22/01/2023
আমলকি খাওয়ার উপকারিতাঃ
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়ঃ
নিয়মিত আমলকি খেলে আমাদের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। আমলকিতে থাকা নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেইসঙ্গে চোখ থেকে পানি পরা, চুলকানি এবং চোখ ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
ডায়াবেটিস দূর করতে সাহায্য করেঃ
নিয়মিত আমলকি খেলে ডায়াবেটিস দূর হয়। আমলকিতে ক্রোমিয়াম নামে একটি উপাদান থাকে, যা ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার সুযোগই পায় না।
গলার ব্যথা কমাতে সাহায্য করেঃ
প্রতিদিন এক গ্লাস আমলকির রসে পরিমাণমতো আদা এবং মধু মিশিয়ে খেলে গলার ব্যথা কমে যায়। এবং কফ এবং সর্দি-কাশির প্রকোপ কমাতেও সাহায্য করে। ঠান্ডা বা গরম পরিস্থিতিতে গলা ব্যথা শুরু হলে আমলকি খেলে কাজে লাগে।
ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেঃ
আমলকিতে রয়েছে খনিজ এবং উপাকারি ভিটামিন যা শরীরে প্রবেশ করে ত্বকের ভেতরে পানির ঘাটতি পূরণ করে থাকে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদাও মিটিয়ে থাকে। এর ফলে আস্তে আস্তে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেঃ
আমলিকতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে তোলে এবং একই সাথে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানও বের করে দেয়।
বয়সের চাপ কমাতে সাহায্য করেঃ
আমলকিতে থাকা একাধিক অ্যান্টি-এজিং প্রপার্টিজ শরীরের ওপর বয়সের চাপ পড়তেই দেয় না। ফলে বয়সের কাঁটা পাঁচের ঘর পেরোলেও আমলকির আঁচে শরীরে ভেঙে যায় না।
হজম শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
নিয়মিত যদি অনেক পরিমাণ আমলকি খেতে পারেন, তাহলে বদহজম নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না। কারণ এই ফলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার। এটি হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
শরীরে রোগের আক্রমণ কমায়ঃ
ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে এতটাই মজবুত করে দেয়, কোনো জীবাণুই শরীরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আবহাওয়া পরিবর্তন হলেও সর্দি-কাশির ভয়ও দূর হয়।
শরীরের বয়স কমেঃ
আমলকিতে রয়েছে একাধিক অ্যান্টি-এজিং যা শরীরের ওপর বয়সের চাপ পড়তেই দেয় না। এর ফলে বয়সে বাড়লেও আমলকির আঁচে শরীরে ভেঙে যায় না। তাই শরীরকে বয়সের সাথে সুস্থ রাখতে চাইলে প্রতিদিন আমলকি খেতে হবে।
ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য