হচ্ছে।
3. 90 ডিগ্রি কোণে ইনজেকশন দিন (≤5 mm সূঁচ হলে চামড়া টানতে হবে না)।
4. ইনজেকশন দিয়ে 10 সেকেন্ড ধরে রাখুন—যাতে পুরো ইনসুলিন ঢুকে যায়।
5. সূঁচ তুলে হালকা চাপ দিন, ঘষবেন না।

৫. ইনসুলিন সংরক্ষণ পদ্ধতি
• নতুন ইনসুলিন ফ্রিজে (2–8°C) রাখতে হবে।
• ব্যবহৃত ইনসুলিন পেন রুম টেম্পারেচারে রাখা যায় (৪ সপ্তাহ পর্যন্ত)।
• ইনসুলিন রোদ/তাপ লাগলে নষ্ট হয়ে যায়।
• কখনো ফ্রিজে জমিয়ে ফেলবেন না।

৬. ইনসুলিন নেওয়ার সময় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
• একই জায়গায় বারবার ইনজেকশন দেওয়া ❌
• সূঁচ বারবার ব্যবহার করা ❌
• ভুল সময় ইনসুলিন নেওয়া (যেমন খাবারের ইনসুলিন খাবার শেষে) ❌
• পেটের খুব কাছাকাছি, দাগ বা গোঁটা থাকা স্থানে ইনসুলিন দেওয়া ❌
• ইনসুলিন কলম না প্রাইম করেই ইনজেকশন দেওয়া ❌

৭. কোন পরিস্থিতিতে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন
• ইনজেকশন সাইট লাল/ফোলা/দারুণ ব্যথা
• বারবার হাই বা লো সুগার
• ইনসুলিনের ডোজ ঠিক আছে কিন্তু সুগার নিয়ন্ত্রণে আসছে না
• খাবার কমিয়ে দিলে দ্রুত লো সুগার হওয়া
সচেতনতার জন্য শেয়ার করুন।

কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজে তৈরি করি। চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করি।♦ কোর্স সমুহঃ✓ L.M.A.F/Ca...
25/11/2025

কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করি, নিজের কর্মসংস্থান নিজে তৈরি করি। চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করি।
♦ কোর্স সমুহঃ
✓ L.M.A.F/Caregiving (পল্লী চিকিৎসক)- ৬ মাস।
✓ MCH ( মা ও শিশু স্বাস্থ্য)- ১/৩ মাস।
✓ D.M.S (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল সায়েন্স )- ১ বছর।
✓ D.M.A (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল এসিস্টেন্ট )- ১ বছর।
✓ Paramedic- ১ বছর।
✓ Skin & VD (চর্ম ও যৌন) - ৩ মাস।
✓ Physiotherapy Technician - ৬ মাস/ ১ বছর।
🔰 কোর্স করে যা যা শিখতে পারবেনঃ
√ কমন রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা।
√ রোগের কারন, লক্ষণ ও টেষ্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা।
√ জ্বর মাপা।
√ ইনজেকশন পুশিং এবং ক্যানুলা লাগানো।
√ স্যালাইন পুশিং।
√ কাটা জায়গা সেলাই।
√ ব্যান্ডেজ।
√ ড্রেসিং।
√ ডায়বেটিস পরীক্ষা।
√ রক্তচাপ মাপা।
√ রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা।
√ ইনসুলিন দেয়া।
√ নেবুলাইজার দেয়া ।
√ পাল্স অক্সিমিটারের ব্যবহার।
√ বিভিন্ন টেস্টের রিপোর্ট বুঝা।
√ সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতির নাম ও ব্যবহার হাতে কলমে শিখানো হয়।
⏰ ক্লাসঃ প্রতি শুক্রবার ও শনিবার।
📌 ঠিকানাঃ
গৌরীপুর শাখাঃ গৌরীপুর বাস স্ট্যান্ড, নৈয়ার-মতলব রোড, ভিপি জাহাঙ্গীর সাহেবের বাড়ি, গ্রামীণ ডায়াগনস্টিকের সাথে, দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
☎️ মোবাইল নাম্বারঃ 01838-657730, 01817-544484
সাচার শাখাঃ বিসমিল্লাহ মেডিকেল হল, সাঁচার-কচুয়া রোড, সাচার সেন্ট্রাল হাসপাতালের পাশে, চৌধুরী দিঘীরপাড়, সাচার, কচুয়া, চাঁদপুর।
☎️ মোবাইল নাম্বারঃ 01858-356018
শ্যামপুর শাখাঃ বি.এম হেলথ কেয়ার ইনস্টিটিউট, পূর্ব শ্যামপুর, বটতলা, কদমতলী, ঢাকা-১২০৪।
☎️ মোবাইল নাম্বারঃ 01838-657730

23/11/2025

🧠 Cranial vs Spinal Nerves —

আমাদের Nervous System মূলত দুই ধরনের peripheral nerve দ্বারা কাজ করে—
Cranial Nerves এবং Spinal Nerves।
দুটোই মস্তিষ্ক ও শরীরের মধ্যে সিগনাল বহন করে, তবে তাদের গঠন ও কাজ আলাদা।

---

🔹 Cranial Nerves (মোট ১২ জোড়া)

👉 এগুলো brain (বিশেষ করে brainstem) থেকে বের হয়।
👉 প্রধানত head, neck, face, vision, hearing, smell, taste নিয়ন্ত্রণ করে।

⭐ Key Features:

সংখ্যা: ১২ জোড়া

Origin: Brain / Brainstem

Function: Sensory, Motor বা Mixed

Special senses: Vision (CN II), Hearing (CN VIII), Smell (CN I), Taste

Example: Facial nerve, Optic nerve, Vagus nerve

---

🔹 Spinal Nerves (মোট ৩১ জোড়া)

👉 এগুলো spinal cord থেকে বের হয়।
👉 শরীরের trunk, arms, legs—এর sensation ও movement নিয়ন্ত্রণ করে।

⭐ Key Features:

সংখ্যা: ৩১ জোড়া

Cervical – 8

Thoracic – 12

Lumbar – 5

Sacral – 5

Coccygeal – 1

Origin: Spinal cord

Function: সবগুলোই mixed nerve (motor + sensory)

Example: Sciatic nerve, Radial nerve, Femoral nerve

---

🔍 Cranial vs Spinal Nerves — প্রধান পার্থক্য (Points)

Origin:

Cranial → Brain থেকে

Spinal → Spinal cord থেকে

Number:

Cranial → 12 pairs

Spinal → 31 pairs

Function:

Cranial → Special senses + head/neck functions

Spinal → Body movement + sensation (trunk, limbs)

Type:

Cranial → Sensory/Motor/Mixed – তিন ধরনের

Spinal → সবগুলোই Mixed nerve

Area supplied:

Cranial → Head, neck, special organs

Spinal → Body trunk, arms, legs

---

✔ সহজ মনে রাখার কৌশল:

“Cranial = মস্তিষ্কের কাছের nerve,
Spinal = শরীরের nerve.”

Address

Gouripur/Matlab Road
Cumilla
3517

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when B.M Health Care Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to B.M Health Care Institute:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Health For All

সেবা মানুষের পরম ধর্ম।