Homeodigest

Homeodigest It is basically an educational page for Homeopathic learners. The aims are to promote classical home
(2)

রোগীর “ঘরের ও বাইরের সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে” কী লক্ষ করতে হয়!কয়েকদিন আগে, অর্গাননে রোগীর কেইস-রেকর্ড করার সময় ও তাকে বোঝা...
13/02/2026

রোগীর “ঘরের ও বাইরের সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে” কী লক্ষ করতে হয়!
কয়েকদিন আগে, অর্গাননে রোগীর কেইস-রেকর্ড করার সময় ও তাকে বোঝার লক্ষ্যে হ্যানিমান মানুষের ঘরের ও বাইরের সম্পর্কগুলোর ব্যাপারে লক্ষ করতে বলেছেন – সেটা নিয়ে একটা জিজ্ঞাসামূলক পোস্ট করেছিলাম। আজকে ব্যাপারটাতে একটু এক্সপ্লোর করবো। তা করার আগে, সামান্য একটু গোড়ার দিকের আলোচনায় আলোকপাত করছি - সম্পর্ক বা Relationship ব্যাপারটা কী – তা সুস্পষ্টরূপে ডিফাইন করার লক্ষ্যে।

বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা আছে, যাকে বলে Systems thinking এবং তাদের একটি সিদ্ধান্ত হচ্ছে:

“Reality is not made of things, but of relationships.”

আলোচনার প্রেক্ষাপটে কথাটা ফিলোসফিক্যাল শোনালেও, এটা কিন্তু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ফল!

এ প্রসঙ্গে Beau Lotto (A visiting scholar at New York University. His research explores “How the brain adapts to uncertainty at the cellular, computational and perceptual levels with the aim of understanding the fundamental principles of biologically-inspired innovation.) বলেন:

“Relationships are a living system. The quality of their life reflects the quality of the interaction between those involved. How you interact is a choice.”

এবার ধান ভানতে আগে শীবের গীত গাওয়ার কারণটা বলে নিই। বিজ্ঞান যেরকমটি বলছে – রিলেশনশিপ যদি সত্যিই এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সেটা খোদ আমাদের সবচাইতে সাবলীল ও স্বাধীন অস্তিত্বের প্রশ্নের সাথে জড়িত। কাজেই, যে চিকিৎসককে মানুষের পরিমাপ ও মেরামত করতে হবে তাকে সম্পর্কগুলো ব্যক্তির জীবনে কী অর্থ বহন করে সেটার নূন্যতম Mental Clarity (বোধের স্বচ্ছতা) থাকতে হবে।

বিজ্ঞানের এই কথাগুলো সত্য কিনা সেটা বোঝার জন্য আমি মনে মনে একটা এক্সপেরিমেন্ট করেছিলাম। সেটা আমি বলছি, হয়তো আপনি এপ্লাই করলেও ব্যাপারটা ধরতে পারবেন।

তার আগের গুরুত্বপূর্ণ একটা দিকও বলে নিতে হবে। বর্তমান সময়ে “Relationship” শব্দটা বহুজনের কাছে কেবল একটা বিশেষ ধরনের সম্পর্ককে প্রকাশ করে, সমাজে যেটা প্রেম, ভালোবাসা বা এরকম আইডিয়াগুলোর সাথে জড়িত। কিন্তু বিজ্ঞান ও সার্বজনিন বাস্তবতায় শব্দটা এই ক্ষুদ্র ও সীমিত অর্থ বহন করে না। হ্যানিমান বা অন্য কোনো বিজ্ঞানীর কাছেই নয়।

এটা বুঝতে হলে, আপনাকে জানতে হবে যে, “সম্পর্ক” বলতে মূলত দুইটি পক্ষের একটা বিশেষ প্রকার পারস্পরিক সংযোগ বোঝায়, যা মূলত নির্ভর করে দু’পক্ষের Vibrational Synchronicity এর উপর। কোনো এক ব্যাক্তির ক্ষেত্রে তার সেই সম্পর্ক বা সংযোগ যে কোনো কিছুর সাথে হতে পারে। গাছ, পাথর, মাছ, মানুষ যে কেনো কিছু্। এবার, আপনি যদি মনে মনে আপনি যাদের সাথে সম্পর্কিত তাদের নিয়ে যদি কল্পনা করেন, আপনার নিজের সাথে যদি তাদের একটা সংযোগ-রেখা কল্পনা করেন – তাহলে সেটা একটা জালের মতো বুননে দেখতে পাবেন।

সম্পর্কের ব্যাপারে আরেকটা সিদ্ধান্ত হচ্ছে: আপনি সচেতন হলে, আপনার দিকের সম্পর্কের মাত্রা জানতে পারেন কিন্তু অপরপক্ষের মাত্রা সাধারণ নিয়মে ঠিক ঠিকভাবে জানা সম্ভব নয়। প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই আপনাকে অনুমানের উপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কাজেই ব্যাপারটা ঠিক সায়েন্টিফিক হবে না। এবার এক্সপেরিমেন্ট শুরু করুন:

মনে মনে কল্পনা করুন – আপনি কার কার ও কীসের সাথে সম্পর্কিত। আপনার অনুভূতির পক্ষ থেকে তাদের সাথে সম্পর্কের গুরুত্ব বা অনুভূতির তীব্রতা অনুসারে তাদের সাথে আলোকিত সংযোগ রেখা কল্পনা করুন। আপনার পক্ষের তীব্রতার মাত্রা যেখানে বেশি সেখানে আলোটাকে বেশি উজ্জ্বল রাখুন, যেখানে যত কম সেখানে আলোটা তত দুর্বল রাখুন। এটা আপনার সম্পর্কের একটা সাধারণ ম্যাপিং।

এবার একটু গভীরভাবে লক্ষ করে দেখুন – আপনি যখন যে কাজেই করছেন না কেন, এই কোনো একটা বিন্দুর সাথে সম্পর্কের সাপেক্ষেই করছেন। অর্থাৎ আপনার সেই কাজ কোনো একটা বিন্দুর সাথে সবটা সময়ই সংশ্লিষ্ট।

এবার আরেকবার আপনার সম্পর্কের পৃথিবীটাতে প্রবেশ করুন। একটা একটা করে আলো খুব সচেতন বোধ ও চিন্তা নিয়ে নিভিয়ে দিন। কিছুক্ষণের জন্য ভাবুন- তার বা সেটার সাথে এখন আর কোনো সম্পর্ক নেই। একটা একটা করে, ধীরে ধীরে, খুবই সুনিন্তিতভাবে সময় নিয়ে কাজটা করুন। শেষ বাতিটা নেভার আগেই হয়তো টের পাবেন –

আপনি পৃথিবীর সাথে ডিসকান্টেক্টেড, ডিপ্রেসড, ডিটাচড একজন ব্যক্তি; অন্ধকার ছাড়া চারপাশে আর কিছুই নেই। আপনার প্রণোদনা নেই, প্রয়োজন নেই, কোনো কিছু ইচ্ছে করার কোনো কারণ নেই, জীবনটা কিছু যান্ত্রিক কাজের সমষ্টি ছাড়া আর কিছু মনে হবার আর কারণ নেই। যাকে প্রকারান্তরে ব্যক্তির মৃত্যু ছাড়া আর কীভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে? হ্যা, জম্বি বলতে পারেন।

অন্তত উপরে বলা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলো সত্য হলে, এটাই হচ্ছে ঘটনা। আর এই বিশাল ঘটনাটা বলার কারণ হচ্ছে – চিকিৎসক যদি বুঝতে না পারেন যে, সম্পর্ক আদতে কী; তিনি রোগীর “ঘরের ও বাইরের সম্পর্কযুক্ত পরিবেশ”-কে কখনোই সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারবেন না। তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে: আমাদের বহুজন রোগীদের জীবন-ইতিহাসে সম্পর্কের কেবল ছকে বাঁধা কিছু দিকে দৃষ্টিপাত করেন, যেমন – দুঃখ, শোক, ব্যর্থ প্রেম ইত্যাদি। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ। বহু কারণেই গুরুত্বপূর্ণ, তন্মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে – এগুলো ইটিওলজি হতে পারে।

কিন্তু আপনি এখান থেকে যত তথ্যই সংগ্রহ করুন- তা অতীত সীমানার অন্তর্ভুক্ত। রোগীর বর্তমান সম্পর্কগুলো বা তার অবস্থার সঠিক পরিমাপ বহু সময়ই অবমূল্যায়িত থেকে যায়। সব রোগীতে তো আর ইটিওলজি থাকে না। আবার একটা বড় ঘটনা ঘটলেই যে সেগুলো ইটিওলজি হবে তার কোনোই নিশ্চয়তা নেই। বরঞ্চ আগেরগুলোর কোনোটা ইটিওলজি ছিলো কিনা, সেটা বুঝতে হলেও আপনাকে সামনে বসা রোগীর বর্তমানটিতে মনোযোগ দিতে হবে; তার স্বরূপ, প্রবণতা, প্রিডিসপোজিশনকে বুঝতে হবে। আর হেরিংয়ের ল’ অনুযায়ী, অস্তিত্বের যে কোনো স্তরে রোগীর বর্তমান প্যাথলজিক্যাল অবস্থাটিই প্রথমে বিবেচ্য।

তাহলে বর্তমানের এই সম্পর্কগুলোর মধ্যে কী দেখতে হবে? আমরা আগেই দেখেছি- অন্য পক্ষের অনুভূতির তীব্রতা ও সম্পর্কের মাত্রা কেবল অনুমানসুলভ হবার সম্ভাবনা। কাজেই, দেখতে হয়- রোগী তার সম্পর্কগুলোর ব্যাপারে কী অনুভূতি, কতটা অনুভূতি, কী রকম অনুভূতি পোষণ করে এবং সেটা ঘরে কেমন ও বাইরে কেমন? আর এগুলোর মাধ্যমে আদতে যা দেখতে হয় – তা হচ্ছে, ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য। রোগীর কথাগুলো তার কী বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করছে!

এখন কথা হচ্ছে, রোগী যা নিজের বা তার পারিপার্শ্বিক সম্পর্ক সম্বন্ধে যা বলছে তা সত্য হবে বা সত্য বলবে – এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। মিথ্যে বলছেন এমন অনুমানেরও প্রয়োজন নেই। তবে এটা ভুললে চলবে না, সবচাইতে সৎ ব্যক্তিটিও সে যা ভাবে – আদতে সেটাই বলবে, তা যে মাত্রার সুস্থই হোন কিংবা পাগল হোন। তা সত্য হতেও পারে, আবার নাও পারে। কাজেই, কী বলেছে সেটা দেখার চাইতে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে – কীভাবে বলছে? তার আচরণ, অভিব্যক্তি তার নিজের ব্যাপারে কতটা প্রায়োরিটি (Ego) ও তার কতটা চাহিদা (Desire, Expectation, Ambition) প্রকাশ করছে। দেখতে হবে, সম্পর্কের জায়গাগুলোতে সে কতটা সচেতন ও শুদ্ধ। সে তার সম্পর্কগুলোতে ব্যবসায়িক বা লেনদেন-গত সম্পর্ককে অতিক্রম করে কতটা ভালোবাসার সম্পর্ক সংরক্ষণ বা ধারণ করতে পেরেছে।

আরেকটা ব্যাপারে সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে। মানুষের সাথে মানুষ কানেক্টেড থাকবে, জীবন্ত ও শুদ্ধ সম্পর্ক থাকবে – এটাই হচ্ছে স্বাভাবিকতা। এগুলোকে লক্ষণ বিবেচনা করে আবার রেপার্টরি করতে বসবেন না। দেখতে হবে, এটা কী প্রাকৃতিক, সহজাত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আছে? নাকি এখানে কোনো প্যাথলজি বা দূষণ সৃষ্টি হয়েছে। তার সম্পর্কগুলো কী সত্যিই ভালোবাসার সম্পর্ক, নাকি স্রেফ কোনো একটা প্রয়োজনের অনুষঙ্গ। বহু প্রয়োজনে মানুষকে বহুজনের সাথে যোগাযোগ করতে হয় এবং যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়; সেগুলো সম্পর্ক নয়। এই সম্পর্কবিহীন যোগাযোগ কোনো অপরাধও নয়। বহু সম্পর্ক হয় কেবল আইন-ভিত্তিক এবং আইনের জোরেই সৃষ্টি হয়। সেটা সমস্যা নয়। কিন্তু সমস্যা সেখানেই ঘটে – যেখানে স্বাভাবিক বা সঠিক সম্পর্কের জায়গাটিতে উদাসীনতা বা বাড়াবাড়ির সঞ্চার হয় বা স্বাভাবিক অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়। সেটাই এখানে দূষণ, সম্পর্কের ক্ষেত্রে রোগীর কোনো না কোনো গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের দিকে কৃত ইঙ্গিত।

আপনি আরো লক্ষ করবেন- অতীতে রোগীর যত রকম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তালিকা আপনি করেছেন, তা আদতে রোগীর ঘরের ও বাইরের এই সম্পর্কগুলোতে প্যাথলজি তৈরি করেছে, বৃদ্ধি করেছে, রোগীর মন বা আবেগে আরো আনুষঙ্গিক বহু লক্ষণের সৃষ্টির কারণ হয়েছে। এভাবে যদি আপনি বিচার করতে পারেন- তাহলে আপনি রোগীর আবেগের জায়গাটিকে বুঝতে পারলেন। কারণ সমস্ত সম্পর্কই রোগীর আবেগের, প্যাশনের সাথে সম্পর্কিত।

সেই সাথে, আপনি এমন বহুজনকে দেখতে পাবেন – যাদের এই কানেকশন শুন্য। তার অতীত জীবনের ঐ সমস্ত ঘটনা-পরিক্রমা, বৈরি অভিজ্ঞতা, তিক্ত স্মৃতি, বিশ্বাসভঙ্গ – তার সেই সম্পর্ক বা কানেকশনগুলোর বাতি একটা একটা করে নিভিয়ে দিয়েছে। তার আবেগ ও অনুভূতি ক্রমান্বয়ে ধীরে ধীরে ভোঁতা বা মৃত হয়েছে। আবেগের এই অবস্থাটির একটা সুনির্দিষ্ট নামই হয়েছে “Emotional Death”; যে অবস্থাটির আধুনিক নামকরণ করেছেন- প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস। এটা একটা ভয়ানক প্যাথলজিক্যাল অবস্থা। বহু মানুষ এরকম বা এর কাছাকাছি নেতিবাচক আবেগজনিত স্বাস্থ্য বা অবস্থা মায়াজমেটিক প্রি-ডিজপোজিশন হিসাবে জন্মসূত্রেই লাভ করে বসে আছে। এদের দিয়ে সমাজে সর্বোচ্চ শ্রেণির অনিষ্ট হয়, যাদের মধ্যে বহু ক্যাটাগরির সাইকোপ্যাথ সৃষ্টি হয়।

যাই হোক, এই হচ্ছে সম্পর্কগুলো বিবেচনার ক্ষেত্রে আমার বক্তব্য। এর বিভিন্ন এক্সপেক্টস নিয়ে কমেন্টবক্সে আলোচনা চলতে পারে। কোনো ব্যাপার না বুঝতে পারলেও, জানাতে অনুরোধ রাখছি; ব্যস্ততার কারণে উত্তর দেরিতে দিতে হলেও, আলোচনা চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

ডা. শাহীন মাহমুদ
চিফ ট্রেইনার, হোমিওডাইজেস্ট
ফ্যাকাল্টি-প্রধান, হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি
বাংলাদেশ

DHMS Coaching এর উদ্বোধনী ক্লাসে বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ হোমিওপ্যাথিক কমিউনিটির জন্য একটি সম্ভাবনার দর...
10/02/2026

DHMS Coaching এর উদ্বোধনী ক্লাসে বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ভবিষ্যৎ হোমিওপ্যাথিক কমিউনিটির জন্য একটি সম্ভাবনার দরজা উন্মোচন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

10/02/2026

আজ রাত ৯টায় DHMS Coaching এর উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। ক্লাসে DHMS সকল বর্ষের শিক্ষার্থীগণ আমন্ত্রিত। যথা সময়ে কমেন্টে লিংক দেওয়া হবে।

09/02/2026

হ্যানিমান রোগীর Domestic & External Relationship চেক করা বলতে কী দেখার কথা বলেছেন?

06/02/2026
30/01/2026

ডাক্তারি পড়া এবং বাস্তবে ডাক্তারি করা এক নয়। যদিও এক হবার কথা ছিল- কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ত্রুটিযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। আর সে কারণেই ডাক্তারি পাশ করার পর প্রায় সকল শিক্ষার্থীই পড়েন চরম হতাসার মধ্যে। চোখে মুখে অন্ধকার দেখেন কোনো পথ খুঁজে পান না। তাদের এই দিশাহীন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যই আজকের লাইভটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। আশা করি যারা সত্যিকার অর্থেই ডাক্তারি করার জন্য পড়াশুনা করছেন আজকের লাইভটি তাদেরকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে সহযোগিতা করবে।

29/01/2026

একজন হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার্থীকে কী শিখতে হবে?
ডা. শাহীন মাহমুদ স্যারের বিশেষ লাইভ। অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শুক্রবার রাত ৯টায়

17/01/2026

DHMS সকল বর্ষের প্রায় ২০০০+ শিক্ষার্থী আমাদের কোচিং থেকে ফ্রি ক্লাস করেছেন। তারাসহ সকল পরীক্ষার্থীদের হোমিওডাইজেস্টের পক্ষ থেকেসফলতা কামনা করছি। পরীক্ষা শেষে আমরা আবার সকল বর্ষের নিয়মিত ক্লাস শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।

হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টির ডিসকাশন গ্রুপের দ্বিতীয় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অভাবনীয় সাড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে ভব...
15/01/2026

হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টির ডিসকাশন গ্রুপের দ্বিতীয় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অভাবনীয় সাড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিতে এক ঝাঁক উজ্জ্বল নক্ষত্রের আবির্ভাব হতে চলেছে।

সকাল সকালে আবার বিস্মিত হলাম!আপনাদের প্রতি গত চিঠিতে আমি বলেছিলাম – আমাদের বহুসংখ্যক কোয়ালিফাইড ব্যক্তি হতাশ হয়ে আছেন যথ...
13/01/2026

সকাল সকালে আবার বিস্মিত হলাম!

আপনাদের প্রতি গত চিঠিতে আমি বলেছিলাম – আমাদের বহুসংখ্যক কোয়ালিফাইড ব্যক্তি হতাশ হয়ে আছেন যথাযথ সুযোগ ও পরিবেশ না দেখতে পেয়ে। কথাটা বলেছিলাম আংশিক পর্যবেক্ষণ ও আংশিক অনুমান করে। কিন্তু আজ সকালে কথাটার সত্যতা এত জলজ্যান্তরূপে দেখতে পাচ্ছি যে, বিস্মিত না হয়ে পারছি না।

আমাদের রিসার্চ ট্রেইনিং প্রোগ্রামে যে বিপুল সংখ্যক ব্যক্তি আবেদন করেছেন, তাদের মধ্যে আমরা কাদেরকে দেখতে পাচ্ছি? আমি নিচে তাদের পদ বা ডিগ্রির একটা আংশিক নমুনা দিচ্ছি: BHMS, DHMS এবং এর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা ছাড়াও -
HSC, M.Sc. in Chemistry, BSc in Engineering, B.Com (Pass), M.A. in English, BSc in Health, MSc (1st Class), MPH, B.A. (Honors), MS, MSS, Diploma in Civil Engineering, Kamil Pass, MS Microbiology, M.Sc. (Botany), M.Phil., B.Ed, M.Ed, Doctor of Veterinary Medicine, M.Sc. (Physics), M.Sc. in Chemistry, Pharmacist in Allopathy, B.Sc. Hons, M.Sc. (Math) - Both 1st Class, BSc: Microbiology, BUMS Passed, DUMS 1st Stand, BBA, M.Sc. in Statistics (Jn.U), MBS Accounting, Fazil Pass, PhD, Marine Affairs, LHMP, MA in Applied Mathematics, M.Sc. Physiology, Masters of Arts, M.Phil. in Biotechnology, Master’s in Philosophy, PhD, (Distinction).

লেখার প্রসেসিংয়ে কারো কারো ডিগ্রি বাদ পড়তে পারে, তাছাড়া বেশ একটা সংখ্যা এখনো দেখা হয়নি। এজন্য বলেছি আংশিক প্রদর্শন। তবে ডিগ্রিটা এখানে বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে, এরা যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর জ্ঞান আংশিকভাবেও ধারণ করে থাকেন – তাহলেও কী বিপুল সংখ্যক জ্ঞান আমাদের দেশেই রয়েছে – যে মেধাকে কাজে লাগানো যায়! এমনকি যদি আমরা হোমিওপ্যাথিক প্রাসঙ্গিকতা থেকেও বিচার করি – এর কোন আঙ্গিক থেকে রিসার্চ করা না যায়? কোন বিষয়টা আমাদের হোমিওপ্যাথির কোনো না কোনো কনটেক্সটের সাথে জড়িত নয়? আপনি দর্শন দিয়ে হোমিওপ্যাথিকে বুঝতে চান এখানে দর্শনে মাস্টার্স আছেন, আপনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কোনো আঙ্গিককে ধর্মতাত্বিক মনস্তত্ব বা সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে গবেষণা করতে চান এখানে ফাজেল ও কামেল পাশ ব্যক্তিগণ আছেন। আপনি ভেটেরিনারি ট্রিটমেন্টে হোমিওপ্যাথির সক্ষমতা নিয়ে গবেষণা করতে চান এখানে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন আছেন, প্রকৃতি বিজ্ঞানের কোনো আঙ্গিক থেকে দেখতে চান তো ম্যাথমেটিশিয়ান, কেমিস্ট, ফিজিসিস্ট আছেন। আছেন এম ফিল, পিএইচডি ব্যক্তিবর্গ। যাকে বলে সর্বাঙ্গ সুন্দর! হোমিওপ্যাথিক দিক থেকেও যদি আমরা বিবেচনা করি, এই প্রতিটা জ্ঞান আমাদের প্রয়োজন এবং আমরা এতদিনেও ঠিক রসায়নটা ঘটাতে পারিনি।

আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি – উপরে উল্লেখকৃত বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষকগণ ছাড়াও আমাদের হোমিওপ্যাথিক কম্যুনিটির বহুসংখ্যক শিক্ষক যোগদান করতে দ্বিধা করেননি। যে শিক্ষকগণ নিজের অবস্থানের গুরুত্বকে গভীরভাবে অনুভব করেন – তিনি জানেন, তার কাজটিই হচ্ছে শিক্ষার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ – অতীতের সর্ব যুগে, সর্ব কালে। জাতি ঘুমিয়ে গেলেও শিক্ষকদের জাগ্রত থাকার কথা। তাদের এই বিপুল সাড়া আমাদেরকে অত্যন্ত উৎসাহিত ও আশাবাদী করে তুলেছে। যে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষকগণ আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন, আমার প্রত্যয় যে, আমাদের পরিবেশে তারা অনুভব করবেন – জ্ঞানের চর্চা কীভাবে আত্মপ্রত্যয় ও প্রকৃত বিকাশের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আবেদনকারীগণ তাদের জ্ঞানের গুরুত্ব ও তাদের মর্যাদা বুঝতে পারেন কিনা। দুর্নীতি, অসদুপায়ে ভরা পরিবেশে মানুষ তার নিজের মর্যাদাটাই ভুলে যায়- কারণ সেটা ভুলে যাওয়াই তখন থাকে চল বা ফ্যাসান। তখন ব্যক্তি তার জ্ঞানকে কেবল রোজগারের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলে; জ্ঞানগুলো সব ভোঁতা হয়ে যায়। অন্য মানুষের কল্যাণে, সমাজের কল্যাণে, জাতির কল্যাণের চিন্তা তখন আর মাথায় থাকে না। কাজেই, অন্তত ব্যক্তিতে সেই ভোঁতা জ্ঞানের বিকাশ তখন একেবারেই রূদ্ধ হয়। এজন্যই বলা হয়, বিদ্যাদানে বিদ্যা বাড়ে।

আমি অনুভব করি, আবেদনকারীগণ যদি তাদের জ্ঞানের গুরুত্ব অনুভব করে, তাকে বিকাশের ও অজানাকে জানার, সত্যের সন্ধান করার লক্ষ্যে, সত্যিকারের বিজ্ঞানী হিসাবে আবিষ্কারের লক্ষ্যে আবেদন করে থাকেন, আমাদের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তাদের জ্ঞান ও শক্তিকে কাজে লাগান; আগামীতে আমাদের জ্ঞানের ক্ষেত্রটিতে অভূতপূর্ব বিপ্লব আসতে যাচ্ছে!

আমরা এতটা ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ পেয়েছি যে, যদিও আমাদের ডেডলাইন বিগত ১০ তারিখে ছিলো। আমরা ১৪ তারিখ রাত বারোটা পর্যন্ত এক্সটেন্ডেড সময়ে আসা এপ্লিকেশনগুলোও গ্রহণ করবো। নয়তো তাদের অন্তত ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। ১৫ তারিখে আমাদের এডমিশন সেরেমনি হবার কথা। সবকিছু ফাইনাল হলে আবার সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে। আমি হোমিওপ্যাথিক কম্যুনিটির প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে বলতে চাই, ভালো কিছু করা ও হওয়ার চেষ্টায় আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন?!!!

এবং আবেদনকারীগণের প্রতি আমার বক্তব্য হচ্ছে, আমরা আপনাদের সম্মানের সাথে গ্রহণ করছি। সামনে আপনাদের সেই সম্মানকে প্রমাণ ও রক্ষা করার পালা।

ডা. শাহীন মাহমুদ
Orchid ID: 0009-0005-4295-7710
ফ্যাকাল্টি প্রধান: হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি, বাংলাদেশ
রিসার্চার: ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, গ্রিস
লেকচারার কাম ক্লিনিক্যাল ট্রেইনার, লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি কলেজ, মালয়েশিয়া
Email: dr.shaheen.mahmud@gmail.com
Cell: +8801734077111

Address

116, Central Basabo, Shabujbag
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeodigest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Homeodigest:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

প্রকৃত ধারার হোমিওপ্যাথি চর্চায় আমাদের অভিযাত্রা

বহু সময় ও সংগ্রামের পর আজ বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিতে একটি নতুন দিগন্ত সূচনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিগত সময়ের চাইতে একদিকে যেমন হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে জনমানুষের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা। এটি একই সাথে যেমন একটি উপভোগ্য পরিস্থিতি, তেমনি থাকে এক আশংকা ও দায়িত্ববোধের প্রশ্ন। কারণ সংখ্যাগত বৃদ্ধির সাথে গুণগত মানটি অনেকসময়ই ব্যস্তানুপাতিক।

বিগত কয়েক দশকে এদেশে বহু হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কিন্তু সংখ্যায় বাড়লেও গুণগত মানটি কিন্তু এখনো প্রশ্নবিদ্ধই রয়ে গেছে। এদের মধ্যে কতজন শিক্ষার্থী হ্যানিমানের মূল লেখাগুলো পড়েছে ও উপলব্ধি করতে পারছে? কলেজ থেকে বেরোনোর পর কতজন দাবী করতে পারবে যে তারা হ্যানিমান, বাউনিংহোসেন, ক্লার্ক, কেন্ট, বোগার, লিপ, হেরিং বা আমাদের প্রবীণ শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো পড়েছে? কলেজের শিক্ষাব্যবস্থায়ই বা এদের মূল লেখাগুলোকে কতটা অনুসরণ করা হয়? হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার্থীদের কতজন প্রকৃত ধারার চিকিৎসার ফলপ্রসূ ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং পায়? হ্যানিমানের মূলনীতিগুলোর ব্যাপারে কতটা দক্ষতা শিক্ষার্থীদের মাঝে অর্জিত হয়?

সময়ের প্রয়োজনে হোমিওপ্যাথিতে বহু নতুন চিন্তার আবির্ভাব ঘটেছে। এর মধ্যে সবই যে হোমিওপ্যাথির মূলনীতি দ্বারা সমর্থিত তা নয়- আবার সবকিছুকে এককথায় উপেক্ষা করাও বাস্তবউপযোগী নয়। কিন্তু মূলধারায় দক্ষতা লাভের আগেই একজন শিক্ষার্থী হুটহাট কোন একটা নতুন কনসেপ্ট বা আইডিয়ার পেছনে অনেক সময় ছুটতে শুরু করে। প্রথম জেনারেশনের হোমিওপ্যাথদের শিক্ষার ব্যাপারে কোন ধারণা লাভ না করেই, নিজেদের ভিত্তিকে হোমিওপ্যাথির প্রকৃত নিয়ম-নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না করেই, তারা এসব ধারণাগুলোতে প্রবিষ্ট হয় কিংবা এই ধারণাগুলো তাদের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়। এর ফলাফল কিন্তু অত্যন্ত নেতিবাচক হবার সম্ভাবনাই প্রবল।

মূলত আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রটিতে, একদিকে যেমন হোমিওপ্যাথির ক্লাসিক্যাল শিক্ষার ভিত্তিটি অপরিহার্য, অন্যদিকে সময়ের প্রয়োজনে হোমিওপ্যাথির সেই মূল নিয়ম-নীতি ও ভিত্তির উপর গড়ে উঠা আধুনিক অগ্রগতিকেও প্রত্যেকটি হোমিওপ্যাথের জানতে হবে। তার সাথে, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন যথাযথ ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ। শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা, তাকে একটি আদর্শ রূপদান করা এখন সময়ের দাবী।