Dr. Tazia Sardar

Dr. Tazia Sardar Dr. Tazia Sardar earned her Doctorate in Physical Therapy degree from Stony Brook University, NY, US

আজ মা দিবসে আমার ছেলেদের সুন্দর সুন্দর ছবি আর মেসেজগুলো দেখে ভাবছিলাম—মা হওয়া মানে কি কেবল সন্তানকে গর্ভে ধারণ করা, খাওয়...
10/05/2026

আজ মা দিবসে আমার ছেলেদের সুন্দর সুন্দর ছবি আর মেসেজগুলো দেখে ভাবছিলাম—মা হওয়া মানে কি কেবল সন্তানকে গর্ভে ধারণ করা, খাওয়ানো কিংবা ভালো স্কুলে পড়ানো? না, মাতৃত্ব এর চেয়েও অনেক গভীর কিছু।

আমার কাছে মা হওয়া মানে হলো সন্তানের চূড়ান্ত 'ভরসাস্থল' হওয়া। পৃথিবীর সবকিছু যখন পর মনে হয়, তখন মা-ই হলো সেই অদৃশ্য শক্তি, যা সন্তানকে প্রতিকূলতার মাঝে দাঁড়িয়ে লড়তে শেখায়। আমি চাই আমার ছেলেরা যেন শৈশব থেকেই শেখে—পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দয়া এবং মমতা।

আমার পাঁচটি ছেলের কাছে আজ আমার একটাই বড় চাওয়া—তোমরা বড় হয়ে যখন নিজেদের সংসার গড়বে, তখন যেন তোমাদের সন্তানদের মায়ের প্রতি ঠিক ততটাই দয়ালু ও শ্রদ্ধাশীল হও। তোমরা যেন তোমাদের বাবার কাছ থেকে শেখো কীভাবে একজন নারীকে যথাযথ সম্মান ও ভালোবাসা দিতে হয়। তোমরা বড় হয়ে কেবল সফল নও, বরং একজন যত্নশীল স্বামী এবং আদর্শ বাবা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলো—এটাই আমার স্বপ্ন।

তোমরাই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। তোমরা সবসময় মানুষের প্রতি দয়া আর মমতায় পূর্ণ থাকো এবং তোমাদের আচরণের মাধ্যমেই যেন আমাদের পারিবারিক শিক্ষা ফুটে ওঠে।

সবাইকে মা দিবসের অনেক অনেক ভালোবাসা।

#মা_দিবস #মাতৃত্বের_দর্শন #বাংলা_পোস্ট

আমরা অনেকেই মনে করি, জীবনে সফল হতে হলে শুধু হাড়ভাঙা খাটুনিই যথেষ্ট। আবার কেউ কেউ ভাবেন, সব যখন স্রষ্টার হাতে, তখন বসে ব...
27/04/2026

আমরা অনেকেই মনে করি, জীবনে সফল হতে হলে শুধু হাড়ভাঙা খাটুনিই যথেষ্ট। আবার কেউ কেউ ভাবেন, সব যখন স্রষ্টার হাতে, তখন বসে বসে শুধু প্রার্থনা করলেই চলবে।

কিন্তু জাপানিদের একটি বাস্তব ঘটনা আমাদের ভিন্ন কিছু শেখায়। ২০১১ সালের ভয়াবহ সুনামি ও ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপের মাঝে তারা সবার আগে কী গড়ে তুলেছিল জানেন? তাদের মন্দির ও সম্প্রদায় কেন্দ্র! তারা জানত, ঘরবাড়ি ঠিক করার আগে মানুষের অন্তর সারানো জরুরি। তারা কাজের সাথে যুক্ত করেছিল বিশ্বাসের শক্তি।

বাস্তবতা হলো : শুধু কাজ করলে আপনি ক্লান্ত হবেন। শুধু প্রার্থনা করলে আপনি স্থির হবেন। কিন্তু কাজ এবং প্রার্থনা একসাথে করলে আপনি এগিয়ে যাবেন।

রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, “আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, কিন্তু তোমার উটটাকেও বেঁধে রাখো ভালোভাবে।” — অর্থাৎ, নিজের করণীয়টুকু নিখুঁতভাবে করুন, এরপর ফলাফল স্রষ্টার ওপর ছেড়ে দিন (তাওয়াক্কুল)। এটাই সাফল্যের আসল চাবিকাঠি।

আজ থেকেই আমাদের করণীয় :

১. দিনের শুরু করুন প্রার্থনায় (১০ মিনিট) : মোবাইল হাতে নেওয়ার আগে স্রষ্টার কাছে সারাদিনের কাজের শক্তি ও সঠিক পথ নির্দেশ চান।

২. কাজের মাঝে মৌন প্রার্থনা : যখনই ক্লান্ত লাগবে, ১ মিনিট চোখ বন্ধ করে স্রষ্টাকে স্মরণ করুন। এটি মনের রিচার্জেবল ব্যাটারি!

৩. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : সফল হলে শুকরিয়া আদায় করুন, আর ব্যর্থ হলে ধৈর্য ধরে প্রার্থনা করুন — নিশ্চয়ই স্রষ্টা এর চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন।

মনে রাখবেন, আমাদের হাত দুটো দেওয়া হয়েছে কাজ করার জন্যে, আর হৃদয়টা দেওয়া হয়েছে প্রার্থনা করার জন্যে। আসুন, এই দুটোরই সর্বোচ্চ ব্যবহার করি। স্রষ্টা কখনো আমাদের পরিশ্রম এবং আন্তরিক আকুতি বৃথা যেতে দেন না।

#প্রার্থনা #পরিশ্রম #সাফল্য

জীবনে কখনো কি কোনো মৃতদেহকে গোসল করিয়েছেন? যদি সুযোগ পান, তবে একবার অন্তত করাবেন। খুব কাছ থেকে দেখবেন, মৃত্যুর পর মানুষে...
19/04/2026

জীবনে কখনো কি কোনো মৃতদেহকে গোসল করিয়েছেন? যদি সুযোগ পান, তবে একবার অন্তত করাবেন। খুব কাছ থেকে দেখবেন, মৃত্যুর পর মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়। যে মানুষটা একদিন দাপটের সাথে পৃথিবী কাঁপিয়েছে, সে আজ কতটা নির্জীব! সুযোগ পেলে রাতে একা কোনো লাশ পাহারা দিবেন; তখন বুঝতে পারবেন পরম প্রিয় মানুষটার লাশও রাতের নির্জনতায় আপনার কাছে কতটা অদ্ভুত আর আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

করোনার সেই বিভীষিকাময় সময়ে আমার সুযোগ হয়েছিল বেশ কয়েকজন মানুষকে দাফন-কাফন করানোর। প্রতিটি মৃতদেহের সাথে আমার অভিজ্ঞতা ছিল আলাদা, কিন্তু একটি স্মৃতি আমার কলিজায় দাগ কেটে আছে।

মাত্র ৪৫ বছরের এক সাধারণ পরিবারের ভদ্রমহিলা। গোসলের সময় যখন তার হাত দুটো ধরলাম, দেখলাম নখ আর আঙুলে লেগে আছে পাতিল ধোয়া আর রান্না করা কালির দাগ। হয়তো সকাল পর্যন্তও তিনি পরিবারের জন্য উনুন পাড়ে বসে ছিলেন। বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তার স্বামী আর দুই তরুণ ছেলে (বয়স আনুমানিক ১৮ থেকে ২২)।

গোসল শেষে যখন ছেলেদের শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার জন্য ডাকলাম, যা দেখলাম তা বিশ্বাস করা কঠিন। স্বামী ফোনে কথা বলছিলেন, এবং ফোনে থাকা অবস্থাতেই অত্যন্ত অবহেলা আর অমনোযোগ নিয়ে স্ত্রীর মুখের দিকে একবার তাকালেন। তার চেয়েও বেশি বুক ভাঙা কষ্ট পেলাম ছেলে দুটোর আচরণে। মায়ের নিথর দেহের সামনে দাঁড়িয়েও তাদের কোনো ভাবান্তর নেই, কোনো শোক নেই। একবার মায়ের মুখের দিকে তাকিয়েই তারা আবার ফোনের ভিডিও গেমে বুঁদ হয়ে গেল।

আমার তখন মনে হলো—এই সেই মা, যিনি হয়তো তিলে তিলে নিজের জীবন শেষ করেছেন এই স্বামী আর সন্তানদের সংসার সামলাতে। যে সন্তানদের তিনি শৈশবে নিজ হাতে খাইয়ে দিয়েছেন, ব্যথা পেলে বুকে টেনে নিয়েছেন—আজ তার চলে যাওয়ার মুহূর্তেও সন্তানদের কাছে ভিডিও গেমের চেয়ে মায়ের শেষ বিদায়টা বড় হলো না!

এই দৃশ্যগুলো আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়—স্বামী, সন্তান, আপনজন যাদের জন্য আমরা আজ হন্যে হয়ে বেঁচে আছি, সবই আসলে ক্ষণিকের। আপনি মনে করছেন আপনার পরিবার আপনাকে ছাড়া অচল? বড়জোর এক সপ্তাহ আপনার জন্য কাঁদবে, তারপর জীবনের প্রয়োজনে সবাই 'Move On' করবে। যে স্বামী আজ আপনার হাতের রান্না ছাড়া খেতে পারেন না, তিনিও আপনার অবর্তমানে নতুন অবলম্বনের কথা ভাবতে শুরু করবেন। এটাই পৃথিবীর রূঢ় নিয়ম। কার জন্য কার জীবন থেমে থাকে?

মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। মনে মনে ভাববেন, এই মানুষগুলো পৃথিবীতে কীসের পেছনে ছুটেছিলেন আর আজ কী নিয়ে শুয়ে আছেন? যাদের জন্য তারা সারা জীবন অন্যায় করেছেন, তারা কি একবারও এই কবরের পাশে আসে?

আমাদের শরীর থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে এই দেহের আর কোনো মূল্য থাকে না। অথচ এই সামান্য জীবনের ৪০-৬০ বছরের জন্য আমরা অঢেল সম্পদের লোভে বিভোর থাকি। আমাদের দেশের চিত্র দেখুন—মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর, কিন্তু ঈমানি শক্তি আমাদের কত দুর্বল! রমজান মাসে যেখানে ইবাদতে মশগুল থাকার কথা, সেখানে আমরা একে অন্যকে ঠকানোর ফন্দি করি। দুর্নীতি আর চুরির টাকা দিয়ে কয়েকবার হজ করে বা দান-খয়রাত করে আমরা 'জান্নাত কনফার্ম' করতে চাই।

আমাদের সততা আজ সামান্য কয়েকটা টাকার কাছে হেরে যায়। অথচ মৃত্যুর পর যে কঠিন হিসাব শুরু হবে, সেটা যদি আমরা একবার উপলব্ধি করতে পারতাম, তবে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতে পারতাম না। আমরা অন্যের হক মারতাম না, কারো সাথে দুর্ব্যবহার করতাম না।

সবই পড়ে থাকবে—শুধু সাথে যাবে আপনার আমল। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে এই ধ্রুব সত্যটুকু উপলব্ধি করার এবং সঠিক পথে ফেরার সুযোগ দিন। আমিন।

বর্তমানে আমাদের চারপাশে একটি প্রবণতা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে—সম্মতিমূলক শারীরিক সম্পর্কের পর সম্পর্ক ভেঙে গেলেই সেটিকে 'বিয়...
07/04/2026

বর্তমানে আমাদের চারপাশে একটি প্রবণতা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে—সম্মতিমূলক শারীরিক সম্পর্কের পর সম্পর্ক ভেঙে গেলেই সেটিকে 'বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ' হিসেবে চালিয়ে দেওয়া। আমার এই Bitter Truth গুলো আমাদের তথাকথিত প্রগতিশীল নারী সমাজের ভালো লাগবে না জানি, তবুও বাস্তবতার খাতিরে কিছু কথা না বলে পারছি না।

১. প্রলোভন নাকি নিজের সিদ্ধান্ত? একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে কেউ 'প্রলোভিত' করছে বললেই কি সেটা বিশ্বাসযোগ্য? কেউ টোপ দিলেই যদি আপনি তাতে পা দেন, তবে আপনার Self-control আর Self-respect কোথায়? কেবল প্রলোভনের দোহাই দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যাওয়াটা কি চরম বোকামি নয়?

২. সম্পর্কের দায় কি কেবল একজনের? শারীরিক সম্পর্ক তো আর একতরফা বিষয় নয়। সেখানে কি আপনার কোনো সক্রিয় অংশগ্রহণ নেই? আপনি কি মৃতদেহ? যখন সবকিছু ঠিক থাকে তখন সেটি 'প্রেম', আর সম্পর্ক ভেঙে গেলেই সেটি 'ধর্ষণ'—এই মানসিকতা কি আদৌ ন্যায়সঙ্গত? আপনি যখন নিজের ইচ্ছায় সম্পর্কে জড়াচ্ছেন, তখন তার পরিণাম সম্পর্কে সচেতন থাকার দায়িত্ব আপনার নিজের।

৩. 'টেস্ট ড্রাইভ' বনাম আত্মসম্মান একটি উদাহরণ দেই—আপনি কি কোনো শোরুম থেকে গাড়ি কিনে ৬ মাস 'টেস্ট ড্রাইভ' করার পর বলতে পারবেন যে "পছন্দ হয়নি, ফেরত নিন"? অবশ্যই না। তাহলে নিজের জীবন আর সম্মানের ক্ষেত্রে কেন এত সস্তা সিদ্ধান্ত? বিয়ের নাম করে কেউ 'টেস্ট ড্রাইভ' করতে চাইলেই কেন রাজি হয়ে যান? এরপর মিডিয়ার সামনে ভিকটিম সেজে কান্নাকাটি করা কি নিজের সত্তাকে আরও ছোট করা নয়?

৪. প্রকৃত ভিকটিমরা যখন অবহেলিত ⚖️ সবচেয়ে ভয়ের জায়গা এটাই। এই ধরনের 'সুবিধাবাদী' অভিযোগের ভিড়ে আমাদের দেশে সেইসব মেয়েরা বিচার পাচ্ছে না যারা সত্যিই পাশবিক নির্যাতনের শিকার। যখন হাজারটা ভুয়া অভিযোগ সামনে আসে, তখন সমাজ এবং আইন আসল ভিকটিমদেরও সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করে।

নারী হিসেবে আপনি যতদিন না নিজেকে এবং নিজের সম্মানকে গুরুত্ব দেবেন, ততদিন সমাজ আপনাকে সম্মান দেবে না। নিজের সত্তাকে কাঁচাবাজারের পণ্যের থেকেও সস্তা বানিয়ে ফেরি করা বন্ধ করুন। নষ্টামিকে 'ভিকটিম' সেজে আড়াল করার চেষ্টা বন্ধ হোক, যাতে প্রকৃত নির্যাতিতরা বিচার পায়।
মনে রাখবেন, আপনার ব্যক্তিত্বই আপনার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

আমি সাধারণত ফেসবুকে খুব একটা সমালোচনামূলক পোস্ট দিই না। কারণ এখন চারপাশে এত অসংখ্য অসংগতির ঘটনা ঘটে যে—কোনটা রেখে কোনটা ...
17/03/2026

আমি সাধারণত ফেসবুকে খুব একটা সমালোচনামূলক পোস্ট দিই না। কারণ এখন চারপাশে এত অসংখ্য অসংগতির ঘটনা ঘটে যে—কোনটা রেখে কোনটা বলব! কিন্তু গতকাল একটি ভাইরাল ভিডিও দেখে একজন মা হিসেবে নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করতে বাধ্য হলাম—আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি?

আমাদের সমাজ, আমাদের ধর্ম—সবাই শেখায়, “মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।” কিন্তু সেই বেহেশ্ত কি সব মায়ের পায়ের নিচেই থাকে? ইদানীং দুটি ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে।

প্রথমটি—একজন তরুণীর আত্মহনন, যে স্বামীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমি বারবার ভাবছি—একজন নারী যখন মা হন, তখন তার প্রথম পরিচয় হয়ে যায় “মা”। জীবনে হাজার কষ্ট, হাজার অবিচার থাকতে পারে—কিন্তু সেই কষ্টের ভার কি সন্তানের অধিকার কেড়ে নেওয়ার অনুমতি দেয়? মাত্র ৫ বছরের সেই কোমল শিশুটিকে সে নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখে ফেলে রেখে গেল। যে শিশুটিকে সে এতদিন পৃথিবীর সব আদর দিয়ে আগলে রেখেছিল, আজ মা হারা হয়ে সে কোথায় যাবে? মা-বাবার ভুলের জন্য কেন তাকে এই অন্ধকার অনিশ্চয়তার রাজ্যে নিক্ষিপ্ত হতে হলো? পৃথিবীর কোনো দুঃখ-কষ্টই একজন মাকে সেই অধিকার দেয়নি যে, সে তার মাতৃত্বের দায়িত্ব ভুলে সন্তানকে এভাবে ফেলে চলে যাবে।

আরেকটি ঘটনা—গতকাল দেখলাম একজন মা তার মাত্র দুই মাসের দুগ্ধপোষ্য শিশুকে রেখে নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটে গিয়েছিলেন। তিন বছর পর ফিরে এসে সেই আবেগঘন মুহূর্তকে “সাক্রিফাইস” হিসেবে দেখিয়ে তিনি ভাইরাল হলেন। কিন্তু আমার ভেতরে প্রশ্নটা আরও তীব্র হয়ে উঠছে—আহা, এই দীর্ঘ তিনটি বছর সেই মাসুম বাচ্চাটা কী পরিমাণ কষ্ট পেয়েছে! এই যে শিশুটি মাতৃত্বের মমতা থেকে বঞ্চিত হলো, তার সাথে ঘটে যাওয়া এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার ভাষা তো শিশুটির নেই, সমাজেরও নেই। একটি নিষ্পাপ শিশুর স্রষ্টা প্রদত্ত অধিকার—মায়ের দুধ, মায়ের গন্ধ, মায়ের স্পর্শ—সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করা কি কোনোভাবেই ন্যায্য হতে পারে? ওই বয়সে একটি শিশুর অধিকার ছিল মায়ের বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকা, তার শরীরের প্রতিটি স্পন্দনে মিশে থাকা।

আমরা অনেক সময় ভুলে যাই—সন্তানের হক থেকে তাকে বঞ্চিত করা কোনো স্বাধীনতা নয়, এটি এক ধরনের চরম অন্যায়। আমি জানি, নারীদের জীবন সহজ নয়। বাবার বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি, দাম্পত্য—অনেক সংগ্রাম, অনেক অবহেলা আর নির্যাতন সহ্য করতে হয়। তবুও, একজন মা হিসেবে আমার সব মায়েদের প্রতি বিনীত অনুরোধ—আপনার কষ্ট যত বড়ই হোক, আপনার সন্তানের অধিকার যেন তার চেয়েও ছোট না হয়ে যায়।

মনে রাখবেন—জীবন থেমে থাকে না। সন্তান বড় হয়ে যাবে, সময় আবার আপনার হাতে ফিরে আসবে। তখন আপনি চাইলে আবার নতুন করে নিজের স্বপ্ন সাজাতে পারবেন। কিন্তু সন্তানের শৈশব—বিশেষ করে জীবনের প্রথম দুই বছর—এই সময়টা আর কখনো ফিরে আসবে না। এই সময়েই একটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, তার আবেগ, তার নিরাপত্তাবোধ—সবকিছুর ভিত্তি গড়ে ওঠে। সে মায়ের গন্ধ চিনতে শেখে, মায়ের কণ্ঠে শান্তি খুঁজে পায়। এই স্মৃতিগুলোই তার জীবনের আসল ভিত।

আমরা অনেক সময় ভাবি—দামী স্কুল, ব্র্যান্ডের পোশাক, ভালো খাবার—এসব দিয়েই সন্তানকে “ভালো মানুষ” বানানো যায়। কিন্তু সত্য হলো—সন্তান মানুষ হয় মায়ের সান্নিধ্যে, মায়ের মমতায় আর পরিবারের মূল্যবোধে। আজ যারা সন্তানকে সময় দেয় না, কাল সেই সন্তানের কাছ থেকে সময় না পেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আমরা প্রায়ই সন্তানের উপর দোষ চাপাই, কিন্তু ভুলে যাই—তার শিকড়টা আমরা কেমন করে গড়ে দিয়েছিলাম।

শেষ কথা—যদি আপনি সেই সৌভাগ্যবতী নারী হন, যাকে স্রষ্টা একটি সন্তানের দায়িত্ব দিয়েছেন, তবে সেই আমানতের খেয়ানত করবেন না। তার জীবনের প্রথম দিনগুলোতে তাকে আপনার ভালোবাসা, আপনার ছোঁয়া, আপনার উপস্থিতি দিন। কারণ জীবনের শেষ প্রান্তে কেউ কর্পোরেট টাইটেল মনে রাখে না—মানুষ খোঁজে তার আপনজন, তার সন্তান আর তার পরিবারকে।

পরম করুণাময় সকল মায়ের কষ্টকে প্রশান্তিতে রূপান্তর করুন, আর আমাদের সবাইকে সঠিক বোধ ও দায়িত্ববোধ দান করুন।

03/02/2026

তুমি ছাড়া কোনও উপাস্য নাই। তুমি মহাপবিত্র।
আমি পাপী, আমি গুনাহগার । আমায় ক্ষমা করো, আমায় কবুল করো।

পবিত্র শবে বরাতে পরম করুণাময় আমাদের সকলকে তার রহমতের ছায়ায় রাখুন। ক্ষমা করুন!

পবিত্র শবে বরাতে
হে আল্লাহ, আমাদের সকলকে তোমার রহমতের ছায়ায় রাখো।

অজান্তে-জান্তে করা সব ভুল ক্ষমা করে দাও।
হৃদয়কে পবিত্র করো, জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করো।

❓ What You’re Eating — Is It Really Food?We walk into supermarkets and see shelves full of colorful, attractive “foods.”...
25/01/2026

❓ What You’re Eating — Is It Really Food?

We walk into supermarkets and see shelves full of colorful, attractive “foods.”
But have you ever stopped to ask—

👉 Is this actually food… or just something edible?
Try this simple test:
Pick up any packaged item in your kitchen and read the label. If it has:

❌ More than 5 ingredients
❌ Names you can’t pronounce

You’re probably not eating food.
You’re eating Ultra-Processed Food (UPF).

These products are not made to nourish you.
They’re engineered in laboratories to hack your brain, overstimulate dopamine, and keep you eating—without ever feeling full.

📊 Research shows:
• Ultra-processed food is linked to heart disease, diabetes, cancer, and early death
• Heart disease risk increases by 24%
• Risk of early death increases by 25%

This isn’t just a Western problem.
Countries like Bangladesh are seeing a sharp rise in diabetes and chronic illness—largely driven by highly processed diets.

🧠 Even more concerning:
• UPFs destroy gut bacteria that control 70% of our immunity
• They affect children’s mood, behavior, and mental health
• A mother’s diet during pregnancy can influence a child’s emotional regulation later in life

✨ The good news?
The solution is simple—and powerful.
🥗 Choose real, natural, home-cooked food
📵 Eat mindfully—no phone, no scrolling
🍎 Keep healthy options within reach
🚫 Read labels. Avoid white sugar and long chemical lists

Remember—
👉 Every bite you take is shaping your future health.
We are not dustbins for lab-made products. We deserve real food.
Food that nourishes, not harms.

So ask yourself today—
What I’m eating… is it really food?



Life Lessons: আঘাত দিয়েও যে অনায়াসে ঘুমিয়ে পড়তে পারে, ভেজা চোখ দেখে যে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে, সে আর  যাইই হোক, কখনোই...
17/12/2025

Life Lessons: আঘাত দিয়েও যে অনায়াসে ঘুমিয়ে পড়তে পারে, ভেজা চোখ দেখে যে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে, সে আর যাইই হোক, কখনোই তোমার আপন নয়, অন্তত তোমার ভালোবাসার যোগ্য না। হ্যা ঠিকই বলেছি —সে যোগ্য না তোমার ভালোবাসার।

তোমার মন খারাপ যা কে স্পর্শ করতে পারে না, তোমার চোখের জল যাকে বিচলিত করতে পারে না, তোমার নীরবতা যাকে অস্থিরতা দিতে পারে না, তোমার খারাপ লাগা যাকে সংবেদনশীল করে তুলতে পারে না, তোমার অনুপস্থিতি যাকে শুন্যস্থান দিতে পারে না, সে তোমার কেউ না! কোনোদিন ছিল না। এটাই বাস্তবতা !

নিউ ইয়র্কের কিউ মিস করবেন না কিন্তু!!
28/11/2025

নিউ ইয়র্কের কিউ মিস করবেন না কিন্তু!!

❤️ Family deserves more than your presence—they deserve your heart.

সাদাকায়ন সেশনে আসুন—
অনুভব করুন গভীর চিন্তার আলোচনা+ একটি শক্তিশালী গাইডেড মেডিটেশন।

Join us this Sunday for a powerful Sadakaion discussion and guided meditation session.
We’ll explore how to rebuild emotional presence, reconnect with family, and cultivate mindful love in a distracted world.

✨✨ Reset your heart. Reconnect with your people. You are warmly invited.

সাদাকায়ন প্রতি রবিবার সকাল ১০ টায়,
কোয়ান্টাম মেডিটেশন সোসাইটির জ্যামাইকাস্থ কার্যালয়ে

কোয়ান্টাম লার্নিং সেন্টার:
৮৬-৪৭ ১৬৪ স্ট্রিট, সুইট: BE
জ্যামাইকা, নিউ ইয়র্ক ১১৪৩২।

লাইভ অনলাইন এ জয়েন করতে ভিজিট করুন
Www.qms-USA.org/sadakaion/

Address

Back In Motion Ltd. @ Zaara Convention Center
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tazia Sardar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Tazia Sardar:


Parse error: syntax error, unexpected '}', expecting end of file in /home/multisite/volt/findhealthclinics/%%home%%multisite%%apps%%geosite%%views%%unify01%%partials%%item_sidebar.volt.php on line 287