The Invincible 9/11 Blood Bank

The Invincible 9/11 Blood Bank Our objective is to serve mankind by donating blood to rescue patients and encouraging people to help each other without racial discrimination.

অবশেষে ২৭ মে,২০২০ তারিখে WHO (World Health Organization) থেকে অফিশিয়ালি বলেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা হিসাবে "প্লাজমা থেরাপ...
29/05/2020

অবশেষে ২৭ মে,২০২০ তারিখে WHO (World Health Organization) থেকে অফিশিয়ালি বলেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা হিসাবে "প্লাজমা থেরাপি" না দেয়ার জন্য। নিচে WHO এর অফিশিয়াল লিংক দেয়া আছে। PDF এ সব তথ্য বিস্তারিত লেখা আছে।

PDF এর ৩১ নম্বর পেইজে বিস্তারিত পাবেন।

অফিশিয়াল লিংক:
https://www.who.int/publications-detail/clinical-management-of-covid-19

নোট১: পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য (মানে টেস্ট করার জন্য) রোগীর অনুমতি নিয়ে প্লাজমা থেরাপি দেয়া যেতে পারে। এটা মুলত গবেষনার জন্য।

নোট ২: আমার এতদিন চুপ থাকার কারণ এটাই ছিল। আমি অপেক্ষা করছিলাম WHO থেকে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং হ্যা, WHO বলেছে, করোনা রোগীর চিকিৎসা হিসাবে প্লাজমা থেরাপি না দেয়ার জন্য।

নোট ৩: করোনা নতুন জিনিস আমাদের জন্য এবং রিসার্চও হচ্ছে প্রচুর। এই অবস্থায় ফ্রিকুয়েন্টলি সিদ্ধান্ত চেঞ্জ হওয়া খুব নরমাল ব্যাপার। তবে WHO থেকে রেগুলার যা আপডেট জানানো হবে, সেটাই অথেন্টিক হিসাবে ধরে নিতে হবে। এছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।

WHO এর পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা উচিত।

interim guidance

29/05/2020

#রক্তদান_সম্পর্কিত_কিছু_গুরুত্বপূর্ণ_তথ্য।
✰ #রক্তের_প্রয়োজন_যাদেরঃ-

১] দূঘর্টনাজনিত রক্তক্ষরণ - দূঘর্টনায় আহত রোগীর জন্য দূঘর্টনার ধরণ অনুযায়ী রক্তের প্রয়োজন হয়।

২] দগ্ধতা - আগুন পুড়া বা এসিডে ঝলসানো রোগীর জন্য পাজমা/রক্তরস প্রয়োজন। এজন্য ৩-৪ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।

৩] অ্যানিমিয়া - রক্তে R.B.C. এর পরিমাণ কমে গেলে রক্তে পযার্প্ত পরিমাণ হিমোগোবিনের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়। হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়াতে R.B.C. এর ভাঙ্গন ঘটে ফলে

৪] থ্যালাসেমিয়া - এক ধরনের হিমোগোবিনের অভাবজনিত বংশগত রোগ। রোগীকে প্রতিমাসে ১-২ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়।

৫] হৃদরোগ - ভয়াবহ Heart Surgery এবং Bypass Surgery এর জন্য ৬-১০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।

৬] হিমোফিলিয়া - এক ধরনের বংশগত রোগ। রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে বন্ধ হয় না, তাই রোগীকে রক্ত জমাট বাধার উপাদান সমৃদ্ধ Platelete দেয়া হয়।

৭] প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ - সাধারণত প্রয়োজন হয় না তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ১-২ বা ততোধিক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।

৮] ব্লাড ক্যান্সার- রক্তের উপাদানসূমহের অভাবে ক্যান্সার হয়। প্রয়োজন অনুসারে রক্ত দেয়া হয়।

৯] কিডনী ডায়ালাইসিস - ডায়ালাইসিস-এর সময় মাঝে মাঝে রক্তের প্রয়োজন হয়।

১০] রক্ত বমি - এ রোগে ১-২ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।

১১] ডেঙ্গু জ্বর - এ রোগে ৪ ব্যাগ রক্ত হতে ১ ব্যাগ Platelete পৃথক করে রোগীর শরীরে দেয়া হয়।

১২] অস্ত্রপচার - অস্ত্রপচারের ধরণ বুঝে রক্তের চাহিদা বিভিন্ন।


✰ #রক্তদানের_যোগ্যতাসমূহঃ-

সাধারনত একজন সুস্থ ব্যাক্তি চার মাস অন্তর অন্তর রক্তদান করতে পারেন। এবার দেখে নেয়া যাক রক্তদানের যোগ্যতাসমূহ-

১] বয়স – ১৮-৫৭ বছর।

২] ওজন - ১০০ পাউন্ড বা ৪৭ কেজির উর্ধ্বে।

৩] তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ( অনুচক্রিকা , রক্তরস ) ওজন ৫৫ কেজি বা তার উর্ধ্বে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে।

৪] রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৭৫% বা তার উর্ধ্বে থাকলে। সম্প্রতি ( ৬-মাস ) কোন দূঘর্টনা বা বড় ধরনের অপারেশন না হলে।

৫] রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।

৬] কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে।

৭] চার মাসের মধ্যে যিনি কোথাও রক্ত দেননি।

৮] মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।

৯] তাকে পরিপূর্ণ সুস্থ হতে হবে। জন্ডিস, ম্যালেরিয়া জাতীয় কোনো অসুখ না হয় এবং তিনি যদি রক্ত সংক্রান্ত কোনো অসুখে না ভোগেন তাহলেই রক্তদান করতে পারবেন।

১০] রক্তদাতার রক্তদানের সময় রক্তচাপ অবশ্যই স্বাভাবিক থাকতে হবে। এসব ঠিক থাকলেই কেবল একজন ব্যক্তি রক্তদান করতে পারে।


☆ #রক্তদান_ও_রক্ত_দানের_পরঃ-

রক্তদানের আগে প্রতিটি রক্তদাতাকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জিজ্ঞাসা করা হয়। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। রক্তদাতার শারীরিক তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ীর গতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্তদাতার রক্ত জীবানুমুক্ত কি না তা জানার জন্য সামান্য রক্ত নেয়া হয়। এছাড়া এই রক্তের মাধ্যমে রোগী রক্তদাতার রক্তের মধ্যে কোন জমাটবদ্ধতা সুষ্টি হয় কি না তাও পরীক্ষা করা হয় (ক্রসম্যাচিং)।

রক্ত পরীক্ষার পর কারও রক্তে এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস -সি, সিফিলিস বা অন্য কোন জীবানুর উপস্থিতি ধরা পরলে তাকে (রক্তদাতা) প্রয়োজেনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেয়া হয়।সূঁচের অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমে রক্তদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে সময় লাগে সবোর্চ্চ ১০ মিনিট। রক্তদানের পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে- যথেষ্ট বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা।রক্তদাতা প্রয়োজন মনে করলে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে।রক্তদানের সময় মাথা- শরীর সমান্তরাল থাকতে হবে। দূর হতে রক্ত দিতে এলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। রক্ত দান করার পরে অবশ্যই নুন্যতম ৫ মিনিট শুয়ে থাকতে হবে।

[রক্তের প্রবাহ সমগ্র শরীরে স্বাভাবিক হবার জন্য এটা অতীব জরুরী]। সাধারণত রক্তদান করার পর অতিরিক্ত দামী খাবার গ্রহনের প্রয়োজন নেই। তবে রক্তদানের পর সপ্তাহ খানেক স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য সময়ের দ্বি-গুণ পানি পান করতে হবে। কেননা একজন রক্তদাতা যেটুকু রক্ত দান করেন [সাধারণত ১ পাউন্ড] তার প্রায় ৬০ ভাগ ঐ সময়ের মধ্যে পূরণ হয়। শুধু লোহিত রক্ত কণিকা পূরণ হতে ১২০ দিন বা ৪ মাস সময় নেয়। রক্তদানের পর অবশ্যই তারিখ মনে রাখতে হবে।

বেশিরভাগ রক্ত দাতাই রক্তদানের পর কোন সমস্যা অনুভব করেন না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা তলপেটে ব্যাথা, দূবর্লতা, মাথা ঘোরা, সূঁচ প্রবেশের স্থানে ক্ষত লালচে দাগ এবং ব্যাথা অনুভব করতে পারেন। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা জ্ঞান হারাতে পারে বা মাংসপেশীতে খিচুনি ধরতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব সমস্যা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়, কোন ঔষধের প্রয়োজন হয়না।


✰ #রক্তদানের_সুবিধাঃ-

১] প্রতি ৪ মাস অন্তর রক্ত দিলে দেহে নতুন BLOOD CELL সৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

২] দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুন বেড়ে যায়।

৩] নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে হৃদপিন্ড বিশেজ্ঞরা মনে করেন।

৪] স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন আপনার শরীর রক্তবাহিত মারাত্মক রোগ যেমন-হেপাটাইটিস-বি, এইডস, সিফিলিস ইত্যাদির জীবাণু বহন করছে কিনা।

৫] স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানসিক প্রশান্তি আসে।

৬] রক্তদানের মাধ্যমে একটি জীবন বাঁচানো পৃথিবীর সবোর্চ্চ সেবার অর্ন্তভুক্ত।

৭] একজন ব্যক্তি রক্ত দান করলে একজন মানুষের জীবন বাঁচে। তাছাড়া রক্তদাতারও অনেক উপকার হয়।


✰ #ধর্মে_রক্তদানে_কোনো_বাধা_নেইঃ-

রক্তদানের ব্যাপারে ইসলামে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ নেই। তবে রক্ত বিক্রি বৈধ না হলেও বিনামূল্যে রক্ত না পেলে রোগীর জন্য রক্ত কেনা বৈধ। এক্ষেত্রে রক্ত বিক্রেতা গোনাহগার হবেন। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের কেউ তার আপন ভাইয়ের উপকার করতে সক্ষম হলে সে যেন তা করে’ (মুসলিম)। ‘একজন মানুষের জীবন রক্ষা করা সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করার মতো মহান কাজ’। (সূরা মায়েদা : ৩২)।


✰ #প্রয়োজন_শুধু_সচেতনতাঃ-

পৃথিবীতে অনেক মহৎ কাজ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম মহৎ কাজ হলো স্বেচ্ছায় রক্তদান। কারণ রক্ত কোনো ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন হয় না কেবল একজন মানুষের প্রয়োজনে আরেকজন মানুষ দিতে পারে। বাংলাদেশে বর্তমানে রক্তের চাহিদা রয়েছে প্রায় সাড়ে চার লাখ ব্যাগ, তার মধ্যে জোগান রয়েছে মাত্র তিন লাখ ব্যাগের মতো। আর প্রায় এক/দেড় লাখ ব্যাগের মতো রক্তের ঘাটতি রয়েছে। এটা পূরণ করতে প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। আমরা যদি একটু সচেতন হই তবেই এ অভাব সহজে পূরণ করা সম্ভব। কেননা কেউ রক্ত না দিলেও তা কিন্তু তার শরীরে জমা থাকছে না। একটি নিদিষ্ট সময় পর সেটি আপনা-আপনি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

অর্থাৎ প্রতি তিন মাস পরপর শরীরের রক্ত কণিকাগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং আবার নতুন রক্ত কণিকা সৃষ্টি হয়। তাই প্রতি ৪ মাস অন্তর ১ ব্যাগ রক্ত যে কেউ সহজেই দান করতে পারেন।রক্তের সীমাহীন চাহিদা পূরণের জন্য নিজে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্ত দান করা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ একটি কার্যকরী উদ্যোগ হতে পারে। তাছাড়া নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য এ বিষয়ে প্রচারপত্র প্রকাশ করা, উদ্বুদ্ধকরণ স্টিকার প্রকাশ, পাবলিক প্লেসে লিফলেট বিতরণ, বিভিন্ন সময় সেমিনার করার মতো সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, করপোরেট অফিস রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করতে পারে।

আমাদের দেশে রক্তের বিশাল চাহিদা রয়েছে। এখনও অনেক লোক মারা যাচ্ছে প্রয়োজনীয় রক্তের অভাবে। অথচ আমাদের একটু চেষ্টা থাকলে হয়তো বেঁচে যেত এসব লোকজন। দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বিভিন্ন ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থেকে রক্তদানে আগ্রহী নয়। অথচ একটু সচেতন হলেই বলা যায়, রক্তের অভাবে কোনো লোক মারা যাবে না। তবে রক্ত দিতে খুব একটা সাহসের প্রয়োজন হয় না, আবার রক্ত দান করা কোনো বীরপুরুষের কাজ নয়। বরং এটি একটি অত্যন্ত মহত্ কাজ। আমাদের এক ব্যাগ রক্ত হাসি ফোটাতে পারে একজন মায়ের, একজন বাবার, একজন স্ত্রীর, একজন সন্তানের। হয়তো আমাদের রক্তে বেঁচে যেতে পারে একটি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি। তাই আসুন একটু সচেতন হই, স্বেচ্ছায় রক্ত দান করি, ধরে রাখি একটি পরিবারের হাসি-আনন্দ। স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ নোবেল বিজয়ী মাদার তেরেসার কথা ‘১ ব্যাগ রক্ত শুধু ১ ব্যাগ রক্ত নয়, একটি জীবন’।

✰ #রক্তদান_নিয়ে_৫_টি_প্রশ্ন_ও_উত্তরঃ-

❒ #কেন_রক্তদান_করবেনঃ-

১। প্রথম এবং প্রধান কারণ, আপনার দানকৃত রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাবে। রক্তদানের জন্য এর থেকে বড় কারণ আর কি হতে পারে !

২] হয়তো একদিন আপনার নিজের প্রয়োজনে/বিপদে অন্য কেউ এগিয়ে আসবে।

৩] নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে হৃদপিন্ড বিশেজ্ঞরা মনে করেন।

৪] স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন আপনার শরীর রক্ত প্রবাহিত মারাত্মক রোগ যেমন-হেপাটাইটিস-বি, এইডস, সিফিলিস, জন্ডিস ইত্যাদির জীবাণু বহন করছে কিনা।

৫] দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়।

৬] নিজের মাঝে এক ধরনের আত্মতৃপ্তি উপলব্ধি করতে পারবেন। "আমাদের ছোট পরিসরের এই জীবনে কিছু একটা করলাম" এই অনুভুতি আপনার মনে জাগ্রত হবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত করছি।

❒ #কাদের_রক্তের_প্রয়োজন_হয়ঃ-

১] দূঘর্টনাজনিত রক্তক্ষরণ - দূঘর্টনায় আহত রোগীর জন্য দূঘর্টনার ধরণ অনুযায়ী রক্তের প্রয়োজন হয়।

২] দগ্ধতা - আগুন পুড়া বা এসিডে ঝলসানো রোগীর জন্য পাজমা/রক্তরস প্রয়োজন। এজন্য ৩-৪ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
৩। অ্যানিমিয়া - রক্তে R.B.C. এর পরিমাণ কমে গেলে রক্তে পযার্প্ত পরিমাণ হিমোগ্লোবিনের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়। হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়াতে R.B.C. এর ভাঙ্গন ঘটে ফলে রক্তের প্রয়োজন হয়।

৪] থ্যালাসেমিয়া - এক ধরনের হিমোগ্লোবিনের অভাবজনিত বংশগত রোগ। রোগীকে প্রতিমাসে/সপ্তাহে ১-২ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়।

৫] হৃদরোগ - ভয়াবহ Heart Surgery এবং Bypass Surgery এর জন্য প্রায়৬-১০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।

৬] হিমোফিলিয়া - এক ধরনের বংশগত রোগ। রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে বন্ধ হয় না, তাই রোগীকে রক্ত জমাট বাধার উপাদান সমৃদ্ধ Platelete দেয়া হয়।

৭] প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ - সাধারণত প্রয়োজন হয় না তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ১-২ বা ততোধিক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।

৮] ব্লাড ক্যান্সার- রক্তের উপাদানসূমহের অভাবে ক্যান্সার হয়। প্রয়োজন অনুসারে রক্ত দেয়া হয়।

৯] কিডনী ডায়ালাইসিস - ডায়ালাইসিস-এর সময় মাঝে মাঝে রক্তের প্রয়োজন হয়।

১০] রক্ত বমি - এ রোগে ১-২ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।

১১] ডেঙ্গু জ্বর - এ রোগে ৪ ব্যাগ রক্ত হতে ১ ব্যাগ Platelete পৃথক করে রোগীর শরীরে দেয়া হয়।

১২] অস্ত্রপচার - অস্ত্রপচারের ধরণ বুঝে রক্তের চাহিদা বিভিন্ন।

❒ #কারা_রক্ত_দিতে_পারবেন/ #রক্তদানের_যোগ্যতাঃ-

১] শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ নিরোগ ব্যক্তি রক্ত দিতে পারবেন।

২] রক্ত দাতার বয়স ১৭ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

৩] শারীরিক ওজন মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ ৪৫ কেজি এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪৭ কেজি, বা এর বেশি হতে হবে। উচ্চতা অনযায়ী ওজন ঠিক আছে কিনা অর্থ্যাৎ বডি মাস ইনডেক্স ঠিক আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

৪] রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ, ব্লাড প্রেসার এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে হবে।

৫] শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ এ্যাজমা, হাপানি যাদের আছে তারা রক্ত দিতে পারবেন না।

৬] মহিলাদের ক্ষেত্রে ৪ মাস অন্তর-অন্তর, পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩ মাস অন্তর অন্তর রক্ত-দান করা যায়।

৭] রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।

৮। মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।

৯] কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে। যেমন- এ্যান্টিবায়োটিক।

১০] তিন মাসের মধ্যে যিনি কোথাও রক্ত দেননি।

❒ #কিভাবে_রক্তদান_করতে_হয়ঃ-

রক্ত-দান করার জন্য ইচ্ছা শক্তি-ই যথেষ্ট। তবুও কিছু নিয়ম মানা উচিত।

১] আপনারা স্বেচ্ছায় রক্ত-দান করবেন, বিনিময়ে কোন টাকা নিবেননা। কারণ বিনিময়ে কোন টাকা চাওয়া হারাম।

২] রক্ত-দানের পূর্বে অবশ্যই রোগি দেখবেন এবং ডাক্তারের রিকোজিশান ফরম ছাড়া রক্ত-দান করবেন-না।

৩] রক্ত-দান করতে গেলে, কোন বন্ধুকে আপনার সাথে নিয়ে যাবেন। অর্থাৎ একা না যাবেন না।

৪] রক্তদানের উপযোগিতা যাচাই করার জন্য কতকগুলো পরীক্ষা করা জরুরি। যেমনঃ- হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, এইচআইভি (হিউমেন ইমিউনোডিফিসিয়েন্সি ভাইরাস) বা এইডস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। আপনি রক্ত-দান/রক্ত-গ্রহণের পূর্বে এই পরিক্ষাগুলোর রিপোর্ট অবশ্যই দেখবেন।

৫] রক্তদানের আগে প্রতিটি রক্তদাতাকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জিজ্ঞাসা করা হয়। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। রক্তদাতার শারীরিক তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ীর গতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্তদাতার রক্ত জীবানুমুক্ত কি না তা জানার জন্য সামান্য রক্ত নেয়া হয়। এছাড়া এই রক্তের মাধ্যমে রোগী রক্তদাতার রক্তের মধ্যে কোন জমাটবদ্ধতা সুষ্টি হয় কি না তাও পরীক্ষা করা হয় (ক্রসম্যাচিং)। এতে সময় লাগে প্রায় ৪০ মিনিট। রক্ত পরীক্ষার পর কারও রক্তে এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস -সি, সিফিলিস বা অন্য কোন জীবানুর উপস্থিতি ধরা পরলে তাকে (রক্তদাতা) প্রয়োজেনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেয়া হয়।সূঁচের অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমে রক্তদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে সময় লাগে সবোর্চ্চ ১০ মিনিট। সব মিলিয়ে ১ ঘন্টার মধ্যে রক্ত-দান করে আসতে পারবেন।

❒ #রক্তদানের_উপকারিতাঃ-

১] রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকা জন্ম হয়ে এই ঘাটতি পূরণ করে। আর বছরে ৩-৪ বার রক্তদানকারীর শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে দেয়।

২] রক্তদানের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখার স্পৃহা জন্মে।

৩] নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

৪] সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী জটিল বা দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে প্রায়ই মুক্ত থাকেন।

৫] নিয়মিত রক্তদানকারীর হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম ।

৬] মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান করে আপনি পাচ্ছেন মানসিক তৃপ্তি। কারণ, এত বড় দান যা আর কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

৭] রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’

োন_জীবন_রক্তের_অভাবে_ঝরে_পড়বে_না

আমাদের The Invincible 9/11 Blood Bank এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম।আমরা ব্লাড ম্যানেজ করে দেওয়ার চেস্টা করি, আর আমরা সবাই ...
29/05/2020

আমাদের The Invincible 9/11 Blood Bank এর পক্ষ হতে আপনাকে স্বাগতম।
আমরা ব্লাড ম্যানেজ করে দেওয়ার চেস্টা করি, আর আমরা সবাই যদি সবাইকে সহযোগীতা তাহলে আমাদের কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি। সকলের সহযোগীতা কাম্য।

যারা ব্লাড দিতে আগ্রহী তারা নিচের লিংকে গিয়ে দয়া করে পূরণ করে দিবেন।

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScPMtnZcMXmnph4d_os4erQ44UFJxGhoWc8NP_z3DMH1v5AUQ/viewform?usp=pp_url

আমাদের ব্লাড ডোনেশান গ্রুপে জয়েন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.facebook.com/groups/455674858377083/

যারা ব্লাডের জন্য রিকোয়েস্ট দিবেন। তারা দয়া করে নিচের ফর্ম পূরণ করে পোস্ট করবেন।

💠রোগীর নামঃ
💠রোগীর সমস্যঃ
💠রক্তের গ্রুপঃ
💠রক্তের পরিমাণঃ
💠 রক্তদানের তারিখঃ
💠রক্তদানের সময়ঃ
💠রক্তদানের স্থানঃ
💠হিমোগ্লোবিনঃ
💠রোগীর সাথে পোস্টদাতা'র সম্পর্কঃ
💠রেফারেন্সঃ
💠মোবাইল নাম্বারঃ

Our objective is to serve mankind by donating blood to rescue patients and encouraging people to help each other without racial discrimination.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Invincible 9/11 Blood Bank posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category