Child Specialist Dr Fahmida Ferdous

Child Specialist Dr Fahmida Ferdous Personal blog by Dr Fahmida Ferdous
MBBS(DMC), MCPS, MD (Paediatrics)
Child specialist

Reye’s syndrome (Reyes syndrome)DefinitionReye’s syndrome is a rare but life-threatening acute encephalopathy with hepat...
18/12/2025

Reye’s syndrome (Reyes syndrome)

Definition
Reye’s syndrome is a rare but life-threatening acute encephalopathy with hepatic dysfunction, seen mostly in children, classically occurring after a viral illness (influenza, varicella) and associated with aspirin (salicylate) use.



Etiology / Risk factor
• Aspirin use in children with viral infection (strongest association)
• Viral illness: Influenza A/B, Varicella
• Mitochondrial dysfunction → impaired fatty acid oxidation



Pathophysiology
• Mitochondrial injury → ↓ β-oxidation of fatty acids
• → Microvesicular fatty infiltration of liver
• → Hyperammonemia, hypoglycemia
• → Cerebral edema → raised ICP → encephalopathy



Clinical features

Usually start 3–7 days after viral illness

Early
• Persistent, profuse vomiting
• Lethargy, irritability

Progressive
• Altered mental status
• Delirium, agitation
• Seizures
• Coma

Liver signs
• Hepatomegaly usually absent or mild
• No jaundice (important clue)



Investigations
• ↑ Serum ammonia (key)
• ↑ AST, ALT
• Prolonged PT / INR
• Hypoglycemia
• ↑ Lactate
• CSF: normal (helps exclude meningitis)
• Liver biopsy (rarely needed): microvesicular steatosis



Diagnosis

Clinical diagnosis based on:
• Acute encephalopathy
• Hepatic dysfunction
• History of viral illness ± aspirin use
• Exclusion of other causes (meningitis, metabolic disorders)



Management (Emergency)

No specific antidote – supportive care
• ICU admission
• Control raised ICP (head elevation, mannitol if needed)
• Maintain euglycemia (IV dextrose)
• Correct electrolytes & coagulopathy
• Manage seizures
• Avoid hepatotoxic drugs



Prognosis
• Mortality: 20–30%
• Survivors may have permanent neurological deficits
• Early diagnosis improves outcome



Prevention (Very important)

❌ Never give aspirin or salicylates to children
✔ Use paracetamol or ibuprofen instead

17/12/2025

মায়েদের খুব সাধারণ একটা অভিযোগ—শিশুরা খেতে চায় না। মনে রাখবেন, ছোট শিশুদের খেতে না চাওয়ার অন্যতম একটা কারণ কোষ্ঠকাঠিন্য। অনেক সময় শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য মায়েরা টের পান না। দেখা যায়, পায়খানা নরম হলেও অনেক সময় তা পুরোপুরি পরিষ্কারভাবে না হওয়ার কারণে শিশুদের পেট ফাঁপা থাকে। অরুচি দেখা দেয়।

প্রথমে জানতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে আসলে আমরা কী বুঝি। কোনো শিশু যদি সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ করে, মলত্যাগের সময় যদি পেট ব্যথা করে, শক্ত মলের সঙ্গে যদি রক্ত দেখা যায়, শিশুর প্যান্টের সঙ্গে যদি তরল মলের দাগ থাকে, তবে বুঝবেন তার কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে।

যেসব কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে
কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ ভুল জীবনযাপন। শিশুদের পর্যাপ্ত হাঁটাচলা বা খেলাধুলার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা।

দিনের অনেকটা সময় এখন টিভি বা মুঠোফোনে কাটায় শিশুরা। এই অচলতা কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করে।

প্রচুর পরিমাণে ফাস্ট ফুড, চিপস ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস।

শাকসবজি, ফলমূল এবং পানি কম খাওয়া।

স্কুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকা। এ কারণে অনেক সময় শিশুরা মল আটকে রাখে।

যেসব শিশু গরুর দুধ বেশি খায়, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

বংশানুক্রমিক কারণেও শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

শিশুদের নির্দিষ্ট কিছু রোগ, যেমন নিউরোলজিক্যাল ডিজিজ, Hypothyroidism, এনাল ফিশার, কার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজের কারণেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

সমাধান কী?

জন্মের পর পূর্ণ ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

মায়ের বুকের দুধ যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকে সে জন্য একজন দক্ষ পুষ্টিবিদের পরামর্শে মায়ের খাদ্যতালিকা ঠিক করে নেওয়া উচিত।
� ছয় মাস পর বুকের দুধের পাশাপাশি বাচ্চার পরিপূরক খাবারে পর্যাপ্ত সলিউবল ফাইবার (যে ফাইবার পানিতে দ্রবীভূত হয়) ও পানি যেন থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

� বাচ্চার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পানি আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন দানা শস্য, ফলমূল এবং শাক-সবজি তার খাদ্যতালিকায় যোগ করুন, যেমন সাগু, লাল বা বাদামি চালের ভাত, লাল চিঁড়া, ওটস, ছাতু, পেঁপে, লাউ, চালকুমড়া, চিচিঙ্গা, ঝিঙা, লালশাক, পালংশাক, কলা, খেজুর ইত্যাদি। ফাইবার মল বৃদ্ধি করে, মলত্যাগের উন্নতি করে। ফাইবার সমৃদ্ধ স্ন্যাকস যেমন টুকরো করা আপেল, নাশপাতি বা গাজরও এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ফাইবার সমৃদ্ধ স্মুদিও তৈরি করতে পারেন। কলা এবং স্ট্রবেরির মতো ফল দই এবং এক চা চামচ চিয়া সীডের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। পানীয়টি আপনার শিশু উপভোগ করবে এবং এটি তার মলত্যাগের উন্নতিও করবে। প্রতিদিন সকালে আপনার শিশুকে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করতে দিন। এছাড়াও তাকে সারারাত ভিজিয়ে রাখা ৪-৫টি কিশমিশ খেতে দিন।

� হাইড্রেটেড রাখুন

ডিহাইড্রেশন কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়িয়ে তুলতে পারে। আপনার শিশু সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন। হাইড্রেশন মল নরম করতে সাহায্য করে, মল ত্যাগ করা সহজ করে তোলে। পানি, তাজা ফলের রস, লেবুর শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদি তার হাইড্রেশনের মাত্রা সাহায্য করবে।

� * টয়লেটের রুটিন ঠিক করে দিন

আপনার সন্তানের জন্য একটি নিয়মিত টয়লেট রুটিন ঠিক করুন। তাদের প্রতিদিন একই সময়ে টয়লেট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করুন, বিশেষ করে খাবারের পরে, যখন শরীরের ন্যাচারাল রিফ্লেক্সেস সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। আপনার শিশুকে দিনে অন্তত দুবার ১০ মিনিটের জন্য টয়লেটে বসিয়ে দিন

স্কুলে পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে।

বাচ্চাদের অবশ্যই প্রতিদিন এক ঘণ্টা খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

কী কী খাবার বাদ দেব?

যেসব বাচ্চা এরই মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছে, তাদের জন্য রুটি ও শক্ত ভাত, পোলাও চালের ভাত, গরুর মাংস, ফর্মুলা মিল্ক বাদ দেওয়া জরুরি।

17/12/2025

I got over 5,500 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

০–৫ বছর বয়সী শিশুর খাবার নির্দেশনা (IYCF অনুযায়ী)বাচ্চাকে কি খাওয়াবেন, কিভাবে খাওয়াবেন সবার ই চিন্তা থাকে ।জেনে নিন ...
10/12/2025

০–৫ বছর বয়সী শিশুর খাবার নির্দেশনা (IYCF অনুযায়ী)
বাচ্চাকে কি খাওয়াবেন, কিভাবে খাওয়াবেন সবার ই চিন্তা থাকে ।জেনে নিন কিছু তথ্য ।
০–৬ মাস: শুধুই মায়ের দুধ
• শিশুকে জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ শুরু করতে হবে।
• ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ—পানি, মধু, ফর্মুলা, ফলের রস, সুজি, ভাতের মাড়—কিছুই নয়।
• দিনে ও রাতে প্রয়োজনমতো বারবার দুধ খাওয়াতে হবে (৮–১২ বার)।



৬–৮ মাস: ঘন খাবার + মায়ের দুধ

৬ মাস হল পরিপূরক খাবার শুরু করার সঠিক সময়।
• দিনে ২–৩ বার ঘন খাবার + ১–২ বার স্ন্যাকস
• খাবার হতে পারে:
• নরম খিচুড়ি
• ভাত-ডাল ম্যাশ
• সেদ্ধ ডিম (হাফ নয়, পুরো সিদ্ধ)
• আলু, কুমড়া, গাজর, কাঁঠাল বীচি ম্যাশ
• কলা ম্যাশ
• খাবার হতে হবে ঘন ও পুষ্টিকর, পানির মতো পাতলা নয়।



৯–১১ মাস: বৈচিত্র্য বাড়ান
• দিনে ৩–৪ বার প্রধান খাবার
• সাথে ১–২ বার পুষ্টিকর স্ন্যাকস
• ডিম, মাছ, ডাল, সবজি, ফল—সব ধীরে ধীরে পরিচয় করান।
• খাবার একটু চিবানো যায় এমনভাবে দিন।



১২–২৪ মাস (১–২ বছর): পরিবারের খাবার শিশুর খাবার
• এখন শিশু পরিবারের খাবার খেতে পারবে (কম মশলাদার, নরম)।
• দিনে ৩ বার খাবার + ২–৩ বার স্ন্যাকস
• প্রতিদিন ডিম/মাছ/মাংস ছোট পরিমাণ দিতে হবে।
• মায়ের দুধ ২ বছর বা তার বেশি দেওয়া যাবে।



২–৫ বছর: নিয়মিত ৫ বেলার খাবার
• দিনে ৩ বার প্রধান খাবার + ২ বার স্ন্যাকস
• প্রতিদিন ৪টি গ্রুপের খাবার দিতে হবে:
1. ভাত/রুটি/আলু
2. ডাল/মাছ/মাংস/ডিম
3. সবজি
4. ফল
• অতিরিক্ত চিনি, জুস, চিপস, চকোলেট, ফাস্টফুড যত কম সম্ভব।
• প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি।



গুরুত্বপূর্ণ টিপস (সব বয়সের জন্য)
• ঘন ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে, পাতলা নয়।
• খাবারের মাঝে পানি, খাবারের আগে নয় (খিদা কমে যায়)।
• খাবার দিতে সময় নরম স্বর, কোনো চাপ নয়।
• নতুন খাবার পরিচয় করালে ৩–৫ দিন অপেক্ষা করে দেখুন।
• ঠান্ডা, সর্দি-কাশি বা অসুখে ঘন ঘন খাবার দিন ও মায়ের দুধ বেশি দিন।

আমার এই পোস্ট টা দিয়েছিলাম ৩ দিন আগে ।page এ বেশি ঢোকা হয়না,৩ দিন পর আজকে ঢুকে দেখি ৫০০+ কমেন্ট এই পোস্ট এ, অনেক এই জা...
10/12/2025

আমার এই পোস্ট টা দিয়েছিলাম ৩ দিন আগে ।page এ বেশি ঢোকা হয়না,৩ দিন পর আজকে ঢুকে দেখি ৫০০+ কমেন্ট এই পোস্ট এ, অনেক এই জানতে চাচ্ছেন কি সমস্যা এই বাচ্চার ।

এই রুগীর কেনো ও কিভাবে সমস্যা হয়েছে:
৩ মাস বয়সী এই শিশুটির প্রধান খাদ্য হওয়া উচিত ছিল শুধুমাত্র মায়ের দুধ বা সঠিকভাবে প্রস্তুত করা ফর্মুলা দুধ। কিন্তু শিশুটিকে ফর্মুলার সাথে তালমিস্ত্রি/চিনির পানি ধরনের পাতলা খাদ্য মেশানো হয়েছে। এসব খাবারে ক্যালরি কিছুটা থাকতে পারে, কিন্তু প্রোটিন প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে শিশুটি পর্যাপ্ত শক্তি পেলেও প্রোটিনের মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। প্রোটিন না থাকলে দেহের অ্যালবুমিন কমে যায়, যার ফলে শরীরের ভেতরের তরল রক্তনালীর বাইরে জমতে থাকে এবং পা, মুখ ও পেটে ফোলাভাব (edema) দেখা দেয়। এটিই হলো কোয়াশিওরকর—প্রোটিন ঘাটতি জনিত গুরুতর পুষ্টিহীনতা।

এমন পুষ্টিহীনতায় শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, সহজেই সর্দি-কাশি ও সংক্রমণ হয়, যকৃত বড় হয়, ওজন বাড়ে না এবং শিশুটি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে।



আমাদের কীভাবে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে:
• ০–৬ মাসের শিশুদের একমাত্র খাবার হওয়া উচিত মায়ের দুধ। যদি বিশেষ কারণে ফর্মুলা দিতে হয়, তবে সেটি অবশ্যই শুধু পানি দিয়ে নির্দেশনা অনুযায়ী তৈরি করতে হবে।
• ফর্মুলা দুধের সাথে তালমিস্ত্রি, সুজি, ভাতের মাড়, গুঁড়া ভাত, গুঁড়ো ডাল ইত্যাদি কখনোই মেশানো যাবে না, কারণ এগুলো শিশুর জন্য পুষ্টিহীন এবং মারাত্মক ক্ষতিকর।
• শিশুকে কোনোভাবেই অতিরিক্ত পানিযুক্ত বা পাতলা খাবার দেওয়া যাবে না—এতে প্রোটিন কমে গিয়ে পুষ্টিহীনতা হয়।
• মাকে ও পরিবারের সদস্যদের সঠিক শিশুখাদ্য, পরিষ্কার পানি ব্যবহার, এবং ফর্মুলা প্রস্তুত করার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি।
• শিশুর ওজন, স্বাস্থ্য ও খাওয়ার অভ্যাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং সমস্যা মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আমার চেম্বার এ আজকে এই রুগী এসেছে । বাচ্চার বয়স ৩ মাস, ওজন বানিয়ে ফেলেছে ৯ কেজি । বুকের দুধ না দিয়ে ফর্মুলা দুধ আর তালমিস্ত্রী । ফলাফল সারা শরীর ফুলে গিয়েছে, পেয়ে পেটে পানি চলে এসেছে। আজকের এই ইন্টারনেট এর যুগেও এমন ভুল ভাবে খাওয়ানো, সত্যিই দুঃখজনক

আমার চেম্বার এ আজকে এই রুগী এসেছে । বাচ্চার বয়স ৩ মাস, ওজন বানিয়ে ফেলেছে ৯ কেজি । বুকের দুধ না দিয়ে ফর্মুলা দুধ আর তা...
07/12/2025

আমার চেম্বার এ আজকে এই রুগী এসেছে । বাচ্চার বয়স ৩ মাস, ওজন বানিয়ে ফেলেছে ৯ কেজি । বুকের দুধ না দিয়ে ফর্মুলা দুধ আর তালমিস্ত্রী । ফলাফল সারা শরীর ফুলে গিয়েছে, পেয়ে পেটে পানি চলে এসেছে। আজকের এই ইন্টারনেট এর যুগেও এমন ভুল ভাবে খাওয়ানো, সত্যিই দুঃখজনক

পড়াতে আমার সব সময় ই ভালো লাগে । শিশু হাসপাতাল এ থাকতে একটা টপিক পড়ে জুনিয়ারদেরকে জোর করে বসিয়ে পড়াতাম , আসলে পড়াল...
15/11/2025

পড়াতে আমার সব সময় ই ভালো লাগে । শিশু হাসপাতাল এ থাকতে একটা টপিক পড়ে জুনিয়ারদেরকে জোর করে বসিয়ে পড়াতাম , আসলে পড়ালে নিজেরও পড়া হতো ।এমডি পাশ এর পর ১ বছর একটু খারাপ ই লাগতো বই খাতা থেকে এতো দূরে আছি তাই । গত ছয়মাস ধরে পরীক্ষার্থীদের কিছু টপিক পড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছি । slide prepare করতে করতে অনেকক্ষণ স্ক্রীন এ তাকাতে হয় চোখ দিয়ে পানি পরে, তাই চশমা নিয়েছি তবুও আমার ভালো লাগে এই কষ্ট করতে ।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রুগী, প্রথম ছবিটার সময় platelet ছিলো ১৬ হাজার মাত্র, কোন platelet বা ব্লাড দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি...
05/11/2025

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রুগী, প্রথম ছবিটার সময় platelet ছিলো ১৬ হাজার মাত্র, কোন platelet বা ব্লাড দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি ।৩ দিন পর হয়েছে ১ লাখ, রুগী আমাকে ডেকে বলে আমাকে ছুটি দিয়ে দেন, দেখেন আমার পা ভালো হয়ে গেছে ।

28/10/2025
25/08/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Child Specialist Dr Fahmida Ferdous posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category